এটি একটি ভাল নিবন্ধ। আরও তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

২০০৩ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০০৩ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর
Flag of Australia.svg
অস্ট্রেলিয়া
Flag of Bangladesh.svg
বাংলাদেশ
তারিখ ২৭ জুন ২০০৩ – ৬ আগস্ট ২০০৩
অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ খালেদ মাহমুদ
টেস্ট সিরিজ
ফলাফল ২-ম্যাচের সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ২–০ তে জয়ী হয়
সর্বাধিক রান ড্যারেন লেহম্যান (২৮৭) হান্নান সরকার (১৬৬)
সর্বাধিক উইকেট স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (১৭) মাশরাফি বিন মর্তুজা (৪)
সিরিজ সেরা স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (অস্ট্রেলিয়া)
একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ
ফলাফল ৩-ম্যাচের সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ৩–০ তে জয়ী হয়
সর্বাধিক রান রিকি পন্টিং (১৩০) অলক কাপালি (৮৩)
সর্বাধিক উইকেট ইয়ান হার্ভে (৫)
ব্র্যাড হগ (৫)
মোহাম্মদ রফিক (৩)
মাশরাফি বিন মর্তুজা (৩)
সিরিজ সেরা রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া)

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে দুটি টেস্ট ও তিনটি ওডিআই ম্যাচ খেলে। অল-রাউন্ডার খালেদ মাহমুদ এই সফরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন। অস্ট্রেলিয়া দলকে দুইজন নেতৃত্ব দেন। টেস্টে স্টিভ ওয়াহ ও ওডিআই-এ রিকি পন্টিং। এই সিরিজের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ার কোন রাজ্যের রাজধানীর বাইরে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়; ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয় কেয়ার্ন্স-এর বান্ডাবার্গ রাম স্টেডিয়াম এবং নতুন করে মানোন্নয়ন করা ডারউইনের মারারা ওভালে

অস্ট্রেলিয়া সহজেই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জয় করে। বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ওডিআই সিরিজেও ভাল ছিল না এবং তাঁরা কোন ইনিংসেই ১৪৭ রানের বেশি করতে সক্ষম হয় নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে।

পটভূমি[সম্পাদনা]

২০০০ সালের নভেম্বরে দশম টেস্ট দল হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা পাওয়ার পর থেকে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বাংলাদেশ দলের কোন টেস্ট জয় ছিল না, শুধু র‍্যাঙ্কিং-এর নিচের দিকের দল জিম্বাবুয়ের সাথে ১টি মাত্র টেস্ট ড্র। ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ-এ পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক বিজয়ের পর থেকে তাদের ওডিআই ফর্মও ভাল ছিল না। যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই জয় বাংলাদেশকে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পথে অনেকটা এগিয়ে দেয়।[১] অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে দুটি টেস্টেই বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া এপ্রিল থেকে টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩-১ অ্যাওয়ে জয় ও ওডিআইতে একই দলের সঙ্গে ৪-৩ জয় পেয়েছিল।[২] এর আগে একই বছর অনুষ্ঠিত ২০০৩ ওডিআই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং-এর নেতৃত্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন (১০ ম্যাচ) হয়। লেগ-স্পিনার শেন ওয়ার্ন না থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে পরাজিত করে। বিশ্বকাপের শুরুর আগে সিরিজ চলাকালীন হওয়া ড্রাগ পরীক্ষায় রক্তে নিষিদ্ধ ডিউরেটিক পাওয়া যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক শেন ওয়ার্নকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।[২] এর ফলে ওয়ার্ন আন্তর্জাতিক প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ছিলেন।[৩]

প্রথম টেস্টের আগের দিন সাবেক অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান ডেভিড হুকস বলেন যে, বাংলাদেশ টেস্ট খেলার যোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন যে অস্ট্রেলিয়া টেস্টগুলি ১ দিনের মধ্যে জিততে পারে।[৪]

টেস্ট সিরিজ[সম্পাদনা]

প্রথম টেস্ট[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ (ছবিতে) নিজের ক্যারিয়ারের ৩১তম সেঞ্চুরি করেন।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে মারারা ওভাল বিশ্বের ৮৯তম এবং অস্ট্রেলিয়ার অষ্টম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষিক্ত হয়। ম্যাচের ১ মাস পূর্বে মেলবোর্ন থেকে আনা মন্থর ও নিচু ড্রপইন পিচে টসে জয়ী হয়ে অস্ট্রেলিয়া দল ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।[৫] মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ ৯৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়। শুধুমাত্র মোহাম্মদ আশরাফুল (২৩) ও খালেদ মাহমুদ (২১) প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম হন।[৪] অস্ট্রেলীয় বোলাররা একসাথে জ্বলে ওঠেন। ব্রেট লিগ্লেন ম্যাকগ্রা ৩টি করে উইকেট লাভ করেন। ম্যাকগ্রা ও জেসন গিলেস্পি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সফল উদ্ভোদনী বোলিং জুটির তালিকায় কিথ মিলাররে লিন্ডওয়াল জুটিকে টপকে অস্ট্রেলিয়ার সেরা উদ্ভোদনী বোলিং জুটি হিসেবে এ তালিকায় স্থান পান।[৫][তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের শট নির্বাচনে কোচ ডেভ হোয়াটমোর সন্তুষ্ট ছিলেন না। তিনি বলেন, "কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন এবং আমরা সেই জায়গায় উন্নতি করার চেষ্টা করছি।[৬] পিচের কারণে শুরুতে অস্ট্রেলিয়া দলকেও সংগ্রাম করতে হয়। রিকি পন্টিং ১০ রানে আউট হলে অস্ট্রেলিয়া দলের স্কোর দাড়ায় ২/৪৩-এ। তবে এর পর ড্যারেন লেহম্যান তাণ্ডব শুরু করেন। তিনি নিজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি (১১০) করেন। পরবর্তীতে গ্যারি কার্স্টেন-এর পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে সকল টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন। সেঞ্চুরি করার পর তিনি ৭/৪০৭ রানে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ঘোষণা করেন। ২৩ ওভারে ৭৪ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়ে শুধুমাত্র বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার মাশরাফি বিন মর্তুজা অস্ট্রেলিয়ার জন্য হুমকির কারণ ছিলেন।[৭] দিনের খেলা শেষে লেহম্যান বলে,"মাঠে খেলা কঠিন ছিল। তাঁরা তাদের অস্ত্র ভালভাবেই ব্যবহার করেছে। তাঁরা সঠিক জায়গায় এগুলো ব্যবহার করে আমাদের জন্য রান করা কঠিন করে ফেলেছিল।" টেস্ট খেলুড়ে ৯ টি দেশের বিপক্ষেই সেঞ্চুরি পাওয়া মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হওয়া প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে, ওয়াহ বলেন,

আপনি যদি লম্বা সময় ধরে খেলেন তবে অবশ্যই আপনি বিভিন্ন মাইলফলকে পৌছাতে পারবেন এবং বিভিন্ন রেকর্ড অতিক্রম করতে পারবেন এবং আমি নিশ্চিত যে আমার পরবর্তীকালে কেউ এগুলো ভাঙ্গবে। কিন্তু কোন কিছু অর্জন করা চমৎকার এবং সকল দেশের বিপক্ষে শত রান করা এমন একটি ব্যাপার যার জন্য আমি গর্ববোধ করি। আমি রেকর্ডের ব্যাপারে চিন্তিত নই। আমি শুধু মাঠে যেতে চাই এবং ভাল খেলতে চাই এবং আমি যা বলেছি, যদি আমি মনে করে আমি উন্নতি করতে পারব না তাহলে আমার সেখানে থাকা উচিত নয়।[৮]

অস্ট্রেলিয়াকে আবার ব্যাটিং-এ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের ৩১০ রানের প্রয়োজন ছিল এবং তাঁরা দ্বিতীয় দিন শেষ হওয়ার আগে আক্রমণে যায়। ৫ রানে ম্যাকগ্রার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে জাভেদ ওমর আউট হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও উদ্ভোদনী ব্যাটসম্যান হান্নান সরকার ও বাংলাদেশের হয়ে তৎকালীন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার বাংলাদেশের রান ৮৯-এ নিয়ে যান। হান্নান সরকার ৩৫ রানে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে এই জুটিতে ৩.৯৮ হারে রান উঠছিল।[৭] এই উইকেটের ফলে বাংলাদেশের ইনিংসে ধ্বস নামে এবং বাংলাদেশ ১৭৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। অস্ট্রেলীয় লেগস্পিনার স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৬৫ রানে ৫ উইকেট নেন যা তাঁর ক্যারিয়ারের ৭ম ৫ উইকেট প্রাপ্তি ছিল এবং অস্ট্রেলিয়া এক ইনিংস ও ১৩২ রানে বিজয়ী হয়। খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি ৩৭ টি টেস্ট জয় নিয়ে ওয়াহ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্লাইভ লয়েডকে টপকে টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হন।[৫][৯]

১৮ জুলাই - ২০ জুলাই
স্কোরকার্ড
৯৭ (৪২.২ ওভার)
মোহাম্মদ আশরাফুল ২৩ (৫২)
গ্লেন ম্যাকগ্রা ৩/২০ (১৩ ওভার)
৪০৭/৭ডি (১১৭.৫ ওভার)
ড্যারেন লেহম্যান ১১০ (২২১)
মাশরাফি বিন মর্তুজা ৩/৭৪ (২৩ ওভার)
১৭৮ (৫১.১ ওভার)
হাবিবুল বাশার ৫৪ (৯১)
স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৬৫ (১৩.১ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১৩২ রানে বিজয়ী
মারারা ওভাল, ডারউইন, অস্ট্রেলিয়া, উপ: ১৩,৮৬২
আম্পায়ার: রুডি কোয়ের্তজেনডেভিড শেফার্ড
ম্যাচসেরা: স্টিভ ওয়াহ

দ্বিতীয় টেস্ট[সম্পাদনা]

স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (ছবিতে) ১৭ উইকেট নিয়ে টেস্ট সিরিজের ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বান্ডাবার্গ রাম স্টেডিয়াম বিশ্বের ৯০তম এবং অস্ট্রেলিয়ার নবম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষিক্ত হয়। উইজডেন এর মতে, "...বৃষ্টি এই পিচের গুনমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বৃষ্টির ফলে পিচ সবুজাভ ছিল এবং যা অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলারদের জন্য সুখবর ছিল।" যখন অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়, তখন আশঙ্কা ছিল যে বাংলাদেশকে ইনিংসে ১০০ করতে সংগ্রাম করতে হবে। ডারউইন এর চেয়ে গতিশীল উইকেটে হান্নান সরকার প্রত্যাশার চেয়ে ভাল খেলেন। তিনি ৯ বাউন্ডারিতে ৭৬ রান সংগ্রহ করেন।[১০] অস্ট্রেলীয় বোলারদের আক্রমণের ঘাটতির সুযোগে তিনি এবং হাবিবুল বাশার দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১০৮ রান যোগ করেন। জাভেদ ওমর (২৬), হাবিবুল বাশার (৪৬) সানোয়ার হোসেন (৪৬) এবং খালেদ মাসুদ (৪৪) ভাল সূচনা করলেও বড় ইনিংস খেলতে না পারায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ২৯৫ রানে অল-আউট হয়ে যায়।[১১] ম্যাকগিল আরও একবার ৫ উইকেট নেন, যদিও গিলেস্পি ব্যতীত অন্যান্য বোলাররা সীমিত সফলতা লাভ করেন। ল্যাঙ্গার (১) শুরুতেই আউট হয়ে গেলেও হেইডেন (৫০) ও পন্টিং (৫৯) অর্ধশত রান করেন এবং তাঁরা অস্ট্রেলিয়ার রানকে ২/১০৫ এ নিয়ে যান। পরে লেহম্যান ও ওয়াহ তাদের ডারউইন-এর ফর্ম বজায় রেখে এই টেস্টেও সেঞ্চুরি তুলে নেন। লেহম্যান ১৭৭ ও ওয়াহ ১৫৬ রান করেন। ওয়াহ এই সেঞ্চুরির ফলে ৩২ সেঞ্চুরি নিয়ে শচীন তেন্ডুলকর এর উপরে এবং শুধুমাত্র সুনীল গাভাস্কার (৩৪) এর পিছনে ছিলেন। লেহম্যান এর ইনিংসের ১০৫ রান যোগ হয় দ্বিতীয় দিনের চা বিরতি থেকে দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময়ের মধ্যে। তিনি আউট হওয়ার পর মার্টিন লাভ নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন। ১২৮ রানে দুই উইকেট নিয়ে শুধুমাত্র সানোয়ার হোসেন ১ এর অধিক উইকেট নিতে সক্ষম হন যদিও পরে সন্দেহভাজন বোলিং অ্যাকশনের দায়ে তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়।"[১২][১৩]

হান্নান সরকার দ্বিতীয় ইনিংসেও অর্ধশত রান করেন। যদিও নিজের তৃতীয় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাকগিল এবং ৮ বলের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে গিলেস্পি বাংলাদেশ দলের ইনিংসে ধস নামান।[১০] মাত্র ১৬৩ রানে অলআউট হওয়া সত্ত্বেও ওয়াহ মনে করেন যে "বাংলাদেশের ব্যাটিং, তৎকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং এবং শারজায় পাকিস্তানের ব্যাটিং এর চেয়ে অনেক ভাল ছিল।" সিরিজে ২টি করে সেঞ্চুরি করা সত্ত্বেও লেহম্যান ও ওয়াহ এর বদলে ১৭ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হন ম্যাকগিল।[১৩] কোচ ডেভ হোয়াটমোরও, ১ম টেস্টের পর হওয়া বাংলাদেশের উন্নতিতে সন্তুষ্ট ছিলেন।

আমরা ডারউইন এর চেয়ে ১ দিন বেশি এই টেস্টকে নিয়ে গিয়েছি। আমি মনে করে সেখানে অবশ্যই উন্নতি হয়েছে। রুখে দাড়িয়ে ১ম ইনিংসে ২৯৫ রান করা, আমার মতে চমৎকার ছিল। এই মানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা সহজ ছিল না। বোধহয় ভবিষ্যতে তাদের চেয়ে কম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা সহজ হবে এবং আমরা এগিয়ে যেতে পারব। প্রায় সব মানুষ অস্ট্রেলিয়ার পেস শক্তি সম্পর্কে বলছিল কিন্তু সিরিজের ম্যান অফ দ্যা সিরিজ এবং সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী ছিলেন একজন স্পিনার [স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল]। আমার মতে আমরা গতিময় বোলারদের বিপক্ষে যে রকম চেষ্টা করেছি, তা ধীরগতির বোলারদের বিপক্ষে করতে পারি নি।"[১৪]

২৫ জুলাই - ২৮ জুলাই
স্কোরকার্ড
২৯৫ (৯২.১ ওভার)
হান্নান সরকার ৭৬ (১৩৬)
স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৭৭ (২৪ ওভার)
৫৫৬/৪ডি (১৩৯.২ ওভার)
ড্যারেন লেহম্যান ১৭৭ (২০৭)
সানোয়ার হোসেন ২/১২৮ (৩০ ওভার)
১৬৩ (৫৮.৪ ওভার)
হান্নান সরকার ৫৫ (১০৪)
স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৫৬ (২০ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৯৮ রানে বিজয়ী
বান্ডাবার্গ রাম স্টেডিয়াম, কেয়ার্নস, অস্ট্রেলিয়া, উপ: ১৩২৭৯
আম্পায়ার: রুডি কোয়ের্তজেনডেভিড শেফার্ড
ম্যাচসেরা: স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল

টেস্ট স্কোয়াড[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ [১৫]  অস্ট্রেলিয়া[১৬]
খালেদ মাহমুদ (অঃ) স্টিভ ওয়াহ (অঃ)
আল শাহরিয়ার অ্যান্ডি বিকেল
অলক কাপালি অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (উই)
আনোয়ার হোসেন মনির জেসন গিলেস্পি
হাবিবুল বাশার ম্যাথু হেইডেন
হান্নান সরকার ব্র্যাড হগ
জাভেদ ওমর জাস্টিন ল্যাঙ্গার
খালেদ মাসুদ (উই) ব্রেট লি
মানজারুল ইসলাম রানা ড্যারেন লেহম্যান
মাশরাফি বিন মর্তুজা মার্টিন লাভ
মোহাম্মদ আশরাফুল স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল
মোহাম্মদ রফিক গ্লেন ম্যাকগ্রা
সানোয়ার হোসেন রিকি পন্টিং
তাপস বৈশ্য
তারেক আজিজ

ওডিআই সিরিজ[সম্পাদনা]

১ম ওডিআই[সম্পাদনা]

বাংলাদেশকে ব্যাটিং-এ পাঠানোর পর অস্ট্রেলীয়রা শুরুতেই কয়েকটি উইকেট তুলে নেয়। টেস্টের চেয়ে গতিশীল পিচে লি এবং গিলেস্পির সামনে বাংলাদেশ দিশেহারা হয়ে পরে। তাঁরা মাত্র ১৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে এবং পরে আর এই ধাক্কা সামলাতে পারে নি। ফলে ৩৪ ওভারেই মাত্র ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। মাত্র ৩ জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরের রান করতে সক্ষম হয়। লি এবং গিলেস্পি পেসদ্বয় ইনিংসের ৭ উইকেট নেন। ২৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে অ্যান্ডি বিকেলও উইকেট পাওয়াদের দলে নাম লিখান।

বাংলাদেশের এই দুর্বল ব্যাটিং পারফরম্যান্সের কারণে লাঞ্চের পূর্বেই শুরু হয় এবং ওপেনার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট উইকেটের পিছনে মাশরাফিকে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে ১৮ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। পরে হেডেন (৪৬) ও পন্টিং মূল্যবান ব্যাটিং অনুশীলনের সুযোগে ৭৪ রানের জুটি গড়েন। পন্টিং ২৯ রানে মোহাম্মদ রফিকের বলে বোল্ড আউট হন। ২৭ ওভারের বেশি বাকি থাকতে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটের জয় পাওয়ায়, ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ-এ আঙুল ভেঙ্গে ছিটকে যাওয়ার পর, প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা ডেমিয়েন মার্টিনের ইনিংস মাত্র ১ বল খেলেই শেষ হয়। পন্টিংয়ের উইকেটের পাশাপাশি মোহাম্মদ রফিক ৫ ওভারে মাত্র ৭ রান দেন।[১৭][১৮][১৯]

২ আগস্ট
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
১০৫ (৩৪ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১০৭/২(২২.৩ ওভার)
তুষার ইমরান ২৮ (৩৩)
ব্রেট লি ৪/২৫ (৮ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয় এবং ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।

২য় ওডিআই[সম্পাদনা]

ভাঙ্গা আঙুলের কারণে ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এই সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ডেমিয়েন মার্টিন (ছবিতে) ৯১ রান করেন।

বাংলাদেশ টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ধীরগতির সূচনা করে। তবে ১৪ ওভারে ৩৭ রান করার পর হান্নান সরকার (খালেদ মাসুদের অনুপস্থিতিতে উইকেট-রক্ষক) ১৯ রানে ইয়ান হার্ভে-এর বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৯ রানে পরে তাঁর উদ্বোধনী সঙ্গী, জাভেদ ওমর ১১ রান করে আউট হন। সানোয়ার হোসেনও দ্রুত আউট হয়ে যান, ফলে বাংলাদেশের স্কোর দাড়ায় ৩/৫২। শুধুমাত্র হাবিবুল বাশার (৩১) প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে মিডল অর্ডার ব্র্যাড হগের স্পিনের সামনে ভেঙ্গে পরে। তবে অলক কাপালির ৪৪ বলে ৩৪ লোয়ার অর্ডারে বিনোদনদায়ী ইনিংস ছিল। হগ ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন। লেহম্যান ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস-এর ইতি টানেন এবং বাংলাদেশ ৪৬ ওভারে ১৪৭ রানে অল-আউট হয়।

বাংলাদেশের উদ্ভোদনী বোলার, মাশরাফির অনুপস্থিতে অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসমাইকেল বেভান-কে দিয়ে ইনিংস শুরু করে, যার উদ্দেশ্য ছিল মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যান দের খেলার সুযোগ করে দেয়া। সাইমন্ডস মাত্র ৭ রান করে হাসিবুল হোসেন-এর বলে আউট হয়ে যান। মার্টিং, বেভানের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন, এবং আক্রমণাত্মক ব্যাটিং-এর মধ্য দিয়ে বোলারদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। ভাঙ্গা আঙুলের কারণে ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এই সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা মার্টিন মাত্র ২২ বলে অর্ধশত রান করেন, যা অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দ্রুততম অর্ধশত রানের রেকর্ড। তিনি গিলক্রিস্ট ও অ্যালান বর্ডার এর করা ৭৮ বলের অস্ট্রেলিয়ার দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙ্গার পথেই ছিলেন। তিনি এবং বেভান মিলে ৯১ বলে ১৩১ রান যোগ করেন এবং অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেটে জয়লাভ করে। ৫১ বলে ৯২ রান করে মার্টিন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হন। বেভান করেন ৬২ বলে ৪০ রান। মার্টিন বাংলাদেশের অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ-এর উপর বেশি চড়াও ছিলেন। মাহমুদের ১ ওভারে তিনি টানা ৩ টি চার ও ১ টি ছয় মারেন। মাহমুদ ৩ ওভারে ৩৪ রান দেন এবং কোন উইকেট পাননি।[২০][২১][২২]

৩ আগস্ট
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
১৪৭ (৪৫.১ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১৪৮/১ (২০.২ ওভার)
অলক কাপালি ৩৪ (৪৪)
ড্যারেন লেহম্যান ৩/১৬ (৪.১ ওভার)
  • বাংলাদেশ টসে জয়ী হয় এবং ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

৩য় ওডিআই[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিং (ছবিতে) ১২ মাসের মধ্যে নিজের ১২তম সেঞ্চুরি করেন।

অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিং টসে জিতে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত নেয়ার মাধ্যমে ডারউইনে সিরিজটি সমাপ্ত হয়। অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক নিজের ইনিংসটি খেলার পূর্বে মোহাম্মদ রফিকের ২ উইকেট লাভ এবং তাঁর আঁটসাঁট বোলিং-এর কারণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস দাড়ায় ৪ উইকেটে ১১৪ তে। তবে বেভান ও পন্টিং এর ১২৭ রানের জুটিতে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাড়ায়। বিস্ময়করভাবে অস্ট্রেলীয় অধিনায়কের ১৪তম সেঞ্চুরি করা ইনিংসে চারের মার ছিল মাত্র ২ টি। ৪ টি ছয় মারার পরেও অস্ট্রেলিয়া ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৪ রান সংগ্রহ করে। ৩য় ওডিআইয়ে দলে ফিরে আসা মাশরাফি ইনিংসের শেষ দিকে ২ টি উইকেট নেন, কিন্তু মোহাম্মদ রফিক ও অলক কাপালি বাদে বাকি বোলারদের মধ্যে ঘাটতি দেখা যায়।

অস্ট্রেলিয়ার শক্ত বোলিং-এর কারণে বাংলাদেশের ইনিংসের রান দাড়ায় ৫/৩৬। বিকেল ও হার্ভেকে মারতে গিয়ে হাবিবুল বাশার (২) ও মোহাম্মদ আশরাফুল (২) রান করে আউট হন, যার কারণ ছিল জেসন গিলেস্পির মিতব্যয়ী বোলিং। গিলেস্পি ১০ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ১ উইকেট লাভ করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সানোয়ার হোসেনের সাথে অলক কাপালি জুটিতে ৬৬ রান যোগ করেন তাঁরা যেখানে অলক কাপালি ৪৯ রানের একটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশ ৪৮তম ওভারে ১৪২ রান করে অল-আউট হয় এবং অস্ট্রেলিয়া ১১২ রানে জয়লাভ করে। ইয়ান হার্ভে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। পন্টিং ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন।[২৩][২৪][২৫] টেস্ট ও ওডিআই সিরিজ চলাকালীন সময়, ক্রিকেট ঐতিহাসিক গিডিওন হেই এর মতে, " কেয়ার্নস ও ডারউইন এর মিলিত জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ খেলা দেখে।"[৪]

৬ আগস্ট
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
২৫৪/৭(৫০ ওভার)
 বাংলাদেশ
১৪২ (৪৭.৩ ওভার)
রিকি পন্টিং ১০১ (১১৮)
মোহাম্মদ রফিক ২/৩১ (১০ ওভার)
অলক কাপালি ৪৯ (৬৪)
ইয়ান হার্ভে ৪/১৬ (৬.৩ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয় এবং ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ভবিষ্যৎ[সম্পাদনা]

ভিবি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) -তে অস্ট্রেলিয়া ভারতের বিপক্ষে খেলছে।

অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সিরিজ ছিল ২০০৩ সালের অক্টোবর মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ অস্ট্রেলীয় ওপেনার ম্যাথু হেডেন ওয়াকা গ্রাউন্ড-এ ১ম টেস্টে ৩৮০ রানের তখনকার টেস্টের সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন। সিডনির সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড-এ অনুষ্ঠিত ২য় টেস্টে সহজেই জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া ২-০ তে সিরিজটি জিতে নেয়।[২৬] তারপর তাঁরা ভারতের সঙ্গে ডিসেম্বর ও জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত একটি ৪ টেস্টের সিরিজে ১-১ ব্যবধানে ড্র করে। সিরিজের চতুর্থ টেস্ট ছিল স্টিভ ওয়াহের ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট যা তাঁর ঘরের মাঠ এসসিজিতে খেলা হয়। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠিত ভিবি একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতে নেয়।

এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্কোয়াড[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ [২৭]  অস্ট্রেলিয়া[২৮]
খালেদ মাহমুদ () রিকি পন্টিং ()
আল শাহরিয়ার মাইকেল বেভান
অলক কাপালি অ্যান্ডি বিকেল
আনোয়ার হোসেন মনির অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (উই)
হাবিবুল বাশার জেসন গিলেস্পি
হান্নান সরকার ইয়ান হার্ভে
হাসিবুল হোসেন ম্যাথু হেডেন
জাভেদ ওমর ব্র্যাড হগ
খালেদ মাসুদ (উই) ব্রেট লি
মাশরাফি বিন মর্তুজা ড্যারেন লেহম্যান
মোহাম্মদ আশরাফুল ডেমিয়েন মার্টিন
মোহাম্মদ রফিক অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস
সানোয়ার হোসেন ব্র্যাড উইলিয়ামস
তাপস বৈশ্য
তুষার ইমরান

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ahmed, Parveen (২০০০-০৬-২৭)। "Bangladesh celebrates after ICC confirms Test status" (ইংরেজি ভাষায়)। The Independent। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৯ 
  2. Haigh (2004), p. 668–669.
  3. "Ban will lengthen career, says Warne" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৯-০৪-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৯ 
  4. Haigh (2004), p. 670.
  5. Lynch, Steven (২০০৪)। "Australia v Bangladesh: First Test" (ইংরেজি ভাষায়)। Wisden Almanack। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  6. McConnell, Lynn (২০০৯-০৮-২০)। "Bangladesh no match for Australian fire" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  7. McConnell, Lynn (২০০৯-০৮-২০)। "Hundreds for Waugh and Lehmann as Australia take charge" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  8. "'Nice to overcome those tough times': Waugh" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৯-০৮-১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  9. McConnell, Lynn (২০০৯-০৮-২০)। "Australia complete an innings victory" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  10. Lynch, Steven (২০০৪)। "Australia v Bangladesh: Second Test" (ইংরেজি ভাষায়)। Wisden Almanack। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  11. McConnell, Lynn (২০০৩-০৭-২৫)। "Bangladesh build respectable total at Cairns" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  12. McConnell, Lynn (২০০৩-০৭-২৬)। "Lehmann flourishes after Bangladesh dismissed for 295" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  13. McConnell, Lynn (২০০৩-০৭-২৬)। "All's fair for Love and Waugh as Bangladesh struggle" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  14. "'Bangladesh are well on their way': Waugh" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৩-০৭-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  15. "Squads - Bangladesh Test Squad" (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৫ 
  16. "Squads - Australia Test Squad"। ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৫ 
  17. McConnell, Lynn (২০০৩-০৮-০২)। "Australian pace attack too hot for Bangladesh" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  18. Lynch, Steven (২০০৩-০৮-০২)। "Australia v Bangladesh: First One-Day International" (ইংরেজি ভাষায়)। Wisden Almanack। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  19. "Bangladesh in Australia ODI Series - 1st ODI: Fall of wickets and partnerships" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৩-০৮-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  20. McConnell, Lynn (২০০৩-০৮-০৩)। "Martyn pulverises ineffectual Bangladesh" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  21. Lynch, Steven (২০০৩-০৮-০৩)। "Australia v Bangladesh: Second One-Day International" (ইংরেজি ভাষায়)। Wisden Almanack। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  22. "Bangladesh in Australia ODI Series - 2nd ODI: Fall of wickets and partnerships" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৩-০৮-০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  23. McConnell, Lynn (২০০৩-০৮-০৬)। "Australia overwhelm Bangladesh ... again" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  24. Lynch, Steven (২০০৩-০৮-০৬)। "Australia v Bangladesh: Third One-Day International" (ইংরেজি ভাষায়)। Wisden Almanack। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  25. "Bangladesh in Australia ODI Series - 3rd ODI: Fall of wickets and partnerships" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। ২০০৩-০৮-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০৭ 
  26. Haigh (2004), p. 671.
  27. "Squads - Bangladesh ODI Squad" (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৫ 
  28. "Squads - Australia ODI Squad"। ৮ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৫ 

টীকা[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]