টেমপ্লেট:প্রধান পাতা ভালো নিবন্ধ/তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Rashid Choudhury (1932 – 1986) cropped.jpg

রশিদ হোসেন চৌধুরী, ছিলেন একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, লেখক এবং অধ্যাপক। বাংলাদেশে শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে শিল্পী জয়নুল আবেদীন প্রবর্তিত উত্তর-উপনিবেশিক পর্বে সৃজনশীল ও মৌলিকত্বে তিনি ছিলেন সর্বজন প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পীদের মধ্যেও অন্যতম ছিলেন এবং পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশের আধুনিক শিল্প-আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে স্বকীয় শিল্পচর্চার সূচনা করেছিলেন। ভারত উপমহাদেশে, বিংশ শতাব্দীর তাপিশ্রী শিল্পী হিসেবে তিনি অন্যতম অগ্রগামী। এ-মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক মৌলিক এবং আধুনিক শিল্পধারার চর্চাকারী হিসেবে অগ্রগণ্য। তাপিশ্রীর পাশাপাশি প্রচলিত তেল রঙ ছাড়াও তিনি কাজ করেছেন টেম্পেরা, গোয়াশ এবং জলরঙ ইত্যাদি অপ্রচলিত মাধ্যমসমূহে। দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি এবং রাষ্ট্রীয় ও সাধারণ ভবনসমূহে তাপিশ্রী মাধ্যমে বহুসংখ্যক কাজ করেছেন তিনি। এই তাপিশ্রী শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে তাকে বাংলাদেশের জাতীয় এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী পুরস্কার প্রদান করা হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আন্তন চেখভ

আন্তন পাভলোভিচ চেখভ একজন রুশ চিকিৎসক, ছোটগল্পকার এবং নাট্যকার ছিলেন। তাঁর জন্ম ২৯ জানুয়ারি, ১৮৬০ এ দক্ষিণ রাশিয়ার তাগানরোগ নামক এলাকায়। তাঁকে বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা ছোটগল্প লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর ছোটগল্পগুলো লেখক, সমালোচক সমাজে প্রভূত সমাদর অর্জন করেছে। নাট্যকার হিসেবে পেশাজীবনে চেখভ চারটি ক্ল্যাসিক রচনা করেন। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে এমন নাট্যকারদের মাঝে শেকসপিয়রইবসেনের পাশাপাশি চেখভের নামও উল্লেখ করা হয়। শুরুতে চেখভের লেখক হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিলো না। প্রথমদিকের গল্পগুলো তিনি লিখেছিলেন জীবনযাপন ও পড়ালেখার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যোগাড় করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু পরে তাঁর মধ্যে শিল্পীসুলভ উচ্চাকাঙ্ক্ষা জন্ম নিলে ক্রমে তিনি সাহিত্যচর্চার ভিন্ন রীতি ও প্রবণতার উদ্ভাবন করেন যা আধুনিক ছোটগল্পের বিকাশে বিশেষ প্রভাব রাখে। ১৮৮০ থেকে ১৯০৩ সালের মধ্যে তিনি সর্বমোট ৬০০টি সাহিত্যকর্ম রচনা ও প্রকাশ করেন। শুরুতে নাট্যকার হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পান থ্রি সিস্টারস, দ্য সীগাল এবং দ্য চেরি অরচার্ড এই তিনটি নাটকের মাধ্যমে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


সূক্ষাতিসূক্ষ ও জটিল ইলেকট্রনিক বর্তনী

তড়িৎ প্রকৌশল, যা প্রায়শ তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল নামে অভিহিত) প্রকৌশল পেশার একটি প্রধান শাখা যা মূলত তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্সতড়িচ্চুম্বকত্ব নিয়ে কাজ করে। উল্লেখযোগ্য পেশা হিসেবে তড়িৎ প্রকৌশল আত্মপ্রকাশ করে উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে, যখন টেলিগ্রাফি এবং বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। বর্তমানে তড়িৎ প্রকৌশলের ব্যাপ্তি বিদ্যুৎশক্তি, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স, টেলিযোগাযোগ সহ আরও কিছু উপশাখা জুড়ে বিস্তৃত।তড়িৎ প্রকৌশল বলতে অনেক সময় তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলও বোঝানো হয়ে থাকে। তবে যখন শুধু তড়িৎ প্রকৌশল বলা হয় তখন মূলত যে শাখা বড় আকারের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বা যন্ত্রপাতি যেমন বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন, বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে তাকে বোঝানো হয়। অন্যদিকে ক্ষুদ্র আকারের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন কম্পিউটার, সমন্বিত বর্তনী ইত্যাদি ইলেকট্রনিক প্রকৌশলের অন্তর্গত। অন্য কথায় তড়িৎ প্রকৌশলীগণ সাধারণত শক্তি সঞ্চালনের জন্য বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে কাজে লাগান আর ইলেকট্রনিক প্রকৌশলীগণ তথ্য আদানপ্রদানের কাজে বিদ্যুতশক্তিকে ব্যবহার করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


১৯৮৮ সালের আর্সেনাল দল

আর্সেনাল ফুটবল ক্লাব, যা আর্সেনাল বা গানার্স নামেও পরিচিত, একটি ইংরেজ পেশাদার ফুটবল ক্লাব। ইংরেজ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সফল ক্লাব। আর্সেনাল মোট তের বার প্রথম বিভাগ এবং ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা, দশ বার এফএ কাপ এবং ২০০৫-০৬ মৌসুমে লন্ডনের প্রথম ক্লাব হিসাবে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্‌স লীগের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এছাড়াও ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা ক্লাবদের সংঘ জি-১৪-এর গুরুত্বপুর্ণ সদস্য। আর্সেনালের প্রতিষ্ঠা ১৮৮৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ওউলিচে১৯১৩ সালে হাইবারিতে স্থানান্তরিত হয়। সেখানে স্থাপিত হয় আর্সেনাল স্টেডিয়াম। যদিও ক্লাবটির প্রতিষ্ঠা ১৮৮৬ সালে, আর্সেনালের সাফল্যের সূচনা ১৯৩০ সালে প্রথমবারের মতো লীগ চ্যাম্পিয়ন শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে। ১৯৭০-৭১ মৌসুমে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দল হিসাবে আর্সেনাল যুগ্ম শিরোপা জয় করে। শেষের বিশটি বছর ছিল ক্লাবটির স্বর্ণ যুগ। এসময় তারা দ্বিতীয় বারের মতো আবার ২০০৩-০৪ মৌসুমে যুগ্ম শিরোপা জয় করে। এই মৌসুমেই তারা অপরাজিত থেকে লীগ শিরোপা জয় করে। ২০০৫-০৬ সালে তারা লন্ডনের প্রথম ক্লাব হিসাবে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্‌স লীগের ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়। প্রথাগতভাবে আর্সেনালের রঙ লাল ও সাদা। (বাকি অংশ পড়ুন...)


লিওনেল মেসি (২০১১)

লিওনেল আন্দ্রেস "লিও" মেসি একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবল খেলোয়াড়, যিনি স্পেনের জাতীয় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা লা লিগাতে বার্সেলোনা ক্লাব এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সেই তিনি বালোঁ দর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত হন। এর পরের বছরেই তিনি প্রথমবারের মত বালোঁ দর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় পুরস্কার জিতে নেন। ২০১০ সাল থেকে বালোঁ দর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দুটিকে এক করে নাম দেওয়া হয় ফিফা বালোঁ দর। উদ্বোধনী বছরেই এই পুরস্কার জেতেন মেসি। এরপর ২০১১ এবং ২০১২ সালের পুরস্কারও জেতেন তিনি। মেসি ২০১১–১২ মৌসুমে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন। মেসি বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতা। অনেক ভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড় তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করেন। বার্সেলোনার হয়ে মেসি পাঁচটি লা লিগা শিরোপা, দুইটি কোপা দেল রে, পাঁচটি স্পেনীয় সুপার কাপ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দুইটি ইউরোপীয়ান সুপার কাপ এবং দুইটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ইয়োহানেস কেপলার

ইয়োহানেস কেপলার (জার্মান: Johannes Kepler) একজন জার্মান গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষী। তিনি ১৭শ শতকের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব, বিখ্যাত হয়ে আছেন কেপলারের গ্রহীয় গতিসূত্রের কারণে। পরবর্তীকালের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাঁর লেখা আস্ত্রোনমিয়া নোভা, হারমোনিকেস মুন্দি এবং এপিতোমে আস্ত্রোনমিয়াই কোপেরনিকানাই বইগুলির মধ্যে লেখা নীতিগুলিকেই তাঁর সূত্র হিসাবে নামকরণ করেছেন। কেপলারের আগে গ্রহের গতিপথ জ্যোতিষ্কসমূহের খ-গোলক অনুসরণ করে নির্ণয় করা হত। কেপলারের পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার কক্ষপথ অনুসরণ করে। কেপলারের গ্রহীয় সূত্রগুলো আইজাক নিউটনের বিশ্বজনীন মহাকর্ষ তত্ত্বের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল। কর্মজীবনে কেপলার ছিলেন অস্ট্রিয়ার গ্রাৎস শহরে অবস্থিত একটি সেমিনারি স্কুলে গণিতের শিক্ষক যেখানে তিনি প্রিন্স হান্স উলরিখ ফন এগেনবের্গের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীতে পরিণত হন। এরপরে তিনি বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ট্যুকো ব্রাহের সহকারী হন এবং একসময় সম্রাট দ্বিতীয় রুডলফ এবং তার দুই উত্তরসূরী মাটিয়াস ও দ্বিতীয় ফের্ডিনান্ডের রাজগণিতবিদ হিসেবে কাজ করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


পশ্চিমবঙ্গের জেলাসমূহ

ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ একাধিক ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত। যেমন, দার্জিলিং হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চল, রাঢ় অঞ্চল, পশ্চিমের উচ্চভূমি ও মালভূমি অঞ্চল, উপকূলীয় সমভূমি অঞ্চল, সুন্দরবন এবং গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চল। ১৯৪৭ সালে, যখন ভারত স্বাধীনতা লাভ করে, তখন ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রদেশ বিভাজনের পরিকল্পনা অনুযায়ী উক্ত প্রদেশের ১৪টি জেলা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গঠিত হয়। ১৯৫০ সালে পূর্বতন দেশীয় রাজ্য কোচবিহার একটি জেলা রূপে পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৫৪ সালে পূর্বতন ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগর রাজ্যের হুগলি জেলার একটি অংশ রূপে যুক্ত হয়। ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন অনুযায়ী, পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভুক্তি ঘটে এবং বিহারের অপর একটি অংশ পশ্চিম দিনাজপুরের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরবর্তীকালে পশ্চিম দিনাজপুর, মেদিনীপুর ও চব্বিশ পরগনা জেলার মতো বৃহদাকার জেলাগুলিকে দ্বিধাবিভক্ত করা হয়। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ তিনটি বিভাগ ও উনিশটি জেলায় বিভক্ত। বিভাগগুলি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলাগুলি জেলাশাসকের দ্বারা শাসিত হয়। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা কলকাতা জেলায় অবস্থিত। অন্যান্য জেলাগুলি মহকুমাব্লকে বিভক্ত। (বাকি অংশ পড়ুন...)


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরুবিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছগীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর রচিত আমার সোনার বাংলাজনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। (বাকি অংশ পড়ুন...)


লালনের জীবদ্দশায় তৈরি করা একমাত্র চিত্র, ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে এঁকেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর

লালন (জন্ম ১৭৭৪- মৃত্যু অক্টোবর ১৭, ১৮৯০) বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালী যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। লালনকে বাউল গানের একজন অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার গানের মাধ্যমেই ঊনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাকে ‘বাউল সম্রাট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। লালন ছিলেন একজন মানবতাবাদী যিনি ধর্ম, বর্ন, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার গানসমূহ রচনা করেন। তার গান ও দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুলের মত বহু খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবিসহ অসংখ্য মানুষকে। তার গানগুলো মূলত বাউল গান হলেও বাউল সম্প্রদায় ছাড়াও যুগে যুগে বহু সঙ্গীতশিল্পীর কন্ঠে লালনের এই গানসমূহ উচ্চারিত হয়েছে। গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


গ্লুকোজ ট্যাবলেট

গ্লুকোজ (ইংরেজি:Glucose) বা দ্রাক্ষা-শর্করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্বোহাইড্রেট যা শর্করার রাসায়নিক শ্রেণিবিভাগে এক প্রকার একশর্করা বা মনোস্যাকারাইড। জীবন্ত কোষ গ্লুকোজকে শক্তি ও বিপাকীয় প্রক্রিয়ার একটি উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান উৎপাদ। গ্লুকোজ প্রাণী ও উদ্ভিদের কোষের শ্বাসক্রিয়ায় অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। পাকা, মধু ও আধিকাংশ মিষ্ট ফলে গ্লুকোজ থাকে । রক্তে এবং বহুমূত্র রোগীর মূত্রে সামান্য পরিমাণে গ্লুকোজ আছে। গ্লুকোজ গ্রিক শব্দ glukus (γλυκύς) থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ “মিষ্টি” এবং "-ose" প্রত্যয়টি চিনি নির্দেশ করে। অ্যালডোহেক্সোজ চিনির দুইটি স্টেরিও সমাণু গ্লুকোজ নামে পরিচিত, যার মাত্র একটি (D-গ্লুকোজ ) জৈবিকভাবে সক্রিয়। এই গঠনটিকে অনেক সময় ডেক্সট্রোজ ("ডেক্সট্রোরোটেটরি" হতে উদ্ভূত) মনোহাইড্রেট অথবা বিশেষত খাদ্য শিল্পে সাধারণভাবে ডেক্সট্রোজ বলা হয়। এই নিবন্ধটিতে D-গঠনবিশিষ্ট গ্লুকোজ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, L-গ্লুকোজ কোষে জৈবিকভাবে বিপাকীয় ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না, যা গ্লাইকোলাইসিস নামে পরিচিত। (বাকি অংশ পড়ুন...)


চুড়িহাট্টা মসজিদ

প্রাচীন চুড়িহাট্টা মসজিদ বা চুড়িহাট্টা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম একটি পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা ঢাকা মহানগরের পুরোন ঢাকার উমেশ চন্দ্র দত্ত লেন ও হায়দার বকশ লেনের তেমাথায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে মসজিদটি চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদ নামে পরিচিত ছিল। মসজিদটির প্রকৃত অবস্থান ছিল চকবাজারের সামান্য পশ্চিম দিকে ২৬-২৭ শেখ হায়দার বকশ লেন। ঐতিহাসিক তথ্যমতে মসজিদটি ৩৬০ বছর পুরোন (২০০৮ খ্রিস্টাব্দ)। তবে প্রাচীন মসজিদ স্থাপত্যটি বর্তমানে বিলুপ্ত, সে জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক স্থাপত্য। চুড়িহাট্টার ঐতিহাসিক মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব না জেনেই মসজিদ কমিটির লোকজন অপেক্ষাকৃত বৃহদাকৃতির বহুতল মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে পুরোন মসজিদটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেন। জানা যায় ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকেই মসজিদটি ভাঙার কাজ শুরু হয়, এবং জুলাই মাস নাগাদ পুরো মসজিদটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পুরোন, ধ্বংস করে দেয়া মসজিদটির জায়গায় নির্মিত হয়েছে নতুন মসজিদ ভবন। নতুন ভবনের দোতলার মিহরাবে আদি মসজিদের ফলকটি স্থাপন করা হয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


রিয়াজ

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক যিনি রিয়াজ নামেই বেশি পরিচিত হলেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলার নায়ক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন। ১৯৯৭ সালে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত প্রাণের চেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্রে রিয়াজ অভিনয় করেন যা ব্যবসায়িকভাবে সফল হয় এবং একইসঙ্গে রিয়াজকে জনসাধারণের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলে। তিনি বাংলাদেশের অনেক প্রখ্যাত পরিচালকের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও রিয়াজ ভারতীয় চলচ্চিত্রকার ও অভিনেতা মহেশ মাঞ্জরেকারের ইট ওয়াজ রেইনিং দ্যাট নাইট নামে একটি ইংরেজী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চলচ্চিত্রে রিয়াজ বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের সাথে কাজ করেছেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত করে। পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলি যথাক্রমে দুই দুয়ারী (২০০০), দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭) এবং কি যাদু করিলা (২০০৮)। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ইবন বতুতা

ইবন বতুতা সুন্নি মুসলিম পর্যটক, চিন্তাবিদ, বিচারক এবং সুন্নি ইসলামের মালিকি মাযহাবে বিশ্বাসী একজন ধর্মতাত্ত্বিক। তিনি ১৩০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী মরোক্কোর তাঞ্জিয়ারে জন্মগ্রহন করেন। চীন সহ পৃথিবীর অনেক যায়গায় তিনি "শামস-উদ-দীন" নামেও পরিচিত। ইবন বতুতা সারা জীবন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। পৃথিবী ভ্রমণের জন্যই তিনি মূলত বিখ্যাত হয়ে আছেন। একুশ বছর থেকে শুরু করে জীবনের পরবর্তী ৩০ বছরে তিনি প্রায় ৭৫,০০০ মাইল (১,২০,০০০কিমি) অঞ্চল পরিভ্রমণ করেছেন। তিনিই একমাত্র পরিব্রাজক যিনি তার সময়কার সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন এবং এর সুলতানদের সাথে সাক্ষাত করেছেন। অর্থাৎ বর্তমান পশ্চিম আফ্রিকা থেকে শুরু করে মিশর, সৌদি আরব, সিরিয়া, ইরান, ইরাক, কাজাকিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং চীন ভ্রমণ করেছিলেন। ভ্রমণকালে তিনি এই উপমহাদেশের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, সুফি, সুলতান, কাজি এবং আলেমদের সাক্ষাত লাভ করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


২০১৩ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে এমা ওয়াটসন

এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন (জন্ম: ১৫ এপ্রিল, ১৯৯০) একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ অভিনেত্রীমডেল, যিনি এমা ওয়াটসন নামেই বেশি পরিচিত। তিনি বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয় হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের চরিত্রে অভিনয় করে সবিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। নয় বছর বয়সে অভিনয় শুরু করা এই অভিনেত্রী ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত হ্যারি পটারকে ঘিরে ধারাবাহিকভাবে ছয়টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি এসব চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি আয় করেন। ২০০৯ সালে তিনি প্রথমবারের মত মডেলিং করেন। তার অভিনীত দ্য টেল অব ডেসপারেক্স নামের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি ২০০৮ সালে মুক্তি পায় এবং বিশ্বব্যাপী $৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও অধিক মুনাফা অর্জন করে। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এমা ওয়াটসন তার পড়ালেখার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের কাজেও নিজেকে জড়িত রাখেন। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে দুটি টেস্ট ও তিনটি ওডিআই ম্যাচ খেলে। অলরাউন্ডার খালেদ মাহমুদ এই সফরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন। অস্ট্রেলিয়া দলকে দুইজন নেতৃত্ব দেন। টেস্টে স্টিভ ওয়াহ ও ওডিআই-এ রিকি পন্টিং। এই সিরিজের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ার কোন রাজ্যের রাজধানীর বাইরে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়; ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয় কেয়ার্ন্স-এর বান্ডাবার্গ রাম স্টেডিয়াম এবং নতুন করে মানোন্নয়ন করা ডারউইনের মারারা ওভালে। অস্ট্রেলিয়া সহজেই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জয় করে। বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ওডিআই সিরিজেও ভাল ছিল না এবং তাঁরা কোন ইনিংসেই ১৪৭ রানের বেশি করতে সক্ষম হয় নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে। অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সিরিজ ছিল ২০০৩ সালের অক্টোবর মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ অস্ট্রেলীয় ওপেনার ম্যাথু হেডেন ওয়াকা গ্রাউন্ড-এ ১ম টেস্টে ৩৮০ রানের তখনকার টেস্টের সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন। সিডনির সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড-এ অনুষ্ঠিত ২য় টেস্টে সহজেই জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া ২-০ তে সিরিজটি জিতে নেয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


রাপাপোর্টে‌র হিস্ট্রি অফ ইজিপ্ট থেকে ফুসতাতের অঙ্কিত চিত্র

ফুসতাত (আরবি: الفسطاط‎‎), ছিল মুসলিম শাসনের অধীনে মিশরের রাজধানী। মুসলিম সেনাপতি আমর ইবনুল আস ৬৪১ খ্রিষ্টাব্দে মিশর জয়ের পর এই শহর নির্মাণ করা হয়। মিশর ও আফ্রিকায় নির্মিত প্রথম মসজিদ আমর ইবনুল আস মসজিদ এখানে অবস্থিত। ১২ শতাব্দীতে শহরটি সমৃদ্ধির সর্বো‌চ্চ শিখড়ে পৌঁছায়। এ সময় জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২,০০,০০০ জন।ফুসতাত ছিল মিশরের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ক্রুসেডারদের হাত থেকে ফুসতাতের সম্পদ দূরে রাখার জন্য উজির শাওয়ার ফুসতাতকে আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার আদেশের পূর্ব পর্যন্ত এর গুরুত্ব এরূপ ছিল। পরবর্তীতে, শহরের বাকি অংশ কায়রোর অংশ করে নেয়া হয়। ফাতেমীয়রা ৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ফুসতাতের উত্তরে খলিফার রাজকীয় আবাস হিসেবে কায়রো গড়ে তুলেছিল। অঞ্চলটি এরপর শত বছর ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকে এবং ভাগাড় হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে। বর্তমানে ফুসতাত পুরনো কায়রোর অংশ। রাজধানী যুগের অল্প কিছু দালান এখনো টিকে রয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে এখানকার অনেক ভূগর্ভস্থ নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Early Kufic script - Qur'anic Manuscript.jpg

বাইত আল কুরআন (আরবি: بيت القرآن‎‎, অর্থ: কুরআনের ঘর) বাহরাইনের হুরায় অবস্থিত ইসলামি শিল্পের উপর বিশেষায়িত একটি কমপ্লেক্স। এটি ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কমপ্লেক্স এখানকার ইসলামি জাদুঘরের জন্য প্রসিদ্ধ। এটি পৃথিবীর প্রসিদ্ধতম ইসলামি জাদুঘরগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে এই কমপ্লেক্সের নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের মার্চে জাদুঘর চালু করা হয়। আবদুল লতিফ জাসিম কানু এর উদ্বোধন করেন। কুরআন ও অন্যান্য দুর্লভ বইয়ের মূল্যবান পাণ্ডুলিপি রক্ষার জন্য এটি নির্মিত হয়। একটি আঞ্চলিক ম্যাগাজিনের মতে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে এই উদ্যোগ অভাবনীয়। এই প্রতিষ্ঠান ও এর জাদুঘরে আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ কুরআনের ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এখানে পূর্বে চীন থেকে পশ্চিমে স্পেন পর্যন্ত ইসলামি বিশ্বের নানা স্থানের কুরআনের পাণ্ডুলিপি রয়েছে। জটিল গঠনের বাহ্যিক নকশা ১২শ-শতাব্দীর প্রাচীন মসজিদের নকশার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। কমপ্লেক্সে মসজিদ, গ্রন্থাগার, অডিটোরিয়াম, মাদ্রাসা এবং দশটি প্রদর্শন হলযুক্ত জাদুঘর রয়েছে। মূল হল ও মসজিদের উপর বড় আকারের স্ট্রেইন্ড গ্লাসের গম্বুজ রয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


২০০০ সালের ৪ই জানুয়ারী গ্যালিলিও স্পেসক্রাফট থেকে গৃহীত আলোকচিত্র

থিবি (গ্রিক: Θήβη) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ যা জুপিটার XIV নামেও পরিচিত। এটি বৃহস্পতি গ্রহ থেকে দূরত্বের দিক বিবেচনায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ৫ই মার্চ ভয়েজার ১-এর বৃহস্পতির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তোলা ছবি থেকে স্টিফেন পি. সাইনোট সর্বপ্রথম এর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। ১৯৮৩ সালে গ্রিক পুরাণের দেবী চরিত্র থিবি-এর নামে উপগ্রহটির নামকরণ করা হয়। বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহরাজির মধ্যে থিবি দ্বিতীয় বৃহত্তম। এর কক্ষপথ থিবি গোসামার চক্র মুলতঃ থিবির বাইরের পৃষ্ঠের ধুলোবালি দিয়ে তৈরি। এর আকৃতি অনির্দিষ্ট এবং কিছুটা লালচে বর্ণের। ধারণা করা হয়, এতে অ্যামেলথীয়া-এর মত অজানা পরিমাণ বিভিন্ন বস্তু, খনিজ জল ও বরফের উপস্থিতি রয়েছে। এর পৃষ্ঠে খানাখন্দ এবং উচ্চ পর্বত বিদ্যমান যার কিছু-কিছু চাঁদের সাথে তুলনা করার মত। ভয়েজার ১ ও ২ মহাকাশযানের মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে প্রথম থিবির ছবি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে মহাকাশযান গ্যালিলিও অরবিটার-এর মাধ্যমে ১৯৯০ সালে থিবির বিস্তারিত জানা যায়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


মাসলামা ইবনে আবদুল মালিক (আরবি: مسلمة بن عبد الملك‎‎; মৃত্যু ৭৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন একজন উমাইয়া রাজপুত্র এবং ৮ম শতাব্দীর প্রথমদিকের একজন বিখ্যাত আরব সেনাপতি। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যখাজার খাগানাতের বিরুদ্ধে তিনি বেশ কিছু অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কনস্টান্টিনোপলে দ্বিতীয় ও শেষ আরব অবরোধে নেতৃত্ব প্রদান এবং ককেশাসে মুসলিমদের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য তিনি বেশি পরিচিতি পান। তিনি মুসলিম দারবান্দের প্রতিষ্ঠাতা। মাসলামা ছিলেন উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ানের (শাসনকাল ৬৮৫–৭০৫) পুত্র। খলিফা প্রথম আল-ওয়ালিদ (শাসনকাল ৭০৫–৭১৫), সুলাইমান ইবনে আবদুল মালিক (শাসনকাল ৭১৫-৭১৭), দ্বিতীয় ইয়াজিদ (শাসনকাল ৭২০–৭২৪) ও হিশাম ইবনে আবদুল মালিক (শাসনকাল ৭২৪–৭৪৩) তার সৎভাই ছিলেন। ৭০৫ খ্রিষ্টাব্দে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে গ্রীষ্মকালের বার্ষিক অভিযানের সময় তিনি প্রথম নেতৃত্ব দেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। এশিয়া মাইনরের দক্ষিণপূর্বে বাইজেন্টাইন শহর তিয়ানার বিরুদ্ধে ৭০৭-৭০৮ খ্রিষ্টাব্দের অবরোধ তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অভিযান। আগের বছর সেনাপতি মাইমুনের পরাজয় ও মৃত্যুর পাল্টা আঘাত হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আবদুল্লাহ আল-বাত্তাল (আরবি: عبدالله البطال‎‎; মৃত্যু ৭৪০ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন ৮ম শতাব্দীর প্রথমদিকে আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধের একজন মুসলিম যোদ্ধা। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে উমাইয়া খিলাফতের অভিযানে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। আবদুল্লাহ আল-বাত্তালের শৈশব বা প্রথম জীবন নিয়ে কিছু জানা যায় না। আবদুল্লাহ আল-বাত্তালের শৈশব বা প্রথম জীবন নিয়ে কিছু জানা যায় না। অনেক পরের বিবরণে তাকে এন্টিওক বা দামেস্কের ব্যক্তি বলে দাবি করা হয়। তার কয়েকটি কুনিয়াত রয়েছে যেমন আবু মুহাম্মদ, আবু ইয়াহিয়া বা আবুল হাসান। শেষোক্তটি দ্বারা তাকে সাধারণত সম্বোধন করা হয়। ধারণা করা হয় যে, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং এরপর তার নাম আবদুল্লাহ ("আল্লাহর দাস") রাখা হয়। এই নামটি তৎকালীন নতুন ইসলাম গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হত। আল-ইয়াকুবিআল-তাবারির ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, আল-বাত্তাল প্রথম ৭২৭ খ্রিষ্টাব্দে বাইজেন্টাইন এশিয়া মাইনরের বিরুদ্ধে বার্ষিক অভিযানের সময় আবির্ভূত হন। এই অভিযানে তৎকালীন খলিফা হিশাম ইবনে আবদুল মালিকের পুত্র মুয়াবিয়া ইবনে হিশাম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আল-বাত্তাল সেনাবাহিনীর সম্মুখভাগের নেতৃত্ব দেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


উমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মারওয়ান ছিলেন মালাতিয়ার একজন অর্ধ-স্বাধীন আরব আমির। ৮৩০-এর দশক থেকে ৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩রা সেপ্টেম্বর লালাকাওনের যুদ্ধে নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময় বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে তিনি বাইজেন্টাইনদের একজন শক্ত প্রতিপক্ষ ছিলেন। আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধের অন্য অনেক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তির মত উমরও আরব ও বাইজেন্টাইন কিংবদন্তীতে স্থান পেয়েছেন। আরবি মহাকাব্যিক সাহিত্য দিলহামাতে তিনি একজন প্রধান চরিত্র। তবে বনু সুলাইমের প্রতিপক্ষ বনু কিলাবের প্রতি পক্ষপাতিত্বের কারণে এতে তার ছোট করা হয়েছে। তার সংক্রান্ত গল্প আরব্য রজনীর গল্পে উমর ইবনুল নুমান ও তার ছেলের গল্পকে প্রভাবিত করেছে। এছাড়াও উমর আল-আকতা তুর্কি মহাকাব্যিক সাহিত্য বাত্তাল গাজিতে স্থান পেয়েছেন। বাত্তাল গাজি উমাইয়া সেনাপতি আবদুল্লাহ আল-বাত্তালকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং তিনিও দিলহামার একজন প্রধান চরিত্র। উমর আল-আকতা বনু সুলাইম গোত্রের সদস্য ছিলেন। মুসলিম বিজয়ের সময় এই গোত্র পশ্চিম আল-জাজিরাতে স্থায়ী হয়। মালাতিয়া ও জাজিরার সীমান্ত অঞ্চলে বাইজেন্টাইন এবং ককেসাস সীমান্তে খাজারিদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


নেপুলিন হ্রদের উত্তর-পশ্চিম অংশ, ছবিটি বাঁধের পাশ থেকে তোলা

নেপুলিন হ্রদ হল মানুষের তৈরি একটি স্বাদু পানির হ্রদ যা সাসেক্স সিটির ওয়ান্টেজ টাউনশিপ, নিউ জার্সি, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। পাপাকাটিং খাঁড়ির জল বিভাজিকায় অবস্থিত, ওয়ালকিল নদীর একটি উপনদী, একটি নামহীন পাহাড়ি ঢলের বাঁধ তৈরি করার সময় হ্রদটি ১৯৫০ সালে বেসরকারি আবাসন উন্নয়নের অংশ হিসেবে তৈরি হয়। ঢলটি বর্তমানে নেপুলাকাটিং খাঁড়ি নামে পরিচিত, ২০০২ সালের আগে এটির কোন নামকরণ করা হয়নি। খাঁড়িটির উৎস নেপুলিন হ্রদের উত্তর দিক থেকে প্রায় ০.৪ মাইল (০.৬ কিমি)  উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। নেপুলিনের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫০৯ ফুট (১৫৫ কি.মি.) উচ্চতায়। হ্রদটি একটি আবাসিক এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে যা ওয়ালকিল নদীর একটি উপনদী, পাপাকাটিং খাঁড়িতে পতিত হবার আগে এটি বাঁধ থেকে ১.৫ মাইল (২.৪ কি.মি.) দক্ষিণপূর্বে প্রবাহিত হয়েছে। নিউ জার্সি ডিপার্টমেন্ট অব এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন (NJDEP) এর মতে, পাপাকাটিং খাঁড়ির জলবিভাজিকায় দুটি উন্নত হ্রদ গোষ্ঠী - নেপুলিন হ্রদ ও কাছাকাছি অবস্থিত ক্লোভ এক্রেস হ্রদ  পাপাকাটিং খাঁড়ির পানিতে ফসফরাস বয়ে আনার কাজ করে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


শানহুয়া মন্দিরের দাজিওংবাও হল

শানহুয়া মন্দির (চীনা: 善化寺) হচ্ছে একটি বৌদ্ধ মন্দির যা চীনের শানসি প্রদেশের তাথং এ অবস্থিত। তাং রাজবংশের ৮ম শতকের প্রথম দিকে এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হলেও এটার প্রথম সময় নিরূপণ করা হয়েছিল ১১ শতকে। ঐ বছরেই মন্দিরের ব্যাপকভাবে পুননির্মাণের কাজ হয়, এবং বর্তমানে তিনটা প্রধান হল ও সাম্প্রতিককালে পুনর্নির্মিত দুটি পূজামণ্ডপ অক্ষত অবস্থায় আছে। দাজিওংবাও হল হচ্ছে ১১ শতকে লিআও রাজবংশের সময় হতে প্রাপ্ত সর্বপ্রথম এবং সর্ববৃহৎ হল, এমনকি এ ধরণের হলের মধ্যে এটা চীনেও বৃহত্তম। শানহুয়া মন্দির তাং রাজবংশের (৭১৩-৭৪১) সম্রাট জুয়াংজং-এর পৃষ্ঠপোষকতায় কাইয়ুয়ানের সময়ে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে তৎকালীন সময়ে এটি কাইয়ুয়ান মন্দির নামে পরিচিত ছিল। তাং রাজবংশের পঞ্চম রাজার (৯০৬-৯৬০) পতনের পর মন্দিরের নাম পরিবর্তিত হয়ে দা পু'এনজি নামে পরিচিত হয়। শানহুয়া মন্দির তিনটি প্রধান হলের (দাজিওংবাও হল, সানশেং হল ও প্রধান ফটক) সমন্বয়ে গঠিত, যার একটি উত্তর-দক্ষিণ অক্ষের উপর সাজানো ও সানশেং হলের পূর্ব ও পশ্চিমে অবস্থিত দুটি মণ্ডপ নিয়ে গঠিত। দাজিওংবাও হলের প্রতিটি পাশ দিয়ে আরও দুটি করে ছোট হল আছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আবু উকাবা আল-জাররাহ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাকামি ছিলেন হাকামি গোত্রের একজন আরব অভিজাত ও সেনাপতি। ৮ম শতাব্দীর প্রথম দিকে তিনি বসরা, সিস্তান, খোরাসান, আর্মি‌নিয়াআজারবাইজানের গভর্নরের দায়িত্বপালন করেছেন। জীবদ্দশায় তিনি একজন কিংবদন্তীসম যোদ্ধা ছিলেন। ককেসাস রণাঙ্গনে খাজারদের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নেয়ার কারণে তিনি বেশি পরিচিত। আল-জাররাহ জুন্দ আল-উরদুনে জন্মগ্রহণ করেন এবং সম্ভবত ৬৯৬ খ্রিষ্টাব্দে সুফিয়ান ইবনুল আবরাদ আল-কালবি ও আবদুর রহমান ইবনে হাবিব আল-হাকামিকে ইরাকে অনুসরণ করেন। ৭০১ খ্রিষ্টাব্দে ইবনে আল-আশআসের বিদ্রোহের সময় তার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। পরবর্তীতে ৭০৬ খ্রিষ্টাব্দে বা তার কয়েক বছর পরে ইরাকের গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের অধীনে তাকে বসরার গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়। ৭১৫ খ্রিষ্টাব্দে হাজ্জাজের স্থলে ইয়াজিদ ইবনুল মুহাল্লাব নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে খলিফা দ্বিতীয় উমর (শাসনকাল ৭১৭-৭২০) আল-জাররাহকে ইয়াজিদের উত্তরসূরি হিসেবে খোরাসানসিস্তানের গভর্নর নিয়োগ দেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আল-হারিস ইবনে সুরাইজ ছিলেন একজন আরব নেতা। তিনি ৭৩৪ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হওয়া খোরাসানমাওয়ারাননহরে সংঘটিত বৃহদাকার উমাইয়া বিরোধী বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়েছেন। হারিস তার বিদ্রোহকে ধর্মীয় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আরব ও অনারব উভয় শ্রেণীর জনতার সমর্থন আদায় করতে তিনি সক্ষম হন। তবে তিনি প্রাদেশিক রাজধানী মার্ভ‌ দখলের জন্য দুইবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। শেষপর্যন্ত আসাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাসরি ৭৩৬ খ্রিষ্টাব্দে এই বিদ্রোহ দমন করেন। হারিস তার কিছু সমর্থকসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি তুরগেশ খাগানাতের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেছিলেন। হারিস তুরগেশদের আরব অঞ্চলে অভিযানে সহায়তা করেন। ৭৩৭ খ্রিষ্টাব্দে খারিস্তানের যুদ্ধে এই অভিযানকে প্রতিহত করা হয়। এরপর হারিস মাওয়ারাননহরে স্থানীয় শাসকদের সমর্থন নিয়ে অবস্থান করতে থাকেন। হারিস ও তার স্থানীয় সমর্থকদের বিরুদ্ধে আসাদের উত্তরসুরি নাসের ইবনে সাইয়ার অভিযান চালান। কিন্তু আরবদের অন্তর্দ্বন্দ্বে নিজ অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে হারিসকে ব্যবহার করা যেতে পারে বিবেচনা করে নাসের খলিফার কাছ থেকে হারিসের জন্য ক্ষমা মঞ্জুর করান। হারিস এরপর ৭৪৫ খ্রিষ্টাব্দে মার্ভ‌ ফিরে আসেন। শীঘ্রই তিনি একটি সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং নাসেরের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


দ্য জাকার্তা পোস্ট হল ইন্দোনেশিয়ার একটি ইংরেজি ভাষার দৈনিক পত্রিকা। পত্রিকাটির মালিক হল পিটি বিনা মিডিয়া তেংগারা। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত। পত্রিকাটি দেশটির তথ্যমন্ত্রী আলী মুরতোপো ও রাজনীতিবিদ জুসুফ ওয়ানান্দির পৃষ্ঠপোষকতায় এবং চারটি ইন্দোনেশীয় গণমাধ্যমের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৫শে এপ্রিল ১৯৮৩-এ প্রথম প্রকাশের পর, এটি বেশ কয়েক বছর সীমিত বিজ্ঞাপন এবং ক্রমবর্ধমান পাঠক নিয়ে অতিবাহিত করে। ১৯৯১ সালে প্রধান সম্পাদকদের মাঝে পরিবর্তন আনার পর, এটি আরও অধিক গনতন্ত্রপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা শুরু করে। ১৯৯৭ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময়ে টিকে থাকা অল্প কিছু ইন্দোনেশীয় ইংরেজি দৈনিকের মাঝে এটি অন্যতম। বর্তমানে এর পাঠক সংখ্যা প্রায় ৪০,০০০। পত্রিকাটি মূল প্রকাশনার পাশাপাশি রবিবারে পৃথক এবং অনলাইনে বিশদ বিবরণ সম্বলিত বিস্তারিত সংস্করণ প্রকাশ করে থাকে। পত্রিকাটির প্রধান লক্ষ্য হল বিদেশী এবং শিক্ষিত ইন্দোনেশীয় পাঠক আকর্ষণ, যদিও এর মধ্যবিত্ত পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পত্রিকাটি স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র হিসেবে সুপরিচিত। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক হিসেবে খ্যাত এই পত্রিকাটি একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননার অধিকারী। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Zhenguo Temple 2.jpg

চেনগুও মন্দির চীনের পিংইয়াও থেকে ১০ কি.মি. দূরে শানশি প্রদেশের হাদংসুন গ্রামে অবস্থিত একটি বৌদ্ধ মন্দির। ওয়াংফো হল নামে পরিচিত মন্দিরটির সবচেয়ে পুরাতন কক্ষটি ৯৬৩ সনে উত্তরাঞ্চলীয় হান রাজবংশের রাজত্বকালে নির্মাণ করা হয়। এটি কক্ষের বিমগুলোর জন্য প্রসিদ্ধ যা কক্ষের ছাদ ও এর ঝুলে থাকা প্রলম্বিত অংশকে ধরে রাখে। কক্ষের ভিতরের কারুকার্যগুলো চীনের ১০ম শতাব্দীর বৌদ্ধ কারুশিল্পের সীমিত নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৯৬৩ সালে ওয়াংফো হল নির্মাণের মধ্য দিয়ে মন্দিরটির ইতিহাসের সূচনা হয়। চেনগুও মন্দিরের সবচেয়ে পুরাতন কুঠি হল এই ওয়াংফো হল। মন্দিরটির ইতিহাস সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। প্রস্তরলিপি অনুসারে, ১৫৪০ ও ১৮১৬ সালে এটি সংস্কার করা হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে পার্শ্ববর্তী পিংইয়াও শহর এবং শুয়াংলিন মন্দিরের সাথে এই মন্দিরটিও 'পিংইয়াও-এর প্রাচীন শহর' নামে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহে অন্তর্ভুক্ত হয়। হলঘরটিতে উত্তরাঞ্চলীয় হান শাসনামলের ১১টি ভাস্কর্য বিদ্যমান। 'মোগাও কু'-এর বাইরে চীনের একমাত্র ভাস্কর্য হল এগুলো যা এখনও টিকে আছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Vidya at Chaplin exhibition.jpg

বিদ্যা বালান একজন ভারতীয় মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে কর্মজীবন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাংলা, তামিল, মালয়ালম এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তরুণ বয়সেই চলচ্চিত্রের সাথে তার সম্পৃক্ততা ঘটে এবং ১৯৯৫ সালে হাম পাঞ্চ হিন্দি সাইটকমের মাধ্যমে প্রথম অভিনয়ে আসেন। অভিনয় জীবনে তিনি এ যাবৎ বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং পাঁচটি স্ক্রিন পুরস্কার অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। ২০১৪ সালে ভারত সরকার কর্তৃক তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করা হয়। তিনি মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করার পূর্বে ভিন্ন-ভিন্ন পেশায় ব্যর্থ ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার পর ২০০৩ সালে তিনি ভালো থেকো স্বাধীন বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম ফিচার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে, পরিণীতা চলচ্চিত্রের একটি চরিত্রে অভিনয় ছিল তার প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Bharat Ratna.jpg

ভারতরত্ন হল ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি এই সম্মান চালু হয়। জাতি, পেশা, পদমর্যাদা বা লিঙ্গ নির্বিশেষে "সর্বোচ্চ স্তরের ব্যতিক্রমী সেবা/কার্যের স্বীকৃতি স্বরূপ" এই সম্মান প্রদান করা হয়। প্রথম দিকে এই সম্মান কেবলমাত্র শিল্পকলা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, জনসেবায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারীদের দেয়া হলেও ২০১১ সালের ডিসেম্বর হতে ভারত সরকার মানবিক কৃতিত্বের যে কোনো ক্ষেত্র নামে আরো একটি শর্ত যুক্ত করে। ভারতীয় পদমর্যাদা ক্রমে ভারতরত্ন প্রাপকদের স্থান সপ্তম। যাকে ভারতরত্ন প্রদান করা হয় তার নাম ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেন। বছরে সর্বোচ্চ তিন জনকে ভারতরত্ন সম্মান প্রদান করা হয়। বিদেশি বংশোদ্ভুত ভারতীয় নাগরিক মাদার টেরেসা ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন সম্মাননা পেয়েছিলেন। এছাড়া ১৯৮৭ সালে পাকিস্তানি নাগরিক খান আবদুল গাফফার খান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯০ সালে ভারতরত্ন পেয়েছিলেন। শচীন তেন্ডুলকর ৪০ বছর বয়সে ভারতরত্ন সম্মান পান; তিনিই এই সম্মাননার কনিষ্ঠতম প্রাপক। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Swami Vivekananda-1893-09-signed.jpg

স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ১৯শ-শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রি়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রইউরোপে হিন্দুধর্ম তথা ভারতীয় বেদান্তযোগ দর্শনের প্রচারে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। অনেকে ১৯শ শতাব্দীর শেষার্ধে বিভিন্ন ধর্মমতগুলির মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন এবং সেই সঙ্গে হিন্দুধর্মকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রচার করার কৃতিত্ব বিবেকানন্দকে দিয়ে থাকেন। ভারতে হিন্দু পুনর্জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। ব্রিটিশ ভারতে তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রবর্তন করেন। বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠরামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত বক্তৃতাটি হল, "আমেরিকার ভাই ও বোনেরা ...," ১৮৯৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতা, যার মাধ্যমেই তিনি পাশ্চাত্য সমাজে প্রথম হিন্দুধর্ম প্রচার করেন। তার গুরু রামকৃষ্ণ দেবের কাছ থেকে তিনি শেখেন, সকল জীবই ঈশ্বরের প্রতিভূ; তাই মানুষের সেবা করলেই ঈশ্বরের সেবা করা হয়। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৯৩ সালের বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় ভারত ও হিন্দুধর্মের প্রতিনিধিত্ব করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে উইলিয়াম ওয়ালেস ডেন্সলোর তুলিতে

ব্যা, ব্যা, ব্ল্যাক শীপ ১৭৩১ খ্রিস্টাব্দে রচিত জনপ্রিয় ইংরেজি শিশুতোষ ছড়া যা, ১৭৩১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে থাকা সংস্করণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো। বিগত দুইশত পঞ্চাশ বছরে ছড়াটির কিছু শব্দ পরিবর্তিত হয়েছে। আহ! ভৌ দিরাই-জে, মামাঁ নামক ১৭৬১ সালে রচিত ফরাসী সঙ্গীতের সুরে ছড়াটি গাওয়া হয়। ছড়াটির ব্যাখ্যা সম্পর্কে বিভিন্ন অসমর্থিত তত্ত্ব প্রচলিত রয়েছে। যার মধ্যে মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডে ভেড়ার পশমের উপর কর-আরোপের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং দাসপ্রথা সম্পর্কে বক্তব্য রয়েছে। বিংশ শতাব্দীতে ছড়াটি রাজনৈতিক শুদ্ধতা সম্পর্কিত বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছিল। সাহিত্যে, জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে রূপকভাবে এবং ইঙ্গিতমূলকভাবে ছড়াটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রাউড ফোক সং ইনডেক্স ছড়াটির কথা এবং রূপান্তরগুলোকে ৪৪৩৯ নম্বরে শ্রেণিভুক্ত করেছে। অন্যান্য শিশুতোষ ছড়ার মত এই ছড়াটিরও উৎস এবং ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে যার বেশিরভাগেরই কোন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। (বাকি অংশ পড়ুন...)


সামবেদে হিন্দু দেবতা অগ্নির অনেকগুলি স্তোত্র রয়েছে

সামবেদ হল সংগীতমন্ত্রের বেদ। এটি হিন্দুধর্মের সর্বপ্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদের দ্বিতীয় ভাগ যা বৈদিক সংস্কৃত ভাষায় রচিত। সামবেদে ১,৮৭৫টি মন্ত্র রয়েছে। এই শ্লোকগুলি মূলত বেদের প্রথম ভাগ ঋগ্বেদ থেকে গৃহীত। বর্তমানে সামবেদের তিনটি শাখার অস্তিত্ব রয়েছে। গবেষকেরা সামবেদের আদি অংশটিকে ঋগ্বৈদিক যুগের সমসাময়িক বলে মনে করেন। বহুপঠিত ছান্দোগ্য উপনিষদ্‌কেন উপনিষদ্‌ সামবেদের অন্তর্গত। দুই উপনিষদ্‌ প্রধান (মুখ্য) উপনিষদ্‌গুলির অন্যতম এবং হিন্দু দর্শনের (প্রধানত বেদান্ত দর্শন) ছয়টি শাখার উপর এই দুই উপনিষদের প্রভাব অপরিসীম। সামবেদকে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতনৃত্যকলার মূল বলে মনে করা হয়। ভগবদ্গীতায় কৃষ্ণ নিজেকে চার বেদের মধ্যে সামবেদ বলে বর্ণনা করেছেন। সামবেদকে সাম বেদ বানানেও অভিহিত করা হয়। সামবেদে স্বরলিপিভুক্ত সুর পাওয়া যায়। এগুলিই সম্ভবত বিশ্বের প্রাচীনতম স্বরলিপিভুক্ত সুর, যা আজও পাওয়া যায়। স্বরলিপিগুলি সাধারণত মূল পাঠের ঠিক উপরে অথবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাঠের অভ্যন্তরে নিহিত রয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


২০১৫ খ্রিস্টাব্দে মালালা ইউসুফজাই

মালালা ইউসুফজাই একজন পাকিস্তানি শিক্ষা আন্দোলনকর্মী, যিনি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকা অঞ্চলে শিক্ষা এবং নারী অধিকারের ওপর আন্দোলনের জন্য পরিচিত মালালার ওপর ২০১২ খ্রিস্টাব্দে উগ্রপন্থী তালিবান গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু উন্নত চিকিৎসার সাহয্যে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেন। তার আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরুপ ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে টাইম পত্রিকা ইউসুফজাইকে বিশ্বের ১০০জন সর্বাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের একজন বলে গণ্য করেন। তিনি ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় যুব শান্তি পুরস্কার এবং ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে শাখারভ পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার পক্ষে সওয়াল করেন ও অক্টোবর মাসে কানাডা সরকার তাঁকে কানাডীয় নাগরিকত্ব প্রদান করার কথা ঘোষণা করে। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের একাডেমি পুরস্কারের জন্য বাছাইকৃত তথ্যচিত্র হি নেমড মি মালালা তাঁর জীবন নিয়ে তৈরি। (বাকি অংশ পড়ুন...)


কার্নোটরাস ডাইনোসরের মাথা ও ঘাড়ের কঙ্কাল। এই গণের লম্বা কাঁটার মত এপিপোফাইসিস গুলি সহজেই চোখে পড়ে।

ডাইনোসর বলতে জনপ্রিয় ধারণায় একটি অধুনা অবলুপ্ত, সাধারণত বৃহদাকার মেরুদণ্ডী প্রাণীগোষ্ঠীকে বোঝায়। এরা পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী এবং বৈজ্ঞানিকদের অনুমান এই প্রভাবশালী প্রাণীরা প্রায় ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে। পরবর্তীকালে বিবর্তিত দৈত্যাকার প্রাগৈতিহাসিক স্তন্যপায়ীও সরোপড জাতীয় ডাইনোসরদের পাশে আয়তনের বিচারে ছিল বামনতুল্য, আর কেবলমাত্র আধুনিক তিমিরা আয়তনে তাদের সাথে পাল্লা দিতে পারে বা তাদের থেকেও বড় হয়। ভূতাত্ত্বিক ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি বছর পূর্বে একটি বিধ্বংসী প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডাইনোসরদের প্রভাবকে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে দেয়। তবে তাদের একটি শাখা আজও বহাল তবিয়তে টিকে আছে— শ্রেণীবিন্যাসবিদরা ধারণা করেন আধুনিক পাখিরা থেরোপড ডাইনোসরদের সরাসরি বংশধর। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ডাইনোসরের প্রথম জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়। এরপর থেকে পর্বতগাত্র বা শিলায় আটকা পড়ে থাকা ডাইনোসরের কঙ্কাল পৃথিবীর বিভিন্ন জাদুঘরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


জাবালোপনিষদ্‌ গ্রন্থের প্রধান আলোচ্য বিষয় হল হিন্দুধর্মের সন্ন্যাস সংক্রান্ত ধারণাটি।

জাবালোপনিষদ্‌ হল হিন্দুধর্মের একটি অপ্রধান উপনিষদ্‌। এই গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত ও শুক্লযজুর্বেদ গ্রন্থের সম্পর্কযুক্ত অন্যতম সন্ন্যাস উপনিষদ্‌। জাবালোপনিষদ্‌ ৩০০ খ্রিস্টাব্দেরও আগে রচিত হয়। এই গ্রন্থে সাংসারিক জীবন পরিত্যাগ করে আধ্যাত্মিক জ্ঞান অনুসন্ধানের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। এতে হিন্দুদের পবিত্র তীর্থ বারাণসী (অধুনা ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে অবস্থিত) নগরীটিকে একটি আধ্যাত্মিক পরিভাষায় (‘অভিমুক্তম্‌’) বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়া এই গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, মানুষের অন্তরে নিহিত আত্মাই পবিত্রতম স্থানের মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য। এই উপনিষদের মূল উপজীব্য বিষয় হল ধ্যানসন্ন্যাস। ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য “এই উপনিষদের প্রবক্তা রূপে” আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে সাংসারিক জীবন ত্যাগের উপদেশ দিয়েছেন। এই জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে “সন্ন্যাসের ইচ্ছা সহ সকল ইচ্ছাকে অতিক্রম করা সম্ভব।” প্রাচ্যধর্ম ও নীতিবিদ্যার অধ্যাপক সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণনের মতে, এই উপনিষদে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রাচীনতর বৈদিক ধর্মগ্রন্থ ও মুখ্য উপনিষদ্‌গুলিতে আত্মহত্যা করাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। (বাকি অংশ পড়ুন...)


অন দ্য ইন্টারনেট, নোবডি নোস ইউ আর অ্যা ডগ (ইংরেজির আক্ষরিক অর্থ "ইন্টারনেটে, কেউ জানে না আপনি একজন কুকুর") হল একটি প্রবচন যা পিটার স্টেইনারের একটি ব্যঙ্গচিত্রের ক্যাপশন হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল জুলাই ৫, ১৯৯৩ সালে দ্য নিউ ইয়র্কার সাময়িকীতে। ব্যঙ্গচিত্রটিতে দেখা যায় একটি কুকুর কম্পিউটারের সামনে চেয়ারে বসে, ক্যাপশনে লেখা প্রবচনটি বলছে মেঝেতে বসে থাকা অন্য একটি কুকুরকে উদ্দেশ্য করে। ২০১১ সালে স্টেইনারের এই ব্যঙ্গচিত্র নিউ ইয়র্কার পেনেলের হিসেব মতে অজস্রবার পুনঃমুদ্রিত হয়েছিল, যার ফলে স্টেইনারের আয় ইউএস$৫০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এক সময় ইন্টারনেট ছিল শুধুমাত্র সরকারি আমলা, প্রকৌশলী আর জ্ঞানতাত্ত্বিকদের কাজের ক্ষেত্র, বর্তমানে এটি যে জনসাধারণের অন্যতম আগ্রহের বিষয় তা দ্য নিউ ইয়র্কার সাময়িকীর আলোচনা থেকে অণুমেয়। লোটাস সফটওয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও অগ্রগণ্য ইন্টারনেট কর্মী মিচ কাপুরের উদ্ধৃতি দিয়ে ১৯৯৩ সালে টাইম সাময়িকী একটি নিবন্ধে বর্ণনা করে যে, দুইটি কুকুরের কথোপকথনের এই ব্যঙ্গচিত্রটি নিউ ইয়র্কারে প্রকাশের পর একটি বিষয় আরও স্পষ্ট হল যে, জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে এই ইস্যু এখন গণমানুষের আগ্রহের বিষয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


.bv logo.svg

.বিভি (.bv) হল জনবসতিশূন্য নরওয়েজীয় নির্ভরশীল এলাকা বোভেত দ্বীপের ইন্টারনেট প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় সংকেত ও ডোমেইন সাফিক্সডোমেইন নাম রেজিস্ট্রি ও পৃষ্ঠপোষক হল নোরিড, কিন্তু .বিভি নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত নয়। ১৯৯৭ সালের ২১শে আগস্ট .বিভি ডোমেইন নাম উন্মুক্ত করা হয় এবং তখন থেকেই এটি .এনও নোরিড নিবন্ধনের অধীনে। নরওয়ের নীতিমালা অনুসারে যেসব প্রতিষ্ঠান বোভেত দ্বীপের সাথে সম্পর্কিত তাদের জন্য .এনও ডোমেইন নামই যথেষ্ট সেজন্যই .বিভি ডোমেইন নামটি উন্মুক্ত নয়। নরওয়ের রাষ্ট্রীয় নীতিমালার অধীনে থাকলেও এই ডোমেইন নামটি বাণিজ্যিকভাবেও অবমুক্ত করা হচ্ছে না। পরবর্তীতে এটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে এটি নরওয়েজীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষের অধীন .এনও-এর সঙ্গে একই নীতিমালায় পরিচালিত হবে। ১৯২৭ সালে এটি নরওয়ে দাবি করেছিল। ডোমেইন নামটি ১৯৯৭ সালের ২১শে আগস্ট .এসজে ডোমেইনের সাথে একই সাথে অবমুক্ত করা হয়। .এসজে স্বালবার্ড ও জান মেয়েন-এর ডোমেইন নাম। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Emeco 1006 navy chair.png

এমেকো ১০০৬ (উচ্চারিত হয় টেন-ও-সিক্স) এমেকো উৎপাদিত অ্যালুমিনিয়াম চেয়ার, যা নেভি চেয়ার হিসেবেও পরিচিত। ১০০৬ চেয়ার মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে এটি ডিজাইনার চেয়ারে হিসেবে পরিচিত হয়, যা বিলাসবহুল রেস্তোরা এবং গৃহসজ্জায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ১৯৯০-এর দশকে কোম্পানিটি ১০০৬ চেয়ারের ডিজাইনার সংস্করণ তৈরি করে, যেমন স্ট্যাক্যাবল হাডসন চেয়ার এবং প্রক্রিয়াজাতকৃত প্লাস্টিক থেকে ১১১ নেভি চেয়ার। এমেকো স্টুল, টেবিল এবং অন্যান্য আসবাবপত্রও নির্মাণ করে। ২০১২ সাল পর্যন্ত ১০ লক্ষের বেশি এমেকো ১০০৬ চেয়ার তৈরি হয়েছে। চেয়ারটি নিয়মিত বিভিন্ন ডিজাইন ম্যাগাজিন এবং চলচ্চিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে, যেমন দ্য ম্যাট্রিক্স, ল অ্যান্ড অর্ডার এবং সিএসআই। মূল ১০০৬ চেয়ার সরকারি কারাগারে এবং কারাগার সম্পর্কিত চলচ্চিত্র দৃশ্যে ব্যবহারের কারণে ইউরোপে প্রায় এটিকে "কারাগার চেয়ার" বলা হয়। চেয়ারের লম্বভাবে তিনটি দাগসহ বাঁকানো পিঠ রয়েছে এবং এর পেছনের পায়াগুলোও সামান্য বাঁকানো। ওজন প্রায় সাত পাউন্ড। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Taapsee 61st FF (cropped).jpg

তাপসী পান্নু একজন ভারতীয় মডেল এবং অভিনেত্রী, যিনি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং বলিউড চলচ্চিত্রশিল্পে কাজ করেছেন। তিনি একজন সফটওয়্যার পেশাজীবি হিসাবে কাজ করতেন এবং অভিনেত্রী হবার পূর্বে কিছুসময় মডেলিং কর্মজীবনে জড়িত থেকে কিছুসংখ্যক বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন, এবং ২০০৮ সালে "প্যান্টালুন ফেমিনা মিস ফ্রেশ ফেস" এবং "সাফি ফেমিনা মিস বিউটিফুল স্কিন" খেতাব লাভ করেন। রাঘবেন্দ্র রাও পরিচালিত ২০১০ সালের ঝুম্মান্ডি নাডাম তেলুগু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক ঘটান তাপসী। এরপর আদুকালাম, ভাস্তাধু না রাজু এবং মি. পারফেক্ট চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তার তামিল আদুকালাম চলচ্চিত্র ৫৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে ছয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেয়। ২০১৬ সালে, তিনি পিংক চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন। ২০১৭ সালে, প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন নাম শাবানা চলচ্চিত্রে। বিভিন্ন মুদ্রণ মাধ্যম এবং টেলিভিশন বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে উপস্থিত হয়েছেন এবং ২০০৮ সালের ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে "প্যান্টালুন ফেমিনা মিস ফ্রেস ফেস" ও "সাফি পেমনা মিস বিউটিফুল স্কিন"-সহ একাধিক খেতাব লাভ করেন মডেলিংয়ের শুরুর সময় থেকে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


মুনির মালিক

মুনির মালিক ছিলেন একজন পাকিস্তানী ক্রিকেটার। তিনি ডানহাতি দ্রুতগতির বোলার ছিলেন। তিনি ১৯৫৯-১৯৬২ সালের মধ্যে পাকিস্তানের হয়ে ৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন। তার টেস্ট অভিষেক হয় ১৯৫৯ সালে করাচীর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে, ঐ ম্যাচে তিনি ১০০ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট তুলে নেন। লিডস এর হেডিংলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি ১২৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন যেটি তার ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ বোলিং পারফর্মেন্স ছিল। নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে তার সর্বশেষ টেস্টে তিনি মাত্র একটি উইকেট নিয়েছিলেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে গড়ে ৩৯.৭৭ করে তিনি মোট ৯টি উইকেট নেন। মালিক প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে গড়ে ২১.৭৫ করে তিনি মোট ১৯৭ টি উইকেট নেন।তিনি ১৯৫৬-১৯৬৬ সালের মধ্যে করাচি, পাঞ্জাব ও রাওয়ালপিন্ডির হয়ে মোট ৪৯ টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১৪টি ম্যাচে তিনি ৫টি বা তার বেশি উইকেট নেন এবং ৪টি ম্যাচে তিনি ১০ বা তার বেশি উইকেট নেন। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুমে আইয়ুব ট্রফির সময়কালে তিনি তার সর্বশেষ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


জর্জ বেথুন অ্যাডামস

জর্জ বেথুন অ্যাডামস ছিলেন মার্কিন আইনজীবী, সমুদ্র বাণিজ্য আইনে বিশেষজ্ঞ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেলা জজ। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে ব্যক্তিগত আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন, এবং পরবর্তীতে নিউ ইয়র্কের সাউদার্ন জেলার জেলা আদালতে জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি আইন নিয়ে পড়ালেখা করেন এবং ১৮৭৮ ইং সালে ফিলাডেলফিয়ার একজন আইনজীবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে সেনাবাহিনীতে যোগদানের ন্যূনতম বয়স হওয়ার আগেই তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর পেনসিলভানিয়া রেজিমেন্টে তালিকাভূক্ত হন। পরে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ১৮৮৩ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্কে জজ বেবি এবং উইলক্সের ফার্মে সমুদ্র বিষয়ক আইনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে আইন ব্যবসা করেন ১৮৮৪ সালে জজ বেবি এর মৃত্যুর পর, তিনি সেই ফার্মের অংশীদার হন এবং ফার্মটিকে উইলক্স, আ্যাডামস এন্ড গ্রিন হিসেবে নামকরণ করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


স্ভালবার্ড এর এডভেন্টডালেন

আইএসও ৩১৬৬-২:এসজে হল স্‌ভালবার্দ ও ইয়ান মায়েনের জন্য প্রবর্তিত আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (আইএসও) কর্তৃক প্রকাশিত আইএসও ৩১৬৬-২-এর একটি ভুক্তি যা আইএসও ৩১৬৬ এর অংশ। আইএসও ৩১৬৬-১ এ সব দেশের মূল মান সমূহ এবং তাদের উপ-বিভাগসমূহের কোড ব্যাখ্যা করা হয়েছে। স্‌ভালবার্দ ও ইয়ান মায়েনের প্রশাসনিক কোন ভুক্তি নেই, তবে নরওয়ের আলাদা দু'টি অংশ হিসেবে বিদ্যমান। নরওয়ের ভুক্তি আইএসও ৩১৬৬-২:এনও-তে স্‌ভালবার্দের জন্য এনও-২১ এবং ইয়ান মায়েনের জন্য এনও-২২ আলাদা উপ-বিভাগ রয়েছে। বর্তমানে স্‌ভালবার্দ ও ইয়ান মায়েনের জন্য আইএসও ৩১৬৬-২ এ আলাদা কোন কোড নেই। (বাকি অংশ পড়ুন...)


.এসজে

.এসজে হল স্বালবার্ড এবং ইয়ান মায়েনের জন্য প্রদত্ত ইন্টারনেট কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন (সিসিটিএলডি) সাফিক্স। ডোমেইন নাম রেজিস্ট্রি হল নোরিড কিন্তু .এসজে ডোমেইন নামটি নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত নয়। .এসজে ডোমেইন দেওয়া হয়েছিল আইএসও ৩১৬৬ কোড অনুসারে যা স্বালবার্ড এবং ইয়ান মায়েন দুটি স্বতন্ত্র দ্বীপের প্রথম অক্ষর থেকে নেওয়া হয়েছে। দ্বীপ দুটি নরওয়েতে অবস্থিত। দ্বীপ দুটির প্রথমটিতে কিছু মানুষ বসবাস করলেও দ্বিতীয়টিতে আগ্নেয়গিরি রয়েছে ও মানুষ নেই বললেই চলে। ১৯৯৭ সালের ২১শে আগস্ট ভোবেত দ্বীপের ডোমেইন নাম .বিভি দেওয়ার সময়ই এই ডোমেইন নামটি অ্যাসাইন করা হয়। দুটি ডোমেইনই তখন নোরিড রেজিস্ট্রির নিয়ন্ত্রনে দেওয়া হয়। নরওয়েজীয় কর্তৃপক্ষের অনুসারে যে সকল প্রতিষ্ঠান এই তিনটি অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করে তাদের জন্য .এনও ডোমেইন নামটিই যথেষ্ট সেজন্য ডোমেইন নামটি নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত নয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


"এরোপ্লেন জেলি"র মুদ্রিত গান ও গানের কথার প্রচ্ছদ।

এরোপ্লেন জেলি বার্ট অ্যাপলেরথের তৈরি অস্ট্রেলিয়ার একটি জেলি ব্র্যান্ড। অ্যাপলেরথ পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ট্রেডারস প্রোপাইটারি লিমিটেড, অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম পারিবারিক খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। কারখানা নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনির একটি শহরতলী প্যাডিংটনে তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ৩৩ বছর নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়েস্ট রাইডের কারখানায় জেলি প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ম্যাকরমিক অ্যান্ড কোম্পানির সহায়ক প্রতিষ্ঠান ম্যাকরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়ার অধীনে বিক্রি হয়ে যায়। ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয়ভাবে ভিক্টোরিয়ায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করতে ম্যাকরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়া এরোপ্লেন জেলির কারখানা ভিক্টোরিয়ার ক্লেটনে স্থানান্তর করে। বার্ষিক ১৮ মিলিয়ন প্যাকেট বিক্রি করে অস্ট্রেলিয়ার জেলির বাজারে এরোপ্লেন জেলি শীর্ষস্থানে অবস্থান নিয়েছে। সবচেয়ে বিক্রিত আস্বাদন (ফ্লেভার) হল স্ট্রবেরি। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ফ্যান্টাসি ম্যাগাজিন

ফ্যান্টাসি একটি ব্রিটিশ পাল্প-বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ম্যাগাজিন, যা ১৯৩৮ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে তিনটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৩৮ সালে ফ্যান্টাসি প্রথম প্রকাশিত হয়, যাতে শুধু বর্ষ উল্লেখ করা থাকত, পরবর্তী সংখ্যা ছয় মাস পর এবং তৃতীয় বা শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল জুন ১৯৩৯ সালে এবং যথারীতি শুধু বর্ষ উল্লেখ করে। সম্পাদক ছিলেন টি. স্ট্যানহোপ স্পৃগ; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে, তিনি আরএএফ-এ একজন বৈমানিক হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। যদিও চতুর্থ সংখ্যা প্রস্তুত করা হয়েছিল, যুদ্ধের কারনে কাগজের সংভাগ বা রেশনিং শুরু হলে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। প্রকাশক জর্জ নিউনেস লিমিটেড উচ্চ সম্মানী প্রদান করত, যার ফলে স্পৃগ ভাল মানের লেখা সংগ্রহ করতে পারতেন। তিনি জন উইন্ডহ্যাম, এরিক ফ্রাঙ্ক রাসেল এবং জন রাসেল ফেয়ারনের কাছ থেকে গল্প আদায় করতে সমর্থ হন। তা সত্ত্বেও অন্য তিন শিরোনাম- এয়ার স্টোরিস, ওয়ার স্টোরিস এবং ওয়েষ্টান স্টোরিস সমূহ ১৯৩৫, ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হলেও, কল্পবিজ্ঞান শিরোনামেরটা প্রকাশ হতে বেশ বিলম্ব হয়েছিল।। ফ্যান্টাসির প্রধান চিত্রশিল্পী ছিলেন সেরগে দ্রিগিন, জন্মসুত্রে একজন রুশ শিল্পী, যিনি পিয়ারসনে কাজ করতেন এবং স্কুপ-এর সকল প্রচ্ছদ তৈরি করতেনl দ্রিগিন ভেতরের অলংকরনসহ তিনটি প্রচ্ছদই করেছিলেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি, ১৯২৮

টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি ছিল একটি মাসিক ম্যাগাজিন যার ১৯২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত কেবল পাঁচটি সংখ্যাই প্রকাশিত হয়েছিল। ওয়ালটার গিবসন সম্পাদিত এই ম্যাগাজিনে থাকত নানা ধরণের কল্পকাহিনী ও নিবন্ধের মিশ্রন। ইন্টারন্যাশনাল করেসপন্ডেন্স স্কুলস্ (আইসিএস) এর মালিকানাধীন পার্সোনাল আর্টস কর্তৃক টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি প্রকাশিত হত। ১৯২৭ সালে আইসিএস "বয়সের রহস্য" (সিক্রেটস অব দ্য এইজেস) নামক একটি লেখার মধ্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এর অবদানকারীদের মধ্যে এইচ. পি. লাভক্র্যাফ্ট, ফ্র্যাঙ্ক ওয়েন, মিরিয়াম এলেন ডিফোর্ড অন্যতম। লাভক্র্যাফটের কুল এয়ার; ফ্র্যাঙ্ক ওয়েনের তিনটি গল্প - দ্য ইয়েলো পুল, দ্য ব্ল্যাক ওয়েল অব ওয়াদি এবং দ্য লুর অব দ্যা শ্রিভেলড্ হ্যান্ড; এবং ডিফোর্ড গোস্টলি হ্যান্ডস গল্পগুলো এই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল। ২০০৪ সালে ওয়াইল্ডসাইড প্রেস ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮ সংখ্যার একটি হস্তলিখিত সংস্করণ প্রকাশ করে, এবং ২০১৩ সালে অ্যাডভেঞ্চার হাউস মার্চ, ১৯২৮ সালের সংখ্যাটির হস্তলিখিত সংস্করণ বের করে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


এশিয়া

এশিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ, প্রাথমিকভাবে পূর্বউত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। এটি ভূপৃষ্ঠের ৮.৭% ও স্থলভাগের ৩০% অংশ জুড়ে অবস্থিত। এশিয়ার সীমানা সাংস্কৃতিকভাবে নির্ধারিত হয়, যেহেতু ইউরোপের সাথে এর কোনো স্পষ্ট ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নেই, যা এক অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডের গঠন যাকে একসঙ্গে ইউরেশিয়া বলা হয়। এশিয়ার সবচেয়ে সাধারণভাবে স্বীকৃত সীমানা হলো সুয়েজ খাল, ইউরাল নদী, এবং ইউরাল পর্বতমালার পূর্বে, এবং ককেশাস পর্বতমালা এবং কাস্পিয়ানকৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণে। পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। ইউরাল পর্বতমালা, ইউরাল নদী, কাস্পিয়ান সাগর, কৃষ্ণসাগর এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশ দুটি পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন। এছাড়া লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সংকীর্ণ বেরিং প্রণালী একে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ডব্লিউসিএসপি-এফএম, যা সি-স্প্যান বেতার নামেও পরিচিত, ক্যাবল স্যাটেলাইট পাবলিক এফেয়ার্স নেটওয়ার্ক বা সি-স্প্যান (C-Span) কর্তৃক নিবন্ধিত ওয়াশিংটন, ডি.সি. এলাকার একটি বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র। ১৯৯৭ সালের ৯ই অক্টোবর থেকে ডব্লিউসিএসপি, সি-স্প্যান এর বেতার কেন্দ্র হিসেবে প্রচার শুরু করে। এই বেতার কেন্দ্রটি ৯০.১ মেগাহার্টজে ২৪ ঘণ্টা অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। এর স্টুডিওগুলি ক্যাপিটাল হিলের কাছে সি-স্প্যানের হেডকোয়ার্টারে অবস্থিত। ডব্লিউসিএসপি-এফএম এর বাইরে সি-স্প্যান এর বেতার অনুষ্ঠানসমূহ অনলাইনে c-span.org সাইটে এবং স্যাটেলাইট রেডিও'র এক্সএম চ্যানেল ৪৫৫ এ শোনা যায়। ডব্লিউসিএসপি-এফ এইচডি (ডিজিটাল) ফরম্যাটে প্রচার করে থাকে। জুলাই ২৮, ২০১০ থেকে সি-স্প্যান রেডিও যে কোন ফোন থেকে শোনা যাচ্ছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


কেপলার-৪-এর গ্রহের আকৃতি

কেপলার-৪ সূর্যের মত একটি নক্ষত্র যা তারকামণ্ডলে ১৬৩১ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এটি পৃথিবী সাদৃশ গ্রহ খোঁজার উদ্দেশ্যে নাসা কর্তৃক পরিচালিত একটি অভিযান কেপলার মিশনের একটি ক্ষেত্র এবং এই মহাকাশযানের নামে এর নামকরণ করা হয়। কেপলার-৪ একটি জি০-টাইপ তারকা যা সূর্যের অনুরূপ, কিন্তু উজ্জ্বলতা সামান্য বেশি। নক্ষত্রটি ১.০৯২ সূর্যের ভর এবং ১.৫৩৩ সূর্যের ব্যসার্ধ Msun, বা সূর্যের ভরের ১০৯% এর এবং সূর্যের ব্যাসার্ধের ১৫৩%। কেপলার-৪বিনেপচুন আকারের একটি গ্রহ, ০.০৭৭ এম.জে. (জুপিটার ভর এর ৭%) এবং ০.৩৫৭ আর.জে (জুপিটার ব্যাসার্ধ এর ৩৬%) সমৃদ্ধ, যা এই নক্ষত্রের অত্যন্ত নিকটবর্তী কক্ষপথে আবর্তিত হচ্ছে বলে আবিষ্কৃত হয় এবং ৪ জানুয়ারি ২০১০ সালে কেপলার দলের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়। কেপলার-৪বি কেপলার স্যাটেলাইটের প্রথম আবিষ্কার ছিল, এবং তার নিশ্চিতকরণ মহাকাশযানের কার্যকারিতা প্রদর্শনে সাহায্য করেছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ডানস্টারের চলমান ওয়াটারমিল

ডানস্টারের চলমান ওয়াটারমিল (ক্যাসল মিল নামেও পরিচিত) ইংল্যান্ডের সমারসেট-এর ডানস্টার-এ ১৮ শতকে পুনঃস্থাপিত একটি ওয়াটারমিল, যা এভিল নদীর উপর এবং ডানস্টার ক্যাসল এর ভূমির উপর অবস্থিত গ্যালক্স সেতুর নিকটে অবস্থিত। এটি একটি গ্রেড II* তালিকাভুক্ত দালান। বর্তমানে কারখানাটি যেখানে রয়েছে সেখানে ডুমসডে বুক-এ একটি কারখানা পূর্বে তালিকাভুক্ত ছিল, কিন্ত বর্তমান দালানটি ১৭৮০ সালের কাছাকাছি সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি ১৯৬২ সালে বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৭৯ সালে পুনরায় চালু করা হয় এবং এখনও গম ভানতে ব্যবহৃত হয়। যন্ত্রপাতিগুলো দুটি জলচক্রের মাধ্যমে চালিত হয়। এটির মালিক ন্যাশনাল ট্রাস্ট, কিন্তু পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে একটি বেসরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের দ্বারা পরিচালিত। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ডায়নামিক সায়েন্স ফিকশন

ডায়নামিক সায়েন্স ফিকশন হল একটি পাল্প ম্যাগাজিন যার ছয়টি সংখ্যা ডিসেম্বর ১৯৫২ থেকে জানুয়ারি ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালের নভেম্বর মাসে।ফিউচার সায়েন্স ফিকশনের সহযোগি প্রকাশনা হিসেবে, এটিও রবার্ট ডব্লিউ. লাউনডেস কর্তৃক সম্পাদিত এবং লুইস সিলবারক্লেইট কর্তৃক প্রকাশিত হয়ছিল। এতে বেশকিছু সংখ্যক উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশিত হয়। এতে প্রকাশিত কিছু বিখ্যাত গল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্থার সি. ক্লার্কের "দ্য পজেসড্" (মার্চ, ১৯৫৩); লেস্টার ডেল রে'র "আই এম টুমরো" (ডিসেম্বর, ১৯৫২) এবং জেমস ব্লিস ও লাউনডেসের উপন্যাস "দ্য ডুপ্লিকেটেড ম্যান" (আগস্ট, ১৯৫৩) উল্লেখযোগ্য। লাউনডেস বেশকিছু ভালোমানের নন-ফিকশন লেখাও প্রকাশ করেন; যার মধ্যে জেমস ই. গুনের "দ্য ফিলোসোফি অব সায়েন্স ফিকশন" (মার্চ ও জুন, ১৯৫৩-এর সংখ্যায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল), এবং "দ্য প্লট ফর্মস অব সায়েন্স ফিকশন"। পাল্প যুগের শেষ দিকে এই ম্যাগাজিনের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে সিলবারক্লেইট ১৯৫৪ সালে ফিউচারকে একটি সংকলন আকারে রূপান্তরের কথা চিন্তা করেন। লাউনডেস ডায়নামিকের সাথেও এরকম করতে চান নি, তাই তিনি ম্যাগাজিনটির কাজই বন্ধ করে দেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


এলজি মোবাইল বিশ্বকাপ ইন্দোনেশিয়ার লোগো

এলজি মোবাইল বিশ্বকাপ, এলজি ইলেকট্রনিকসের আয়োজনে ২০১০ সালের ১৪ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা মোবাইলে বার্তা আদান-প্রদাণে তাদের গতি ও নির্ভুলতার উপর ভিত্তি করে অংশগ্রহণ করেন। এটি নিউ ইয়র্ক শহরের গথাম হলে অনুষ্ঠিত হয়। সর্বমোট ১৩০,০০০ ডলার পুরস্কারের এই প্রতিযোগিতায় ১৩টি দল তাদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হল: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পর্তুগাল, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ২০১০ সালেই প্রথমবারের মত দেশগুলো একে অপরের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭, ২০০৮ ও ২০০৯ সালে এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিযোগিতা হয় ২০০৮ ও ২০০৯ সালে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ইয়োহানা ওয়েলিন

ইয়োহানা ওয়েলিন হলেন সুইডেনে জন্মগ্রহণকারী একজন জার্মান ২.০ পয়েন্ট হুইলচেয়ার বাস্কেটবল খেলোয়াড়। ফিনল্যান্ড-সুইডেন সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত পাজালা গ্রামে জন্মগ্রহণকারী ওয়েলিন সুইডিশ লীগে টরবোদা আই.কে.-এর হয়ে ফুটবল খেলতেন। ২০০৪ সালে গোথার্নবাগে একটি স্নোবোর্ডিং প্রতিযোগিতায় খারাপ পতনের ফলে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তার কোমরের বামদিকের নিচের অংশ প্যারালাইস্ট হয়। পরে তিনি হু্ইলচেয়ার বাস্কেটবলকে পেশা হিসাবে গ্রহন করেন এবং সুইডিশ লীগে জি.আর.বি.কে. গোথার্নবাগ-এর হয়ে খেলেন। তিনি জার্মান হুইলচেয়ার বাস্কেটবল লীগে ইউ.এস.সি. মিউনিখ-এর হয়ে এবং জার্মান জাতীয় দলে খেলে থাকেন। এ দলটি লন্ডনে অনুষ্ঠিত ২০১২ গ্রীষ্মকালীন প্যারালিম্পিকে স্বর্ণ পদক জেতে এবং একই সালে রাষ্ট্রপতি জোয়াকিম গোঁউক-এর নিকট হতে জার্মানির সর্বোচ্চ ক্রীড়া পুরস্কার সিলভার লরেল লিফ লাভ করেছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আভ্যন্তর-বহিরঙ্গন থার্মোমিটার

আভ্যন্তর-বহিরঙ্গন থার্মোমিটার হল একটি থার্মোমিটার যা একই সাথে আভ্যন্তর ও বহিরঙ্গণের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারে। এই তাপমাপক যন্ত্রের বাইরের অংশের জন্য এক ধরনের দূরবর্তী তাপমাত্রা অনুভূতিমাপক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়; এটা সাধারনত করা হয় বাইরের দিকের বিস্তৃত তাপমাপক যন্ত্রের বাল্ব (ডুম) দ্বারা। আধুনিক যন্ত্রগুলোতে বেশির ভাগই এই ধরনের ইলেকট্রনিক ট্রাসডিউসার (পরিণত করার যন্ত্র) ব্যবহার করে থাকে। আভ্যন্তর-বহিরঙ্গণ থার্মোমিটারের ভিত্তি হচ্ছে প্রচলিত লিকুইড-ইন-গ্লাস থার্মোমিটার, বহিরঙ্গণ থার্মোমিটারের স্টেম একটি দীর্ঘ, নমনীয় বা আধা অনমনীয় সূক্ষ্ম নলের বাল্বের সাথে সংযুক্ত থাকে। স্বাভাবিকভাবে তাপমাত্রার স্কেল স্টেমে চিহ্নিত করা থাকে। যাইহোক, আসলে তাপমাত্রা মাপা হয় বাল্বের তাপমাত্রা থেকে। ইলেকট্রনিক থার্মোমিটারে সেন্সরের যে কোনো প্রকারের ব্যবহার হতে পারে। থার্মোমিটারে হল সাধারণ এবং অর্ধপরিবাহীর সংযোগস্থল এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


এভরি সানডে চলচ্চিত্রের পোস্টার

এভরি সানডে (কখনো কখনো এভরি সানডে আফটারনুন বা অপেরা ভার্সেস জ্যাজ বলা হয়) ১৯৩৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি মার্কিন স্বল্পদৈর্ঘ্য সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র। যেটির কাহিনীতে দেখা যায় দু'জন তরুণীর চেষ্টায়, অল্পদর্শক উপস্থিতির হাত থেকে একটি স্থানীয় ধারাবাহিক কনসার্ট রক্ষা পায়। ফেলিক্স ই ফিস্ট পরিচালিত এটি একটা উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র যেখানে, অভিনেত্রী ডায়ানা ডার্বিন ও জুডি গারল্যান্ডের অডিশন এবং পর্দায় উপস্থিতি দেখে, তাদের বড় তারকা হবার সম্ভাবনার কথা ধারণা করা হয়েছিল। মুক্তির সময় তেমন একটা সমালোচকদের দৃষ্টি অর্জন করতে পারেনি। ডার্বিনের স্থানীয় পত্রিকা দ্যা উইনিং ফ্রী প্রেস চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করলেও এটিকে খুবই সংক্ষিপ্ত বলে উল্লেখ করে এবং গারল্যান্ডকে গার্ল সিংগার অব ডিস্টিংশান উপাধি দেয়। এছাড়া গারল্যান্ড জীবনীকারদের নিকট থেকে ইতিবাচক সুনাম অর্জন করেছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


উসামা ইবনে মুনকিজ ছিলেন উত্তর সিরিয়ার শাইজারের বনু মুনকিজ বংশীয় মধ্যুযুগের একজন মুসলিম কবি, লেখক, ফারিস ও কূটনৈতিক। তার জীবনকালে কয়েকটি মুসলিম রাজবংশের উত্থান হয়েছে। এছাড়াও এসময় প্রথম ক্রুসেড সংঘটিত হয় এবং ক্রুসেডার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। উসামা শাইজারের আমিরের ভ্রাতুষ্পুত্র এবং সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী ছিলেন। কিন্তু ১১৩১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নির্বাসিত হন। বাকি জীবন তিনি অন্যান্য নেতাদের অধীনে কাজ করেছেন। পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় তিনি বুরি, জেনগিআইয়ুবীয় দরবারের সদস্য ছিলেন এবং ইমাদউদ্দিন, নুরউদ্দিন সালাহউদ্দিনকে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও তিনি কায়রোতে ফাতেমীয় দরবারে ও হিসন কাইফায় অরতুকিদের অধীনে দায়িত্বপালন করেছেন। জীবনকালে ও মৃত্যুপরবর্তী সময়ে তিনি একজন কবি ও আদিব হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। তিনি বেশ কয়েকটি কবিতা সংকলন প্রণয়ন করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে কিতাব আল-আসা, লুবাব আল-আদাব ও আল-মানজিল ওয়াল-দিয়ার। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট রুট ১৮৬

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট রুট ১৮৬ (এসআর ১৮৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত একটি রাজ্য মহাসড়ক। রাস্তাটি কলরাডো নদীর তীরে অবস্থিত যেটি কিনা ইউএস-মেক্সিকো সীমান্ত থেকে ইন্টারস্টেট ৮ (আই-৮) এর সংযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসআর ১৮৬ এর দক্ষিণ প্রান্তবিন্দু অবস্থিত লস অ্যানগোডন্স, বাজা ক্যালিফোর্নিয়া এবং উত্তর প্রান্তবিন্দু অবস্থিত আরজা জাংশনের নিকটবর্তী উইন্টারহ্যাভেন, ক্যালিফোর্নিয়াতে। মাত্র ২.০৭ মাইল (৩.৩৩১কি.মি.) লম্বা রাস্তাটি আলমো ক্যানেল ধরে অল আমেরিকান ক্যানেল পাড়ি দেয় ফোর্ট উমা-কুইচ্যান রিজারভেশান এলাকায়। এসআর ১৮৬, ১৯৭২ সালে ইম্পিরিয়াল কাউন্টির অধীন হিসেবে চিহ্নিত করা করা হয়, যদিও এর অপরপ্রান্ত আই-৮ একবছর পর নির্মাণ করা হয়েছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


নাইটস টেম্পলার

নাইটস টেম্পলার অথবা অর্ডার অফ দ্য টেম্প্‌ল হল সোলমনের মন্দির এবং খ্রিস্টের দরিদ্র সহযোগী-সৈনিকবৃন্দ। খ্রিস্টান সামরিক যাজক সম্প্রদায়গুলোর (অর্ডার) মধ্যে এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত এবং পরিচিত। মধ্য যুগে প্রায় দুই শতক ব্যাপী এই সংগঠনের অস্তিত্ব বিরাজমান ছিল। ১০৯৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ক্রুসেডের পরই এর সৃষ্টি হয় যার উদ্দেশ্যে ছিল জেরুজালেমে আগত বিপুল সংখ্যক ইউরোপীয় তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জেরুজালেম মুসলিমদের দখলে চলে যাওয়ার পরই এই নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১১২৯ খ্রিস্টাব্দে চার্চ এই সংগঠনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দান করে। এর পর থেকে যাজক সম্প্রদায়টি গোটা ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় দাতব্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এর সদস্য সংখ্যা এবং একই সাথে ক্ষমতা বিপুল হারে বাড়তে থাকে। স্বতন্ত্র ধরণের লাল ক্রস সংবলিত আলখাল্লা পরিধান করার কারণে যে কোন টেম্পলার নাইটকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। তারা ছিল ক্রুসেডের সময়কার সর্বোৎকৃষ্ট অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত, সর্বোচ্চ মানের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং সর্বোচ্চ শৃঙ্খলাবিশিষ্ট যোদ্ধা দল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


দি অ্যাক্টর অ্যান্ড দ্য রুব চলচ্চিত্রে একটি দৃশ্য

দি অ্যাক্টর অ্যান্ড দ্য রুব ১৯১৫ সালের মার্কিন নির্বাক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যেটি ফলস্টাফ ব্র‍্যান্ডের অধীনে থানহাউসার কোম্পানি কর্তৃক প্রযোজিত হয়েছে। ফিলিপ লোনারগ্যান রচিত এবং আর্থার এলারি পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি ছিল ফলস্টাফের প্রথম পরিচালনা। এর প্রযোজনা তত্ত্বাবধানে ছিলেন এডউইন থানহাউসার এবং এটি নিউ রোচেল স্টুডিওতে প্রযোজিত হয়েছিল। চলচ্চিত্রটির কাহিনী এক বদমেজাজি কৃষককে কেন্দ্র করে যাকে তার শহরের সবাই অপছন্দ করে, ফলে সে সিদ্ধান্ত নেয় নিউইয়র্ক যাবার। একজন অভিনেতা কৃষকের ছদ্মবেশ নিয়ে কৃষকের গ্রামে ফিরে যায় এবং তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। এরপর অভিনেতা কৃষককে তার গ্রামে ফিরে যেতে বলে। গ্রামে ফিরে গিয়ে কৃষক দেখে সে সবার প্রিয়পাত্র এবং জনপ্রিয়, কৃষক তখন তার ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে। দি ওয়ান রিল কমেডি প্রোডাকশনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রে বিশদভাবে মুক্তি পেয়েছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


পেঁয়াজ গম্বুজ

পেঁয়াজ গম্বুজ একটি গম্বুজ যার আকৃতি পেঁয়াজের মত। এই ধরনের গম্বুজ সাধারনত যেখানে বসানো হয়, তার চেয়ে ব্যাস বড় এবং উচ্চতা প্রস্থের চেয়ে লম্বা থাকে। এই কন্দল কাঠামোর উপরে একটি বিন্দুতে মসৃণ সরু মাথা থাকে। এই চার্চ গম্বুজের কর্তৃত্ববাদী কাঠামো আছে রাশিয়ায় (রাশিয়ায় অধিকাংশ অর্থডক্স গির্জায়) এবং বাভারিয়া, জার্মানি, কিন্তু প্রায়শই এটি দেখা যায় অস্ট্রিয়া, উত্তরপূর্ব ইতালি, পূর্ব ইউরোপ, মুঘল সাম্রাজ্য, এবং মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়ায়। অন্য ধরনের পূর্বাঞ্চলীয় অর্থডক্স গম্বুজের মধ্যে আছে "হেলমেট গম্বুজ" (উদাহরনস্বরূপ, নভগরডের সেন্ট সোফিয়া ক্যাথিড্রাল ও ভ্লাদিমিরের আজাম্পশন ক্যাথিড্রাল), ইউক্রেনের "নাশপাতি গম্বুজ" (কিয়েভের সেন্ট সোফিয়া ক্যাথিড্রাল), এবং রারক কুঁড়ি গম্বুজ (সেন্ট অ্যান্ড্রু চার্চ, কিয়েভ)। বাইজেন্টাইন গীর্জাসমূহ ও কিয়েভের রুশ স্থাপত্যগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল বৃহত্তম কাঠামো ও স্তাবক গম্বুজ দিয়ে এবং গম্বুজের উপরে কোন কাঠামো ছাড়া। এই প্রাচীন কাঠামোর বিপরীতে, রাশিয়ার গির্জার গম্বুজের মাথায় ধাতু বা কাঠের বিশেষ কাঠামোর মধ্যে লোহা বা টাইলস বিশেষ সরু রেখা থাকে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


লাহোর দুর্গ

লাহোর দুর্গ পাকিস্তানের পাঞ্জাবের লাহোরে অবস্থিত একটি দুর্গ। এই দুর্গ ইকবাল পার্কে লাহোরের দেয়ালঘেরা শহরের উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত। এই পার্ক পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় নগর পার্কের অন্যতম। ট্রাপোজয়েড আকৃতির স্থানটি ২০ হেক্টর এলাকা নিয়ে গঠিত। দুর্গের উৎস প্রাচীনকাল হলেও বর্তমান স্থাপনা মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে নির্মিত হয়েছে। পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটদের সময়ে দুর্গের বৃদ্ধি ঘটেছে। মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর শিখব্রিটিশ শাসকরাও দুর্গের বৃদ্ধি ঘটান। এর দুইটি ফটক রয়েছে। এর মধ্যে একটি সম্রাট আওরঙ্গজেব নির্মাণ করেছেন। এটি আলমগিরি ফটক বলে পরিচিত এবং তা বাদশাহী মসজিদমুখী। অন্যটি আকবরের সময় নির্মিত হয় এবং এটি মাসিতি বা মসজিদি ফটক নামে পরিচিত। এটি দেয়ালঘেরা শহরের মাসিতি এলাকামুখী। বর্তমানে আলমগিরি ফটকটি প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং মাসিতি ফটকটি স্থায়ীভাবে বন্ধ রয়েছে। দুর্গে মুঘল স্থাপত্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে। দুর্গের কিছু বিখ্যাত স্থানের মধ্যে রয়েছে শিশ মহল, আলমগিরি ফটক, নওলাখা প্যাভেলিয়নমোতি মসজিদ। (বাকি অংশ পড়ুন...)


স্ট্রেঞ্জ টেলস্‌ অ্যান্ড মিস্ট্রি অব টেরর

স্ট্রেঞ্জ টেলস্‌ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত একটি পাল্প ম্যাগাজিন। ক্লেটন পাবলিকেশনস প্রকাশিত এই ম্যাগজিনটি ১৯৩১ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হত। এটি কল্পনা ও অপার্থিব কল্পকাহিনী ধরণের লেখার উপর গুরুত্বারোপ করত। এই ম্যাগজিনটি ওয়্যার্ড টেলস ম্যাগাজিনের অন্যতম প্রতিযোগী ছিল। এই বিষয়ভিত্তিক ম্যাগাজিনসমূহের মধ্যে ওয়্যার্ড টেলস্‌ ঐ সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। ম্যাগাজিনটি নানা বিখ্যাত লেখনী প্রকাশ করেছে, তন্মধ্যে জ্যাক উইলিয়ামসনের "উলফস্‌ অভ ডার্কনেস", রবার্ট ই. হাওয়ার্ড ও ক্লার্ক অ্যাশটন স্মিথ এর গল্পগুলো উল্লেখযোগ্য। তবে পরবর্তীতে ক্লেটন দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় ম্যাগাজিনের প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন ওয়াইল্ডসাইড প্রেস সাময়িকভাবে এ পরিস্থিতি থেকে বাঁচিয়ে তোলে। পরবর্তীতে ২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে এই প্রকাশনা সংস্থা রবার্ট এম. প্রিন্সের সম্পাদনায় ম্যাগাজিনটির পরবর্তী ৩টি সংখ্যা প্রকাশ করে। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ওয়াইল্ডসাইড পুনরায় তিনটি ম্যাগাজিন অনুলিপি হিসেবে প্রকাশিত হয়; এই সংখ্যাগুলোর মুদ্রিত তারিখ ছিল মার্চ ও অক্টোবর, ১৯৩২ এবং জানুয়ারি, ১৯৩৩। (বাকি অংশ পড়ুন...)


১৯৮৮ বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়

১৯৮৮ বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড় (যৌথ ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা কেন্দ্র কর্তৃক ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় 04B হিসাবে মনোনীত) বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়। ১৯৮৮ সালে সংঘঠিত এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দেশে যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বনাশা বন্যা হিসেবে পরিচিত। ২১ নভেম্বর মালাক্কা প্রণালীতে এই ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয়েছিল। শুরুতে এটি পশ্চিমগামী ছিল, এরপর গভীর নিম্নচাপ থেকে ক্রমান্বয়ে আন্দামান সাগরে এসে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। নভেম্বর ২৬ তারিখে, এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় এবং উত্তরদিকে ঘুরে যায়। ধীরে ধীরে, এর গতি তীব্রতর হয় এবং ১২৫ মাইল/ঘণ্টা (২০০ কিমি/ঘণ্টা) বাতাসের গতিতে ২৯শে নভেম্বর বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের স্থলভূমিতে আঘাত করে। এই গতি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শক্তিশালী অবস্থা ধরে রাখে এবং এটি ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে মাঝারি ঘূর্ণিঝড় হিসাবে সক্রিয় ছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


২০১১ কমনওয়েলথ যুব গেমসের পদক অনুযায়ী ম্যাপ

২০১১ সালের ৭ হতে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইল অব ম্যানে অনুষ্ঠিত ২০১১ কমনওয়েলথ যুব গেমসে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে; যা দাপ্তরিকভাবে ৪র্থ কমনওয়েলথ যুব গেমস নামে পরিচিত। কমনওয়েলথ যুব গেমসে এটি ছিলো বাংলাদেশের দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণ। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে দেশটি এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়, যারা কমনওয়েলথ গেমস এবং কমনওয়েলথ যুব গেমসে দেশের হয়ে প্রতিযোগী ও প্রতিনিধি প্রেরণ করে থাকে। বাংলাদেশ দলে ছিলেন চারজন কর্মকর্তা ও চারজন প্রতিযোগী। দুইজন পুরুষ ও দুজন মহিলা ক্রীড়াবিদ নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ দল অ্যাথলেটিক্স, মুষ্টিযুদ্ধ এবং সাঁতার - এই তিনটি ভিন্ন ক্রীড়ায় অংশ নেয় (পূর্ববর্তী গেমসে বাংলাদেশ দলে ছিলেন দশজন পুরুষ ক্রীড়াবিদ)। এতে বাংলাদেশ দল কোন পদক জয়ে ব্যর্থ হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


শিল্পি লিকতেনস্তাইন

গরররররররররর!! তেল এবং ম্যাগনা দ্বারা ১৯৬৫ সালে রয় লিকতেনস্তাইন অঙ্কিত একটি ক্যানভাস পেইন্টিং। ৬৮ ইঞ্চি × ৫৬.১২৫ ইঞ্চি (১৭২.৭ সেমি × ১৪২.৬ সেমি) আকারের এই পেইন্টিংটি লিকতেনস্তাইন তার শিল্পকর্ম থেকে শলোমন আর. গগেনহেম জাদুঘরে উইল করেন। এটি একটি রাগান্বিত কুকুরের রাগ প্রকাশের মুখচ্ছবির অনোমেটোপোইক অভিব্যক্তি "গরররররররররর!!" চিত্রকর্মটির অনুপ্রেরণা ছিল আওয়ার ফাইটিং ফোর্সেস #৬৬ (ফেব্রুয়ারি ১৯৬২) থেকে প্রপ্ত কাঠামো, যেটি ন্যাশনাল পিরিয়ডিক্যাল পাবলিকেশন্স (বর্তমানে ডিসি) কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়াও এটি লিকতেনস্তাইনের আঁকা অন্যান্য সামরিক কুকুরের চিত্রকর্মের উৎস হিসেবে নিষেবিত হয়ে থাকে। পেইন্টিং ১৯৯২ সালে করা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে, ১৯৯৭ সালে লিকতেনস্তাইনের মৃত্যুর পর গগেনহেম জাদুঘরে উইল করা হয়। চিত্রকর্মটি ১৯৯৩ সালের আর্ট নিউজের নভেম্বর সংখ্যার প্রচ্ছদে প্রকাশিত হয়েছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


শেখ মুজিবুর রহমান

শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতিভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের "জাতির জনক" বা "জাতির পিতা" বলা হয়ে থাকে। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত ছিলেন এবং তার উপাধি "বঙ্গবন্ধু"। তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪৭-এ ভারত বিভাগ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব ছিলেন তরুন ছাত্রনেতা। পরবর্তীতে তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় অর্জন করে। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


মালাজগির্দ‌ের যুদ্ধ

মালাজগির্দ‌ের যুদ্ধ ১০৭১ সালের ২৬ আগস্ট বর্তমান তুরস্কের মাশ প্রদেশের মালাজগির্দ‌ের নিকটে সেলজুক সাম্রাজ্যবাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে বাইজেন্টাইনরা পরাজিত হয় এবং সম্রাট চতুর্থ রোমানোস বন্দী হন যার ফলে আনাতোলিয়া, আর্মেনিয়ায় বাইজেন্টাইন কর্তৃত্ব হ্রাস পায় এবং আনাতোলিয়া তুর্কিদের হস্তগত হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়। মালাজগির্দ‌ে পরাজয় বাইজেন্টাইনদের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি করে। এর ফলে গৃহযুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয় ফলে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সীমান্ত রক্ষার সক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে তুর্করা ব্যাপক সংখ্যায় মধ্য আনাতোলিয়ায় প্রবেশ করতে থাকে। ১০৮০ সাল নাগাদ প্রায় ৭৮,০০০ বর্গকিলোমিটার (৩০,০০০ মা২) এলাকা সেলজুক তুর্কিরা অধিকার করে নেয়। আভ্যন্তরীণ গোলযোগ দূর করে বাইজেন্টিয়ামে স্থিতিশীলতা আনার জন্য প্রথম আলেক্সিওসের তিন দশক সময় লেগেছিল। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বাইজেন্টাইন সম্রাট একজন মুসলিম সম্রাটের কাছে বন্দী হন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


হ্যারি পটার হচ্ছে ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাউলিং রচিত সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ। এই সিরিজের উপন্যাসগুলিতে জাদুকরদের পৃথিবীর কথা বলা হয়েছে এবং কাহিনী আবর্তিত হয়েছে হ্যারি পটার নামের এক কিশোর জাদুকরকে ঘিরে, যে তার প্রিয় বন্ধু রন উইজলিহারমায়নি গ্রেঞ্জারকে সাথে নিয়ে নানা অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নেয়। কাহিনীর বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফট এন্ড উইজার্ডরিতে। মূল চরিত্র হ্যারি পটারের বড় হওয়ার পথে যেসব ঘটনা ঘটে, তার শিক্ষাজীবন, সম্পর্ক ও অ্যাডভেঞ্চার নিয়েই কাহিনী রচিত হয়েছে। আবার বইটিতে মানুষের বন্ধুত্ব, উচ্চাশা, ইচ্ছা, গর্ব, সাহস, ভালবাসা, মৃত্যু প্রভৃতিকে জাদুর দুনিয়ার জটিল ইতিহাস, বৈচিত্র্যপূর্ণ অধিবাসী, অনন্য সংস্কৃতি ও সমাজ প্রভৃতির দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণনা করা হয়েছে। এর কাহিনী মূলত কালো-যাদুকর লর্ড ভলডেমর্ট, যে জাদু সাম্রাজ্যে প্রতিপত্তি লাভের উদ্দেশ্যে হ্যারির বাবা-মাকে হত্যা করেছিল ও তার চিরশত্রু হ্যারি পটারকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।(বাকি অংশ পড়ুন...)


ভীম ভবানী

ভবেন্দ্রমোহন সাহা বা ভীম ভবানী ছিলেন একজন ভারতীয় কুস্তিগীরভারোত্তলক। তার যখন ১৯ বছর বয়স তখন ভারতের প্রসিদ্ধ কুস্তিগীর প্রফেসর রামমূর্তী নাইডু তার সার্কাসের দল নিয়ে কলকাতায় খেলা দেখাতে আসেন। তিনি রামমূর্তীর কাছে শরীরচর্চার প্রশিক্ষণ নেন এবং তার সাথে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে তার শারীরিক শক্তির পরিচয় দেন। পরে তিনি রামমূর্তীর সার্কাসের দলে যোগ দিয়ে রেঙ্গুনে পাড়ি দেন এবং রেঙ্গুন, সিঙ্গাপুর হয়ে জাভায় পৌঁছান। পরে প্রফেসর বসাকের হিপোড্রোম সার্কাসের সাথে এশিয়া যাত্রা করেন ও তার কৃতিত্বের পরিচয় দেন। জাপান সম্রাট (মিকাডো) তার শারীরিক শক্তির পরিচয় পেয়ে তাকে স্বর্ণপদক দান করেন। বুকের উপর হাতী তোলার জন্য তিনি কিংবদন্তিতে পরিণত হন। তার বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি মোট ১২০ খানা স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক লাভ করেন। এছাড়াও পুরস্কার স্বরূপ শাল, আলোয়ান, আংটি, মোটর গাড়ি ও নগদ টাকাও পেয়েছিলেন। কলকাতায় স্বদেশী মেলায় অমৃতলাল বসু তার বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে তাকে মহাভারতের ভীমের সাথে তুলনা করেন ও তাকে কলিকালের ভীম বলে বর্ণনা করেন এবং 'ভীম ভবানী' আখ্যা দেন। পশ্চিম ভারতে তিনি 'ভীমমূর্তী' নামে খ্যাত ছিলেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


কাগজি

কাগজি এক প্রজাতির মাঝারি আকারের পাহাড়ী অরণ্যবাসী প্রজাপতি। পাহাড়ে ৮০০০ ফুট উচ্চতা অবধি এদের দেখা মেলে। কাগজির মূল শরীর হালকা হলদেটে সাদা বর্ণের এবং ডানাদুটি মানচিত্রের ন্যায় সীমানাচিহ্নের মতো সরু সরু কালো রেখায় চিত্রিত। সামনের ডানার শীর্ষে এবং উভয় ডানার কিনারাতে গাঢ় খয়েরি রঙের পটি লক্ষ্য করা যায়। নীচের ডানার নিম্নভাগে কমলা রঙ এর ছোঁয়া থাকে। কাগজির প্রসারিত অবস্থায় ডানার আকার ৫০-৬০ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের হয়। মিঃ বেল লিখেছেন আর কোন ভারতীয় প্রজাপতি এতক্ষণ ডানা না কাঁপিয়ে ভেসে থাকতে পারে না। এরা নিমফ্যালিডি পরিবার এবং সাইরেসটিস উপগোত্রের সদস্য। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আরবিতে লিখিত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর নাম

মুহাম্মাদ যিনি মুসলমানদের কাছে সম্মানসূচকার্থে মুহাম্মাদ (সা.) হিসেবে পরিচিত হলেন ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামী বিশ্বাস মতে আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী, যার উপর ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। অমুসলিমদের মতে তিনি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, মুহাম্মাদ ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা। তার এই বিশেষত্বের অন্যতম কারণ হচ্ছে আধ্যাত্মিক ও জাগতিক উভয় জগতেই চূড়ান্ত সফলতা অর্জন। তিনি ধর্মীয় জীবনে যেমন সফল তেমনই রাজনৈতিক জীবনেও। সমগ্র আরব বিশ্বের জাগরণের পথিকৃৎ হিসেবে তিনি অগ্রগণ্য; বিবাদমান আরব জনতাকে একীভূতকরণ তার জীবনের অন্যতম সফলতা। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত মুহাম্মাদের নিকট আসা ওহীসমূহ কুরআনের আয়াত হিসেবে রয়ে যায় এবং মুসলমানরা এই আয়াতসমূহকে ‘আল্লাহর বাণী’ বলে বিবেচনা করেন। এই কুরআনের উপর ইসলাম ধর্মের মূল নিহিত। কুরআনের পাশাপাশি হাদিস ও সিরাত (জীবনী) থেকে প্রাপ্ত হযরত মুহাম্মাদের শিক্ষা ও অনুশীলন (সুন্নাহ) ইসলামী আইন (শরিয়াহ) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)


লুডভিগ বোলৎসমান

লুডভিগ এডুয়ার্ড বোলৎসমান ছিলেন প্রখ্যাত অষ্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ। তিনিই প্রথম বলেছিলেন, পরমাণুকে না দেখলেও কিছু পরিসাংখ্যিক সমীকরণের মাধ্যমে তাদের গতিবিধি বর্ণনা করা সম্ভব। এভাবেই তিনি পরিসাংখ্যিক গতিবিদ্যার জন্ম দেন। তখনকার প্রতিষ্ঠিত নিয়মের বাইরে গিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, তাপগতিবিদ্যায় সম্ভাব্যতার ধারণা সংযোজন করা উচিত। এভাবে তার হাত ধরে পরিসাংখ্যিক তাপগতিবিদ্যারও জন্ম হয়েছিল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন প্রকৃতির বিশৃঙ্খলাকে বিশৃঙ্খলা-মাত্রা বা এনট্রপি নামক একটি গাণিতিক রাশির মাধ্যমে পরিমাপ করা সম্ভব। সে সময় প্রচলিত ধ্রুব প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রকৃতির বাস্তব বিশৃঙ্খলা এবং সম্ভাব্যতার প্রভাব আবিষ্কার করেছিলেন বলেই তাকে বলা হয় দ্য জিনিয়াস অফ ডিসঅর্ডার। পরিসাংখ্যিক ব্যত্যয় বিরল এবং একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির মত ব্যত্যয় আরও বিরল। তবে জ্ঞানের এই ধারার অগ্রদূত হিসেবে লুক্রেতিউসের পরই বোলৎসমানের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


আ ২৯-সেন্ট রবারি (১৯১০)

আ টোয়েন্টিনাইন-সেন্ট রবারি ১৯১০ সালের মার্কিন নির্বাক স্বল্পদৈর্ঘ্য নাট্য চলচ্চিত্র। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের মতে চলচ্চিত্রটি পরিচালা করেছেন ব্যারি ওনিল। এটি প্রযোজনা করেছে থানহাউসার কোম্পানি। এই চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে এডনা রবিনসন নামে এক কিশোরী চরিত্রে মারি এলিনের অভিষেক হয়, যে তার পরিবারের বাড়ি লুট করার সময় চোরকে বাধাদানের প্রচেষ্টা চালায়। যেখানে একদল চোর একত্রিত হয়ে তার ২৯ সেন্ট সমেত খেলনা ব্যাংক লুট করে। চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের দ্বারা ইতিবাচক মন্তব্য অর্জন করে এবং প্রায় সমস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রদর্শিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটি ছিল থানহাউসার কোম্পানি কর্তৃক প্রথম স্প্লিট-রিল; একটি একক রিলের মধ্যে এই চলচ্চিত্রটি ছাড়াও দ্য ওল্ড সু কাম ব্যাক অন্তর্ভুক্ত ছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...)


গিজা পিরামিড চত্বর

গিজা পিরামিড চত্বর হচ্ছে মিশরের কায়রোর উপকন্ঠে গিজা মালভূমির উপর অবস্থিত একটি প্রত্নস্থল। প্রাচীন মিনার সম্বলিত এই চত্বরে আছে তিনটি পিরামিড কমপ্লেক্স যা গ্রেট পিরামিড নামে পরিচিত, গ্রেট স্পিংক্স নামে পরিচিত বিশাললাকৃতির ভাস্কর্য, বিভিন্ন কবরস্থান, একটি শ্রমিদকদের গ্রাম এবং একটি শিল্প চত্বর। এটি লিবিয় মরুভূমিতে অবস্থিত।, নীল নদের প্রায় ৯ কিলোমিটার (৫ মাইল) পশ্চিমে পুরনো গিজা শহরে এবং কায়রো শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার (৮ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। পশ্চিমাদের ধারণা পিরামিড ঐতিহাসিকভাবে প্রাচীন মিশরের অবিস্মরণীয় সৃষ্টি, হেলেনীয় সময়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে, যখন সিদনের এন্তিপেতার একে প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য তালিকাভুক্ত করেন। এটা প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যসমূহের মধ্যে সব থেকে প্রাচীন এবং একমাত্র টিকে থাকা নিদর্শন। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ব্যক্তিগত কম্পিউটার

ব্যক্তিগত কম্পিউটার হল সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কম্পিউটার। এর আকার, ক্ষমতা এবং প্রকৃত দাম একজন ব্যক্তির জন্য উপযোগি এবং একজন ব্যবহারকারীর দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয় কোন তৃতীয় পক্ষ ছাড়া। এই ব্যবস্থাটি সময় অংশীদারি মডেল অথবা ক্রমানুসারে প্রক্রিয়াকারী ব্যবস্থার ঠিক বিপরীত কারণ অংশীদারি মডেল অথবা ক্রমানুসারে প্রক্রিয়াকারী ব্যবস্থায় বড়, দামি মিনি কম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় যা একই সঙ্গে অনেক মানুষ ব্যবহার করে। বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারেই সফটওয়্যার এ্যাপ্লিকেশন, যেমন ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশিট, ডাটাবেস, ওয়েব ব্রাউজার এবং ইমেইল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারগুলো চলে। এছাড়া ডিজিটাল মাধ্যম চালনা, গেমস, নিজস্ব প্রয়োজনীয় উৎপাদনশীলতার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার এবং বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সফটওয়্যার চালানো যায়। আধুনিক ব্যক্তিগত কম্পিউটারগুলোতে প্রায়শই ইন্টারনেট সুবিধা থাকে যা বিশ্ব বিস্তৃত ওয়েবে প্রবেশ করতে দেয় সাথে আরো অনেক ইন্টারনেট সম্পদ ব্যবহারের সুবিধাও থাকে। ব্যক্তিগত কম্পিউটার ল্যান তার বা তার বিহীন সংযোগের মাধ্যমে ল্যানের সাথে যুক্ত হতে পারে। একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার হতে পারে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, নেটবুক, ট্যাবলেট অথবা পামটপ। (বাকি অংশ পড়ুন...)


Pink Floyd at the Paradiso.png

পিংক ফ্লয়েড ১৯৬৫ সালে গঠিত ব্রিটিশ রক ব্যান্ড, যারা প্রোগ্রেসিভ সঙ্গীতরচনা, দার্শনিক গানের কথা, ধ্বনিত নিরীক্ষণ, প্রচ্ছদ শিল্প এবং বিস্তৃত সরাসরি পরিবেশনার জন্য খ্যাত। ব্যান্ডটি রক সঙ্গীতের অন্যতম অন্যতম সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং প্রভাবশালী দল হিসেবে বিবেচিত; ২০১৩ সালের হিসেবে, বিশ্বজুড়ে এযাবৎ যাাদের প্রায় ২৫০ মিলিয়ন রেকর্ড বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৭৪.৫ মিলিয়ন কেবল যুক্তরাষ্ট্রে। পিংক ফ্লয়েড ১৯৬০-এর দশকের শেষদিকে সিড ব্যারেটের নেতৃত্বে সাইকেডেলিক ব্যান্ড হিসাবে মাঝারি সাফল্য অর্ঝন করেছিল। ব্যারেটের খেয়ালী আচরণের কারণে তার সহকর্মীরা গিটারবাদক ডেভিড গিলমোরের দ্বারা তার প্রতিস্থাপন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ব্যান্ডটি ১৯৭৩-এর দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন, ১৯৭৫-এর উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার, ১৯৭৭-এর অ্যানিমল্‌স এবং ১৯৭৯-এর দ্য ওয়াল সহ বিভিন্ন বিস্তৃত ধারণা অ্যালবাম প্রকাশ করে বিশ্বব্যাপী সাফল্য অর্জন করেছিল, যেগুলি শ্রেষ্ঠ-বিক্রি, সর্বাধিক সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত এবং রক সঙ্গীত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয় অ্যালবাম হয়ে ওঠে। ১৯৯৬ সালে দলটি মার্কিন রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের এবং ২০০৫ সালে ইউকে মিউজিক হল অব ফেমের অর্ন্তভুক্ত হয়। পিংক ফ্লয়েডের সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম দি এন্ডলেস রিভার (২০১৪), যা মূলত তাদের অপ্রকাশিত সঙ্গীত উপাদানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)