দুর্যোগ চলচ্চিত্র
দুর্যোগ চলচ্চিত্র বা বিপর্যয় চলচ্চিত্র চলচ্চিত্রের একটি ধরন যেখানে কোনো চলচ্চিত্রের বিষয় এবং প্রাথমিক কাহিনি প্রক্রিয়া কোনো চলমান বা আসন্ন বিপর্যয়। এই ধরনের বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি বা গ্রহাণু সংঘর্ষ, এছাড়াও জাহাজডুবি বা বিমান বিধ্বস্তের মতো দুর্ঘটনা বা বৈশ্বিক মহামারি। অ্যাকশন চলচ্চিত্রের একটি উপধারা হিসেবে,[১][২] এই ধারার চলচ্চিত্রগুলি সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট চরিত্রের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বা বেঁচে থাকার কৌশল দৃশ্যায়নের জন্য সাধারণত কিছুটা নির্মাণধর্মী, বিপর্যয় এবং কখনও কখনও তার পরবর্তী প্রভাব তুলে ধরে। এই চলচ্চিত্র প্রায়শই বিপর্যয় থেকে পালাতে, এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি এড়াতে, বা মোকাবেলা করতে একাধিক অভিনেতা এবং কাহিনিযুক্ত চরিত্রসমূহের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
১৯৭০-এর দশকে এরায়পোর্ট (১৯৭০), দ্য পোসাইডন অ্যাডভেঞ্চার (১৯৭২), আর্থকোয়েক (১৯৭৪) এবং দ্য টাওয়ারিং ইনফার্নো (১৯৭৪)-এর মতোন চলচ্চিত্র মুক্তির সাথে সাথে এই ধারাটি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছিল।[৩]
চরিত্রগুলি সাধারণত পরিচিত চরিত্রাভিনেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হত। চলচ্চিত্রে দুর্যোগ শুরু হওয়ার পরে, চরিত্রগুলি সাধারণত মানব দুর্বলতার মুখোমুখি হয়, প্রায়শই প্রেমে পড়ে এবং প্রায় সবসময় দোষারোপ করবার জন্য একজন খলনায়ককে খুঁজে পায়। চলচ্চিত্রগুলিতে সাধারণত অধ্যবসায়ী নায়ক বা নায়িকা (চার্লটন হেস্টন, স্টিভ ম্যাকুইন প্রমুখ) হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানায়। অনেক ক্ষেত্রে, "দুষ্ট" বা "স্বার্থপর" ব্যক্তিরা প্রথমে দফায় দফায় আক্রান্ত হন।[৪] ১৯৯০-এর দশকে এই ধারা কম্পিউটার-উৎপাদিত চিত্র (সিজিআই) এবং বড় স্টুডিওর বৃহত বাজেটের মধ্য দিয়ে পুনর্নবীকরণের এক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল, যা আরও বৃহত্তর দর্শনীয়তার সুযোগ করে দিয়েছিল। ১৯৯৭ সালের জেমস ক্যামেরনের টাইটানিক মহাকাব্যের মাধ্যমে নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্রের বিপর্যয় শেষ হয়েছিল।[৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Film Sub-Genres"। Filmsite.org।
- ↑ "Subgenre - Disaster Film"। অলমুভি। ৬ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২০।
- ↑ "BookRags, Disaster Movies"। bookrags.com। ১৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০০৭।
- ↑ "Disaster Films"। www.filmsite.org। ২৯ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Archived copy"। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক)
উৎস
[সম্পাদনা]- Annan, David (১৯৭৫)। Catastrophe, the End of the Cinema?। Bounty Books। আইএসবিএন ০-৫১৭-৫২৪২০-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|coauthors=(সাহায্য) - Broderick, Mick (জানুয়ারি ১৯৯২)। Nuclear Movies: A Critical Analysis and Filmography of International Feature Length Films Dealing With Experimentation, Aliens, Terrorism, Holocaust। McFarland & Co.। আইএসবিএন ০-৮৯৯৫০-৫৪৩-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|coauthors=(সাহায্য) - Dixon, Wheeler Winston (১৯৯৯)। Disaster and Memory। Columbia University Press। আইএসবিএন ০-২৩১-১১৩১৬-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|coauthors=(সাহায্য) - Keane, Stephen (২০০৬)। Disaster Movies: The Cinema of Catastrophe। Wallflower Press। আইএসবিএন ১-৯০৫৬৭৪-০৩-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|coauthors=(সাহায্য) - Newman, Kim (ফেব্রুয়ারি ২০০০)। Apocalypse Movies: End of the World Cinema। St. Martin's Press। আইএসবিএন ০-৩১২-২৫৩৬৯-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|coauthors=(সাহায্য)