পৃথিবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
পৃথিবী পৃথিবীর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রতীক
A color image of Earth as seen from Apollo ১৭.
পৃথিবীর বিখ্যাত "নীল মার্বেল" চিত্র,১৯৭২ সালে চন্দ্র অভিযানের সময় এপোলো ১৭ থেকে তোলা
বিবরণ
বিশেষণ পার্থিব
কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য
যুগ জে২০০০
অপসূর ১৫২,১০০,০০০ কিমি
(১.০১৬৭৩   এইউ)
৯৪ ৫০০ ০০০ মাইল
অনুসূর ১৪৭,০৯৫,০০০ কিমি
(০.৯৮৩ ২৬৮ ৭ এইউ)
৯১,৪০১,০০০ মাইল
অর্ধ-মুখ্য অক্ষ ১৪৯,৫৯৮,০২৩ কিমি[১]
(১.০০০ ০০১ ০১৮ ৪ এইউ)
৯২,৯৫৫,৯০২ মাইল
উৎকেন্দ্রিকতা ০.০১৬ ৭০৮ ৬
গড় কক্ষীয় দ্রুতি ২৯.৭৮ কিমি/সে[২]
(১০৭,২০০ কিমি/ঘ)
নতি
(সৌর বিষুবোর সাথে ৭.২৫°)
উদ্বিন্দুর দ্রাঘিমা ৩৫৮.৬১৭ ০০°
অনুসূরের উপপত্তি ১১৪.২০৭ ৮৩°
উপগ্রহসমূহ ১ (চন্দ্র)
ভৌত বৈশিষ্ট্যসমূহ
গড় ব্যাসার্ধ ৬,৩৭১.০ কিমি[৩]
বিষুবীয় ব্যাসার্ধ্য ৬,৩৫৬.৮ কিমি
মেরু ব্যাসার্ধ্য ৬,৩৭৮.১ কিমি[৪]
পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল ৫১০,০৭২,০০০ কিমি²
আয়তন ১.০৮৩ ২০৭ ৩×১০১২ কিমি³[২]
ভর ৫.৯৭২৩৭×১০২৪ কিলোগ্রাম
গড় ঘনত্ব ৫,৫১৪ কেজি/মি³
বিষুবীয় পৃষ্ঠের অভিকর্ষ ৯.৭৮০ ১ মি/সে²]]
(০.৯৯৭ ৩২ g)
মুক্তি বেগ ১১.১৮৬ কিমি/সে (≅৩৯,৫০০ কিমি/ঘ)[২]
নাক্ষত্রিক ঘূর্ণনকাল ০.৯৯৭ ২৬৯ দিন (২৩.৯৩৪ ঘন্টা)[৫]
বিষুবীয় অঞ্চলে ঘূর্ণন বেগ ৪৬৫.১১ মি/সে[৬]
অক্ষীয় ঢাল ২৩.৪৩৯ ২৮১°
উত্তর মেরুর বিষুবাংশ অসংজ্ঞায়িত°
উত্তর মেরুর বিষুবলম্ব +৯০°
প্রতিফলন অনুপাত ০.৩৫৭
পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ন্যূন মধ্যক সর্বোচ্চ
কেলভিন ১৮৪ কে ২৮৮ কে ৩৩০ কে
সেলসিয়াস -৮৯.২ °সে ১৫ °সে ৫৬.৭ °সে
বায়ুমণ্ডল
পৃষ্ঠের চাপ ১০১.৩২৫ কিলোপ্যাসকেল
গঠন ৭৮.০৮% নাইট্রোজেন
২০.৯৫% অক্সিজেন
০.৯৩% আর্গন
০.০৩৯% কার্বন ডাই অক্সাইড
বিরল বাষ্প (জলবায়ুর সাথে পরিবর্তীত হয়)

পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়, সর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত এবং সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের চারটি কঠিন গ্রহের অন্যতম। পৃথিবীর অপর নাম "বিশ্ব" বা "নীলগ্রহ"। লাতিন ভাষায় এই গ্রহের নাম "টেরা (Terra)[৭]

পৃথিবী হল মানুষ সহ কোটি কোটি প্রজাতির আবাসস্থল হল। পৃথিবীই একমাত্র মহাজাগতিক স্থান যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কথা বিদিত।[৮] ৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই পৃথিবীর বুকে প্রাণের আবির্ভাব ঘটে।[৯] পৃথিবীর জৈবমণ্ডল এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও অন্যান্য অজৈবিক অবস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুজীবী জীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে, অন্যদিকে তেমনি ওজন স্তর গঠিত হয়েছে। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সঙ্গে একযোগে এই ওজন স্তরই ক্ষতিকর সৌর বিকিরণের গতিরোধ করে গ্রহের বুকে প্রাণের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে।[১০] পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ ও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও কক্ষপথ এই যুগে প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আরও ৫০ কোটি বছর পৃথিবী প্রাণধারণের সহায়ক অবস্থায় থাকবে।[১১]

পৃথিবীর উপরিতল একাধিক শক্ত স্তরে বিভক্ত। এগুলিকে ভূত্বকীয় পাত বলা হয়। কোটি কোটি বছর ধরে এগুলি পৃথিবীর উপরিতলে এসে জমা হয়েছে। পৃথিবীতলের প্রায় ৭১% লবণাক্ত জলের মহাসাগর দ্বারা আবৃত।[১২] অবশিষ্টাংশ গঠিত হয়েছে মহাদেশ ও অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে। স্থলভাগেও রয়েছে অজস্র হ্রদ ও জলের অন্যান্য উৎস। এগুলি নিয়েই গঠিত হয়েছে বিশ্বের জলভাগ। জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় তরল জল এই গ্রহের ভূত্বকের কোথাও সমভার অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর মেরুদ্বয় সর্বদা কঠিন বরফ (আন্টর্কটিক বরফের চাদর) বা সামুদ্রিক বরফে (আর্কটিক বরফের টুপি) আবৃত থাকে। পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ সর্বদা ক্রিয়াশীল। এই অংশ গঠিত হয়েছে একটি আপেক্ষিকভাবে শক্ত ম্যান্টেলের মোটা স্তর, একটি তরল বহিঃকেন্দ্র (যা একটি চৌম্বকক্ষেত্র গঠন করে) এবং একটি শক্ত লৌহ অন্তঃকেন্দ্র নিয়ে গঠিত।

মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বিশেষ করে সূর্য ও চাঁদের সঙ্গে এই গ্রহের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে পৃথিবী নিজ কক্ষপথে মোটামুটি ৩৬৫.২৬ সৌরদিনে বা এক নক্ষত্র বর্ষে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।[১৩] পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৩.৪ ডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। এর ফলে এক বিষুবীয় বছর (৩৬৫.২৪ সৌরদিন) সময়কালের মধ্যে এই বিশ্বের বুকে ঋতুপরিবর্তন ঘটে থাকে।[১৪] পৃথিবীর একমাত্র বিদিত প্রাকৃতিক উপগ্রহ হল চাঁদ। ৪.৩৫ বিলিয়ন বছর আগে চাঁদ পৃথিবী প্রদক্ষিণ শুরু করেছিল। চাঁদের গতির ফলেই পৃথিবীতে সামুদ্রিক জোয়ারভাঁটা হয় এবং পৃথিবীর কক্ষের ঢাল সুস্থিত থাকে। চাঁদের গতিই ধীরে ধীরে পৃথিবীর গতিকে কমিয়ে আনছে। ৩.৮ বিলিয়ন থেকে ৪.১ বিলিয়ন বছরের মধ্যবর্তী সময়ে পরবর্তী মহাসংঘর্ষের সময় একাধিক গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে গ্রহের উপরিতলের পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল।

গ্রহের খনিজ সম্পদ ও জৈব সম্পদ উভয়ই মানবজাতির জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এই গ্রহের অধিবাসীরা প্রায় ২০০টি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে সমগ্র গ্রহটিকে বিভক্ত করে বসবাস করছে। এই সকল রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক কূটনৈতিক, পর্যটন, বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান। মানব সংস্কৃতি গ্রহ সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণার জন্মদাতা। এই সব ধারণার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীকে দেবতা রূপে কল্পনা, সমতল বিশ্ব কল্পনা এবং পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্ররূপে কল্পনা। এছাড়া একটি সুসংহত পরিবেশ রূপে বিশ্বকে কল্পনা করার আধুনিক প্রবণতাও লক্ষিত হয়। এই ধারণাটি বর্তমানে প্রাধান্য অর্জন করেছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

নাম ও ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

"পৃথিবী" শব্দটি সংস্কৃত। এর অপর নাম "পৃথ্বী"। পৃথ্বী ছিল পৌরাণিক "পৃথুর" রাজত্ব। এর সমার্থক শব্দ হচ্ছে- বসুধা, বসুন্ধরা, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, ধরাতল, ভূমি, ক্ষিতি, মহী ইত্যাদি।

পৃথিবীর কালানুক্রমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল।[১৫] সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে দুটি গ্রহের তীব্র সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, জুড়ে যায় গ্রহ দুটি। পৃথিবী নামক গ্রহের সঙ্গে চরম সংঘর্ষ হয়েছিল থিয়া নামে একটি গ্রহের। সংঘর্ষের সময় পৃথিবীর বয়স ছিল ১০ কোটি বছর। সংঘর্ষের জেরে থিয়া ও পৃথিবীর জুড়ে যায়, তৈরি হয় নতুন গ্রহ। সেই গ্রহটিতেই আমরা বাস করছি। তিনবার চন্দ্র অভিযানে পাওয়া চাঁদের মাটি এবং হাওয়াই অ্যারিজোনায় পাওয়া আগ্নেয়শিলা মিলিয়ে চমকে যান গবেষকরা। দুটি পাথরের অক্সিজেন আইসোটোপে কোনও ফারাক নেই। গবেষকদলের প্রধান অধ্যাপক এডওয়ার্ড ইয়ংয়ের কথায়, চাঁদের মাটি আর পৃথিবীর মাটির অক্সিজেন আইসোটোপে কোনও পার্থক্য পাইনি। থিয়া নামক গ্রহটি তখন পরিণত হচ্ছিল। ঠিক সেই সময়েই ধাক্কাটি লাগে এবং পৃথিবীর সৃষ্টি হয়।[১৬]

Artist's impression of the early Solar System's planetary disk

সৌরজগতের ভেতরে অবস্থিত সবচেয়ে পুরনো পদার্থের বয়স প্রায় ৪.৫৬ শত কোটি বছর।[১৭] আজ ৪.৫৪ শত কোটি বছর আগে[৮] পৃথিবীর আদিমতম রূপটি গঠিত হয়। সূর্যের পাশাপাশি সৌরজগতের অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুগুলিও গঠিত হয় ও এদের বিবর্তন ঘটতে থাকে। তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি সৌর নীহারিকা (Solar nebula) একটি আণবিক মেঘ (Molecular cloud) থেকে মহাকর্ষীয় ধসের মাধ্যমে কিছু আয়তন বের করে নেয়, যা ঘুরতে শুরু করে এবং চ্যাপ্টা হয়ে পরিনাক্ষত্রিক চাকতি (Circumstellar disk), এবং এই চাকতি থেকেই সূর্য এবং অন্যান্য গ্রহের উৎপত্তি ঘটে। একটি নীহারিকাতে বায়বীয় পদার্থ, বরফকণা এবং মহাজাগতিক ধূলি (যার মধ্যে আদিম নিউক্লাইডগুলিও অন্তর্ভুক্ত) থাকে। নীহারিকা তত্ত্ব (Nebular theory) অনুযায়ী সংযোজন (Accretion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অতিক্ষুদ্র গ্রহগুলি (planetesimals) গঠিত হয়। এভাবে আদিম পৃথিবীটি গঠিত হতে প্রায় ১ থেকে ২ কোটি বছর লেগেছিল।[১৮]

চাঁদের গঠন নিয়ে বর্তমানে গবেষণা চলছে এবং বলা হয় চাঁদ প্রায় ৪.৫৩ বিলিয়ন বছর পূর্বে গঠিত হয়।[১৯] একটি গবেষণায় ধারণা করা হয় পৃথিবী থেকে খসে পরা বস্তুর পরিবৃদ্ধি ফলে গঠিত মঙ্গল গ্রহ আকারের বস্তু থেইয়া থেকে চাঁদ গঠিত হয়।[২০] এ থেকে বলা হয়ে থাকে যে থেইয়া গ্রহের ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ১০%,[২১] যা আঘাতের ইঙ্গিত দিয়ে পৃথিবীর উপর প্রভাব বিস্তার করে,[২২] এবং এর ভর পৃথিবীর সাথে বিলীনও হয়ে থাকে।

ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

একটি প্রাকৃতিক শিলাগঠিত খিলান, শিলার স্তর প্রদর্শন করছে।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও সাগরসমূহ আগ্নেয়গিরির উৎগিরণ ও জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ অতিবাষ্পায়নের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। গ্রহাণুপুঞ্জ, ক্ষুদ্র গ্রহ, ও ধুমকেতু থেকে আসা ঘনীভূত জল ও বরফের সম্মিলনে পৃথিবীর সাগরসমূহের উৎপত্তি হয়েছে।[২৩] ফেইন্ট ইয়ং সান প্যারাডক্স মডেলে বলা হয়, যখন নব গঠিত সূর্যে মাত্র ৭০% সৌর উজ্জ্বলতা ছিল তখন বায়ুমণ্ডলীয় "গ্রিনহাউজ গ্যাস" সাগরের পানি বরফ হওয়া থেকে বিরত রাখে।[২৪] 3.৫Gya পূর্বে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয়, যা বায়ুমণ্ডলকে সৌর বায়ুর ফলে উড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।[২৫]

পৃথিবীর শক্ত বহিরাবণ সৃষ্টি হয়েছে যখন পৃথিবীর গলিত বাইরের অংশ ঠাণ্ডা হয়ে শক্ত হয়। দুটি মডেলে[২৬] ব্যাখ্যা করা হয় যে ভূমি ধীরে ধীরে বর্তমান অবস্থায় এসেছে,[২৭] বা পৃথিবীর ইতিহাসের শুরুতে[২৮] দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে[২৯] এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে মহাদেশীয় অঞ্চলসমূহ গঠিত হয়েছে।[৩০][৩১][৩২] মহাদেশসমূহ পৃথিবীর অভ্যন্তরে লাগাতার তাপ কমার ফলে ভূত্বকীয় পাত দ্বারা গঠিত হয়েছ। ভূতাত্ত্বিক সময় শত-মিলিয়ন বছর যাবত চলে এবং এ সময়ে মহামহাদেশসমূহ একত্রিত হয়েছে ও ভেঙ্গে আলাদাও হয়েছে। প্রায় ৭৫ কোটি বছর পূর্বে সবচেয়ে প্রাচীন মহামহাদেশ রোডিনিয়া ভাঙ্গতে শুরু করে। মহাদেশটি পরে পুনরায় ৬০ কোটি বছর থেকে ৫৪ কোটি বছর পূর্বে একত্রিত হয়ে প্যানোটিয়া, পরবর্তীতে প্যানজিয়ায় একত্রিত হয়, যাও পরে ১৮ কোটি বছর পূর্বে ভেঙ্গে যায়।[৩৩]

বরফ যুগের বর্তমান রূপ শুরু হয় প্রায় ৪ কোটি বছর পূর্বে এবং ৩০ লক্ষ বছর পূর্বে প্লেইস্টোসিন সময়ে তা ঘনীভূত হয়। ৪০,০০০ থেকে ১০০,০০০ বছর পূর্বে হিমবাহ ও বরফ গলার কারনে উচ্চ-অক্ষাংশ অঞ্চলসমূহের উচ্চতা কমতে থাকে। শেষ মহাদেশীয় হিমবাহ শেষ হয় ১০,০০০ বছর পূর্বে।[৩৪]

জীবনের আবির্ভাব ও বিবর্তন[সম্পাদনা]

আরআরএনএ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পৃথিবীতে জীবনের কাল্পনিক ফাইলোজেনেটিক ট্রি

রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে প্রায় ৪০০ কোটি বছর পূর্বের প্রথম অণুর সন্ধান পাওয়া যায়। আরও ৫০ কোটি বছর পরে, সকল জীবের শেষ একক পূর্বপুরুষের সন্ধান মিলে।[৩৫] সালোকসংশ্লেষণের বিবর্তনের ফলে সৌর শক্তি সরাসরি জীবের জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে অক্সিজেন (O2) বায়ুমণ্ডলে একীভূত হয় এবং সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির সাথে মিথষ্ক্রিয়ার কারনে এ থেকে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য বায়ুমণ্ডলের উপরে রক্ষাকারী ওজোন স্তর (O3) সৃষ্টি হয়।[৩৬] বৃহৎ কোষের সাথে ক্ষুদ্র কোষের একত্রিত হওয়ার ফলে জটিল কোষ গঠিত হয় যাকে সুকেন্দ্রিক বলা হয়।[৩৭] কলোনির মধ্যে কোষসমূহ আরও বিশেষায়িত হতে থাকলে বহুকোষী জীব গঠিত হয়। ওজোন স্তরে ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মির বিকিরণ শোষণের ফলে ভূপৃষ্ঠে জীবসমূহ একত্রিত হতে থাকে।[৩৮] এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন জীবের জীবাশ্মসমূহ হল পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্ত ৩.৪৮ বিলিয়ন বছর পূর্বের স্যান্ডস্টোন মাইক্রোবায়াল ম্যাট জীবাশ্ম,[৩৯][৪০][৪১][৪২][৪৩] পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে প্রাপ্ত ৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বের মেটাসেডিমেন্ট জৈব গ্রাফাইট,[৪৪] পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্ত জৈব শিলার অংশবিশেষ।[৪৫][৪৬]

৭৫ থেকে ৫৮ কোটি বছর পূর্বে নিউপ্রোটেরোজোয়িক সময়ে, পৃথিবীর বেশিরভাগ অংশ বরফাচ্ছাদিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। এই ধারণাকে "স্নোবল আর্থ" বলা হয় এবং এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে কারণ এর পরে যখন জটিলভাবে বহুকোষী জীব গঠিত হওয়া শুরু হয় তখন ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণ হয়েছিল।[৪৭] ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণের পরে ৫৩৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে আরও পাঁচটি বড় ধরণের বিস্ফোরণ হয়।[৪৮] সবচেয়ে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ হল ক্রেটাশাস-টার্টিয়ারি বিলুপ্তি, যা ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে সংগঠিত হয়। এ সময়ে গ্রহাণুর প্রভাবে যেসব ডাইনোসর উড়তে পারে না এবং অন্যান্য বৃহৎ সরীসৃপসমূহ বিলুপ্ত হতে থাকে, কিন্তু ছোট প্রজাতির প্রাণীকুল, যেমন স্তন্যপায়ী প্রাণীসমূহ বেঁচে যায়। ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্ব পর্যন্ত, স্তন্যপায়ীদের জীবনে ভিন্নতা দেখা দেয় এবং আরও কয়েক মিলিয়ন বছর পূর্বে আফ্রিকান বানর-সদৃশ্য প্রাণী, যেমন অরোরিন টুজেনেসিস সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা লাভ করে।[৪৯] কৃষিকাজের উন্নয়ন এবং পরে সভ্যতার উন্নয়নের ফলে পরিবেশ ও প্রকৃতির উপর মানুষের প্রভাব বাড়তে থাকে এবং বর্তমান অবস্থায় আসে।[৫০]

পৃথিবীর ভবিষ্যৎ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পৃথিবীর ভবিষ্যৎ

পৃথিবীর সম্ভাব্য দীর্ঘ-মেয়াদি ভবিষ্যৎ সূর্যের ভবিষ্যতের সাথে সম্পর্কিত। আগামী 1.১Ga বছরে, সূর্যের উজ্জ্বলতা আরো ১০% বৃদ্ধি পেতে পারে এবং আগামী 3.৫Ga ৪০% বৃদ্ধি পেতে পারে।[৫১] The Earth's increasing surface temperature will accelerate the inorganic CO2 cycle, reducing its concentration to levels lethally low for plants (10ppm for C4 photosynthesis) in approximately 500–900Myr.[৫২] The lack of vegetation will result in the loss of oxygen in the atmosphere, and animal life will become extinct.[৫৩] After another billion years all surface water will have disappeared[৫৪] and the mean global temperature will reach 70°C[৫৩] (158°F). From that point, the Earth is expected to be habitable for another 500Myr,[৫২] possibly up to 2.৩Ga if nitrogen is removed from the atmosphere.[৫৫] Even if the Sun were eternal and stable, 27% of the water in the modern oceans will descend to the mantle in one billion years, due to reduced steam venting from mid-ocean ridges.[৫৬]

The Sun will evolve to become a red giant in about 5Gyr. Models predict that the Sun will expand to roughly ১ AU (১৫,০০,০০,০০০ কিমি), which is about 250 times its present radius.[৫১][৫৭] Earth's fate is less clear. As a red giant, the Sun will lose roughly 30% of its mass, so, without tidal effects, Earth will move to an orbit 1.7 AU from the Sun when the star reaches its maximum radius. Most, if not all, remaining life will be destroyed by the Sun's increased luminosity (peaking at about 5,000 times its present level).[৫১] A 2008 simulation indicates that Earth's orbit will eventually decay due to tidal effects and drag, causing it to enter the Sun's atmosphere and be vaporized.[৫৭]

গাঠনিক বৈশিষ্ঠ্য[সম্পাদনা]

আকৃতি[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পৃথিবীর আকার

পৃথিবী দেখতে পুরোপুরি গোলাকার নয়, বরং কমলালেবুর মত উপর ও নিচের দিকে কিছুটা চাপা এবং মধ্যভাগ (নিরক্ষরেখার কাছাকাছি) স্ফীত। এ'ধরণের স্ফীতি তৈরি হয়েছে নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে এর ঘূর্ণনের কারণে। একই কারণে বিষুব অঞ্চলীয় ব্যাস মেরু অঞ্চলীয় ব্যাসের তুলনায় প্রায় ৪৩ কিমি. বেশি।

Shape of planet Earth. Shown are distances between surface relief and the geocentre. The South American Andes summits are visible as elevated areas. Data from the Earth2014[৫৮] global relief model.

The shape of Earth is approximately oblate spheroidal. Due to rotation, the Earth is flattened along the geographic axis and bulging around the equator.[৫৯] The diameter of the Earth at the equator is ৪৩ কিলোমিটার (২৭ মা) larger than the pole-to-pole diameter.[৬০] Thus the point on the surface farthest from Earth's center of mass is the summit of the equatorial Chimborazo volcano in Ecuador.[৬১][৬২][৬৩][৬৪] The average diameter of the reference spheroid is ১২,৭৪২ কিলোমিটার (৭,৯১৮ মা). Local topography deviates from this idealized spheroid, although on a global scale these deviations are small compared to Earth's radius: The maximum deviation of only 0.17% is at the Mariana Trench (১০,৯১১ মিটার (৩৫,৭৯৭ ফু) below local sea level), whereas Mount Everest (৮,৮৪৮ মিটার (২৯,০২৯ ফু) above local sea level) represents a deviation of 0.14%.[n ১]

In geodesy, the exact shape that Earth's oceans would adopt in the absence of land and perturbations such as tides and winds is called the geoid. More precisely, the geoid is the surface of gravitational equipotential at mean sea level.

রাসায়নিক গঠন[সম্পাদনা]

পৃথিবীর ভর প্রায় ৫.৯৮×১০২৪ কিগ্রাঃ। এর প্রায় ৩২.১% লৌহ, ৩০.১% অক্সিজেন, ১৫.১% সিলিকন, ১৩.৯% ম্যাগনেসিয়াম, ২.৯% সালফার, ১.৮% নিকেল, ১.৪% অ্যালুমিনিয়াম এবং বাকী ১.২% অন্যান্য পদার্থ দ্বারা গঠিত। তবে পৃথিবীর কেন্দ্রভাগের গঠন কিছুটা ভিন্ন; এর প্রায় ৮৮.৮% ভাগই লৌহ। এছাড়া আছে নিকেল (৫.৮%) ও সালফার (৪.৫%)।

Chemical composition of the crust[৬৬]
Compound Formula Composition
Continental Oceanic
silica SiO2 60.2% 48.6%
alumina Al2O3 15.2% 16.5%
lime CaO 5.5% 12.3%
magnesia MgO 3.1% 6.8%
iron(II) oxide FeO 3.8% 6.2%
sodium oxide Na2O 3.0% 2.6%
potassium oxide K2O 2.8% 0.4%
iron(III) oxide Fe2O3 2.5% 2.3%
water H2O 1.4% 1.1%
carbon dioxide CO2 1.2% 1.4%
titanium dioxide TiO2 0.7% 1.4%
phosphorus pentoxide P2O5 0.2% 0.3%
Total 99.6% 99.9%

Earth's mass is approximately 5.৯৭×১০24kg (5,970 Yg). It is composed mostly of iron (32.1%), oxygen (30.1%), silicon (15.1%), magnesium (13.9%), sulfur (2.9%), nickel (1.8%), calcium (1.5%), and aluminium (1.4%), with the remaining 1.2% consisting of trace amounts of other elements. Due to mass segregation, the core region is estimated to be primarily composed of iron (88.8%), with smaller amounts of nickel (5.8%), sulfur (4.5%), and less than 1% trace elements.[৬৭]

The most common rock constituents of the crust are nearly all oxides: chlorine, sulfur, and fluorine are the important exceptions to this and their total amount in any rock is usually much less than 1%. Over 99% of the crust is composed of 11 oxides, principally silica, alumina, iron oxides, lime, magnesia, potash, and soda.[৬৬][৬৭][৬৮]

অভ্যন্তরীণ কাঠামো[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Structure of the Earth

Earth's interior, like that of the other terrestrial planets, is divided into layers by their chemical or physical (rheological) properties. The outer layer is a chemically distinct silicate solid crust, which is underlain by a highly viscous solid mantle. The crust is separated from the mantle by the Mohorovičić discontinuity. The thickness of the crust varies from about 6কি.মি. (kilometers) under the oceans to 30–50 km for the continents. The crust and the cold, rigid, top of the upper mantle are collectively known as the lithosphere, and it is of the lithosphere that the tectonic plates are composed. Beneath the lithosphere is the asthenosphere, a relatively low-viscosity layer on which the lithosphere rides. Important changes in crystal structure within the mantle occur at 410 and 660কিমি below the surface, spanning a transition zone that separates the upper and lower mantle. Beneath the mantle, an extremely low viscosity liquid outer core lies above a solid inner core.[৬৯] The Earth's inner core might rotate at a slightly higher angular velocity than the remainder of the planet, advancing by 0.1–0.5° per year.[৭০] The radius of the inner core is about one fifth of that of Earth.

Geologic layers of Earth[৭১]
Earth-cutaway-schematic-english.svg

Earth cutaway from core to exosphere. Not to scale.
Depth[৭২]
km
Component layer Density
g/cm3
0–60 Lithosphere[n ২]
0–35 Crust[n ৩] 2.2–2.9
35–60 Upper mantle 3.4–4.4
  35–2890 Mantle 3.4–5.6
100–700 Asthenosphere
2890–5100 Outer core 9.9–12.2
5100–6378 Inner core 12.8–13.1

জন্মের সময় পৃথিবী ছিল এক উত্তপ্ত গ্যাস পিন্ড।উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতল ও ঘনীভূত হয়।এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলা এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয়।আর হাল্কা উপাদান গুলা ভরের তারতম্য অনুসারে নিচের থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়।পৃথিবীর এসম্ভবিভিন্ন স্তরকে মন্ডল বলে।উপরের স্তরটিকে অশ্মমণ্ডল বলে।অশ্মমণ্ডল এর উপরের অংশকে ভূত্বক বলে।

ভূত্বক (Earth crust): ভূপৃষ্ঠ এ শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূত্বক এর পুরুত্ব গড়ে ২০কি.মি.।ভূত্বক মহাদেশের তলদেশে গড়ে মালভূমি .মি. এবং সমুদ্র তলদেশে তা মাত্র ৫কি.মি. পুরু।অনুমান করা হয়,ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশ এ বিদ্যমান। ভূত্বক এর উপরের ভাগেই বাহিক অবয়বগুলো দেখা যায়।যেমন -পর্বত, মালভূমি,সমভূমি ইত্যাদি। ভূত্বক এর নিচের দিকে প্রতি কি.মি. ৩০ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন উপাদান-(শিলা ও খনিজ) : ভূত্বক শিলা দ্বারা গঠিত। শিলা গঠিত হয় বিভিন্ন খনিজের সংমিশ্রণ এ।খনিজ হল একটি প্রাকৃতিক অজৈব পদার্থ যার সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক গঠন এবং ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম রয়েছে।

বাহ্যিক গঠন[সম্পাদনা]

পৃথিবীর উপরিভাগ এর বৈচিত্রময় ভূমিরুপসমূহই পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন।

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ (The main landforms of the Earth) ভূপৃষ্ট সর্বত্র সমান নয়।এর আকৃতি, প্রকৃতিএবং গঠনগত বেশকিছু পার্থক্য আছে।ভূমির এই আকৃতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে।ভূপৃষ্ঠ এর কোথাও আছে উঁচু পর্বত, কোথাও পাহাড়, কোথাও মালভূমি। ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপ কে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।এগুলো হলো(১)পর্বত (২)মালভূমি (৩)সমভূমি।

পর্বত (Mountains) : সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।সাধারণত ৬০০থেকে ১০০০মি. উঁচু স্বল্পবিস্তৃত শিলাস্তূপ কে পাহাড় বলে।পর্বত এর উউচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েক হাজার মিটার হতে পারে।পর্বত এর ভূপ্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণ চূড়াবিশিষ্ট হয়।কোনো কোনো পর্বত বিছিন্নভাবে অবস্থান করে।যেমন -পূর্ব আফ্রিকার কিলিমাঞ্জারো। আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে।যেমন -হিমালয় পর্বত মালা।

মালভূমি (plateaus) : পর্বত থেকে উঁচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমি কে মালভূমি বলে।মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।পৃথিবীর বৃহত্ত ম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৫,১৯০মিটার।

সমভূমি (plains) : সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে।বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন -নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়।মৃদু ঢাল ও স্বল্প বন্ধুরতার জন্য সমভূমি কৃষিকাজ,বসবাস, রাস্তাঘাট নির্মাণ এর জন্য খুবই উপযোগী। তাই সমভূমিতে সবচেয়ে ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে।

তাপ[সম্পাদনা]

পৃথিবীর যতই নিচের দিকে যাওয়া যায় ততই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।বিজ্ঞানীগণ হিসাব করে দেখেছেন ভূঅভ্যন্তরে প্রতি ১ কিলোমিটার গভীরতায় ৩০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।[৭৩]

মূল নিবন্ধ: Earth's internal heat budget

Earth's internal heat comes from a combination of residual heat from planetary accretion (about 20%) and heat produced through radioactive decay (80%).[৭৪] The major heat-producing isotopes within Earth are potassium-40, uranium-238, and thorium-232.[৭৫] At the center, the temperature may be up to ৬,০০০ °সে (১০,৮৩০ °ফা),[৭৬] and the pressure could reach 360 GPa.[৭৭] Because much of the heat is provided by radioactive decay, scientists postulate that early in Earth's history, before isotopes with short half-lives were depleted, Earth's heat production was much higher. At approximately 3Gyr, twice the present-day heat would have been produced, increasing the rates of mantle convection and plate tectonics, and allowing the production of uncommon igneous rocks such as komatiites that are rarely formed today.[৭৪][৭৮]

Present-day major heat-producing isotopes[৭৯]
Isotope Heat release
W/kg isotope
Half-life
years
Mean mantle concentration
kg isotope/kg mantle
Heat release
W/kg mantle
238U 94.6 × 10−6 4.47 × 109 30.8 × 10−9 2.91 × 10−12
235U 569 × 10−6 0.704 × 109 0.22 × 10−9 0.125 × 10−12
232Th 26.4 × 10−6 14.0 × 109 124 × 10−9 3.27 × 10−12
40K 29.2 × 10−6 1.25 × 109 36.9 × 10−9 1.08 × 10−12

The mean heat loss from Earth is 87 mW m−2, for a global heat loss of 4.42 × 1013 W.[৮০] A portion of the core's thermal energy is transported toward the crust by mantle plumes, a form of convection consisting of upwellings of higher-temperature rock. These plumes can produce hotspots and flood basalts.[৮১] More of the heat in Earth is lost through plate tectonics, by mantle upwelling associated with mid-ocean ridges. The final major mode of heat loss is through conduction through the lithosphere, the majority of which occurs under the oceans because the crust there is much thinner than that of the continents.[৮২]

ভূত্বকীয় পাতসমূহ[সম্পাদনা]

Earth's major plates[৮৩]
Shows the extent and boundaries of tectonic plates, with superimposed outlines of the continents they support
Plate name Area
106 km2
103.3
78.0
75.9
67.8
60.9
47.2
43.6
মূল নিবন্ধ: ভূত্বকীয় পাত

The mechanically rigid outer layer of Earth, the lithosphere, is divided into pieces called tectonic plates. These plates are rigid segments that move in relation to one another at one of three types of plate boundaries: convergent boundaries, at which two plates come together, divergent boundaries, at which two plates are pulled apart, and transform boundaries, in which two plates slide past one another laterally. Earthquakes, volcanic activity, mountain-building, and oceanic trench formation can occur along these plate boundaries.[৮৪] The tectonic plates ride on top of the asthenosphere, the solid but less-viscous part of the upper mantle that can flow and move along with the plates.[৮৫]

As the tectonic plates migrate, oceanic crust is subducted under the leading edges of the plates at convergent boundaries. At the same time, the upwelling of mantle material at divergent boundaries creates mid-ocean ridges. The combination of these processes recycles the oceanic crust back into the mantle. Due to this recycling, most of the ocean floor is less than 100Myr old in age. The oldest oceanic crust is located in the Western Pacific and has an estimated age of 200Myr.[৮৬][৮৭] By comparison, the oldest dated continental crust is 4030Myr.[৮৮]

The seven major plates are the Pacific, North American, Eurasian, African, Antarctic, Indo-Australian, and South American. Other notable plates include the Arabian Plate, the Caribbean Plate, the Nazca Plate off the west coast of South America and the Scotia Plate in the southern Atlantic Ocean. The Australian Plate fused with the Indian Plate between 50 and 55Mya. The fastest-moving plates are the oceanic plates, with the Cocos Plate advancing at a rate of 75 mm/year[৮৯] and the Pacific Plate moving 52–69 mm/year. At the other extreme, the slowest-moving plate is the Eurasian Plate, progressing at a typical rate of 21 mm/year.[৯০]

+লিথোস্ফিয়ার, যা গাঠনিকভাবে পৃথিবীর বহিঃস্থ অনমনীয় স্তর, কিছু পাতে বিভক্ত যাদের টেকটনিক পাত বলে। টেকটনিক পাতের সংখ্যা ২৭টি। এদের মধ্যো ৭টি বৃহৎ খাত হলো:

  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
  2. ইউরেশিয়া প্লেট
  3. অস্টেলিয়া প্লেট
  4. উত্তর আমেরিকান প্লেট
  5. দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট
  6. আফ্রিকান প্লেট
  7. এন্টারর্কটিকা প্লেট

এছাড়ারও কিছু অপ্রধান পাত হল:

  • ভারতীয় প্লেট
  • মিয়ানমার প্লেট
  • নাজকা প্লেট
  • ক্যারিবিয়ান প্লেট
  • টার্কিস প্লেট
  • গোয়ার্জ প্লেট
  • জুয়ান ডি ফুকা প্লেট
  • ফিলিফাইন প্লেট
  • স্কশিয়া প্লেট ইত্যাদি।[৯১]

ভূপৃষ্ঠ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: Lithosphere, Landform এবং Extreme points of Earth
Present-day Earth altimetry and bathymetry. Data from the National Geophysical Data Center.

The total surface area of the Earth is about 510 millionবর্গ কি.মি. (197 million sq mi).[৯২] Of this, 70.8%,[৯২] or 361.১৩ millionবর্গ কি.মি. (139.43 million sq mi), is below sea level and covered by ocean water.[৯৩] Below the ocean's surface are much of the continental shelf, mountains, volcanoes,[৬০] oceanic trenches, submarine canyons, oceanic plateaus, abyssal plains, and a globe-spanning mid-ocean ridge system. The remaining 29.2% (148.৯৪ millionবর্গ কি.মি., or 57.51 million sq mi) not covered by water has terrain that varies greatly from place to place and consists of mountains, deserts, plains, plateaus, and other landforms. Tectonics and erosion, volcanic eruptions, flooding, weathering, glaciation, the growth of coral reefs, and meteorite impacts are among the processes that constantly reshape the Earth's surface over geological time.[৯৪][৯৫]

The continental crust consists of lower density material such as the igneous rocks granite and andesite. Less common is basalt, a denser volcanic rock that is the primary constituent of the ocean floors.[৯৬] Sedimentary rock is formed from the accumulation of sediment that becomes buried and compacted together. Nearly 75% of the continental surfaces are covered by sedimentary rocks, although they form about 5% of the crust.[৯৭] The third form of rock material found on Earth is metamorphic rock, which is created from the transformation of pre-existing rock types through high pressures, high temperatures, or both. The most abundant silicate minerals on Earth's surface include quartz, feldspars, amphibole, mica, pyroxene and olivine.[৯৮] Common carbonate minerals include calcite (found in limestone) and dolomite.[৯৯]

The elevation of the land surface varies from the low point of −418 m at the Dead Sea, to a maximum altitude of 8,848 m at the top of Mount Everest. The mean height of land above sea level is 840 m.[১০০]

The pedosphere is the outermost layer of Earth's continental surface and is composed of soil and subject to soil formation processes. The total arable land is 10.9% of the land surface, with 1.3% being permanent cropland.[১০১][১০২] Close to 40% of Earth's land surface is used for cropland and pasture, or an estimated 1.3×১০7 km2 of cropland and 3.4×১০7 km2 of pastureland.[১০৩]

জলমণ্ডল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Hydrosphere
Elevation histogram of Earth's surface

The abundance of water on Earth's surface is a unique feature that distinguishes the "Blue Planet" from other planets in the Solar System. Earth's hydrosphere consists chiefly of the oceans, but technically includes all water surfaces in the world, including inland seas, lakes, rivers, and underground waters down to a depth of 2,000 m. The deepest underwater location is Challenger Deep of the Mariana Trench in the Pacific Ocean with a depth of 10,911.4 m.[n ৫][১০৪]

The mass of the oceans is approximately 1.35×১০18 metric tons or about 1/4400 of Earth's total mass. The oceans cover an area of 3.৬১৮×১০8বর্গ কি.মি. with a mean depth of 3682মিটার, resulting in an estimated volume of 1.৩৩২×১০9km3.[১০৫] If all of Earth's crustal surface were at the same elevation as a smooth sphere, the depth of the resulting world ocean would be 2.7 to 2.8 km.[১০৬][১০৭]

About 97.5% of the water is saline; the remaining 2.5% is fresh water. Most fresh water, about 68.7%, is present as ice in ice caps and glaciers.[১০৮]

The average salinity of Earth's oceans is about 35 grams of salt per kilogram of sea water (3.5% salt).[১০৯] Most of this salt was released from volcanic activity or extracted from cool igneous rocks.[১১০] The oceans are also a reservoir of dissolved atmospheric gases, which are essential for the survival of many aquatic life forms.[১১১] Sea water has an important influence on the world's climate, with the oceans acting as a large heat reservoir.[১১২] Shifts in the oceanic temperature distribution can cause significant weather shifts, such as the El Niño-Southern Oscillation.[১১৩]

বায়ুমণ্ডল[সম্পাদনা]

বায়ুমণ্ডল গ্যাসের একটি আস্তরণ যা পর্যাপ্ত ভরসম্পন্ন কোন বস্তুর চারদিকে ঘিরে জড়ো হয়ে থাকতে পারে। বস্তুটির অভিকর্ষের কারণে এই গ্যাসপুঞ্জ তার চারদিকে আবদ্ধ থাকে। বস্তুর অভিকর্ষ যদি যথেষ্ট বেশি হয় এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা যদি কম হয় তাহলে এই মণ্ডল অনেকদিন টিকে থাকতে পারে। গ্রহসমূহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের গ্যাস জড়ো হতে দেখা যায়। এ কারণে গ্রহের বায়ুমণ্ডল সাধারণ অপেক্ষাকৃত ঘন এবং গভীর হয়। পৃথিবীর চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে তাকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বা আবহমণ্ডল বলে।এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে।এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উওপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।

মূল নিবন্ধ: Atmosphere of Earth

The atmospheric pressure on Earth's surface averages 101.325 kPa, with a scale height of about 8.5 km.[১১৪] It has a composition of 78% nitrogen and 21% oxygen, with trace amounts of water vapor, carbon dioxide, and other gaseous molecules. The height of the troposphere varies with latitude, ranging between 8 km at the poles to 17 km at the equator, with some variation resulting from weather and seasonal factors.[১১৫]

Earth's biosphere has significantly altered its atmosphere. Oxygenic photosynthesis evolved 2.৭Gya, forming the primarily nitrogen–oxygen atmosphere of today.[৩৬] This change enabled the proliferation of aerobic organisms and, indirectly, the formation of the ozone layer due to the subsequent conversion of atmospheric O2 into O3. The ozone layer blocks ultraviolet solar radiation, permitting life on land.[১১৬] Other atmospheric functions important to life include transporting water vapor, providing useful gases, causing small meteors to burn up before they strike the surface, and moderating temperature.[১১৭] This last phenomenon is known as the greenhouse effect: trace molecules within the atmosphere serve to capture thermal energy emitted from the ground, thereby raising the average temperature. Water vapor, carbon dioxide, methane, nitrous oxide, and ozone are the primary greenhouse gases in the atmosphere. Without this heat-retention effect, the average surface temperature would be −18 °C, in contrast to the current +15 °C,[১১৮] and life on Earth probably wouldn't exist in its current form.[১১৯]

আবহাওয়া এবং জলবায়ু[সম্পাদনা]

আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা। সাধারণত এক দিনের এমন রেকর্ডকেই আবহাওয়া বলে। আবার কখনও কখনও কোনো নির্দিষ্ট এলাকার স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকেও আবহাওয়া বলা হয়। আবার কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হয় সে স্থানের জলবায়ু। আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল একটি চলক।

মূল নিবন্ধগুলি: Weather এবং Climate
Hurricane Felix seen from low Earth orbit, September 2007
Massive clouds above the Mojave Desert, February 2016

Earth's atmosphere has no definite boundary, slowly becoming thinner and fading into outer space. Three-quarters of the atmosphere's mass is contained within the first ১১ কিমি (৬.৮ মা) of the surface. This lowest layer is called the troposphere. Energy from the Sun heats this layer, and the surface below, causing expansion of the air. This lower-density air then rises and is replaced by cooler, higher-density air. The result is atmospheric circulation that drives the weather and climate through redistribution of thermal energy.[১২০]

The primary atmospheric circulation bands consist of the trade winds in the equatorial region below 30° latitude and the westerlies in the mid-latitudes between 30° and 60°.[১২১] Ocean currents are also important factors in determining climate, particularly the thermohaline circulation that distributes thermal energy from the equatorial oceans to the polar regions.[১২২]

Water vapor generated through surface evaporation is transported by circulatory patterns in the atmosphere. When atmospheric conditions permit an uplift of warm, humid air, this water condenses and falls to the surface as precipitation.[১২০] Most of the water is then transported to lower elevations by river systems and usually returned to the oceans or deposited into lakes. This water cycle is a vital mechanism for supporting life on land and is a primary factor in the erosion of surface features over geological periods. Precipitation patterns vary widely, ranging from several meters of water per year to less than a millimeter. Atmospheric circulation, topographic features, and temperature differences determine the average precipitation that falls in each region.[১২৩]

The amount of solar energy reaching Earth's surface decreases with increasing latitude. At higher latitudes, the sunlight reaches the surface at lower angles, and it must pass through thicker columns of the atmosphere. As a result, the mean annual air temperature at sea level decreases by about ০.৪ °C (০.৭ °F) per degree of latitude from the equator.[১২৪] Earth's surface can be subdivided into specific latitudinal belts of approximately homogeneous climate. Ranging from the equator to the polar regions, these are the tropical (or equatorial), subtropical, temperate and polar climates.[১২৫]

This latitudinal rule has several anomalies:

  • Proximity to oceans moderates the climate. For example, the Scandinavian Peninsula has more moderate climate than similarly northern latitudes of northern Canada.
  • The wind enables this moderating effect. The windward side of a land mass experiences more moderation than the leeward side. In the Northern Hemisphere, the prevailing wind is west-to-east, and western coasts tend to be milder than eastern coasts. This is seen in Eastern North America and Western Europe, where rough continental climates appear on the east coast on parallels with mild climates on the other side of the ocean.[১২৬] In the Southern Hemisphere, the prevailing wind is east-to-west, and the eastern coasts are milder.
  • The distance from the Earth to the Sun varies. The Earth is closest to the Sun (at perihelion) in January, which is summer in the Southern Hemisphere. It is furthest away (at aphelion) in July, which is summer in the Northern Hemisphere, and only 93.55% of the solar radiation from the Sun falls on a given square area of land than at perihelion. Despite this, there are larger land masses in the Northern Hemisphere, which are easier to heat than the seas. Consequently, summers are ২.৩ °C (৪ °F) warmer in the Northern Hemisphere than in the Southern Hemisphere under similar conditions.[১২৭]
  • The climate is colder at high altitudes than at sea level because of the decreased air density.

The commonly used Köppen climate classification system has five broad groups (humid tropics, arid, humid middle latitudes, continental and cold polar), which are further divided into more specific subtypes.[১২১] The Köppen system rates regions of terrain based on observed temperature and precipitation.

The highest air temperature ever measured on Earth was ৫৬.৭ °সে (১৩৪.১ °ফা) in Furnace Creek, California, in Death Valley, in 1913.[১২৮] The lowest air temperature ever directly measured on Earth was −৮৯.২ °সে (−১২৮.৬ °ফা) at Vostok Station in 1983,[১২৯] but satellites have used remote sensing to measure temperatures as low as −৯৪.৭ °সে (−১৩৮.৫ °ফা) in East Antarctica.[১৩০] These temperature records are only measurements made with modern instruments from the 20th century onwards and likely do not reflect the full range of temperature on Earth.

উচ্চতর বায়ুমণ্ডল[সম্পাদনা]

ট্রপোস্ফিয়ার এর ওপর বায়ুমন্ডলকে সাধারণত স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার ও থার্মোস্ফিয়ারে ভাগ করা হয়ে থাকে।প্রতিটি স্তরের ভিন্ন ভিন্ন ল্যাপস রেট থাকে, যা দ্বারা উচ্চতার সাথে তাপমাত্রার পরিবর্তন নির্দেশিত হয়।এর বাইরে এক্সোস্ফিয়ার হালকা হতে হতে ম্যাগনেটোস্ফিয়ারে মিলিয়ে যায়, যেখানে ভূচৌম্বকীয় ক্ষেত্রসমূহ সৌরবায়ুর সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে থাকে।

This view from orbit shows the full Moon partially obscured by Earth's atmosphere.

Above the troposphere, the atmosphere is usually divided into the stratosphere, mesosphere, and thermosphere.[১১৭] Each layer has a different lapse rate, defining the rate of change in temperature with height. Beyond these, the exosphere thins out into the magnetosphere, where the geomagnetic fields interact with the solar wind.[১৩১] Within the stratosphere is the ozone layer, a component that partially shields the surface from ultraviolet light and thus is important for life on Earth. The Kármán line, defined as 100 km above Earth's surface, is a working definition for the boundary between the atmosphere and outer space.[১৩২]

Thermal energy causes some of the molecules at the outer edge of the atmosphere to increase their velocity to the point where they can escape from Earth's gravity. This causes a slow but steady loss of the atmosphere into space. Because unfixed hydrogen has a low molecular mass, it can achieve escape velocity more readily, and it leaks into outer space at a greater rate than other gases.[১৩৩] The leakage of hydrogen into space contributes to the shifting of Earth's atmosphere and surface from an initially reducing state to its current oxidizing one. Photosynthesis provided a source of free oxygen, but the loss of reducing agents such as hydrogen is thought to have been a necessary precondition for the widespread accumulation of oxygen in the atmosphere.[১৩৪] Hence the ability of hydrogen to escape from the atmosphere may have influenced the nature of life that developed on Earth.[১৩৫] In the current, oxygen-rich atmosphere most hydrogen is converted into water before it has an opportunity to escape. Instead, most of the hydrogen loss comes from the destruction of methane in the upper atmosphere.[১৩৬]

চৌম্বকীয় ক্ষেত্র[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Earth's magnetic field

The main part of Earth's magnetic field is generated in the core, the site of a dynamo process that converts the kinetic energy of thermally and compositionally driven convection into electrical and magnetic field energy. The field extends outwards from the core, through the mantle, and up to Earth's surface, where it is, approximately, a dipole. The poles of the dipole are located close to Earth's geographic poles. At the equator of the magnetic field, the magnetic-field strength at the surface is 3.05 × 10−5 T, with global magnetic dipole moment of 7.91 × 1015 T m3.[১৩৭] The convection movements in the core are chaotic; the magnetic poles drift and periodically change alignment. This causes secular variation of the main field and field reversals at irregular intervals averaging a few times every million years. The most recent reversal occurred approximately 700,000 years ago.[১৩৮][১৩৯]

চৌম্বকমণ্ডল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Magnetosphere
Diagram showing the magnetic field lines of Earth's magnetosphere. The lines are swept back in the anti-solar direction under the influence of the solar wind.
Schematic of Earth's magnetosphere. The solar wind flows from left to right

The extent of Earth's magnetic field in space defines the magnetosphere. Ions and electrons of the solar wind are deflected by the magnetosphere; solar wind pressure compresses the dayside of the magnetosphere, to about 10 Earth radii, and extends the nightside magnetosphere into a long tail.[১৪০] Because the velocity of the solar wind is greater than the speed at which wave propagate through the solar wind, a supersonic bowshock precedes the dayside magnetosphere within the solar wind.[১৪১] Charged particles are contained within the magnetosphere; the plasmasphere is defined by low-energy particles that essentially follow magnetic field lines as Earth rotates;[১৪২][১৪৩] the ring current is defined by medium-energy particles that drift relative to the geomagnetic field, but with paths that are still dominated by the magnetic field,[১৪৪] and the Van Allen radiation belt are formed by high-energy particles whose motion is essentially random, but otherwise contained by the magnetosphere.[১৪০][১৪৫]

During magnetic storms and substorms, charged particles can be deflected from the outer magnetosphere and especially the magnetotail, directed along field lines into Earth's ionosphere, where atmospheric atoms can be excited and ionized, causing the aurora.[১৪৬]

বার্ষিক ও আহ্নিক গতি[সম্পাদনা]

আহ্নিক গতি[সম্পাদনা]

পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘূর্ণনকে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলে। এই গতি পশ্চিম থেকে পূর্বের দিকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত অভিমুখে হয়ে থাকে। পৃথিবীর আহ্নিক গতির অক্ষ উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠকে ছেদ করে।

মূল নিবন্ধ: Earth's rotation
Earth's rotation imaged by DSCOVR EPIC on 29 May 2016, a few weeks before the solstice

Earth's rotation period relative to the Sun—its mean solar day—is 86,400 seconds of mean solar time (86,400.0025 SI seconds).[১৪৭] Because Earth's solar day is now slightly longer than it was during the 19th century due to tidal deceleration, each day varies between 0 and 2 SI ms longer.[১৪৮][১৪৯]

Earth's rotation period relative to the fixed stars, called its stellar day by the International Earth Rotation and Reference Systems Service (IERS), is 86,164.098903691 seconds of mean solar time (UT1), or 23h 56m 4.098903691s.[১৫০][n ৬] Earth's rotation period relative to the precessing or moving mean vernal equinox, misnamed its sidereal day, is 86,164.09053083288 seconds of mean solar time (UT1) (23h 56m 4.09053083288s) ১৯৮২ মোতাবেক.[১৫০] Thus the sidereal day is shorter than the stellar day by about 8.4 ms.[১৫১] The length of the mean solar day in SI seconds is available from the IERS for the periods 1623–2005[১৫২] and 1962–2005.[১৫৩]

Apart from meteors within the atmosphere and low-orbiting satellites, the main apparent motion of celestial bodies in Earth's sky is to the west at a rate of 15°/h = 15'/min. For bodies near the celestial equator, this is equivalent to an apparent diameter of the Sun or the Moon every two minutes; from Earth's surface, the apparent sizes of the Sun and the Moon are approximately the same.[১৫৪][১৫৫]


বার্ষিক গতি[সম্পাদনা]

যে গতির ফলে পৃথিবীতে দিনরাত ছোট বা বড় হয় এবং ঋতু পরিবর্তিত হয় তাকে বার্ষিক গতি বলে।

মূল নিবন্ধ: Earth's orbit
The Pale Blue Dot photo taken in 1990 by the Voyager 1 spacecraft showing Earth (center right) from nearly ৬.৪ বিলিয়ন কিলোমিটার (৪×১০^ মা) away

Earth orbits the Sun at an average distance of about ১৫০ নিযুত কিলোমিটার (৯৩×১০^ মা) every 365.2564 mean solar days, or one sidereal year. This gives an apparent movement of the Sun eastward with respect to the stars at a rate of about 1°/day, which is one apparent Sun or Moon diameter every 12 hours. Due to this motion, on average it takes 24 hours—a solar day—for Earth to complete a full rotation about its axis so that the Sun returns to the meridian. The orbital speed of Earth averages about ২৯.৭৮ km/s (১,০৭,২০০ কিমি/ঘ; ৬৬,৬০০ মা/ঘ), which is fast enough to travel a distance equal to Earth's diameter, about ১২,৭৪২ কিমি (৭,৯১৮ মা), in seven minutes, and the distance to the Moon, ৩,৮৪,০০০ কিমি (২,৩৯,০০০ মা), in about 3.5 hours.[১১৪]

The Moon and Earth orbit a common barycenter every 27.32 days relative to the background stars. When combined with the Earth–Moon system's common orbit around the Sun, the period of the synodic month, from new moon to new moon, is 29.53 days. Viewed from the celestial north pole, the motion of Earth, the Moon, and their axial rotations are all counterclockwise. Viewed from a vantage point above the north poles of both the Sun and Earth, Earth orbits in a counterclockwise direction about the Sun. The orbital and axial planes are not precisely aligned: Earth's axis is tilted some 23.44 degrees from the perpendicular to the Earth–Sun plane (the ecliptic), and the Earth–Moon plane is tilted up to ±5.1 degrees against the Earth–Sun plane. Without this tilt, there would be an eclipse every two weeks, alternating between lunar eclipses and solar eclipses.[১১৪][১৫৬]

The Hill sphere, or the sphere of gravitational influence, of the Earth is about ১.৫ নিযুত কিলোমিটার (৯,৩০,০০০ মা) in radius.[১৫৭][n ৭] This is the maximum distance at which the Earth's gravitational influence is stronger than the more distant Sun and planets. Objects must orbit the Earth within this radius, or they can become unbound by the gravitational perturbation of the Sun.

Earth, along with the Solar System, is situated in the Milky Way and orbits about 28,000 light-years from its center. It is about 20 light-years above the galactic plane in the Orion Arm.[১৫৮]


কক্ষের নতি এবং ঋতু পরিবর্তন[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Axial tilt § Earth
Earth's axial tilt (or obliquity) and its relation to the rotation axis and plane of orbit

The axial tilt of the Earth is approximately 23.439281°[১৫০] with the axis of its orbit plane, always pointing towards the Celestial Poles. Due to Earth's axial tilt, the amount of sunlight reaching any given point on the surface varies over the course of the year. This causes the seasonal change in climate, with summer in the Northern Hemisphere occurring when the Tropic of Cancer is facing the Sun, and winter taking place when the Tropic of Capricorn in the Southern Hemisphere faces the Sun. During the summer, the day lasts longer, and the Sun climbs higher in the sky. In winter, the climate becomes cooler and the days shorter. In northern temperate latitudes, the Sun rises north of true east during the summer solstice, and sets north of true west, reversing in the winter. The Sun rises south of true east in the summer for the southern temperate zone and sets south of true west.

Above the Arctic Circle, an extreme case is reached where there is no daylight at all for part of the year, up to six months at the North Pole itself, a polar night. In the Southern Hemisphere, the situation is exactly reversed, with the South Pole oriented opposite the direction of the North Pole. Six months later, this pole will experience a midnight sun, a day of 24 hours, again reversing with the South Pole.

By astronomical convention, the four seasons can be determined by the solstices—the points in the orbit of maximum axial tilt toward or away from the Sun—and the equinoxes, when the direction of the tilt and the direction to the Sun are perpendicular. In the Northern Hemisphere, winter solstice currently occurs around 21 December; summer solstice is near 21 June, spring equinox is around 20 March and autumnal equinox is about 22 or 23 September. In the Southern Hemisphere, the situation is reversed, with the summer and winter solstices exchanged and the spring and autumnal equinox dates swapped.[১৫৯]

The angle of Earth's axial tilt is relatively stable over long periods of time. Its axial tilt does undergo nutation; a slight, irregular motion with a main period of 18.6 years.[১৬০] The orientation (rather than the angle) of Earth's axis also changes over time, precessing around in a complete circle over each 25,800 year cycle; this precession is the reason for the difference between a sidereal year and a tropical year. Both of these motions are caused by the varying attraction of the Sun and the Moon on Earth's equatorial bulge. The poles also migrate a few meters across Earth's surface. This polar motion has multiple, cyclical components, which collectively are termed quasiperiodic motion. In addition to an annual component to this motion, there is a 14-month cycle called the Chandler wobble. Earth's rotational velocity also varies in a phenomenon known as length-of-day variation.[১৬১]

In modern times, Earth's perihelion occurs around 3 January, and its aphelion around 4 July. These dates change over time due to precession and other orbital factors, which follow cyclical patterns known as Milankovitch cycles. The changing Earth–Sun distance causes an increase of about 6.9%[n ৮] in solar energy reaching Earth at perihelion relative to aphelion. Because the Southern Hemisphere is tilted toward the Sun at about the same time that Earth reaches the closest approach to the Sun, the Southern Hemisphere receives slightly more energy from the Sun than does the northern over the course of a year. This effect is much less significant than the total energy change due to the axial tilt, and most of the excess energy is absorbed by the higher proportion of water in the Southern Hemisphere.[১৬২]

বাসযোগ্যতা[সম্পাদনা]

The Rocky Mountains in Canada overlook Moraine Lake.

A planet that can sustain life is termed habitable, even if life did not originate there. Earth provides liquid water—an environment where complex organic molecules can assemble and interact, and sufficient energy to sustain metabolism.[১৬৩] The distance of Earth from the Sun, as well as its orbital eccentricity, rate of rotation, axial tilt, geological history, sustaining atmosphere, and magnetic field all contribute to the current climatic conditions at the surface.[১৬৪]

জীবমণ্ডল[সম্পাদনা]

জীবমণ্ডল (ইংরেজি: Biosphere) হচ্ছে পৃথিবীরসমগ্র ইকোসিস্টেমগুলির যোগফল। এটিকে বলা যেতে পারে পৃথিবীর জীবনেরএলাকা, একটি সংযুক্ত প্রক্রিয়া (পৃথিবীর অভ্যন্তরের সৌর এবং মহাবৈশ্বিক রেডিয়েশন এবং তাপ থেকে বিযুক্ত) এবং বৃহত্তরভাবে স্বনিয়ন্ত্রিত। অন্য কথায় পৃথিবীর বাইরের স্তরে অবস্থিত বায়ু, ভূমি, পানি ও জীবিত বস্তুসমূহের সমষ্টিকে জীবমণ্ডল বোঝায়।জীবনের অস্তিত্বের সঙ্গেই জীবমণ্ডলের সম্পর্ক। জীবমণ্ডলের বিস্তৃতি ওপর-নিচে ২০ কিলোমিটারের মতো ধরা হলেও মূলত অধিকাংশ জীবনের অস্তিত্ব দেখা যায় হিমালয় শীর্ষের উচ্চতা থেকে ৫০০ মিটার নিচের সামুদ্রিক গভীরতার মধ্যেই।এখানে জীবকুল ৪.১ বিলিয়ন বছর পূর্বে বসবাস শুরু করে।

মূল নিবন্ধ: Biosphere

A planet's life forms inhabit ecosystems, whose total is sometimes said to form a "biosphere". Earth's biosphere is thought to have begun evolving about 3.৫Gya.[৩৬] The biosphere is divided into a number of biomes, inhabited by broadly similar plants and animals. On land, biomes are separated primarily by differences in latitude, height above sea level and humidity. Terrestrial biomes lying within the Arctic or Antarctic Circles, at high altitudes or in extremely arid areas are relatively barren of plant and animal life; species diversity reaches a peak in humid lowlands at equatorial latitudes.[১৬৫]

In July 2016, scientists reported identifying a set of 355 genes from the Last Universal Common Ancestor (LUCA) of all organisms living on Earth.[১৬৬]

প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূমি ব্যবহার[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: Natural resource এবং Land use
Estimated human land use, 2000[১৬৭]
Land use Mha
Cropland 1,510–1,611
Pastures 2,500–3,410
Natural forests 3,143–3,871
Planted forests 126–215
Urban areas 66–351
Unused, productive land 356–445

মানুষ পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেছে। এদের মধ্যে যেগুলিকে অনবায়নযোগ্য সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেমন জীবাশ্ম জ্বালানি, কেবল ভূতাত্ত্বিক সময়-পাল্লার নিরিখে এগুলি পুনর্নবায়িত হয়।

ভূত্বকে জীবাশ্ম জ্বালানির বিশাল ভাণ্ডার আহরণ করা হয়। এগুলির মধ্যে কয়লা, পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উল্লেখযোগ্য। এই মজুদগুলি মানুষ কেবল শক্তি উৎপাদন নয়, রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহার করে। এছাড়া আকরিক সৃষ্টি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূত্বকে খনিজ আকরিক মজুদও গঠিত হয়েছে। লাভা, ভূমিক্ষয় এবং পাতভিত্তিক ভূত্বকীয় গঠনের ফলে এই আকরিকগুলি তৈরি হয়েছে।[১৬৮] এই আকরিক মজুদগুলি অনেক ধাতু এবং অন্যান্য উপকারী মৌলিক পদার্থের ঘনীভূত উৎস হিসেবে গণ্য হয়।

Earth's biosphere produces many useful biological products for humans, including food, wood, pharmaceuticals, oxygen, and the recycling of many organic wastes. The land-based ecosystem depends upon topsoil and fresh water, and the oceanic ecosystem depends upon dissolved nutrients washed down from the land.[১৬৯] In 1980, 5,053 Mha (50.53 million km2) of Earth's land surface consisted of forest and woodlands, 6,788 Mha (67.88 million km2) was grasslands and pasture, and 1,501 Mha (15.01 million km2) was cultivated as croplands.[১৭০] The estimated amount of irrigated land in 1993 was ২৪,৮১,২৫০ বর্গকিলোমিটার (৯,৫৮,০২০ মা).[১৭১] Humans also live on the land by using building materials to construct shelters.

প্রাকৃতিক এবং পরিবেশগত সমস্যা[সম্পাদনা]

A volcano injecting hot ash into the atmosphere

Large areas of Earth's surface are subject to extreme weather such as tropical cyclones, hurricanes, or typhoons that dominate life in those areas. From 1980 to 2000, these events caused an average of 11,800 human deaths per year.[১৭২] Many places are subject to earthquakes, landslides, tsunamis, volcanic eruptions, tornadoes, sinkholes, blizzards, floods, droughts, wildfires, and other calamities and disasters.

Many localized areas are subject to human-made pollution of the air and water, acid rain and toxic substances, loss of vegetation (overgrazing, deforestation, desertification), loss of wildlife, species extinction, soil degradation, soil depletion and erosion.

There is a scientific consensus linking human activities to global warming due to industrial carbon dioxide emissions. This is predicted to produce changes such as the melting of glaciers and ice sheets, more extreme temperature ranges, significant changes in weather and a global rise in average sea levels.[১৭৩]

মানবীয় ভূগোল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: Human geography এবং World

টেমপ্লেট:World map indicating continents

Cartography, the study and practice of map-making, and geography, the study of the lands, features, inhabitants and phenomena on Earth, have historically been the disciplines devoted to depicting Earth. Surveying, the determination of locations and distances, and to a lesser extent navigation, the determination of position and direction, have developed alongside cartography and geography, providing and suitably quantifying the requisite information.

Earth's human population reached approximately seven billion on 31 October 2011.[১৭৪] Projections indicate that the world's human population will reach 9.2 billion in 2050.[১৭৫] Most of the growth is expected to take place in developing nations. Human population density varies widely around the world, but a majority live in Asia. By 2020, 60% of the world's population is expected to be living in urban, rather than rural, areas.[১৭৬]

It is estimated that one-eighth of Earth's surface is suitable for humans to live on – three-quarters of Earth's surface is covered by oceans, leaving one-quarter as land. Half of that land area is desert (14%),[১৭৭] high mountains (27%),[১৭৮] or other unsuitable terrains. The northernmost permanent settlement in the world is Alert, on Ellesmere Island in Nunavut, Canada.[১৭৯] (82°28′N) The southernmost is the Amundsen–Scott South Pole Station, in Antarctica, almost exactly at the South Pole. (90°S)

Independent sovereign nations claim the planet's entire land surface, except for some parts of Antarctica, a few land parcels along the Danube river's western bank, and the unclaimed area of Bir Tawil between Egypt and Sudan. ২০১৫ মোতাবেক, there are 193 sovereign states that are member states of the United Nations, plus two observer states and 72 dependent territories and states with limited recognition.[১৭১] Earth has never had a sovereign government with authority over the entire globe, although some nation-states have striven for world domination and failed.[১৮০]

The United Nations is a worldwide intergovernmental organization that was created with the goal of intervening in the disputes between nations, thereby avoiding armed conflict.[১৮১] The U.N. serves primarily as a forum for international diplomacy and international law. When the consensus of the membership permits, it provides a mechanism for armed intervention.[১৮২]

The first human to orbit Earth was Yuri Gagarin on 12 April 1961.[১৮৩] In total, about 487 people have visited outer space and reached orbit ৩০ জুলাই ২০১০ (২০১০-০৭-৩০) মোতাবেক, and, of these, twelve have walked on the Moon.[১৮৪][১৮৫][১৮৬] Normally, the only humans in space are those on the International Space Station. The station's crew, made up of six people, is usually replaced every six months.[১৮৭] The farthest that humans have traveled from Earth is 400,171 km, achieved during the Apollo 13 mission in 1970.[১৮৮]

চাঁদ[সম্পাদনা]

বৈশিষ্ট্য
পৃথিবীর উত্তরায়নকালে দৃষ্ট পূর্ণ চাঁদ
ব্যাস ৩,৪৭৪.৮ কিলোমিটার
ভর ৭.৩৪৯×১০22 কিলোগ্রাম
অর্ধ-মুখ্য অক্ষ ৩৮৪,৪০০ কিলোমিটার
আবর্তন কাল ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩.৭ মিনিট
মূল নিবন্ধ: চাঁদ

পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ ব্যাসার্ধ-বিশিষ্ট চাঁদ একটি অপেক্ষাকৃত বড় শিলাময় প্রাকৃতিক উপগ্রহ। গ্রহের আকার বিবেচনায় এটিই সৌরজগতের বৃহত্তম চাঁদ; যদিও ক্যারন তার বামন গ্রহ প্লুটো থেকে আপেক্ষিকভাবে বৃহত। পৃথিবীর ন্যায় অন্যান্য গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোকেও "চাঁদ" হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮,৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ। চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৪ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের এক-চতুর্থাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। এর অর্থ দাড়াচ্ছে, চাঁদের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের ১ ভাগ। এর পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বল পৃথিবী পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বলের এক-ষষ্ঠাংশ। পৃথিবী পৃষ্ঠে কারও ওজন যদি ১২০ পাউন্ড হয় তা হলে চাঁদের পৃষ্ঠে তার ওজন হবে মাত্র ২০ পাউন্ড। এটি প্রতি ২৭.৩ দিনে পৃথিবীর চারদিকে একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করে। প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর চন্দ্র কলা ফিরে আসে অর্থাৎ একই কার্যক্রিয় আবার ঘটে। পৃথিবী-চাঁদ-সূর্য তন্ত্রের জ্যামিতিতে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের কারণেই চন্দ্র কলার এই পর্যানুক্রমিক আবর্তন ঘটে থাকে।

বেরিকেন্দ্র নামে পরিচিত একটি সাধারণ অক্ষের সাপেক্ষে পৃথিবী এবং চন্দ্রের ঘূর্ণনের ফলে যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এবং কেন্দ্রবিমুখী বল সৃষ্টি হয় তা পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য অনেকাংশে দায়ী। জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য যে পরিমাণ শক্তি শোষিত হয় তার কারণে বেরিকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে পৃথিবী-চাঁদের যে কক্ষপথ রয়েছে তাতে বিভব শক্তি কমে যায়। এর কারণে এই দুইটি জ্যোতিষ্কের মধ্যে দূরত্ব প্রতি বছর ৩.৮ সেন্টিমিটার করে বেড়ু যায়। যতদিন না পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটার উপর চাঁদের প্রভাব সম্পূর্ণ প্রশমিত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চাঁদ দূরে সরে যেতেই থাকবে এবং যেদিন প্রশমনটি ঘটবে সেদিনই চাঁদের কক্ষপথ স্থিরতা পাবে।

The gravitational attraction between Earth and the Moon causes tides on Earth. The same effect on the Moon has led to its tidal locking: its rotation period is the same as the time it takes to orbit Earth. As a result, it always presents the same face to the planet. As the Moon orbits Earth, different parts of its face are illuminated by the Sun, leading to the lunar phases; the dark part of the face is separated from the light part by the solar terminator.

Details of the Earth–Moon system, showing the radius of each object and the Earth–Moon barycenter. The Moon's axis is located by Cassini's third law.

Due to their tidal interaction, the Moon recedes from Earth at the rate of approximately 38 mm/yr. Over millions of years, these tiny modifications—and the lengthening of Earth's day by about 23 µs/yr—add up to significant changes.[১৮৯] During the Devonian period, for example, (approximately 410Mya) there were 400 days in a year, with each day lasting 21.8 hours.[১৯০]

The Moon may have dramatically affected the development of life by moderating the planet's climate. Paleontological evidence and computer simulations show that Earth's axial tilt is stabilized by tidal interactions with the Moon.[১৯১] Some theorists think that without this stabilization against the torques applied by the Sun and planets to Earth's equatorial bulge, the rotational axis might be chaotically unstable, exhibiting chaotic changes over millions of years, as appears to be the case for Mars.[১৯২]

Viewed from Earth, the Moon is just far enough away to have almost the same apparent-sized disk as the Sun. The angular size (or solid angle) of these two bodies match because, although the Sun's diameter is about 400 times as large as the Moon's, it is also 400 times more distant.[১৫৫][১৫৫] This allows total and annular solar eclipses to occur on Earth.

চাঁদের গঠন সম্পর্কে প্রচলিত সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য তত্ত্বটি হলো বৃহদায়তন-প্রভাব তত্ত্ব, যেখানে বলা হয়েছে যে এটি গঠিত হয়েছে মঙ্গল গ্রহের সমান আকৃতির 'থিয়া' নামক একটি মহাজাগতিক কণার সাথে সংঘর্ষের ফলে। এই মতবাদটি ব্যাখ্যা করে (অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে) চাঁদে লৌহ এবং অস্থির উপাদানগুলির আপেক্ষিক অভাব এবং এর গঠন প্রকৃতি পৃথিবীর ভূত্বকের প্রায় অনুরূপ।[১৯৩]

গ্রহাণু এবং কৃত্রিম উপগ্রহ[সম্পাদনা]

গ্রহাণু হল প্রধানত পাথর দ্বারা গঠিত বস্তু যা তার তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে। আমাদের সৌরজগতে গ্রহাণুগুলো ক্ষুদ্র গ্রহ (Minor planet অথবা Planetoid) নামক শ্রেণীর সবচেয়ে পরিচিত বস্তু। এরা ছোট আকারের গ্রহ যেমন বুধের চেয়েও ছোট। বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহাণু বেল্টে থেকে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে আবর্তন করে। ধারণা করা হয় গ্রহাণুগুলো ভ্রূণগ্রহীয় চাকতির (Protoplanetary disc) অবশিষ্টাংশ। বলা হয় গ্রহাণু বেল্টের অঞ্চলে সৌরজগতের গঠনের প্রাথমিক সময় যেসকল ভ্রূণগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিলো তাদের অবশিষ্টাংশ বৃহস্পতির আবেশ দ্বারা সৃষ্ট মহাকর্ষীয় অক্ষ বিচলনের কারণে গ্রহের সাথ মিলিত হবার সুযোগ পায়নি। আর এই অবশিষ্টাংশই গ্রহাণু বেল্টের উৎপত্তির কারণ। কিছু গ্রহাণুর চাঁদও রয়েছে।

“৩৭৫৩ ক্র্যুইথন” (3753 Cruithne) এবং “২০০২ এএ২৯” (2002 AA29) গ্রহাণুসহ পৃথিবীর রয়েছে অন্তত পাঁচটি সহ-কক্ষীয় গ্রহাণু।[১৯৪][১৯৫] সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর কক্ষপথে স্বাধীন ক্রিকৌণিক বিন্দীয় পথে “২০১০ টিকে৭” (2010 TK7) সহযোগে একটি ট্রোজান গ্রহাণু “এল৪” (L4) পথে আবর্তন করছে।[১৯৬][১৯৭]

প্রতি বিশ বছর অন্তর ক্ষুদ্রতর নিকটতর-পৃথিবীর গ্রহাণু “২০০৬ আরএইচ১২০” (2006 RH120) পৃথিবী-চন্দ্র পদ্ধতিকে জটিল করে তোলে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, এটি পৃথিবীকে প্রযোজ্য সময়ের চেয়েও সংক্ষিপ্তকালে আবর্তন করতে পারে।[১৯৮]

কৃত্রিম উপগ্রহ হলো মহাকাশে উৎক্ষেপিত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবিত উপগ্রহ। এটা চাঁদের মতোই কিন্তু পার্থক্য কেবল এই যে চাঁদ প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত আর কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ তৈরি করেছে। জুন ২০১৬ মোতাবেক, পৃথিবীর কক্ষপথে ১,৪১৯টি মানব কর্তৃক প্রস্তুতকৃত কার্যকরী উপগ্রহ ছিল।[১৯৯] এছাড়াও সেখানে বর্তমানে আরো আছে সবচেয়ে প্রাচীন কৃত্রিম উপগ্রহ ভ্যানগার্ড-১ সহ ১৬,০০০ খন্ড অক্ষম উপগ্রহ এবং ধ্বংসাবশেষ।[n ৯] পৃথিবীর সর্ববৃহত কৃত্রিম উপগ্রহটি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র্র (International Space Station)।

সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

পৃথিবীর আদর্শ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রতীক হল বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি ক্রস চিহ্ন, Earth symbol.svg;[২০০] যা পৃথিবীর চার কোণকে নির্দেশ করে।

মানব সংস্কৃতিতে এই গ্রহকে নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত রয়েছে। পৃথিবীকে কখনো কখনো শ্বর হিসেবে ব্যক্তিরূপে প্রকাশ করা হয়। অনেক সংস্কৃতিতে পৃথিবী হল দেবমাতা, যা সন্তান জন্মদানের প্রাথমিক শ্বর হিসেবে বিবেচিত হয়,[২০১] এবং বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে, গাইয়া তত্ত্বে পৃথিবীর পরিবেশ ও জীবনকে একক স্ব-নিয়ন্ত্রণকারী জীবের সাথে তুলনা করা হয় যা বসবাসযোগ্যতার স্থায়িত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।[২০২][২০৩][২০৪] অনেক ধর্মের সৃষ্ট পুরাণে বলা হয় একজন অতিপ্রাকৃত শ্বর বা শ্বরবৃন্দ পৃথিবী সৃষ্টি করেছে।[২০১]

বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ফলে এই গ্রহ সম্পর্কিত মানবীয় মতামতসমূহের কতক সাংস্কৃতিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। পশ্চিমে সমতল পৃথিবীর ধারণা[২০৫] পরিবর্তিত হয়ে গোলাকার পৃথিবী ধারণা সৃষ্টি হয়েছে; যা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে পিথাগোরাস কর্তৃক প্রবর্তিত।[২০৬] এছাড়া ১৬শ শতাব্দীর পূর্বে পৃথিবীকে ভূকেন্দ্রিক মডেল-এ মহাবিশ্বের কেন্দ্র বলে বিশ্বাস করা হত; পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা প্রথম তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখান যে এটি একটি আবর্তনকারী বস্তু এবং সৌর জগতের অন্যান্য গ্রহের সাথে তুলনীয়।[২০৭] বাইবেলের বংশতালিকা বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর বয়স নির্ণয়-কারী জেমস উশার এবং আরো কয়েকজন খ্রিস্টান পণ্ডিত ও পাদ্রীর কারণে ১৯শ শতাব্দীর পূর্ব-পর্যন্ত পশ্চিমারা ধারণা করতো যে, পৃথিবীর বয়স কয়েক হাজার বছর। ১৯শ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন যে পৃথিবীর বয়স কমপক্ষে কয়েক মিলিয়ন বছর।[২০৮] ১৮৬৪ সালে লর্ড কেলভিন তাপগতিবিজ্ঞান ব্যবহার করে হিসাব করে দেখান যে পৃথিবীর বয়স ২০ মিলিয়ন থেকে ৪০০ মিলিয়ন বছর, যা বিতর্কের জন্ম দেয়; কিন্তু পরবর্তীতে ১৯শ শতাব্দীর শেষের দিকে ও ২০শ শতাব্দীর প্রথম দিকে পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি রেডিওএক্টিভিটি ও রেডিওমেট্রিক ডেটিং আবিষ্কারের পর প্রমাণিত হয় পৃথিবীর বয়স বিলিয়ন বছরেরও বেশি।[২০৯][২১০] পৃথিবী সম্পর্কিত মানুষের ধারণা পুনরায় পরিবর্তন হয় যখন ২০শ শতাব্দীতে মানুষ প্রথম কক্ষপথ থেকে পৃথিবীকে দেখে এবং বিশেষতঃ অ্যাপোলো মহাশূন্য মিশনে তোলা ছবিগুলো দেখার পর।[২১১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. If Earth were shrunk to the size of a billiard ball, some areas of Earth such as large mountain ranges and oceanic trenches would feel like tiny imperfections, whereas much of the planet, including the Great Plains and the abyssal plains, would feel smoother.[৬৫]
  2. Locally varies between 5 and 200 km.
  3. Locally varies between 5 and 70 km.
  4. Including the Somali Plate, which is being formed out of the African Plate. See: Chorowicz, Jean (অক্টোবর ২০০৫)। "The East African rift system"। Journal of African Earth Sciences 43 (1–3): 379–410। ডিওআই:10.1016/j.jafrearsci.2005.07.019বিবকোড:2005JAfES..43..379C 
  5. This is the measurement taken by the vessel Kaikō in March 1995 and is considered the most accurate measurement to date. See the Challenger Deep article for more details.
  6. The ultimate source of these figures, uses the term "seconds of UT1" instead of "seconds of mean solar time".—Aoki, S.; Kinoshita, H.; Guinot, B.; Kaplan, G. H.; McCarthy, D. D.; Seidelmann, P. K. (১৯৮২)। "The new definition of universal time"। Astronomy and Astrophysics 105 (2): 359–61। বিবকোড:1982A&A...105..359A 
  7. For Earth, the Hill radius is , where m is the mass of Earth, a is an astronomical unit, and M is the mass of the Sun. So the radius in AU is about .
  8. Aphelion is 103.4% of the distance to perihelion. Due to the inverse square law, the radiation at perihelion is about 106.9% the energy at aphelion.
  9. As of July 5, 2016, the United States Strategic Command tracked a total of 17,729 artificial objects, mostly debris. See: টেমপ্লেট:Cite newsletter

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "apsis" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "epoch" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "sidereal_solar" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "surfacecover" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Simon, J.L.; Bretagnon, P.; Chapront, J.; Chapront-Touzé, M.; Francou, G.; Laskar, J. (February 1994). "Numerical expressions for precession formulae and mean elements for the Moon and planets". Astronomy and Astrophysics. 282 (2): 663–683.
  2. Williams, David R. (1 September 2004). "Earth Fact Sheet". NASA.
  3. Various (2000). David R. Lide, ed. Handbook of Chemistry and Physics (81st ed.). CRC. ISBN 0-8493-0481-4.
  4. Cazenave, Anny (1995). "Geoid, Topography and Distribution of Landforms" (PDF). In Ahrens, Thomas J. Global Earth Physics: A Handbook of Physical Constants. Washington, DC: American Geophysical Union. ISBN 0-87590-851-9.
  5. Allen, Clabon Walter; Cox, Arthur N. (2000). Allen's Astrophysical Quantities. Springer. p. 296. ISBN 0-387-98746-0.
  6. Arthur N. Cox, ed. (2000). Allen's Astrophysical Quantities (4th ed.). New York: AIP Press. p. 244. ISBN 0-387-98746-0.
  7. Oxford English Dictionary, 1st ed. "terra, n." Oxford University Press (Oxford), 1911.
  8. "Age of the Earth". U.S. Geological Survey. 1997.
  9. Dalrymple, G. Brent (2001). "The age of the Earth in the twentieth century: a problem (mostly) solved". Special Publications, Geological Society of London. 190 (1): 205–221. Bibcode:2001GSLSP.190..205D. doi:10.1144/GSL.SP.2001.190.01.14.
  10. Burton, Kathleen (2002-11-29). "Astrobiologists Find Evidence of Early Life on Land"
  11. Kunin, W.E.; Gaston, Kevin, eds. (31 December 1996). The Biology of Rarity: Causes and consequences of rare—common differences.
  12. National Oceanic and Atmospheric Administration. "Ocean". NOAA.gov.
  13. Yoder, Charles F. (1995). T. J. Ahrens, ed. Global Earth Physics: A Handbook of Physical Constants. Washington: American Geophysical Union. p. 8.
  14. Williams, David R. (2004-09-01). "Earth Fact Sheet".
  15. http://www.priyo.com/2014/07/02/82211.html#sthash.vCgNT5YH.dpuf
  16. http://www.eurobdnews.com/IT/16219/----#sthash.pzOLnVE4.dpuf
  17. Bowring, S.; Housh, T. (1995). "The Earth's early evolution". Science. 269 (5230): 1535–40. Bibcode:1995Sci...269.1535B. doi:10.1126/science.7667634. PMID 7667634.
  18. Yin, Qingzhu; Jacobsen, S. B.; Yamashita, K.; Blichert-Toft, J.; Télouk, P.; Albarède, F. (2002). "A short timescale for terrestrial planet formation from Hf-W chronometry of meteorites". Nature. 418 (6901): 949–52. Bibcode:2002Natur.418..949Y. doi:10.1038/nature00995. PMID 12198540.
  19. Kleine, Thorsten; Palme, Herbert; Mezger, Klaus; Halliday, Alex N. (24 November 2005). "Hf-W Chronometry of Lunar Metals and the Age and Early Differentiation of the Moon". Science. 310 (5754): 1671–74. Bibcode:2005Sci...310.1671K. doi:10.1126/science.1118842. PMID 16308422.
  20. Reilly, Michael (22 October 2009). "Controversial Moon Origin Theory Rewrites History".
  21. Canup, R. M.; Asphaug, E. (2001). An impact origin of the Earth-Moon system. American Geophysical Union, Fall Meeting 2001. Abstract #U51A-02. Bibcode:2001AGUFM.U51A..02C.
  22. Canup, R.; Asphaug, E. (2001). "Origin of the Moon in a giant impact near the end of the Earth's formation". Nature. 412 (6848): 708–12. Bibcode:2001Natur.412..708C. doi:10.1038/35089010. PMID 11507633.
  23. Morbidelli, A.; et al. (2000). "Source regions and time scales for the delivery of water to Earth". Meteoritics & Planetary Science. 35 (6): 1309–20. Bibcode:2000M&PS...35.1309M. doi:10.1111/j.1945-5100.2000.tb01518.x.
  24. Guinan, E. F.; Ribas, I. Benjamin Montesinos, Alvaro Gimenez and Edward F. Guinan, ed. Our Changing Sun: The Role of Solar Nuclear Evolution and Magnetic Activity on Earth's Atmosphere and Climate. ASP Conference Proceedings: The Evolving Sun and its Influence on Planetary Environments. San Francisco: Astronomical Society of the Pacific. Bibcode:2002ASPC..269...85G. ISBN 1-58381-109-5.
  25. "Oldest measurement of Earth's magnetic field reveals battle between Sun and Earth for our atmosphere". Physorg.news. 4 March 2010.
  26. Rogers, John James William; Santosh, M. (2004). Continents and Supercontinents. Oxford University Press US. p. 48. ISBN 0-19-516589-6.
  27. Hurley, P. M.; Rand, J. R. (June 1969). "Pre-drift continental nuclei". Science. 164 (3885): 1229–42. Bibcode:1969Sci...164.1229H. doi:10.1126/science.164.3885.1229. PMID 17772560.
  28. Armstrong, R. L. (1968). "A model for the evolution of strontium and lead isotopes in a dynamic earth". Reviews of Geophysics. 6 (2): 175–99. Bibcode:1968RvGSP...6..175A. doi:10.1029/RG006i002p00175.
  29. De Smet, J.; Van Den Berg, A.P.; Vlaar, N.J. (2000). "Early formation and long-term stability of continents resulting from decompression melting in a convecting mantle". Tectonophysics. 322 (1–2): 19–33. Bibcode:2000Tectp.322...19D. doi:10.1016/S0040-1951(00)00055-X.
  30. Harrison, T.; et al. (December 2005). "Heterogeneous Hadean hafnium: evidence of continental crust at 4.4 to 4.5 ga". Science. 310 (5756): 1947–50. Bibcode:2005Sci...310.1947H. doi:10.1126/science.1117926. PMID 16293721.
  31. Hong, D.; Zhang, Jisheng; Wang, Tao; Wang, Shiguang; Xie, Xilin (2004). "Continental crustal growth and the supercontinental cycle: evidence from the Central Asian Orogenic Belt". Journal of Asian Earth Sciences. 23 (5): 799–813. Bibcode:2004JAESc..23..799H. doi:10.1016/S1367-9120(03)00134-2.
  32. Armstrong, R. L. (1991). "The persistent myth of crustal growth". Australian Journal of Earth Sciences. 38 (5): 613–30. Bibcode:1991AuJES..38..613A. doi:10.1080/08120099108727995.
  33. Murphy, J. B.; Nance, R. D. (1965). "How do supercontinents assemble?". American Scientist. 92 (4): 324–33. doi:10.1511/2004.4.324.
  34. "Paleoclimatology – The Study of Ancient Climates". Page Paleontology Science Center.
  35. Doolittle, W. Ford; Worm, Boris (February 2000). "Uprooting the tree of life" (PDF). Scientific American. 282 (6): 90–95. doi:10.1038/scientificamerican0200-90. PMID 10710791.
  36. Zimmer, Carl (৩ অক্টোবর ২০১৩)। "Earth’s Oxygen: A Mystery Easy to Take for Granted"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগৃহীত ৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  37. Berkner, L. V.; Marshall, L. C. (1965). "On the Origin and Rise of Oxygen Concentration in the Earth's Atmosphere". Journal of Atmospheric Sciences. 22 (3): 225–61. Bibcode:1965JAtS...22..225B. doi:10.1175/1520-0469(1965)022<0225:OTOARO>2.0.CO;2.
  38. Burton, Kathleen (29 November 2002). "Astrobiologists Find Evidence of Early Life on Land". NASA.
  39. Schopf, JW, Kudryavtsev, AB, Czaja, AD, and Tripathi, AB. (2007). Evidence of Archean life: Stromatolites and microfossils. Precambrian Research 158:141–155.
  40. Schopf, JW (2006). Fossil evidence of Archaean life. Philos Trans R Soc Lond B Biol Sci 29;361(1470) 869-85.
  41. Hamilton Raven, Peter; Brooks Johnson, George (২০০২)। Biology। McGraw-Hill Education। পৃ: ৬৮। আইএসবিএন 978-0-07-112261-0। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৩ 
  42. Borenstein, Seth (১৩ নভেম্বর ২০১৩)। "Oldest fossil found: Meet your microbial mom"। Associated Press। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  43. Noffke, Nora; Christian, Daniel; Wacey, David; Hazen, Robert M. (৮ নভেম্বর ২০১৩)। "Microbially Induced Sedimentary Structures Recording an Ancient Ecosystem in the ca. 3.48 Billion-Year-Old Dresser Formation, Pilbara, Western Australia"Astrobiology (journal) 13 (12): 1103–24। ডিওআই:10.1089/ast.2013.1030পিএমআইডি 24205812পিএমসি 3870916বিবকোড:2013AsBio..13.1103N। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  44. Ohtomo, Yoko; Kakegawa, Takeshi; Ishida, Akizumi এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০১৪)। "Evidence for biogenic graphite in early Archaean Isua metasedimentary rocks"Nature Geoscience (London: Nature Publishing Group) 7 (1): 25–28। আইএসএসএন 1752-0894ডিওআই:10.1038/ngeo2025বিবকোড:2014NatGe...7...25O 
  45. Borenstein, Seth (19 October 2015). "Hints of life on what was thought to be desolate early Earth". Excite. Yonkers, NY: Mindspark Interactive Network. Associated Press.
  46. Bell, Elizabeth A.; Boehnike, Patrick; Harrison, T. Mark; et al. (19 October 2015). "Potentially biogenic carbon preserved in a 4.1 billion-year-old zircon" (PDF). Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A. Washington, D.C.: National Academy of Sciences. 112: 14518–21. Bibcode:2015PNAS..11214518B. doi:10.1073/pnas.1517557112. ISSN 1091-6490. PMC 4664351Freely accessible. PMID 26483481.
  47. Kirschvink, J. L. (1992). Schopf, J.W.; Klein, C.; Des Maris, D., eds. Late Proterozoic low-latitude global glaciation: the Snowball Earth. The Proterozoic Biosphere: A Multidisciplinary Study. Cambridge University Press. pp. 51–52. ISBN 0-521-36615-1.
  48. Raup, D. M.; Sepkoski Jr, J. J. (1982). "Mass Extinctions in the Marine Fossil Record". Science. 215 (4539): 1501–03. Bibcode:1982Sci...215.1501R. doi:10.1126/science.215.4539.1501. PMID 17788674.
  49. Gould, Stephan J. (October 1994). "The Evolution of Life on Earth". Scientific American. 271 (4): 84–91. doi:10.1038/scientificamerican1094-84. PMID 7939569.
  50. Wilkinson, B. H.; McElroy, B. J. (2007). "The impact of humans on continental erosion and sedimentation". Bulletin of the Geological Society of America. 119 (1–2): 140–56. Bibcode:2007GSAB..119..140W. doi:10.1130/B25899.1.
  51. Sackmann, I.-J.; Boothroyd, A. I.; Kraemer, K. E. (1993). "Our Sun. III. Present and Future". Astrophysical Journal. 418: 457–68. Bibcode:1993ApJ...418..457S. doi:10.1086/173407.
  52. Britt, Robert (25 February 2000). "Freeze, Fry or Dry: How Long Has the Earth Got?".
  53. Ward, Peter D.; Brownlee, Donald (2002). The Life and Death of Planet Earth: How the New Science of Astrobiology Charts the Ultimate Fate of Our World. New York: Times Books, Henry Holt and Company. ISBN 0-8050-6781-7.
  54. Carrington, Damian (21 February 2000). "Date set for desert Earth". BBC News.
  55. Li, King-Fai; Pahlevan, Kaveh; Kirschvink, Joseph L.; Yung, Yuk L. (2009). "Atmospheric pressure as a natural climate regulator for a terrestrial planet with a biosphere" (PDF). Proceedings of the National Academy of Sciences. 106 (24): 9576–79. Bibcode:2009PNAS..106.9576L. doi:10.1073/pnas.0809436106. PMC 2701016Freely accessible. PMID 19487662.
  56. Bounama, Christine; Franck, S.; Von Bloh, W. (2001). "The fate of Earth's ocean" (PDF). Hydrology and Earth System Sciences. Germany: Potsdam Institute for Climate Impact Research. 5 (4): 569–75. Bibcode:2001HESS....5..569B. doi:10.5194/hess-5-569-2001.
  57. Schröder, K.-P.; Connon Smith, Robert (2008). "Distant future of the Sun and Earth revisited". Monthly Notices of the Royal Astronomical Society. 386 (1): 155–163. arXiv:0801.4031Freely accessible. Bibcode:2008MNRAS.386..155S. doi:10.1111/j.1365-2966.2008.13022.x.
  58. "Earth2014 global topography (relief) model"। Institut für Astronomische und Physikalische Geodäsie। সংগৃহীত ৪ মার্চ ২০১৬ 
  59. Milbert, D. G.; Smith, D. A। "Converting GPS Height into NAVD88 Elevation with the GEOID96 Geoid Height Model"। National Geodetic Survey, NOAA। সংগৃহীত ৭ মার্চ ২০০৭ 
  60. Sandwell, D. T.; Smith, W. H. F. (৭ জুলাই ২০০৬)। "Exploring the Ocean Basins with Satellite Altimeter Data"। NOAA/NGDC। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০০৭ 
  61. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ps20_5_16 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  62. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lancet365_9462_831 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  63. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; tall_tales নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  64. "The 'Highest' Spot on Earth"। Npr.org। ৭ এপ্রিল ২০০৭। সংগৃহীত ৩১ জুলাই ২০১২ 
  65. "Is a Pool Ball Smoother than the Earth?"। Billiards Digest। ১ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ২৬ নভেম্বর ২০১৪ 
  66. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; brown_mussett1981 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  67. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; pnas71_12_6973 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  68. Public Domain One or more of the preceding sentences একটি প্রকাশন থেকে অন্তর্ভুক্ত পাঠ্য যা বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনেচিসাম, হিউ, সম্পাদক (১৯১১)। "Petrology"। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস [[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলনের তথ্যসূত্র ছাড়া ১৯১১ সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে উইকিপিডিয়া নিবন্ধসমূহে একটি উদ্ধৃতি একত্রিত করা হয়েছে]]
  69. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; tanimoto_ahrens1995 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  70. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; science309_5739_1313 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  71. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; pnas76_9_4192 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  72. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; robertson2001 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  73. ভূগোল ১ম পত্র
    উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি
    পৃষ্টা ১৪
    লেখকঃড.সৈয়দ শাহজাহান আহম্মদ ও জিয়াউল হক
    প্রকাশকালঃজুন,২০১৫
    প্রকাশনাঃ কাজল ব্রাদারস লিমিটেড
  74. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; turcotte নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  75. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sanders20031210 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  76. "The Earth's Centre is 1000 Degrees Hotter than Previously Thought"The European Synchrotron (ESRF)। ২৫ এপ্রিল ২০১৩। ১২ জুন ২০১৩-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  77. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ptrsl360_1795_1227 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  78. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; epsl121_1 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  79. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; T.26S_137 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  80. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; jg31_3_267 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  81. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; science246_4926_103 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  82. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; heat_loss নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  83. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; brown_wohletz2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  84. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kious_tilling1999 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  85. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; seligman2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  86. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; duennebier1999 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  87. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; noaa20070307 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  88. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cmp134_3 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  89. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; podp2000 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  90. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; gps_time_series নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  91. ড.সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ ও জিয়াউল হক। "ভূগোল প্রথম পত্র", উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
  92. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Pidwirny_2006_8 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  93. "CIA – The World Factbook"। Cia.gov। সংগৃহীত ২ নভেম্বর ২০১২ 
  94. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kring নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  95. Martin, Ronald (২০১১)। Earth's Evolving Systems: The History of Planet Earth। Jones & Bartlett Learning। 
  96. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; layers_earth নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  97. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; jessey নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  98. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; de_pater_lissauer2010 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  99. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; wekn_bulakh2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  100. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sverdrup নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  101. "World Bank arable land"worldbank.org। সংগৃহীত ১৯ অক্টোবর ২০১৫ 
  102. "World Bank permanent cropland"worldbank.org। সংগৃহীত ১৯ অক্টোবর ২০১৫ 
  103. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; fao1994 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  104. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kaiko7000 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  105. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ocean23_2_112 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  106. "sphere depth of the ocean – hydrology"Encyclopædia Britannica। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  107. "Third rock from the Sun – restless Earth"NASA's Cosmos। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  108. Perlman, Howard (১৭ মার্চ ২০১৪)। "The World's Water"USGS Water-Science School। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  109. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kennish2001 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  110. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; mullen2002 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  111. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; natsci_oxy4 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  112. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; michon2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  113. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sample2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  114. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; earth_fact_sheet নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  115. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; geerts_linacre97 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  116. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Harrison_2002 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  117. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; atmosphere নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  118. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Pidwirny2006_7 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  119. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Narottam2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  120. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; moran2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  121. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; berger2002 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  122. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; rahmstorf2003 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  123. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; hydrologic_cycle নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  124. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sadava_heller2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  125. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; climate_zones নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  126. "Why U.S. East Coast is colder than Europe's West Coast"। Live Science। ৫ এপ্রিল ২০১১। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৫ 
  127. "Earth at Aphelion"। Space Weather। জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৫ 
  128. "Highest recorded temperature"। Guinness World Records। সংগৃহীত ১২ জুলাই ২০১৫ 
  129. Lyons, Walter A (১৯৯৭)। The Handy Weather Answer Book (2nd সংস্করণ)। Detroit, Michigan: Visible Ink Press। আইএসবিএন 0-7876-1034-8 
  130. "Coldest temperature ever recorded on Earth in Antarctica"। The Guardian। ১০ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১২ জুলাই ২০১৫ 
  131. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sciweek2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  132. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cordoba2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  133. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; jas31_4_1118 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  134. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sci293_5531_839 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  135. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; abedon1997 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  136. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; arwps4_265 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  137. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lang2003 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  138. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; fitzpatrick2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  139. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; campbelwh নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  140. McElroy, Michael B. (২০১২)। "Ionosphere and magnetosphere"Encyclopædia Britannica। Encyclopædia Britannica, Inc.। 
  141. Masson, Arnaud (১১ মে ২০০৭)। "Cluster reveals the reformation of the Earth's bow shock"। European Space Agency। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  142. Gallagher, Dennis L. (১৪ আগস্ট ২০১৫)। "The Earth's Plasmasphere"। NASA/Marshall Space Flight Center। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  143. Gallagher, Dennis L. (২৭ মে ২০১৫)। "How the Plasmasphere is Formed"। NASA/Marshall Space Flight Center। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  144. Baumjohann, Wolfgang; Treumann, Rudolf A. (১৯৯৭)। Basic Space Plasma Physics। World Scientific। পৃ: 8, 31। আইএসবিএন 978-1-86094-079-8 
  145. Van Allen, James Alfred (২০০৪)। Origins of Magnetospheric Physics। University of Iowa Press। আইএসবিএন 978-0-87745-921-7ওসিএলসি 646887856 
  146. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; stern2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  147. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; aj136_5_1906 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  148. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; USNO_TSD নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  149. "Rapid Service/Prediction of Earth Orientation" (.DAT file (displays as plaintext in browser))। IERS Bulletin-A 28 (15)। ৯ এপ্রিল ২০১৫। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  150. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; IERS নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  151. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; seidelmann1992 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  152. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; iers1623 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  153. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; iers1962 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  154. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; zeilik1998 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  155. Williams, David R. (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Planetary Fact Sheets"। NASA। সংগৃহীত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ —See the apparent diameters on the Sun and Moon pages.
  156. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; moon_fact_sheet নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  157. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; vazquez_etal2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  158. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; nasa20051201 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  159. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bromberg2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  160. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lin2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  161. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; fisher19960205 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  162. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; williams20051230 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  163. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ab2003 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  164. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; dole1970 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  165. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; amnat163_2_192 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  166. Wade, Nicholas (২৫ জুলাই ২০১৬)। "Meet Luca, the Ancestor of All Living Things"New York Times। সংগৃহীত ২৫ জুলাই ২০১৬ 
  167. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Lambin2011 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  168. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Ramdohr নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  169. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; science299_5607_673 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  170. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Turner1990 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  171. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cia নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  172. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; walsh2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  173. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un20070202 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  174. "Various '7 billionth' babies celebrated worldwide"। সংগৃহীত ৩১ অক্টোবর ২০১১ 
  175. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  176. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; prb2007 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  177. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; hessd4_439 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  178. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; biodiv নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  179. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cfsa2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  180. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kennedy1989 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  181. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; uncharter নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  182. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un_int_law নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  183. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kuhn2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  184. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ellis2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  185. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; shayler_vis2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  186. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; wade2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  187. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; nasa_rg_iss2007 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  188. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Apollo13History নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  189. Espenak, F.; Meeus, J. (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। "Secular acceleration of the Moon"। NASA। আসল থেকে ২২ আগস্ট ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০০৭ 
  190. Lambeck, Kurt (১৯৮০)। The Earth's Variable Rotation: Geophysical Causes and Consequences। Cambridge University Press। পৃ: ৩৬৭। 
  191. Laskar, J. এবং অন্যান্য (২০০৪)। "A long-term numerical solution for the insolation quantities of the Earth"। Astronomy and Astrophysics 428 (1): 261–85। ডিওআই:10.1051/0004-6361:20041335বিবকোড:2004A&A...428..261L 
  192. Murray, N.; Holman, M. (২০০১)। "The role of chaotic resonances in the solar system"। Nature 410 (6830): 773–79। এআরএক্সআইভি:astro-ph/0111602ডিওআই:10.1038/35071000পিএমআইডি 11298438 
  193. Canup, R.; Asphaug, E. (২০০১)। "Origin of the Moon in a giant impact near the end of the Earth's formation"। Nature 412 (6848): 708–12। ডিওআই:10.1038/35089010পিএমআইডি 11507633বিবকোড:2001Natur.412..708C 
  194. Whitehouse, David (২১ অক্টোবর ২০০২)। "Earth's little brother found"। BBC News। সংগৃহীত ৩১ মার্চ ২০০৭ 
  195. Christou, Apostolos A.; Asher, David J. (৩১ মার্চ ২০১১)। A long-lived horseshoe companion to the Earth  See table 2, p. 5.
  196. Connors, Martin; Wiegert, Paul; Veillet, Christian (২৭ জুলাই ২০১১)। "Earth's Trojan asteroid"Nature 475 (7357): 481–83। ডিওআই:10.1038/nature10233পিএমআইডি 21796207বিবকোড:2011Natur.475..481C। সংগৃহীত ২৭ জুলাই ২০১১ 
  197. Choi, Charles Q. (২৭ জুলাই ২০১১)। "First Asteroid Companion of Earth Discovered at Last"Space.com। সংগৃহীত ২৭ জুলাই ২০১১ 
  198. "2006 RH120 ( = 6R10DB9) (A second moon for the Earth?)"Great Shefford Observatory। Great Shefford Observatory। আসল থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৭ জুলাই ২০১৫ 
  199. "UCS Satellite Database"Nuclear Weapons & Global SecurityUnion of Concerned Scientists। ১১ আগস্ট ২০১৬। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর ২০১৬ 
  200. Liungman, Carl G. (২০০৪)। "Group 29: Multi-axes symmetric, both soft and straight-lined, closed signs with crossing lines"। Symbols – Encyclopedia of Western Signs and Ideograms। New York: Ionfox AB। পৃ: 281–82। আইএসবিএন 91-972705-0-4 
  201. Stookey, Lorena Laura (২০০৪)। Thematic Guide to World Mythology। Westport, Conn.: Greenwood Press। পৃ: 114–115। আইএসবিএন 978-0-313-31505-3 
  202. Lovelock, James. The Vanishing Face of Gaia. Basic Books, 2009, p. 255. ISBN 978-0-465-01549-8
  203. Lovelock, J.E. (১৯৭২)। "Gaia as seen through the atmosphere"। Atmospheric Environment (Elsevier) 6 (8): 579–580। আইএসএসএন 1352-2310ডিওআই:10.1016/0004-6981(72)90076-5বিবকোড:1972AtmEn...6..579L 
  204. Lovelock, J.E.; Margulis, L. (১৯৭৪)। "Atmospheric homeostasis by and for the biosphere: the Gaia hypothesis"Tellus। Series A (Stockholm: International Meteorological Institute) 26 (1–2): 2–10। আইএসএসএন 1600-0870ডিওআই:10.1111/j.2153-3490.1974.tb01946.xবিবকোড:1974Tell...26....2L। সংগৃহীত ২০ অক্টোবর ২০১২ 
  205. Russell, Jeffrey B. "The Myth of the Flat Earth". American Scientific Affiliation; but see also Cosmas Indicopleustes.
  206. Godwin, William (১৮৭৬)। "Lives of the Necromancers"। পৃ: ৪৯। 
  207. Arnett, Bill (১৬ জুলাই ২০০৬)। "Earth"The Nine Planets, A Multimedia Tour of the Solar System: one star, eight planets, and more। সংগৃহীত ৯ মার্চ ২০১০ 
  208. Monroe, James; Wicander, Reed; Hazlett, Richard (২০০৭)। Physical Geology: Exploring the Earth। Thomson Brooks/Cole। পৃ: 263–265। আইএসবিএন 978-0-495-01148-4 
  209. Henshaw, John M. (২০১৪)। An Equation for Every Occasion: Fifty-Two Formulas and Why They Matter। Johns Hopkins University Press। পৃ: 117–118। আইএসবিএন 978-1-421-41491-1 
  210. Burchfield, Joe D. (১৯৯০)। Lord Kelvin and the Age of the Earth। University of Chicago Press। পৃ: 13–18। আইএসবিএন 978-0-226-08043-7 
  211. Cahalan, Rose (৫ জুন ২০১২)। "Neil deGrasse Tyson: Why Space Matters"The Alcalde। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৬ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]