বিষয়বস্তুতে চলুন

সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
১৯৪১ সালের চলচ্চিত্র সিটিজেন কেনের প্রচারমূলক স্থিরচিত্র

সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্ধারণ করার কোন নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই। তবে বিভিন্ন সাময়িকী এবং ভোটাভুটিতে মাঝেমাঝেই সেরা চলচ্চিত্রগুলোর নাম উঠে আসে। এখানে সেই চলচ্চিত্রগুলোকেই সাজানো হবে যেগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। যেগুলো সর্বাধিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে সেগুলোকে প্রথমে দেয়া হবে এবং এভাবেই ক্রম নির্ধারণ করা হবে।

সমালোচক ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের দৃষ্টিতে

[সম্পাদনা]

সাইট অ্যান্ড সাউন্ড ম্যাগাজিন

[সম্পাদনা]

১৯৫২ সাল থেকে প্রতি দশকে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র বিষয়ক সাময়িকী সাইট অ্যান্ড সাউন্ড সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচনের জন্য চলচ্চিত্র সমালোচকদের আন্তর্জাতিক একটি সম্প্রদায়কে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান করে। ১৯৯২ সাল থেকে তারা পরিচালকদেরও অপর একটি ভোটে আহ্বান করে। ১৯৫২ সালে ৬৩ জন সমালোচক, ১৯৬২ সালে ৭০ জন সমালোচক, ১৯৭২ সালে ৮৯ জন সমালোচক, ১৯৮২ সালে ১২২ জন সমালোচক, ১৯৯২ সালে ১৩২ জন সমালোচক ও ১০১ জন পরিচালক, ২০০২ সালে ১৪৫ জন সমালোচক ও ১০৮ জন পরিচালক, এবং ২০১২ সালে ৮৪৬ জন সমালোচক ও ৩৫৮ জন পরিচালক এই ভোটে অংশগ্রহণ করেন।[]

এই ভোটটিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ "সেরা চলচ্চিত্র" তালিকা হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন সমালোচক রজার ইবার্ট এই ভোটটিকে "সেরা চলচ্চিত্রের অসংখ্য ভোটের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সম্মানিত-একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তালিকা, যা মানুষজন শ্রদ্ধার সাথে গ্রহণ করেন" হিসেবে উল্লেখ করেন।[]

  • লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (১৯৪৮) - সমালোচকদের রায়ে ১৯৫২ সালে প্রথম ভোটে ২৫টি ভোট নিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে।[]
  • সিটিজেন কেইন (১৯৪১) - সমালোচকদের রায়ে পাঁচবার - ১৯৬২ সালে ২২টি ভোট, ১৯৭২ সালে ৩২টি ভোট, ১৯৮২ সালে ৪৫টি ভোট, ১৯৯২ সালে ৪৩টি ভোট এবং ২০০২ সালে ৪৬টি ভোট নিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে।[]
  • ভার্টিগো (১৯৫৮) - সমালোচকদের রায়ে ২০১২ সালে ১৯১টি ভোট নিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে পাঁচ দশক শীর্ষে থাকা সিটিজেন কেইন ছবিটিকে শীর্ষচ্যুত করে।[]
  • টোকিও স্টোরি (১৯৫৩) - পরিচালকদের রায়ে ২০১২ সালে ৪৮টি ভোট নিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে দুই দশক শীর্ষে থাকা সিটিজেন কেইন ছবিটিকে শীর্ষচ্যুত করে।[]

দর্শকদের দৃষ্টিতে

[সম্পাদনা]

অনলাইন ভিত্তিক চলচ্চিত্রের ডেটাবেজ ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে দর্শকদের দৃষ্টিতে ৩০ নভেম্বর ২০১৭ (2017-11-30)-এর হিসাব অনুযায়ী সেরা দশটি চলচ্চিত্র হল:[]

ক্রম চলচ্চিত্র বছর রেটিং
দ্য শশ্যাংক রিডেম্পশন ১৯৯৪ ৯.২
দ্য গডফাদার ১৯৭২ ৯.২
দ্য গডফাদার ২ ১৯৭৪ ৯.০
দ্য ডার্ক নাইট ২০০৮ ৯.০
টুয়েলভ অ্যাংরি মেন ১৯৫৭ ৮.৯
শিন্ডলার্স লিস্ট ১৯৯৩ ৮.৯
পাল্প ফিকশন ১৯৯৪ ৮.৯
লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য রিটার্ন অব দ্য কিং ২০০৩ ৮.৯
দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি ১৯৬৬ ৮.৮
১০ ফাইট ক্লাব ১৯৫৪ ৮.৮

ধরন অনুযায়ী

[সম্পাদনা]

অ্যানিমেশন (পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য)

[সম্পাদনা]

কমিক/সুপারহিরো

[সম্পাদনা]

ক্রিসমাস

[সম্পাদনা]

ক্রীড়াধর্মী

[সম্পাদনা]
  • রকি (১৯৭৬) - ২০১২ সালে ব্রিটিশ ওয়েবসাইট ডিজিটাল স্পাই-এর অনলাইন জরিপে ১৮.৭% ভোট নিয়ে এটি সর্বকালের সেরা ক্রীড়াধর্মী চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়। ভোটারগণ ২৫টি চলচ্চিত্রের একটি তালিকা থেকে এই চলচ্চিত্রটিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী নির্বাচিত করে।[]
  • রেজিং বুল (১৯৮০) - আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট-এর ১০ সেরা ১০ খেলাধুলা বিষয়ক চলচ্চিত্রের প্রথম স্থান অধিকার করে।[]

পশ্চিমা ধারা

[সম্পাদনা]

প্রণয়ধর্মী

[সম্পাদনা]

প্রামাণ্যচিত্র

[সম্পাদনা]

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

[সম্পাদনা]
  • ২০০১: আ স্পেস অডিসি (১৯৬৮) - আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট-এর ১০ সেরা ১০ রহস্যধর্মী চলচ্চিত্রের প্রথম স্থান অধিকার করে।[] এটি একমাত্র বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র, যা সাইট অ্যান্ড সাউন্ড সাময়িকীর সমালোচকদের বিচারে সেরা ১০ চলচ্চিত্রে স্থান করে নেয় (১৯৯২ সালে ১০, ২০০২ ও ২০১২ সালে ৬ নং স্থান)[] ২০০২ সালে অনলাইন ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটির ১১৫ জন সদস্যের ভোটে সেরা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[] ২০১৪ সালে লন্ডনভিত্তিক টাইম আউট সাময়িকীর জরিপে ১৩৬ জন বিজ্ঞান কল্পকাহিনী বিশেষজ্ঞ, চলচ্চিত্র নির্মাতা, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, চলচ্চিত্র সমালোচক ও বিজ্ঞানীদের ভোটে ৭৩টি ভোট পেয়ে সর্বকালের সেরা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[]
  • ব্লেড রানার (১৯৮২) - ২০০৪ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এর জরিপে ৫৬ জন বিজ্ঞানীদের প্যানেলের ভোটে সেরা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[১০] ২০০৮ সালে ব্রিটিশ সাময়িকী নিউ সায়েন্টিস্ট এর ১০০০ পাঠকের ভোটে ১২ শতাংশ ভোট পেয়ে "সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র" হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।[১১]

বিপর্যয়

[সম্পাদনা]

ভীতিপ্রদ

[সম্পাদনা]

মারপিঠধর্মী

[সম্পাদনা]
  • ম্যাড ম্যাক্স টু (১৯৮১) - ২০১৫ সালে মার্কিন সাময়িকী রোলিং স্টোনের পাঠকদের ভোটে সর্বকালের সেরা মারপিঠধর্মী চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[১২]
  • ডাই হার্ড (১৯৮৮) - ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক টাইম আউট সাময়িকীর জরিপে ৫০ জন পরিচালক, অভিনেতা, সমালোচক ও বিশেষজ্ঞের ভোটে ২১টি ভোট পেয়ে সর্বকালের সেরা মারপিঠধর্মী চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[১৩]
  • ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড (২০১৫) - পর্যালোচনাভিত্তিক ওয়েবসাইট রটেন টম্যাটোস-এ ৩৯৪টি সমালোচনার ভিত্তিতে ৯৭% রেটিং স্কোর নিয়ে সেরা ১০০ মারপিঠধর্মী ও রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্রের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। (৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ (2018-12-31)-এর হিসাব অনুযায়ী)[১৪]

রহস্যধর্মী

[সম্পাদনা]

সঙ্গীতধর্মী

[সম্পাদনা]

হাস্যরসাত্মক

[সম্পাদনা]
  • সাম লাইক ইট হট (১৯৫৯) - ২০১৭ সালে ৫২টি দেশের ২৫৩ জন চলচ্চিত্র সমালোচকের উপর করা বিবিসির জরিপে এটি সর্বকালের সেরা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।[১৬]
  • মন্টি পাইথন্‌স লাইফ অব ব্রায়ান (১৯৭৯) - ২০০০ সালে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র বিষয়ক সাময়িকী টোটাল ফিল্ম-এর জরিপে;[১৭] ২০০৬ সালে ২২,০০০ লোকের উপর ব্রিটিশ টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল ফোর-এর জরিপে;[১৮] এবং ২০০৭ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর জরিপে এটি সর্বকালের সেরা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।[১৯]
  • দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ (১৯৮৪) - ২০১৬ সালে ৭০ জন স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনয়শিল্পী, অভিনয়শিল্পী, লেখক ও পরিচালকের উপর টাইম আউট লন্ডন-এর জরিপে সর্বকালের সের হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।[২০][২১]

দেশ অনুযায়ী

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশী চলচ্চিত্র

[সম্পাদনা]

সমালোচকদের দৃষ্টিতে

[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র বোদ্ধা ও সমালোচকদের দৃষ্টিতে নিম্নের ছবিগুলো সর্বকালের সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে।[২২]

ক্রমিক নংচলচ্চিত্রের নামপরিচালকমুক্তির সাল
১। তিতাস একটি নদীর নাম ঋত্বিক ঘটক ১৯৭৩
২। চিত্রা নদীর পারে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৯
৩। নদীর নাম মধুমতী তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৪
৪। সীমানা পেরিয়ে আলমগীর কবির ১৯৭৭
৫। বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না তোজাম্মেল হক বকুল ১৯৮৯
৬। সূর্য দীঘল বাড়ী শেখ নিয়ামত আলীমসিহউদ্দিন শাকের ১৯৭৯
৭। ধীরে বহে মেঘনা আলমগীর কবির ১৯৭৩
৮। রূপালী সৈকতে আলমগীর কবির ১৯৭৯
৯। শ্রাবণ মেঘের দিন হুমায়ুন আহমেদ ১৯৯৯
১০। সাত ভাই চম্পা দীলিপ সোম ১৯৬৮

দর্শকদের দৃষ্টিতে

[সম্পাদনা]

দর্শকদের দৃষ্টিতে ও ভোটে নিম্নের ছবিগুলো সর্বকালের সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে।[২২]

ক্রমিক নংচলচ্চিত্রের নামপরিচালকমুক্তির সাল
১। তিতাস একটি নদীর নাম ঋত্বিক ঘটক ১৯৭৩
২। সীমানা পেরিয়ে আলমগীর কবির ১৯৭৭
৩। চিত্রা নদীর পারে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৯
৪। উত্তরা বুদ্ধদেব দাসগুপ্ত ১৯৯৯
৫। সাত ভাই চম্পা দীলিপ সোম ১৯৬৮
৬। রূপালী সৈকতে আলমগীর কবির ১৯৭৯
৭। লালসালু তানভীর মোকাম্মেল ২০০১
৮। ধীরে বহে মেঘনা আলমগীর কবির ১৯৭৩
৯। সুপ্রভাত কবীর আনোয়ার ১৯৭৬
১০। জীবন থেকে নেয়া জহির রায়হান ১৯৭০

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 The Sight & Sound Poll of the Greatest Films of All Time
    • "1952 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "As the Critics Like It"। Sight & Sound। খণ্ড ২২ নং 2। British Film Institute। অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৯৫২। পৃ. ৫৮।
    • "1962 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "Top Ten"। Sight & Sound। খণ্ড ৩১ নং 1। British Film Institute। শীতকাল ১৯৬১–১৯৬২। পৃ. ১০।
    • "1972 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "Top Ten 72"। Sight & Sound। খণ্ড ৪১ নং 1। British Film Institute। শীতকাল ১৯৭১–১৯৭২। পৃ. ১২–১৩।
    • "1982 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "Top Ten 1982"। Sight & Sound। খণ্ড ৫১ নং 4। British Film Institute। শরৎ ১৯৮২। পৃ. ২৪৩।
    • "1992 Directors' and Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "Top Ten: 250 Verdicts"। Sight & Sound। খণ্ড ২ নং 8। British Film Institute। ডিসেম্বর ১৯৯২। পৃ. ১৮–৩০।
    • "2002 poll introduction"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ১৬ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "2002 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ১৩ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "2002 Directors' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "2012 Critics' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
    • "2012 Directors' poll"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  2. "'Citizen Kane' fave film of movie elite"। rogerebert.com। ১৭ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  3. "Top Rated Movies"আইএমডিবি। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  4. "AFI's 10 Top 10 – Sports"আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  5. "AFI's 10 Top 10 – Science fiction"আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; S&S নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. "OFCS Top 100: Top 100 Sci-Fi Films"অনলাইন ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি। ২২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  8. জর্জ, অ্যালিসন (১২ নভেম্বর ২০০৮)। "Sci-fi special: Your all-time favourite science fiction"New Scientist (2682)। Reed Business Information। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  9. "Readers' Poll: The 10 Best Action Movies of All Time"রোলিং স্টোন (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  10. "Top 100 Action & Adventure Movies – Rotten Tomatoes"রটেন টম্যাটোস। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  11. "AFI's 10 Top 10 – Mystery"আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭
  12. "The 100 greatest comedies of all time"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  13. "Life of Brian tops comedy poll" (ইংরেজি ভাষায়)। বিবিসি নিউজ। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  14. "Life of Brian named best comedy"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  15. ফ্রেঞ্চ, ফিলিপ (২২ জুলাই ২০০৭)। "The last laugh: your favourite 50"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। লন্ডন। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  16. "The 100 best comedy movies"টাইম আউট লন্ডন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  17. "The 100 best comedy movies: who voted?"টাইম আউট লন্ডন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  18. 1 2 Jinsie। "BFI SOUTH ASIAN FILM (2002)"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]