পিংক ফ্লয়েড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পিংক ফ্লয়েড
পাঁচজন পুরুষের একটি ইটের প্রাচীরের সামনে দাঁড়ানো সাদাকালো আলোকচিত্র।
জানুয়ারি ১৯৬৮ সালে পিংক ফ্লয়েড, পাঁচ সদস্যের বহুল পরিচিত ছবি। উপরের ডান থেকে: গিলমোর, মেইসন, ব্যারেট, ওয়াটার্স, রাইট
প্রাথমিক তথ্য
উদ্ভবলণ্ডন, ইংল্যান্ড
ধরন
কার্যকাল
  • ১৯৬৫–১৯৯৫
  • ২০০৫
  • ২০১২–২০১৪
লেবেল
ওয়েবসাইটpinkfloyd.com
প্রাক্তন সদস্যবৃন্দ

পিংক ফ্লয়েড (ইংরেজি: Pink Floyd) মূলত লন্ডন ভিত্তিক ব্রিটিশ রক ব্যান্ড। তারা তাদের প্রোগ্রেসিভ এবং সাইকেডেলিক সঙ্গীতের জন্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করে। দার্শনিক গানের কথা, ধ্বনিত নিরীক্ষণ, সম্প্রসারিত কম্পোজিশন এবং বিস্তৃত লাইভ শো-এর জন্যে তারা জনপ্রিয় সঙ্গীত ইতিহাসের সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং সাঙ্গীতিকভাবে প্রভাবশালী দল।

পিংক ফ্লয়েড গঠিত হয় ১৯৬৫ সালে চারজন তরুণের সমন্বয়ে, স্থাপত্যবিদ্যার শিক্ষার্থী সিড ব্যারেট - গিটার ও মূল কন্ঠ, নিক মেইসন - ড্রাম, রজার ওয়াটার্স - বেস ও কন্ঠ, এবং রিচার্ড রাইট - কিবোর্ড ও কন্ঠ। ১৯৬০-এর দশকের শেষে তারা লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড সঙ্গীত প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে, এবং ব্যারেটের নেতৃত্বাধীনে দুটি চার্ট একক গান এবং দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেট্‌স অব ডউন (১৯৬৭) নামে একটি সফল আত্মপ্রকাশ অ্যালবাম মুক্তি দেয়। ডিসেম্বর ১৯৬৭ সালে পঞ্চম সদস্য হিসেবে গিটারবাদক ডেভিড গিলমোর দলটিতে যোগদান করেন; ব্যারেট, এপ্রিল ১৯৬৮ সালে, ড্রাগ ব্যবহারের কারনে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় ব্যান্ড ত্যাগ করেন। ওয়াটার্স, ব্যান্ডের প্রাথমিক গীতিকার এবং ধারণাগত নেতা হয়ে ওঠেন, পাশাপাশি তাদের সমালোচনাপূর্ণ এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন (১৯৭৩), উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার (১৯৭৫), অ্যানিমেল্‌স (১৯৭৭), দ্য ওয়াল (১৯৭৯) এবং দ্য ফাইনাল কাট (১৯৮৩) অ্যালবামের ধারণা উদ্ভাবন করেন। তাদের দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন এবং দ্য ওয়াল হয়ে ওঠে সর্বকালের সর্বোচ্চ-বিক্রিত অ্যালবাম

সৃজনশীল উত্তেজনার পর, রাইট ১৯৭৯ সালে পিংক ফ্লয়েড ত্যাগ করেন, ১৯৮৫ সালে একই পথ অনুসরণ করেন ওয়াটার্স। গিলমোর এবং মেইসন পিংক ফ্লয়েড হিসেবে নিজেদের অব্যাহত রাখেন, রাইট একজন সেশন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তাদের সঙ্গে পুনরায় যোগদান করেন, পরবর্তীতে একজন ব্যান্ড সদস্য হিসেবেও। এরপর তারা তিনজন উৎপাদন করেন আরো দুটি অ্যালবাম— অ্যা মৌমানট্রি ল্যাপ্‌স অব রিজন (১৯৮৭) ও দ্য ডিভিশন বেল (১৯৯৪)— এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দলটির সঙ্গীত সফর অব্যহত রাখেন। প্রায় দুই দশক সময় পরে, ২০০৫ সালে গিলমোর, রাইট, এবং মেইসন পুনরায় ওয়াটার্সের সঙ্গে একত্রিত হন, বৈশ্বিক সচেতনতা অনুষ্ঠানের একটি অংশ লাইভ এইট নামে পিংক ফ্লয়েড হিসেবে সঞ্চালন করতে; গিলমোর এবং ওয়াটার্স পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে জানান, যদিও পুনরায় একটি ব্যান্ড হিসেবে পুনর্মিলিত হবার কোনো পরিকল্পনা তাদের ছিল না। ব্যারেট মারা যান ২০০৬ সালে, এবং রাইট ২০০৮ সালে। পিংক ফ্লয়েডের সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম দি এন্ডলেস রিভার (২০১৪), ওয়াটার্সকে ছাড়াই রেকর্ড করা হয়, এবং যা মূলত তাদের অপ্রকাশিত সঙ্গীত উপাদানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে।

পিংক ফ্লয়েড ১৯৯৬ সালে আমেরিকান রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেইমের এবং ২০০৫ সালে ইউকে মিউজিক হল অব ফেইমের অর্ন্তভুক্ত হয়। ২০১৩ সালের হিসেবে, এযাবৎ ব্যান্ডটির প্রায় ২৫০ মিলিয়ন রেকর্ড বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৭৪.৫ মিলিয়ন কেবল যুক্তরাষ্ট্রে।

১৯৭০-এর দশকের প্রোগ্রেসিভ রক ধারায় পিংক ফ্লয়েডের প্রভাব প্রবল, সে সময়কার জেনেসিস বা ইয়েসের মতো ব্যান্ড তাদের দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হয়েছিল। কিংবা এ যুগের নাইন ইঞ্চ নেইল্‌স বা ড্রিম থিয়েটারের নামও উল্লেখ করা যায়।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৬৩–৬৭: প্রারম্ভিক বছর[সম্পাদনা]

গঠন[সম্পাদনা]

রজার ওয়াটার্স এবং নিক মেইসনের সাক্ষাত ঘটে, যখন তারা দুজনই রিজেন্ট স্ট্রিটে লন্ডন পলিটেকনিকে স্থাপত্যবিদ্যায় অধ্যয়ন করছেন।[১] তারা প্রথম কিশ নোবল ও ক্লাইভ মেটক্যাফ পরিচালিত একটি দলে একসঙ্গে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, নোবলের বোন শেইলাঘের সঙ্গে। পরবর্তী বছর স্থাপত্যবিদ্যার আরেক সতীর্থ ছাত্র,[বিদ্র ১] রিচার্ড রাইট তাদের সঙ্গে যুক্ত হন, এবং দলটি হয়ে ওঠে 'সিগমা সিক্স' নামক একটি সেক্সটেট। ওয়াটার্স লিড গিটার বাজান, মেইসন ড্রাম, এবং রাইট রিদম গিটার (যেহেতু তখন পর্যন্ত কিবোর্ডের উপলভ্য সীমিত ছিল)।[৩] ব্যান্ডটি সে সময়ে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে সঞ্চালন করতো এবং রিজেন্ট স্ট্রিটে পলিটেকনিকের ভূগর্ভস্থ অংশে বা বেসমেন্টে একটি চাঘরে মহড়া দিতো। সে সময়ে তারা সার্চার্স ব্যান্ড কর্তৃক এবং তাদের ব্যাবস্থাপক ও গীতিকার সহকর্মী কেইন চ্যাপম্যান রচিত উপাদানের মাধ্যমে সঙ্গীত সঞ্চালন করতো।[৪]

১৯৬৩ সালের সেপ্টেম্বরে, ওয়াটার্স ও মেইসন লন্ডনে ক্রউচ এন্ডের নিকট ৩৯ স্ট্যানহোপ গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটে স্থানান্তরিত হন, যেটি ছিল নিকটবর্তী র্হন্সে কলেজ অব আর্ট ও রিজেন্ট স্ট্রিট পলিটেকনিকের থন্ডকালীন শিক্ষক মাইক লিওনার্ডের মালিকানাধীন।[৫][বিদ্র ২] ১৯৬৪ সালের শিক্ষাবর্ষ সমাপ্তির পর মেইসন স্থানান্তরিত হন, এবং ১৯৬৪-এর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি যুক্ত হন গিটারবাদক বব ক্লোসা, যিনি ওয়াটার্সকে বেস গিটার বাজাতে প্ররোচনা দেন।[৬][বিদ্র ৩] সিগমা সিক্স বিভিন্ন নামের মধ্য দিয়ে, যার মধ্যে মেগাডেথ্‌স, আব্দাবাস অ্যান্ড দ্য স্কাইমিং আব্দাবাস, লিওনার্ড'স লজার্স, স্পেকট্রাম ফাইভ অর্ন্তভূক্ত, শেষে টি সেট নামে প্রতিষ্ঠাপিত হয়।[৭][বিদ্র ৪] ১৯৬৪ সালে, মেটকাল্ফ ও নোবল তাদের নিজস্ব ব্যান্ডে চলে যায়, গিটারবাদক সিড ব্যারেট স্টানহোপ গার্ডেনে ক্লোস ও ওয়াটার্সের সঙ্গে যুক্ত হন।[১১] দুই বছরের কনিষ্ঠ, ব্যারেট, ১৯৬২ সালে ক্যাম্বারওয়েল কলেজ অব আর্টসে অধ্যয়নের জন্যে লন্ডনে আসেন।[১২] ওয়াটার্স ও ব্যারেট ছিল শৈশব বন্ধু; ওয়াটার্স প্রায়ই ব্যারেটর মায়ের বাড়িতে যেতেন এবং সেখানে প্রায়ই তাকে গিটার বাজাতে দেখা যেত।[১৩] ব্যারেট সম্পর্কে মেইসন বলেন: "একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, যখন সকলে ঠান্ডায় আত্মসচেতন উপায়ে শিশুর মতোন হয়ে উঠত, তখন ব্যারেট অবাঞ্ছিতভাবে বাইরে বেরতো; আমাদের প্রথম সাক্ষাতের স্থায়ী স্মৃতি রয়েছে, যখন সে নিজেকে আমার সঙ্গে পরিচিত করে নিতে কিছুটা বিরক্তও হচ্ছিল।"[১৪]

নোবল ও মেটকাল্ফ ১৯৬৩ সালের শেষের দিকে টি সেট ত্যাগ করেন, এবং ক্লোস, গায়ক ক্রিস ডেনিসের সঙ্গে ব্যান্ডটির পরিচয় করিয়ে দেন, যিনি ছিলেন রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) প্রযুক্তিবিদ।[১৫] ১৯৬৪ সালের ডিসেম্বরে, তারা দলটি প্রথম রেকর্ডিংয়ের সময় নির্ধারণ করে, ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টেডের একটি স্টুডিওতে, রাইটের এক বন্ধুর মাধ্যমে; যিনি তাদেরকে বিনামূল্যে কিছু বাড়তি সময় প্রাপ্তির সুযোগ করে দিয়েছিলেন। রাইট সে সময়ে পড়াশোনা থেকে বিরতি নিয়েছিলেন, এবং সেই অধিবেশনে তিনি অংশগ্রহণ করেন নি।[১৬][বিদ্র ৫] যখন আরএএফ ১৯৬৫ সালের প্রথম দিকে ডেনিসকে বাহরাইনে একটি পদে নিয়োগ দেয়, তখন ব্যারেট ব্যান্ডের মুখপাত্র ছিলেন।[১৭][বিদ্র ৬] পরবর্তী বছর, তারা লন্ডনে কেনসিংটন হাই স্ট্রিটের নিকট কাউন্টডাউন ক্লাবের একটি আবাসিক ব্যান্ড হয়ে ওঠে, যেখানে শেষ রাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত তারা ৯০ মিনিটের তিনটি সেট সঞ্চালন করতো। এই সময়ের মধ্যে, দলের প্রয়োজনীয়তা স্বত্তে গানের পুনরাবৃত্তি হ্রাস করার লক্ষে তারা তাদের নির্ধারিত সেট দীর্ঘ করতে অনুপ্রাণিত ছিল, সে সময় ব্যান্ডটি বুঝতে পারে যে, "সুরের মধ্য দিয়েই গান দীর্ঘ হতে পারে", মেইসন বলেন।[১৮] বাবা-মায়ে চাপ ও কলেজ শিক্ষকের পরামর্শের পর, ক্লোস ১৯৬৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ব্যান্ড ত্যাগ করেন এবং ব্যারেট লিড গিটারের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।[১৯] ১৯৬৫ সালের শেষের দিকে ব্যান্ডটি প্রথম নিজেদের 'পিংক ফ্লয়ড সাউন্ড' হিসেবে পরিচিত করে। যদিও ব্যারেট সে সময়ে দ্রুততার সঙ্গে ব্যান্ডের নতুন নাম তৈরি করেন, যখন তিনি টি সেট নামের অন্য আরেকটি ব্যান্ডের উপস্থিতি আবিষ্কার করেন।[২০] নতুন নামটি পিংক অ্যান্ডারসনফ্লয়েড কাউন্সিল নামে দুজন ব্লুজ সঙ্গীতশিল্পীর প্রথম নাম সংযোজনের মাধ্যমে নির্মিত, যাদের প্যাডমন্ট ব্লুজ রেকর্ড ব্যারেটের সংগ্রহে ছিল।[২১]

১৯৬৬ সাল অনুযায়ী, দলটি প্রধানত রিদম অ্যান্ড ব্লুজ গান মঞ্চস্থ করবে ঠিক করেছিল এবং এজন্য অগ্রিম বুকিংও পেতে শুরু করে তারা, যার মধ্যে ১৯৬৬-এর মার্চে মার্কিউই ক্লাবে একটি সঞ্চালন উল্লেখযোগ্য; যেখানে তারা লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের প্রভাষক পিটার জেনারের নজরে আসে। জেনার, ব্যারেট ও রাইটের নির্মিত ধ্বনিত প্রভাবে অভিভূত হন, এবং তার ব্যবসায়িক অংশীদার ও বন্ধু অ্যান্ড্রু কিংয়ের সঙ্গে ব্যান্ডটির ব্যবস্থাপক হয়ে ওঠেন।[২২] এই জুটির সঙ্গীত শিল্পে সামান্য অভিজ্ঞতা ছিল, এবং ব্ল্যাকহিল এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠার জন্য তারা কিংয়ের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ ব্যায় করেন, ব্যান্ডের জন্য প্রায় £১,০০০ (২০১৮ অনুযায়ী £১৮,৩০০-এর সমতুল্য[২৩]) মূল্যের নতুন যন্ত্র ও সরঞ্জাম ক্রয় করতে।[বিদ্র ৭] এই সময়ে জেনার ব্যান্ডের নাম থেকে "সাউন্ড" অংশটি বাদ দেয়ার পরামর্শ দেন, এইভাবে তারা পিংক ফ্লয়েড হয়ে ওঠে।[২৫] জেনার ও কিংয়ের নির্দেশনার অধীনে, ব্যান্ডটি লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড সঙ্গীত দৃশ্যের অংশ হয়ে ওঠে, আর অল সেইন্টস হল এবং মার্ককিউ সহ বিভিন্ন ভেন্যুতে সঞ্চালন করতে থাকে।[২৬] কাউন্টডন ক্লাবে সঞ্চালনের সময়, ব্যান্ডটি দীর্ঘ যন্ত্রসঙ্গীত বাজানোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়, এবং প্রাথমিক তবে কার্যকরীভাবে রঙিন স্লাইড ও গার্হস্থ্য আলোর ব্যবহারের মাধ্যমে অভিক্ষিপ্ত আলোক প্রদর্শনীর চর্চাও শুরু করে।[২৭] জেনার ও কিংয়ের সামাজিক সংযোগগুলি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে ব্যান্ডটির অভিক্ষিপ্ত কাভারেজ লাভ করতে সহায়তা করেছিল, এবং সানডে টাইমসের একটি নিবন্ধ যেখানে বলা হয়েছে: "At the launching of the new magazine IT the other night a pop group called the Pink Floyd played throbbing music while a series of bizarre coloured shapes flashed on a huge screen behind them ... apparently very psychedelic."।[২৮]

১৯৬৬ সালে, ব্যান্ডটি ব্ল্যাকহিল এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে শক্তিশালী করে তোলে, জেনার ও কিংয়ের সঙ্গে ব্যান্ড সদস্যদের প্রত্যেকে ছয় ভাগের এক ভাগ শেয়ারের সমান অংশীদার হয়ে ওঠে।[২৫] ১৯৬৬ সালের শেষের দিকে, তাদের সেটে আরঅ্যান্ডবি মান হ্রাস পাওয়ার মধ্য দিয়ে মূল ব্যারেটের অন্তর্ভুক্তি বাড়তে থাকে, যার বেশিরভাগই পরবর্তীতে তাদের প্রথম অ্যালবামে অন্তর্ভুক্ত হয়।[২৯] যদিও উল্লেখযোগ্যভাবে তাদের সঞ্চালনের পৌনঃপুনিকতা বাড়তে থাকা স্বত্ত্বেও ব্যান্ডটি তখনো ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়ে ওঠে নি। একটি ক্যাথলিক যুব ক্লাবে সঞ্চালনের পর, এর মালিক তাদের অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানান, দাবি করেন যে তাদের সঞ্চালনা কোনো সঙ্গীত ছিল না।[৩০] ব্যন্ডটির ব্যবস্থাপক যুব প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে ছোট্ট একটি মামলা দায়ের করার পরও ব্যর্থ হয়, এবং স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট মালিকের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানায়। অন্যদিকে ব্যান্ডটি লন্ডনে ইউফো ক্লাবে চমৎকারভাবে গ্রহনীয় হয়ে ওঠে, যেখানে তারা ভক্তদের একটি ভতি নির্মাণ শুরু করে।[৩১] ব্যারেটের পরিবেশনা উত্সাহী ছিল, "leaping around ... madness ... improvisation ... [inspired] to get past his limitations and into areas that were ... very interesting. Which none of the others could do", লিখেছেন জীবনী লেখক নিকোলাস শাফফার।[৩২]

ইএমআই-এর সঙ্গে চুক্তি[সম্পাদনা]

১৯৬৭ সালের দিকে, পিংক ফ্লয়েড সঙ্গীত শিল্পের মনোযোগ আকর্ষণ করতে শুরু করে।[৩৩][বিদ্র ৮] রেকর্ড কোম্পানিগুলির সঙ্গে আলোচনার সময়, আইটি সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ইউএফও ক্লাবের ব্যবস্থাপক জো বয়েড এবং পিংক ফ্লয়েডের বুকিং এজেন্ট ব্রায়ান মরিসন লন্ডনের ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টেডের সাউন্ড টেকনিক স্টুডিওতে একটি রেকর্ডিং সেশন আয়োজন করে। এর তিন দিন পরে, পিংক ফ্লয়েড ইএমআই রেককর্ডসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে, এবং কোম্পানিটির থেকে অগ্রিম £৫,০০০ ডলার গ্রহণ করে (২০১৮-এর হিসেবে £৮৯,১০০ এর সমতুল্য ২০১৮ অনুযায়ী £৮৯,১০০-এর সমতুল্য[২৩])। ১৯৬৭ সালের ১০ মার্চ, ইএমআই তাদের কলাম্বিয়া লেবেলের অধীনে ব্যান্ডটির প্রথম একক গান "আরনল্ড লেইন", সঙ্গে বি-পাশে "ক্যান্ডি অ্যান্ড অ্যা কারেন্ট বান" গানের সঙ্গে মুক্তি দেয়।[৩৫][বিদ্র ৯] দুটি ট্র্যাকই রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ২৯ জানুয়ারি।[৩৬][বিদ্র ১০] "আরনল্ড লেইন" গানের বেশান্তর সূত্রসমূহ সে সময়ে বিভিন্ন রেডিও স্টেশন কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিল; যদিও, সঙ্গীত ব্যবসার বিক্রয় পরিসংখ্যান সরবরাহকারী খুচরা বিক্রেতাদের সৃজনশীল কারচুপি থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত অনুসারে জানা যায় যে এই একক গানটি ইউকে চার্টে ২০ নম্বর স্থানে অবস্থান নিয়েছিল।[৩৮]

ইএমআই-কলাম্বিয়া পিংক ফ্লয়েডের দ্বিতীয় একক "সি এমিলি প্লে", প্রকাশ করে ১৬ জুন ১৯৬৭ সালে। এটি "আরনল্ড লেইন" এককের তুলনায় কিছুটা অধিক গ্রহণযোগ্যভাবে ইউকে চার্টে ৬তম স্থান অবস্থান করে নিয়েছিল।[৩৯] ব্যান্ডটি বিবিসি'র লুক অব দ্য উইক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিল, যেখানে ওয়াটার্স ও ব্যারেট, পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং চিত্তাকর্ষকভাবে, হ্যান্স কেলারের কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন।[৪০] ব্যান্ডটি এছাড়াও উপস্থিত হয়েছিল বিবিসি'র জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান টপ অব দ্য পপস-এ, যেখানে বিতর্কিতভাবে শিল্পীদের নিজেদের গান গেয়ে এবং বাজিয়ে পরিবেশন করার প্রয়োজন হয়ে থাকে।[৪১] যদিও পিংক ফ্লয়েড-কে আরো দুটি পরিবেশনার জন্যে ফিরে আসতে হয়, আর তৃতীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে, ব্যারেটের নেতৃত্বের উদ্ভব ঘটতে শুরু করে, এবং প্রায় একই সময়ে প্রথম ব্যান্ডটির সঙ্গীতাচরণেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নজরে আসে।[৪২] ১৯৬৭ সালের প্রথম দিকে, ব্যারেট নিয়মিত এলএসডি গ্রহণ করতেন, এবং এ-সম্পর্কে মেইসন বর্ণনা করেছিলেন, "সাম্প্রতিক সবকিছু থেকেই সে (ব্যারেট) তখন সম্পূর্ণরূপে দূরে অবস্থান করতো"।[৪৩]

দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেট্‌স অব ডউন[সম্পাদনা]

দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেটস্ অব ডউন-এর আর্টওয়ার্কে, ওয়াটার্স, ব্যারেট এবং রাইট।

মরিসন ও ইএমআই প্রযোজক নরম্যান স্মিথ পিংক ফ্লয়েডের প্রথম রেকর্ডিং চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন, এবং চুক্তির অংশ হিসেবে, ব্যান্ডটি লন্ডনে ইএমআই স্টুডিওতে তাদের প্রথম অ্যালবাম রেকর্ড করতে সম্মত হয়।[৪৪][বিদ্র ১১] মেইসন এই সেশনটিকে ঝামেলাহীন ছিল বলে স্মরণ করেন। স্মিথ মতবিরোধ জানিয়ে উল্লেখ করেন, ব্যারেট সে সময়ে তার পরামর্শ এবং গঠনমূলক সমালোচনার অপ্রতিক্রিয়াশীল ছিলেন।[৪৬] ইএমআই-কলাম্বিয়া দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেটস্ অব ডউন মুক্তি দেয় আগস্ট ১৯৬৭ সালে। অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ১৪ সপ্তাহ অতিক্রম করে ৬ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[৪৭] এক মাস পর, অ্যালবামটি টাওয়ার রেকর্ডস লেবেলের অধীনে মুক্তি পায়।[৪৮] একই সাথে পিংক ফ্লয়েড ইউএফও ক্লাবে বৃহত্তর জনসাধারণকে আকর্ষণ করে চলেছে; যদিও, ব্যারেটের মানসিক ভাঙ্গন সে সময়ে গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। দলটি প্রাথমিকভাবে ভেবেছিল যে ব্যারেটের এই অনিয়মিত আচরণ একটি ক্ষণস্থায়ী পর্যায়ে এগুবে, তবে কেউ কেউ এ-ব্যাপারে ক্ষীণ আশাবাদী ছিলেন, যাদের মধ্যে জেনার ও তার সহকারি অর্ন্তভূক্ত, জুন চাইল্ড, মন্তব্য করেন যে: "আমি তাকে [ব্যারেটকে] সাজঘরে খুঁজে পেয়েছি এবং সে তখন প্রায় নেই... এমন অবস্থা। ওয়াটার্স ও আমি তাকে টেনে তুলি, [এবং] মঞ্চের বাইরে নিয়ে যাই;... ব্যান্ডের বাকিরা পুনরায় বাজাতে শুরু করে এবং সিড তখন শুধু সেখানে দাঁড়িয়েই ছিলো। তার গলায় গিটার ছিল এবং তার বাহু ছাড়া অবস্থায় ছিল।"[৪৯]

ক্রমান্বয়ে জাতীয় জ্যাজ ও ব্লুস উৎসবে পিংক ফ্লয়েডের উপস্থিতি বাতিল করতে বাধ্য করে, পাশাপাশি অন্যান্য শো-তেও, কিং, সঙ্গীত গগণমাধ্যগুলোয় অবগত করেন যে, ব্যারেট স্নায়বিক অবসাদে ভুগছিলেন।[৫০] ওয়াটার্স মনোবিজ্ঞানী আর. ডি. লেইংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের আয়োজন করেন, এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যারেটের সাক্ষাত স্থিরীকরণ করেন, যদিও ব্যারেট তখন গাড়ি থেকেই বের হতে অসম্মতি জানান।[৫১] ফরমেন্টেরায় থাকাকালীন, স্যাম হাটের সঙ্গে, একজন চিকিৎসক যিনি আন্ডারগ্রাউন্ড সঙ্গীত ধারণায় প্রতিষ্ঠিত, ব্যারেটের দৃশ্যত কোনো উন্নতি ঘটে নি। সেপ্টেম্বরে প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পর ব্যান্ডটি ইয়োরোপে অক্টোবর মাসের দিকে কয়েকটি কনসার্ট নির্দষ্ঠ করে।[৫২][বিদ্র ১২] ইউএস ভ্রমণের সময়, ব্যারেটের অবস্থা ক্রমান্বয়ে খারাপ হয়ে ওঠে।[৫৪] নভেম্বর মাসে ডিক ক্লার্ক এবং প্যাট বোনে শোতে উপস্থাপনের সময়, ব্যারেট তার আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সাড়া না দিয়ে তাদের কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে তোলে। বোন'র শোতে "সি এমিলি প্লে" প্রদর্শনের সময় ব্যারেট মুকাভনিয় করতেও অসম্মতি জানান। এই হতবুদ্ধিকর পর্বের পর, কিং তাদের ইউএস ভ্রমণে সমাপ্তি টানেন এবং অবিলম্বে তাদের লন্ডনে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।[৫৫][বিদ্র ১৩] ফেরার পর শীঘ্রই তারা, ইংল্যান্ড সফরের সময় জিমি হেন্ডরিক্সের সহযোগী ছিল; যদিও, ব্যারেটের বিষণ্নতা নেতিবাচকভাবে তাদের সফর অব্যাহত রাখতে বিঘ্ন ঘটালে, ডিসেম্বর মাসে দলটি একরকম সঙ্কট মুহূর্তে পৌঁছোয়, যখন ব্যান্ডটি তাদের লাইন-আপে নতুন একজন সদস্য যোগদান করানোর উদ্যোগ নেয়।[৫৭][বিদ্র ১৪]

১৯৬৭–১৯৭৮: অবস্থান্তর ও আন্তর্জাতিক সাফল্য[সম্পাদনা]

গিলমোর দ্বারা ব্যারেটের প্রতিস্থাপন[সম্পাদনা]

ডেভিড গিলমোর, ১৯৭০ সালে

ডিসেম্বর ১৯৬৭ সালে, দলটি গিটারবাদক ডেভিড গিলমোরকে পিংক ফ্লয়েডের পঞ্চম সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করে।[৬০][বিদ্র ১৫] গিলমোর ইতোমধ্যেই ব্যারেটকে জানতেন, ১৯৬০-এর দশকের প্রথম দিকে ক্যামব্রিজ টেকে তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলনে।[১৩] শিক্ষানবিশকালীন সময়ে তারা দুজন একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের সময়ে গিটার ও হরমোনাইসের মাধ্যমে একসঙ্গে সঞ্চালন করতেন এবং পরবর্তীতে ফ্রান্সের দক্ষিণে হিচ-হাইকে পরিচালিত হয়েছিলেন।[৬২] ১৯৬৫ সালে, জোকার্স ওয়াইল্ড ব্যান্ডের এক সদস্য গিলমোরকে টি সেট-এ দেখেছিলেন।[৬৩] মরিসনের সহকারী, স্টিভ ও'রোরকে, সপ্তাহে £৩০ পাউন্ডের (২০১৮-এর হিসেবে £৫,০০ এর সমতুল্য২০১৮ অনুযায়ী £৫০০-এর সমতুল্য[২৩]) বিনিময়ে নিজের বাড়িতে একটি কক্ষে গিলমোরকে নিযুক্ত করেন, এবং জানুযারি ১৯৬৮ সালে, ব্ল্যাকহিল এন্টারপ্রাইজ গিলমোরকে ব্যান্ডের নতুন সদস্য হিসেবে ঘোষণা করে; দ্বিতীয় গিটারবাদক এবং পঞ্চম সদস্য হিসেবে, আর ব্যান্ডটি একজন অলস গীতিকার হিসেবে ব্যারেটের সঙ্গে দল চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।[৬৪] জেনার মন্তব্য করেছেন: "The idea was that Dave would ... cover for [Barrett's] eccentricities and when that got to be not workable, Syd was just going to write. Just to try to keep him involved"।[৬৫][বিদ্র ১৬] In an expression of his frustration, Barrett, who was expected to write additional hit singles to follow up "Arnold Layne" and "See Emily Play", instead introduced "Have You Got It Yet?" to the band, intentionally changing the structure on each performance so as to make the song impossible to follow and learn.[৬০] ১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে পিংক ফ্লয়েডের পাঁচজন সদস্যের আলোকচিত্রে, ব্যারেটকে বাকিদের থেকে বিচ্ছিন্ন দেখা যায়।[৬৭]

ব্যারেটের সঙ্গে কাজ করা অবশেষে কঠিন প্রমাণিত হল, এবং জানুয়ারিতে বিষয়টি উপসংহারে পৌছে, যখন সাউথহ্যাম্পটনে একটি পারফরম্যান্সের যাত্রা পথে এক ব্যান্ড সদস্য ব্যারেটকে রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছিলেন। গিলমোরের মতে, এর উত্তর ছিল "নাহ, আর বিরক্তি চাই না", যা ছিল পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গে ব্যারেটের মেয়াদ শেষ হওয়ার সংকেত।[৬৮][বিদ্র ১৭] ওয়াটার পরবর্তীতে স্বীকারোক্তি জানান যে, "সে আমাদের বন্ধু ছিল, কিন্তু বেশির ভাগ সময় আমরা এখন তাকে গলা টিপে ধরতে চেয়েছিলাম"।[৭০] ১৯৬৮-এর মার্চের প্রথমদিকে, পিংক ফ্লয়েড, ব্যান্ডের ভবিষ্যত বিষয়ে আলোচনা করবার জন্য ব্যবসা অংশীদার জেননার এবং কিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করে; ব্যারেট দল ছেড়ে যেতে রাজি হয়।[৭১]

জেনার ও কিং, ব্যারেটকে ব্যান্ডের সৃজনশীল প্রতিভা বলে বিশ্বাস করেন, এবং তার প্রতিনিধিত্ব করতে ও পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেন।[৭২] মরিসন এরপর তার ব্যবসা এনইএমএস এন্টারপ্রাইজের নিকট বিক্রি করেন এবং ও'রুরকে ব্যান্ডের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক হয়ে ওঠেন।[৭৩] ১৯৬৮ সালের ৬ এপ্রিল, ব্ল্যাকহিল ব্যারেটের প্রস্থান ঘোষণা করেন।[৭৪][বিদ্র ১৮] ব্যারেটের প্রস্থানের পর, গান রচনা এবং সৃষ্টিশীল নির্দেশনাদানের ভার অধিকাংশে ওয়াটার্সের উপর বর্তায়।[৭৬] প্রাথমিকভাবে, গিলমোর, দলটির ইউরোপিয় টেলিভিশনে উপস্থিতিতে ব্যারেটের কন্ঠে মুকাভিনয় করেন; যদিও, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কিটে বাজানোর সময়, তারা ওয়াটার্স ও রাইটের "ইট উড বি সো নাইস" এবং "কেয়ারফুল উইথ দ্যাট এক্স, ইউজিন" গানের মাধ্যমে ব্যারেটের গানগুলি পরিহার করেছিলেন।[৭৭]

অ্যা সোসারফুল অব সিক্রেট্‌স[সম্পাদনা]

বেশিরভাগ সবুজ নীলচে রেখা বা টানসহ একটি সাইকেডেলিক অ্যালবাম প্রচ্ছদ
অ্যা সোসারফুল অব সিক্রেট্‌স-এর সাইকেডেলিক আর্টওয়ার্ক ছিল হিগনোসিস কর্তৃক নকশাকৃত পিংক ফ্লয়েডের বেশিরভাগ অ্যালবামের মধ্যে প্রথম।

১৯৬৮ সালে, পিংক ফ্লয়েড তাদের দ্বিতীয় অ্যালবাম অ্যা সোসারফুল অব সিক্রেট্‌স রেকর্ডের জন্যে অ্যাবি রোড স্টুডিওসে ফিরে আসে। তাদের ডিস্কোগ্রাফির এই অ্যালবামটিতে ব্যারেটের চূড়ান্ত অবদান ছিল, "জাগব্যান্ড ব্লুস"। ওয়াটার্স তার স্বরচিত গানে উন্নয়ন ঘটাতে শুরু করে, "সেট দ্যা কন্ট্রোল্‌স ফর দ্যা হার্ট অব দ্যা সান", "লেট দেয়ার বি মোর লাইট" এবং "কর্পোরাল ক্লেগ" গানসমূহ অবদান রাখার মাধ্যমে। রাইট রচনা করেন "সি-স" এবং "রিমেম্বার অ্যা ডে"। নরম্যান স্মিথ দলটিকে তাদের স্ব-উৎপাদিত সঙ্গীত করতে উৎসাহিত করেন, এবং তারা তাদের বাড়িতেই নতুন উপাদান ডেমো রেকর্ড করতো। অ্যাবি রোডে স্মিথের নির্দেশে, তারা নিজেদের শৈল্পিক দৃষ্টি উপলব্ধ করতে রেকর্ডিং স্টুডিওর ব্যবহারিক জ্ঞান লাভ করে। যদিও, স্মিথ তাদের সঙ্গীতে অপ্রত্যয়ী ছিল, এবং যখন মেইসন "রিমেম্বার অ্যা ডে" গানে তার ড্রাম অংশ সঞ্চালনে সংগ্রাম করছিল, স্মিথ তখন তার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে এগুচ্ছিলেন।[৭৮] রাইট এই সেশন সম্পর্কে স্মিথের মনোভাব স্মরণ করে উল্লেখ করেন, "নরম্যান দ্বিতীয় অ্যালবামের উপর ছেড়ে দিয়েছিল ... তিনি সব সময় এমনটাই ইঙ্গিত করতেন, 'আপনি বিশ মিনিট যাবৎ এই হাস্যকর শব্দ করতে পারেন না'"।[৭৯] কেনোনা ওয়াটার্স কিংবা মেইসন সঙ্গীত পড়তে পারতেন না, অ্যালবামের শিরোনাম ট্র্যাক কাঠামো চিত্রিত করতে, তারা তাদের নিজস্ব স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। গিলমোর পরবর্তীতে তাদের পদ্ধতি সম্বন্ধে বর্ণনা করেন, "একটি স্থাপত্য ডায়াগ্রামের মতো"।[৮০]

জুন ১৯৬৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, অ্যালবামটি হিগনোসিসের স্টর্ম থরজের্সন এবং অব্রে পাওয়েল কর্তৃক নকশাকৃত একটি সাইকেডেলিক প্রচ্ছদ উপস্থাপন করে। এটি পিংক ফ্লয়েডের বেশিরভাগ অ্যালবামের মধ্যে প্রথম যেটি হিগনোসিস কর্তৃক নকশাকৃত, এবং এটি দ্বিতীয় বারের মতো ইএমআই তাদের একটি দলকে অ্যালবামের মোড়ক পরিকল্পনার জন্য নকশাকারীদের চুক্তিবদ্ধ করতে অনুমতি দেয়।[৮১] অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ১১ সপ্তাহ অতিক্রম করে ৯ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[৪৭] রেকর্ড মিরর অ্যালবামটির সামগ্রিক অনুকূল পর্যালোচনা প্রকাশ করে, যদিও শ্রোতাদের "কোনো পার্টি ব্যাকগ্রাউন্ড সঙ্গীত হিসেবে" এটি না শোনার আহ্বান জানান।[৮০] জন পীল শিরোনাম ট্র্যাকের লাইভ পারফরম্যান্স সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে, "একটি ধর্মীয় অভিজ্ঞতার মত", যেখানে এনএমই গানটিকে "দীর্ঘ এবং বিরক্তিকর" ... [সাথে] "একঘেঁয়ে" হিসেবে বর্ণনা করেছে।[৭৯][বিদ্র ১৯] অ্যালবামটির ইউকে মুক্তির পর দিন, পিংক ফ্লয়েড প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে হাইড পার্ক কনসার্টে সঞ্চালন করে।[৮৩] জুলাই ১৯৬৮ সালে, তারা যুক্ষরাষ্ট্রে দ্বিতীয়বারের মতো ভ্রমণ করে। সফ্ট মেশিনদ্য হু সহকারে, এটি পিংক ফ্লয়েডের প্রথম উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ হিসেবে বিবেচিত।[৮৪] সেই বছরের ডিসেম্বরে, তারা মুক্তি দেয় "পয়েন্ট মি অ্যাট দ্য স্কাই"; যেটি "সি এমিলি প্লে" পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত দুটি এককের তুলনায় খুব একটা সফল ছিলো না, যা ব্যান্ডের "মানি"-এর পর ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ একক।[৮৫]

আমেগামা, অ্যাটম হার্ট মাদার, এবং মেডল[সম্পাদনা]

A monochrome image of Waters playing bass guitar. He has shoulder-length hair, black attire, and is standing in front of a microphone.
ওয়াটার্স লীডস বিশ্ববিদ্যালয়ে পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গে পরিবেশন করছেন ১৯৭০ সালে।

আমেগামা মূলত তাদের পূর্বের অপ্রকাশিত কাজসমূহের প্রতিনিধিত্ব করেছে। ইএমআই-এর হার্ভেস্ট লেবেলে একটি যুগল-এলপি হিসাবে অ্যালবামটি মুক্তি প্রাপ্ত, প্রথম দুই সাইডের ম্যানচেস্টার কলেজ অব কমার্স এবং মাদার্স- বার্মিংহামের একটি ক্লাবে অনুষ্ঠিত লাইভ পারফরমেন্স অর্ন্তভূক্ত। দ্বিতীয় এলপি-তে ব্যান্ডের প্রতি সদস্যের একটি তরে একক পরীক্ষামূলক অবদান অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।[৮৬] আমেগামা মুক্তির পর ইতিবাচক পর্যালোচনা লাভ করে, নভেম্বর ১৯৬৯ সালে।[৮৭] অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ২১ সপ্তাহ অতিক্রম করে ৫ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[৪৭]

অক্টোবর ১৯৭০ সালে, পিংক ফ্লয়েড অ্যাটম হার্ট মাদার মুক্তি দেয়।[৮৮][বিদ্র ২০] গানটির একটি প্রাথমিক সংস্করণ জানুয়ারিতে ফ্রান্সে প্রিমিয়ার হয়েছিল, কিন্তু রন গীসিন মতানৈক্যের ভিত্তিতে শব্দ সমস্যা সমাধানের অনুরোধ জানায়। গীসিন স্কোর উন্নতির জন্যে খাটতে শুরু করেন, কিন্তু ব্যান্ডের ক্ষুদ্র সৃজনশীল ইনপুটের কারণে উৎপাদন কিছুটা অসুবিধাজনক ছিল। গীসিন, শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেন জন আলদিসের সাহায্যে, যিনি ছিলেন রেকর্ডে কয়ার সঞ্চালনের জন্যে নিযুক্ত পরিচালক। স্মিথ, নির্বাহী প্রযোজকের কৃতিত্ব অর্জন করেন, এবং অ্যালবামটি ব্যান্ডের ডিস্কোগ্রাফিতে তার চূড়ান্ত প্রাতিষ্ঠানিক অবদান হিসেবে চিহ্নিত হয়। গিলমোর বলেন এটি ছিলো "বলার পরিস্কার উপায় যে তিনি কিছুই ... করেন নি"।[৯০] ওয়াটার্স অ্যাটম হার্ট মাদার'-এর সমালোচনা করেছিলেন, দাবী জানান যে, "এটি ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলা হলে এবং কখনোই আর কাউকে শুনতে না হলে" তিনি তাই পছন্দ করতেন"।[৯১] গিলমোরও অ্যালবামটি সম্পর্কে সমধারণা পোষণ করেন এবং একবার এটিকে, "আবর্জনার স্তুব" হিসেবে বর্ণনা করেন, বলেন: "আমি মনে করি আমরা ঐ সময়ে স্বল্প ব্যারেল স্ক্র্যাপিং ছিলাম"।[৯১] পিংক ফ্লয়েডের প্রথম নম্বর ১ অ্যালবাম, অ্যাটম হার্ট মাদার ব্রিটেনে ব্যাপকভাবে সফল হয়েছিল, এবং ইউকে চার্টে ১৮ সপ্তাহ অতিক্রম করেছিল।[৪৭] এটি ২৭ জুন, ১৯৭০ সালে বাথ উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল।[৯২]

পিংক ফ্লয়েড, ১৯৭০ সালের দিকে ব্যাপকভাবে আমেরিকা ও ইউরোপ জুড়ে ভ্রমণ করে।[৯৩][বিদ্র ২১] ১৯৭১ সালে, পিংক ফ্লয়েড মেলোডি মেকার নামে পাঠকের একটি জনমত সমীক্ষায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান নেয়, এবং প্রথমবারের মত তারা মুনাফা তৈরি করতে সক্ষম হয়। মেইসন ও রাইট বাবা হয়ে ওঠেন এবং লন্ডনে বাড়ি ক্রয় করেছিলেন, গিলমোর তখনো একা, যখন এসেক্সে একটি ১৯-শতকের খামারে স্থানান্তরিত হন। ওয়াটার্স ইসিলিংটনে তার বাড়িতে বাগানের পেছনে একটি রূপান্তরিত টুল ছাউনির হোম রেকর্ডিং স্টুডিও স্থাপন করেন।[৯৪]

১৯৭১ সালে পিংক ফ্লয়েড; ছবিটি মেডল অ্যালবামের ভেতরের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত।

জানুয়ারি ১৯৭১ সালে, তাদের অ্যাটম হার্ট মাদার ভ্রমণে থেকে প্রত্যাবর্তনের পর, পিংক ফ্লয়েড নতুন উপাদানের জন্য কাজ শুরু করে।[৯৫] একটি কেন্দ্রীয় ভাবনাবিহীন, তারা কয়েকটি অনুৎপাদী পরীক্ষার চেষ্টা চালান; প্রকৌশলী জন ল্যাকি বর্ণনা করেছেন, যে প্রায়ই এই সেশন বিকালে শুরু হয়ে পরদিন ভোরে সমাপ্ত হতো, "যে সময়ে কিছুই পাওয়া [সম্পন্ন] যাচ্ছিল না। তখন তাদের কোনো রেকর্ড কোম্পানির সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল না, যখন তাদের লেবেল ব্যবস্থাপক ওয়াইনের দুইটি বোতল এবং দুইটি জয়েন্টের সঙ্গে দেখা যাওয়া ব্যতীত"।[৯৬] ব্যান্ডটি প্রাথমিক শব্দ বা গিটার রিফের ওপর কাজ করে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে। এছাড়াও তারা এয়ার স্টুডিওসে কয়েকদিন সময় ব্যয় করে, গৃহস্থ বস্তুর বিভিন্ন সমন্বিত ব্যবহারে সঙ্গীত তৈরি করার প্রচেষ্টা চালায়, একটি প্রকল্প যা দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন (১৯৭৩) এবং উইস ইউ ওয়্যার হেয়ার (১৯৭৫) অ্যালবামে প্রতিয়মান।[৯৭]

অক্টোবর ১৯৭১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, "মেডল শুধুমাত্র দলের সঙ্গে বাস্তব কার্যকরী সংমিশ্রণের মাধ্যমে লিড গিটারবাদক ডেভিড গিলমোরের উত্থান নিশ্চিত করে না, এটি জোরাল এবং সঠিকভাবে দলটিকে পুনরায় সমৃদ্ধ করে তোলে", লিখেছেন রোলিং স্টোন-এর জ্যান-চার্লস কোস্টা।[৯৮][বিদ্র ২২][বিদ্র ২৩] এনএমই মেডল-কে "একটি অসাধারণ ভাল অ্যালবাম" মন্তব্য করে, "একোস" গাওয়ার জন্য তারা রীতিমত কঠোর পরিশ্রম করেছিল"।[১০২] যদিও, মেলোডি মেকার'র মাইকেল ওয়াট্‌স এটিকে অনভিভূত হিসেবে আবিষ্কার করে বলেন, অ্যালবামটি "একটি অস্তিত্বহীন চলচ্চিত্রের সাউন্ডট্র্যাক", এবং পিংক ফ্লয়েডকে তাচ্ছিল্ল সুরে বলেন "অধিক শব্দ এবং উন্মত্ততা, যা কোনো কিছুই প্রকাশ করে না"।[১০৩] মেডল ১৯৬০-এর দশকের শেষে ব্যারেট-প্রভাবশালী দল এবং উদীয়মান পিংক ফ্লয়েডের মধ্যে একটি অর্ন্তবর্তীকালীন অ্যালবাম হিসেবে বিবেচিত।[১০৪] অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ৮২ সপ্তাহ অতিক্রম করে ৩ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[৪৭]

দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন[সম্পাদনা]

Original album artwork featuring an almost black cover with a triangular prism in the midddle. A ray of white light enters the prism from the left and is refracted into colours as it comes out the right side.
দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন-এর কিংবদন্তি শিল্পকর্ম হিপগোনোসিস ও জর্জ হার্ডি কর্তৃক নকশাকরণ করা হয়েছিল।

পিংক ফ্লয়েড ১৯৭২-এর মে থেকে ১৯৭৩-এর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন রেকর্ড করেছিল, অ্যাবি রোডে ইএমআই কর্মচারী প্রকৌশলী অ্যালান পারসন্স সহযোগে। শিরোনামটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিবর্তে বরঙ খ্যাপামিরর ইঙ্গিত।[১০৫] যুক্তরাজ্য, জাপান, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ ভ্রমণের সময় ব্যান্ডটি ডার্ক সাইড-এর উপাদান রচনা এবং পরিমার্জিত করেছিল।[১০৬] প্রযোজক ক্রিস থমাস পারসন্সকে সহায়তা করেন।[১০৭] হিগনোসিস অ্যালবাম মোড়কিকরণনের নকশা করেছিল, যেটি জর্জ হার্ডির কিংবদন্তি প্রতিসরণধর্মী প্রিজম নকশা অন্তর্ভুক্ত।[১০৮] থরজের্সনের ডার্ক সাইড অ্যালবাম প্রচ্ছদে সাদা আলোর একটি রশ্মি বৈশিষ্ট্যয়িত হয়েছে, যা একতা প্রতিনিধিত্বকারী, এবং একটি প্রিজমের ভেতর অতিবাহিত, যা সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছে। ফলপ্রসুত রঙিন আলোর প্রতিসৃত রশ্মি একতা বিচ্ছুরিত হয়ে পড়ছে বলে প্রতীয়মান, অর্থাৎ একতার অনুপস্থিতি বিহীন।[১০৯] ওয়াটারস অ্যালবামের গানের একমাত্র লেখক।[১১০]

পিংক ফ্লয়েড তাদের প্রথম ১৯৭৩ মার্কিন ভ্রমণে সঞ্চালন করছে, দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন মুক্তির কিছুদিন পূর্বে।

মার্চ ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, এই এলপি ইউকে এবং সমগ্র ইউরোপ চার্ট জুড়ে তাৎক্ষণিক সাফল্য লাভ করে, এবং সমালোচকদের কাছ থেকে উত্সাহী প্রতিক্রিয়া অর্জন করে।[১১১] রাইট ব্যতীত পিংক ফ্লয়েডের সকল সদস্য দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন-এর সংবাদ লিপি বর্জন করেছিল, কারণ সে সময় পর্যন্ত তাদের একটি কোয়াড্রোফোনিক মিশ্রণ সম্পন্ন হয় নি বলে, এবং নিম্ন-মানের স্টেরিও পিএ সিস্টেমের মাধ্যমে অ্যালবামের উপস্থাপন অপর্যাপ্ত ছিল বলে তারা মনে করেছিল।[১১২] মেলোডি মেকার'র রায় হোলিংওর্থ অ্যালবামটির প্রথম অংশকে "একচেটিয়া বিভ্রান্তি ... [এবং] অনুসরণ করা জটিল" হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে দ্বিতীয অংশের প্রশংসা করে লিখেছেন: "গান, শব্দ ... [এবং] ছন্দ একেবারে নিরেট ... স্যাক্সফোন যেনো বাতাসে আঘাত করেছে, [আর] ব্যান্ডটি- রক অ্যান্ড রোল"।[১১৩] রোলিং স্টোন'লয়েড গ্রসম্যান এটিকে বর্ণনা করেছে, "এটি একটি বিন্যাস্ত এবং ধারণাগত সমৃদ্ধ অ্যালবাম যেটি শুধুমাত্র আমন্ত্রণই জানায় না, বরং এর সঙ্গে একাত্ম হতেই দাবী জানায়।"[১১৪]

১৯৭৩ সালের মার্চ জুড়ে, দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন পিংক ফ্লয়েডের মার্কিন সফরের অংশ হয়ে ওঠে।[১১৫] এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ বাণিজ্যিকভাবে সফল রক অ্যালবামের একটি; চৌদ্দ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিলবোর্ড চার্টে তালিকাধীন থেকে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪৫ মিলিয়ন কপি বিক্রির সাফল্য অর্জনের মধ্য দিয়ে ইউএস চার্টে ১ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[১১৬] ব্রিটেনে, অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ৩৬৪ সপ্তাহ অতিক্রম করে ২ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[৪৭] ডার্ক সাইড বিশ্বের তৃতীয় সেরা-বিক্রিত অ্যালবাম, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ-বিক্রিত অ্যালবামে তালিকায় একুশতম স্থানে অবস্থান করে নেয়।[১১৭] [১১৮] অ্যালবামটির সাফল্য পিংক ফ্লয়ডের সদস্যদের জন্য বিপুল সম্পদ নিয়ে আসে। ওয়াটার্স এবং রাইট বড় কান্ট্রি হাউস ক্রয় করেছিলেন অন্যদিকে মেইসন হয়ে উঠেছিলেন দামি গাড়ি সংগ্রাহক।[১১৯] মার্কিন রেকর্ড কোম্পানি, ক্যাপিটল রেকর্ডসের সঙ্গে তাদের মোহমুক্তির পর, পিংক ফ্লয়েড এবং ও'রুরকে কলাম্বিয়া রেকর্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন, যারা তাদের $১,০০০,০০০ (US$ in 2018 dollars[১২০]) ডলারের অগ্রীম রেকর্ড সম্মানী প্রদান করে। ইউরোপে, তারা হার্ভেস্ট রেকর্ডস কর্তৃক প্রতিনিধিত্ব শুরু করে।[১২১]

উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার[সম্পাদনা]

Bordering an asphalt road, receding into the distance, are two rows of large beige coloured buildings. Another beige building blocks the horizon, above which mountains are visible in the distance. The sky is blue with no clouds. Several cars are parked outside the buildings. Near the photographer, at a large open entrance to one building, the word STOP has been painted in white on the road. Next to it, a fire hydrant is visible, in front of which the words FIRE LANE are painted on the road.
ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়ার্নার ব্রস. স্টুডিও কমপ্লেক্সের অংশ, যেখানে উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার-এর প্রচ্ছদ আলোকচিত্র গৃহীত হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যে ডার্ক সাইড পরিবেশনার সফর শেষে, ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি পিংক ফ্লয়েড স্টুডিওতে ফিরে আসে, তাদের নবম স্টুডিও অ্যালবাম উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার-এর কাজ শুরু করতে।[১২২] পারসন্স তাদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, মূলত তার অ্যালান পারসন্স প্রকল্প সফল হয়ে উঠতে শুরু করায়, তাই ব্যান্ডটি ব্রায়ান হ্যামফ্রিসের স্মরণাপন্ন হয়।[১২৩] প্রাথমিকভাবে, নতুন উপাদান রচনা তাদের পক্ষে জটিল হয়ে দাঁড়ায়; দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন-এর সাফল্য পিংক ফ্লয়ডকে কিচুটা শারীরিক ও মানসিকভাবে নিষ্কশিত করেছিল। রাইট পরবর্তীতে এই সেশনটিকে প্রাথমিকভাবে "একটি কঠিন সময়ের মধ্যে পতন" বলে বর্ণনা করেছিলেন, এবং ওয়াটার্স নিজেদেরকে "অসরল" মন্তব্য করেছিল।[১২৪] গিলমোর ব্যান্ডের বিদ্যমান উপাদান উন্নয়নে অধিক আগ্রহী ছিলেন। মেইসনের অসমর্থিত বিয়ে তাকে সাধারণ অসুবিধার মধ্যে রেখে তার মধ্যে উদাসীন অনুভূতির সৃষ্টি করেছিল, উভয় কারণের ফলে তার ড্রাম পরচিালনার ক্ষেত্রে বিপত্তি ঘটেছিল।[১২৫]

সৃজনশীলতার অভাব সত্ত্বেও, কয়েক সপ্তাহ পরে ওয়াটার্স একটি নতুন ধারণার দৃষ্টিগোচর করতে শুরু করে।[১২৫] ১৯৭৪ সালের মধ্যে, পিংক ফ্লয়েড তিনটি মূল রচনা সম্পন্ন করে, এবং তাদের ইউরোপে কনসার্টের একটি ধারাবাহিকে সেগুলো পরিবেশন করে।[১২৬] এই রচনাগুলি একটি নতুন অ্যালবামের শুরুর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে, যার উদ্বোধনী চার-নোটের গিটার ফ্রেস, গিলমোর কর্তৃক বিশুদ্ধরূপে রচিত হয়েছিল, যা ওয়াটার্সকে বারেটের স্মরণ করিয়ে দেয়।[১২৭] গানগুলি তাদের প্রাক্তন ব্যান্ডসদস্যের উত্থান ও পতনের একটি উপযুক্ত সারসংক্ষেপ প্রদান করে।[১২৮] ওয়াটার্স মন্তব্য করেছেন: "কারণ আমি যতোটা সম্ভব গূঢ়ভাবে তুলে আনতে চেয়েছিলাম সিডের অন্তর্ধান সম্পর্কে অনির্দিষ্ট, অনিবার্য বিষাদ  ... [যা] আমি অনুভব করেছি।"[১২৯]

যদিও পিংক ফ্লয়েড যখন অ্যালবামে কাজ করছিল, তখন স্টুডিওতে ব্যারেটের অপ্রত্যাশিত আগমন ঘটেছিল, থরজের্সন যে ঘটনা স্মরণ করে বলেন সে, "সেখানে বসেছিল এবং স্বল্প আলাপ করেছিল, তবে সে সত্যিই যেন সেখানে ছিল না।"[১৩০] তার চেহারায় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন ঘটেছিল, এর মাত্রা এতো অধিক ছিল যে ব্যান্ডটি শুরুতে তাকে চিনতে ব্যার্থ হয়। ওয়াটার্স এই অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিল বলে জানা যায়।[১৩১][বিদ্র ২৪] অধিকাংশ উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার ৫ জুলাই ১৯৭৫ সালে, নিবওর্থে একটি মুক্ত-মঞ্চ সঙ্গীত উৎসবে পরিবেশিত হয়। সেপ্টেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যালবামটি ইউকে এবং ইউএস চার্টে ১ নম্বরে অবস্থান নিয়েছিল।[১৩৩]

অ্যানিম্যাল্‌স[সম্পাদনা]

Colour picture of a power station factory with four tall white chimneys. The image was taken on a sunny day. The sky is blue and the building is brown.
বাটারসি পাওয়ার স্টেশন, অ্যানিম্যাল্‌স প্রচ্ছদ চিত্রে বৈশিষ্ঠায়িত হয়েছে।

১৯৭৫ সালে, পিংক ফ্লয়েড ইসিলিংটনে ৩৫ ব্রিটানিয়া রো একটি বহৃতলবিশিষ্ঠ গির্জা হলের সমস্টি ক্রয় করে এবং ভবনটিকে একটি রেকর্ডিং স্টুডিও ও সংরক্ষণাগারে রূপান্তরিত করে।[১৩৪] ১৯৭৬ সালে, তারা তাদের দশম অ্যালবাম অ্যানিম্যাল্‌স-এর রেকর্ড সমাপ্ত করে, নতুন ২৪-ট্যাক স্টুডিওতে।[১৩৫] অ্যানিম্যাল্‌স-এর ধারণাটি মূলত ওয়াটার্সের সঙ্গে সম্ভূত হয়েছিল, জর্জ অরওয়েলের অ্যানিম্যাল ফার্ম (১৯৪৫) রাজনৈতিক কাহিনীর ওপর কিছুটা ভিত্তি করে। অ্যালবামের গানগুলি কুকুর, শূকর ও ভেড়া হিসেবে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির বর্ণনা করেছে।[১৩৬][বিদ্র ২৫] হিগনোসিস অ্যানিম্যাল্‌স-এর মোড়কিকরণের কৃতিত্ব অর্জন করে; যদিও, ওয়াটার্স চূড়ান্ত ধারণার নকশা করেছিলেন, প্রবীণ বাটারসি পাওয়ার স্টেশনের একটি ছবি নির্বাচন করেন, যার ওপর তারা একটি উড়ন্ত শূকরের ছবি আরোপ করেছিল।[১৩৮][বিদ্র ২৬]

ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যে রয়্যালটি বিভাজন নিয়ে দ্বন্দ্বের উৎস ছিল, যারা প্রতি-গানের ভিত্তিতে রয়্যালটি অর্জন করতো। যদিও, গিলমোর "ডগস" গানের জন্য অধিকাংশে দায়বদ্ধ ছিল, যা অ্যালবামের প্রথম দিকে প্রায় সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে রয়েছে, যদিও গিলমোরের প্রাপ্য ওয়াটার্সের চাইতে কম ছিল, যিনি অ্যালবামের বিপরীত পাশে তুলনামূলক ছোটো অংশ "পিগ্‌স অন দ্য উইং" গানে অবদান রেখেছেন।[১৪১] রাইট মন্তব্য করেন: "এটা আংশিকভাবে আমারই ভুল ছিল যে আমি নিজের উপাদানের জন্য জোড় খাটাই নি ... কিন্তু ডেভের প্রস্তাব রাখার কিছু থাকায় সে তা করেছিল, এবং শুধুমাত্র সেখানে দুইটি জিনিসের ব্যবস্থা সে করতে পেরেছিল।"[১৪২] মেজান স্মরণ করে জানান: "সম্পূর্ণ ধারণা রজারের ছিল, কিন্তু তিনি সত্যিই ডেভকে অনেকটা অবমূল্যায়ন করেছিলেন, এবং ভেবেচিন্তে তাকে হতাশ করে তুলেছিলেন।"[১৪২][বিদ্র ২৭] গিলমোর, তার প্রথম সন্তানের জন্মে বিক্ষিপ্তচিত্ত, অ্যালবামে সামান্য অবদান রাখেন। একইভাবে, না মেইসন না রাইট কেউই অ্যানিম্যাল্‌স-এ ব্যাপক অবদান রাখেন নি; রাইট সে সময়ে বৈবাহিক জটিলতায় ভুগছিলেন, এবং এছাড়াও ওয়াটার্সের সঙ্গে তার সম্পর্কেরও ছিল দুর্দশা অবস্থা।[১৪৪] অ্যানিম্যাল্‌স পিংক ফ্লয়েডের প্রথম অ্যালবাম যেখানে রাইটের একটি রচনার কৃতিত্ব অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি, পরবর্তীতে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন: "অ্যানিম্যাল্‌স... নির্মাণ করবার জন্যে একটি উপভোগ্য রেকর্ড ছিল না ... যখন রজার সত্যিই বিশ্বাস করতে শুরু করছিলেন যে তিনিই ব্যান্ডের একমাত্র লেখক ... এটি ছিল শুধুমাত্র তার কারণেই যে [আমরা] এখনও চালিয়ে যাচ্ছি ... যখন তিনি তার অহংবোধ চর্চা শুরু করেন, তার সঙ্গে সম্পর্ক দ্বাদ্ধিক হওয়া স্বাভাবিক।"[১৪৪]

জানুযারি ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, অ্যালবামটি ইউকে চার্টে ২ নম্বরে এবং ইউএস চার্টে ৩ নম্বরে অবস্থান করেছিল।[১৪৫] এনএমই অ্যালবামটির বর্ণনায় উল্লেখ করেছে, "সবচেয়ে চরম, নিরবধি, মর্মভেদী এবং সঙ্গীতের নিতান্ত প্রতিমাচূর্ণকারী", এবং মেলোডি মেকার'কার্ল ডালাস বলেছেন "এটি এমন এক মাধ্যমের মধ্যে বাস্তবতার অস্বাচ্ছন্দ্য স্বাদ যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পরিণত হয়ে ক্রমেই তা ক্রিয়াশীল থাকবে"।[১৪৬]

পিংক ফ্লয়েড তাদের "ইন দ্য ফ্লেশ" ভ্রমণের সময় অ্যালবামের অনেক উপাদান পরিবেশন করেছে। এটি ছিল ব্যান্ডটির কোনো বড় স্টেডিয়ামে বাজানোর প্রথম অভিজ্ঞতা, যার আকারে প্রায়ই ব্যান্ডটির অস্বস্তি হত।[১৪৭] ওয়াটার্স প্রতিটি ভেন্যুতে একা পৌঁছাতে লাগলেন, পরিবেশনের পর অবিলম্বে আবার প্রস্থান করতেন। এক অনুষ্ঠান থেকে রাইট ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন, ব্যান্ড ছাড়ার হুমকি দেন।[১৪৮] মন্ট্রিঅল অলিম্পিক স্টেডিয়ামে, শ্রোতাদের সামনে সারিতে উচ্চণ্ড ও উত্সাহী ভক্তদের এক দল ওয়াটার্সকে এত অতিষ্ঠ করেছিল যে তিনি তাদের একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলেন।[১৪৯][বিদ্র ২৮] ভ্রমণ শেষে গিলমোরের জন্য একটি নিম্ন পয়েন্ট চিহ্নিত হয়েছিল, অনেকেই মনে করেছে যে ব্যান্ডটি তারা কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হলেও, তাদের জন্য কিছুই বাকি রাখে নি।[১৫০]

১৯৭৮–১৯৮৫: ওয়াটার্স-নেতৃত্বাধীন যুগ[সম্পাদনা]

দ্য ওয়াল[সম্পাদনা]

জুলাই ১৯৭৮ সালে, অবহেলিত বিনিয়োগের ফলে আর্থিক সংকটে আবর্তীত হওয়ায়, ওয়াটার্স তাদের পরবর্তী অ্যালবামের জন্য দুটি মূল ধারণা দলের সঙ্গে উপস্থাপন করেন। প্রথমটি ছিল ৯০-মিনিটের একটি ডেমো যার কাজের শিরোনাম ব্রিক্‌স ইন দ্য ওয়াল, এবং অন্যটি পরবর্তীতে ওয়াটার্সের প্রথম একক অ্যালবাম দ্য প্রস অ্যান্ড কন্স অব হিচ হাইকিং-এ পরিণত হতে দেখা যায়। যদিও মেইসন ও গিলমোর উভয়ই প্রথমে সচেতন ছিলেন, এবং তারা পূর্ববর্তীটিই তাদের পরবর্তী অ্যালবামের জন্য নির্বাচন করেন।[১৫১][বিদ্র ২৯] বব এজরিন অ্যালবামটির সহ-প্রযোজক, যিনি এই নতুন অ্যালবামের জন্য চল্লিশ-পাতার চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন।[১৫৩] এজরিন গল্পটি রচনা করেছেন কেন্দ্রীয় চরিত্র পিংক-এর ওপর ভিত্তি করে— এটি একটি ধাঁচ চরিত্র যা ওয়াটার্সের শৈশব অভিজ্ঞতা থেকে অধিকাংশে অনুপ্রাণিত, যেখানে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তার বাবার মৃত্যু। এই প্রথম রুপকশোভিত ইট আরো সমস্যার নেতৃত্ব দিতে থাকে; পিংক মাদকাসক্ত হয়ে ওঠে এবং সঙ্গীত শিল্পের প্রতি বিষণ্ণ বোধ করে, অবশেষে একটি মেগালোমিনিয়াক অবস্থার মধ্যে তার রূপান্তর ঘটতে থাকে, যা আরো উন্নতরূপে সিড ব্যারেটের পতনের সঙ্গে আংশিকভাবে অনুপ্রাণিত। অ্যালবামের শেষে, ক্রমবর্ধমান ফ্যাসিবাদী শ্রোতা হিসেবে দেখানো হয় পিংক প্রাচীরের তল বিদীর্ণ করে দেয়, আরো একবার একজন নিয়মিত এবং যত্নশীল ব্যক্তি হয়ে উঠতে।[১৫৪][বিদ্র ৩০]

দ্য ওয়াল রেকর্ডিংয়ের সময়, অ্যালবামে রাইটের উল্লেখযোগ্য অবদানের অভাবের কারণে ওয়াটার্স, গিলমোর এবং মেইসন ক্রমশ অসন্তুষ্ট ছিলেন।[১৫৭] গিলমোর বলেন যে রাইট "অ্যালবামে কোনো মূল্যের বিশেষে অবদান রাখে নি—সে রেখেছে অতি, অতি সামান্য" এবং এই কারণেই তিনি "বাদ পড়েছিলেন"।[১৫৮] মেইসনের মতানুযায়ী, "রিকের অবদান দ্রুত শুরু হয়, এবং কিছু না করা ছাড়াই সেশনে বসে থাকত, শুধু 'একজন প্রযোজক হওয়া ছাড়া'।"[১৫৯] ওয়াটার্স মন্তব্য করেছেন: "[রাইট] রেকর্ড তৈরিতে সহযোগিতা করার জন্যে প্রস্তুত ছিল না ... [এবং] এটি সকলের দ্বারা সম্মত ছিল ... [সে] হয়তো একটি দীর্ঘ সংগ্রামী হতে পরতো বা [সে] অ্যালবামটি সম্পন্ন করতে ... সম্মত হতে পারতো, [তার] সম্পূর্ণ ভাগ রাখা হতো ... কিন্তু শেষে [তিনি চাইলেন] শান্তভাবে চলে যেতে। রিক এ বিষয়ে একমত হয়েছিলেন।"[১৬০][বিদ্র ৩১]

অ্যালবামটি "অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল (অংশ ২)" দ্বারা সমর্থিত, এবং "মানি" গানের পর পিংক ফ্লয়েডের প্রথম একক গান, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে চার্টে শীর্ষ স্থানে অবস্থান নিয়েছিল।[১৬৩] ১৯৭৯ সালের ৩০ নভেম্বর এটির আনুষ্ঠানিক মুক্তি পর, দ্য ওয়াল ১৫ সপ্তাহ ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড চার্টে শীর্ষে অবস্থানে, এবং যুক্তরাজ্যে চার্টে তৃতীয় অবস্থানে ছিল।[১৬৪] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ মিলিয়ন প্রত্যয়িত সংখ্যক কপি বিক্রির মাধ্যমে দ্য ওয়াল আরআইএএ-এর সর্বকালের সেরা ১০০টি অ্যালবামের তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান নেয়।[১৬৫] অ্যালবামের প্রচ্ছদটি ছিলো তাদের ইতোপূর্বের পরিমিত নকশার মধ্যে একটি, যেটি কিনা শুধুমাত্র একটি সাদা ইটের প্রাচীর এবং তাতে কোনও ট্রেডমার্ক বা ব্যান্ডের নামও নেই। এটি ব্যান্ডটির দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেটস্ অব ডউন অ্যালবামের পর আরেকটি অ্যালবাম প্রচ্ছদ যেটি হিগনোসিস কর্তৃক নকশাকৃত করানো হয় নি।[১৬৬]

জেরাল্ড স্কার্ফ পরবর্তী লাইভ শো, দ্য ওয়াল সফরের জন্য অ্যানিমেশনের একটি ধারাবাহিক তৈরি করেছিলেন। তিনি "মা", "প্রাক্তন স্ত্রী" এবং "বিদ্যালয় শিক্ষক" সহ কাহিনী থেকে বর্ণিত চরিত্রের প্রতিনিধিত্বকারী বৃহৎ পুতুল নির্মাণ করেছিলেন। পিংক ফ্লয়েড অ্যালবামটির জন্য তাদের পারফরমেন্স সময় পুতুলগুলির ব্যবহার ঘটায়।[১৬৭] ব্যান্ডের মধ্যেকার সম্পর্ক সেখানে সব সময় কম ছিল; তাদের চারটি উইনেবেগোস একটি বৃত্তে পার্ককৃত ছিল, আর সেগুলোর দরজা কেন্দ্র থেকে দূরে মুখোমুখি অবস্থায় ছিল। ওয়াটার্স ভেন্যুতে পৌঁছানোর জন্যে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন ও ব্যান্ডের বাকিদের থেকে আলাদা হোটেলে অবস্থান করেন। রাইট একমাত্র শিল্পী হিসেবে মুনাফা লাভ করেন এবং বাকি চারজনের মধ্যে একমাত্র হিসেবে মুনাফা পান, যেখানে এই উদ্যোগটি প্রায় $৬০০,০০০ ডলার (২০১৮ অনুযায়ী $১৬,৫৩,৫১৪-এর সমতুল্য[১২০]) হারায়।[১৬৮]

দ্য ওয়াল ধারণাটি একটি চলচ্চিত্রের জন্ম দেয়, যেটির মূল ধারণা ছিল লাইভ কনসার্টের ফুটেজ এবং অ্যানিমেটেড দৃশ্যাবলীর সমন্বয়ে তৈরি করা। তবে, কনসার্টের ফুটেজ চলচ্চিত্রে ব্যবহারের জন্য অবাস্তব হিসেবে প্রমাণিত হয়। অ্যালান পার্কার সরাসরি সম্মত হন এবং একটি ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেন। যেকানে অ্যানিমেটেড ক্রমগুলি থাকবে, কিন্তু দৃশ্যাবলী কোন প্রকার সংলাপ ছাড়াই পেশাদার অভিনেতাদের দ্বারা অভিনিত হবে। ওয়াটার্সের স্ক্রিন পরীক্ষা করা হলেও দ্রুত তাকে বাদ দেয়া হয় এবং তারা বব গেল্ডফকে পিংক চরিত্রের জন্য চুড়ান্ত করেন। গেল্ডফ প্রাথমিকভাবে এটি উড়িয়ে দিয়েছিলেন, এবং দ্য ওয়াল-এর কাহিনীকে "বোললকস" হিসেবে নিন্দা করেছিলেন।[১৬৯] অবশেষে একটি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণের প্রত্যাশায় এবং তার কাজের জন্য একটি উচ্চ পারিশ্রমিক পাবার কারণে গেল্ডফ কাজ করতে সম্মত হন।[১৭০][বিদ্র ৩২] ১৯৮২ সালের মে মাসে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনীর পর, পিংক ফ্লয়েড – দ্য ওয়াল ১৯৮২ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের মুক্তি পায়।[১৭১][বিদ্র ৩৩]

দ্য ফাইনাল কাট[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালে, ওয়াটার্স স্পেয়ার ব্রিক্‌স কাজের শিরোনামের সাথে একটি নতুন বাদ্যযন্ত্র প্রকল্পের প্রস্তাব জানায়, যা মূলত পিংক ফ্লয়েড – দ্য ওয়ালের সাউন্ডট্র্যাক অ্যালবাম হিসাবে বিবেচিত। ফকল্যান্ডস যুদ্ধের সূত্রপাতের পর ওয়াটার্স দিক পরিবর্তন করে নতুন উপাদান রচনা শুরু করেন। তিনি দেখেন যে ফকল্যান্ডস আক্রমণে মার্গারেট থ্যাচারের প্রতিক্রিয়া উগ্র দেশপ্রেম ও অপ্রয়োজনীয়, এবং অ্যালবামটিকে তার মৃত পিতাকে উৎসর্গ করেছিলেন। ওয়াটার্স এবং গিলমোরের মধ্যে তাত্ক্ষণিক বিতর্ক দেখা দেয়, গিলমোর মনে করেন দ্য ওয়াল অ্যালবামের জন্য গৃহীত পুনরাবৃত্তি গানগুলির পরিবর্তে সমস্ত নতুন উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ওয়াটার্স অনুভব করেছিলেন যে গিলমোর ব্যান্ডটির গীতিকার হিসেবে সামান্য অবদান রেখেছিলেন।[১৭২] দ্য ওয়াল-এর অর্কেস্ট্রাল ব্যবস্থাপনার একজন অবদানকারী মাইকেল কামেন, দুইজনের মধ্যকার মধ্যস্থতা করেন এবং ঐতিহ্যগতভাবে অনুপস্থিত রাইটের ভূমিকা পালন করেন।[১৭৩][বিদ্র ৩৪] ব্যান্ডটির মধ্যে চিন্তার বৃদ্ধি ঘটে। ওয়াটার্স এবং গিলমোর স্বাধীনভাবে কাজ করছেন; যদিও, গিলমোর স্ট্রেন অনুভব করতে শুরু করেছিলেন, মাঝে মাঝে তার সামঞ্জস্য বজায় রাখতে। চূড়ান্ত সংঘর্ষের পর, গিলমোরের নাম অ্যালবামের কৃতিত্ব তালিকা থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, যেহেতু ওয়াটার্সের মনে হয়েছিলো যে গিলমোরের অবদানের অভাব ছিল।[১৭৫][বিদ্র ৩৫]

সাঙ্গীতিক দক্ষতা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র স্কোর[সম্পাদনা]

পিংক ফ্লয়েড, ১৯৬৮ সাল থেকে শুরু করে, দ্য কমিটি সহ আরো কয়েকটি চলচ্চিত্রের স্কোর রচনা করেছে।[১৭৬] ১৯৬৯ সালে, তারা বারব্রেট শ্রোডার পরিচালিত মোর চলচ্চিত্রের জন্য স্কোর রেকর্ড করেছে। এই সাউন্ডট্র্যাক লাভজনক প্রমাণিত; শুধুমাত্র যে ভাল আয় করেছিল তাই নয়, তবে, এ্যা সোসারফুল অব সিকরেট্‌স-এর পাশাপাশি লাইভ শো'র প্রয়োজনে তৈরি সঙ্গীত উপাদানও এতে সংযোজিত হয়েছে।[১৭৭] পরিচালক মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিওনি'র জাবরিস্কি পয়েন্ট (১৯৭০) চলচ্চিত্রের সাউন্ডট্র্যাক রচনা করার সময়, দলটি প্রায় এক মাস রোমের অভিজাত হোটেলে অবস্থান নিয়েছিল। ওয়াটার্স অভিযোগ করে বলেন, আন্তোনিওনির ক্রমাগত পরিবর্তনের প্রবণতা না থাকলে তারা এক সপ্তাহের কম সময়ে কাজ সমাপ্ত করতে পারতো। অবশেষে আন্তোনিওনি শুধুমাত্র তাদের তিনটি রেকর্ডিং ব্যবহার করেছিলেন। আন্তোনিওনির বাদ দেয়া একটি অংশ, "দ্য ভায়োলেন্ট সিকোয়েন্স", পরবর্তীতে "আস অ্যান্ড দ্যাম", শিরোনামে ১৯৭৩-এর দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন অ্যালবামে সংযোজিত হয়েছে।[১৭৮] ১৯৭১ সালে, দলটি দ্বিতীবারের মত শ্রোডারের সঙ্গে লা ভ্যালে চলচ্চিত্রে কাজ করে, যার জন্য তারা ওবসক্যুর্ড বাই ক্লাউড্‌স নামে একটি সাউন্ডট্র্যাক অ্যালবাম প্রকাশ করেছিল। তারা প্যারিসের কাছাকাছি Château d'Hérouville অঞ্চলে প্রায় এক সপ্তাহ ব্যাপী সময়নাগাদ এর সঙ্গীত উপাদান গঠন করে, এবং মুক্তির পর, এটি পিংক ফ্লয়ডের প্রথম অ্যালবাম হিসেবে ইউএস বিলবোর্ড চার্টের শীর্ষ ৫০ ছড়িয়ে যায়।[১৭৯]

লাইভ পরিবেশনা[সম্পাদনা]

A monochrome image of members of the band. The photograph is taken from a distance, and is bisected horizontally by the forward edge of the stage. Each band member and his equipment is illuminated from above by bright spotlights, also visible. A long-haired man holds a guitar and sings into a microphone on the left of the image. Central, another man is seated behind a large drumkit. Two men on the right of the image hold a saxophone or a bass guitar and appear to be looking in each other's general direction. In the foreground, silhouetted, are the heads of the audience.
ইরলস কোর্টে দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন -এর লাইভ পরিবেশনা, ১৯৭৩ সালে সালে মুক্তি পাওয়ার কিছু সময় পর: (বা-ডা) গিলমোর, মেইসন, ডিক প্যারি, ওয়াটার্স

গীতধর্মী বিষয়[সম্পাদনা]

ওয়াটার্সের দার্শনিক লিরিকের আঙ্গিকে চিহ্নিত, রোলিং স্টোন পিংক ফ্লয়েডকে "স্বতন্ত্র অন্ধকার দৃষ্টির সীমারেখা" হিসেবে বর্ননা করেছে।[১৮০] লেখক জেরে ও'নেইল সার্বার লিখেছেন: "তাদের আগ্রহ সত্য এবং মায়া, জীবন এবং মৃত্যু, সময় এবং মহাকাশ, কার্যকারণ এবং সুযোগ, সমবেদনা এবং উদাসীনতা।"[১৮১] পিংক ফ্লয়েডের গানের একটি কেন্দ্রীয় থিম হিসেবে ওয়াটার্স সমানুভূতি শনাক্ত করেছে।[১৮২] লেখক জর্জ রেচ বর্ণনা করেছেন, মেডল-এর সাইকেডেলিক রচনা, "ইকোস", "সত্যিকারের যোগাযোগ, সহানুভূতি, এবং অন্যদের সাথে সহযোগিতার মূল ধারণাটির সংস্পর্শে নির্মিত।"[১৮৩] লেখক ডিনা ওয়েইনস্টাইন, একজন অস্তিত্ববাদী হিসেবে ওয়াটার্সকে উল্লেখ করেন।[১৮৪]

বিচ্ছিন্নতা, যুদ্ধ এবং উন্মাদনা[সম্পাদনা]

"When I say, 'I'll see you on the dark side of the moon'... what I mean [is] ... If you feel that you're the only one ... that you seem crazy [because] you think everything is crazy, you're not alone."[১৮৫]

—ওয়াটার্স, হ্যারিসে উদ্ধৃত, ২০০৫

ও'নেইল সার্বার দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন-এর "ব্রেন ড্যামেজ" গানের "there's someone in my head, but it's not me" পঙ্‌ক্তির সঙ্গে কার্ল মার্কসের তত্ত্বের স্ব-বিচ্ছিন্নতাবোধের তুলনা করেছেন।[১৮৬][বিদ্র ৩৬] উইশ ইউ ওয়ার হেয়ার-এর "ওয়েলকাম টু দি মেশিন" গান মার্কসের বস্তুর বিচ্ছিন্নতা সুপারিশ করে; গানের মূল চরিত্র বস্তুগত ভাবের সঙ্গে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত ছিল যে, তিনি নিজেকে, নিজ এবং অন্যদের থেকে বিছিন্ন ভাবছেন।[১৮৬] মানুষের প্রজাতির বিচ্ছিন্নতা সম্পর্কে জবানবন্দি পাওয়া যেতে পারে অ্যানিম্যাল্‌স অ্যালবামের মধ্যে; যেখানে "কুকুর" অ-মানব হিসাবে প্রবৃত্তিগতভাবে বসবাস হ্রাস করে।[১৮৭] The "Dogs" become alienated from themselves to the extent that they justify their lack of integrity as a "necessary and defensible" position in "a cutthroat world with no room for empathy or moral principle" wrote Detmer.[১৮৮] পিংক ফ্লয়েডের গানগুলির মধ্যে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্নতা হচ্ছে একটি ধারাবাহিক ধারণা, এবং যা মূলত দ্য ওয়াল অ্যালবামের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত।[১৮৬]

স্বীকৃতি ও প্রভাব[সম্পাদনা]

A colour collage of Waters (playing bass), Gilmour (playing guitar), Wright (playing a keyboard) and Mason, who is standing on a stage. Waters and Gilmour are wearing black T-shirts, Wright is wearing a white shirt and Mason a blue one. All four men are in their mid 60s.
দক্ষিণাবর্তে (উপরের বাম থেকে): ওয়াটার্স, গিলমোর, রাইট এবং মেইসন

পিংক ফ্লয়েড সর্বকালের সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং প্রভাবশালী রক ব্যান্ডগুলির একটি।[১৮৯] বিশ্বব্যাপী তাদের প্রায় ২৫ কোটি রেকর্ডের অধিক বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৭.৫ কোটি প্রত্যায়িত একক কেবল যুক্তরাষ্ট্রে, এবং ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে।[১৯০] সানডে টাইমস ধনী তালিকা, সঙ্গীত মিলিয়নেয়ার ২০১৩ (ইউকে), তালিকায় রজার ওয়াটার্সকে আনুমানিক £১৫০ মিলিয়নের (১৫ কোটি) হিসেবে ১২তম, ডেভিড গিলমোরকে £৮৫ মিলিয়নের (৮.৫ কোটি) হিসেবে ২৭তম, এবং নিক মেইসনকে £৫০ মিলিয়নের (৫ কোটি) হিসেবে ৩৭তম স্থানে অর্ন্তভুক্ত করেছে।[১৯১]

২০০৪ সালে, এমএসএনবিসি তাদের "দ্য টেন বেস্ট রক ব্যান্ডস এভার" তালিকায় পিংক ফ্লয়েডকে ৮তম স্থানে অর্ন্তভূক্ত করেছে।[১৯২] রোলিং স্টোন তাদের "দ্য হান্ড্রেড গ্রেটেস্ট আর্টিস্ট অব অল টাইম" তালিকায় ৫১তম স্থানে অর্ন্তভূক্ত করেছে।[১৯৩] কিউ তাদের সংকলনে সর্বকালের বৃহত্তম ব্যান্ড হিসেবে পিংক ফ্লয়েডের নাম উল্লেখ করেছে।[১৯৪] ভিএইচওয়ান "হান্ড্রেড গ্রেটেস্ট আর্টিস্ট অব অল টাইম" তালিকায় তাদের ১৮তম স্থানে অর্ন্তভূক্ত করেছে।[১৯৫] কলিন লারকিন তার 'টপ ফিফ্টি আর্টিস্ট অব অল টাইম' তালিকায় পিংক ফ্লয়েডকে ৩য় স্থানে অর্ন্তভূক্ত করেছে, এটি তার অল টাইম টপ হান্ড্রেড অ্যালবাম্‌স তালিকায় প্রতিটি শিল্পীর অ্যালবামের জন্য সংযোজনী ভোটের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত।[১৯৬]

পিংক ফ্লয়েড বিভিন্ন পুরস্কার জিতেছে। ১৯৮১ সালে অডিও প্রকৌশলী জেমস গুথ্রি দ্য ওয়াল গানের জন্য "শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী নন-ক্লাসিক্যাল অ্যালবাম"-এর গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন, এবং ১৯৮৩ সালে রজার ওয়াটার্স দ্য ওয়াল চলচ্চিত্রের "অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল" গানের জন্য "চলচ্চিত্রের জন্য রচিত শ্রেষ্ঠ মূল গান" বিভাগে ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস পুরস্কার লাভ করেন।[১৯৭] ১৯৯৫ সালে, পিংক ফ্লয়েড "ম্যারুনড" গানের জন্য "শ্রেষ্ঠ রক যন্ত্রসঙ্গীত সম্পাদন" বিভাগে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড লাভ করে।[১৯৮] ২০০৮ সালে, সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফ আধুনিক সঙ্গীতে তাদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পিংক ফ্লয়েডকে পোলার মিউজিক প্রাইজ প্রদান করেন; ওয়াটার্স এবং মেইসন অনুষ্ঠানে যোগদান পূর্বক পুরস্কার গ্রহণ করেন।[১৯৯] পিংক ফ্লয়েড ১৯৯৬ সালে রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেম, ২০০৫ সালে ইউকে মিউজিক হল অব ফেমের, এবং ২০১০ সালে হিট পারাডে হল অব ফেম-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।[২০০]

পিংক ফ্লয়েডের দ্য ওয়াল রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেইমে প্রদর্শিত

পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গীত বহু শিল্পীদের প্রভাবিত করেছে; ডেভিড বোয়ি একটি উল্লেখযোগ্য অনুপ্রেরণার জন্য ব্যারেটর নাম উল্লেখ করেছেন, এবং ইউটু-এর দ্য এজ মূলত অ্যানিম্যাল্‌স-এর "ডগ্‌স" গানের শুরুর গিটার কর্ড শোনার পর প্রথম বিলম্ব প্যাডাল কেনেন।[২০১] অন্যান্যদের ব্যান্ড যারা তাদের উদ্ধৃত প্রভাবের হিসাবে পিংক ফ্লয়েডের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার মধ্যে কুইন, টুল, রেডিওহেড, ক্রাফ্টরেক, ম্যারিলিয়ন, Queensrÿche, নাইন ইঞ্চ নেইলস, দ্য অর্ব এবং দ্য স্মাশিং পাম্পিনস অর্ন্তভূক্ত।[২০২] পিংক ফ্লয়েড নয়া-প্রোগ্রেসিভ রক উপশাখার উপর প্রভাব বিস্তার করেছে যা ১৯৮০-এর দশকে আবির্ভুত হয়েছিল।[২০৩] ইংরেজ রক ব্যান্ড মোস্টলি অটাম তাদের শব্দে " জেনেসিস এবং পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গীত একীভূত করেছে"।[২০৪]

পিংক ফ্লয়েড এছাড়াও মন্টি পাইথন কমেডি দলের প্রশংসক ছিলেন। তারা তাদের ১৯৭৫ সালের মন্টি পাইথন অ্যান্ড দ্যা হিল গ্রিল চলচ্চিত্রে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে সাহায্য করেছিল।[২০৫]

২০১৬ সালে, ব্যান্ডটির প্রধান একটি কাজ লন্ডনে ভিক্টোরিয়া ও অ্যালবার্ট জাদুঘরে অন্তর্ভূক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়, পরবর্তী বছর দলটির প্রথম একক প্রকাশের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে।[২০৬] মে ২০১৭ সালে, অডিও-ভিজুয়াল প্রদর্শনী, দেয়ার মর্টাল রিমেইন্স, অ্যালবাম প্রচ্ছদ শিল্প বিশ্লেষণ, মঞ্চ শো এবং নিক মেইসনের ব্যক্তিগত সংরক্ষণ থেকে আলোকচিত্রের ধারণাগত প্রতিরূপের বৈশিষ্ঠিায়িত করা হয়েছিল;[২০৭][২০৮] এর জনপ্রিয়তার কারণে, এটি ১ অক্টোবরে বন্ধের তারিখ অতিক্রমের পর দুই সপ্তাহের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল।[২০৯]

সদস্য[সম্পাদনা]

  • রজার ওয়াটার্স – ভোকাল, বেস গিটার, রিদম গিটার (১৯৬৫–১৯৮৫, ২০০৫)
  • ডেভিড গিলমোর – ভোকাল, লিড এবং রিদম গিটার, বেস গিটার, কিবোর্ড (১৯৬৭–১৯৯৫, ২০০৫, ২০১২–২০১৪)
  • নিক মেইসন – ড্রাম, পারাকশন (১৯৬৫–১৯৯৫, ২০০৫, ২০১২–২০১৪)
  • রিচার্ড রাইট – ভোকাল, পিয়ানো, কীবোর্ড, সিন্থেজাইজার (১৯৬৫–১৯৭৯, ১৯৮৭–১৯৯৫, ২০০৫; মৃত্যু ২০০৮)
  • সিড ব্যারেট – ভোকাল, লিড ও রিদম গিটার (১৯৬৫–১৯৬৮; মৃত্যু ২০০৬)

ডিস্কোগ্রাফি[সম্পাদনা]

স্টুডিও অ্যালবাম

ভ্রমণ[সম্পাদনা]

টিকা[সম্পাদনা]

  1. লন্ডনের রয়্যাল কলেজ অব মিউজিকে সঙ্গীত অধ্যয়ন শুরু করার সময় ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত রাইট স্থাপত্য অধ্যয়ন করেন।[২]
  2. লিওনার্ড হালকা মেশিনের নকশা করেছিলেন, যেটি ছিদ্রযুক্ত ডিস্ক ঘোরাতে বৈদ্যুতিক মোটরের ব্যবহার করতো, ফলে যার প্রতিরূপ দেয়ালে প্রদর্শিত হত। যেটি টুমোরো'স ওর্য়াল্ড-এর একটি প্রাথমিক সংস্করণে প্রদর্শিত হবে। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য, লিওনার্ড মহড়ায় তার ফ্ল্যাটের সামনের কক্ষে তাদের সাথে কিবোর্ড বাজিয়েছিল।[৫]
  3. রাইট এছাড়াও সংক্ষিপ্ত সময় লিওনার্ডের ফ্লাটে বসবাস করতেন।[৬]
  4. পুভি এটিকে Meggadeaths বানান করেছিলেন কিন্তু ব্লেক বানান করেছিলেন Megadeaths।[৮] স্থপতি আব্দাবস কখনও কখনও অন্য বৈচিত্র্যের প্রস্তাবনা করেন; পলিটেকনিকের ছাত্র সংবাদপত্রে পুভি আব্দাবস সম্পর্কে একটি শিরোনামে ভুলপঠন হিসাবে এটি বাতিল করেন।[৯] পুভি টি সেট (Tea Set) বানান ব্যবহৃত করতে চাইলে, ব্ল্যাকের দাবি ছিলো বিকল্প বানান, টি-সেট (T-Set)।[১০]
  5. The four-song session became the band's first demo and included the R&B classic "I'm a King Bee", and three Syd Barrett originals, "Butterfly", "Lucy Leave" and "Double O Bo", a song Mason described as "Bo Diddley meets the 007 theme".[১৬]
  6. পুবির মতে, ১৯৬৪ সাল থেকে দলটি তাদের আব্দাবস ডাকতে শুরু করে।[৬]
  7. কিছু কালের মধ্যেই, কেউ ব্যান্ডটির সরঞ্জাম চুরি করে, এবং ব্যান্ডটি একটি পেমেন্ট প্ল্যানের অধীনে নতুন গিয়ার ক্রয় করে।[২৪]
  8. ১৯৬৭ সালের গোড়ার দিকে তারা কোনও সময়ে ব্যান্ডের নামের নির্দিষ্ট নিবন্ধ থেকে বাদ পড়েছিল।[৩৪]
  9. Schaffner described the £5,000 advance as generous; however, Povey suggested it was an inadequate agreement which required that the money be disbursed over five years.[৩৬]
  10. এই সেশনের কিছুদিন পূর্বে ১১ এবং ১২ জানুয়ারি, তারা "ইন্টারস্টেলার ওভারড্রাইভ"-এর একটি দীর্ঘ অংশ রেকর্ড করেছিল।[৩৬] Sometime around the sessions on 29 January, they produced a short music film for "Arnold Layne" in Sussex.[৩৭]
  11. ইএমআই-এ, পিংক ফ্লয়েড musique concrète-এর সঙ্গে পরীক্ষানিরীক্ষা চালায় এবং দ্য বিটল্‌স রেকর্ড "লাভলি রিটা"র রেকর্ডিং দেখেছিল।[৪৫]
  12. ব্ল্যাকহিলের কাজের পারমিটের জন্য দেরিতে পাঠানো আবেদনটি পিংক ফ্লয়েডকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কনসার্টের তারিখ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল।[৫৩]
  13. পিংক ফ্লয়েড ১৯৬৭ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে তাদের "অ্যাপল্স অ্যান্ড অরেঞ্জেস" একক মুক্তি দেয়।[৫৬]
  14. একাধিক অনুষ্ঠানে ব্যারেটের অনুপস্থিতি ব্যান্ডে তার পরিবর্তে ডেভিড ও'লিস্টকে প্রতিস্থাপন বাধ্য করে।[৫৮] ওয়াইনে-উইলসন আলোক পরিচালক হিসেবে তার অবস্থান ছেড়ে চলে যান এবং তার দৈনন্দিন কার্যক্রমের সাথে গিটারবাদককে সহায়তা করেন।[৫৯]
  15. ১৯৬৭-এর শেষের দিকে, ব্যারেট নতুন চার সদস্য যোগ করার প্রস্তাব রাখেন; ওয়াটার্সের কথায়: "two freaks he'd met somewhere. One of them played the banjo, the other the saxophone ... [and] a couple of chick singers".[৬১]
  16. গিলমোরের প্রথম কাজটি ছিল ব্যারেটের গিটার বাজানোর সঙ্গে "অ্যাপল্স অ্যান্ড অরেন্জেস" গানের প্রচারমূলক চলচ্চিত্রে মুকাভিনয়।[৬৬]
  17. মেসন নিশ্চিত নন পিংক ফ্লয়েডের কোন সদস্য বলেন "আর বিরক্ত নয়"।[৬৯]
  18. স্বল্প সময়ের জন্য, ব্যারেট অনিয়মিত পরিবেশনা করেন, দৃশ্যত ব্যান্ডের সাথে তার অবস্থান সম্পর্কে বিভ্রান্ত হন।[৭৫]
  19. ওয়াটার্স এবং ব্যারেটের সাথে ক্যামব্রিজশায়ার হাই স্কুল ফর বয়েজে থরজের্সন যোগদান করেছিলেন।[৮২]
  20. The band recorded their previous LPs using a four-track system; Atom Heart Mother was their first album recorded on an eight-track machine.[৮৯]
  21. A theft of the band's equipment, worth about $40,000, after a May 1970 show at the Warehouse in New Orleans, nearly crippled their finances. However, hours after the band notified the FBI they had recovered most of the stolen equipment.
  22. Povey states that the UK release date was 5 November, but Pink Floyd's official website states 13 November. All sources agree on the US release date of 30 October.[৯৯]
  23. Meddle's production consisted of sessions spread over several months; the band recorded in the first half of April, but in the latter half played at Doncaster and Norwich before returning to record at the end of the month. In May, they split their time between sessions at Abbey Road, rehearsals, and concerts across Great Britain. They spent June and July performing at venues across Europe, and August in the far east and Australia, returning to Europe in September.[১০০] In October, they made the concert film Pink Floyd: Live at Pompeii, before touring the US in November.[১০১]
  24. Immediately after the session, Barrett attended a pre-party held for Gilmour's upcoming first wedding, but eventually left without saying goodbye and none of the band members ever saw him again, apart from a run-in between Waters and Barrett a couple of years later.[১৩২] The inspiration behind the cover image, designed by Thorgerson, is the idea that people tend to conceal their true feelings for fear of "getting burned", wrote Pink Floyd biographer Glen Povey. Therefore, it features two businessmen shown shaking hands; one of them is on fire.[১৩৩]
  25. ব্রায়ান হামফ্রিস অ্যালবামটি পরিচালনা করেছিলেন, যা ১৯৭৬ সালের ডিসেম্বরে সম্পন্ন হয়েছিল।[১৩৭]
  26. ব্যান্ডটি ৩০ ফুট (৯.১ মি) শূকর আকৃতির বেলুন নির্মান করে এবং ২ ডিসেম্বর তার আলোকচিত্র গ্রহণ শুরু করে। মারাত্মক আবহাওয়া চিত্রগ্রহণে বিলম্বিত ঘটায়, এবং শক্তিশালী বাতাসে বেলুনটি তার নঙ্গর করার স্থান থেকে মুক্ত হয়ে যায়। অবশেষে বেলুনটি কেন্টের ভূমিতে অবতরণ করে, যেখানে একজন স্থানীয় কৃষক এটি পুনরুদ্ধার করে জানায় যে এটি তার গরুকে ভীত করে তুলেছে বলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।[১৩৯] তারা পুনরায় দূরহ আলোকচিত্র গ্রহলের কাজটি শুরু করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ র্পন্ত যে তারা শুকরের ছবিটিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছবির উপর স ্থাপন করছেন।[১৪০]
  27. "Pigs on the Wing" contained references to Waters' romantic relationship with Carolyne Anne Christie. Christie and Rock Scully, manager of the Grateful Dead, were married at the time. Waters' marriage to Judy had produced no children, but he became a father with Christie in November 1976.[১৪৩]
  28. গিলমোর সেই রাতে ব্যান্ডের স্বাভাবিক পুনরাবৃত্তি করতে অস্বীকার করেছিলেন, কারণ বৃহত স্থানগুলিতে বাজানোর জন্য ওয়াটার্সই একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন না।[১৪৮]
  29. ১৯৭৬ সালে, পিংক ফ্লয়েড আর্থিক উপদেষ্টা নর্টন ওয়ারবুর্গ গ্রুপের (এনডব্লিউজি) সাথে জড়িত হন। এনডব্লিউজি ব্যান্ডটির সমস্ত আর্থিক পরিকল্পনা পরিচালনা এবং সংগ্রহকারী এজেন্ট নিযুক্ত হয় প্রায় £৩০০,০০০ (২০১৮-এর হিসেবে £১,৬৯০,৫০০ এর সমতুল্য[২৩]) পাউন্ডের বার্ষিক ফির বিনিময়ে। এনডব্লিউজি মূলত যুক্তরাজ্যে তাদের করের এক্সপোজার হ্রাস করতে, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ মূলধন স্কিমগুলিতে £১.৬ মিলিয়ন থেকে £৩.৩ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করেছিল। এটি শীঘ্রই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে ব্যান্ডটি এখনও তাদের অর্থ হারাচ্ছে। শুধুমাত্র এনডব্লিউজি ব্যর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ করেনি, তারা তাদের আয়ের ৮৩ শতাংশের মতো করের জন্যে দায়বদ্ধ। ব্যান্ডটি অবশেষে এনডব্লিউজি-র সাথে তাদের সম্পর্ক বন্ধ করে দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটির কাছে তাদের এখনও বিনিয়োগ না করা তহবিলের ফেরত দাবি করে, সে সময়ে তা প্রায় £৮৬০,০০০ পরিমাণ অর্থমূল্যের ছিল; যার মধ্যে তারা শুধুমাত্র £৭৪০,০০০ আদায় করতে সমর্থ হয়েছিলো।[১৫২] শেষে পিংক ফ্লয়েড এনডব্লিউজি'র বিরুদ্ধে তাদের জালিয়াতি ও অবহেলার অভিযোগ জানিয়ে £১ মিলিয়ন অর্থের মামলা করেছিল। ১৯৮১ সালে এনডব্লিউজি ধসে পড়ে: অ্যান্ড্রু ওয়ারবুর্গ স্পেনে পালিয়ে যান; নর্টন ওয়ারবুর্গ ইনভেস্টমেন্টস প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয় ওয়াটারব্রুক, এবং তার বেশিরভাগ হোল্ডিং উল্লেখযোগ্য ক্ষতিসাপেক্ষে বিক্রি হয়েছিল। ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর অ্যান্ড্রু ওয়ারবুর্গর তিন বছরের কারাদণ্ড হয়।[১৫২]
  30. জেমস গুথ্রি অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ের জন্য ব্যান্ডের সাথে পাঁচ বছর ধরে আবেগীভাবে নির্গমনকারী প্রকৌশলী ব্রায়ান হ্যামফ্রেসকে প্রতিস্থাপন করেছিলেন।[১৫৫] মার্চ ১৯৭৯ সালে, ব্যান্ডের ভয়ানক আর্থিক পরিস্থিতি দাবি করে যে তাদের এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে ইউকে ছেড়ে চলে যেতে এবং নিসের কাছাকাছি সুপার বিয়ার স্টুডিওতে রেকর্ডিং স্থানান্তরিত করে।[১৫৬]
  31. যদিও চুড়ান্ত অ্যালবামে কোথাও রাইটের নাম প্রদর্শিত হয় নি, পিংক ফ্লয়েড তাদের পরবর্তী দ্য ওয়াল সফরে প্রদত্ত সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে রাইটকে নিযুক্ত করেন।[১৬১] দ্য ওয়াল সেশনের শেষের অবস্থায়, মেইসন চূড়ান্ত মিশ্রণ বাকি রেখে ওয়াটার্স, গিলমোর, এজরিন এবং গুথ্রিতে ফেলে, নিউইয়র্কে তার প্রথম অ্যালবাম নিক মেইসন'স ফিকটিশাস স্পোর্টস রেকর্ড করার জন্য চলে যান।[১৬২]
  32. Waters took a six-week leave during filming and returned to find that Parker had used his artistic license to modify parts of the film to his liking. Waters became incensed; the two fought, and Parker threatened to walk out. Gilmour urged Waters to reconsider his stance, reminding the bassist that he and the other band members were shareholders and directors and could outvote him on such decisions.[১৭০]
  33. পিংক ফ্লয়েড চলচ্চিত্রটির গানের জন্য কিছু সংশোধিত সাউন্ডট্র্যাক তৈরি করেছিল।[১৭০]
  34. Recording took place in eight studios, including Gilmour's home studio at Hookend Manor and Waters' home studio at East Sheen.[১৭৪]
  35. During the sessions, Waters lost his temper and began ranting at Kamen who, out of frustration during one recording session, had started repeatedly writing "I Must Not Fuck Sheep" on a notepad in the studio's control room.[১৭৩]
  36. Marx considered insanity the ultimate form of self-alienation.[১৮৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩৭–৩৮: লন্ডন পলিটেকনিকে স্থাপত্যবিদ্যায় অধ্যয়নকালে মেইসন ওয়াটার্সের সঙ্গে সাক্ষাত করে; ফিচ ২০০৫, পৃ. ৩৩৫: লন্ডন পলিটেকনিকে স্থাপত্যবিদ্যায় অধ্যয়নকালে ওয়াটার্স মেইসনের সঙ্গে সাক্ষাত করে।
  2. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩৯–৪০।
  3. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩৯–৪০: সিগমা সিক্স দলে যোগদানের সময় রাইট নিজেও স্থাপত্যের ছাত্র ছিলেন; পুভি ২০০৮, পৃ. ১৩–১৪: সিগমা সিক্স গঠন; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ২৭: সিগমা সিক্স-এর ইনস্ট্রুমেন্ট লাইন আপ: ওয়াটার্স (লিড গিটার), রাইট (রিদম গিটার) এবং মেইসন (ড্রাম)।
  4. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩৮–৩৯।
  5. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৪–২৬।
  6. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৪।
  7. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৩–১৮।
  8. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩৯: মেগাডেথস; পুভি ২০০৮, পৃ. ১৩: মেগ্গাডেথস।
  9. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৪–১৫।
  10. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৪৩–৪৪: একটি বিকল্প বানান ছিল টি-সেট; পুভি ২০০৮, পৃ. ২৮–২৯: টি সেট সর্বত্র জুড়ে ব্যবহৃত।
  11. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৪১।
  12. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৩।
  13. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ২২–২৩।
  14. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৭।
  15. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৪২–৪৪।
  16. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৯–৩০।
  17. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৯।
  18. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৩০।
  19. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৪৪–৪৫: ক্লোজ ১৯৬৫-এর মাঝামাঝি ব্যান্ড ছেড়ে যান এবং ব্যারেট লিড গিটারে অধিষ্ঠিত হন (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ৩২: ক্লোস ১৯৬৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ব্যান্ড ত্যাগ করেন (প্রাথমিক উৎস)।
  20. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৮–১৯।
  21. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৩৩–৩৭: পিংক ফ্লয়েড ব্যান্ড নামের উৎপত্তি (প্রাথমিক উৎস); পুভি ২০০৮, পৃ. ১৮–১৯: পিংক ফ্লয়েড ব্যান্ড নামের উৎপত্তি (মাধ্যমিক উৎস)।
  22. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৩৩–৩৭: ব্যারেট ও রাইট দ্বারা জেনার প্রভাবিত হয়েছিল; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৭: জেনার ও কিং হয়ে ওঠেন পিংক ফ্লয়েডের ব্যবসা পরিচালক।
  23. UK CPI inflation numbers based on data available from Lawrence H. Officer (2010) "What Were the UK Earnings and Prices Then?" MeasuringWorth.
  24. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৩২।
  25. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৩২–৩৩।
  26. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৫০–৫১।
  27. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৪৬–৪৯: (প্রাথমিক উৎস); শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৩৪: (মাধ্যমিক উৎস)।
  28. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৫২–৫৩: জেনার এবং কিংয়ের যোগাযোগে ব্যান্ডটির গুরুত্বপূর্ণ কভারেজ লাভে সাহায্য করেছিল; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৪৪: "দৃশ্যত খুব সাইকেডেলিক"
  29. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৪৯।
  30. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৫৪।
  31. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৫৪–৫৮।
  32. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৪৯।
  33. di Perna ২০০২, পৃ. ২৯: একটি স্পেস রক ব্যান্ড হিসেবে পিংক ফ্লয়েড পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৭: সঙ্গীত শিল্প পিংক ফ্লয়েডকে পর্যবেক্ষণ শুরু করে।
  34. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৭৯।
  35. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪২: "আর্নল্ড লেন" গানের মুক্তির তারিখ; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৫৪–৫৫: ইএমআই-এর সঙ্গে গাওয়া।
  36. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৭।
  37. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৫৯–৬৩।
  38. মেইসন ২০০৬, পৃ. ৮৪–৮৫।
  39. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪২।
  40. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৮৬–৮৭।
  41. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৮৬–৮৭।
  42. পুভি ২০০৮, পৃ. ৪৩।
  43. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৮২: ব্যারেট "সম্পূর্ণরূপে সবকিছু থেকে দূরে অবস্থান করছিলো"; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৫১: ১৯৬৭ সালের শুরুতে ব্যারেটের এলএসডি গ্রহণ করতে শুরু করে।
  44. মেইসন ২০০৮, পৃ. ৮৭–৮৮: স্মিথ পিংক ফ্লয়েডের প্রথম রেকর্ড চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৫৫: মরিসন পিংক ফ্লয়েডের প্রথম চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন এবং এতে তারা ইএমআই স্টুডিওতে তাদের প্রথম অ্যালবাম রেকর্ড করতে সম্মত হয়।
  45. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৮৫।
  46. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৯২–৯৩।
  47. রবার্টস ২০০৫, পৃ. ৩৯১।
  48. ক্যাভানা, জন (২০০৩)। দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেটস্ অব ডউন। নিউ ইয়র্ক [ইউ.এ.]: কন্টিনাম। পৃষ্ঠা ৫৫–৫৬। আইএসবিএন 978-0-8264-1497-7 
  49. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৯৫: "ব্যান্ডটি বাজাতে শুরু করে এবং সিড শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে"; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৩৬: জুন চাইল্ড ব্ল্যাকহিলের সহকারী ও সচিব ছিলেন।
  50. পুুভি ২০০৮, পৃ. ৬৭।
  51. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১২৩।
  52. পুভি ২০০৮, পৃ. ৬৭–৭১।
  53. পুভি ২০০৮, পৃ. ৬৯।
  54. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৮৮–৯০।
  55. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৯১–৯২।
  56. পুভি ২০০৮, পৃ. ৭২।
  57. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৯৫–১০৫: ব্যারেটের মানসিক বিপর্যয় এবং পিংক ফ্লয়েডের প্রথম মার্কিন সফর (প্রাথমিক উৎস); শাফনার ১৯৯১, পৃ. ৯১–৯৪: ব্যারেটের মানসিক বিপর্যয় এবং পিংক ফ্লয়েডের প্রথম মার্কিন সফর (মাধ্যমিক উৎস)।
  58. ফিচ ২০০৫, পৃ. ২২৪।
  59. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১০২।
  60. পুভি ২০০৮, পৃ. ৪৭।
  61. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১০।
  62. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৮।
  63. মেইসন ২০০৫, পৃ. ৩৪।
  64. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১০–১১১: "ব্যান্ডটি ব্যারেটের সঙ্গে চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক"; মেইসন ২০০৫, পৃ. ১০৯–১১১: ও'রোরকে তার বাড়িতে গিলমোরকে সেট আপ করনে; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১০৪: গিলমোরকে আনুষ্ঠানিকভাবে পিংক ফ্লয়েডের নতুন সদস্য হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
  65. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১০৭।
  66. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১০৪।
  67. Palacios, জুলিয়ান (২০১০)। সিড ব্যারেট এবং পিংক ফ্লয়েড: ডার্ক গ্লোব। প্লেক্সাস। পৃষ্ঠা ৩১৭। আইএসবিএন 978-0-85965-431-9 
  68. পুভি ২০০৮, পৃ. ৭৮।
  69. মেইসন ২০০৫, পৃ. ১১১।
  70. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১২।
  71. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৯০–১১৩: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ৭৮–১০৫: (প্রাথমিক উৎস)।
  72. পুভি ২০০৮, পৃ. ৭৮–৮০।
  73. মেইসন ২০০৫, পৃ. ১১২–১১৪: ও'রাউরকেলা ব্যান্ডের ব্যবস্থাপক হয়ে ওঠেন, ১২৭–১৩১: ও'রাউরকেলা ব্যান্ডের ব্যবস্থাপক হয়ে ওঠেন।
  74. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১০৭–১০৮।
  75. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১২–১১৪।
  76. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ৩, ৯, ১১৩, ১৫৬, ২৪২, ২৭৯, ৩২০, ৩৯৮: ব্যারেটের প্রস্থানের পর, গান রচনা এবং সৃষ্টিশীল নির্দেশনাদানের ভার অধিকাংশে ওয়াটার্সের উপর বর্তায়।।
  77. দি পের্না ২০০২, পৃ. ১৩।
  78. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১৬–১১৭।
  79. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১৭।
  80. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১১৮।
  81. রবার্টস, জেমস (১ নভেম্বর ১৯৯৭)। "Hipgnotic Suggestion" (৩৭)। ফ্রিজ। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২Throughout the 70s many of the more successful rock bands adopted similarly abstract imagery, in particular Led Zeppelin (the album IV, 1971, dispensed with their name and the title of the record entirely) and Pink Floyd, who, following the Beatles, were only the second band to be allowed by EMI to use an outside designer. 
  82. ফিচ ২০০৫, পৃ. ৩১১।
  83. পুভি ২০০৮, পৃ. ৮৪।
  84. মেইসন ২০০৫, পৃ. ১২৭–১৩১।
  85. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১৬৮: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ১৩৩–১৩৫: (প্রাথমিক উৎস)।
  86. পুভি ২০০৮, পৃ. ৮৭–৮৯।
  87. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৩৫–১৩৬।
  88. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪৪।
  89. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৫৪।
  90. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ১৪৮।
  91. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৪৪।
  92. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৪০–১৪৭।
  93. পুভি ২০০৮, পৃ. ১২৮–১৪০।
  94. শাপনার ১৯৯১, পৃ. ১৫০–১৫১।
  95. পুভি ২০০৮, পৃ. ১২২।
  96. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ৭১: "a couple of bottles of wine and a couple of joints"; মেইসন ২০০৫, পৃ. ১৫৩: Lacking a central theme they experimented.
  97. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ৭২।
  98. For "Meddle not only confirms lead guitarist David Gilmour's emergence" see: কোস্টা, জ্যান-চার্লস (৬ জানুয়ারি ১৯৭২)। "পিংক ফ্লয়েড: মেডল"রোলিং স্টোন। ৪ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০০৯ ; পুভি ২০০৮, পৃ. ১৫০: মেডল-এর মুক্তির তারিখ।
  99. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৫০: A 5 November UK release date for Meddle; For a 13 November UK release date for Meddle see: "Pink Floyd – Echoes (click Echoes image link)"। pinkfloyd.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০০৯ 
  100. মেইসন ২০০৫, পৃ. ১৫৭: (প্রাথমিক উৎস); পুভি ২০০৮, পৃ. ১৪২–১৪৪: (মাধ্যমিক উৎস)
  101. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৫৫: Touring the US in November; 174: Pink Floyd: Live at Pompeii।
  102. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৫৫।
  103. Watts ১৯৯৬, পৃ. ৫৬–৫৭।
  104. "পিংক ফ্লয়েডের পর্যালোচনা – মেডল"। বিবিসি মিউজিক। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১২ 
  105. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১০৩–১০৪: ডার্ক সাইড-এর রেকর্ডিং সময়সূচী; হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১০৪: অ্যালান পারসনকে ডার্ক সাইড-এর প্রকৌশলী হিসেবে; শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৫৯: দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিবর্তে বরঙ খ্যাপামিরর ইঙ্গিত।
  106. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৬৪–১৭৩।
  107. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১৪০–১৪১: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ১৭৭: (প্রাথমিক উৎস)।
  108. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১৫১।
  109. ওয়েনস্টিন ২০০৭, পৃ. ৮৬।
  110. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১২–১৩, ৮৮–৮৯।
  111. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৬৬।
  112. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৬০।
  113. Hollingworth, Roy (১৯৭৩)। "ঐতিহাসিক তথ্য – ১৯৭৩ পর্যালোচনা, মেলডি মেকার"। pinkfloyd.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১১ 
  114. গ্রসম্যান, লয়েড (২৪ মে ১৯৭৩)। "দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন র্পযালোচনা"রোলিং স্টোন। ১৮ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০০৯ 
  115. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৬৬–১৬৭।
  116. বিলবোর্ড চার্ট ইতিহাসের জন্য দেখুন: টাইটাস, Christa; Waddell, Ray (২০০৫)। "Floyd's 'Dark Side' Celebrates Chart Milestone"বিলবোর্ড। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১২ ; বিক্রয় পরিসংখ্যান দেখতে: Smirke, Richard (১৬ মার্চ ২০১৩)। "Pink Floyd, 'The Dark Side of the Moon' At 40: Classic Track-By-Track Review"বিলবোর্ড। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৬ ; পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪৫: একটি ইউএস নাম্বার ১।
  117. "AC/DC's 'Back In Black' at 35: Classic Track-by-Track Album Review" 
  118. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪৫।
  119. হ্যারিস ২০০৫, পৃ. ১৭২–১৭৩।
  120. Staff. Consumer Price Index (estimate) 1800–2012. Federal Reserve Bank of Minneapolis. Retrieved February 22, 2012.
  121. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৭৩।
  122. পুভি ২০০৮, পৃ. ১৮৪।
  123. মেইসন ২০০৫, পৃ. ১৭৭: পারসন্স পিংক ফ্লয়েডের সাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
  124. শাপনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৪–১৮৫।
  125. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৪–১৮৫।
  126. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৭৮–১৮৪।
  127. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৪: এই মোটিফ ওয়াটার্সকে ব্যারেটের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়; ওয়াটকিনসন ও অ্যান্ডারসন ২০০১, পৃ. ১১৯: গিলমোর দুর্ঘটনাবশত সম্পূর্ণরূপে এই মোটিফ রচনা করেন।
  128. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৫–১৮৬।
  129. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৪।
  130. ওয়াটকিনসন ও অ্যান্ডারসন ২০০১, পৃ. ১২০।
  131. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৩১।
  132. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ১৮৯–১৯০।
  133. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪৬।
  134. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৩৬।
  135. পুভি ২০০৮, পৃ. ২০০।
  136. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪১–২৪২।
  137. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২১৮–২২০।
  138. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪৫–২৪৬: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ২২৩–২২৫: (প্রাথমিক উৎস)।
  139. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪৬।
  140. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪৬: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ২২৩–২২৫: (প্রাথমিক উৎস)।
  141. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪২–২৪৫।
  142. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪২।
  143. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪৪–২৪৫।
  144. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪২–২৪৩।
  145. পুভি ২০০৮, পৃ. ৩৪৭।
  146. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৪৭।
  147. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৫২–২৫৩।
  148. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৩৫–২৩৬।
  149. পুভি ২০০৮, পৃ. ২০৭।
  150. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৩০।
  151. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৫৮–২৫৯।
  152. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ২০৬–২০৮।
  153. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৬০।
  154. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৬০–২৬১।
  155. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৩৮।
  156. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৪০–২৪২: (প্রাথমিক উৎস); শাফনার ১৯৯১, পৃ. ২১৩: (মাধ্যমিক উৎস)।
  157. সিমন্স ১৯৯৯, পৃ. ৭৬–৯৫।
  158. শাফনার ১৯৯১, পৃ. ২১৯: এ কারণেই রাইট "বাদ পড়েছিলেন"; সিমন্স ১৯৯৯, পৃ. ৮৬–৮৮: রাইটের, "কোন মূল্যের অবদানই ছিল না"।
  159. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৪৬।
  160. সিমন্স ১৯৯৯, পৃ. ৮৮।
  161. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৬৯: রাইটের নাম অ্যালবামে প্রদর্শিত হয় নি, ২৮৫–২৮৬: সফরের সময় প্রদত্ত সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে রাইট দলে ছিল।
  162. মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৪৯।
  163. ব্রন্সন ১৯৯২, পৃ. ৫২৩: "অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল (অংশ ২)"-এর জন্য শীর্ষ ইউএস চার্টে অবস্থান; রবার্টস ২০০৫, পৃ. ৩৯১: "অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল (অংশ ২)"-এর জন্য শীর্ষ ইউকে চার্টে অবস্থান।
  164. রবার্টস ২০০৫, পৃ. ৩৯১: দ্য ওয়াল-এর জন্য শীর্ষ ইউকে চার্টে অবস্থান; রোসেন ১৯৯৬, পৃ. ২৪৬: দ্য ওয়াল-এর জন্য শীর্ষ ইউএস চার্টে অবস্থান।
  165. "RIAA's Top 100 Albums."আমেরিকার রেকর্ডিং শিল্প সমিতি। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১২ 
  166. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৭৯।
  167. র্স্কাফ ২০১০, পৃ. ৯১–১১৫।
  168. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৮৫–২৮৬।
  169. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৮৯।
  170. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৮৮–২৯২।
  171. পুভি ২০০৮, পৃ. ২২৯।
  172. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৯৪–২৯৫।
  173. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৯৬–২৯৮।
  174. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৯৬–২৯৮: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৬৮: (প্রাথমিক উৎস)
  175. ব্লেক ২০০৮, পৃ. ২৯৫–২৯৮: (মাধ্যমিক উৎস); মেইসন ২০০৫, পৃ. ২৬৮: (প্রাথমিক উৎস)
  176. Mason 2005, পৃ. 133–135।
  177. Schaffner 1991, পৃ. 128।
  178. Schaffner 1991, পৃ. 135–136।
  179. Schaffner 1991, পৃ. 156–157।
  180. George-Warren ২০০১, পৃ. ৭৬০।
  181. ও'নেইল সার্বার ২০০৭, পৃ. ১৯২।
  182. Croskery ২০০৭, পৃ. ৩৬।
  183. রেচ ২০০৭, পৃ. ২৬৮।
  184. ওয়েইনস্টাইন ২০০৭, পৃ. ৮১–৮২।
  185. Harris 2005, পৃ. 89।
  186. O'Neill Surber 2007, পৃ. 195।
  187. O'Neill Surber 2007, পৃ. 196।
  188. Detmer 2007, পৃ. 73।
  189. "Rock & Roll Hall of Fame: Pink Floyd biography"। Rock and Roll Hall of Fame। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  190. For 250 million records sold see: "Pink Floyd Reunion Tops Fans' Wish List in Music Choice Survey"Bloomberg Television। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭। ১২ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ ; For 75 million RIAA-certified units sold see: "Top Selling Artists"। Recording Industry Association of America। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ ; For 37.9 million albums sold since 1993 see: "The Nielsen Company & Billboard's 2012 Music Industry Report"Business Wire। ৪ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৪ 
  191. "Sunday Times Rich List 2013: Music Millionaires"। ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৩ 
  192. Olsen, Eric (৩ মার্চ ২০০৪)। "The 10 best rock bands ever: A purely subjective list of the groups that changed music forever"today.com। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  193. "100 Greatest Artists: 51) Pink Floyd"Rolling Stone। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  194. Barnes, Anthony (৩ অক্টোবর ২০০৪)। "Q: Which is biggest band of all time? A: And readers say..."The Independent। London। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  195. For VH1's "100 Greatest Artists of All Time" see: Juzwiak, Rich (১০ আগস্ট ২০১০)। "Who Will Come Out On Top Of VH1's 100 Greatest Artists Of All Time?"। VH1। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১২ 
  196. Larkin, Colin (১৯৯৮)। All Time Top 1000 Albums: The World's Most Authoritative Guide to the Perfect Record Collection। Virgin। পৃষ্ঠা 281। আইএসবিএন 978-0-7535-0258-7 
  197. Povey 2008, পৃ. 348: Grammy award for The Wall; For the 1982 BAFTA awards see: "BAFTA: Awards Database"। BAFTA। ১৯৮২। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  198. "And the Winners Are ..."The New York Times। ২ মার্চ ১৯৯৫। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  199. Nordstrom, Louise (২১ মে ২০০৮)। "Pink Floyd wins Polar Music Prize"USA Today। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১০ 
  200. Povey 2008, পৃ. 286: Rock and Roll Hall of Fame induction; Povey 2008, পৃ. 287: The UK Hall of Fame induction; For the Hit Parade Hall of Fame induction see: "Pink Floyd – 2010 Inductee"। Hit Parade Hall of Fame। ১২ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১২ 
  201. For Bowie naming Barrett an inspiration see: Bychawski, Adam (১১ জুলাই ২০০৬)। "David Bowie pays tribute to Syd Barrett"NME। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ; For Edge buying his first delay pedal see: McCormick, Neil (editor) (২০০৬)। U2 by U2। HarperCollins। পৃষ্ঠা 102। আইএসবিএন 978-0-00-719668-5 
  202. For Queen citing Pink Floyd as an influence see: Sutcillfe, Phil (২০০৯)। Queen: The Ultimate Illustrated History of the Crown Kings of Rock। Voyageur Press। পৃষ্ঠা 17। আইএসবিএন 978-0-7603-3719-6 ; For Kraftwerk see: Queenan, Joe (২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Vorsprung durch Techno"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১২ ; For Marillion see: Thore, Kim (২৭ আগস্ট ২০০৯)। "Steve Rothery Interview"। All Access Magazine। ২৫ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৪ ; For Tool see: The 50 Greatest Bands। Spin। ফেব্রুয়ারি ২০০২। পৃষ্ঠা 78। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১২ ; Manning 2006, পৃ. 288: Queensryche, the Orb, Nemrud, the Smashing Pumpkins; 289: Radiohead; Kitts ও Tolinski 2002, পৃ. 126: For Nine Inch Nails see the back cover.
  203. "Pop/Rock » Art-Rock/Experimental » Neo-Prog"AllMusic। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৫ 
  204. Lambe, Stephen। "New Prog Rock festival hits Gloucester"। BBC। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  205. Johnson, Steve (৬ মে ২০০৯)। "Cue the coconuts: 'Holy Grail' gallops on"Chicago Tribune। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৪ 
  206. "Pink Floyd exhibition announced for Victoria and Albert Museum"BBC News। ৩১ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৭ 
  207. "V&A - Pink Floyd: Their Mortal Remains"Victoria and Albert Museum। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৭ 
  208. "Ambitious, fascinating and faceless - just like Pink Floyd themselves: Their Mortal Remains, V&A, review"The Daily Telegraph। ৭ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৭ 
  209. "Pink Floyd exhibition set to become V&A's most visited music show"The Guardian। ৩০ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৭ 

উৎস[সম্পাদনা]

  • ব্লেক, মার্ক (২০০৮)। Comfortably Numb: The Inside Story of Pink Floyd [কমফোর্টেবলি নাম্ব: দ্য বনিসাইড স্টোরি অব পিংক ফ্লয়েড]। দ্য কপো প্রেস। আইএসবিএন 978-0-306-81752-6 
  • ব্রন্সন, ফ্রেড (১৯৯২)। ওইলের, ফ্রেড, সম্পাদক। The Billboard Book of Number One Hits [দ্য বিলবোর্ড বুক অব নাম্বার ওয়ান হিট্‌স]। বিলবোর্ড বুক্‌স (৩য় সংশোধিত সংস্করণ)। আইএসবিএন 978-0-8230-8298-8 
  • ব্রাউন, জিমি (মে ২০০৬)। "Sorcerer Full of Secrets" [সোসার ফুল অব সিক্রেটস]। গিটার ওর্য়াল্ড২৭ (৫)। 
  • ডাই পেরনা, অ্যালান (মে ২০০৬)। "Shine On" [শাইন অন]। গিটার ওর্য়াল্ড২৭ (৫)। 
  • ডাই পেরনা, অ্যালান (২০০২)। "মিস্ট্রিরিয়াস ওয়েস"। কিটস, জেফ; টলিনস্কি, ব্রাড। Guitar World Presents: Pink Floyd [গিটার ওর্য়াল্ড প্রেজেন্টস: পিংক ফ্লয়েড]। হাল লিওনার্ড। আইএসবিএন 978-0-7546-6708-7 
  • ক্রসকেরি, প্যাট্রিক (২০০৭)। "Pigs Training Dogs to Exploit Sheep: Animals as a Beast Fable Dystopia"। রেইশ, জর্জ এ। Pink Floyd and Philosophy: Careful with that Axiom, Eugene! [পিংক ফ্লয়েড অ্যান্ড ফিলোসফি: কেয়ারফুল উইথ দ্যাট এক্সিয়ম, ইউজিন!]। ওপেন কোর্ট। আইএসবিএন 978-0-8126-9636-3 
  • দিয়েটমার, ডেভিড (২০০৭)। "Dragged Down by the Stone: Pink Floyd, Alienation, and the Pressures of Life"। রেইশ, জর্জ ও। Pink Floyd and Philosophy: Careful with that Axiom, Eugene! [পিংক ফ্লয়েড অ্যান্ড ফিলোসফি: কেয়ারফুল উইথ দ্যাট এক্সিয়ম, ইউজিন!]। ওপেন কোর্ট। আইএসবিএন 978-0-8126-9636-3 
  • ফিচ, ভারনন (২০০৫)। The Pink Floyd Encyclopedia [দ্য পিংক ফ্লয়েড এনসাইক্লোপিডিয়া] (তৃতীয় সংস্করণ)। কালেক্টর'স গাইড পাবলিশিং। আইএসবিএন 978-1-894959-24-7 
  • ফিচ, ভারনন (২০০১)। Pink Floyd: The Press Reports 1966–1983 [পিংক ফ্লয়েড: দ্য প্রেস রিপোর্টস ১৯৬৬-১৯৮৩]। কালেক্টর'স গাইড পাবলিশিং ইনক। আইএসবিএন 978-1-896522-72-2 
  • ফিচ, ভারনন; মাহন, রিচার্ড (২০০৬)। Comfortably Numb: A History of "The Wall", Pink Floyd, 1978–1981 [কমফোর্টেবলি নাম্ব: অ্যা হিস্ট্রি অব "দ্য ওয়াল"] (১ম সংস্করণ)। পিএফএ পাবলিশিং, ইন্‌ক.। আইএসবিএন 978-0-9777366-0-7 
  • জর্জ-ওয়ারেন, হলি, সম্পাদক (২০০১)। The Rolling Stone Encyclopedia of Rock & Roll [দ্য রোলিং স্টোন এনসাইক্লোপিডিয়া অব রক অ্যান্ড রোল] (২০০৫ সংশোধিত এবং হালনাগাদ সংস্করণ)। ফায়ারসাইড। আইএসবিএন 978-0-7432-9201-6 
  • হ্যারিস, জন (২০০৫)। The Dark Side of the Moon [দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন] (১ম শক্তমলাট সংস্করণ)। দা কাপো। আইএসবিএন 978-0-306-81342-9 
  • হির্বাট, টম (১৯৯৬) [১৯৭১]। "Who the hell does Roger Waters think he is?"। ম্যাকডোনাল্ড, ব্রুনো। Pink Floyd: Through the Eyes of the Band, Its Fans and Foes [পিংক ফ্লয়েড: থ্রো দি আইস অব দ্য ব্যান্ড, ইট্স ফান্স অ্যান্ড ফোস]। দা কাপো। আইএসবিএন 978-0-306-80780-0 
  • কিটস, জেফ; টোলিন্সকি, ব্র্যাড, সম্পাদকগণ (২০০২)। Guitar World Presents: Pink Floyd [গিটার ওর্য়াল্ড প্রেসেন্টস : পিংক ফ্লয়েড]। হল লিওনার্ড। আইএসবিএন 978-0-7546-6708-7 
  • মাবেট, অ্যান্ডি (১৯৯৫)। The Complete Guide to the Music of Pink Floyd [দ্য কমপ্লিট গাইড টু দ্য মিউজিক অব পিংক ফ্লয়েড] (১ম ইউকে পেপারব্যাক সংস্করণ)। অমনিবাস প্রেস। আইএসবিএন 978-0-7119-4301-8 
  • ম্যানিং, টবি (২০০৬)। The Rough Guide to Pink Floyd [দ্য রাফ গাইড টু পিংক ফ্লয়েড] (প্রথম সংস্করণ)। রাফ গাইড। আইএসবিএন 978-1-84353-575-1 
  • মেইসন, নিক (২০০৫) [২০০৪]। ডড, ফিলিপ, সম্পাদক। Inside Out: A Personal History of Pink Floyd (পেপারব্যাক সংস্করণ)। ফিনিক্স। আইএসবিএন 978-0-7538-1906-7 
  • পুভি, গ্লেন (২০০৮) [২০০৭]। Echoes: The Complete History of Pink Floyd [ইকোস: দ্য কমপ্লিট হিস্ট্রি অব পিংক ফ্লয়েড]। মাইন্ড হেড পাবলিশিং। আইএসবিএন 978-0-9554624-1-2 
  • রিশ, জর্জ এ (২০০৭)। "The Worms and the Wall: Michael Foucault on Syd Barrett"। রিশ, জর্জ এ। Pink Floyd and Philosophy: Careful with that Axiom, Eugene! [পিংক ফ্লয়েড অ্যান্ড ফিলোসফি: কেয়ারফুল উইথ দ্যাট অ্যাক্সিয়ম, ইউজিন!]। ওপেন কোর্ট। আইএসবিএন 978-0-8126-9636-3 
  • রবার্টস, ডেভিড, সম্পাদক (২০০৫)। British Hit Singles & Albums [ব্রিটিশ হিট সিঙ্গেলস অ্যান্ড অ্যালবাম] (১৮ সংস্করণ)। গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস লিমিটেড। আইএসবিএন 978-1-904994-00-8 
  • রোসেন, ক্রেইগ (১৯৯৬)। লুকাস, পল, সম্পাদক। The Billboard Book of Number One Albums [দ্য বিলবোর্ড বুক অব নাম্বার ওয়ান অ্যালবামস]। বিলবোর্ডআইএসবিএন 978-0-8230-7586-7 
  • শাফনার, নিকোলাস (১৯৯১)। Saucerful of Secrets (প্রথম সংস্করণ)। সিডগউইক ও জ্যাকসন। আইএসবিএন 978-0-283-06127-1 
  • র্স্কাফ, জেরাল্ড (২০১০)। The Making of Pink Floyd: The Wall [দ্য মেকিং অব পিংক ফ্লয়েড: দ্য ওয়াল] (১ম ইউএস পেপারব্যাক সংস্করণ)। দা কাপো প্রেস। আইএসবিএন 978-0-306-81997-1 
  • সিমন্স, সিলভী (ডিসেম্বর ১৯৯৯)। "Pink Floyd: The Making of The Wall" [পিংক ফ্লয়েড: দ্য মেকিং অব দ্য ওয়াল]। মোজো ম্যাগাজিন। এমাপ মেট্রো। ৭৩ 
  • O'Neill Surber, Jere (২০০৭)। "Wish You Were Here (But You Aren't): Pink Floyd and Non-Being"। Reisch, George A। Pink Floyd and Philosophy: Careful with that Axiom, Eugene!। Open Court। আইএসবিএন 978-0-8126-9636-3 
  • Watkinson, Mike; Anderson, Pete (২০০১)। Crazy Diamond: Syd Barrett & the Dawn of Pink Floyd (প্রথম সংস্করণ)। Omnibus Press। আইএসবিএন 978-0-7119-2397-3 
  • Watts, Michael (১৯৯৬) [১৯৭১]। "Pink's muddled Meddle"। MacDonald, Bruno। Pink Floyd: Through the Eyes of the Band, Its Fans and Foes। Da Capo Press। আইএসবিএন 978-0-306-80780-0 
  • Weinstein, Deena (২০০৭)। "Roger Waters: Artist of the Absurd"। Reisch, George A। Pink Floyd and Philosophy: Careful with that Axiom, Eugene!। Open Court। আইএসবিএন 978-0-8126-9636-3 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • বেঞ্চ, জেফ; ও'ব্রায়ান, ড্যানিয়েল (২০০৪)। পিংক ফ্লয়েড'স দ্য ওয়াল: ইন দ্য স্টুডিও, অন স্টেজ অ্যান্ড অন স্ক্রিন (প্রথম ইউকে পেপারব্যাক সংস্করণ)। রেইনল্ডস এবং র্হান। আইএসবিএন 978-1-903111-82-6 
  • র্হান, মার্কাস (২০১২)। পিংক ফ্লয়েড। টাইটান বুকস। আইএসবিএন 978-0-85768-664-0 
  • জোন্স, ক্লিফ (১৯৯৬)। অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল: দ্য স্টোরিস বিহাইন্ড এভরি পিংক ফ্লয়েড সংআইএসবিএন 978-0-553-06733-0 
  • ম্যাবেট, অ্যান্ডি (২০১০)। পিংক ফ্লয়েড: দ্য মিউজিক অ্যান্ড দ্য মিস্ট্রি। অমনিবাস প্রেস। আইএসবিএন 978-1-84938-370-7 
  • ম্যাবেট, অ্যান্ডি; মাইলস (১৯৮৮)। পিংক ফ্লয়েড: ২৫তম বার্ষিকী সংস্করণ (ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি)আইএসবিএন 978-0-7119-4109-0 
  • মাইলস, ব্যারি (২০০৭)। পিংক ফ্লয়েড। অমনিবাস প্রেস। আইএসবিএন 978-1-84609-444-6 
  • প্যালাসিয়স, জুলিয়ান (২০০১)। লস্ট ইন দ্য উডস: সিয ব্যারেট অ্যান্ড দ্য পিংক ফ্লয়েডআইএসবিএন 978-0-7522-2328-5 
  • পুভি, গ্ল্যান; রাসেল, ইয়ান (১৯৯৭)। পিংক ফ্লয়েড: ইন দ্য ফ্লেশ: দ্য কমপ্লিট পারফরমেন্স হিস্ট্রি (প্রথম ইউএস পেপারব্যাক সংস্করণ)। সেন্ট মার্টিন প্রেস। আইএসবিএন 978-0-9554624-0-5 
  • রেইসিং, রাসেল (২০০৫)। স্পিক টু মি। আশগেট পাবলিশিং, লিমিটেড। আইএসবিএন 978-0-7546-4019-6 
  • রুলমান, উইলিয়াম (২০০৪)। ব্রেকিং রেকর্ডস। রুটলেজ। আইএসবিএন 978-0-415-94305-5 
  • রুলমান, উইলিয়াম (১৯৯৩)। পিংক ফ্লয়েড। স্মিথর্মাক। আইএসবিএন 978-0-8317-6912-3 
  • স্নাইডার, চার্লস (২০০৮)। দ্য স্ট্রবেরি ব্রিক্‌স গাইড টু প্রোগ্রেসিভ রক। স্ট্রবেরি ব্রিকস। আইএসবিএন 978-0-615-17566-9 
তথ্যচিত্রসমূহ
  • ক্রিয়েটস্পেস (২০০৯)। পিংক ফ্লয়েড: মেডল (Streaming video)। সেক্সি ইন্টেলেকচুয়াল। ASIN B002J4V9RI 
  • জন এডগিন্টন (পরিচালক) (২০১২)। পিংক ফ্লয়েড: দ্য স্টোরি অব উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার (রঙিন, এনটিএসসি, ডিভিডি)। ঈগল রক এন্টারটেইনমেন্ট। ASIN B007X6ZRMA 
  • ম্যাথু লংফেলো (পরিচালক) (২০০৩)। ক্লাসিক অ্যালবামস: দ্য মেকিং অব দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন (রঙিন, ডলবি, এনটিএসসি, ডিভিডি)। ঈগল রক এন্টারটেইনমেন্ট। ASIN B0000AOV85 
  • পিংক ফ্লয়েড (২০০৭)। পিংক ফ্লয়েড – দেন অ্যান্ড নাও (রঙিন, এনটিএসসি, ডিভিডি)। Pride। ASIN B007EQQX04 
  • পিংক ফ্লয়েড (২০১০)। পিংক ফ্লয়েড – হোয়াটএভার হ্যাপেন্ড টু পিংক ফ্লয়েড? (রঙিন, এনটিএসসি, ডিভিডি)। সেক্সি ইন্টেলেকচুয়াল। ASIN B004D0AMN8 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]