পৃথিবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
পৃথিবী পৃথিবীর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রতীক
A color image of Earth as seen from Apollo ১৭.
পৃথিবীর বিখ্যাত "নীল মার্বেল" চিত্র,১৯৭২ সালে চন্দ্র অভিযানের সময় এপোলো ১৭ থেকে তোলা
বিবরণ
বিশেষণ পার্থিব
কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য
যুগ জে২০০০[n ১]
অপসূর ১৫২,১০০,০০০ কিমি[n ২]
(৯৪,৫০০,০০০ মাইল; ১.০১৬৭৩ এইউ)
অনুসূর ১৪৭,০৯৫,০০০ কিমি
(৯১,৪০১,০০০ মাইল; ০.৯৮৩ ২৭ এইউ)
অর্ধ-মুখ্য অক্ষ ১৪৯,৫৯৮,০২৩ কিমি[১]
(৯২,৯৫৫,৯০২ মাইল; ১.০০০ ০০১ ০২ এইউ)
উৎকেন্দ্রিকতা ০.০১৬ ৭০৮৬
কক্ষীয় পর্যায়কাল ৩৬৫.২৫৬৩৬৩০০৪ দিন
(১.০০০ ০১৭ ৪২০ ৯৬ বছর)[২]
গড় কক্ষীয় দ্রুতি ২৯.৭৮ কিমি/সে[৩]
(১০৭,২০০ কিমি/ঘ)
গড় ব্যত্যয় ৩৫৮.৬১৭°
নতি ৭.২৫° সৌর বিষুবরেখার সাথে
১.৫৭৮৬৯°[৪] স্থির তলের সাথে
০.০০০০৫° জে২০০০ সৌর কক্ষপথের সাথে
উদ্বিন্দুর দ্রাঘিমা -১১.২৬০ ৬৪°[৩]
অনুসূরের উপপত্তি ১১৪.২০৭ ৮৩°[৩]
উপগ্রহসমূহ ১ টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ (চন্দ্র);
৫টি আপাতদৃষ্টিতে উপগ্রহ
>১৪০০ কার্যরত কৃত্রিম উপগ্রহ[৫]
>১৬ ০০০ মহাকাশের জঞ্জাল[n ৩]
ভৌত বৈশিষ্ট্যসমূহ
গড় ব্যাসার্ধ ৬৩৭১.০ কিমি (৩৯৫৮.৮ মাইল)[৬]
বিষুবীয় ব্যাসার্ধ্য ৬,৩৭৮.১ কিমি (৩৯৬৩.২ মাইল) [৭][৮]
মেরু ব্যাসার্ধ্য ৬,৩৫৬.৮ কিমি (৩৯৪৯.৯ মাইল) [৯]
সমরূপতার ০.০০৩৩৫২৮ [১০]
১/২৯৮.২৫৭২২২১০১ ইটিআরএস৮৯
পরিধি ৪০০৭৫.০১৭ কিমি নিরক্ষরেখা বরাবর (২৪৯০১.৪৬১ মাইল)
৪০০০৭.৮৬ কিমি পৃথিবীর মধ্যরেখা বরাবর (২৪৮৫৯.৭৩ মাইল)[১১][১২]
পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল ৫১০,০৭২,০০০ কিমি
(১৯৬ ৯৪০ ০০০ মাইল)[১৩][১৪][n ৪]
১৪৮ ৯৪০ ০০০ কিমি ভূমি
(৫৭৫ ১০০ ০০ বর্গমাইল; ২৯.২%)
৩৬১ ১৩২ ০০০ কিমি পানি
(১৩৯ ৪৩৪ ০০০ বর্গ মাইল; ৭০.৮%)
আয়তন ১.০৮৩ ২০৭ ৩×১০১২ কিমি
(২.৫৯৮ ৭৬ × ১০১১ কিউবিক মাইল)[৩]
ভর ৫.৯৭ ২৩৭×১০২৪ কিলোগ্রাম
১.৩১ ৬৬৮ × ১০২৫ পাউন্ড)[১৫]
(৩.০×১০−৬ M) সৌর ভর
গড় ঘনত্ব ৫.৫১৪ গ্রাম/সেমি[৩]
(০.১৯৯২ পাউন্ড/কিউবিক ইঞ্চি)
বিষুবীয় পৃষ্ঠের অভিকর্ষ ৯.৮০৭ মি/সে (৩২.১৮ ফিট/সে)[১৬]
মুক্তি বেগ ১১.১৮৬ কিমি/সে [৩]
(৪০ ২৭০ কিমি/ঘন্টা; ২৫ ০২০ মাইল/ঘন্টা)
নাক্ষত্রিক ঘূর্ণনকাল ০.৯৯৭ ২৬৯ ৬৮ দিন; [১৭]
(২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪.১০০ সেকেন্ড)
বিষুবীয় অঞ্চলে ঘূর্ণন বেগ ০.৪৬৫১ কিমি/সে[১৮]
(১৬৭৪.৪ কিমি/ঘন্টা; ১০৪০.৪ মাইল/ঘন্টা)
অক্ষীয় ঢাল ২৩.৪৩৯ ২৮১১°
উত্তর মেরুর বিষুবাংশ অসংজ্ঞায়িত°
উত্তর মেরুর বিষুবলম্ব +৯০°
প্রতিফলন অনুপাত ০.৩৬৭ জ্যামিতিক[৩]
০.৩০৬ বন্ড[৩]
পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ন্যূন মধ্যক সর্বোচ্চ
কেলভিন ১৮৪ কে[১৯] ২৮৮ কে[২০] ৩৩০ কে[২১]
সেলসিয়াস -৮৯.২ °সে ১৫ °সে ৫৬.৭ °সে
বায়ুমণ্ডল
পৃষ্ঠের চাপ ১০১.৩২৫ কিলো প্যাসকেল (সমুদ্র সমতলের ক্ষেত্রে)
গঠন ৭৮.০৮% নাইট্রোজেন (N2; শুষ্ক বাতাসের ক্ষেত্রে)[৩]
২০.৯৫% অক্সিজেন (O2)
০.৯৩% আর্গন
০.০৪০২% কার্বন ডাই অক্সাইড[২২]
~১% জলীয় বাষ্প
(জলবায়ু পরিবর্তনশীল)

পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়, সর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত এবং সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের চারটি কঠিন গ্রহের অন্যতম। পৃথিবীর অপর নাম "বিশ্ব" বা "নীলগ্রহ"। লাতিন ভাষায় এই গ্রহের নাম "টেরা (Terra)[২৩]

পৃথিবী হল মানুষ সহ কোটি কোটি প্রজাতির আবাসস্থল হল। পৃথিবীই একমাত্র মহাজাগতিক স্থান যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কথা বিদিত।[২৪] ৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই পৃথিবীর বুকে প্রাণের আবির্ভাব ঘটে।[২৫] পৃথিবীর জৈবমণ্ডল এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও অন্যান্য অজৈবিক অবস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুজীবী জীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে, অন্যদিকে তেমনি ওজন স্তর গঠিত হয়েছে। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সঙ্গে একযোগে এই ওজন স্তরই ক্ষতিকর সৌর বিকিরণের গতিরোধ করে গ্রহের বুকে প্রাণের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে।[২৬] পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ ও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও কক্ষপথ এই যুগে প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আরও ৫০ কোটি বছর পৃথিবী প্রাণধারণের সহায়ক অবস্থায় থাকবে।[২৭]

পৃথিবীর উপরিতল একাধিক শক্ত স্তরে বিভক্ত। এগুলিকে ভূত্বকীয় পাত বলা হয়। কোটি কোটি বছর ধরে এগুলি পৃথিবীর উপরিতলে এসে জমা হয়েছে। পৃথিবীতলের প্রায় ৭১% লবণাক্ত জলের মহাসাগর দ্বারা আবৃত।[২৮] অবশিষ্টাংশ গঠিত হয়েছে মহাদেশ ও অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে। স্থলভাগেও রয়েছে অজস্র হ্রদ ও জলের অন্যান্য উৎস। এগুলি নিয়েই গঠিত হয়েছে বিশ্বের জলভাগ। জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় তরল জল এই গ্রহের ভূত্বকের কোথাও সমভার অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর মেরুদ্বয় সর্বদা কঠিন বরফ (আন্টর্কটিক বরফের চাদর) বা সামুদ্রিক বরফে (আর্কটিক বরফের টুপি) আবৃত থাকে। পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ সর্বদা ক্রিয়াশীল। এই অংশ গঠিত হয়েছে একটি আপেক্ষিকভাবে শক্ত ম্যান্টেলের মোটা স্তর, একটি তরল বহিঃকেন্দ্র (যা একটি চৌম্বকক্ষেত্র গঠন করে) এবং একটি শক্ত লৌহ অন্তঃকেন্দ্র নিয়ে গঠিত।

মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বিশেষ করে সূর্য ও চাঁদের সঙ্গে এই গ্রহের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে পৃথিবী নিজ কক্ষপথে মোটামুটি ৩৬৫.২৬ সৌরদিনে বা এক নক্ষত্র বর্ষে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।[২৯] পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৩.৪ ডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। এর ফলে এক বিষুবীয় বছর (৩৬৫.২৪ সৌরদিন) সময়কালের মধ্যে এই বিশ্বের বুকে ঋতুপরিবর্তন ঘটে থাকে।[৩০] পৃথিবীর একমাত্র বিদিত প্রাকৃতিক উপগ্রহ হল চাঁদ। ৪.৩৫ বিলিয়ন বছর আগে চাঁদ পৃথিবী প্রদক্ষিণ শুরু করেছিল। চাঁদের গতির ফলেই পৃথিবীতে সামুদ্রিক জোয়ারভাঁটা হয় এবং পৃথিবীর কক্ষের ঢাল সুস্থিত থাকে। চাঁদের গতিই ধীরে ধীরে পৃথিবীর গতিকে কমিয়ে আনছে। ৩.৮ বিলিয়ন থেকে ৪.১ বিলিয়ন বছরের মধ্যবর্তী সময়ে পরবর্তী মহাসংঘর্ষের সময় একাধিক গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে গ্রহের উপরিতলের পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল।

গ্রহের খনিজ সম্পদ ও জৈব সম্পদ উভয়ই মানবজাতির জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এই গ্রহের অধিবাসীরা প্রায় ২০০টি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে সমগ্র গ্রহটিকে বিভক্ত করে বসবাস করছে। এই সকল রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক কূটনৈতিক, পর্যটন, বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান। মানব সংস্কৃতি গ্রহ সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণার জন্মদাতা। এই সব ধারণার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীকে দেবতা রূপে কল্পনা, সমতল বিশ্ব কল্পনা এবং পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্ররূপে কল্পনা। এছাড়া একটি সুসংহত পরিবেশ রূপে বিশ্বকে কল্পনা করার আধুনিক প্রবণতাও লক্ষিত হয়। এই ধারণাটি বর্তমানে প্রাধান্য অর্জন করেছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

নাম ও ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

"পৃথিবী" শব্দটি সংস্কৃত। এর অপর নাম "পৃথ্বী"। পৃথ্বী ছিল পৌরাণিক "পৃথুর" রাজত্ব। এর সমার্থক শব্দ হচ্ছে- বসুধা, বসুন্ধরা, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, ধরাতল, ভূমি, ক্ষিতি, মহী ইত্যাদি।

পৃথিবীর কালানুক্রমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল।[৩১] সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে দুটি গ্রহের তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এ সময় জুড়ে যায় গ্রহ দুটি। পৃথিবী নামক গ্রহের সঙ্গে চরম সংঘর্ষ হয়েছিল থিয়া নামে একটি গ্রহের। সংঘর্ষের সময় পৃথিবীর বয়স ছিল ১০ কোটি বছর। সংঘর্ষের জেরে থিয়া ও পৃথিবীর জুড়ে যায়, তৈরি হয় নতুন গ্রহ। সেই গ্রহটিতেই আমরা বাস করছি। তিনবার চন্দ্র অভিযানে পাওয়া চাঁদের মাটি এবং হাওয়াই অ্যারিজোনায় পাওয়া আগ্নেয়শিলা মিলিয়ে চমকে যান গবেষকরা। দুটি পাথরের অক্সিজেন আইসোটোপে কোনও ফারাক নেই। গবেষকদলের প্রধান অধ্যাপক এডওয়ার্ড ইয়ংয়ের কথায়, চাঁদের মাটি আর পৃথিবীর মাটির অক্সিজেন আইসোটোপে কোনও পার্থক্য পাইনি। থিয়া নামক গ্রহটি তখন পরিণত হচ্ছিল। ঠিক সেই সময়েই ধাক্কাটি লাগে এবং পৃথিবীর সৃষ্টি হয়।[৩২]

শিল্পীর দৃষ্টিতে প্রথম দিকের সৌর জগৎ ও এর গ্রহসূহের চাকতি।

সৌরজগতের ভেতরে অবস্থিত সবচেয়ে পুরনো পদার্থের বয়স প্রায় ৪.৫৬ শত কোটি বছর।[৩৩] আজ থেকে ৪.৫৪ শত কোটি বছর আগে[২৪] পৃথিবীর আদিমতম রূপটি গঠিত হয়। সূর্যের পাশাপাশি সৌরজগতের অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুগুলিও গঠিত হয় ও এগুলোর বিবর্তন ঘটতে থাকে। তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি আণবিক মেঘ (Molecular cloud) থেকে একটি সৌর নীহারিকা (Solar nebula) মহাকর্ষীয় ধসের মাধ্যমে কিছু আয়তন বের করে নেয়, যা ঘুরতে শুরু করে এবং চ্যাপ্টা হয়ে তৈরি হয় পরিনাক্ষত্রিক চাকতিতে (Circumstellar disk), এবং এই চাকতি থেকেই সূর্য এবং অন্যান্য গ্রহের উৎপত্তি ঘটে। একটি নীহারিকাতে বায়বীয় পদার্থ, বরফকণা এবং মহাজাগতিক ধূলি (যার মধ্যে আদিম নিউক্লাইডগুলিও অন্তর্ভুক্ত) থাকে। নীহারিকা তত্ত্ব (Nebular theory) অনুযায়ী সংযোজন (Accretion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অতিক্ষুদ্র গ্রহগুলি (planetesimals) গঠিত হয়। এভাবে আদিম পৃথিবীটি গঠিত হতে প্রায় ১ থেকে ২ কোটি বছর লেগেছিল।[৩৪]

চাঁদের গঠন নিয়ে বর্তমানে গবেষণা চলছে এবং বলা হয় চাঁদ প্রায় ৪.৫৩ বিলিয়ন বছর পূর্বে গঠিত হয়।[৩৫] একটি গবেষণারত অনুমানের তথ্য অনুসারে, মঙ্গল গ্রহ আকারের বস্তু থিয়ার সাথে পৃথিবীর আঘাতের পরে পৃথিবী থেকে খসে পড়া বস্তুর পরিবৃদ্ধি ফলে চাঁদ গঠিত হয়।[৩৬] এই ঘটনা থেকে বলা হয়ে থাকে যে, থিয়া গ্রহের ভর ছিল পৃথিবীর ভরের প্রায় ১০%,[৩৭] যা পৃথিবীকে আঘাত করে কৌনিক ভাবে,[৩৮] এবং আঘাতের পরে এটির কিছু ভর পৃথিবীর সাথে বিলীনও হয়ে যায়। প্রায় ৪.১ থেকে ৩.৫ গিগা বছরের মধ্যে অজস্র গ্রহাণুর আঘাত যা ঘটে শেষেরদিকের অজস্র গ্রহাণুবর্ষণ (Late Heavy Bombardment) সময়ে, যার ফলে চাঁদের বৃহত্তর পৃষ্ঠতলের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে, আর এর কারণ ছিল পৃথিবীর উপস্থিতি।

ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

একটি প্রাকৃতিক শিলাগঠিত খিলান, শিলার স্তর প্রদর্শন করছে।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও সাগরসমূহ আগ্নেয়গিরির উৎগিরণ ও জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ গ্যাসের অতিনির্গমনের (Outgassing) ফলে সৃষ্টি হয়েছে। গ্রহাণুপুঞ্জ, ক্ষুদ্র গ্রহ, ও ধুমকেতু থেকে আসা ঘনীভূত জল ও বরফের সম্মিলনে পৃথিবীর সাগরসমূহের উৎপত্তি হয়েছে।[৩৯] ফেইন্ট ইয়ং সান প্যারাডক্স মডেলে বলা হয়, যখন নব গঠিত সূর্যে বর্তমান সময়ের চেয়ে মাত্র ৭০% সৌর উজ্জ্বলতা ছিল তখন বায়ুমণ্ডলীয় "গ্রিনহাউজ গ্যাস" সাগরের পানি বরফ হওয়া থেকে বিরত রাখে।[৪০] ৩.৫ গিগা বছর পূর্বে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয়, যা সৌর বায়ুর ফলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে উড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।[৪১]

পৃথিবীর শক্ত বহিরাবণ সৃষ্টি হয়েছে যখন পৃথিবীর গলিত বাইরের অংশ ঠাণ্ডা হয়ে শক্ত হয়। দুটি মডেলে[৪২] ব্যাখ্যা করা হয় যে, ভূমি ধীরে ধীরে বর্তমান অবস্থায় এসেছে,[৪৩] বা পৃথিবীর ইতিহাসের শুরুতে[৪৪] দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে[৪৫] এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে মহাদেশীয় অঞ্চলসমূহ গঠিত হয়েছে।[৪৬][৪৭][৪৮] মহাদেশসমূহ পৃথিবীর অভ্যন্তরে লাগাতার তাপ হ্রাস পাবার ফলে ভূত্বকীয় পাত গঠিত হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক সময় শত-মিলিয়ন বছর যাবত চলে এবং এ সময়ে মহামহাদেশসমূহ একত্রিত হয়েছে ও ভেঙ্গে আলাদাও হয়েছে। প্রায় ৭৫ কোটি বছর পূর্বে সবচেয়ে প্রাচীন মহামহাদেশ রোডিনিয়া ভাঙ্গতে শুরু করে। মহাদেশটি পরে পুনরায় ৬০ কোটি বছর থেকে ৫৪ কোটি বছর পূর্বে একত্রিত হয়ে প্যানোটিয়া, পরবর্তীতে প্যানজিয়ায় একত্রিত হয়, যাও পরে ১৮ কোটি বছর পূর্বে ভেঙ্গে যায়।[৪৯]

বরফ যুগের বর্তমান রূপ শুরু হয় প্রায় ৪ কোটি বছর পূর্বে এবং ৩০ লক্ষ বছর পূর্বে প্লেইস্টোসিন সময়ে তা ঘনীভূত হয়। ৪০,০০০ থেকে ১০০,০০০ বছর পূর্বে হিমবাহ ও বরফ গলার কারনে উচ্চ-অক্ষাংশ অঞ্চলসমূহের উচ্চতা কমতে থাকে। শেষ মহাদেশীয় হিমবাহ শেষ হয় ১০,০০০ বছর পূর্বে।[৫০]

জীবনের আবির্ভাব ও বিবর্তন[সম্পাদনা]

আরআরএনএ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পৃথিবীতে জীবনের কাল্পনিক ফাইলোজেনেটিক ট্রি

রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে প্রায় ৪০০ কোটি বছর পূর্বের প্রথম অণুর সন্ধান পাওয়া যায়। আরও ৫০ কোটি বছর পরে, সকল জীবের শেষ একক পূর্বপুরুষের সন্ধান মিলে।[৫১] সালোকসংশ্লেষণের বিবর্তনের ফলে সৌর শক্তি সরাসরি জীবের জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে অক্সিজেন (O2) বায়ুমণ্ডলে একীভূত হয় এবং সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির সাথে মিথষ্ক্রিয়ার কারনে এ থেকে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য বায়ুমণ্ডলের উপরে রক্ষাকারী ওজোন স্তর (O3) সৃষ্টি হয়।[৫২] বৃহৎ কোষের সাথে ক্ষুদ্র কোষের একত্রিত হওয়ার ফলে জটিল কোষ গঠিত হয় যাকে সুকেন্দ্রিক বলা হয়।[৫৩] কলোনির মধ্যে কোষসমূহ আরও বিশেষায়িত হতে থাকলে বহুকোষী জীব গঠিত হয়। ওজোন স্তরে ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মির বিকিরণ শোষণের ফলে ভূপৃষ্ঠে জীবসমূহ একত্রিত হতে থাকে।[৫৪] এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন জীবের জীবাশ্মসমূহ হল পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্ত ৩.৪৮ বিলিয়ন বছর পূর্বের স্যান্ডস্টোন মাইক্রোবায়াল ম্যাট জীবাশ্ম,[৫৫][৫৬][৫৭][৫৮][৫৯] পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে প্রাপ্ত ৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বের মেটাসেডিমেন্ট জৈব গ্রাফাইট,[৬০] পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্ত জৈব শিলার অংশবিশেষ।[৬১][৬২]

৭৫ থেকে ৫৮ কোটি বছর পূর্বে নিউপ্রোটেরোজোয়িক সময়ে, পৃথিবীর বেশিরভাগ অংশ বরফাচ্ছাদিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। এই ধারণাকে "স্নোবল আর্থ" বলা হয় এবং এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে কারণ এর পরে যখন জটিলভাবে বহুকোষী জীব গঠিত হওয়া শুরু হয় তখন ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণ হয়েছিল।[৬৩] ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণের পরে ৫৩৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে আরও পাঁচটি বড় ধরণের বিস্ফোরণ হয়।[৬৪] সবচেয়ে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ হল ক্রেটাশাস-টার্টিয়ারি বিলুপ্তি, যা ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে সংগঠিত হয়। এ সময়ে গ্রহাণুর প্রভাবে যেসব ডাইনোসর উড়তে পারে না এবং অন্যান্য বৃহৎ সরীসৃপসমূহ বিলুপ্ত হতে থাকে, কিন্তু ছোট প্রজাতির প্রাণীকুল, যেমন স্তন্যপায়ী প্রাণীসমূহ বেঁচে যায়। ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্ব পর্যন্ত, স্তন্যপায়ীদের জীবনে ভিন্নতা দেখা দেয় এবং আরও কয়েক মিলিয়ন বছর পূর্বে আফ্রিকান বানর-সদৃশ্য প্রাণী, যেমন অরোরিন টুজেনেসিস সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা লাভ করে।[৬৫] কৃষিকাজের উন্নয়ন এবং পরে সভ্যতার উন্নয়নের ফলে পরিবেশ ও প্রকৃতির উপর মানুষের প্রভাব বাড়তে থাকে এবং বর্তমান অবস্থায় আসে।[৬৬]

পৃথিবীর ভবিষ্যৎ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পৃথিবীর ভবিষ্যৎ

পৃথিবীর প্রত্যাশিত দীর্ঘ-মেয়াদি ভবিষ্যৎ সূর্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আগামী ১.১ গিগা বছরের মধ্যে (১ গিগা বছর= ১০ বছর) সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতা আরো ১০% বৃদ্ধি পেতে পারে এবং আগামী ৩.৫ গিগা বছরের তা আরও ৪০% বৃদ্ধি পেতে পারে।[৬৭] পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা অজৈব কার্বন চক্রকে তরান্বিত করবে, যার ফলশ্রুতিতে বায়ুতে এটির ঘনত্ব উদ্ভিদের জন্য মারাত্নক ভাবে কমে আসবে (সি৪ ফটোসিন্থেসিসে মাত্র ১০পিপিএম হবে) প্রায় ৫০০ - ৯০০ মেগা বছর পরে (১ মেগা বছর= ১০ বছর)। [৬৮] উদ্ভিদহীনতার কারনে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন থাকবে না, এবং প্রাণী জগৎ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।[৬৯] পরবর্তী বিলিয়ন বছরের মধ্যে ভূ-পৃষ্ঠের উপরের সকল পানি শুকিয়ে যাবে[৭০] এবং সারা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ৭০°সে[৬৯] (১৫৮°ফা)। এই সময়ের পর থেকে, আশা করা হয় পরবর্তী ৫০০ মেগা বছর পৃথিবী বসবাসযোগ্য থাকবে,[৬৮] এটা ২.৩ গিগা বছর পর্যন্তও সম্ভব যদি বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন না থাকে।[৭১] এমনকি যদি সূর্য শাশ্বত ও স্থিতিশীল থাকে, আধুনিক মহাসাগরগুলোতে থাকা ২৭% পানি ভূ-অভ্যন্তরের গুরুমন্ডল স্তরে হারিয়ে যাবে, এটির কারণ সাগরের মধ্যে অবস্থিত শৈলশ্রেণী থেকে নির্গত হওয়া বাষ্পের পরিমাণ কমে যাওয়া।[৭২]

৫ গিগা বছরের মধ্যে সূর্যের আকারের পরিবর্তন হয়ে একটি রেড জায়ান্ট বা লোহিত দানবে পরিনত হবে। বিভিন্ন মডেল থেকে এটা অনুমান করা যায় সূর্যের আকৃতি বৃদ্ধি পাবে প্রায় ১ এইউ (১৫,০০,০০,০০০ কি.মি), যা এটির বর্তমান পরিধির তুলনায় ২৫০ গুন বেশি।[৬৭][৭৩] পৃথিবীর ভাগ্য খুব ভালভাবে পরিষ্কার এই সময়ে। লোহিত দানব হিসাবে, সূর্য এই সময় তার ভরের প্রায় ৩০% হারাবে। তাই, জোয়ার-ভাটা বিহীন পৃথিবী, একটি কক্ষপথে সূর্যকে প্রায় ১.৭ এইউ দূরত্বে প্রদক্ষিণ করবে, এই সময় নক্ষত্রটি তার সর্বোচ্চ পরিধিতে পরিণত হবে। বেঁচে থাকা বাকি জীব বৈচিত্র্যে বেশিরভাগ গুলো, কিন্তু সব নয় সূর্যের বাড়তে থাকা উজ্জ্বলতা কারণে মারা যাবে (উজ্জ্বলতার সর্বোচ্চ সীমা বর্তমান সীমার থেকে ৫,০০০ গুণ বেশি হবে)।[৬৭] ২০০৮ সালে করা একটি সিমুলেশনের ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, জোয়ার-ভাটার প্রভাব না থাকার কারণে পৃথিবীর কক্ষপথ এক সময় হ্রাস পাবে এবং সূর্য এটিকে টেনে নিবে নিজের দিকে, ফলাফলস্বরূপ পৃথিবী সূর্যের পরিমণ্ডলে প্রবেশ করবে এবং এক সময় বাষ্পে পরিণত হবে।[৭৩]

গাঠনিক বৈশিষ্ঠ্য[সম্পাদনা]

আকৃতি[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পৃথিবীর আকার

পৃথিবী দেখতে পুরোপুরি গোলাকার নয়, বরং কমলালেবুর মত উপর ও নিচের দিকটা কিছুটা চাপা এবং মধ্যভাগ (নিরক্ষরেখার কাছাকাছি) স্ফীত। এ'ধরণের স্ফীতি তৈরি হয়েছে নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে এটির ঘূর্ণনের কারণে। একই কারণে বিষুব অঞ্চলের ব্যাস মেরু অঞ্চলের ব্যাসের তুলনায় প্রায় ৪৩ কি.মি. বেশি।

পৃথিবীর আকৃতি। ভূ-পৃষ্ঠের উপরিতল হতে ভূ-ভরকেন্দ্রের দূরত্ব দেখানো হয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দাস পর্বত শৃঙ্গকে দেখানো হয়েছে উঁচু জায়গা হিসাবে। তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পৃথিবী২০১৪[৭৪] বিশ্ব ভূ-চিত্র মডেল থেকে।

পৃথিবীর আকৃতি অনেকটাই কমলাকার উপগোলকের মত। ঘূর্ণনের ফলে, পৃথিবীর ভৌগলিক অক্ষ বরাবর এটি চ্যাপ্টা এবং নিরক্ষরেখা বরাবর এটি স্ফীত[৭৫] নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস মেরু থেকে মেরুর ব্যাসের তলনায় ৪৩ কিলোমিটার (২৭ মা) বৃহৎ।[৭৬] তাই, পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর পৃথিবীর ভরকেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বটি হল নিরক্ষরেখার উপর অবস্থিত চিম্বরাজো আগ্নেয়গিরির সর্বোচ্চ শৃঙ্গটি।[৭৭][৭৮][৭৯][৮০] আদর্শ মাপের উপগোলকের গড় ব্যাস হল ১২,৭৪২ কিলোমিটার (৭,৯১৮ মা)। স্থানীয় ভূসংস্থানে ব্যাসের মান আদর্শ উপগোলকের ব্যাসের মানের চেয়ে ভিন্ন হয়, যদিওবা সারা বিশ্বের কথা বিবেচনা করলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধের তুলনায় এই বিচ্যুতির মান যৎ সামান্য: সর্বোচ্চ পরিমাণ বিচ্যুতির মান হল মাত্র ০.১৭%, যা পাওয়া যায় মারিয়ানা খাতে (যা ১০,৯১১ মিটার (৩৫,৭৯৭ ফু) সমুদ্র পৃষ্ঠতল থেকে নীচে), আর অপরদিকে মাউন্ট এভারেস্টে (৮,৮৪৮ মিটার (২৯,০২৯ ফু) যা সমুদ্র পৃষ্ঠতলের থেকে উঁচুতে) বিচ্যুতির মান ০.১৪%।[n ৫]

জিওডেসি প্রকাশ করে যে, পৃথিবীতে সমুদ্র তার প্রকৃত আকার ধারণ করবে যদি ভূমি ও অন্যান্য চাঞ্চলতা যেমন ঢেউ ও বাতাস না থাকে, আর একে সংজ্ঞায়িত করা হয় জিওইড দ্বারা। আরো স্পষ্ট ভাবে, জিওইডের পরিমাণ হবে গড় সমুদ্র পৃষ্টতলের উচ্চতায় অভিকর্ষীয় মানের সমান।

রাসায়নিক গঠন[সম্পাদনা]

ভূত্বকের রাসায়নিক গঠন [৮২]
যৌগ সমূহ রাসায়নিক

সংকেত

গঠন
মহাদেশীয় মহাসাগরীয়
সিলিকা SiO2 ৬০.২% ৪৮.৬%
অ্যালুমিনা Al2O3 ১৫.২% ১৬.৫%
লাইম CaO ৫.৫% ১২.৩%
ম্যাগনেসিয়া MgO ৩.১% ৬.৮%
আয়রন (II) অক্সাইড FeO ৩.৮% ৬.২%
সোডিয়াম অক্সাইড Na2O ৩.০% ২.৬%
পটাসিয়াম অক্সাইড K2O ২.৮% ০.৪%
আয়রন (III) অক্সাইড Fe2O3 ২.৫% ২.৩%
পানি H2O ১.৪% ১.১%
কার্বন ডাই অক্সাইড CO2 ১.২% ১.৪%
টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইড TiO2 ০.৭% ১.৪%
ফসফরাস পেন্টা অক্সাইড P2O5 ০.২% ০.৩%
মোট ৯৯.৬% ৯৯.৯%

পৃথিবীর ভর হল প্রায় ৫.৯৭ x ১০২৪ কিলোগ্রাম (৫,৯৭০ ইয়াটোগ্রাম)। এটি গঠিত যে সকল উপাদান দিয়ে তার মধ্যে সবচাইতে বেশি হল লোহা (৩২.১%), অক্সিজেন (৩০.১%), সিলিকন (১৫.১%), ম্যাগনেসিয়াম (১৩.৯%), সালফার (২.৯%), নিকেল (১.৮%), ক্যালসিয়াম (১.৫%), এবং অ্যালুমিনিয়াম (১.৪%), এ ছাড়া বাকি ১.২% এর মধ্যে রয়েছে অন্যান্য বিভিন্ন উপাদানের উপস্থিতি। ভরের পৃথকীকরণ ঘটার ফলে, অনুমান করা হয় পৃথিবীর কেন্দ্র অঞ্চলটি প্রধানত গঠিত লোহা (৮৮.৮%) দ্বারা, এর সাথে অল্প পরিমাণে রয়েছে নিকেল (৫.৮%), সালফার (৪.৫%), এবং এছাড়া অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি রয়েছে ১% এরও কম।[৮৩]

সাধারণত পৃথিবীর ভূত্বকের শিলাগুলোর উপাদানসমূহের সবগুলোই হয়ে থাকে অক্সাইড ধরণের: তবে এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম হল এতে ক্লোরিন, সারফার, এবং ফ্লোরিনের উপস্থিতি এবং সাধারণত কোন শিলায় এগুলোর পরিমাণ হয়ে থাকে মোট পরিমাণের ১% এরও কম। মোট ভূত্বকের ৯৯% গঠিত হয়ে থাকে ১১ ধরণের অক্সাইড দ্বারা, যার মধ্যে প্রধান উপাদানগুলো হল সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন অক্সাইড, লাইম, ম্যাগনেসিয়া (ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড), পটাশ এবং সোডা। [৮২][৮৩][৮৪]

অভ্যন্তরীণ কাঠামো[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পৃথিবীর গঠন

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কাঠামো অন্যান্য বহুজাগতিক গ্রহের মত বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত, স্তরগুলোর গঠন এগুলোর রাসায়নিক ও ভৌত (রিওলজি) বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। সবচেয়ে বাইরের স্তরটি রাসায়নিকভাবে স্বতন্ত্র নিরেট সিলিকেট ভূত্বক, যার নীচে রয়েছে অধিক সান্দ্রতা সম্পন্ন নিরেট ম্যান্টেল বা গুরুমণ্ডল। ভূত্বকটি গুরুমণ্ডল থেকে পৃথক রয়েছে মোহোরোভিচিক বিচ্ছিন্নতা (Mohorovičić discontinuity) অংশ দ্বারা। ভূত্বকের পুরুত্ব মহাসাগরে নীচে প্রায় ৬ কিলোমিটার এবং মহাদেশের ক্ষেত্রে প্রায় ৩০-৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়ে থাকে। ভূত্বক এবং এর সাথে ঠান্ডা, দৃঢ় উপরের দিকের উর্দ্ধ গুরুমণ্ডলকে একসাথে বলা হয়ে থাকে লিথোস্ফিয়ার এবং লিথোস্ফিয়ার সেই অংশ যেখানে টেকটনিক প্লেটগুলো সংকুচিত অবস্থায় থাকে। লিথোস্ফিয়ারের পরের স্তরটি হল অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার, এটা এর উপরের স্তর থেকে কম সান্দ্রতা সম্পন্ন, এবং এর উপরে অবস্থান করে লিথোস্ফিয়ার নড়াচড়া করতে পারে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪১০ কি.মি. থেকে ৬৬০ কি.মি. গভীরতার মধ্যে গুরুমণ্ডলের ক্রিস্টাল কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায়, এখানে রূপান্তর অঞ্চলের একটি বিস্তারে পাওয়া যায়, যা উর্দ্ধ গুরুমণ্ডল ও নিম্ন গুরুমণ্ডলকে পৃথক করে। গুরুমণ্ডলের নীচে, অত্যন্ত সান্দ্রতা পূর্ণ একটি তরল বহিঃ ভূকেন্দ্র থাকে, যা একটি নিরেট অন্তঃ ভূকেন্দ্রের উপরে অবস্থান করে।[৮৫] পৃথিবীর অন্তঃ ভূকেন্দ্রের ঘূর্ণনের কৌণিক বেগ বাদবাকি ভূখন্ডের তুলনায় সামান্য বেশি হতে পারে, এটি প্রতি বছর ০.১–০.৫° বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।[৮৬] অন্তঃ ভূকেন্দ্রের পরিধি পৃথিবীর পরিধির তুলনায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হয়ে থাকে।

পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক স্তর সমূহ[৮৭]
পৃথিবীর অভ্যন্তরীন বিন্যাস

পৃথিবীর কাঁটা অংশ বিশেষ কেন্দ্র থেকে এক্সোস্ফিয়ার পর্যন্ত

স্কেল অনুসারে আঁকা নয়।

গভীরতা[৮৮]
কি.মি.
স্তরগুলোর নাম ঘনত্ব
গ্রাম/সেমি
০–৬০ লিথোস্ফিয়ার[n ৬]
০–৩৫ ভূত্বক[n ৭] ২.২–২.৯
৩৫–৬০ উর্দ্ধ গুরুমণ্ডল ৩.৪–৪.৪
  ৩৫–২৮৯০ গুরুমণ্ডল ৩.৪–৫.৬
১০০–৭০০ অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার
২৮৯০–৫১০০ বহিঃ ভূকেন্দ্র ৯.৯–১২.২
৫১০০–৬৩৭৮ অন্তঃ ভূকেন্দ্র ১২.৮–১৩.১

বাহ্যিক গঠন[সম্পাদনা]

পৃথিবীর উৎপত্তির সময় এটি ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসের পিন্ড। উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতলঘনীভূত হয়। এ সময় ভারী উপাদানগুলা এটির কেন্দ্রের দিকে জমা হয় আর হাল্কা উপাদান গুলা ভরের তারতম্য অনুসারে নিচ থেকে উপরের স্তরে স্তরে জমা হয়। পৃথিবীর এ সকল স্তর এক একটি মণ্ডল নামে পরিচিত। সবচেয়ে উপরে রয়েছে অশ্মমণ্ডল স্তর। অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশকে ভূত্বক বলে। ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কি.মি. বৃদ্ধিতে ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।[৮৯] ভূত্বকের উপরের ভাগে বাহ্যিক অবয়বগুলো যেমন -পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি থেকে থাকে। পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন পৃথিবীর উপরিভাগের বৈচিত্রময় ভূমিরুপসমূহ নিয়ে সজ্জিত। পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপগুলো ভূপৃষ্ঠে সর্বত্র সমান নয়। আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠনগত দিক থেকে বেশকিছু পার্থক্য রয়েছে। ভূপৃষ্ঠে কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত, কোথাও পাহাড়, কোথাও মালভূমি। ভৌগোলিক দিক থেকে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।[৯০]

এগুলো হলোঃ(১) পর্বত (২) মালভূমি (৩) সমভূমি।

সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। সাধারণত ৬০০ থেকে ১০০০ মি. উঁচু স্বল্প সুবিস্তৃত শিলাস্তূপ কে পাহাড় বলে। পর্বতের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। পর্বতের ভূপ্রকৃতি সাধারণত বন্ধুর প্রকৃতির হয়ে থাকে, এগুলোর ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়াবিশিষ্ট হয়ে থাকে। পূর্ব আফ্রিকার কিলিমাঞ্জারোর মত কিছু পর্বত বিছিন্নভাবে অবস্থান করে। আবার হিমালয় পর্বতমালার মত কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে।[৯০]

পর্বতের থেকে উঁচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমি কে মালভূমি বলে। মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৫,১৯০ মিটার।[৯০]

সমুদ্রতল থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন -নদী, হিমবাহবায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়েছে। মৃদু ঢাল ও স্বল্প বন্ধুরতার জন্য সমভূমি কৃষিকাজ, বসবাস, রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য খুবই উপযোগী। তাই সমভূমিতে সবচেয়ে বেশি ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে।[৯০]

তাপ[সম্পাদনা]

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপের উৎপত্তি হয় গ্রহের পরিবৃদ্ধির (প্রায় ২০%) ফলে সৃষ্ট তাপের অবশিষ্ট অংশ এবং তেজস্ক্রিয়তার (৮০%) ফলে সৃষ্ট তাপের সংমিশ্রণে।[৩] পৃথিবীতে থাকা সবচেয়ে বেশি তাপ উৎপাদনকারী আইসোটোপ গুলো হল পটাশিয়াম-৪০, ইউরেনিয়াম-২৩৮ এবং থোরিয়াম-২৩২[৯১] পৃথিবীর কেন্দ্রে তাপমাত্রা হতে পারে ৬,০০০ °সে (১০,৮৩০ °ফা) বা তারও বেশি,[৯২] এবং চাপ গিয়ে পৌছাতে পারে ৩৬০ গিগা প্যাসকেল[৯৩] যেহেতু অধিকাংশ তাপ সৃষ্টির মূল কারণ তেজস্ক্রিয়তা, তাই বিজ্ঞানীরা দাবি করেন যে পৃথিবীর ইতিহাসের শুরুর দিকে, তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ গুলোর অর্ধ-জীবন হ্রাসপাওয়ার পূর্বে, পৃথিবীর তাপ উৎপাদন ক্ষমতা আরও বেশি ছিল। প্রায় ৩ গিগা বছর আগে, বর্তমান সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন তাপ উৎপন্ন হত, ফলাফলস্বরূপ গুরুমণ্ডলীয় পরিচলন ও ভূত্বকীয় পাতসমূহের গঠন প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়েছিল, এবং একই সাথে কিছু বিরল আগ্নেয় শিলা যেমন কোমাটিটে তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমানে কদাচিৎই তৈরি হয়।[৩][৯৪]

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি তাপ উৎপন্নকারী আইসোটোপ সমূহ[৩]
Isotope Heat release
ওয়াট/কেজি আইসোটোপ
Half-life
years
Mean mantle concentration
কেজি আইসোটোপ/কেজি গুরুমণ্ডল
Heat release
ওয়াট/কেজি গুরুমণ্ডল
২৩৮U ৯৪.৬ × ১০−৬ ৪.৪৭ × ১০ ৩০.৮ × ১০−৯ ২.৯১ × ১০−১২
২৩৫U ৫৬৯ × ১০−৬ ০.৭০৪ × ১০ ০.২২ × ১০−৯ ০.১২৫ × ১০−১২
২৩২Th ২৬.৪ × ১০−৬ ১৪.০ × ১০ ১২৪ × ১০−৯ ৩.২৭ × ১০−১২
৪০K ২৯.২ × ১০−৬ ১.২৫ × ১০ ৩৬.৯ × ১০−৯ ১.০৮ × ১০−১২

পৃথিবীর থেকে গড় তাপ হ্রাসের পরিমাণ হল ৮৭ মিলি ওয়াট / মিটার, সারা বিশ্বের তাপ হ্রাসের মান যেখানে ৪.৪২ × ১০১৩ওয়াট[৯৫] কেন্দ্রের তাপীয় শক্তির একটি অংশ ভূত্বকের দিকে পরিবাহিত হয় গুরুমণ্ডলীয় তাপীয় শিলা দ্বারা, এটা হল এক ধরনের পরিচলন পদ্ধতিতে উচ্চতাপমাত্রার পাথরের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে তাপের প্রবাহ। এই তাপীয় শিলাগুলো হটস্পট এবং আগ্নেয় শিলার বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।[৯৬] পৃথিবীর তাপ আরও নিঃসৃত হয় টেকটনিক প্লেটগুলোর ফাটলের মধ্য দিয়ে, মধ্য-সমুদ্র রিগের যে সকল স্থানের ক্ষেত্রে গুরুমণ্ডল উপরের দিকে ওঠে গেছে। তাপ হ্রাসের সর্বশেষ মাধ্যম হল লিথোস্ফিয়ার দিয়ে পরিবহন পদ্ধতিতে, আর এটির অধিকাংশটাই হয় সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে যেহেতু মহাদেশীয় ভূত্বকের তুলনায় সমুদ্রের ভূত্বকের পুরুত্ব কম হয়ে থাকে।[৯৭]

পৃথিবীর প্রধান ভূত্বকীয় পাত[৯৮]
Shows the extent and boundaries of tectonic plates, with superimposed outlines of the continents they support
পাতের নাম এলাকা
১০ কি.মি.
১০৩.৩
৭৮.০
৭৫.৯
৬৭.৮
৬০.৯
৪৭.২
৪৩.৬

ভূত্বকীয় পাতসমূহ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: ভূত্বকীয় পাত

পৃথিবীর কাঠামোর বাহিরের দিকের দৃঢ় অনমনীয় স্তর, যা লিথোস্ফিয়ার নামে পরিচিত, বেশ কিছু টুকরায় বিভক্ত, এগুলো হল টেকটনিক পাত বা ভূত্বকীয় পাত। এই পাতগুলি হল সুদৃঢ় অংশবিশেষ যা নড়াচড়া করতে পারে একটির সাপেক্ষে আরেকটি, মোট তিন ধরনের যে কোন এক ধরণের পাত সীমার মধ্যে থেকে, এই পাত সীমা গুলো হল: অভিসারমুখী সীমা (convergent boundaries), এ ক্ষেত্রে দুটি পাত একটি অপরটির দিকে পরস্পরগামী ভাবে অগ্রসর হয়, বিমুখগামী সীমা (divergent boundaries) এ ক্ষেত্রে দুটি পাত পরস্পরের বিপরীতমুখী ভাবে অগ্রসর হতে থাকে এবং পরিবর্তক সীমা (transform boundaries), দুটি টেকটনিক পাত যখন সমান্তরাল ভাবে একে অন্যের বিপরীতে সরতে থাকে। ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত, পর্বত গঠন, এবং মহাসাগরীয় খাতের গঠন প্রক্রিয়া ঘটে থাকে এই তিনটি ধরণের পাত সীমার ক্রিয়ার ফলে।[৯৯] ভূত্বকীয় পাতগুলো চলাচল করে অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার অঞ্চলের উপরে, এটি উর্দ্ধ গুরুমণ্ডলের কঠিন কিন্তু কম সান্দ্রতাপূর্ণ অংশ, যা সঞ্চালিত হতে পারে ও নড়াচড়া করতে পারে পাতগুলোর সাথে।[১০০]

ভূত্বকীয় পাতগুলোর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালনের সাথে সাথে, মহাসাগরীয় ভূত্বকে সাবডাকশন ঘটে অভিসারমুখী সীমায় ক্রিয়ারত পাতগুলোর সম্মুখভাগের চাপে। ঠিক একই সময়ে, গুরুমণ্ডলের উপাদানের প্রবাহের ফলে মধ্য-সমুদ্র রিগের সৃষ্টি হয় বিমুখগামী সীমার ক্রিয়ার ফলে। এই প্রক্রিয়াগুলির সংমিশ্রণ মহাসাগরীয় ভূত্বকের রিসাইকেল করে আবার গুরুমণ্ডলে পাঠিয়ে দেয়। এই রিসাইকেলের ফলে, মহাসাগরীয় ভূত্বকের বেশিরভাগের বয়স ১০০ মেগা বছরের বেশি নয়। সবচেয়ে পুরাতন মহাসাগরীয় ভূত্বকটির অবস্থান ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিকে যার অনুমানিক বয়স ২০০ মেগা বছর।[১০১][১০২] তুলনা করা হলে যেখানে সবচেয়ে পুরাতন মহাদেশীয় ভূত্বকের বয়স প্রায় ৪০৩০ মেগা বছর।[১০৩]

সাতটি প্রধান টেকটনিক বা ভূত্বকীয় পাত হল প্রশান্ত মহাসাগরীয়, উত্তর আমেরিকান, ইউরেশীয়, আফ্রিকান, অ্যান্টার্কটিক, ইন্দো-অস্ট্রেলীয়, এবং দক্ষিণ আমেরিকান। অন্যান্য কিছু অপ্রধান পাত হল, আরবীয় পাত, ক্যারিবীয় পাত, নাজকা পাত যা দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এবং দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের স্কটিয়া পাত। ৫০ থেকে ৫৫ মেগা বছর পূর্বে অস্ট্রেলীয়ান পাতটি ভারতীয় পাতটির সাথে সুদৃঢ় ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায়। সবচেয়ে দ্রুত সঞ্চলনশীল পাত হল মহাসাগরীয় পাত, যেমন কোকোস পাত, এটি সঞ্চালিত হচ্ছে ৭৫ মিলি/বছর বেগে[১০৪] ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত, যা সঞ্চালিত হচ্ছে ৫২–৬৯ মিলি/বছর বেগে। অপর দিকে, সবচেয়ে ধীর সঞ্চালনশীল পাত হল ইউরেশীয় পাত, এটির সঞ্চালনের সাধারণ গতি বেগ হল ২১ মিলি/বছর।[১০৫] [১০৬]

ভূপৃষ্ঠ[সম্পাদনা]

বর্তমান সময়ের পৃথিবীর উচ্চতামিতি এবং বাথীমেট্রি। তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ন্যাশনাল জিওফিজিক্যাল ডাটা সেন্টার থেকে।

পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠতলের আকার হল প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গ মাইল)।[১৩] যার মধ্যে, ৭০.৮%,[১৩] বা ৩৬১.১৩ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (১৩৯.৪৩ মিলিয়ন বর্গ মাইল), হল সমুদ্র পৃষ্ঠতলের নীচে ও এই অংশ সমুদ্রের পানি দ্বারা আচ্ছাদিত।[১০৭] সমুদ্র পৃষ্ঠতলের নীচেই রয়েছে অধিকাংশ মহীসোপান, পর্বতমালা, আগ্নেয়গিরি,[৭৬] সামুদ্রিক খাত, ডুবো গিরিখাত, সামুদ্রিক মালভূমি, গভীর সামুদ্রিক সমতল, এবং সারা পৃথিবী ব্যাপী বিসৃত মধ্য-সমুদ্র রিগ সিস্টেম। আর বাকি ২৯.২% অংশ বা ১৪৮.৯৪ বর্গ কি.মি. (বা ৫৭.৫১ মিলিয়ন বর্গ মাইল) যা পানি দ্বারা আচ্ছাদিত নয় ভূখণ্ডটি স্থানে স্থানে পরিবর্তিত এবং এতে রয়েছে পর্বত, মরুভূমি, সমতল, মালভূমি ও অন্যান্য ভূমিরূপঅপসারণ ও অবক্ষেপণ, বিভিন্ন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত, বন্যা, মৃত্তিকা আবহবিকার, হিমবাহ ক্ষয়ীভবন, প্রবালপ্রাচীরের বৃদ্ধি এবং উল্কা পিন্ডের আঘাত ইত্যাদি হল সেই সকল ক্রিয়াশীল প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের আকার পরিবর্তন ঘটছে ভূতাত্ত্বিক সময় যাওয়ার সাথে সাথে।[১০৮][১০৯]

মহাদেশীয় ভূত্বকে কম ঘনত্বের উপাদান পাওয়া যায়, আগ্নেয় শিলা যেমন: গ্রানাইটঅ্যান্ডেসাইট। সবচেয়ে কম পাওয়া যায় ব্যাসল্ট, যা হল অধিক ঘনত্বের আগ্নেয় শিলা, এটি হল মহাসাগরীয় ভূত্বক গঠনের মূল উপাদান।[১১০] পাললিক শিলা গঠনের ক্ষেত্রে, পলি ক্রমানয়ে সঞ্চিত হয়ে এক সময় অন্য শিলার চাপে দেবে যায় এবং এরপর এক সাথে জমাট বাঁধেযায়। মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রায় ৭৫% পাললিক শিলা দ্বারা আচ্ছাদিত, যদিও তা পৃথিবীর মোট ভূত্বকের মাত্র ৫% অংশ।[১১১] আর পৃথিবীতে পাওয়া যাওয়া তৃতীয় ধরণের শিলা হল রূপান্তরিত শিলা, উচ্চ চাপে, উচ্চ তাপে কিংবা উভয়ের একসাথে ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে এটি গঠিত হয়। পৃথিবীতে অজস্র্র পরিমাণে পাওয়া যাওয়া যে সকল সিলিকেট খনিজ সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কোয়ার্জ, ফেল্ডস্পার, অ্যাম্ফিবোল, মাইকা, পাইরক্সিন এবং অলিভিন[১১২] সাধারণত পাওয়া যাওয়া কার্বনেট খনিজ গুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যালসাইট (যা পাওয়া যায় চুনাপাথর) ও ডলোমাইট উভয়ে।[১১৩]

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তিত হতে পারে সর্বনিম্ন −৪১৮ মিটার যার অবস্থান মৃত সাগর এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা হতে পারে ৮,৮৪৮ মিটার হিমালয় পর্বতের চূড়ায়। সমুদ্র পৃষ্ঠতলের উপরে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা ৮৪০ মিটার।[১১৪]

প্যাডোস্ফিয়ার হল পৃথিবীর মহাদেশীয় পৃষ্ঠের বাইরের সর্বোচ্চ স্তর এবং এর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত মাটিমাটির গঠন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়। মোট ভূপৃষ্ঠের ১০.৯% ভূমি হল আবাদী জায়গা, এর মধ্যে ১.৩% হল স্থায়ী শস্যভূমি।[১১৫][১১৬] পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের প্রায় ৪০% অংশ ব্যবহার করা হয় শষ্যভূমি ও চরণভূমি হিসাবে, আবার অরেকটি হিসাব থেকে জানা যায় ১.৩ x ১০ কি.মি. হল শষ্যভূমি ও ৩.৪ x ১০ কি.মি. হল চরণভূমি।[১১৭]

জলমণ্ডল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: জলমণ্ডল
পৃথিবী পৃষ্ঠের উচ্চতার হিস্টোগ্রাম

পৃথিবী পৃষ্ঠে পানির প্রাচুর্য হল সেই অনন্য বৈশিষ্ট্য যা সৌর জগতের অন্যান্য গ্রহ থেকে এই "নীল গ্রহটি"কে পৃথক করেছে। পৃথিবীর জলমণ্ডলের মধ্যে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত মহাসাগরগুলো, কিন্তু যৌক্তিকভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠের সকল পানি জলমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত, এটির মধ্যে রয়েছে ভূমির ভেতর দিকে থাকা সমুদ্র, লেক, নদী এবং এমনকি মাটির নিচের ২,০০০ মিটার নীচে থাকা পানিও এটার অন্তর্ভুক্ত। পৃষ্ঠতলের নিচে থাকা পানির সবচেয়ে গভীরতমটি হল প্রশান্ত মহাসাগরে থাকা মারিয়ানা খাতের চ্যালেঞ্জার ডিপ যার গভীরতা হল ১০,৯১১.৪ মিটার।[n ৯][১১৮]

মহাসাগরগুলোর অনুমানিক ভর হল প্রায় ১.৩৫×১০১৮ মেট্রিক টন যা মোটামুটি পৃথিবীর মোট ভরের ১/৪৪০০ অংশ। মহাসাগরগুলোর মোট পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল হল ৩.৬১৮×১০ কি.মি. , আর গড় গভীরতা হল ৩৬৮২ মিটার, ফলাফল হিসাবে এটির আয়তন হল ১.৩৩২×১০ কি.মি.[১১৯] যদি পৃথিবীর সমুদ্র উপকূলের পৃষ্ঠের উচ্চতা সব জায়গায় সমান হত মসৃণ উপগোলকের মত, তাহলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর গভীরতা হত ২.৭ থেকে ২.৮ কি.মি.[১২০][১২১]

পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭.৫% হল লবণাক্ত; আর বাদবাকি ২.৫% হল মিঠা পানি। বেশিরভাগ মিঠা পানি, প্রায় ৬৮.৭%, উপস্থিত রয়েছে বরফ হিসাবে আইস ক্যাপে এবং হিমবাহ রূপে।[১২২]

পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর গড় লবণাক্ততা হল প্রায় ৩৫ গ্রাম লবণ প্রতি কিলোগ্রাম লবণাক্ত পানিতে (৩.৫% লবণ)।[১২৩] এই লবণের বেশিরভাগ পানিতে সংযুক্ত হয়েছে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনার ফলে বা নির্গত হয়েছে ঠান্ডা আগ্ন্যেয় শীলা থেকে।[১২৪] মহাসাগরগুলি দ্রবীভূত বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসগুলোর একটি আধারও বটে, যেগুলো অত্যন্ত অত্যাবশ্যকীয় বিভিন্ন জলজ জীবন ধারণের জন্য।[১২৫] সাগরের পানি বিশ্বের জলবায়ুর উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে, যেখানে এটি কাজ করে একটি বৃহৎ তাপীয় আধার হিসাবে।[১২৬] মহাসাগরের তাপমাত্রার বন্টনের ক্ষেত্রে যে কোন পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য ভাবে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন করতে পারে, উদাহারণস্বরূপ এল নিনো[১২৭]

বায়ুমণ্ডল[সম্পাদনা]

বায়ুমণ্ডল গ্যাসের একটি আস্তরণ যা পর্যাপ্ত ভরসম্পন্ন কোন বস্তুর চারদিকে ঘিরে জড়ো হয়ে থাকতে পারে। বস্তুটির অভিকর্ষের কারণে এই গ্যাসপুঞ্জ তার চারদিকে আবদ্ধ থাকে। বস্তুর অভিকর্ষ যদি যথেষ্ট বেশি হয় এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা যদি কম হয় তাহলে এই মণ্ডল অনেকদিন টিকে থাকতে পারে। গ্রহসমূহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের গ্যাস জড়ো হতে দেখা যায়। এ কারণে গ্রহের বায়ুমণ্ডল সাধারণ অপেক্ষাকৃত ঘন এবং গভীর হয়। পৃথিবীর চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে, একে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বা আবহমণ্ডল বলে। এই বায়ুমণ্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ায়) ভূপৃষ্টকে উওপ্ত রাখে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস রোধ করে।

৮.৫ কি.মি. উচ্চতা স্কেলযুক্ত বায়ুমণ্ডল পৃথিবী পৃষ্ঠে গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রয়োগ করছে ১০১.৩২৫ কিলো প্যাসকেল[৩] এটা গঠিত হয়েছে ৭৮% নাইট্রোজেন এবং ২১% অক্সিজেন দ্বারা, এর সাথে সামান্য পরিমাণে রয়েছে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদান। ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতার পরিবর্তন হয় অক্ষাংশ পরিবর্তনের সাথে সাথে, যার মান হতে পারে মেরু অংশে ৮ কি.মি. ও নিরক্ষরেখার ক্ষেত্রে ১৭ কি.মি.। তবে এই মানের কিছু বিচ্যুতি হয়ে থাকে আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে।[১২৮]

পৃথিবীর জীবমণ্ডল উল্লেখযোগ্যভাবে এটির বায়ুমণ্ডলের পরির্তন সাধন করেছে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের উৎপাদন বিকাশ লাভ করে ২.৭ গিগা বছর আগে, গঠন করে আজকের মূল নাইট্রোজেন-অক্সিজেন বায়ুমণ্ডল।[৫২] এর ফলশ্রুতিতে বায়ুজীবী জীবদের বিকাশ লাভ তরান্বিত হয় এবং পরোক্ষভাবে, এটি ওজোন স্তর গঠন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, এটির কারণ হল পরবর্তীতে ঘটা বায়ুমণ্ডলীয় O2 থেকে O3 তে পরিবর্তন। ওজন স্তর সৌর বিকিরণের অতিবেগুনী রশ্মিকে আটকিয়ে দিয়ে, ভূমিতে প্রাণের বিকাশে সহায়তা করে।[১২৯] অন্যান্য বায়ুমণ্ডলীয় কর্মকান্ড যা জীবন ধারণের জন্য জরুরি তার মধ্যে রয়েছে জলীয় বাষ্পের সঞ্চালন, অতিপ্রয়োজনীয় গ্যাসগুলির সরবরাহ, ছোট উল্কাপিন্ড পৃথিবী পৃষ্ঠে আঘাত হানার পূর্বে তা পুড়িয়ে ফেলা এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।[১৩০] সর্বশেষ কর্মকান্ডটি পরিচিত গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া নামে: বায়ুমণ্ডলের চিহ্নিত কিছু গ্যাসীয় অনু ভূ-পৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ শক্তি শোষন করে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত করে, বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে। জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, এবং ওজন হল বায়ুমণ্ডলের মূল গ্রীনহাইজ গ্যাস। এই তাপ ধারণের ঘটনাটি না থাকলে, ভূ-পৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা হত −১৮ °সে, বিপরীতদিকে বর্তমান তাপমাত্রা হল +১৫ °সে,[১৩১] এবং এটা এর বর্তমান অবস্থায় না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ ঘটত না।[১৩২] মে ২০১৭ সালে, কক্ষপথে থাকা একটি স্যাটেলাইট থেকে এক মিলিয়ন মাইল দূরে হঠাৎ ক্ষণিকের জন্য একটি আলোর ঝলকানি দেখা যায়, পরে জানা যায় বায়ুমণ্ডলে থাকা বরফ স্ফটিক থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে এটি ঘটেছিল।[১৩৩][১৩৪]

আবহাওয়া এবং জলবায়ু[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: আবহাওয়া এবং জলবায়ু

আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা। সাধারণত এক দিনের এমন রেকর্ডকেই আবহাওয়া বলে। আবার কখনও কখনও কোনো নির্দিষ্ট এলাকার স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকেও আবহাওয়া বলা হয়। আবার কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হয় সে স্থানের জলবায়ু। আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল একটি চলক।

হ্যারিকেন ফেলিক্স, পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ থেকে তোলা ছবি, সেপ্টেম্বর, ২০০৭।
মযেভা মরুভূমির উপরে ভারী মেঘমালা, ফেব্রুয়ারি ২০১৬।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন সুনির্দিষ্ট সীমানা নেই, ধীরে ধীরে পাতলা এবং হালকা হয়ে বহিঃ মহাকাশের সাথে মিশে গেছে। বায়ুমণ্ডলের তিন চতুর্থাংশের ভর রয়েছে এটির মোট অংশের প্রথম ১১ কিমি (৬.৮ মা) এর মধ্যে। এর সবচেয়ে নীচের স্তরটির নাম হল ট্রপোস্ফিয়ার। সূর্য থেকে আসা তাপের প্রভাবে এই স্তরটি এবং এর নীচে থাকা ভূ-পৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয়, ফলশ্রুতিতে বাতাসের সম্প্রসারণ ঘটে। এই নিম্ন ঘনত্বের বাতাস উপরের দিকে উঠে যায় এবং এটির জায়গা দখল করে ঠান্ডা, উচ্চ ঘনত্বের বাতাস। ফলে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়, যা তাপমাত্রার পুনঃবিন্যাস করে আবহাওয়া ও জলবায়ুকে বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত করে।[১৩৫]

মূল বায়ুপ্রবাহের ধারার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত অয়ন বায়ু (Trade Wind), নিরক্ষীয় অঞ্চলের ৩০° অক্ষাংশ নিচে এবং পশ্চিমা বায়ু (westerlies) মধ্য-অক্ষাংশ বরাবর ৩০° থেকে ৬০° এর মধ্যে।[১৩৬] মহাসাগরীয় স্রোত জলবায়ু নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক, থার্মোহ্যালাইন প্রবাহ (thermohaline circulation) যা তাপ শক্তিকে বিতরণ করে নিরক্ষীয় সমুদ্র অঞ্চল থেকে ঠান্ডা মেরু অঞ্চলে।[১৩৭]

ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে যে জলীয় বাষ্প উৎপন্ন হয় তা কিছু বিন্যাস অনুসরন করে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত হয়। যখন বায়ুমণ্ডলীয় পরিবেশ গরম, আদ্রর্তাযুক্ত বাতাসকে, উপরের দিকে উঠার সুযোগ করে দেয়, তখন এই পানি ঘনীভূত হয় এবং ভূ-পৃষ্ঠের দিকে অধ:ক্ষিপ্ত ভাবে পতিত হয়।[১৩৫] বেশির ভাগ পানি এরপর নিম্নভূমির দিকে ধাবিত হয় নদী নালার মাধ্যমে এবং সাগরে পুনরায় পৌছায় কিংবা এটি জমা হয় কোন হ্রদে। ভূমিতে জীবন ধারণের জন্য এই পানি চক্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া এবং কোন একটি ভূতত্ত্বিক সময়ের মধ্যে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন গঠনের ভূমিক্ষয়ের জন্য এটি মূল কারণ। বৃষ্টিপাত পতনের বিন্যাস পরিবর্তিত হয় ব্যাপক ভাবে, যার মাত্রা হতে পারে প্রতি বছর কয়েক মিটার থেকে এক মিলিমিটারের থেকেও কম। বায়ুপ্রবাহ, অবস্থানগত বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার পার্থক্য - নির্ধারন করে কোন অঞ্চলে পতিত হওয়া গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।[১৩৮]

পৃথিবী পৃষ্ঠে সৌর শক্তির পরিমাণ কমতে থাকে অক্ষাংশের মান বাড়তে থাকার সাথে সাথে। উচ্চ অক্ষাংশে, সূর্যের আলো ভূ-পৃষ্ঠে পৌছায় নিম্ন কোণে, এবং এটিকে পার করতে হয় বায়ুমণ্ডলের পুরু স্তর। ফলাফলস্বরূপ, নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে প্রতি ডিগ্রী অক্ষাংশ পরিবর্তনে সমুদ্র সমতল থেকে গড় বার্ষিক বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় প্রায় ০.৪ °C (০.৭ °F)।[১৩৯] পৃথিবী পৃষ্ঠকে কিছু সুনির্দিষ্ট অক্ষ রেখায় উপবিভাজন করা যায় যেখানে মোটামুটি একই রকম জলবায়ু বিরাজ করে। নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চল পর্যন্ত বিরাজমান এই জলবায়ুগুলো হল ক্রান্তীয় জলবায়ু (বা নিরক্ষীয়),উপক্রান্তীয় জলবায়ু (subtropical), নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু এবং পৃথিবীর মেরু অঞ্চলের জলবায়ু।[১৪০]

এই অক্ষাংশ নিয়মের কিছু ব্যতয় রয়েছেঃ

  • জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত হয় যদি কাছাকাছি কোথায় সমুদ্র থাকে। উদাহারণস্বরূপ, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান পেনিনসুলায় (Scandinavian Peninsula) অনেক সহনীয় জলবায়ু এটির সমগোত্রীয় উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত উত্তর কানাডার তুলনায়।
  • বায়ু সহনীয় পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করে। ভূমির বায়ুবাহিত দিক এটির বায়ুপ্রবাহ বিহীন দিকের তুলনায় অনেক সহনীয় অবস্থা অনুভব করে। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে, বাতাস প্রবাহিত হয় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে, এবং পশ্চিম তীর কোমল হয়ে থাকে পূর্ব তীরের তুলনায়। এটা দেখা যায় উত্তর আমেরিকার পূর্বাংশে এবং পশ্চিম ইউরোপে, সমুদ্রের উভয় দিকে পাশাপাশি কোমল জলবায়ু থাকলেও অন্যদিকে বন্ধুর জলবায়ু দেখা যায় এটির পূর্ব তীরের দিকে।[১৪১] দক্ষিণ গোলার্ধে, বাতাস প্রবাহিত হয় পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে, এবং পূর্ব তীরের জলবায়ু কোমল হয়ে থাকে।
  • সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব পরিবর্তিত হয়। পৃথিবী সূর্যের সবচাইতে কাছে থাকে (অণুসূরবিন্দুতে) জানুয়ারি মাসে, যেটা দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। পৃথিবী সূর্য থেকে সবচাইতে দূরে থাকে (অপদূরবিন্দুতে) জুলাই মাসে, যেটা উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল, এবং অনুসূরবিন্দুর তুলনায় সূর্য থেকে আসা সৌর বিকিরণের মাত্র ৯৩.৫৫% পতিত হয় ভূমির কোন নিদির্ষ্ট বর্গ এলাকায়। এটা সত্ত্বেও, উত্তর গোলার্ধে ভূমির আকার অনেক বড়, যা সমদ্রের তুলনায় অনেক সহজে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সুতরাং, গ্রীষ্মকাল ২.৩ °C (৪ °F) উষ্ম হয়ে থাকে উত্তর গোলার্ধে, দক্ষিণ গোলার্ধের তুলনায় অনুরূপ পরিবেশ থাকা শর্তেও।[১৪২]
  • সমুদ্র সমতল থেকে অধিক উচ্চ ভূমির ক্ষেত্রে জলবায়ু অনেক ঠান্ডা থাকে কারণ সেখানে বাতাসের ঘনত্ব কম থাকে।

বহুল ব্যবহৃত কোপ্পেন জলবায়ু শ্রেণীবিভাগ (Köppen climate classification) পাঁচটি বৃহৎ ভাগে বিভক্ত (আর্দ্র ক্রান্তীয়, শুষ্ক, আর্দ্র মধ্য অক্ষাংশ, মহাদেশীয় এবং ঠান্ডা মেরু), যা পরবর্তীতে আরও বিভাজন করা হয় বিভিন্ন উপভাগে।[১৩৬] কোপ্পান ব্যবস্থায় বিভিন্ন ভূ-অঞ্চলের মান প্রদান করে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের উপর পর্যবেক্ষণ করে।

পৃথিবীতে বায়ুর সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়েছিল ৫৬.৭ °সে (১৩৪.১ °ফা) ফুরনেসা ক্রিক, ক্যালিফর্নিয়ার, ডেথ ভ্যালিতে, ১৯১৩ সালে।[১৪৩] পৃথিবীতে কখনো সরাসরি মাপা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল −৮৯.২ °সে (−১২৮.৬ °ফা) ভোস্টোক স্টেশন ১৯৮৩ সালে।[১৪৪] কিন্তু উপগ্রহে থাকা রিমোট সেন্সর ব্যবহার করে পরিমাপ করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল −৯৪.৭ °সে (−১৩৮.৫ °ফা) পূর্ব অ্যান্টারর্টিকা[১৪৫] এই তাপমাত্রার রেকর্ড হল শুধুমাত্র কিছু পরিমাপ যা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ২০শ শতকের শুরু থেকে মান নেয়া শুরু করা হয় এবং সৌভাগ্য বশত এটা পৃথিবীর তাপমাত্রা পূর্ণ মাত্রা প্রকাশ করে না।

উচ্চতর বায়ুমণ্ডল[সম্পাদনা]

ট্রপোস্ফিয়ার এর ওপর বায়ুমন্ডলকে সাধারণত স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার ও থার্মোস্ফিয়ারে ভাগ করা হয়ে থাকে।প্রতিটি স্তরের ভিন্ন ভিন্ন ল্যাপস রেট থাকে, যা দ্বারা উচ্চতার সাথে তাপমাত্রার পরিবর্তন নির্দেশিত হয়।এর বাইরে এক্সোস্ফিয়ার হালকা হতে হতে ম্যাগনেটোস্ফিয়ারে মিলিয়ে যায়, যেখানে ভূচৌম্বকীয় ক্ষেত্রসমূহ সৌরবায়ুর সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে থাকে।

This view from orbit shows the full Moon partially obscured by Earth's atmosphere.

Above the troposphere, the atmosphere is usually divided into the stratosphere, mesosphere, and thermosphere.[১৩০] Each layer has a different lapse rate, defining the rate of change in temperature with height. Beyond these, the exosphere thins out into the magnetosphere, where the geomagnetic fields interact with the solar wind.[১৪৬] Within the stratosphere is the ozone layer, a component that partially shields the surface from ultraviolet light and thus is important for life on Earth. The Kármán line, defined as 100 km above Earth's surface, is a working definition for the boundary between the atmosphere and outer space.[১৪৭]

Thermal energy causes some of the molecules at the outer edge of the atmosphere to increase their velocity to the point where they can escape from Earth's gravity. This causes a slow but steady loss of the atmosphere into space. Because unfixed hydrogen has a low molecular mass, it can achieve escape velocity more readily, and it leaks into outer space at a greater rate than other gases.[১৪৮] The leakage of hydrogen into space contributes to the shifting of Earth's atmosphere and surface from an initially reducing state to its current oxidizing one. Photosynthesis provided a source of free oxygen, but the loss of reducing agents such as hydrogen is thought to have been a necessary precondition for the widespread accumulation of oxygen in the atmosphere.[১৪৯] Hence the ability of hydrogen to escape from the atmosphere may have influenced the nature of life that developed on Earth.[১৫০] In the current, oxygen-rich atmosphere most hydrogen is converted into water before it has an opportunity to escape. Instead, most of the hydrogen loss comes from the destruction of methane in the upper atmosphere.[১৫১]

চৌম্বকীয় ক্ষেত্র[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Earth's magnetic field

The main part of Earth's magnetic field is generated in the core, the site of a dynamo process that converts the kinetic energy of thermally and compositionally driven convection into electrical and magnetic field energy. The field extends outwards from the core, through the mantle, and up to Earth's surface, where it is, approximately, a dipole. The poles of the dipole are located close to Earth's geographic poles. At the equator of the magnetic field, the magnetic-field strength at the surface is 3.05 × 10−5 T, with global magnetic dipole moment of 7.91 × 1015 T m3.[১৫২] The convection movements in the core are chaotic; the magnetic poles drift and periodically change alignment. This causes secular variation of the main field and field reversals at irregular intervals averaging a few times every million years. The most recent reversal occurred approximately 700,000 years ago.[১৫৩][১৫৪]

চৌম্বকমণ্ডল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Magnetosphere
Diagram showing the magnetic field lines of Earth's magnetosphere. The lines are swept back in the anti-solar direction under the influence of the solar wind.
Schematic of Earth's magnetosphere. The solar wind flows from left to right

The extent of Earth's magnetic field in space defines the magnetosphere. Ions and electrons of the solar wind are deflected by the magnetosphere; solar wind pressure compresses the dayside of the magnetosphere, to about 10 Earth radii, and extends the nightside magnetosphere into a long tail.[১৫৫] Because the velocity of the solar wind is greater than the speed at which wave propagate through the solar wind, a supersonic bowshock precedes the dayside magnetosphere within the solar wind.[১৫৬] Charged particles are contained within the magnetosphere; the plasmasphere is defined by low-energy particles that essentially follow magnetic field lines as Earth rotates;[১৫৭][১৫৮] the ring current is defined by medium-energy particles that drift relative to the geomagnetic field, but with paths that are still dominated by the magnetic field,[১৫৯] and the Van Allen radiation belt are formed by high-energy particles whose motion is essentially random, but otherwise contained by the magnetosphere.[১৫৫][১৬০]

During magnetic storms and substorms, charged particles can be deflected from the outer magnetosphere and especially the magnetotail, directed along field lines into Earth's ionosphere, where atmospheric atoms can be excited and ionized, causing the aurora.[১৬১]

বার্ষিক ও আহ্নিক গতি[সম্পাদনা]

আহ্নিক গতি[সম্পাদনা]

পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘূর্ণনকে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলে। এই গতি পশ্চিম থেকে পূর্বের দিকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত অভিমুখে হয়ে থাকে। পৃথিবীর আহ্নিক গতির অক্ষ উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠকে ছেদ করে।

মূল নিবন্ধ: Earth's rotation
Earth's rotation imaged by DSCOVR EPIC on 29 May 2016, a few weeks before the solstice

Earth's rotation period relative to the Sun—its mean solar day—is 86,400 seconds of mean solar time (86,400.0025 SI seconds).[১৬২] Because Earth's solar day is now slightly longer than it was during the 19th century due to tidal deceleration, each day varies between 0 and 2 SI ms longer.[১৬৩][১৬৪]

Earth's rotation period relative to the fixed stars, called its stellar day by the International Earth Rotation and Reference Systems Service (IERS), is 86,164.098903691 seconds of mean solar time (UT1), or 23h 56m 4.098903691s.[১৬৫][n ১০] Earth's rotation period relative to the precessing or moving mean vernal equinox, misnamed its sidereal day, is 86,164.09053083288 seconds of mean solar time (UT1) (23h 56m 4.09053083288s) ১৯৮২ মোতাবেক.[১৬৫] Thus the sidereal day is shorter than the stellar day by about 8.4 ms.[১৬৬] The length of the mean solar day in SI seconds is available from the IERS for the periods 1623–2005[১৬৭] and 1962–2005.[১৬৮]

Apart from meteors within the atmosphere and low-orbiting satellites, the main apparent motion of celestial bodies in Earth's sky is to the west at a rate of 15°/h = 15'/min. For bodies near the celestial equator, this is equivalent to an apparent diameter of the Sun or the Moon every two minutes; from Earth's surface, the apparent sizes of the Sun and the Moon are approximately the same.[১৬৯][১৭০]


বার্ষিক গতি[সম্পাদনা]

যে গতির ফলে পৃথিবীতে দিনরাত ছোট বা বড় হয় এবং ঋতু পরিবর্তিত হয় তাকে বার্ষিক গতি বলে।

মূল নিবন্ধ: Earth's orbit
The Pale Blue Dot photo taken in 1990 by the Voyager 1 spacecraft showing Earth (center right) from nearly ৬.৪ বিলিয়ন কিলোমিটার (৪×১০^ মা) away

Earth orbits the Sun at an average distance of about ১৫০ নিযুত কিলোমিটার (৯৩×১০^ মা) every 365.2564 mean solar days, or one sidereal year. This gives an apparent movement of the Sun eastward with respect to the stars at a rate of about 1°/day, which is one apparent Sun or Moon diameter every 12 hours. Due to this motion, on average it takes 24 hours—a solar day—for Earth to complete a full rotation about its axis so that the Sun returns to the meridian. The orbital speed of Earth averages about ২৯.৭৮ km/s (১,০৭,২০০ কিমি/ঘ; ৬৬,৬০০ মা/ঘ), which is fast enough to travel a distance equal to Earth's diameter, about ১২,৭৪২ কিমি (৭,৯১৮ মা), in seven minutes, and the distance to the Moon, ৩,৮৪,০০০ কিমি (২,৩৯,০০০ মা), in about 3.5 hours.[৩]

The Moon and Earth orbit a common barycenter every 27.32 days relative to the background stars. When combined with the Earth–Moon system's common orbit around the Sun, the period of the synodic month, from new moon to new moon, is 29.53 days. Viewed from the celestial north pole, the motion of Earth, the Moon, and their axial rotations are all counterclockwise. Viewed from a vantage point above the north poles of both the Sun and Earth, Earth orbits in a counterclockwise direction about the Sun. The orbital and axial planes are not precisely aligned: Earth's axis is tilted some 23.44 degrees from the perpendicular to the Earth–Sun plane (the ecliptic), and the Earth–Moon plane is tilted up to ±5.1 degrees against the Earth–Sun plane. Without this tilt, there would be an eclipse every two weeks, alternating between lunar eclipses and solar eclipses.[৩][১৭১]

The Hill sphere, or the sphere of gravitational influence, of the Earth is about ১.৫ নিযুত কিলোমিটার (৯,৩০,০০০ মা) in radius.[১৭২][n ১১] This is the maximum distance at which the Earth's gravitational influence is stronger than the more distant Sun and planets. Objects must orbit the Earth within this radius, or they can become unbound by the gravitational perturbation of the Sun.

Earth, along with the Solar System, is situated in the Milky Way and orbits about 28,000 light-years from its center. It is about 20 light-years above the galactic plane in the Orion Arm.[১৭৩]


কক্ষের নতি এবং ঋতু পরিবর্তন[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: Axial tilt § Earth
Earth's axial tilt (or obliquity) and its relation to the rotation axis and plane of orbit

The axial tilt of the Earth is approximately 23.439281°[১৬৫] with the axis of its orbit plane, always pointing towards the Celestial Poles. Due to Earth's axial tilt, the amount of sunlight reaching any given point on the surface varies over the course of the year. This causes the seasonal change in climate, with summer in the Northern Hemisphere occurring when the Tropic of Cancer is facing the Sun, and winter taking place when the Tropic of Capricorn in the Southern Hemisphere faces the Sun. During the summer, the day lasts longer, and the Sun climbs higher in the sky. In winter, the climate becomes cooler and the days shorter. In northern temperate latitudes, the Sun rises north of true east during the summer solstice, and sets north of true west, reversing in the winter. The Sun rises south of true east in the summer for the southern temperate zone and sets south of true west.

Above the Arctic Circle, an extreme case is reached where there is no daylight at all for part of the year, up to six months at the North Pole itself, a polar night. In the Southern Hemisphere, the situation is exactly reversed, with the South Pole oriented opposite the direction of the North Pole. Six months later, this pole will experience a midnight sun, a day of 24 hours, again reversing with the South Pole.

By astronomical convention, the four seasons can be determined by the solstices—the points in the orbit of maximum axial tilt toward or away from the Sun—and the equinoxes, when the direction of the tilt and the direction to the Sun are perpendicular. In the Northern Hemisphere, winter solstice currently occurs around 21 December; summer solstice is near 21 June, spring equinox is around 20 March and autumnal equinox is about 22 or 23 September. In the Southern Hemisphere, the situation is reversed, with the summer and winter solstices exchanged and the spring and autumnal equinox dates swapped.[১৭৪]

The angle of Earth's axial tilt is relatively stable over long periods of time. Its axial tilt does undergo nutation; a slight, irregular motion with a main period of 18.6 years.[১৭৫] The orientation (rather than the angle) of Earth's axis also changes over time, precessing around in a complete circle over each 25,800 year cycle; this precession is the reason for the difference between a sidereal year and a tropical year. Both of these motions are caused by the varying attraction of the Sun and the Moon on Earth's equatorial bulge. The poles also migrate a few meters across Earth's surface. This polar motion has multiple, cyclical components, which collectively are termed quasiperiodic motion. In addition to an annual component to this motion, there is a 14-month cycle called the Chandler wobble. Earth's rotational velocity also varies in a phenomenon known as length-of-day variation.[১৭৬]

In modern times, Earth's perihelion occurs around 3 January, and its aphelion around 4 July. These dates change over time due to precession and other orbital factors, which follow cyclical patterns known as Milankovitch cycles. The changing Earth–Sun distance causes an increase of about 6.9%[n ১২] in solar energy reaching Earth at perihelion relative to aphelion. Because the Southern Hemisphere is tilted toward the Sun at about the same time that Earth reaches the closest approach to the Sun, the Southern Hemisphere receives slightly more energy from the Sun than does the northern over the course of a year. This effect is much less significant than the total energy change due to the axial tilt, and most of the excess energy is absorbed by the higher proportion of water in the Southern Hemisphere.[১৭৭]

বাসযোগ্যতা[সম্পাদনা]

The Rocky Mountains in Canada overlook Moraine Lake.

A planet that can sustain life is termed habitable, even if life did not originate there. Earth provides liquid water—an environment where complex organic molecules can assemble and interact, and sufficient energy to sustain metabolism.[১৭৮] The distance of Earth from the Sun, as well as its orbital eccentricity, rate of rotation, axial tilt, geological history, sustaining atmosphere, and magnetic field all contribute to the current climatic conditions at the surface.[১৭৯]

জীবমণ্ডল[সম্পাদনা]

জীবমণ্ডল (ইংরেজি: Biosphere) হচ্ছে পৃথিবীরসমগ্র ইকোসিস্টেমগুলির যোগফল। এটিকে বলা যেতে পারে পৃথিবীর জীবনেরএলাকা, একটি সংযুক্ত প্রক্রিয়া (পৃথিবীর অভ্যন্তরের সৌর এবং মহাবৈশ্বিক রেডিয়েশন এবং তাপ থেকে বিযুক্ত) এবং বৃহত্তরভাবে স্বনিয়ন্ত্রিত। অন্য কথায় পৃথিবীর বাইরের স্তরে অবস্থিত বায়ু, ভূমি, পানি ও জীবিত বস্তুসমূহের সমষ্টিকে জীবমণ্ডল বোঝায়।জীবনের অস্তিত্বের সঙ্গেই জীবমণ্ডলের সম্পর্ক। জীবমণ্ডলের বিস্তৃতি ওপর-নিচে ২০ কিলোমিটারের মতো ধরা হলেও মূলত অধিকাংশ জীবনের অস্তিত্ব দেখা যায় হিমালয় শীর্ষের উচ্চতা থেকে ৫০০ মিটার নিচের সামুদ্রিক গভীরতার মধ্যেই।এখানে জীবকুল ৪.১ বিলিয়ন বছর পূর্বে বসবাস শুরু করে।

মূল নিবন্ধ: Biosphere

A planet's life forms inhabit ecosystems, whose total is sometimes said to form a "biosphere". Earth's biosphere is thought to have begun evolving about 3.৫Gya.[৫২] The biosphere is divided into a number of biomes, inhabited by broadly similar plants and animals. On land, biomes are separated primarily by differences in latitude, height above sea level and humidity. Terrestrial biomes lying within the Arctic or Antarctic Circles, at high altitudes or in extremely arid areas are relatively barren of plant and animal life; species diversity reaches a peak in humid lowlands at equatorial latitudes.[১৮০]

In July 2016, scientists reported identifying a set of 355 genes from the Last Universal Common Ancestor (LUCA) of all organisms living on Earth.[১৮১]

প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূমি ব্যবহার[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: Natural resource এবং Land use
Estimated human land use, 2000[১৮২]
Land use Mha
Cropland 1,510–1,611
Pastures 2,500–3,410
Natural forests 3,143–3,871
Planted forests 126–215
Urban areas 66–351
Unused, productive land 356–445

মানুষ পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেছে। এদের মধ্যে যেগুলিকে অনবায়নযোগ্য সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেমন জীবাশ্ম জ্বালানি, কেবল ভূতাত্ত্বিক সময়-পাল্লার নিরিখে এগুলি পুনর্নবায়িত হয়।

ভূত্বকে জীবাশ্ম জ্বালানির বিশাল ভাণ্ডার আহরণ করা হয়। এগুলির মধ্যে কয়লা, পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উল্লেখযোগ্য। এই মজুদগুলি মানুষ কেবল শক্তি উৎপাদন নয়, রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহার করে। এছাড়া আকরিক সৃষ্টি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূত্বকে খনিজ আকরিক মজুদও গঠিত হয়েছে। লাভা, ভূমিক্ষয় এবং পাতভিত্তিক ভূত্বকীয় গঠনের ফলে এই আকরিকগুলি তৈরি হয়েছে।[১৮৩] এই আকরিক মজুদগুলি অনেক ধাতু এবং অন্যান্য উপকারী মৌলিক পদার্থের ঘনীভূত উৎস হিসেবে গণ্য হয়।

Earth's biosphere produces many useful biological products for humans, including food, wood, pharmaceuticals, oxygen, and the recycling of many organic wastes. The land-based ecosystem depends upon topsoil and fresh water, and the oceanic ecosystem depends upon dissolved nutrients washed down from the land.[১৮৪] In 1980, 5,053 Mha (50.53 million km2) of Earth's land surface consisted of forest and woodlands, 6,788 Mha (67.88 million km2) was grasslands and pasture, and 1,501 Mha (15.01 million km2) was cultivated as croplands.[১৮৫] The estimated amount of irrigated land in 1993 was ২৪,৮১,২৫০ বর্গকিলোমিটার (৯,৫৮,০২০ মা).[১৮৬] Humans also live on the land by using building materials to construct shelters.

প্রাকৃতিক এবং পরিবেশগত সমস্যা[সম্পাদনা]

A volcano injecting hot ash into the atmosphere

Large areas of Earth's surface are subject to extreme weather such as tropical cyclones, hurricanes, or typhoons that dominate life in those areas. From 1980 to 2000, these events caused an average of 11,800 human deaths per year.[১৮৭] Many places are subject to earthquakes, landslides, tsunamis, volcanic eruptions, tornadoes, sinkholes, blizzards, floods, droughts, wildfires, and other calamities and disasters.

Many localized areas are subject to human-made pollution of the air and water, acid rain and toxic substances, loss of vegetation (overgrazing, deforestation, desertification), loss of wildlife, species extinction, soil degradation, soil depletion and erosion.

There is a scientific consensus linking human activities to global warming due to industrial carbon dioxide emissions. This is predicted to produce changes such as the melting of glaciers and ice sheets, more extreme temperature ranges, significant changes in weather and a global rise in average sea levels.[১৮৮]

মানবীয় ভূগোল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: Human geography এবং World

টেমপ্লেট:World map indicating continents

Cartography, the study and practice of map-making, and geography, the study of the lands, features, inhabitants and phenomena on Earth, have historically been the disciplines devoted to depicting Earth. Surveying, the determination of locations and distances, and to a lesser extent navigation, the determination of position and direction, have developed alongside cartography and geography, providing and suitably quantifying the requisite information.

Earth's human population reached approximately seven billion on 31 October 2011.[১৮৯] Projections indicate that the world's human population will reach 9.2 billion in 2050.[১৯০] Most of the growth is expected to take place in developing nations. Human population density varies widely around the world, but a majority live in Asia. By 2020, 60% of the world's population is expected to be living in urban, rather than rural, areas.[১৯১]

It is estimated that one-eighth of Earth's surface is suitable for humans to live on – three-quarters of Earth's surface is covered by oceans, leaving one-quarter as land. Half of that land area is desert (14%),[১৯২] high mountains (27%),[১৯৩] or other unsuitable terrains. The northernmost permanent settlement in the world is Alert, on Ellesmere Island in Nunavut, Canada.[১৯৪] (82°28′N) The southernmost is the Amundsen–Scott South Pole Station, in Antarctica, almost exactly at the South Pole. (90°S)

Independent sovereign nations claim the planet's entire land surface, except for some parts of Antarctica, a few land parcels along the Danube river's western bank, and the unclaimed area of Bir Tawil between Egypt and Sudan. ২০১৫ মোতাবেক, there are 193 sovereign states that are member states of the United Nations, plus two observer states and 72 dependent territories and states with limited recognition.[১৮৬] Earth has never had a sovereign government with authority over the entire globe, although some nation-states have striven for world domination and failed.[১৯৫]

The United Nations is a worldwide intergovernmental organization that was created with the goal of intervening in the disputes between nations, thereby avoiding armed conflict.[১৯৬] The U.N. serves primarily as a forum for international diplomacy and international law. When the consensus of the membership permits, it provides a mechanism for armed intervention.[১৯৭]

The first human to orbit Earth was Yuri Gagarin on 12 April 1961.[১৯৮] In total, about 487 people have visited outer space and reached orbit ৩০ জুলাই ২০১০ (২০১০-০৭-৩০) মোতাবেক, and, of these, twelve have walked on the Moon.[১৯৯][২০০][২০১] Normally, the only humans in space are those on the International Space Station. The station's crew, made up of six people, is usually replaced every six months.[২০২] The farthest that humans have traveled from Earth is 400,171 km, achieved during the Apollo 13 mission in 1970.[২০৩]

চাঁদ[সম্পাদনা]

বৈশিষ্ট্য
পৃথিবীর উত্তরায়নকালে দৃষ্ট পূর্ণ চাঁদ
ব্যাস ৩,৪৭৪.৮ কিলোমিটার
ভর ৭.৩৪৯×১০22 কিলোগ্রাম
অর্ধ-মুখ্য অক্ষ ৩৮৪,৪০০ কিলোমিটার
আবর্তন কাল ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩.৭ মিনিট
মূল নিবন্ধ: চাঁদ

পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ ব্যাসার্ধ-বিশিষ্ট চাঁদ একটি অপেক্ষাকৃত বড় শিলাময় প্রাকৃতিক উপগ্রহ। গ্রহের আকার বিবেচনায় এটিই সৌরজগতের বৃহত্তম চাঁদ; যদিও ক্যারন তার বামন গ্রহ প্লুটো থেকে আপেক্ষিকভাবে বৃহত। পৃথিবীর ন্যায় অন্যান্য গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোকেও "চাঁদ" হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮,৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ। চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৪ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের এক-চতুর্থাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। এর অর্থ দাড়াচ্ছে, চাঁদের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের ১ ভাগ। এর পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বল পৃথিবী পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বলের এক-ষষ্ঠাংশ। পৃথিবী পৃষ্ঠে কারও ওজন যদি ১২০ পাউন্ড হয় তা হলে চাঁদের পৃষ্ঠে তার ওজন হবে মাত্র ২০ পাউন্ড। এটি প্রতি ২৭.৩ দিনে পৃথিবীর চারদিকে একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করে। প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর চন্দ্র কলা ফিরে আসে অর্থাৎ একই কার্যক্রিয় আবার ঘটে। পৃথিবী-চাঁদ-সূর্য তন্ত্রের জ্যামিতিতে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের কারণেই চন্দ্র কলার এই পর্যানুক্রমিক আবর্তন ঘটে থাকে।

বেরিকেন্দ্র নামে পরিচিত একটি সাধারণ অক্ষের সাপেক্ষে পৃথিবী এবং চন্দ্রের ঘূর্ণনের ফলে যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এবং কেন্দ্রবিমুখী বল সৃষ্টি হয় তা পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য অনেকাংশে দায়ী। জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য যে পরিমাণ শক্তি শোষিত হয় তার কারণে বেরিকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে পৃথিবী-চাঁদের যে কক্ষপথ রয়েছে তাতে বিভব শক্তি কমে যায়। এর কারণে এই দুইটি জ্যোতিষ্কের মধ্যে দূরত্ব প্রতি বছর ৩.৮ সেন্টিমিটার করে বেড়ু যায়। যতদিন না পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটার উপর চাঁদের প্রভাব সম্পূর্ণ প্রশমিত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চাঁদ দূরে সরে যেতেই থাকবে এবং যেদিন প্রশমনটি ঘটবে সেদিনই চাঁদের কক্ষপথ স্থিরতা পাবে।

The gravitational attraction between Earth and the Moon causes tides on Earth. The same effect on the Moon has led to its tidal locking: its rotation period is the same as the time it takes to orbit Earth. As a result, it always presents the same face to the planet. As the Moon orbits Earth, different parts of its face are illuminated by the Sun, leading to the lunar phases; the dark part of the face is separated from the light part by the solar terminator.

Details of the Earth–Moon system, showing the radius of each object and the Earth–Moon barycenter. The Moon's axis is located by Cassini's third law.

Due to their tidal interaction, the Moon recedes from Earth at the rate of approximately 38 mm/yr. Over millions of years, these tiny modifications—and the lengthening of Earth's day by about 23 µs/yr—add up to significant changes.[২০৪] During the Devonian period, for example, (approximately 410Mya) there were 400 days in a year, with each day lasting 21.8 hours.[২০৫]

The Moon may have dramatically affected the development of life by moderating the planet's climate. Paleontological evidence and computer simulations show that Earth's axial tilt is stabilized by tidal interactions with the Moon.[২০৬] Some theorists think that without this stabilization against the torques applied by the Sun and planets to Earth's equatorial bulge, the rotational axis might be chaotically unstable, exhibiting chaotic changes over millions of years, as appears to be the case for Mars.[২০৭]

Viewed from Earth, the Moon is just far enough away to have almost the same apparent-sized disk as the Sun. The angular size (or solid angle) of these two bodies match because, although the Sun's diameter is about 400 times as large as the Moon's, it is also 400 times more distant.[১৭০][১৭০] This allows total and annular solar eclipses to occur on Earth.

চাঁদের গঠন সম্পর্কে প্রচলিত সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য তত্ত্বটি হলো বৃহদায়তন-প্রভাব তত্ত্ব, যেখানে বলা হয়েছে যে এটি গঠিত হয়েছে মঙ্গল গ্রহের সমান আকৃতির 'থিয়া' নামক একটি মহাজাগতিক কণার সাথে সংঘর্ষের ফলে। এই মতবাদটি ব্যাখ্যা করে (অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে) চাঁদে লৌহ এবং অস্থির উপাদানগুলির আপেক্ষিক অভাব এবং এর গঠন প্রকৃতি পৃথিবীর ভূত্বকের প্রায় অনুরূপ।[২০৮]

গ্রহাণু এবং কৃত্রিম উপগ্রহ[সম্পাদনা]

গ্রহাণু হল প্রধানত পাথর দ্বারা গঠিত বস্তু যা তার তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে। আমাদের সৌরজগতে গ্রহাণুগুলো ক্ষুদ্র গ্রহ (Minor planet অথবা Planetoid) নামক শ্রেণীর সবচেয়ে পরিচিত বস্তু। এরা ছোট আকারের গ্রহ যেমন বুধের চেয়েও ছোট। বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহাণু বেল্টে থেকে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে আবর্তন করে। ধারণা করা হয় গ্রহাণুগুলো ভ্রূণগ্রহীয় চাকতির (Protoplanetary disc) অবশিষ্টাংশ। বলা হয় গ্রহাণু বেল্টের অঞ্চলে সৌরজগতের গঠনের প্রাথমিক সময় যেসকল ভ্রূণগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিলো তাদের অবশিষ্টাংশ বৃহস্পতির আবেশ দ্বারা সৃষ্ট মহাকর্ষীয় অক্ষ বিচলনের কারণে গ্রহের সাথ মিলিত হবার সুযোগ পায়নি। আর এই অবশিষ্টাংশই গ্রহাণু বেল্টের উৎপত্তির কারণ। কিছু গ্রহাণুর চাঁদও রয়েছে।

“৩৭৫৩ ক্র্যুইথন” (3753 Cruithne) এবং “২০০২ এএ২৯” (2002 AA29) গ্রহাণুসহ পৃথিবীর রয়েছে অন্তত পাঁচটি সহ-কক্ষীয় গ্রহাণু।[২০৯][২১০] সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর কক্ষপথে স্বাধীন ক্রিকৌণিক বিন্দীয় পথে “২০১০ টিকে৭” (2010 TK7) সহযোগে একটি ট্রোজান গ্রহাণু “এল৪” (L4) পথে আবর্তন করছে।[২১১][২১২]

প্রতি বিশ বছর অন্তর ক্ষুদ্রতর নিকটতর-পৃথিবীর গ্রহাণু “২০০৬ আরএইচ১২০” (2006 RH120) পৃথিবী-চন্দ্র পদ্ধতিকে জটিল করে তোলে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, এটি পৃথিবীকে প্রযোজ্য সময়ের চেয়েও সংক্ষিপ্তকালে আবর্তন করতে পারে।[২১৩]

কৃত্রিম উপগ্রহ হলো মহাকাশে উৎক্ষেপিত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবিত উপগ্রহ। এটা চাঁদের মতোই কিন্তু পার্থক্য কেবল এই যে চাঁদ প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত আর কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ তৈরি করেছে। জুন ২০১৬ মোতাবেক, পৃথিবীর কক্ষপথে ১,৪১৯টি মানব কর্তৃক প্রস্তুতকৃত কার্যকরী উপগ্রহ ছিল।[২১৪] এছাড়াও সেখানে বর্তমানে আরো আছে সবচেয়ে প্রাচীন কৃত্রিম উপগ্রহ ভ্যানগার্ড-১ সহ ১৬,০০০ খন্ড অক্ষম উপগ্রহ এবং ধ্বংসাবশেষ।[n ১৩] পৃথিবীর সর্ববৃহত কৃত্রিম উপগ্রহটি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র্র (International Space Station)।

সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

পৃথিবীর আদর্শ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক প্রতীক হল বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি ক্রস চিহ্ন, Earth symbol.svg;[২১৫] যা পৃথিবীর চার কোণকে নির্দেশ করে।

মানব সংস্কৃতিতে এই গ্রহকে নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত রয়েছে। পৃথিবীকে কখনো কখনো শ্বর হিসেবে ব্যক্তিরূপে প্রকাশ করা হয়। অনেক সংস্কৃতিতে পৃথিবী হল দেবমাতা, যা সন্তান জন্মদানের প্রাথমিক শ্বর হিসেবে বিবেচিত হয়,[২১৬] এবং বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে, গাইয়া তত্ত্বে পৃথিবীর পরিবেশ ও জীবনকে একক স্ব-নিয়ন্ত্রণকারী জীবের সাথে তুলনা করা হয় যা বসবাসযোগ্যতার স্থায়িত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।[২১৭][২১৮][২১৯] অনেক ধর্মের সৃষ্ট পুরাণে বলা হয় একজন অতিপ্রাকৃত শ্বর বা শ্বরবৃন্দ পৃথিবী সৃষ্টি করেছে।[২১৬]

বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ফলে এই গ্রহ সম্পর্কিত মানবীয় মতামতসমূহের কতক সাংস্কৃতিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। পশ্চিমে সমতল পৃথিবীর ধারণা[২২০] পরিবর্তিত হয়ে গোলাকার পৃথিবী ধারণা সৃষ্টি হয়েছে; যা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে পিথাগোরাস কর্তৃক প্রবর্তিত।[২২১] এছাড়া ১৬শ শতাব্দীর পূর্বে পৃথিবীকে ভূকেন্দ্রিক মডেল-এ মহাবিশ্বের কেন্দ্র বলে বিশ্বাস করা হত; পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা প্রথম তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখান যে এটি একটি আবর্তনকারী বস্তু এবং সৌর জগতের অন্যান্য গ্রহের সাথে তুলনীয়।[২২২] বাইবেলের বংশতালিকা বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর বয়স নির্ণয়-কারী জেমস উশার এবং আরো কয়েকজন খ্রিস্টান পণ্ডিত ও পাদ্রীর কারণে ১৯শ শতাব্দীর পূর্ব-পর্যন্ত পশ্চিমারা ধারণা করতো যে, পৃথিবীর বয়স কয়েক হাজার বছর। ১৯শ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন যে পৃথিবীর বয়স কমপক্ষে কয়েক মিলিয়ন বছর।[২২৩] ১৮৬৪ সালে লর্ড কেলভিন তাপগতিবিজ্ঞান ব্যবহার করে হিসাব করে দেখান যে পৃথিবীর বয়স ২০ মিলিয়ন থেকে ৪০০ মিলিয়ন বছর, যা বিতর্কের জন্ম দেয়; কিন্তু পরবর্তীতে ১৯শ শতাব্দীর শেষের দিকে ও ২০শ শতাব্দীর প্রথম দিকে পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি রেডিওএক্টিভিটি ও রেডিওমেট্রিক ডেটিং আবিষ্কারের পর প্রমাণিত হয় পৃথিবীর বয়স বিলিয়ন বছরেরও বেশি।[২২৪][২২৫] পৃথিবী সম্পর্কিত মানুষের ধারণা পুনরায় পরিবর্তন হয় যখন ২০শ শতাব্দীতে মানুষ প্রথম কক্ষপথ থেকে পৃথিবীকে দেখে এবং বিশেষতঃ অ্যাপোলো মহাশূন্য মিশনে তোলা ছবিগুলো দেখার পর।[২২৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. All astronomical quantities vary, both secularly and periodically. The quantities given are the values at the instant J2000.0 of the secular variation, ignoring all periodic variations.
  2. aphelion = a × (1 + e); perihelion = a × (1 – e), where a is the semi-major axis and e is the eccentricity. The difference between Earth's perihelion and aphelion is 5 million kilometers.
  3. As of July 5, 2016, the United States Strategic Command tracked a total of 17,729 artificial objects, mostly debris. See: "Orbital Debris Quarterly News". Vol. 20 no. 3. NASA. July 2016. p. 8. Retrieved 10 October 2016.
  4. Due to natural fluctuations, ambiguities surrounding ice shelves, and mapping conventions for vertical datums, exact values for land and ocean coverage are not meaningful. Based on data from the Vector Map and Global Landcover datasets, extreme values for coverage of lakes and streams are 0.6% and 1.0% of Earth's surface. The ice shields of Antarctica and Greenland are counted as land, even though much of the rock that supports them lies below sea level.
  5. If Earth were shrunk to the size of a billiard ball, some areas of Earth such as large mountain ranges and oceanic trenches would feel like tiny imperfections, whereas much of the planet, including the Great Plains and the abyssal plains, would feel smoother.[৮১]
  6. Locally varies between 5 and 200 km.
  7. Locally varies between 5 and 70 km.
  8. Including the Somali Plate, which is being formed out of the African Plate. See: Chorowicz, Jean (অক্টোবর ২০০৫)। "The East African rift system"। Journal of African Earth Sciences 43 (1–3): 379–410। ডিওআই:10.1016/j.jafrearsci.2005.07.019বিবকোড:2005JAfES..43..379C 
  9. This is the measurement taken by the vessel Kaikō in March 1995 and is considered the most accurate measurement to date. See the Challenger Deep article for more details.
  10. The ultimate source of these figures, uses the term "seconds of UT1" instead of "seconds of mean solar time".—Aoki, S.; Kinoshita, H.; Guinot, B.; Kaplan, G. H.; McCarthy, D. D.; Seidelmann, P. K. (১৯৮২)। "The new definition of universal time"। Astronomy and Astrophysics 105 (2): 359–61। বিবকোড:1982A&A...105..359A 
  11. For Earth, the Hill radius is , where m is the mass of Earth, a is an astronomical unit, and M is the mass of the Sun. So the radius in AU is about .
  12. Aphelion is 103.4% of the distance to perihelion. Due to the inverse square law, the radiation at perihelion is about 106.9% the energy at aphelion.
  13. As of July 5, 2016, the United States Strategic Command tracked a total of 17,729 artificial objects, mostly debris. See: টেমপ্লেট:Cite newsletter

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "apsis" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "epoch" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "sidereal_solar" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "surfacecover" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "trench_depth" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Simon, J.L.; Bretagnon, P.; Chapront, J.; Chapront-Touzé, M.; Francou, G.; Laskar, J. (February 1994). "Numerical expressions for precession formulae and mean elements for the Moon and planets". Astronomy and Astrophysics. 282 (2): 663–683.
  2. "International Earth Rotation and Reference Systems Service"। ৭ আগস্ট, ২০০৭। সংগৃহীত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ 
  3. Williams, David R. (১ সেপ্টেম্বর ২০০৪)। "Earth Fact Sheet"। NASA। সংগৃহীত ৯ আগস্ট ২০১০  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":3" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  4. Allen, Clabon Walter; Cox, Arthur N. (২০০০)। Allen's Astrophysical Quantities। Springer। পৃ: 294। আইএসবিএন 0-387-98746-0 
  5. "UCS Satellite Database"। Union of Concerned Scientists। ১১ আগস্ট, ২০১৬। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর, ২০১৬ 
  6. Handbook of Chemistry and Physics (81st ed.)। CRC। ২০০০। আইএসবিএন 0-8493-0481-4. 
  7. "Selected Astronomical Constants, 2011"। The Astronomical Almanac। ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১০। সংগৃহীত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ 
  8. World Geodetic System (WGS-84). Available online from National Geospatial-Intelligence Agency.
  9. Cazenave, Anny (1995). "Geoid, Topography and Distribution of Landforms" (PDF). In Ahrens, Thomas J. Global Earth Physics: A Handbook of Physical Constants. Washington, DC: American Geophysical Union. ISBN 0-87590-851-9.
  10. International Earth Rotation and Reference Systems Service (IERS) Working Group (2004). "General Definitions and Numerical Standards" (PDF). In McCarthy, Dennis D.; Petit, Gérard. IERS Conventions (2003) (PDF). IERS Technical Note No. 32. Frankfurt am Main: Verlag des Bundesamts für Kartographie und Geodäsie. p. 12. ISBN 3-89888-884-3. Retrieved 29 April 2016.
  11. Humerfelt, Sigurd (২৬ অক্টোবর, ২০১০)। "How WGS 84 defines Earth"। সংগৃহীত ২৯ এপ্রিল, ২০১১ 
  12. Earth's circumference is almost exactly 40,000 km because the metre was calibrated on this measurement—more specifically, 1/10-millionth of the distance between the poles and the equator.
  13. Pidwirny, Michael (২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬)। "Surface area of our planet covered by oceans and continents. (Table 8o-1)"http://www.physicalgeography.net। সংগৃহীত ২৬ নভেম্বর, ২০০৭ 
  14. Staff (24 July 2008). "World". The World Factbook. Central Intelligence Agency. Retrieved 5 August 2008.
  15. Luzum, Brian; Capitaine, Nicole; Fienga, Agnès; Folkner, William; Fukushima, Toshio; et al. (আগস্ট ২০১১)। The IAU 2009 system of astronomical constants: The report of the IAU working group on numerical standards for Fundamental Astronomy। Celestial Mechanics and Dynamical Astronomy. 110 (4):। পৃ: 293–304। ডিওআই:10.1007/s10569-011-9352-4বিবকোড:2011CeMDA.110..293L 
  16. [physics.nist.gov/Pubs/SP330/sp330.pdf The international system of units (SI)] |url= স্কিম পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। United States Department of Commerce: NIST Special Publication 330। ২০০৮ ed। পৃ: 52। 
  17. Allen, Clabon Walter; Cox, Arthur N. (2000). Allen's Astrophysical Quantities. Springer. p. 296. ISBN 0-387-98746-0.
  18. Arthur N. Cox, ed. (2000). Allen's Astrophysical Quantities (4th ed.). New York: AIP Press. p. 244. ISBN 0-387-98746-0.
  19. "World: Lowest Temperature"Arizona State University। Weather and Climate Extremes Archive। ১৬ জুন, ২০১০। সংগৃহীত ৭ আগস্ট, ২০১০ 
  20. Kinver, Mark (১০ ডিসেম্বর, ২০০৯)। "Global average temperature may hit record level in 2010"। BBC। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল, ২০১০ 
  21. "World: Highest Temperature"Arizona State University.। Weather and Climate Extremes Archive.। ৪ জানুয়ারি, ২০১৩। সংগৃহীত ৭ আগস্ট, ২০১০ 
  22. "Trends in Atmospheric Carbon Dioxide"। Earth System Research Laboratory। ৮ নভেম্বর, ২০১৬। সংগৃহীত ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬ 
  23. Oxford English Dictionary, 1st ed. "terra, n." Oxford University Press (Oxford), 1911.
  24. "Age of the Earth". U.S. Geological Survey. 1997.
  25. Dalrymple, G. Brent (2001). "The age of the Earth in the twentieth century: a problem (mostly) solved". Special Publications, Geological Society of London. 190 (1): 205–221. Bibcode:2001GSLSP.190..205D. doi:10.1144/GSL.SP.2001.190.01.14.
  26. Burton, Kathleen (2002-11-29). "Astrobiologists Find Evidence of Early Life on Land"
  27. Kunin, W.E.; Gaston, Kevin, eds. (31 December 1996). The Biology of Rarity: Causes and consequences of rare—common differences.
  28. National Oceanic and Atmospheric Administration. "Ocean". NOAA.gov.
  29. Yoder, Charles F. (1995). T. J. Ahrens, ed. Global Earth Physics: A Handbook of Physical Constants. Washington: American Geophysical Union. p. 8.
  30. Williams, David R. (2004-09-01). "Earth Fact Sheet".
  31. http://www.priyo.com/2014/07/02/82211.html#sthash.vCgNT5YH.dpuf
  32. http://www.eurobdnews.com/IT/16219/----#sthash.pzOLnVE4.dpuf
  33. Bowring, S.; Housh, T. (1995). "The Earth's early evolution". Science. 269 (5230): 1535–40. Bibcode:1995Sci...269.1535B. doi:10.1126/science.7667634. PMID 7667634.
  34. Yin, Qingzhu; Jacobsen, S. B.; Yamashita, K.; Blichert-Toft, J.; Télouk, P.; Albarède, F. (2002). "A short timescale for terrestrial planet formation from Hf-W chronometry of meteorites". Nature. 418 (6901): 949–52. Bibcode:2002Natur.418..949Y. doi:10.1038/nature00995. PMID 12198540.
  35. Kleine, Thorsten; Palme, Herbert; Mezger, Klaus; Halliday, Alex N. (24 November 2005). "Hf-W Chronometry of Lunar Metals and the Age and Early Differentiation of the Moon". Science. 310 (5754): 1671–74. Bibcode:2005Sci...310.1671K. doi:10.1126/science.1118842. PMID 16308422.
  36. Reilly, Michael (22 October 2009). "Controversial Moon Origin Theory Rewrites History".
  37. Canup, R. M.; Asphaug, E. (2001). An impact origin of the Earth-Moon system. American Geophysical Union, Fall Meeting 2001. Abstract #U51A-02. Bibcode:2001AGUFM.U51A..02C.
  38. Canup, R.; Asphaug, E. (2001). "Origin of the Moon in a giant impact near the end of the Earth's formation". Nature. 412 (6848): 708–12. Bibcode:2001Natur.412..708C. doi:10.1038/35089010. PMID 11507633.
  39. Morbidelli, A.; et al. (2000). "Source regions and time scales for the delivery of water to Earth". Meteoritics & Planetary Science. 35 (6): 1309–20. Bibcode:2000M&PS...35.1309M. doi:10.1111/j.1945-5100.2000.tb01518.x.
  40. Guinan, E. F.; Ribas, I. Benjamin Montesinos, Alvaro Gimenez and Edward F. Guinan, ed. Our Changing Sun: The Role of Solar Nuclear Evolution and Magnetic Activity on Earth's Atmosphere and Climate. ASP Conference Proceedings: The Evolving Sun and its Influence on Planetary Environments. San Francisco: Astronomical Society of the Pacific. Bibcode:2002ASPC..269...85G. ISBN 1-58381-109-5.
  41. "Oldest measurement of Earth's magnetic field reveals battle between Sun and Earth for our atmosphere". Physorg.news. 4 March 2010.
  42. Rogers, John James William; Santosh, M. (2004). Continents and Supercontinents. Oxford University Press US. p. 48. ISBN 0-19-516589-6.
  43. Hurley, P. M.; Rand, J. R. (June 1969). "Pre-drift continental nuclei". Science. 164 (3885): 1229–42. Bibcode:1969Sci...164.1229H. doi:10.1126/science.164.3885.1229. PMID 17772560.
  44. Armstrong, R. L. (1968). "A model for the evolution of strontium and lead isotopes in a dynamic earth". Reviews of Geophysics. 6 (2): 175–99. Bibcode:1968RvGSP...6..175A. doi:10.1029/RG006i002p00175.
  45. De Smet, J.; Van Den Berg, A.P.; Vlaar, N.J. (2000). "Early formation and long-term stability of continents resulting from decompression melting in a convecting mantle". Tectonophysics. 322 (1–2): 19–33. Bibcode:2000Tectp.322...19D. doi:10.1016/S0040-1951(00)00055-X.
  46. Harrison, T.; et al. (December 2005). "Heterogeneous Hadean hafnium: evidence of continental crust at 4.4 to 4.5 ga". Science. 310 (5756): 1947–50. Bibcode:2005Sci...310.1947H. doi:10.1126/science.1117926. PMID 16293721.
  47. Hong, D.; Zhang, Jisheng; Wang, Tao; Wang, Shiguang; Xie, Xilin (2004). "Continental crustal growth and the supercontinental cycle: evidence from the Central Asian Orogenic Belt". Journal of Asian Earth Sciences. 23 (5): 799–813. Bibcode:2004JAESc..23..799H. doi:10.1016/S1367-9120(03)00134-2.
  48. Armstrong, R. L. (1991). "The persistent myth of crustal growth". Australian Journal of Earth Sciences. 38 (5): 613–30. Bibcode:1991AuJES..38..613A. doi:10.1080/08120099108727995.
  49. Murphy, J. B.; Nance, R. D. (1965). "How do supercontinents assemble?". American Scientist. 92 (4): 324–33. doi:10.1511/2004.4.324.
  50. "Paleoclimatology – The Study of Ancient Climates". Page Paleontology Science Center.
  51. Doolittle, W. Ford; Worm, Boris (February 2000). "Uprooting the tree of life" (PDF). Scientific American. 282 (6): 90–95. doi:10.1038/scientificamerican0200-90. PMID 10710791.
  52. Zimmer, Carl (৩ অক্টোবর ২০১৩)। "Earth’s Oxygen: A Mystery Easy to Take for Granted"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগৃহীত ৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  53. Berkner, L. V.; Marshall, L. C. (1965). "On the Origin and Rise of Oxygen Concentration in the Earth's Atmosphere". Journal of Atmospheric Sciences. 22 (3): 225–61. Bibcode:1965JAtS...22..225B. doi:10.1175/1520-0469(1965)022<0225:OTOARO>2.0.CO;2.
  54. Burton, Kathleen (29 November 2002). "Astrobiologists Find Evidence of Early Life on Land". NASA.
  55. Schopf, JW, Kudryavtsev, AB, Czaja, AD, and Tripathi, AB. (2007). Evidence of Archean life: Stromatolites and microfossils. Precambrian Research 158:141–155.
  56. Schopf, JW (2006). Fossil evidence of Archaean life. Philos Trans R Soc Lond B Biol Sci 29;361(1470) 869-85.
  57. Hamilton Raven, Peter; Brooks Johnson, George (২০০২)। Biology। McGraw-Hill Education। পৃ: ৬৮। আইএসবিএন 978-0-07-112261-0। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৩ 
  58. Borenstein, Seth (১৩ নভেম্বর ২০১৩)। "Oldest fossil found: Meet your microbial mom"। Associated Press। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  59. Noffke, Nora; Christian, Daniel; Wacey, David; Hazen, Robert M. (৮ নভেম্বর ২০১৩)। "Microbially Induced Sedimentary Structures Recording an Ancient Ecosystem in the ca. 3.48 Billion-Year-Old Dresser Formation, Pilbara, Western Australia"Astrobiology (journal) 13 (12): 1103–24। ডিওআই:10.1089/ast.2013.1030পিএমআইডি 24205812পিএমসি 3870916বিবকোড:2013AsBio..13.1103N। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  60. Ohtomo, Yoko; Kakegawa, Takeshi; Ishida, Akizumi এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০১৪)। "Evidence for biogenic graphite in early Archaean Isua metasedimentary rocks"Nature Geoscience (London: Nature Publishing Group) 7 (1): 25–28। আইএসএসএন 1752-0894ডিওআই:10.1038/ngeo2025বিবকোড:2014NatGe...7...25O 
  61. Borenstein, Seth (19 October 2015). "Hints of life on what was thought to be desolate early Earth". Excite. Yonkers, NY: Mindspark Interactive Network. Associated Press.
  62. Bell, Elizabeth A.; Boehnike, Patrick; Harrison, T. Mark; et al. (19 October 2015). "Potentially biogenic carbon preserved in a 4.1 billion-year-old zircon" (PDF). Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A. Washington, D.C.: National Academy of Sciences. 112: 14518–21. Bibcode:2015PNAS..11214518B. doi:10.1073/pnas.1517557112. ISSN 1091-6490. PMC 4664351Freely accessible. PMID 26483481.
  63. Kirschvink, J. L. (1992). Schopf, J.W.; Klein, C.; Des Maris, D., eds. Late Proterozoic low-latitude global glaciation: the Snowball Earth. The Proterozoic Biosphere: A Multidisciplinary Study. Cambridge University Press. pp. 51–52. ISBN 0-521-36615-1.
  64. Raup, D. M.; Sepkoski Jr, J. J. (1982). "Mass Extinctions in the Marine Fossil Record". Science. 215 (4539): 1501–03. Bibcode:1982Sci...215.1501R. doi:10.1126/science.215.4539.1501. PMID 17788674.
  65. Gould, Stephan J. (October 1994). "The Evolution of Life on Earth". Scientific American. 271 (4): 84–91. doi:10.1038/scientificamerican1094-84. PMID 7939569.
  66. Wilkinson, B. H.; McElroy, B. J. (2007). "The impact of humans on continental erosion and sedimentation". Bulletin of the Geological Society of America. 119 (1–2): 140–56. Bibcode:2007GSAB..119..140W. doi:10.1130/B25899.1.
  67. Sackmann, I.-J.; Boothroyd, A. I.; Kraemer, K. E. (1993). "Our Sun. III. Present and Future". Astrophysical Journal. 418: 457–68. Bibcode:1993ApJ...418..457S. doi:10.1086/173407.
  68. Britt, Robert (25 February 2000). "Freeze, Fry or Dry: How Long Has the Earth Got?".
  69. Ward, Peter D.; Brownlee, Donald (2002). The Life and Death of Planet Earth: How the New Science of Astrobiology Charts the Ultimate Fate of Our World. New York: Times Books, Henry Holt and Company. ISBN 0-8050-6781-7.
  70. Carrington, Damian (21 February 2000). "Date set for desert Earth". BBC News.
  71. Li, King-Fai; Pahlevan, Kaveh; Kirschvink, Joseph L.; Yung, Yuk L. (2009). "Atmospheric pressure as a natural climate regulator for a terrestrial planet with a biosphere" (PDF). Proceedings of the National Academy of Sciences. 106 (24): 9576–79. Bibcode:2009PNAS..106.9576L. doi:10.1073/pnas.0809436106. PMC 2701016Freely accessible. PMID 19487662.
  72. Bounama, Christine; Franck, S.; Von Bloh, W. (2001). "The fate of Earth's ocean" (PDF). Hydrology and Earth System Sciences. Germany: Potsdam Institute for Climate Impact Research. 5 (4): 569–75. Bibcode:2001HESS....5..569B. doi:10.5194/hess-5-569-2001.
  73. Schröder, K.-P.; Connon Smith, Robert (2008). "Distant future of the Sun and Earth revisited". Monthly Notices of the Royal Astronomical Society. 386 (1): 155–163. arXiv:0801.4031Freely accessible. Bibcode:2008MNRAS.386..155S. doi:10.1111/j.1365-2966.2008.13022.x.
  74. "Earth2014 global topography (relief) model"। Institut für Astronomische und Physikalische Geodäsie। সংগৃহীত ৪ মার্চ ২০১৬ 
  75. Milbert, D. G.; Smith, D. A। "Converting GPS Height into NAVD88 Elevation with the GEOID96 Geoid Height Model"। National Geodetic Survey, NOAA। সংগৃহীত ৭ মার্চ ২০০৭ 
  76. Sandwell, D. T.; Smith, W. H. F. (৭ জুলাই ২০০৬)। "Exploring the Ocean Basins with Satellite Altimeter Data"। NOAA/NGDC। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০০৭ 
  77. "Did Edmund Hillary Climb the Wrong Mountain"Professional Surveyor Magazine। Dr. Joseph H. Senne, PE। মে ২০০০। সংগৃহীত ০৭ জুন, ২০১৭ 
  78. Sharp, David (5 March 2005). "Chimborazo and Old Kilogram". The Lancet. 365 (9462): 831-32. doi:10.1016/S0140-6736(05)71021-7. PMID 15752514
  79. "Tall Tales about Highest Peaks" (en-AU ভাষায়)। ২০০৪-০৪-১৬। সংগৃহীত ২০১৭-০৬-০৭ 
  80. "The 'Highest' Spot on Earth"। Npr.org। ৭ এপ্রিল ২০০৭। সংগৃহীত ৩১ জুলাই ২০১২ 
  81. "Is a Pool Ball Smoother than the Earth?"। Billiards Digest। ১ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ২৬ নভেম্বর ২০১৪ 
  82. Brown, Geoff C.; Mussett, Alan E. (1981). The Inaccessible Earth (2nd ed.). Taylor & Francis. p. 166. ISBN 0-04-550028-2. Note: After Ronov and Yaroshevsky (1969)
  83. Morgan, J. W.; Anders, E. (1980). "Chemical composition of Earth, Venus, and Mercury". Proceedings of the National Academy of Sciences. 77 (12): 6973–77. Bibcode:1980PNAS...77.6973M. doi:10.1073/pnas.77.12.6973. PMC 350422 . PMID 16592930.
  84. Public Domain One or more of the preceding sentences একটি প্রকাশন থেকে অন্তর্ভুক্ত পাঠ্য যা বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনেচিসাম, হিউ, সম্পাদক (১৯১১)। "Petrology"। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস [[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলনের তথ্যসূত্র ছাড়া ১৯১১ সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে উইকিপিডিয়া নিবন্ধসমূহে একটি উদ্ধৃতি একত্রিত করা হয়েছে]]
  85. Tanimoto, Toshiro (১৯৯৫)। Global Earth Physics: A Handbook of Physical Constants.। Washington, DC: American Geophysical Union: In Thomas J. Ahrens। আইএসবিএন 0-87590-851-9. 
  86. Kerr, Richard A. (26 September 2005). "Earth's Inner Core Is Running a Tad Faster Than the Rest of the Planet". Science. 309 (5739): 1313. doi:10.1126/science.309.5739.1313a. PMID 16123276.
  87. Jordan, T. H. (1979). "Structural geology of the Earth's interior". Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America. 76 (9): 4192–4200. Bibcode:1979PNAS...76.4192J. doi:10.1073/pnas.76.9.4192. PMC 411539. PMID 16592703.
  88. Robertson, Eugene C. (26 July 2001). "The Interior of the Earth". USGS. Retrieved 24 March 2007.
  89. ভূগোল ১ম পত্র উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণী। কাজল ব্রাদার্স লিমিটেড। জুন,২০১৫। পৃ: ১৪। 
  90. ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণী)। ৬৯-৭০ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা - ১০০০: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকা, বাংলাদেশ। অক্টোবর, ২০১২। পৃ: ৪৪–৬২। 
  91. Sanders, Robert (১০ ডিসেম্বর, ২০০৩)। "Radioactive potassium may be major heat source in Earth's core"UC Berkeley News। সংগৃহীত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ 
  92. "The Earth's Centre is 1000 Degrees Hotter than Previously Thought"The European Synchrotron (ESRF)। ২৫ এপ্রিল ২০১৩। ১২ জুন ২০১৩-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  93. Alfè, D.; Gillan, M. J; Vocadlo, L.; Brodholt, J.; Price, G. D. (২০০২)। The ab initio simulation of the Earth's core.। Philosophical Transactions of the Royal Society। পৃ: 360 (1795): 1227–44। ডিওআই:10.1098/rsta.2002.0992বিবকোড:2002RSPTA.360.1227A 
  94. Vlaar, N.J.; van Keken, P.E.; van den Berg, A.P. (১৯৯৪)। Cooling of the Earth in the Archaean: Consequences of pressure-release melting in a hotter mantle। Earth and Planetary Science Letters 121। পৃ: 1–18। ডিওআই:10.1016/0012-821X(94)90028-0বিবকোড:1994E&PSL.121....1V 
  95. N. Pollack, Henry; J. Hurter, Suzanne; R. Johnson, Jeffrey (আগস্ট, ১৯৯৩)। Heat flow from the Earth's interior: Analysis of the global data set। Reviews of Geophysics. 31 (3)। পৃ: 267–80। ডিওআই:10.1029/93RG01249বিবকোড:1993RvGeo..31..267P 
  96. Richards, M. A.; Duncan, R. A.; Courtillot, V. E. (১৯৮৯)। Flood Basalts and Hot-Spot Tracks: Plume Heads and Tails। Science. 246 (4926)। পৃ: 103–07। ডিওআই:10.1126/science.246.4926.103পিএমআইডি 17837768বিবকোড:1989Sci...246..103R 
  97. Sclater, John G; Parsons, Barry; Jaupart, Claude (১৯৮১)। Oceans and Continents: Similarities and Differences in the Mechanisms of Heat Loss। Journal of Geophysical Research. 86 (B12)। পৃ: 11535। ডিওআই:10.1029/JB086iB12p11535বিবকোড:1981JGR....8611535S 
  98. Brown, W. K.; Wohletz, K. H. (২০০৫)। "SFT and the Earth's Tectonic Plates"http://www.lanl.gov। সংগৃহীত ২ মার্চ, ২০০৭ 
  99. Kious, W. J.; Tilling, R. I. (৫ মে ১৯৯৯)। "Understanding plate motions"pubs.usgs.gov। সংগৃহীত ২ মার্চ, ২০০৭ 
  100. Seligman, Courtney (২০০৮)। "The Structure of the Terrestrial Planets"Online Astronomy eText Table of Contentshttp://cseligman.com। সংগৃহীত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ 
  101. Duennebier, Fred (১২ আগস্ট, ১৯৯৯)। "Pacific Plate Motion"http://www.soest.hawaii.edu। Professor Department of Geology and Geophysics University of Hawaii, Honolulu, HI 96822। সংগৃহীত ১৪ মার্চ, ২০০৭ 
  102. Mueller, R. D. (৭ মার্চ, ২০০৭)। "AGE OF THE OCEAN FLOOR POSTER"www.ngdc.noaa.gov। NOAA। সংগৃহীত ১৪ মার্চ, ২০০৭ 
  103. Bowring, Samuel A.; Williams, Ian S (১৯৯৯)। Priscoan (4.00–4.03 Ga) orthogneisses from northwestern Canada। Contributions to Mineralogy and Petrology 134 (1)। পৃ: 3–16। ডিওআই:10.1007/s004100050465বিবকোড:1999CoMP..134....3B 
  104. Meschede, Martin; Barckhausen, Udo (২০ নভেম্বর, ২০০০)। Plate Tectonic Evolution of the Cocos-Nazca Spreading Center। Texas A&M University: Proceedings of the Ocean Drilling Program। 
  105. "GPS Time Series"। Jet Propulsion Laboratory, NASA। সংগৃহীত ২ এপ্রিল, ২০০৭ 
  106. ড.সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ ও জিয়াউল হক। "ভূগোল প্রথম পত্র", উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
  107. "CIA – The World Factbook"। Cia.gov। সংগৃহীত ২ নভেম্বর ২০১২ 
  108. Kring, David A। "Terrestrial Impact Cratering and Its Environmental Effects"http://www.lpi.usra.edu। Lunar and Planetary Laboratory। সংগৃহীত ২২ মার্চ, ২০০৭ 
  109. Martin, Ronald (২০১১)। Earth's Evolving Systems: The History of Planet Earth। Jones & Bartlett Learning। 
  110. "Layers of the Earth"। Volcano World। ১৯ জানুয়ারি, ২০১৩। সংগৃহীত ১১ মার্চ, ২০০৭ 
  111. Jessey, David (২১ জুলাই, ২০০৭)। "Weathering and Sedimentary Rocks"। Cal Poly Pomona। সংগৃহীত ২০ মার্চ, ২০০৭ 
  112. de Pater, Imke; Lissauer, Jack J. (২০১০)। Planetary Sciences (2nd ed.)। Cambridge University Press। পৃ: 154। আইএসবিএন 0-521-85371-0 
  113. Wenk, Hans-Rudolf; Bulakh, Andreĭ Glebovich (২০০৪)। Minerals: their constitution and origin। Cambridge University Press। পৃ: 359। আইএসবিএন 0-521-52958-1 
  114. Sverdrup, H. U.; Fleming, Richard H. (১ জানুয়ারি, ১৯৪২)। The oceans, their physics, chemistry, and general biology। Scripps Institution of Oceanography Archives। আইএসবিএন 0-13-630350-1 
  115. "World Bank arable land"worldbank.org। সংগৃহীত ১৯ অক্টোবর ২০১৫ 
  116. "World Bank permanent cropland"worldbank.org। সংগৃহীত ১৯ অক্টোবর ২০১৫ 
  117. FAO Production Yearbook 1994 (Volume 48 ed.)। Rome, Italy: Food and Agriculture Organization of the United Nations। ১৯৯৫। আইএসবিএন 92-5-003844-5 
  118. "7,000 m Class Remotely Operated Vehicle KAIKO 7000"। Japan Agency for Marine-Earth Science and Technology (JAMSTEC)। সংগৃহীত ৭ জুন, ২০০৮ 
  119. Charette, Matthew A.; Smith, Walter H. F. (জুন ২০১০)। The Volume of Earth's Ocean, Oceanography. 23 (2)। পৃ: 112–14। ডিওআই:10.5670/oceanog.2010.51 
  120. "sphere depth of the ocean – hydrology"Encyclopædia Britannica। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  121. "Third rock from the Sun – restless Earth"NASA's Cosmos। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  122. Perlman, Howard (১৭ মার্চ ২০১৪)। "The World's Water"USGS Water-Science School। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  123. Kennish, Michael J. (২০০১)। Practical handbook of marine science. Marine science series (3rd ed.)। CRC Press। পৃ: 35। আইএসবিএন 0-8493-2391-6. 
  124. Mullen, Leslie (১১ জুন, ২০০২)। "Salt of the Early Earth"। NASA Astrobiology Magazine। সংগৃহীত ২২ জুলাই, ২০০৭ 
  125. Morris, Ron M. (১৫ এপ্রিল, ২০০৯)। "Oceanic Processes"। NASA Astrobiology Magazine। সংগৃহীত ১৪ মার্চ, ২০০৭ 
  126. Scott, Michon (২৪ এপ্রিল, ২০০৬)। "Earth's Big heat Bucket"। NASA Earth Observatory। সংগৃহীত ১৪ মার্চ, ২০০৭ 
  127. Sample, Sharron (২১ জুন, ২০০৫)। "Sea Surface Temperature"। NASA। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল, ২০০৭ 
  128. Geerts, B.; Linacre, E. (নভেম্বর ১৯৯৭)। "The height of the tropopause"Resources in Atmospheric Sciences। University of Wyoming। সংগৃহীত ১০ আগস্ট ২০০৬ 
  129. Harrison, Roy M.; Hester, Ronald E. (২০০২)। Causes and Environmental Implications of Increased UV-B Radiation। Royal Society of Chemistry। আইএসবিএন 0-85404-265-2 
  130. Staff (৮ অক্টোবর ২০০৩)। "Earth's Atmosphere"। NASA। সংগৃহীত ২১ মার্চ ২০০৭ 
  131. Pidwirny, Michael (২০০৬)। "Fundamentals of Physical Geography (2nd Edition)"। PhysicalGeography.net। সংগৃহীত ১৯ মার্চ ২০০৭ 
  132. Gaan, Narottam (২০০৮)। Climate Change and International Politics। Gyan Publishing House। পৃ: ৪০। আইএসবিএন 8178356414�. 
  133. St. Fleur, Nicholas (১৯ মে, ২০১৭)। "Spotting Mysterious Twinkles on Earth From a Million Miles Away"New York Times। সংগৃহীত ২০ মে, ২০১৭ 
  134. Marshak, Alexander; Várnai, Tamás; Kostinski, Alexander (১৫ মে ২০১৭)। "Terrestrial glint seen from deep space: oriented ice crystals detected from the Lagrangian point"Geophysical Research Lettersডিওআই:10.1002/2017GL073248। সংগৃহীত ২০ মে ২০১৭ 
  135. Moran, Joseph M. (২০০৫)। "Weather"World Book Online Reference Center। NASA/World Book, Inc। আসল থেকে ১০ মার্চ ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৭ মার্চ ২০০৭ 
  136. Berger, Wolfgang H. (২০০২)। "The Earth's Climate System"। University of California, San Diego। সংগৃহীত ২৪ মার্চ ২০০৭ 
  137. Rahmstorf, Stefan (২০০৩)। "The Thermohaline Ocean Circulation"। Potsdam Institute for Climate Impact Research। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০০৭ 
  138. Various (২১ জুলাই ১৯৯৭)। "The Hydrologic Cycle"। University of Illinois। সংগৃহীত ২৪ মার্চ ২০০৭ 
  139. Sadava, David E.; Heller, H. Craig; Orians, Gordon H. (২০০৬)। Life, the Science of Biology (8th সংস্করণ)। MacMillan। পৃ: ১১১৪। আইএসবিএন 0-7167-7671-5 
  140. Staff। "Climate Zones"। UK Department for Environment, Food and Rural Affairs। আসল থেকে ৮ আগস্ট ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৪ মার্চ ২০০৭ 
  141. "Why U.S. East Coast is colder than Europe's West Coast"। Live Science। ৫ এপ্রিল ২০১১। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৫ 
  142. "Earth at Aphelion"। Space Weather। জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৫ 
  143. "Highest recorded temperature"। Guinness World Records। সংগৃহীত ১২ জুলাই ২০১৫ 
  144. Lyons, Walter A (১৯৯৭)। The Handy Weather Answer Book (2nd সংস্করণ)। Detroit, Michigan: Visible Ink Press। আইএসবিএন 0-7876-1034-8 
  145. "Coldest temperature ever recorded on Earth in Antarctica"। The Guardian। ১০ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১২ জুলাই ২০১৫ 
  146. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sciweek2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  147. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cordoba2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  148. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; jas31_4_1118 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  149. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; sci293_5531_839 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  150. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; abedon1997 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  151. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; arwps4_265 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  152. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lang2003 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  153. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; fitzpatrick2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  154. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; campbelwh নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  155. McElroy, Michael B. (২০১২)। "Ionosphere and magnetosphere"Encyclopædia Britannica। Encyclopædia Britannica, Inc.। 
  156. Masson, Arnaud (১১ মে ২০০৭)। "Cluster reveals the reformation of the Earth's bow shock"। European Space Agency। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  157. Gallagher, Dennis L. (১৪ আগস্ট ২০১৫)। "The Earth's Plasmasphere"। NASA/Marshall Space Flight Center। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  158. Gallagher, Dennis L. (২৭ মে ২০১৫)। "How the Plasmasphere is Formed"। NASA/Marshall Space Flight Center। সংগৃহীত ১৬ আগস্ট ২০১৬ 
  159. Baumjohann, Wolfgang; Treumann, Rudolf A. (১৯৯৭)। Basic Space Plasma Physics। World Scientific। পৃ: 8, 31। আইএসবিএন 978-1-86094-079-8 
  160. Van Allen, James Alfred (২০০৪)। Origins of Magnetospheric Physics। University of Iowa Press। আইএসবিএন 978-0-87745-921-7ওসিএলসি 646887856 
  161. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; stern2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  162. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; aj136_5_1906 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  163. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; USNO_TSD নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  164. "Rapid Service/Prediction of Earth Orientation" (.DAT file (displays as plaintext in browser))। IERS Bulletin-A 28 (15)। ৯ এপ্রিল ২০১৫। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  165. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; IERS নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  166. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; seidelmann1992 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  167. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; iers1623 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  168. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; iers1962 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  169. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; zeilik1998 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  170. Williams, David R. (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Planetary Fact Sheets"। NASA। সংগৃহীত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ —See the apparent diameters on the Sun and Moon pages.
  171. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; moon_fact_sheet নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  172. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; vazquez_etal2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  173. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; nasa20051201 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  174. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bromberg2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  175. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lin2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  176. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; fisher19960205 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  177. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; williams20051230 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  178. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ab2003 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  179. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; dole1970 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  180. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; amnat163_2_192 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  181. Wade, Nicholas (২৫ জুলাই ২০১৬)। "Meet Luca, the Ancestor of All Living Things"New York Times। সংগৃহীত ২৫ জুলাই ২০১৬ 
  182. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Lambin2011 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  183. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Ramdohr নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  184. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; science299_5607_673 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  185. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Turner1990 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  186. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cia নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  187. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; walsh2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  188. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un20070202 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  189. "Various '7 billionth' babies celebrated worldwide"। সংগৃহীত ৩১ অক্টোবর ২০১১ 
  190. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  191. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; prb2007 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  192. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; hessd4_439 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  193. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; biodiv নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  194. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; cfsa2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  195. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kennedy1989 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  196. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; uncharter নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  197. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; un_int_law নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  198. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; kuhn2006 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  199. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ellis2004 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  200. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; shayler_vis2005 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  201. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; wade2008 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  202. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; nasa_rg_iss2007 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  203. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Apollo13History নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  204. Espenak, F.; Meeus, J. (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। "Secular acceleration of the Moon"। NASA। আসল থেকে ২২ আগস্ট ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০০৭ 
  205. Lambeck, Kurt (১৯৮০)। The Earth's Variable Rotation: Geophysical Causes and Consequences। Cambridge University Press। পৃ: ৩৬৭। 
  206. Laskar, J. এবং অন্যান্য (২০০৪)। "A long-term numerical solution for the insolation quantities of the Earth"। Astronomy and Astrophysics 428 (1): 261–85। ডিওআই:10.1051/0004-6361:20041335বিবকোড:2004A&A...428..261L 
  207. Murray, N.; Holman, M. (২০০১)। "The role of chaotic resonances in the solar system"। Nature 410 (6830): 773–79। এআরএক্সআইভি:astro-ph/0111602ডিওআই:10.1038/35071000পিএমআইডি 11298438 
  208. Canup, R.; Asphaug, E. (২০০১)। "Origin of the Moon in a giant impact near the end of the Earth's formation"। Nature 412 (6848): 708–12। ডিওআই:10.1038/35089010পিএমআইডি 11507633বিবকোড:2001Natur.412..708C 
  209. Whitehouse, David (২১ অক্টোবর ২০০২)। "Earth's little brother found"। BBC News। সংগৃহীত ৩১ মার্চ ২০০৭ 
  210. Christou, Apostolos A.; Asher, David J. (৩১ মার্চ ২০১১)। A long-lived horseshoe companion to the Earth  See table 2, p. 5.
  211. Connors, Martin; Wiegert, Paul; Veillet, Christian (২৭ জুলাই ২০১১)। "Earth's Trojan asteroid"Nature 475 (7357): 481–83। ডিওআই:10.1038/nature10233পিএমআইডি 21796207বিবকোড:2011Natur.475..481C। সংগৃহীত ২৭ জুলাই ২০১১ 
  212. Choi, Charles Q. (২৭ জুলাই ২০১১)। "First Asteroid Companion of Earth Discovered at Last"Space.com। সংগৃহীত ২৭ জুলাই ২০১১ 
  213. "2006 RH120 ( = 6R10DB9) (A second moon for the Earth?)"Great Shefford Observatory। Great Shefford Observatory। আসল থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৭ জুলাই ২০১৫ 
  214. "UCS Satellite Database"Nuclear Weapons & Global SecurityUnion of Concerned Scientists। ১১ আগস্ট ২০১৬। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর ২০১৬ 
  215. Liungman, Carl G. (২০০৪)। "Group 29: Multi-axes symmetric, both soft and straight-lined, closed signs with crossing lines"। Symbols – Encyclopedia of Western Signs and Ideograms। New York: Ionfox AB। পৃ: 281–82। আইএসবিএন 91-972705-0-4 
  216. Stookey, Lorena Laura (২০০৪)। Thematic Guide to World Mythology। Westport, Conn.: Greenwood Press। পৃ: 114–115। আইএসবিএন 978-0-313-31505-3 
  217. Lovelock, James. The Vanishing Face of Gaia. Basic Books, 2009, p. 255. ISBN 978-0-465-01549-8
  218. Lovelock, J.E. (১৯৭২)। "Gaia as seen through the atmosphere"। Atmospheric Environment (Elsevier) 6 (8): 579–580। আইএসএসএন 1352-2310ডিওআই:10.1016/0004-6981(72)90076-5বিবকোড:1972AtmEn...6..579L 
  219. Lovelock, J.E.; Margulis, L. (১৯৭৪)। "Atmospheric homeostasis by and for the biosphere: the Gaia hypothesis"Tellus। Series A (Stockholm: International Meteorological Institute) 26 (1–2): 2–10। আইএসএসএন 1600-0870ডিওআই:10.1111/j.2153-3490.1974.tb01946.xবিবকোড:1974Tell...26....2L। সংগৃহীত ২০ অক্টোবর ২০১২ 
  220. Russell, Jeffrey B. "The Myth of the Flat Earth". American Scientific Affiliation; but see also Cosmas Indicopleustes.
  221. Godwin, William (১৮৭৬)। "Lives of the Necromancers"। পৃ: ৪৯। 
  222. Arnett, Bill (১৬ জুলাই ২০০৬)। "Earth"The Nine Planets, A Multimedia Tour of the Solar System: one star, eight planets, and more। সংগৃহীত ৯ মার্চ ২০১০ 
  223. Monroe, James; Wicander, Reed; Hazlett, Richard (২০০৭)। Physical Geology: Exploring the Earth। Thomson Brooks/Cole। পৃ: 263–265। আইএসবিএন 978-0-495-01148-4 
  224. Henshaw, John M. (২০১৪)। An Equation for Every Occasion: Fifty-Two Formulas and Why They Matter। Johns Hopkins University Press। পৃ: 117–118। আইএসবিএন 978-1-421-41491-1 
  225. Burchfield, Joe D. (১৯৯০)। Lord Kelvin and the Age of the Earth। University of Chicago Press। পৃ: 13–18। আইএসবিএন 978-0-226-08043-7 
  226. Cahalan, Rose (৫ জুন ২০১২)। "Neil deGrasse Tyson: Why Space Matters"The Alcalde। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৬ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]