পিংক ফ্লয়েড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পিঙ্ক ফ্লয়েড
Pink Floyd
পাঁচজন পুরুষের একটি কালো এবং সাদা ছবির একটি ইটের প্রাচীর সামনে দাঁড়িয়ে।
পিঙ্ক ফ্লয়েড ১৯৬৮ সালে, বাম থেকে ডানে: নিক ম্যাসন, সিড ব্যারেট, ডেভিড গিলমোর, রজার ওয়াটার্স, রিচার্ড রাইট
প্রাথমিক তথ্যাদি
উদ্ভব লণ্ডন, ইংল্যান্ড
ধরন
কার্যকাল ১৯৬৫ (১৯৬৫)–১৯৯৫, ২০০৫ (পুনর্মিলন)
লেবেল
ওয়েবসাইট pinkfloyd.com
প্রাক্তন সদস্যবৃন্দ

পিংক ফ্লয়েড মূলত লন্ডনভিত্তিক রক ব্যান্ড দল। ১৯৬০-এর দশকে সাইকেডেলিক এবং স্পেস রক-এর মাধ্যমে বিপুল খ্যাতি অর্জন করেছিল তারা, কিন্তু ১৯৭০-এর দশকে বিবর্তিত হয়ে প্রগ্রেসিভ রক ধারায় চলে আসে। তাদের গানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দার্শনিক গীতিকাব্য, শব্দ নিয়ে বিচিত্র সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অ্যালবাম এর প্রচ্ছদে সৃজনশীল আর্ট এবং বিস্তৃত লাইভ শো। সব দিক দিয়ে পিংক ফ্লয়েড রক মিউজিক এর ইতিহাসে সবচেয়ে প্রশংসিত এবং জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাদের ২০০ মিলিয়ন এরও বেশি অ্যালবাম বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়েছে যার মধ্যে ৭৪.৫ মিলিয়ন কেবল যুক্তরাষ্ট্রে। ৭০-এর দশকে প্রগ্রেসিভ রক ধারায় পিংক ফ্লয়েড এর প্রভাব অনেক, সে সময়কার জেনেসিস বা ইয়েস এর মত ব্যান্ড দলগুলো তাদের দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত। কিংবা এ যুগের নাইন ইঞ্চ নেইল্‌স বা ড্রিম থিয়েটার এর নাম উল্লেখ করা যায়।

পিংক ফ্লয়েডের প্রতিষ্ঠা ১৯৬৫ সালে। স্থাপত্য কলার ছাত্র রজার ওয়াটার্স, নিক মেসন, রিচার্ড রাইটবব ক্লোজ মিলে টি সেট নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেছিলেন। তাদের খুব একটা পরিচয় ছিল না, তবে লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড জগতে হরহামেশাই বাজাতেন। সিড ব্যারেট যখন এই গ্রুপে যোগ দেন তখনই পিংক ফ্লয়েড নামে একটি শক্তিশালী ব্যান্ড গঠনের স্বপ্ন দানা বাঁধতে শুরু করে। এভাবেই ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠা তাদের। অবশ্য বব ক্লোজ প্রথম অ্যালবাম বের হওয়ার আগেই দল ছেড়ে গিয়েছিলেন। সে সময় দলের প্রধান কণ্ঠশিল্পী ও লিড গিটার বাদক ছিলেন সিড ব্যারেট। কিন্তু ব্যারেট এর অস্থিরতা ও অস্থিতিশীল আচরণ দলের অন্যান্যদের নতুন সদস্য খুঁজতে বাধ্য করে। এ কারণেই মূলত অন্যান্যরা ডেভিড গিলমোর কে দ্বিতীয় ভোকাল ও লিড গিটারিস্ট হিসেবে নেন। ১৯৬৮ সালে ব্যারেট ব্যান্ড ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বেইস গিটারিস্ট, গীতিকার ও গায়ক রজার ওয়াটার্স ই ছিলেন ব্যান্ড এর সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার নেতৃত্বেই পরবর্তী বেশ কয়েকটি অ্যালবাম বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করে। সবচেয়ে প্রশংসিত অ্যালবামগুলো ছিল দ্য ডার্ক সাইড অফ দ্য মুন, উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার, এনিম্যালস এবং রক অপেরা খ্যাত দ্য ওয়াল[১]

১৯৬৩–৬৭: প্রারম্ভিক বছর[সম্পাদনা]

গঠন[সম্পাদনা]

ইএমআই-এর সাথে স্বাক্ষর[সম্পাদনা]

সঙ্গীতধারা[সম্পাদনা]

ধরণ[সম্পাদনা]

ধ্বনিত পরীক্ষণ[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র স্কোর[সম্পাদনা]

লাইভ পারফরমেন্স[সম্পাদনা]

গীতধর্মী বিষয়[সম্পাদনা]

ডিস্কোগ্রাফি[সম্পাদনা]

স্টুডিও অ্যালবাম

ভ্রমণ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

উৎস[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

Documentaries
  • CreateSpace (in English) (Streaming video). Pink Floyd: Meddle. Sexy Intellectual.
  • John Edginton (Director) (in English) (Colour, NTSC, DVD). Pink Floyd: The Story of Wish You Were Here. Eagle Rock Entertainment.
  • Matthew Longfellow (Director) (in English) (Colour, Dolby, NTSC, DVD). Classic Albums: The Making of The Dark Side of the Moon. Eagle Rock Entertainment.
  • Pink Floyd (in English) (Colour, NTSC DVD). Pink Floyd – Then And Now. Pride.
  • Pink Floyd (in English) (Colour, NTSC, DVD). Pink Floyd – Whatever Happened To Pink Floyd?. Sexy Intellectual.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. REDIRECT টেমপ্লেট:কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ

টেমপ্লেট:বৈশিষ্ট্যযুক্ত নিবন্ধ