উইকিপিডিয়া:আলোচনাসভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 আলোচনাসভা
সাধারণ বিষয় সংক্রান্ত আলোচনা
 পরিভাষা ও অনুবাদ
পরিভাষা, অনুবাদ সংক্রান্ত আলোচনা
 প্রশাসকদের আলোচনাসভা
প্রশাসকদের নোটিশবোর্ড
 ব্যুরোক্র্যাটদের আলোচনাসভা
ব্যুরোক্র্যাটদের নোটিশবোর্ড
 সাহায্যকেন্দ্র
তথ্যকেন্দ্র  • যোগাযোগ
 
বাংলা উইকিপিডিয়ার আলোচনাসভায় স্বাগতম
  • এই পৃষ্ঠাটি বাংলা উইকিপিডিয়ার সাধারণ বিষয় সংক্রান্ত আলোচনার জন্য নিবেদিত পাতা। এখানে বাংলা উইকিপিডিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো প্রসঙ্গ তুলে ধরতে পারেন।
  • কোন বিষয়ে প্রশাসকদের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে প্রশাসকদের আলোচনাসভায় বার্তা রাখুন।
  • নির্দিষ্ট কোন তথ্যের জন্য তথ্যকেন্দ্র ব্যবহার করুন। নতুন ব্যবহারকারীরা টিউটোরিয়াল পাতাটি দেখতে পারেন।
  • পুরনো কোন বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের শেষে আপনার মন্তব্য যোগ করুন।
  • আপনি বাংলা উইকিপিডিয়া বা উইকিমিডিয়ার বাংলা প্রকল্পসমূহের ব্যাপারে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য info-bn@wikimedia.org ঠিকানায় ইমেইলও করতে পারেন।
  • আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্যই, অনুগ্রহপূর্বক আপনার ই-মেইল ঠিকানা বা যোগাযোগের জন্য অন্য কোনো তথ্য এখানে দেবেন না
সরাসরি চলুন: সূচিপত্রেপ্রথম আলোচনায়পাদদেশের আলোচনায়


সম্পাদনার মান যাচাই[সম্পাদনা]

প্রিয় সবাই, কিছু সম্প্রদায় আমাদের জানিয়েছে যে 'সম্পাদনা বাতিল করার হার' কোনো ব্যবহারকারীর করা পরিবর্তনের মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিকতম পদ্ধতি না। এর ভিত্তিতে আমরা আপনাদের থেকে কিছু বিষয়ে মতামত জানতে চাইছি।

  • আপনি কীভাবে জানবেন একজন ব্যবহারকারী ভালো মানের সম্পাদনা করছেন কীনা?
  • আপনি ব্যবহারকারী সম্পাদনার মান যাচাইয়ের জন্য কী সরঞ্জাম ব্যবহার করেন ("আমার এমনটা মনে হয়নি" বা "এরকম কাজ আমি আগেও দেখেছি" ধাঁচের দিকগুলো এই প্রশ্নের আওতামুক্ত থাকবে)?
  • সম্পাদনা বাতিল করার হারের পাশাপাশি সম্পাদনার মান যাচাইয়ের জন্য আপনি কোন তথ্য ব্যবহার করেন?
  • সম্পাদনার মান যাচাইয়ের জন্য কোন সরঞ্জাম থাকলে ভালো হতো বলে আপনি মনে করেন (আমরা হয়ত এখনই কাজ শুরু করতে পারব না, তবে আমরা পরিকল্পনার ধাপে আছি এবং কাজের দিক সম্পর্কে ধারণা নিতে চাইছি)?

আপনাদের মূল্যবান মতামত জানানোর আহ্বান জানাই। ধন্যবাদ। Ankan (WMF) (আলাপ) ০৮:৪৩, ৮ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

  • একজন ব্যবহারকারী ভালো মানের সম্পাদনা করছেন কিনা এটা সম্ভবত কোন সরঞ্জাম দিয়ে যাচাই করা কঠিন। মান যাচাইয়ের সময় আমি সাধারণত সম্পাদনা বাতিলের হার ও সম্পাদনা সংখ্যা তেমন গণনায় নেই না। আমি মূলত ব্যবহারকারীর অবদান পরীক্ষা করি, তাদের যোগকৃত বাক্য পরীক্ষা করি, লেখার ধরন দেখি। ইত্যাদি দেখে কে কেমন মানের সম্পাদনা করছে তা বের করার চেষ্টা করি। কোন ব্যবহারকারীর সম্পর্কে একনজরে একটা ধারণা পেতে https://xtools.wmflabs.org/ec কাজে লাগে। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ০১:০৬, ১৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। Ankan (WMF) (আলাপ) ১৭:০৩, ১৮ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

২০২২ নির্বাচনী কম্পাসের জন্য বিবৃতির প্রস্তাব রাখুন[সম্পাদনা]

বার্তাটি মেটা-উইকিতে আরও একাধিক ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।

প্রিয় সবাই,

স্বেচ্ছাসেবকদের ২০২২ ট্রাস্টি বোর্ডের নির্বাচন কম্পাসের বিবৃতির প্রস্তাবের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

নির্বাচনী কম্পাস এমন একটি সংরঞ্জাম যা ভোটারদের তাদের বিশ্বাস এবং দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সর্বোত্তম সারিবদ্ধ প্রার্থীদের সনাক্ত করতে সহায়তা করে। সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিবৃতির প্রস্তাব রাখবেন এবং প্রার্থীরা লিকার্ট স্কেল ব্যবহার করে উত্তর দেবেন (একমত/অসম্মত/নিরপক্ষ)। বিবৃতির উত্তর নির্বাচন কম্পাস সরঞ্জামে আপলোড করা হবে। ভোটাররা বিবৃতিতে তাদের উত্তর ভাগ করে সরঞ্জামটি ব্যবহার করবে (একমত/অসম্মত/নিরপক্ষ)। ফলাফলে সেই প্রার্থীদের শনাক্ত হবে যারা ভোটারদের বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সর্বোত্তমে সারিবদ্ধ হয়।

এখানে নির্বাচন কম্পাসের সময়রেখা দেওয়া রয়েছে:

  • জুলাই ৮ - ২০: স্বেচ্ছাসেবকরা নির্বাচন কম্পাসের জন্য বিবৃতির প্রস্তাব রাখবে।
  • জুলাই ২১ - ২২: নির্বাচন কমিটি স্পষ্টতার জন্য বিবৃতিগুলির পর্যালোচনা করে এবং বিষয়বস্তুর বাইরের বিবৃতিগুলি সরিয়ে দেবে।
  • জুলাই ২৩ - আগস্ট ১: স্বেচ্ছাসেবকরা বিবৃতি উপর ভোট দেবে।
  • আগস্ট ২ - ৪: নির্বাচন কমিটি শীর্ষ ১৫ বিবৃতি বেছে নেবে।
  • আগস্ট ৫ - ১২: প্রার্থীরা বিবৃতির সঙ্গে নিজেদের সারিবদ্ধ করবে।
  • আগস্ট ১৫: ভোটারদের জন্য নির্বাচনী কম্পাস খোলা হবে।

নির্বাচন কমিটি আগস্টের শুরুতে সেরা ১৫টি বিবৃতির নির্বাচন করবে। আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন টিম দ্বারা সমর্থিত নির্বাচন কমিটি প্রক্রিয়াটি তত্ত্বাবধান করবে। আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন টিম প্রশ্নের স্পষ্টতা, সদৃশতা, ভুল ইত্যাদি পরীক্ষা করবে।

শুভেচ্ছান্তে,

আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন

এই বার্তা-টি বোর্ড নির্বাচন কার্যকরী দল এবং নির্বাচন কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে।

CSinha (WMF) (আলাপ) ০৯:০৫, ১২ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

পক্ষপাতী পরিবর্তন[সম্পাদনা]

নিচের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।

আমি দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিবন্ধে এমনভাবে পরিবর্তন আনা হচ্ছে যা বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অনুকুলে যায়, উল্লেখযোগ্য তথ্যসূত্র থাকা সত্ত্বেও অনেক অংশ মুছে দেওয়া হচ্ছে বা রুপান্তর করা হচ্ছে, যেগুলো সরকারের মতের সাথে সাংঘর্ষিক, কিন্তু সরকারের অনুকুল কোন বিষয়কেই এভাবে মুছে ফেলা বা রূপান্তর করা হচ্ছে না। যেমন এই, [১], এই পরিবর্তনগুলো দেখুন, এছাড়া এর আগে একটি সংষ্করণে ছিল,ঃ

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তা নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন রকম পরিসংখ্যান প্রচলিত রয়েছে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্বকোষ ও বইতে এই সংখ্যাটিকে ২,০০,০০০ থেকে শুরু করে ৩০,০০,০০০ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।[১] বাংলাদেশে সরকার সংখ্যাটিকে ৩০,০০,০০০ হিসেবে অনুমান করে থাকে। বিবিসির বক্তব্যমতে, স্বাধীন গবেষকদের গবেষণা অনুযায়ী সংখ্যাটি ৩ লাখ থেকে ৫ লাখের মধ্যে।[২] পাকিস্তানি পত্রিকা ডনের দাবি মতে, হামিদুর রহমান কমিশনের মতে সংখ্যাটি ২৬০০০, আবার তৎকালীন অনেক বাঙালি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি একাডেমিক ব্যক্তিত্বের মতে, সংখ্যাটি তিন লাখ, যা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের সময় ভুলবশত তিন মিলিয়ন হিসেবে অনুবাদ করা হয়েছে, যা বাংলায় ত্রিশ লক্ষের সমান।[৩]

কিন্তু এখন সেটি করা হয়েছে,

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও নৃশংসতা চালানো হয়। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে ঢাকায় গণহত্যা চালানোর পর যুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বহু বেসামরিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং যুদ্ধের পুরোটা সময় সেনাবাহিনীর হাতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটতে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সামরিক বাহিনী ও তাদের সহায়তাকারী আধা-সামরিক বাহিনী প্রায় ৩,০০,০০০[৪] থেকে ৩০,০০,০০০[৫] মানুষকে হত্যা করে এবং প্রায় ২,০০,০০০ থেকে ৪,০০,০০০ নারীকে ধর্ষণ করা হয়।[৬][৭]

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 116.58.202.38 (আলাপ) ১৫:৪৬, ১৫ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

তথ্যসূত্র:

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; MW নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. Dummett, Mark (১৬ ডিসেম্বর ২০১১)। "Bangladesh war: The article that changed history"BBC News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২১ 
  3. Iqbal, Anwar (৭ জুলাই ২০০৫)। "Sheikh Mujib wanted a confederation: US papers"ডন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২১ 
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; BBC নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. হোয়াইট, ম্যাথিউ। ডেথ টোলস ফর দ্য মেজর ওয়ার্স অ্যান্ড অ্যাট্রোসিটিজ অব দ্য টুয়েন্টিন্থ সেঞ্চুরি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০২২ 
  6. শারলাখ, লিসা (২০০০)। "রেইপ অ্যাজ জেনোসাইড: বাংলাদেশ, দ্য ফরমার যুগোস্লাভিয়া, অ্যান্ড রুয়ান্ডা"। নিউ পলিটিক্যাল সায়েন্স (২২): ৯২–৯৩। এসটুসিআইডি 144966485ডিওআই:10.1080/713687893 
  7. সাজ্জাদ, তাজরিনা (২০১২)। "দ্য পোস্ট-জেনোসাইডাল পিরিয়ড অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন উইমেন"। স্যামুয়েল টটেন। প্লাইট অ্যান্ড ফেট অব উইমেন ডিউরিং অ্যান্ড ফলোয়িং জেনোসাইড (ইংরেজি ভাষায়) (পুনর্মূদ্রণ সংস্করণ)। ট্রানসেকশন। পৃষ্ঠা ২২৫। আইএসবিএন 978-1412847599 
  • এই প্রসঙ্গে মন্তব্য লিখতে লিখতেই দেখলাম আলোচনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার আছে। যেহেতু আইপি থেকে মন্তব্য করা হয়েছে, তাই আমি জানি না সে কি সক, না কি বাধাপ্রাপ্ত ব্যবহারকারী বা অন্যকেউ। যাইহোক, উপরের লেখাটি পড়ে দেখলাম যে, প্রথম অনুচ্ছেদের ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্যসূত্র রয়েছে। যেহেতু তথ্যসূত্র সহ লেখা, তাই তা মুছে দেওয়ার কারণ আমার বোধগম্য হয়নি। তাছাড়া উইকিপিডিয়া একটি নিরপেক্ষ বিশ্বকোষ, তাই যথেষ্ট তথ্যসূত্রসহ সকল পক্ষের মতামতই স্থান পাওয়ার যোগ্য। উপরে বিবিসির সূত্র সহ তথ্য দেওয়া হয়েছ, কিন্তু তবুও সেটি বাতিল করা হয়েছে! সবকিছু বিশ্লেষণ করে আমার মনে হচ্ছে উপরের প্রথম অনুচ্ছেদটির থাকাটাই যুক্তিযুক্ত। আমি জানি যে, একজন সক বা বাধাপ্রাপ্ত ব্যবহারকারীর সম্পাদনা বাতিল কিংবা আলোচনা বন্ধ করা যায়, কিন্তু @Meghmollar2017: ভাই, এটি কীভাবে অপ্রয়োজনীয় আলোচনা হলো তা আমার বোধগম্য হয়নি। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১১:৩২, ১৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • @Meghmollar2017: ভাই, আমি সাকিব ভাইয়ের সাথে একমত । সূত্র যাচাই করলেই বিষয়টি বোঝা যায়। এজন্য আলোচনা বন্ধ করার কারনটা আমার কাছে পরিস্কার নই। আর আমার জানামতে নিবন্ধের আলাপ পাতাতে পাতা সংক্রান্ত আলাপ থাকলে এবং সেটি কোন নীতিমালা না ভাংলে অপসারন করা অনুচিত, তাই নিবন্ধটির আলাপ পাতাই আপনার সম্পাদনার কারনটি ঠিক বুঝলাম না।~ নোমান (📨আলাপ📝অবদান) ১১:৫৫, ১৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Pictogram voting comment.svg মন্তব্য উপরের সংস্করণ পরিবর্তন করে নিচের সংস্করণে আনয়ন নিরেপক্ষ হয়নি। এছাড়াও উপরে যুক্ত করা লিংকেও অনেকস্থানে নিরেপক্ষতা বজায় থাকেনি। এই নিবন্ধে আরো সতর্ক থেকে সম্পাদনা করা উচিত। আর সমস্ত জায়গায় কিছু মন্তব্য করলে সেখানে স্বাক্ষর করতে হবে, তাছাড়া মন্তব্য/একশনটি কার, সেটা বুঝা যাবেনা। Deloar Akram (আলাপঅবদানলগ) ১৩:৪১, ১৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আপনারা সম্পাদনার ইতিহাস দেখলে এরকম ব্যাপক সংযোজন বিয়োজন দেখবেন। সংযোজনগুলো যতটুকু দেখেছি বা বুঝেছি অধিকাংশই (সম্পূর্ণ বললাম না কারণ এত সম্পাদনা যাচাই করার সময় ও অবসর আসলে হাতে থাকে না, বেশ কিছু সম্পাদনা দেখে গড় অনুমান করে বলছি) উল্লেখযোগ্য তথ্যসূত্র দেওয়া তাই তাতে আপত্তি নেই, কিন্তু বিয়োজনের জায়গাগুলো খেয়াল করে দেখলাম, প্রায় পচানব্বই ভাগই (শতভাগ নিশ্চিত না হওয়ার কারণে একশত বললাম না) একদম সরাসরি উল্লেখযোগ্য তথ্যসূত্রসহ অংশ ডাহা নীতিমালা উপেক্ষা করে অপসারণ করা হয়েছে, যা কোন সন্দেহ ব্যতীরেকেই ধ্বংসপ্রবণতা ও কঠিনভাবে নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন, এবং সম্পাদনার পরিমাণ এত পরিমাণে বেশি যে তা খুজে খুজে বের করতেও কঠোর সাধনার সঙ্গে বসে খুজে খুজে গবেষণা করা লাগবে, উল্লেখযোগ্য সূত্রসহ তথ্য সংযোজনে উইকির কখনোই বাধা নেই, তা যে দৃষ্টিকোণের হোক না কেন, কিন্তু উল্লেখযোগ্য তথ্যসূত্রসহ সম্পাদনা বিয়োজন এতগুলো হলো, যা সুস্পষ্ট ধ্বংসপ্রবণতা, কিন্তু প্রশাসকরা সেটিকে যাচাই করলেন না, আমার মনে হয় এই বিয়োজনের বিষয়টির দিকে আলাদাভাবে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সকলের নজর দেওয়া উচিৎ। 43.245.120.238 (আলাপ) ০৮:২৭, ১৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
একইভাবে আরও একটি বিষয় দেখুন শেখ মুজিবুর রহমান নিবন্ধে এখানে ২০২০ সালের ৭ ই মার্চের একটি সংস্করণের সাথে বর্তমান সংস্কারণের পার্থক্য, যখন থেকে সমসাময়িক বাংলাদেশ সরকারের মুজিববর্ষ পালনকে ভিত্তি করে কয়েকজন সম্পাদকের নিজস্ব ব্যক্তিগত সমন্বয়ে বৃহত্তরভাবে প্রায় হাজারখানেক সম্পাদনার মাধ্যমে নিবন্ধকে তাদের নিজেদের মত করে তথ্য যোগ বিয়োগ করে গড়ে তোলা হয়েছে, সংযোজন ও বিয়োজনের পার্থক্যগুলো দেখুন, আমি আবারও বলি উপযুক্ত তথ্যসূত্রসহ সংযোজনে উইকিপিডিয়ায় কোন বাধা নেই, কিন্তু উপযুক্ত তথ্যসূত্রসহ অংশ বিয়োজনের বিষয়টি নীতিমালা অনুযায়ী সুস্পষ্টভাবে ধ্বংসপ্রবণতা। 43.245.120.29 (আলাপ) ১৫:৪৫, ১৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আবার স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন নিবন্ধটি দেখুন, এখানে স্বাধীনতা পর্বর্তী শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মকাণ্ডপর বাইরে আর সামান্যতম অন্য কারও কোন কাজের কথা উল্লেখ নেই, পরব্রতী রাষ্ট্রপ্রধানদের কারও কোন অবদান উল্লেখ নেই কিন্তু নিবন্ধের নামকরণকে আবার সামগ্রিক অর্থে করা হয়েছে, মানে বিষয়টি বোঝানো হচ্ছে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন একমাত্র শেখ মুজিব করেছেন, এরপর জিয়াউর রহমান, হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ, খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এদের কারোরই কোন অবদান নেই, আবার যদিও শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্র করেই নিবন্ধ, আর কারও সাথে সম্পর্কিত নয়, তবুও নামকরণে বিষয়টিকে উল্লেখ করা হচ্ছে না, উইকিপিডিয়া তো কখনোই কোন বিষয়ে এমন পরস্পরবিরোধিতা বা অস্পষ্টতা প্রদর্শন করে না, এখানে করার কারণ কি তা বোধগন্য হচ্ছে না, মনে হচ্ছে সমসাময়িক বাংলাদেশ সরকারকে খুশি করতে তাদের সুনজর পেতে, দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বা তোষামোদ করতে এমন পরস্পরবিরোধী সম্মিলিত উইকির নীতিবিরুদ্ধ মনোভাব ও প্রয়াস গ্রহণ করা হচ্ছে কিছু সম্পাদকের দ্বারা। বিষয়টি নিয়ে আলাপ:স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাস এবং আলাপ:স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন আলাপ পাতায় অনেকেই আলোচনা করেছেন, কিন্তু কিছু সম্পাদক উইকিপিডিয়ার নিবন্ধের নামকরণের নীতিমালার সুস্পষ্ট বিপক্ষে গিয়ে গোলকধাধার মত বারবার অপ্রাসঙ্গিক খোড়া যুক্তি দেখিয়ে কৌশলে কিছুটা জোর জবরদস্তিমূলক মন্তব্য প্রদান করে উইকিপিডিয়ার নীতিমালাবিরোধী নামকরণ বজায় রেখেছেন, যে ব্যাপারে প্রশাসক ও প্রবীন উইকি সম্পাদকগণও কোন পদক্ষেপ নেয় নি, কিছু প্রশাসক ও প্রবীন সম্পাদক বরং প্রাসঙ্গিক যৌক্তিক (উইকিপিডিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী) মত উপেক্ষা করে উইকিবিরোধী মতকে প্রত্যক্ষভাবে মন্তব্যের মাধ্যমে সমর্থন যুগিয়েছেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকল দ্বায়িত্বরত ব্যক্তিবর্গের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সার্বিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিনীত আবেদন করছি।43.245.120.29 (আলাপ) ১৬:০১, ১৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MS Sakib, MdaNoman, এবং DeloarAkram: উত্তর প্রদানে দেরি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রথমত উনার সম্পাদনা বাতিল ও আলোচনা বন্ধ করা প্রসঙ্গে বলি। উইকিপিডিয়ার নীতিমালা অনুসারে বিশেষ কারণে বাধাপ্রাপ্ত একজন ব্যবহারকারীর সম্পাদনা বাতিল করা যেতে পারে। নিবন্ধে মুছে ফেলা অংশে তথ্যসূত্র ও রচনাশৈলীতে সমস্যা ছিল। আর আইপি ব্যবহারকারীর দাবি অনুযায়ী এই অংশ আমি অ-নিরপেক্ষভাবে সরিয়ে দিচ্ছি, এরকম দাবিও ভুল। কারণ নিবন্ধটির বর্তমান অবস্থায় যা আছে, পুরোটাই ইংরেজি উইকিপিডিয়া নিবন্ধের অনুবাদ। অনুবাদের আগে থেকে নিবন্ধে যা ছিল, তা-ও ব্যাকআপ হিসেবে রাখা আছে, যাতে পরবর্তীতে যোগ করা যায়। (আলাপ:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ#তথ্য ও তথ্যসূত্র ব্যাকআপ) কাজেই “নিরপেক্ষতার অবতার” হয়ে কেউ বার্তা দিলেই, তলিয়ে না দেখে এরকম মন্তব্য করছেন, আমাকেই দায়ী করছেন, এরকমটা আপনাদের মতো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের থেকে আশা করি না। যেই আইপি ব্যবহারকারী এখানে নিরপেক্ষতার বুলি আওড়াচ্ছে, তার তথাকথিত নিরপেক্ষ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি টের পেয়েছি, বিশেষত যারা শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিবন্ধে কাজ করেছি এবং করছি। আপনাদের জ্ঞাতার্থে উনার কর্মকাণ্ডের জন্যই শেখ মুজিবুর রহমান নিবন্ধকে সুরক্ষিত করতে হয়েছিল। উইকিপিডিয়ায় যা-ই উনার আদর্শের পরিপন্থি হিসেবে লেখা হয়েছে, সেটিই উনার চোখে অনিরপেক্ষ, তখনই উনি “নিরপেক্ষতার(!) ঝান্ডা” দোলাতে চলে আসেন। আলোচনাসভার এই বার্তায় উনার নিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনার চেয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আক্রমণ করাই উনার আসল উদ্দেশ্য। এতদিন আমি অনিরপেক্ষ ছিলাম, শেখ মুজিব নিবন্ধে কাজ করা আমার টিম অনিরপেক্ষ ছিল, এখন নিবন্ধ পর্যালোচনা করা প্রশাসকেরাও সরকারের মদদপুষ্ট। নিরপেক্ষতার কী নমুনা! সম্প্রদায়ও উনাকে বাধা না দিয়ে পরোক্ষভাবে উনার এইসব বক্তব্যের পক্ষে আমাকে জবাবদিহি করতে বলছে। এই একই জবাবদিহি আমি আরও বহুবার করেছি, হয়তো ভবিষ্যতে আরও বহুবার করতে হবে। কিন্তু এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। আপনাদের যাদের মনে হয়েছে নিবন্ধগুলোতে সমস্যা আছে, আপনারা সেই অনুযায়ী অগ্রসর হতে পারেন। আপনাদের অবদান রাখার সদিচ্ছাকে আমি সাদরে গ্রহণ করি। (কিন্তু গভীর দুঃখের বিষয়, এতক্ষণ যারা আমার ভুল ধরলেন, নিবন্ধে অগ্রসর হতে বললে তাঁদের কাউকেই পাওয়া যায় না।) পাশাপাশি শেখ মুজিব নিবন্ধের FA স্ট্যাটাস নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, নিয়মানুযায়ী পুনঃপর্যালোচনার আবেদন জানাতে পারেন। যতক্ষণ না কেউ সেই প্রসেসে অগ্রসর হচ্ছে, ততক্ষণ এই বিষয়ে আমি আর আলোচনা করতে একদমই আগ্রহী নই। (বিশেষ করে আইপি থেকে আলোচনা শুরু হলে আমি আর উত্তর দেওয়াকে বিধেয় মনে করি না।) অনেক হয়েছে এই একটা বিষয় নিয়ে আইপির অযথা ঘ্যানঘ্যান প্যানপ্যান! আর সহ্য করা যায় না। এই অপব্যবহারকারী ইতোমধ্যে আমার ব্যক্তিজীবনেও ইন্টারফেয়ার করার চেষ্টা করেছেন। এই অবস্থায় আমি অতিদ্রুত ফাউন্ডেশনের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি টিমের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর কথা ভাবছি। — আদিভাইআলাপ • ০৭:৫৮, ২৪ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: প্রথমত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহিদের সংখ্যা নিয়ে ভালোরকমেরই বিতর্ক রয়েছে। সেজন্য মাঝেমাঝে পত্র-পত্রিকায় এই বিষয়ে লেখালেখি হয়। তবে ৩০ লক্ষের হিসাবটাই যেহেতু প্রসিদ্ধ ও অধিক গ্রহণযোগ্য তাই মূল তথ্য হিসেবে অবশ্যই এই তথ্যটিই থাকবে। তবে বিতর্ক যেহেতু আছে, উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা রক্ষার্থে অবশ্যই বিতর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে দেওয়া প্রয়োজন।
আপনি বলেছেন, তথ্যসূত্রে সমস্যা আছে। কিন্তু আমি তো তা দেখতে পাচ্ছি না। আপনার কাছে কি বিবিসি বা ডনের মতো আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ পত্রিকার তথ্যসূত্র গ্রহণযোগ্য নয়? ডনের প্রসঙ্গে বলতে পারেন, এটা পাকিস্তানি পত্রিকা। কিন্তু বাংলা উইকিপিডিয়া কি বাংলাদেশি বিশ্বকোষ? উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতার নীতিমালা তো অবশ্যই সকল পক্ষের মতামত রাখার কথা বলে। ডন বাদ দিলেও তো বিবিসি অবশ্যই নিরপেক্ষ।
আইপির প্রথম বার্তার উল্লেখ করা প্রথম অনুচ্ছেদে আমি তো রচনাশৈলীতেও কোনও সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না। অনুগ্রহকরে আপনি কি দেখিয়ে দিবেন, ঠিক কোন জায়গায় রচনাশৈলীগত সমস্যা আছে।
দ্বিতীয়ত, বাধাপ্রাপ্ত ব্যবহারকারী হিসেবে আলোচনা বন্ধ করা যেতেই পারে। কিন্তু আপনি উল্লেখ করেছেন, এটা অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য। আমার প্রথম বার্তাতেই প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেন এটা অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য। কিন্তু আপনি ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেননি।
তৃতীয়ত, উক্ত আইপি এখানে অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথা যেমন লিখেছে, আপনিও নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের করা প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের বদলে আইপির অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যের উত্তরই বেশি দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাস নিবন্ধগুলো নিয়ে নিবন্ধিত ব্যবহারকারীরা কোনও প্রশ্ন করেনি। তাই এখানে শেখ মুজিবুর রহমান বা উলেখকৃত অন্যান্য নিবন্ধ-প্রসঙ্গে আলাপ করতে আমিও আগ্রহী নই।
সবশেষে বলতে চাই, আইপির “ঘ্যানঘ্যান প্যানপ্যান” আপনি সহ্য করতে পারছেন কিনা, বা ব্যক্তি জীবনে তা আপনার উপর তা কেমন প্রভাব ফেলছে, এই আলোচনায় সেসব পাশ কাটিয়ে নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১০:০০, ২৪ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MS Sakib, এটি একটি ভালো পয়েন্ট। এখানে তথ্যসূত্র হিসেবে “MW” নামে একটি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যেটার সাথে কোনো তথ্যসূত্র বর্তমানে নিবন্ধিত নয়। এটি পূর্বে থেকে থাকতে পারে। কাজেই এটি আবারও পরীক্ষা করে এরপর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিবিসির উৎসটি বর্তমানেও রয়েছে। ডনের উৎসটি একেবারে নিবন্ধ থেকে সরিয়ে আনা হয়নি, ব্যাকআপ হিসেবে রাখা আছে। নিবন্ধে আইপির যুক্ত করা অংশটি আগে একসময় নিবন্ধে ছিল, তা সত্ত্বেও এর “বাংলাদেশ সরকার [...] বলে অনুমান করে থাকে। বিবিসির বক্তব্যমতে, স্বাধীন গবেষকদের গবেষণা অনুযায়ী [...] পাকিস্তানি পত্রিকা ডনের দাবি মতে, হামিদুর রহমান কমিশনের মতে [...] আবার তৎকালীন অনেক বাঙালি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি একাডেমিক ব্যক্তিত্বের [...]” এধরনের বাক্য রচনাশৈলী অনুযায়ী ঠিক আছে বলে মনে হচ্ছে না। তুলনামূলকভাবে বড় এই mass of text অংশটুকু পুনর্লিখনের আগে যুক্ত করা যুক্তিহীন। (ইংরেজি উইকিপিডিয়ায়ও একই নিবন্ধে রচনাশৈলীর কারণে একই আইপি ব্যবহারকারীর সম্পাদনা বাতিল করা হয়েছিল।) আর তাছাড়া মূল নিবন্ধে এত ইলাবোরেট বক্তব্য রাখার প্রয়োজন নেই (যদিও আলোচনাসাপেক্ষ)। এখন “বিতর্কিত” ইস্যুতে যদি একটি পক্ষের দাবি সরিয়ে নেওয়া হতো, অর্থাৎ শুধু ত্রিশ লক্ষ রাখা হতো, তাহলে বলা যেত “বাংলাদেশপিডিয়া”-এ অনিরপেক্ষভাবে তথ্য ম্যানিপুলেট করা হয়েছে। এখানে ডন, বিবিসি সবার বক্তব্যই রাখা আছে, শুধু ইলাবোরেশন আর কনস্পিরেসি থিওরিটা বাদ দিয়ে। (পুনশ্চঃ তবে হামুদুর রহমান কমিশনের বিবৃতির অংশটি যুক্ত করা হয়নি এখনও, নিবন্ধের সাপেক্ষে এটির ইলাবোরেশন গুরুত্বপূর্ণ।) আশা করছি, আমার বক্তব্য পরিষ্কার।
সম্ভবত আগের দীর্ঘ বার্তায় এটি বাইপাস করে গেছি। আমার এটা কখনোই মনে হয়নি যে, আইপির বার্তার উদ্দেশ্য নিবন্ধের নিরপেক্ষতা রক্ষা কিংবা নিবন্ধের ত্রুটি সংশোধন। উপরন্তু এই ধরনের আলোচনায় উত্তর দেওয়ার অর্থ অপব্যবহারের আরও সুযোগ করে দেওয়া। কাজেই আমার অনুরোধ থাকবে, পরবর্তীতে আইপির কোনো আলোচনায় আমাকে পিং না করে পৃথক আলোচনা শুরু করা, আমি সেখানে উত্তর দিতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করব। — আদিভাইআলাপ • ০৪:৩৪, ২৫ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

অপ্রাসঙ্গিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ জাতীয় বার্তা অপসারণ —শাকিল (আলাপ · অবদান) ১৩:৫৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)


আইপি, এখানে অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলবেন না। ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ করুন। এই আইপিকে বাধা দেওয়ার জন্য আফতাবুজ্জামান, Yahya ভাইকে অনুরোধ করছি। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১৩:৩৪, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ক নিবন্ধগুলো অমন কুমার গোয়েল নামক এক ভারতীয় পাহারা দেয়, সে মারাত্মকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট ও খুবই ধূর্ত প্রকৃতির লোক, তার দ্বারাই সম্ভবত সম্পাদনা ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ক নিবন্ঊগুলোকে সবসময় ভারতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে রচনাশৈলী বিন্যাস করার উদ্দেশ্য নিয়ে শক্তভাবে কাজ করে, তার পাশাপাশি সম্ভবত এমন আরও এক বা দুইজন আছে, এবং ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় ভারতীয় উইকিপিডিয়ানরা এই কাজগুলো বেশ সংঘবদ্ধ হয়ে করে, তাই ইংরেজি উইকির উদাহরণ নিরপেক্ষতা হিসেবে এখানে টানলে তা যথাযথ হবে না বলে মনে করছি। 103.67.157.92 (আলাপ) ১৭:৩৮, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Yahya, @Al Riaz Uddin Ripon ভাই, উনার রচনা লেখা শেষ হলে আলোচনা বন্ধ করার এবং আইপি রেঞ্জকে বাধা দেওয়ার অনুরোধ রইলো। — আদিভাইআলাপ • ১৮:৪৪, ২৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

উপরের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।

CIS-A2K Newsletter June 2022[সম্পাদনা]

Centre for Internet And Society logo.svg

Dear Wikimedians,

Hope you are doing well. As you know CIS-A2K updated the communities every month about their previous work through the Newsletter. This message is about June 2022 Newsletter. In this newsletter, we have mentioned A2K's conducted events.

Conducted events

Please find the Newsletter link here.
If you want to subscribe/unsubscibe this newsletter, click here.

Thank you Nitesh (CIS-A2K) (talk) 12:23, 19 July 2022 (UTC)

On behalf of User:Nitesh (CIS-A2K)

ট্রাস্টি বোর্ড - অ্যাফিলিয়েট ভোটের ফলাফল[সম্পাদনা]

You can find this message translated into additional languages on Meta-wiki.

প্রিয় সবাই,

অ্যাফিলিয়েট প্রতিনিধিদের ভোটদানের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রতিটি অ্যাফিলিয়েট সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রার্থীদের বিবৃতি পড়ে, প্রার্থীদের প্রশ্নের উত্তর পর্যালোচনা করে এবং বিশ্লেষণ কমিটি দ্বারা প্রার্থীদের রেটিং বিবেচনা করে প্রার্থীদের সম্পর্কে জেনেছিলেন। নির্বাচিত ২০২২ ট্রাস্টি বোর্ডের প্রার্থীরা হলেন:

২০২২ ট্রাস্টি বোর্ড নির্বাচনের ফলাফল এবং পরিসংখ্যান সম্পর্কে আরও তথ্য দেখুন।

আমরা প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সক্ষমতা ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রতিনিধিদের এবং বিশ্লেষণ কমিটির সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ট্রাস্টি বোর্ড নির্বাচনের পরবর্তী অংশ হল সম্প্রদায়ের ভোটের সময়কাল। আপনি এখানে ট্রাস্টি বোর্ড নির্বাচনের সময়রেখা দেখতে পারেন। আপনি নিজেকে নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সম্প্রদায়ের ভোটের সময়কালের জন্য তৈরী করতে পারেন:

শুভেচ্ছান্তে,

আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন

এই বার্তা-টি বোর্ড নির্বাচন কার্যকরী দল এবং নির্বাচন কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে।

CSinha (WMF) (আলাপ) ০৯:৩১, ২০ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

টেমপ্লেট অনুবাদ এডিটাথন[সম্পাদনা]

প্রিয় সবাই, বাংলা উইকিপিডিয়ার টুইংকল গ্যাজেটে ব্যবহৃত টেমপ্লেটগুলো অনুবাদ করার জন্য ২১ জুলাই বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা থেকে ২৮ জুলাই বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৭ দিন ধরে একটি অনলাইন এডিটাথনের আয়োজন করা হয়েছে। বিস্তারিত পাওয়া যাবে এখানে। সকলকে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। — ইয়াহিয়া (আলাপঅবদান) - ১৫:৩৪, ২০ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

উইকিম্যানিয়া ২০২২ – বাংলাদেশ পর্বে অংশগ্রহণের আহ্বান[সম্পাদনা]

Wikimania Bangladesh Logo Horizontal.svg

প্রিয় সবাই, অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, উইকিম্যানিয়া ২০২২ উপলক্ষ্যে আগামী ১২ আগস্ট উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় উইকিম্যানিয়া ২০২২ – বাংলাদেশ পর্ব নামে একটি দিনব্যাপী সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনে উইকিমিডিয়া প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত যেমন উইকিপিডিয়া, অন্যান্য উইকিসমূহ, মুক্ত জ্ঞান ও বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সামাজিক এবং প্রযুক্তিগত দিক উপস্থাপনা ও আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশে অবস্থানকারী উইকিমিডিয়ানরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আসনসংখ্যা সীমিত হবার কারণে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণের প্রাথমিক আবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে। আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন

উইকিম্যানিয়া ২০২২ এর বৈশ্বিক আয়োজন ১১ - ১৪ আগস্ট ২০২২ অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশে বসবাসকারী উইকিমিডিয়ানদের জন্য উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ কর্তৃক সীমিত সংখ্যক ইন্টারনেট ডাটা প্যাকেজ বৃত্তি দেয়া হবে। আপনি যদি বৃত্তি পেতে আগ্রহী হন, তবে এই গুগল ফর্মটি পূরণ করুন। জমা পড়া প্রাথমিক আবেদনগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পরে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: https://bd.wikimedia.org/s/235

আবেদন গ্রহণ ১ আগস্ট, ২০২২ পর্যন্ত চলবে। মূল আয়োজকদলের পক্ষে — ইয়াহিয়া (আলাপঅবদান) - ০৮:৫৬, ২৩ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন খবর - প্রকাশন ৭[সম্পাদনা]

আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন খবর
প্রকাশন ৭, জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২সম্পূর্ণ সংবাদটি পড়ুন


আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন সংবাদের সপ্তম প্রকাশনে স্বাগতম! সংবাদটি উইকিমিডিয়ার আন্দোলন কৌশলের সুপারিশের বাস্তবায়ন, আন্দোলন অনুশাসন সংক্রান্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের হালনাগাদ এবং উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন (এমএসজি ) টিম দ্বারা সমর্থিত বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক খবর বিতরণ করে।

এমএসজি সংবাদপত্র ত্রৈমাসিক বিতরণ করা হয়, এবং আন্দোলন কৌশলের নিয়মিত হালনাগাদ সাপ্তাহিক বিতরণ করা হয়। সংবাদের ভবিষ্যতের প্রকাশন পেতে সদস্যতা নিন

  • আন্দোলনের স্থায়িত্ব: উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের বার্ষিক স্থায়িত্ব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। (আরও পড়ুন)
  • ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার উন্নতি: উইকিমিডিয়া প্রকল্পের জন্য ডেস্কটপ ইন্টারফেস-এর সাম্প্রতিক উন্নতি সম্পর্কে জানুন। (আরও পড়ুন)
  • নিরাপত্তা এবং অন্তর্ভুক্তি: সার্বজনীন আচরণবিধি প্রয়োগকারী নির্দেশিকায় সংশোধন প্রক্রিয়ার হালনাগাদ। (আরও পড়ুন)
  • সিদ্ধান্ত গ্রহণে ন্যায়বিচার: হাব সঞ্চালন কথোপকথনের বিবরণ, আন্দোলনের সনদ খসড়া প্রণয়ন সমিতির সাম্প্রতিক অগ্রগতি, এবং উইকিমিডিয়া আন্দোলনে অংশগ্রহণের ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন শ্বেতপত্র। (আরও পড়ুন)
  • অংশীদারদের সমন্বয়: পাঠ্য সহযোগিতায় জড়িত অ্যাফিলিয়েট এবং স্বেচ্ছাসেবী সম্প্রদায়ের জন্য হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। (আরও পড়ুন)
  • নেতৃত্বের উন্নয়ন: ব্রাজিল এবং কেপ ভার্দেতে উইকিমিডিয়া আন্দোলন সংগঠকদের নেতৃত্বের প্রকল্পের হালনাগাদ। (আরও পড়ুন)
  • অভ্যন্তরীণ জ্ঞান ব্যবস্থাপনা: প্রযুক্তিগত ডকুমেন্টেশন এবং সম্প্রদায়ের সম্পদের জন্য একটি নতুন পোর্টাল চালু করা হয়েছে। (আরও পড়ুন)
  • মুক্ত জ্ঞানের পরিবর্তন: বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য উচ্চতম দৃশ্য-শ্রাব্য সরঞ্জাম এবং মৌখিক প্রতিলিপি রেকর্ড করার জন্য একটি নতুন টুলকিট। (আরও পড়ুন)
  • মূল্যায়ন, পুনরাবৃত্তি এবং মানিয়ে নেওয়া: ন্যায়বিচার ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্প সঞ্চালন থেকে ফলাফল (আরও পড়ুন)
  • অন্যান্য খবর এবং হালনাগাদ: আন্দোলনের কৌশল বাস্তবায়নের জন্য একটি নতুন ফোরাম, আসন্ন উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন ট্রাস্টি বোর্ডের নির্বাচন, আন্দোলনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি নতুন পডকাস্ট এবং ফাউন্ডেশনের আন্দোলনের কৌশল এবং অনুশাসন দলের কর্মীদের পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত। (আরও পড়ুন)

CSinha (WMF) (আলাপ) ১২:৫০, ২৪ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]


নির্বাচনী কম্পাসের বিবৃতির জন্য ভোটদান[সম্পাদনা]

বার্তাটি মেটা-উইকিতে আরও একাধিক ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।

প্রিয় সবাই,

স্বেচ্ছাসেবকদের ২০২২ ট্রাস্টি বোর্ডের নির্বাচনী কম্পাসের বিবৃতির উপর ভোটদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। আপনি নির্বাচন কম্পাসে অন্তর্ভুক্ত যে বিবৃতিগুলি দেখতে চান তার জন্য ভোট দিতে পারেন।

নির্বাচনী কম্পাস এমন একটি সংরঞ্জাম যা ভোটারদের তাদের বিশ্বাস এবং দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সর্বোত্তম সারিবদ্ধ প্রার্থীদের সনাক্ত করতে সহায়তা করে। সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিবৃতির প্রস্তাব রাখবেন এবং প্রার্থীরা লিকার্ট স্কেল ব্যবহার করে উত্তর দেবেন (একমত/অসম্মত/নিরপক্ষ)। বিবৃতির উত্তর নির্বাচন কম্পাস সরঞ্জামে আপলোড করা হবে। ভোটাররা বিবৃতিতে তাদের উত্তর ভাগ করে সরঞ্জামটি ব্যবহার করবে (একমত/অসম্মত/নিরপক্ষ)। ফলাফলে সেই প্রার্থীদের শনাক্ত হবে যারা ভোটারদের বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সর্বোত্তমে সারিবদ্ধ হয়।

এখানে নির্বাচন কম্পাসের সময়রেখা দেওয়া রয়েছে:

  • জুলাই ৮ - ২০: স্বেচ্ছাসেবকরা নির্বাচন কম্পাসের জন্য বিবৃতির প্রস্তাব রাখবে।
  • জুলাই ২১ - ২২: নির্বাচন কমিটি স্পষ্টতার জন্য বিবৃতিগুলির পর্যালোচনা করে এবং বিষয়বস্তুর বাইরের বিবৃতিগুলি সরিয়ে দেবে।
  • জুলাই ২৩ - আগস্ট ১: স্বেচ্ছাসেবকরা বিবৃতি উপর ভোট দেবে।
  • আগস্ট ২ - ৪: নির্বাচন কমিটি শীর্ষ ১৫ বিবৃতি বেছে নেবে।
  • আগস্ট ৫ - ১২: প্রার্থীরা বিবৃতির সঙ্গে নিজেদের সারিবদ্ধ করবে।
  • আগস্ট ১৬: ভোটারদের জন্য নির্বাচনী কম্পাস খোলা হবে।

নির্বাচন কমিটি আগস্টের শুরুতে সেরা ১৫টি বিবৃতির নির্বাচন করবে।

শুভেচ্ছান্তে,

আন্দোলন কৌশল ও অনুশাসন

এই বার্তা-টি বোর্ড নির্বাচন কার্যকরী দল এবং নির্বাচন কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে।

CSinha (WMF) (আলাপ) ০৬:২৪, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

WP:3RR নিয়ম ভঙ্গ করা: প্রশাসক পদক্ষেপ অনুরোধ[সম্পাদনা]

ব্যবহারকারী CharlesWain বাঙালি ব্রাহ্মণ-এর নিবন্ধে 3RR নিয়ম লঙ্ঘন করেছে, বিশেষ করে একাধিক সম্পাদক দ্বারা প্রত্যাবর্তিত হওয়ার পরেও। সম্পাদনা যুদ্ধের পর CharlesWain আলাপ পাতায় আলোচনা শুরু করেছে। অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। ধন্যবাদ। Ekdalian (আলাপ) ০৯:০৫, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

আমি বারবার আলোচনা পাতায় লিখেছি , উত্তর পাইনি। ইংরেজি উইকিপিডিয়ার নিয়ম এখানে কতটা অনুসরণ হয় জানি না, কিন্তু আলোচনা শুরু করার burden (as perWP:BRD) আমার নয়। তবু ও আমি বারবার করেছি। সমস্যাটা কিন্তু বড় নয়, আলোচনা করলেই মিটে যায়। ধন্যবাদ। CharlesWain (আলাপ) ০৯:২৯, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@CharlesWain আপনি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধের আলাপ পাতায় কোন আলোচনা শুরু করেছেন কি? —শাকিল (আলাপ · অবদান) ১০:০৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
অনেক জায়গায় এবং অনেকবার করা হয়েছে। উত্তর পাইনি। শেষে উক্ত বিষয়ের আলোচনা পাতায়, একজন পর্যবেক্ষক উত্তর দিয়েছেন এবং সহমত পোষন করেছেন। আলোচনা করলেই বিষয়টি সমাধান যোগ্য। ধন্যবাদ। CharlesWain (আলাপ) ১১:০৪, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
অনুগ্রহ করে নিবন্ধের আলাপ পাতায় এই ভদ্রলোকের উত্তরটি দেখুন, এখানে। এটা স্পষ্টভাবে আমাদের নীতির প্রতি তার মনোভাব এবং অসম্মান নির্দেশ করে। এই বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সমস্যাটি সমাধান করার জন্য এটি কি কোন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া/আলোচনা? ধন্যবাদ। Ekdalian (আলাপ) ১১:১৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আপনি আমাদের ইংরেজি উইকিপিডিয়ার অনেক পুরনো কথা তুলে এনেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার একজন অভিজ্ঞ প্রশাসক Dennis Brown আপনাকে যেভাবে বারবার সতর্ক করেছেন, সেটা আমাদের সবার কাছেই উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু এসব আলোচনা কি খুব প্রয়োজন? আমাদের বাংলা উইকিপিডিয়া স্বতন্ত্র, এখানেও অনেক দক্ষ প্রশাসক আছেন। অনুগ্রহ করে বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করুন আলাপ পাতায়। ধন্যবাদ।CharlesWain (আলাপ) ১৪:২৫, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
CharlesWain, প্রথমত, আমি আপনাকে শুধুমাত্র ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় সম্পাদনা যুদ্ধ সংক্রান্ত সতর্কতা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিয়েছি। কখন এবং কোথায় Dennis Brown বারবার আমাকে সতর্ক করেছেন? অনুগ্রহ করে এখানে সম্পাদনার পার্থক্য দেখান। আপনি কেবল মিথ্যা বলছেন। এবং অধিকন্তু, Dennis Brown (যিনি ঈশ্বর নন) নিজেই উল্লেখ করেছেন যে তিনি Nobita456-এর জন্য কম কঠিন শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। দুঃখের বিষয়, তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। Nobita456কে ইংরেজি এবং বাংলা উভয় উইকিপিডিয়া থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আপনি উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন কিভাবে অভিজ্ঞ প্রশাসকরা আমাকে অভিনন্দন বা সুপারিশ করেন। আমাকে কিছু উদাহরণ দিতে দিন: 1 (অভিজ্ঞ প্রশাসক Bishonen), 2 (অভিজ্ঞ প্রশাসক RegentsPark দ্বারা সুপারিশ), ইত্যাদি। ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় আমাদের আলাপ পৃষ্ঠাগুলি পরীক্ষা করে আপনার এবং আমার মধ্যে পার্থক্য করা খুব সহজ (যদিও আপনি আপনার আলাপ পাতা থেকে বেশিরভাগ সতর্কবার্তা মুছে ফেলেছেন)। আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে চাই না, তবে আমি অবশ্যই বলব যে প্রশাসকদের সতর্ক করার পরে আপনি আপনার ব্যবহারকারীর নাম পরিবর্তন করেছেন। যদি আপনার সাহস থাকে, তবে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন যে Dennis Brown কি বলেছে আমার সম্পর্কে??
যাই হোক, এই প্রসঙ্গে উপরের পুরো কথোপকথনের কোন অর্থ নেই; আমি শুধু আপনার ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দিয়েছি। আপনি WP:3RR লঙ্ঘন করেছেন এবং প্রশাসকের পদক্ষেপের অনুরোধ করা হয়েছে। ধন্যবাদ। Ekdalian (আলাপ) ১৫:২০, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আপনার ব্যক্তিগত আক্রমণ ও প্রতিহিংসামূলক মন্তব্যগুলো ছাড়া সবই আমার আলাপ পাতায় আছে। আপনি এখানেও তার নমুনা দিলেন। আপনি একজনকে মিথ্যাবাদী বল নোংরা আক্রমণ কিভাবে করেন?! এটা মিথ্যা?দেখুন । আরও আছে , প্রশাসকরা কি এসব দেখতে চায়? আমি এর ভেতরে জড়িত ছিলাম না। আপনার বাকি ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করলাম না। এগুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক ও অর্থহীন।
আমি বারবার যেটা আলোচনা শুরু করে উত্তর পাইনি , সেটা এখানে লেখা আছে, ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় গিয়ে এটা পড়ুন- Varna (Hinduism) । অনুগ্রহ করে আলোচনা না এড়িয়ে আলাপ পাতায় আসুন। ধন্যবাদ।CharlesWain (আলাপ) ১৬:০৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
CharlesWain, বেছে বেছে সম্পাদনা দেখাবেন না। এটার কি কিছু মানে আছে, বা কোন অর্থ আছে? Dennis Brown দ্বারা এই সম্পাদনা দেখুন। উইকিপিডিয়াতে আমার পরিচিতি এবং অবদান তাদের কাছে পরিচিত, যারা এখানে একটি বিশ্বকোষ তৈরি করার জন্য আছেন; আমি মনে করি না এর চেয়ে বেশি উত্তর দেওয়ার দরকার আছে। এবং দেখুন, আপনি অন্যদের সাথে সম্পর্কিত আমার কথোপকথন অনুসরণ করছেন, যা যাইহোক আমার বক্তব্য প্রমাণ করে। আমরা নিবন্ধের আলাপ পাতায় আপনার উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনা করতে পারি। Ekdalian (আলাপ) ১৮:৩৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আপনি নোংরা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কটাক্ষের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ না ছুঁড়লে আমার সামান্যতম অভিপ্রায় ছিলনা Dennis Brown এর আপনাকে করা সতর্কবার্তা দেখানোর। আর অন্য উইকিপিডিয়ার কথা এখানে সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়।
আমাদের উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখা সম্পাদক কম, আমার বারবার আলাপ পাতার মন্তব্যের উত্তর হয়তো এজন্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু এখানে আলোচনার থেকে, আলাপ পাতায় আলোচনা আমাদের উইকিপিডিয়ার জন্য গঠনমূলক হবে। ধন্যবাদ আফতাবুজ্জামান মহাশয় ও অন্যান্য সকলকে। CharlesWain (আলাপ) ০৪:২০, ২৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
সুধী সকল, দয়া করে অন্য উইকির আলোচনা এখানে করবেন না। এই আলোচনা বাংলা উইকিপিডিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। হ্যাঁ, ৩ বার প্রত্যাবর্তনের নীতিটি বাংলা উইকিতেও গ্রহণযোগ্য। বাংলা উইকিতে সম্পাদনা যুদ্ধ চলুক এটা কাম্য হতে পারে না। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৬:৫৩, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • মন্তব্য: Ekdalian এর সাথে আমিও একমত, বাংলায় ব্রাহ্মণ,বৈদ্য এবং কায়স্থদের একসাথে সর্বোচ্চ জাতি হিসেবে ধরা হয়, জাতির ক্রম তালিকা এক্ষেত্রে বিতর্কিত। বৈদ্য এবং কায়স্থ উভয় একটি পেশা ভিত্তিক জাতি। কায়স্থ এবং বৈদ্য দের বর্ণ বিতর্কিত--কবির চৌধুরী ১১ (আলাপ) ১৮:২১, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আফতাবুজ্জামান ভাই, দুঃখিত। এই শেষবার আমি CharlesWain-কে উত্তর দিলাম, আমি একমত যে আমরা অন্য উইকির আলোচনা এখানে করব না। আপনি খুব সঠিকভাবে উপরে উল্লেখ করেছেন, "৩ বার প্রত্যাবর্তনের নীতিটি বাংলা উইকিতেও গ্রহণযোগ্য। বাংলা উইকিতে সম্পাদনা যুদ্ধ চলুক এটা কাম্য হতে পারে না।" ধন্যবাদ। Ekdalian (আলাপ) ১৮:৩৬, ২৬ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
কবির চৌধুরী মহাশয়, হ্যাঁ এটাই বলছি । চলতি ভাবে caste এর বাংলা বর্ণ ব্যবহার করা হয়, আমরাও করি হয়তো। কিন্তু ঐতিহাসিক বা বিশেষজ্ঞেরা সেটা করেন না। ধন্যবাদ।CharlesWain (আলাপ) ০৪:২৫, ২৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

উইকিম্যানিয়া ২০২২ — বাংলাদেশ পর্ব: উপস্থাপনা সেশনের আহ্বান[সম্পাদনা]

উইকিম্যানিয়া বাংলাদেশের লোগো

সুপ্রিয় সবাই,

উইকিম্যানিয়া ২০২২ উপলক্ষ্যে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত উইকিম্যানিয়া ২০২২ বাংলাদেশ পর্বে উপস্থাপনা সেশনের আহ্বান করা হয়েছে। এই আয়োজনে ৬টি বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা এবং ৬টি সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা সেশন নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনার জন্য সময় থাকছে ১৫ মিনিট এবং প্রতিটি সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনার জন্য সময় থাকছে ৫ মিনিট। সময়ের অপ্রতুলতার কারণে উপস্থাপনার সংখ্যা বৃদ্ধির সুযোগ না থাকায় জমা পড়া উপস্থাপনা প্রস্তাবের সংখ্যা বেশি হলে গুরুত্ব অনুসারে উপস্থাপনাসমূহ চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে। আগ্ৰহীদের এই গুগল ফর্মটি পূরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ৩ আগস্ট পর্যন্ত অনুরোধ গ্ৰহণ চলবে এবং ৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই করে ফলাফল জানানো হবে।

মূল আয়োজক দলের পক্ষে, —শাকিল (আলাপ · অবদান) ১৪:৩৭, ২৭ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

@MdsShakil কত তারিখে হবে মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ২০:৩২, ২৯ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম এটা মূল অনুষ্ঠানের একটি অংশ এবং একইদিন অর্থাৎ ১২ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে। আপনি এখানে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সূচিপত্র পাবেন —শাকিল (আলাপ · অবদান) ২০:৫২, ২৯ জুলাই ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

শিক্ষায় এই মাস: জুলাই ২০২২[সম্পাদনা]

কায়স্থ নিবন্ধে সাম্প্রতিক উন্নতি অনুমোদন/গ্রহণের জন্য অনুরোধ (নিরীক্ষক প্রয়োজন)[সম্পাদনা]

এই আলোচনাসভা এবং আলাপ:বৈদ্য পাতায় আলোচনা অনুযায়ী, আমরা বাংলা হিন্দু জাতি/বর্ণ সম্পর্কিত নিবন্ধগুলিকে তাদের নিজ নিজ ইংরেজি উইকিপিডিয়া সংস্করণগুলি থেকে অনুবাদ করে উন্নত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, যা একাধিক WP:RS সহ অনেক বেশি সমৃদ্ধ (এবং WP:NPOV এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ), এবং বর্ণ/জাতিতে অভিজ্ঞ সম্পাদকদের মধ্যে ঐকমত্য সংস্করণ। আমি শাকিল সাহেবকে এটি জানিয়েছিলাম; তিনি সাধারণত এই নিবন্ধের জন্য এই ধরনের পরিবর্তন অনুমোদন করেন, কিন্তু তিনি এই নিবন্ধটি পর্যালোচনা করতে চান না এবং উল্লেখ করেছেন যে নিবন্ধটির জন্য আরও অভিজ্ঞ কারও পর্যালোচনা করা উচিত। আমি বুঝতে পারছি, এখানে নিরীক্ষক-দের সংখ্যা কম, আর তাই এই ফোরামে এই বার্তাটি রাখছি। আপনারা অনুগ্রহ করে এই ইংরেজি নিবন্ধটি পড়তে পারেন এবং পরিবর্তনগুলি অনুমোদন/স্বীকার করার আগে এখন বাংলা উইকিপিডিয়াতেও উপলব্ধ উৎসগুলি যাচাই করতে পারেন WP:V অনুযায়ী। ধন্যবাদ। Ekdalian (আলাপ) ০৯:১৭, ৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

সম্মানিয় প্রশাসকগন - শাকিল, আফতাবুজ্জামান, ইয়াহিয়া, আল রিয়াজ উদ্দীন - আপনাদের মধ্যে কেউ কি অনুগ্রহ করে আমাকে বলতে পারেন যে এখানে আমাদের বাংলা উইকিপিডিয়ায় কোনো অভিজ্ঞ রিভিউয়ার/নিরীক্ষক আছে কি, যিনি কায়স্থ নিবন্ধটি পর্যালোচনা করতে পারেন? উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার কোনো প্রশাসককে জিজ্ঞাসা করেন (অথবা আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার শুধুমাত্র একজন রোলব্যাকার এবং নিরীক্ষক), আমরা আপনাকে 5-10 জন ব্যবহারকারীর নাম দিতে পারি, যারা জাতি/বর্ণ/সামাজিক গোষ্ঠীতে বিশেষজ্ঞ। আমি বুঝতে পারি যে এখানে সম্পাদকের অভাব রয়েছে, বিশেষ করে অভিজ্ঞ সম্পাদকদের, যাদের এই ধরনের বিশেষ অধিকার রয়েছে; যে কারণে আমি এটি এখানে উত্থাপন করছি। বাংলা উইকিপিডিয়ায় এই নিবন্ধগুলিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার জন্য আমাকে সাহায্য করার জন্য আপনাদের সকলকে অনুরোধ করব। ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা। Ekdalian (আলাপ) ১৩:২৬, ৫ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

@Bodhisattwa, Pratyya Ghosh, ANKAN, খাঁ শুভেন্দু, Pinakpani, Heliophilous, 50-Man, Jayantanth, এবং Suvray: 103.230.106.54 (আলাপ) ১৫:০৫, ৫ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

পশ্চিমবঙ্গের প্রস্তাবিত জেলা-সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রসঙ্গে[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের প্রস্তাবিত সাতটি জেলা নিয়েই নিবন্ধ পৃষ্টা সৃষ্টি করা হয়েছে বলে লক্ষ্য করলাম। অবদানকারীদের প্রতি অনুরোধ, সরকার শুধুমাত্র জেলাগঠনের সিদ্ধান্তই জানিয়েছে। এখনও জেলাগুলি গঠিত হয়নি। প্রস্তাবিত জেলা নিয়ে নিবন্ধ সৃষ্টি করা যেতে পারে। কিন্তু তথ্যের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। যা ঘোষিত হয়নি, তা এখনই উল্লেখের প্রয়োজন নেই। (যেমন - ইছামতী জেলা পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে "এবং পশ্চিম সীমানা রানাঘাট জেলার সঙ্গে সীমান্ত গঠন করে", উল্লেখ্য রানাঘাট জেলাও এখনও গঠিত হয়নি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৯:২১, ৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

অর্ণবদা, আমরা বাক্যগুলোকে ভবিষ্যত বাক্যে রূপান্তর করে দিতে পারি। যেমন, "এবং পশ্চিম সীমানা রানাঘাট জেলার সঙ্গে সীমান্ত গঠন করবে"। তাহলে মনে হয় সমস্যা সমাধান হয়ে গেল। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৯:২৯, ৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
হ্যাঁ, সেভাবেই করা উচিত। আর যা কিছু এখনও ঘোষণা হয়নি (যেমন, জেলাসদরের নাম), তার জায়গাগুলি খালি রাখা দরকার। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৯:৩৮, ৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Jonoikobangali, নতুনগুলোর মধ্যে
২টি আমি তৈরি করেছি। আমার তৈরি নিবন্ধ দুটোতে এমন কোনও সমস্যা নেই। বাকি ১টি আইপি থেকে এবং বাকিগুলো @খাঁ শুভেন্দু ভাই তৈরি করেছেন। তাই শুভেন্দুদাকে পিং করলাম। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১৬:২১, ৬ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MS Sakib কোনওটিতেই গুরুতর কিছু সমস্যা নেই। আপনাদের কাজ খুবই ভালো হয়েছে। শুধু দু-একটি তথ্য একটু যাচাই করে যোগ করতে হবে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৬:২৫, ৬ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

মেন্টর/পরামর্শদাতা নীতিমালা প্রস্তাবনা[সম্পাদনা]

প্রধান প্রস্তাবনা

এখানে আমি ইংরেজি উইকিপিডিয়া থেকে অনুবাদ করে আমাদের অনুপাত হিসেব করে একটি নীতিমালা ও পাতার জন্য সূচনাংশ একত্রিত করেছি। সম্প্রদায় আশা করছি বিষয়টি সম্পর্কে মন্তব্য করবে।

পরিভাষা সংক্রান্ত

বাংলা উইকিগুলোতে মেন্টরদেরকে মেন্টর না বলে পরামর্শদাতা ও মেন্টিদেরকে পরামর্শগ্রহীতা হিসেবে পরিচয় করানো হোক। ~ খাত্তাব ( | | ) ০৫:০৮, ৬ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

  • পরিভাষা বিষয়ে Symbol support vote.svg সমর্থনমেহেদী আবেদীন ১১:১৩, ৭ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • সমর্থন —মহাদ্বার আলাপ ১৬:৪০, ১০ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Symbol oppose vote.svg বিরোধিতা আমার মনে হয় না এটার কোন প্রয়োজন আছে। মেন্টর শব্দটি সরাসরি পরামর্শদাতার সমার্থক নয়, পরামর্শদাতাকে বলা হয় কাউন্সেলর। মেন্টর হচ্ছে বিশেষ প্রকারের কাউন্সেলর। পুরোদস্তুর কাউন্সেলিং করা মেন্টরের কাজ নয়। তাই পরামর্শদাতা বলতে আমি অনাগ্রহী। Aishik Rehman (আলাপ) - ১৫:০০, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    মেন্টর বলতে আগ্রহী কেন? আমরা ভিলেজপাম্পের অনুবাদ করেছি আলোচনাসভা। ভিলেজপাম্প কোনওভাবে কি আলোচনাসভার মত গাম্ভীর্য শব্দ? পরিভাষাকে শাব্দিকভাবে কেন নিচ্ছেন? ইংরেজিতে মেন্টর শব্দটা এসেছে হোমারের কাব্য থেকে। কাব্যটিতে মেন্টর ছিলেন একজন অভিজ্ঞ পরামর্শদাতা। শব্দটা ইংরেজিতে এখন বহুল পরিচিত, যেমন নাকি আমরা বিশ্বাসঘাতক বলতে মীরজাফরকে বুঝাই। বাংলা মীরজাফর-এর অনুবাদ কি ইংরেজিতে মীরজাফরই করবে? আবার মেন্টরকে পরামর্শদাতা বলা হলে পুরোদস্তুর কাউন্সেলিং করতে হবে কেন? যা করছে, তাই করবেন- ব্যস! নামটা বাংলা প্রচলিত শব্দে নেয়া হবে। বাদবাকি, ইতোমধ্যেই দেখলাম অনেক বাক্যেই মেন্টরের অনুবাদ পরামর্শদাতা করা হয়েছে। ~ খাত্তাব ( | | ) ১৫:৩১, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

আলোচনা[সম্পাদনা]

ব্যবহারকারী:ANKAN --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৭:৪৪, ৭ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করুন[সম্পাদনা]

আমাদের মধ্যে যারা নতুন পাতায় টহল দেই, তারা দ্রুত অপসারণ, অপসারণ প্রস্তাবনা বা উন্নয়ন ট্যাগ যুক্ত করার পর পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করিনা। এটা আরেকজন উইকিপিডিয়ানের সময় নষ্ট করে। পরীক্ষিত বলে চিহ্নিত করার বিকল্প দেয়াই হয়েছে সময় বাঁচানোর জন্য। আপনি একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলে পরীক্ষিত বলে চিহ্নিত করুন; চাই তা দ্রুত অপসারণের ট্যাগই হোক না কেন। হ্যাঁ! যদি মনে করেন আরেকজন অভিজ্ঞের টহল দেয়া জরুরি বা দ্বিধায় থাকেন; সেই কদাচিৎ ক্ষেত্রের কথা ভিন্ন হতে পারে। ~ খাত্তাব ( | | ) ২১:২৩, ৮ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

আকীদাইসলামী ধর্মতত্ত্ব নিবন্ধ বিষয়ে[সম্পাদনা]

আকীদা ও ইসলামী ধর্মতত্ত্ব একই বিষয় হওয়ার কারণে বহু আগেই ইংরেজি উইকিপিডিয়ার ইসলামী ধর্মতত্ত্ব সংশ্লিষ্ট নিবন্ধের নাম পরিবর্তন করে প্রথমে আকীদা নামে (এখানে নিবন্ধের সম্পাদনার ইতিহাসে নিবন্ধ সৃষ্টির শুরুর দিকের পরিবর্তন কয়েকটি দেখুন) ও পরে আবার নতুন করে তৈরি করা হলে তখন স্কুলস অব ইসলামিক থিওলজি en:Schools of Islamic theology (এখানে দেখুন) করা হয়েছে আর আরবি নাম ২০২০ সালে শুরুতেই আরবি উইকিপিডিয়ার নিবন্ধটি তৈরির সময় নাম মাজাহিব ইসলামিয়াত আকিদিয়াত নামে নামকরণ করা হয়েছে যার বাংলা করলে দাড়ায় ইসলামী আকীদা/ধর্মতত্ত্বের পাঠশালা/মাজহাব/বিদ্যালয়সমূহ, এখানে প্রকার, শ্রেণী, বিভাগ বিভাজন শব্দগুলো হয়তো ঠিক হবে না কারণ এগুলো আকীদার একই বিষয়ের ব্যাক্তিবিশেষ ভেদে বা চিন্তার ধরন বা ব্যাখ্যার মাধ্যম বা পদ্ধতিভেদে বিভিন্ন মতাদর্শিক প্রক্রিয়ার সুপরিচিত শাখা বা শ্রেণীগুলোর নাম, অনেক সময় কালামকে ইসলামী ধর্মতত্ত্ব বলা হলেও বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি, কারণ কালাম নিজেই একটি আকীদা যার ভেতরে আশআরীমাতুরিদি আকীদা অন্তর্ভূক্ত, তাই নাম পরিবর্তন করা আবশ্যক, পাশাপাশি ইসলামী ধর্মতত্ত্বকে আকীদায় পূননির্দেশ করা উচিৎ। 103.230.106.47 (আলাপ) ০৩:০৪, ৯ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

কালাম ইসলামি ধর্মতত্ত্ব-এর অন্তর্ভুক্ত নয় কেন? প্রসঙ্গতঃ সংশ্লিষ্ট আলাপ পাতায় যুক্তি দিলেই উত্তম হত। যেহেতু ইতিমধ্যেই সেখানে আলোচনা চলমান। ~ খাত্তাব ( | | ) ০৪:৫১, ৯ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
কালামকে অনেকসময় ইসলামী ধর্মতত্ত্বের প্রতিশব্দ বলা হয়, কিন্তু মূলত ইসলামী ধর্মতত্ত্বের প্রতিশব্দ হল আকীদা, কালাম নয়, কালাম মানে আকীদা নয়, কিন্তু কালাম বিভিন্ন শ্রেণীর আকীদার মধ্যে একটি আকীদা, যার অন্তর্ভুক্ত আশআরী আর মাতুরিদি আকীদা, সুন্নি আকীদার মধ্যে আছে আরও আছারী আকীদা, যাকে বর্তমানে সালাফি ও আহলে হাদীসদের দ্বারা সহীহ আকীদা বলা হয় ও আরও আছে সুফি আকিদা, যার মধ্যে বহু তরীকা বিদ্যমান, আরও আছে মুতাজিলা আকিদা, আবার শিয়াদের মধ্যে আলাদা আকীদার শ্রেণীবিভাগ রয়েছে: ইসনা আশারিয়া আকিদা (উসুল আল দ্বীন) ও ইসমাঈলি আকীদা ইত্যাদি, আমার মনে হয় যেহেতু আপনি আরবি ও ইংরেজি জানেন তাহলে আরবী আর ইংরেজি নিবন্ধ দুটো দেখলেই বুঝতে পারবেন। আর এখানে দেওয়ার কারণ হলো বিষয়টি আরও দ্রুততম সময়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা। ধন্যবাদ আপনাকে। 103.230.107.33 (আলাপ) ০৬:০৬, ৯ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
বুঝতে ভুল, ইলমুল কালাম ও ইলমুল আকিদা একই বিষয়। কেউ বলেন, ইলমুল কালাম, কেউ বলেন ইলমুল আকিদা। উমাইয়া যুগে ও আব্বাসীয় যুগে আকাইদের বিষয় নিয়ে আলেমদের মাঝে ঝগড়া বা তর্ক হতো। সে জন্য এ বিদ্যার নাম রাখা হয় ইলমুল কালাম বা তর্ক বিদ্যা। (কালাম শব্দের অর্থ-ক্ষত করা। যেহেতু ছুরির আঘাতের চেয়ে কথার আঘাত বেশি, তাই এ নাম।) প্রাচীন আলেমগণ তাদের লেখুনিতে এ দুটো নামই ব্যবহার করেছেন। তবে এটি ইসলামি ধর্মতত্ত্বের একটা অংশ। যেমন তাফসির, হাদীস, ফিকহ, আরবি সাহিত্য ইত্যাদি একটা করে ইসলামি ধর্মতত্তের অংশ বা পার্ট। মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ১৭:২৭, ১০ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম, কালাম তো দ্বান্দ্বিক যুক্তি বা মানতেককে প্রাধান্য দেয়, এখন কোন আকীদা যদি যুক্তি বা মানতেককে ও বাহাস বা আলোচনাকে প্রাধান্য না দেয় তখন সেটা কি আকীদা হবে না, আপনার মত অনুযায়ী ইলমুল কালাম ও ইলমুল আকীদা এক হলে মানতেক ও বাহাস না মানলে কোন আকীদাই মানে বিশ্বাসই আকীদা না, যেমন আছারী আকীদা মনে পরছে এই মুহূর্তে, এছাড়া আরও আছে কি না আমি জানি না, এই সংজ্ঞানুযায়ী কালাম আকীদা সমার্থক বললে আকীদা বলতে কালাম হিসেবে শুধু ব্যক্তিকেন্দ্রিক যৌক্তিক বিশ্বাসসম্পন্ন আকীদাগুলোতে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, অন্যান্য আকীদাগুলো বাদ পড়ে যায়, অথচ আকীদা বলতে সকল প্রকারের বিশ্বাসের মতবাদকেই অন্তর্ভূক্ত করা হয়, কালামের দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার সাথে না মিললেও। এছাড়া ইসলামী আকীদা পরিমণ্ডলের বাইরে হিন্দু আকীদা বৌদ্ধ আকীদা খ্রিস্টান আকীদা, ইহুদি আকিদা, নাস্তিকদের আকীদা, সন্দেহবাদী ও অজ্ঞেয়বাদীদের আকীদা, আরও বহু আকীদা এগুলো সবগুলো ধর্মের বিশ্বাসকেই ইসলামী পরিমণ্ডলে আকীদা বা ধর্মবিশ্বাসের মূলনীতিসমূহের গুচ্ছ হিসেবে ধরা হয়। তাই আমার মতে সকল কালামই আকীদা কিন্তু সকল আকীদাই কালাম নয় হওয়ার কথা। আর আকীদা মানেই কালাম হলে আহমদ বিন হাম্বল তার আমলে মুতাজিলাদের দেওয়া কালামশাস্ত্র অনুসরণ করে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুরআনের ব্যাপারে তাদের যুক্তিভিত্তিক ব্যাখ্যার বিরোধিতা করতেন না, আর মুতাজিলারাও আহমদ বিন হাম্বলের বিরোধিতা করতেন না, কারণ তাদের উভয়ের মত অর্থাৎ কালাম (বাহাস ও মানতেক) ও আছার (হাদীস) তাদের নিজস্ব আকীদার প্রশ্নোত্তর খোজার উৎসের মূলভিত্তি ছিল। আমার যতটুকু মনে পড়ে কালমী মুতাজিলারা ওহী ব্যাখ্যার মানতিক বা যুক্তি হিসেবে ইউনানি পালসাফা বা গ্রিক দর্শনকে ব্যবহার করতো আর এর বিপরীতে আহমদ ইবনে হাম্বল সেসময় ওহীর ব্যাখ্যায় মানতিক বা যুক্তি হিসেবে ওহীকেই অর্থাৎ কুরআন হাদীসকেই বিশেষ করে হাদীসকে ব্যবহার করেছিলেন, যাথেকে গউইনানী ফালসাফা বিশিষ্ট কালামী আকীদার বিপরীতে হাদীসের দ্বারা ব্যাখ্যাকারী আছারী বা আহলুল হ আকীদার অবস্থান শুরু হয়। আর ইসলামী ধর্মতত্ত্ব ফিকহসহ ধর্মকেন্দ্রিক বা দ্বীনকেন্দ্রিক বিস্তৃত বিষয় হলে তা ইলমুল দ্বীন আল ইসলামী (علم الدين الإسلامي) (Islamic religiology) বা দিরাসাত আল আকাঈদ আল দিনিয়াত আল ইসলামী (الإسلامي دراسة العقائد الدينية বা দিরাসাত আল ইসলামিয়াত (ar:دراسات إسلامية) বা ইসলাম শিক্ষা (Islamic studies) হওয়ার কথা। আল্লাহ ভালো জানেন। ধন্যবাদ আপনাকে। 103.230.105.34 (আলাপ) ০৮:৪২, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান আরো একটু খোলাসা করি। ইসলামি ধর্মতত্ত্ব ব্যাপক অর্থবোধক, আর ইলমুল কালাম সংক্ষিপ্ত অর্থবোধক। তাই ইসলামি ধর্মতত্ত্ব এর মধ্যে ইলমুল কালাম আছে। এটাকে মানতেকের ভাষায় “আম খাস মতলোক” সম্পর্ক বলা হয়। মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ১৭:৩৩, ১০ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম, আমি যতটুকু দেখলাম, আম খাস মুতলাক কমুকাইয়াদ এগুলো উসুলে ফিকহের অংশ, মানতিকের অংশ কিনা আমি জানি না। 103.230.105.34 (আলাপ) ১১:৫৫, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান কাজেই “আকাইদ” ও “ইসলামি ধর্মতত্ত্ব” আলাদা আলাদা নিবন্ধ হওয়া দরকার। মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ১৭:৩৭, ১০ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম হ্যাঁ, তেমনটা করা যেতে পারে। ~ নোমান (📨আলাপ📝অবদান) ০৪:২২, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MdaNoman @মো. মাহমুদুল আলম আপনাদের সাথে অনেকাংশে একমত। আর আকিদার মাজহাবসমূহ হয়ত নিবন্ধটির নাম দেয়া যেত। আর আকীদা নামে ইতোমধ্যেই একটি নিবন্ধ রয়েছে। (আকাইদ আকীদারই বহুবচন)।
আমি আসলে নিবন্ধটির নাম আকিদার প্রকার বা ইসলামি বিশ্বাসের প্রকারভেদ নামকরণ করার আগ্রহ রাখব। ~ খাত্তাব ( | | ) ০৫:১৩, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান আকাইদ ও ঈমান অর্থ বিশ্বাস। দুটির পরিভাষা ভিন্ন ভিন্ন। এক্ষেত্রে "আকাইদপন্থী মাযহাবসমূহ" হতে পারে। মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ১৪:২৯, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম, ইমান হলো المصداقية বিশ্বাস বা মতবাদের নিশ্চয়তা দেওয়া, স্বীকৃতি দেওয়া, নির্ভর করা, বিশ্বাস করা, সত্যায়ন করা আর কোন বিষয়ে ইমান আনা হয় তার ব্যাখ্যাই হলো আকীদা, ইমান অর্থ বিশ্বাস এতদিন ধরে প্রচলিত থাকলেও কুফর বা অস্বীকৃতির বা অবাধ্যতার বিপরীত হিসেবে ইমানের অর্থ হল স্বীকৃতি দেওয়া, বাধ্যতা, আনুগত্য, আর যে বিষয়ে ইমান আনা হয় বা কুফরি করা হয়, সে বিষয়গুলোই হলো আকিদা। আকাইদপন্থী মাজহাব বললে সকল মাযহাবই আকাঈদপন্থী,,এক্ষেত্রে আকাঈদের বা আকীদার মাজহাব নামটাই অধিক সঠিক। 103.230.105.34 (আলাপ) ০৮:৫৬, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম বাকিরা কি আকাইদবিরোধী? আকাইদপন্থী দিয়ে এক্সাক্টলি কী বুঝাচ্ছেন ভাই? ~ খাত্তাব ( | | ) ১৫:৩৪, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আমি যতটুকু জানি কালাম হলো মানবিক যুক্তি দিয়ে বিতর্কে জেতার মাধ্যমে আকিদা ও ফিকহ প্রতিষ্ঠা করার মেথডলজি বা পদ্ধতিবিদ্যা, যাকে আহলে আর রায়ী বলে, যা আহলে হাদীসের বিপরীত, যেখানে আকীদা ও ফিকহ ব্যখ্যা ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ওহী তথা কোরআন ও সহীহ হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক কোন কিছুকে প্রবেশ করার সুযোগ দেওয়া হয় না, আর কোরআন হাদীসকে যৌক্তিক ব্যাখ্যা না করে আক্ষরিক ব্যাখ্যা করা হয় আর যৌক্তিক ব্যাখ্যা করলেও তা সার্বিকভাবে কোরআন হাদীসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা সে ব্যাপারে সতর্ক অনুসন্ধানী দৃষ্টি জারি রাখা হয়, যাকে আছারী বা ট্রেডিশনালিস্ট থিওলজি বলে, দুটোই হলো আকীদার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দুটো পৃথক মেথডলজি বা পদ্ধতিবিদ্যা। 103.230.105.24 (আলাপ) ১৬:১৮, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আইপি ভাই, আপনার দেয়া তথ্য অনেকাংশে ঠিক। তবে আপনি বোধহয় আসারি আকিদা লালন করেন। আর উইকিপিডিয়ায় নিরপেক্ষতা প্রয়োজন। অর্থাৎ, কালামি/আশআরি মাতুরিদিদের সংজ্ঞা ও প্রকরণও এখানে উল্লেখিত হতে হবে। ~ খাত্তাব ( | | ) ১৭:২১, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান মানতেকে একটা কথা আছে, "লা শায়উন বি শায়উন হ্যায়" অর্থ-যেটা বস্তু নয়, সেটাও বস্তু। আকিদা বিরোধীরা এটাও একটা আকিদাপন্থী দল। আশা করি বুঝাতে পেরেছি। মো. মাহমুদুল আলম (আলাপ) ১৭:১৭, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম, আপনি সম্ভবত "লা শায়উন ভি শায়উন হ্যায়" = "কোন কিছু না"ও একটা কিছু (উর্দু বাক্য, এর মাঝে লা শাইয়ুন ও শাইয়ুন হল আরবি) বোঝাতে চাচ্ছেন। 103.230.105.34 (আলাপ) ০৯:১৮, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@মো. মাহমুদুল আলম ভাই, মানতেক কেন আসছে? যেহেতু উইকিপিডিয়ায় আমরা গবেষণা করছিনা; তাই এখানে যুক্তির চেয়ে তথ্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আকিদাবিরোধী বলতে কিছু হতে পারে কি? মানে আকাইদপন্থী বলতে কোনও শব্দ আরবি বা বাংলায় অস্তিত্ব রাখে কি? থাকলে আমরা সেদিকে যেতে পারি। নইলে আকিদা অনুযায়ী চলাকে বিশ্বাস করাই বলা হয়, উদাহরণতঃ তাওহিদ আকিদার প্রধান অংশ। আমরা বলি যে- সে তাওহিদে বিশ্বাসী। আমি আকাইদপন্থী শব্দটা কোনওভাবেই মিলাতে পারছিনা। ~ খাত্তাব ( | | ) ১৭:২৬, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
প্রসঙ্গত মানতেক বা ইসলাম সম্পর্কিত পরিমণ্ডলে যুক্তি নিয়ে এই নিবন্ধটা (en:Logic in Islamic philosophy) (ইসলামী দর্শনে যুক্তি) অনুবাদ করা যেতে পারে। 103.230.106.39 (আলাপ) ০২:২৮, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আমি আবারও স্পষ্ট করি, আকিদা হলো বিশ্বাস বা বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবরণ, আর কালাম বা কালামী হল একটি মেথড বা পদ্ধতি বা মানহাজ, এখানে ওহির ব্যাখ্যায় মানতিক বা যুক্তি হল মূল, আর তার মাপকাঠি হলো বাহাসে জয়ী হওয়া, এই মেথডের অধীনে সবচেয়ে পরিচিত যে তিনটি আকীদা আছে, সেগুলো হলো, মুতাজিলা, আশআরী ও মাতুরিদি, এছাড়াও প্রায়সময়ই কালামকে ডায়ালেকটিকাল থিওলজি (dialectical theology) বা দ্বান্দ্বিক বা যৌক্তিক আলোচনা বা মতামতভিত্তিক ধর্মতত্ত্ব বলা হয়, আরও বলা হয় Islamic scholastic theology" বা ইসলামী পাণ্ডিত্যসূলভ ধর্মতত্ত্ব "speculative theology" বা অনুমানমূলক ধর্মতত্ত্ব, যা এ ক্ষেত্র অনুযায়ী কালাম শব্দের একটি প্রায় নিকটবর্তী সমার্থক শব্দ, বার আছার বা আছারীও একটি মেথড বা পদ্ধতি বা মানহাজ, এখানে ওহীর ব্যাখ্যায় ওহীকে ব্যবহার করা হয়, যেমন কোরআন ও হাদীস উভয়ের ব্যাখ্যাতে কোরআন ও হাদীসকে ব্যবহার করা হয়, যুক্তিকেও ব্যবহার করা হয়, তবে সেটা কোরআন হাদীস দ্বারা সরাসরি সুস্পষ্টভাবে সমর্থিত ও পরীক্ষিত হতে হয়, এর অধীনে একটিই আকীদা আছে, তাকে আছারী, সালাফী, আহলে হাদীস, ওয়াহাবী, লামাযহাবী, হাম্বলী ইত্যাদি নামে ডাকা হয়, আছারী বলা হয় কারণ আছার অর্থ হাদীস বা বর্ননা বা ঐতিহ্য (tradition) যার দ্বারা হাদীসকে বোঝায়, অর্থাৎ কোরআনের ব্যাখ্যায় ভিত্তিগতভাবে হাদীসের ব্যবহার, তাই একে ট্রেডিশনালিস্ট বা স্ক্রিপচারালিস্ট থিওলজি বা ঐতিহ্যবাদী বা মূলগ্রন্থবাদী ধর্মতত্ত্ব বলা হয়, আরেকটা বিষয়, একই মেথডলজি দুটো ফিকহ আর আকীদা উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হলেও ফিকহ আর আকীদা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটো জিনিস,আকীদা হলো বিশ্বাস আর ফিকহ হলো ব্যবহারিক কাজকর্ম। আর যেহেতু ইংরেজিতে থিওলজি শব্দটি বারবার আকীদাগত শব্দগুলোর সাথেই ব্যবহৃত হচ্ছে যেমন ট্রেডিশনালিস্ট থিওলজি মানে আছারী আকীদা আশআরী থিওলজি মানে আশআরী আকীদা, মাতুরিদি থিওলজি বা মাতুরীদি আকীদা, ইংরেজি উইকির প্রতিটি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধের শুরুতে এমনই লেখা আছে, তাই ইসলামিক থিওলজি বা ইসলামী ধর্মতত্ত্বের বাংলা ইসলামী আকীদা বা আকীদা হওয়ার পক্ষেই এর দৃষ্টিগতভাবে রচনাশৈলীগত সমর্থন দেখা যাচ্ছে। এছাড়া যদিও কালামের অনুবাদ হিসেবে থিওলজি শব্দটি পাওয়া যায় তবে সংখ্যার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা স্কলাস্টিক থিওলজি হিসেবে আসে, আর আকীদা শব্দের অনুবাদ সকল ক্ষেত্রেই থিওলজি, Islamic theology, Islamic creed, creed, article of faith, tenet, doctrine এই শব্দগুলো আসে, এছাড়া থিওলজির অনুবাদ হিসেবে গুগল বুকসের উল্লেখযোগ্য তৃতীয় পক্ষের ইংরেজি বইগুলোতে কালামের চেয়ে আকীদার প্রতিই সমর্থনের সংখ্যা ও ব্যাখ্যাই বেশি দেখেছি, এছাড়া সেখানেও বলা হয়েছে এক জায়গায় দেখলাম, যে, কালাম অর্থ থিওলজি করা হলেও তা সঠিক অর্থ বহন করে না, বরং স্পেকুলেটিভ থিওলজি বললে এর অর্থ স্পষ্ট হয়। আমার এইমুহূর্তে মনে হচ্ছে নিবন্ধটির নাম ইসলামী আকীদার বা ধর্মতত্ত্বের মতবাদসমূহ বা মতবাদের/আদর্শিক/মতাদর্শিক ধারাসমূহ নাম নিলে ভালো হয়।103.230.106.39 (আলাপ) ০২:৪৪, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আমি গুগল করে দেখলাম ইসলামী ধর্মতত্ত্বকে আরবিতে আল লাহুত আল ইসলামী (اللاهوت الإسلامي) বলা হয়[১]। অনেকে এর দ্বারা কালামকে নির্দেশ করলেও কেউ একে সরাসরি আকীদা বলে নি, বরং আকীদা বিষয়ক পড়াশোনার একটি ধরন বলেছেন।[২] আর ইসলামওয়েবের মতে ধর্মতত্ত্বের আরবি শব্দ লাহুত যা ইলাহিয়াত বা উপাস্যতার সাথে সম্পর্কিত আর ইংরেজি শব্দ থিওলজি গ্রীক শব্দ হতে এসেছে যার লজি অর্থ কথা বা আলাপ আর থিও অর্থ ঈশ্বর অর্থাৎ ঈশ্বর বিষয়ক আলোচনা। অর্থাৎ থিওলজি বা লাহুত অর্থ ধর্মতত্ত্ব না বলে ঈশ্বরতত্ত্ব বললে বেশি সঠিক হয়। এক্ষেত্রে ইলমুল কালামের চেয়ে ইলমুল আকীদাই বা ইসলামী আকীদাই বেশি নিকটবর্তী। আবার ধর্মতত্ত্বকে বা থিওলজিকে ইলমুল ইলাহীও বলা হয় (العلم الإلهي)। 103.230.105.34 (আলাপ) ১১:০১, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

তথ্যসূত্র:

  1. Welle (www.dw.com), Deutsche। "تدريس اللاهوت الإسلامي في ألمانيا..قصة نجاح رغم المعوقات | DW | 20.01.2013"DW.COM (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২ 
  2. "هل يوجد في الإسلام ما يقابل اللاهوت عند غير المسلمين - إسلام ويب - مركز الفتوى"www.islamweb.net (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২ 

নিবন্ধের সালযুক্ত শিরোনামের রীতি[সম্পাদনা]

এই আলোচনার প্রেক্ষিতে আলোচনাটি শুরু করা। বাংলা উইকিপিডিয়ায় সালযুক্ত নিবন্ধের শিরোনামের ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট রীতি নেই। যেমন: ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ, ২০২২-এ ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ কিংবা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, ২০২০ ইত্যাদি। এই বিভিন্ন রীতি উইকিপিডিয়ানদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আমার প্রস্তাব হলো বাংলা ভাষায় প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সালগুলোকে শিরোনামের পেছনের অংশে লেখার রীতিকে উইকিপিডিয়ার রীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। অর্থাৎ, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২, ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ ২০২২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচন ২০২০ (কমা থাকবে না) ইত্যাদি হিসেবে লেখা। এই পদ্ধতি ইংরেজির ঠিক উলটো (অর্থাৎ, ইংরেজিতে সাল দিয়ে শুরু হয়)। এখানে উল্লেখ্য বাংলায় দিবস বা দিন সংক্রান্ত নিবন্ধগুলোতে বাংলা ভাষার চলিত রীতি অনুযায়ী ইংরেজির উলটো করে লেখা হয়। যেমন, আজকের তারিখ ইংরেজি August 12 বাংলায় ১২ আগস্ট হিসেবে লেখা হয়।

পুনশ্চঃ পূর্বোল্লিখিত আলোচনার @MdsShakil, @MdaNoman ও @Arabi Abrar ভাইকে পিং করা হলো। — আদিভাইআলাপ • ২৩:১৮, ১১ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

  • Symbol strong support vote.svg দৃঢ় সমর্থন: আমি আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি। তবে আমার মনে হয় কমা (,) ব্যবহার করা উচিত। আপনি কি কারণে কমা (,) ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করছেন?? বললে উপকৃত হই। Tournesol.png ধন্যবাদ। ≈ ফারহান  💬«আলাপ»💬 ০৮:৩৬, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MdaNoman, @Md.Farhan Mahmud, @MS Sakib, কমা ব্যবহারের সাধারণ নিয়মগুলো হলো: আপনি যখন একই জাতীয় একাধিক জিনিসকে সংযুক্ত করবেন, বা এক্সপ্রেশন গঠনকালে অর্থের বিভাজন দেখানোর জন্য বিরতির প্রয়োজন হবে, তখন কমা বসবে। সেই সূত্রে সালের আগে কমা বসা উচিত নয়। (তারিখের ক্ষেত্রে মাসের পর বার বসলে অর্থের বিভাজন দেখাতে মাস ও বারের পর কমা বসে। সেটি ভিন্ন বিষয়।) উচ্চারণগতভাবেও “ফিফা বিশ্বকাপ” বলার পরে “২০২২” বলতে থামতে হয় না। উপরন্তু এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, তেমন কোথাও একটা কমা ব্যবহার করা হচ্ছে না। — আদিভাইআলাপ • ১১:৫৩, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@আদিভাই এটা বোঝানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এবার নিঃসন্দেহে আপনার বক্তব্যে আমি Symbol strong support vote.svg দৃঢ় সমর্থন করছি। ≈ ফারহান  💬«আলাপ»💬 ১২:২৭, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017 নির্বাচন সম্পর্কিত নিবন্ধে কমা (,) থাকাই উত্তম। যদি সাল শুরুতে দেয়া হয় তবে কমা'র দরকার নেই বলে আমার মত।-- আবরার‌ ১২:৩৬, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Arabi Abrar, নির্বাচন সংক্রান্ত নিবন্ধের ক্ষেত্রেও একই সূত্র প্রযোজ্য হয়। পাশাপাশি এই সংক্রান্ত অনলাইন প্রতিবেদনগুলো লক্ষ্য করতে পারেন। — আদিভাইআলাপ • ১২:৪১, ১২ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Symbol support vote.svg সমর্থন: সাল শেষে লেখার প্রস্তাবে সমর্থন জানাচ্ছি। তবে কমা ব্যবহার সম্পর্কে আমার মত হলো শুধু বিশ্বকাপ বা এ ধরনের অন্যান্য বড় ক্রীড়া আয়োজনের ক্ষেত্রে কমা ব্যবহার না করা (অন্যান্য সাধারণ প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সমস্যা নেই), যেমন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ, ২০২২Mashfiমাশ্‌ফী () ০৩:৪৬, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    @Mashfi23, সেক্ষেত্রে বিভ্রান্তি থেকে যাবার সম্ভাবনাই রয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপকে কমার ব্যবহার থেকে আলাদা রাখছি, অন্য ক্ষেত্রগুলোতে কমা ব্যবহার করছি— এই ব্যবহার করা, না করার ক্ষেত্রগুলোর পার্থক্য কীভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন? অনুগ্রহ করে একটা সাধারণ ক্রাইটেরিয়া ব্যাখ্যা করবেন। বাংলা উইকিপিডিয়ার ক্ষেত্রে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে, সামনে আসা সকল সমস্যা একই সাথে সমাধান করে ফেলা উচিত হবে। নয়তো পরবর্তীতে একই আলোচনা আবার শুরু করে কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায় না। — আদিভাইআলাপ • ০৯:০৬, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    ধন্যবাদ সমস্যাটির কথা তোলার জন্য। এভাবে নিবন্ধগুলোকে বিভক্ত করাং বড় ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হলে সব ক্ষেত্রেই কমা ব্যবহার করায় আমার আপত্তি নেই। Mashfiমাশ্‌ফী () ০৯:১৯, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    @Mashfi23 ভাই, আমি একটু উপরে ব্যাখ্যা করেছি যে ব্যাকরণ ও নিয়মগতভাবে এখানে কমার প্রয়োজন নেই। :) — আদিভাইআলাপ • ০৯:২৪, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    আমি শুধু কমার প্রতি আমার সমর্থন জানালাম আরকি। কমা না দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও আমার আপত্তি থাকবে না। Mashfiমাশ্‌ফী () ০৯:২৬, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Symbol support vote.svg সমর্থন, তবে আমি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কমা দেওয়ারও পক্ষে। যেমন কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬, উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২২ডিজিটাল, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২১শাকিল (আলাপ · অবদান) ১৬:৪৪, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    এগুলোতে তো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক তথ্যসূত্রে ব্যবহারের কারণে দিতে হয়েছে। আইন, প্রবিধান, নীতিমালায় ব্যতিক্রম করা উচিত কি তাহলে? @Meghmollar2017 —মহাদ্বার আলাপ ১৭:১২, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    @MdsShakil এবং Greatder: এরকম ক্ষেত্রে যেই গ্যাজেটগুলো বেরোবে, তাতে যেই নামটি থাকবে সেটি অফিসিয়াল নাম। বাংলায় অফিসিয়াল নাম যেরকম থাকে, সেরকমই হওয়া উচিত। — আদিভাইআলাপ • ১৭:১৫, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    বুঝলাম, একটু যদি শিরোনাম নির্দেশিকা তে বিষয়গুলো লিখে দিতেন। :) —মহাদ্বার আলাপ ১৭:১৯, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    @Greatder ভাই, যদি সকলের ঐকমত্য লাভ করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই যুক্ত করে দেওয়া হবে। :) — আদিভাইআলাপ • ১৭:৩১, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Symbol strong support vote.svg দৃঢ় সমর্থন। আমি নিজেও আজকাল এরূপ সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। অনেকেই সাল আগে যোগ করছেন। এবং কমা না দেওয়ার ব্যপারে আমি @Meghmollar2017 ভাইকে পূর্ণ সমর্থন করছি। কারণ শিরোনামে সাধারণ ক্ষেত্রে কমা না দেওয়াই উচিৎ বলে আমি মনে করি। ধন্যবাদ। মোঃ মারুফ হাসান (আলাপ) ০৪:০৬, ১৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • Symbol strong support vote.svg দৃঢ় সমর্থন: শিরোনামের ব্যাপারে সমর্থন জানাচ্ছি এবং শিরোনামে কমার ব্যবহার বন্ধ করা যেতে পারে। এবং উপরে @Meghmollar2017 ভাই ইতোমধ্যেই যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আমি সেই সাথে যুক্ত করতে চাই যে কমা না ব্যবহারের উক্ত নীতি কিন্তু পত্রিকার শিরোনামেও ব্যবহার করা হয়। আমিও শিরোনামে কমা ব্যবহার না করাকে উপযুক্ত মনে করি।
তবে আইন, সরকারি নীতিমালা, গ্যাজেট ইত্যাদি এর ক্ষেত্রে কমা সহ দাপ্তরিক নাম ব্যবহার করা যেতে পারে। -Abdur Rahman আলাপ ০৫:৫৫, ১৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

মাহাবুব আলম চাষী নামের সাথে উইকিপিডিয়ায় ডঃ আখতার হামিদ খান এর ছবি ব্যবহার[সম্পাদনা]

চাষী মাহবুব আলম নামের সাথে উইকিপিডিয়ায় যে ছবিটি ব্যবহার করা হচ্ছে তা উপমহাদেশের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী বার্ড, কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডঃ আখতার হামিদ খান এর। অপরদিকে চাষী মাহবুব আলমকে বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডে অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে তাকে চিহ্নিত করা হয়। ফলে বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল চাষী মাহবুব আলম এর স্থানে ডঃ আখতার হামিদ খান এর নাম ব্যবহার করে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারী হিসেবে প্রকাশ করছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। Lifuputu (আলাপ) ০৮:১৯, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

@Lifuputu, আপনার কাছে কি কোনো প্রমাণ রয়েছে, যে ভুল ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে? যদি থেকে থাকে, তাহলে যথাযথ উৎস বর্ণনাসহ নতুন ছবি আপলোড করুন। ধন্যবাদ। — আদিভাইআলাপ • ০৯:০৭, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
আমার কাছে চাষী মাহবুব আলম এর কোন ছবি নেই কিন্তু এখানে বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী বার্ড, কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডঃ আখতার হামিদ খান এর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তার প্রমানক নিচে দেওয়া হলঃ [২] [৩][৪] Lifuputu (আলাপ) ০৯:৪১, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Lifuputu উক্ত নিবন্ধ থেকে ছবি সরানো হয়েছে দেখলাম। Deloar Akram (আলাপঅবদানলগ) ০৯:৫২, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@DeloarAkram নিবন্ধ থেকে ছবি আমি সরিয়েছি। কিন্তু চাষী মাহবুব আলম দিয়ে সার্চ দিলে সার্চ উইন্ডোতে এখনো ডঃ আখতার হামিদ খান এর ছবি ও সাথে উইকিপিডিয়ার লিংক প্রদর্শীত হচ্ছে। [৫] Lifuputu (আলাপ) ১১:৩৭, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Lifuputu ছবিটা দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। কিছু সময় লাগবে, পরে এই ঘটনা থাকবেনা। Deloar Akram (আলাপঅবদানলগ) ১৪:২২, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

পূর্ব পাকিস্তান প্রসঙ্গ[সম্পাদনা]

চান্দা (চলচ্চিত্র) বা মুখ ও মুখোশ পাতায় @Mehediabedin ভাই তার আলাপ পাতা অনুসারে পূর্ব পাকিস্তানের চলচ্চিত্রগুলোকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র হিসেবে লিখেছেন। উনার যুক্তি উনার আলাপ পাতায় দেখতে পারেন, সেখানে খানিকটা বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু আমার কাছে কার্যক্রমটা বিদঘুটে লেগেছে। তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নরকে বাংলাদেশের গভর্নর কেন বলা হবেনা? শুধু চলচ্চিত্রে কেন বাংলাদেশের হবে?

প্রসঙ্গতঃ আমি মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে কাজ করছিলাম। সেখানে তৎকালীন এলাকাকে মূল নামে রাখা হয়। তবে প্রয়োজনে ব্রাকেটে লিখে বা সংযোগ দেয়া হয় যে, বর্তমানে সেটা কোন এলাকায় পড়েছে। যেমন- লেখা হবে, উসমানীয় তুরস্ক (বর্তমানে তুরস্ক) বা হিজায, উসমানী এলায়েত (বর্তমানে সৌদি আরব)। কিন্তু এখানে তো উলটো!

তাই সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যথাযথ মনে করলাম। ~ খাত্তাব ( | | ) ১৬:৪৬, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

Pictogram voting comment.svg মন্তব্য আমার আলাপ পাতার আলোচনা চান্দা (চলচ্চিত্র) নিবন্ধের আলাপ পাতায় সরিয়ে নিয়েছি মেহেদী আবেদীন ১৮:১৩, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

@খাত্তাব হাসান "পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নরকে বাংলাদেশের গভর্নর কেন বলা হবেনা?" কারণ গভর্নর হয় শুধু প্রদেশের, কোন স্বাধীন দেশের নয়। বাংলাদেশের গভর্নর লিখলে এটা মেনে নিতে হয় যে বাংলাদেশ পরাধীন। কিন্তু চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র লিখলে সেই সমস্যা পোহাতে হয় না। বাংলাদেশ সরকার মুখ ও মুখোশ কে দেশের প্রথম চলচ্চিত্র বলে থাকে। আপনার যুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হলো ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কোন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র (কিন্তু সেটা হবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র)।
"সেখানে তৎকালীন এলাকাকে মূল নামে রাখা হয়।" – অবশ্যই সেটা বাংলা উইকিপিডিয়াতেও মেনে চলা হয়৷ পাকিস্তান আমলে কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হলে সেটাকে "অমুক সালে পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত" বিষয়শ্রেণী যুক্ত করা হয়। কোন ব্যক্তির জন্মের ক্ষেত্রে জন্মস্থানে সময় অনুযায়ী ব্রিটিশ ভারত বা পাকিস্তান যুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু সব ধরণের নিবন্ধে এমনটা প্রয়োজন নেই। তবে আপনি বলতেই পারেন যে চলচ্চিত্র কোনও প্রতিষ্ঠান নয় (যেমনটা আপনি বলেছেন আমার আলাপ পাতায়)। সেক্ষেত্রে আপনার যুক্তি মেনে নিয়ে কিন্তু বাংলাদেশ সরকার মুখ ও মুখোশকে শুধুই পাকিস্তানের চলচ্চিত্র বলেনি। ব্রিটিশ ভারতীয় হওয়ার পরেও শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশী বলা হয়। চলচ্চিত্র কোন প্রতিষ্ঠান নয় – কিন্তু তাতে কি? এটা কি আসলেই কোন ব্যাপার? পাকিস্তান আমলে নির্মলেন্দু গুণের লিখিত কবিতাগুলো "পাকিস্তানি কবিতা" বলা হয়না। মেহেদী আবেদীন ১৭:১৪, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
কারণ গভর্নর হয় শুধু প্রদেশের, কোন স্বাধীন দেশের নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক কোন দেশের প্রদেশ?
পাকিস্তান আমলে নির্মলেন্দু গুণের লিখিত কবিতাগুলো "পাকিস্তানি কবিতা" বলা হয়না।
কারণ বাংলাদেশ আমলে তার লিখিত কবিতাগুলোকে বাংলাদেশি কবিতা বলা হয়না।
বাংলাদেশের গভর্নর লিখলে এটা মেনে নিতে হয় যে বাংলাদেশ পরাধীন।
গভর্নর হলেই পরাধীন? আশ্চর্য!
বাংলাদেশ সরকার কিছু বললেই তো আর ইতিহাস বদলে যাবেনা। তার উপর সাধারণভাবে বাংলাদেশ সরকার ইতিহাসবিদও নয়। আগে প্রমাণ করুন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ছিল এগুলো বা মুক্তি পাওয়ার সময় বাংলাদেশের অস্তিত্ব ছিল; তারপর না হয় আলাপ এগুনো যাবে। ~ খাত্তাব ( | | ) ১৭:২২, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান
বাংলাদেশ ব্যাংক কোন দেশের প্রদেশ?
এটা তো বাচ্চাদের মতো কথা বললেন! প্রাদেশিক গভর্নর আর ব্যাংকের গভর্নর কি এক জিনিস???? বিতর্কে তথ্য তুলে ধরার সময় কি এটা বিবেচনা করা উচিত নয় যে এখানে উল্লেখিত শব্দটি দিয়ে কি বুঝানো হচ্ছে?
কারণ বাংলাদেশ আমলে তার লিখিত কবিতাগুলোকে বাংলাদেশি কবিতা বলা হয়না।
এটা কি সারকাজম ছিলো? আমি শুধু যা সত্যি তাই তুলে ধরেছি। নির্মলেন্দু গুণের পাকিস্তান আমলে রচিত কবিতাকে আর পাকিস্তানি কবিতা বলা হয় না। কিন্তু জসিমউদদীনের কলকাতায় থাকাকালে "কবর" কবিতা লিখলেও আজ এটি বাংলাদেশী কবিতা। তাই অনেকসময় শুধু সময় আর স্থান দিয়েই সব সংজ্ঞায়িত করা যায়না।
গভর্নর হলেই পরাধীন? আশ্চর্য!
ভারত ও পাকিস্তানের জন্য ব্যাপারটা আলাদা। কিন্তু যেসব দেশে প্রদেশভিত্তিক ব্যবস্থা নেই সেসব দেশে গভর্নর থাকেনা। যেমন ভারতের গভর্নর বলতে আমরা বুঝি ভারতের রাজ্যগুলোর রাজ্যপালদের। কিন্তু ভারতে কোন প্রদেশ না থাকলে তখন যদি কেউ বলতো ভারতের গভর্নর তবে এটা দ্বারা বুঝাতো যে ভারত একটি প্রদেশ।
বাংলাদেশ সরকার কিছু বললেই তো আর ইতিহাস বদলে যাবেনা। তার উপর সাধারণভাবে বাংলাদেশ সরকার ইতিহাসবিদও নয়।
বাংলাদেশের মাটিতে আগে যা ঘটেছে আর হয়েছে সব বাংলাদেশের (ঐতিহাসিক দৃষ্টিতেও)। এখন ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে বলা যেতেই পারে এটা পাকিস্তানে মুক্তি পেয়েছিলো। কিন্তু এই দেশের মাটিতে যেহেতু এর আগে চলচ্চিত্র হয়নি (তবে ভিন্ন মতামত রয়েছে) তাই এটাই প্রথম চলচ্চিত্র যা একইসাথে এই দেশেও প্রথম। ব্রিটিশ ভারতে রংপুরে "রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ" পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো। এটাকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পত্রিকা, কিন্তু তার মানে এই নয় যে এটি ব্রিটিশ ভারতের পত্রিকা নয়। ঐতিহাসিকভাবে এটাকে এই ভূমিতে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা বলা ভুল নয়। এটা তো বললাম শুধু পত্রিকার ব্যাপারে। এভাবে আরো অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে, যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিষ্ঠার দিক দিয়ে দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় বলা হয়। ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো কোন ভুলের পর্যায়ে পড়েনা।
আগে প্রমাণ করুন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ছিল এগুলো বা মুক্তি পাওয়ার সময় বাংলাদেশের অস্তিত্ব ছিল;
আমার আলাপ পাতায় ও এই আলোচনাসভার আমি যা যা তুলে ধরলাম এরপর এটা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। বিতর্কের সময় আমার কিছু কথা ভুল হতেও পারে। কিন্তু আশা করছি অধিকাংশ কথা সঠিকভাবে তুলে ধরতে পেরেছি। মেহেদী আবেদীন ১৭:৫৪, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Mehediabedin প্রাদেশিক গভর্নর আর ব্যাংকের গভর্নর, গভর্নর হিসেবে একই। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আর বিসিবির প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব আলাদা; কিন্তু প্রেসিডেন্টের অর্থ বদলে যায়না। আপনি গভর্নর হবার সাথে প্রদেশকে যুক্ত করছেন; এটা সঠিক নয়। ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় গভর্নর সংশ্লিষ্ট নিবন্ধ দেখতে পারেন।
বাংলাদেশী কবিতা কী ভাই? এটার অস্তিত্ব নেই। পাকিস্তানি কবিতাও নেই, ভারতীয় কবিতাও নেই। কথার টানে দুই-একবার বলে ফেললেও এটাকে কেউ প্রতিষ্ঠিত করেনি।
গভর্নর কী... সেটা আগে বুঝুন। গভর্নর বা রাজ্যপাল হলে পরাধীন নয়। আমেরিকার স্টেটগুলোরও গভর্নর হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান, একদিনে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র নয়। আপনি সব গুলিয়ে ফেলেছেন। বলা হয় আর নথিবদ্ধ করা হয়-এর মধ্যে পার্থক্য আছে। (গতকালের উইকিম্যানিয়া-২০২২ এর একজন বক্তাও এই বিষয়ে বলেছিলেন যে, আমরা বলা হয়-এ পড়ে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি হারিয়ে ফেলি।) ~ খাত্তাব ( | | ) ১৮:১৪, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@খাত্তাব হাসান
বাংলাদেশী কবিতা কী ভাই? এটার অস্তিত্ব নেই। পাকিস্তানি কবিতাও নেই, ভারতীয় কবিতাও নেই।
বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় কবিতা জাতীয় বিষয়শ্রেণীগুলো আগে দেখে আসুন।
প্রাদেশিক গভর্নর আর ব্যাংকের গভর্নর, গভর্নর হিসেবে একই। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আর বিসিবির প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব আলাদা; কিন্তু প্রেসিডেন্টের অর্থ বদলে যায়না।
অর্থ শব্দগতভাবে এক হলেও দায়িত্বের জন্য দুটোর অর্থ অনেক সময় আলাদা হয়। যেমন সভাপতিকে প্রেসিডেন্ট বলা হয়, আবার রাষ্ট্রপতিকেও প্রেসিডেন্ট বলে, আর আপনার যুক্তি অনুযায়ী দুটোই এক জিনিস! দায়িত্ব যদি ভিন্ন হয় তবে আলোচনার সময় এটা স্পষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাই আপনি পালটা যুক্তি দিতে এই অদ্ভুত কথাটা বললেন সেটা আলোচনায় কোন কাজেই আসেনি।
গভর্নর কী... সেটা আগে বুঝুন। গভর্নর বা রাজ্যপাল হলে পরাধীন নয়। আমেরিকার স্টেটগুলোরও গভর্নর হয়।
এখানে আমার ভুল হয়েছে। তবে আমি যা বুঝাতে চেয়েছিলাম তা হচ্ছে বাংলাদেশের মতো এককেন্দ্রীক রাষ্ট্রে গভর্নর শব্দে আনয়ন যেহেতু বিভ্রমের সৃষ্টি করবে তাই বাংলাদেশের গভর্নর শব্দটা এখানে প্রযোজ্য না করাই ভালো তাই পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর থাকবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান, একদিনে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র নয়। আপনি সব গুলিয়ে ফেলেছেন। বলা হয় আর নথিবদ্ধ করা হয়-এর মধ্যে পার্থক্য আছে।
সেক্ষেত্রে আপনাকে এটা প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান হলেই কেন এটাকে বাংলাদেশ বলা যাবে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্ব রাখা মুখ ও মুখোশ একদিনে মুক্তি পাওয়ার কারণে কেন তাকে বাংলাদেশের বলা যাবেনা? এই চলচ্চিত্রটির গুরুত্ব দেশের ইতিহাসে কোন দিক দিয়ে কম? (হয়তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নয়, কিন্তু গুরুত্ব থাকলেই বা প্রতিষ্ঠান হলেই সেটাকে দেশের করে রাখতে হবে?)
বলা হয় আর নথিবদ্ধ করা হয়-এর মধ্যে পার্থক্য আছে।
তা আমি মানি। তবে মুখ ও মুখোশকে বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে বেশ কিছু সূত্র উল্লেখ করেছে। বিশ্বাস করি, খুঁজলে কোন চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদের বই পাওয়া যাবে যেখানে তারা উল্লেখ করেছেন যে এটি দেশের প্রথম চলচ্চিত্র (অবশ্য তা দেখার প্রয়োজন নেই কারণ একাধিক সূত্র তা উল্লেখ করেছে)। মেহেদী আবেদীন ১৮:২৯, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: বিষয়শ্রেণী:পূর্ব পাকিস্তানের চলচ্চিত্র নামে একটি বিষয়শ্রেণী তৈরি করার আগে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। ১৯৫৫-৫৬ সালের আগে পৃথিবীতে পূর্ব পাকিস্তান নামের কোনও কিছুর অফিশিয়াল অস্তিত্ত্ব ছিল না। তাহলে এর আগের "জিনিসপত্র"গুলোকে কি "পূর্ব বঙ্গের/বাংলার ........." করা হবে? ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১৭:৪৩, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@MS Sakib, পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩রা আগস্ট। আর পূর্ববঙ্গ প্রদেশকে পূর্ব পাকিস্তান করা হয় ১৯৫৫ সালের অক্টোবরে (খুব সম্ভবত ১৩ অক্টোবর, আমি ভুলে গেছি)। এই সময়কার নির্বাক চলচ্চিত্র নিয়ে ধারণা নেই। এখন পর্যন্ত ইন্টারনেট ঘেঁটে ৪০-এর দশকের পর কোনো নির্বাক চলচ্চিত্রের কথা জানতে পারলাম না। তাই বলতে হয় আপনার উল্লিখিত ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না। যদি হতোও, তাহলে পূর্ববঙ্গের চলচ্চিত্র হিসেবে কোনো বিষয়শ্রেণী তৈরি করা যেত। — আদিভাইআলাপ • ১৭:৫৭, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017 পূর্ববঙ্গের সময় কোন চলচ্চিত্র হয়নি। তাই এখানে কোন ঝামেলা পোহাতে হবেনা। মেহেদী আবেদীন ১৮:০১, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
  • বিতর্ক বন্ধ করুন। আমরা আসলে একই কথাই বলছি, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন উদাহরণ দিয়ে। বিষয়শ্রেণীর বিষয়ে ১৯৭১ এর আগে হলে সেটা পূর্ব পাকিস্তান নামে বিষয়শ্রেণী নামে যুক্ত করা উচিত। তবে নিবন্ধের মধ্যে ১৯৭১ এর আগে তৈরি হওয়া বস্তকে বাংলাদেশী বলে চালাতে অসুবিধা নেই, কিছু ক্ষেত্রে বিষয়টি পরিস্কার করে লেখা যেতে পারে। সেটা বিষয় না। তবে আমাদের যুক্তিগুলো কিন্তু প্রায় একই, দুইটাই সঠিক। Deloar Akram (আলাপঅবদানলগ) ১৮:১৬, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
    @Meghmollar2017 এইটা ভুলে মুছে গিয়েছিলো, দুঃখিত! Deloar Akram (আলাপঅবদানলগ) ০৫:১৫, ১৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হওয়ার সময় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ভাবনা পূর্ব পাকিস্তান নামক বিষয়শ্রেণি তে স্থান পাক, আর স্বাধীনতা পরবর্তী (স্টপ জেনোসাইড) চলচিত্র বাংলাদেশ এর চলচিত্র অংশে স্থান নিক। বাংলাদেশের চলচিত্র নিবন্ধে পূর্ব পাকিস্তানের চলচিত্র থাকুক কেননা অনেক গুরুত্বপূর্ণ চলচিত্র সেখানে আছে। যদি পূর্ব বাংলায় কোনো চলচিত্র থাকে সেটাও যুক্ত করা যায় সেখানে। —মহাদ্বার আলাপ ০৭:৫৮, ১৪ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

দু'টি নিবন্ধ সংযুক্তির অনুরোধ[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের মহকুমাপশ্চিমবঙ্গের মহকুমাগুলির তালিকা নামে দু'টি আলাদা নিবন্ধ পৃষ্ঠা রাখার কোনও কারণ দেখছি না। পশ্চিমবঙ্গের মহকুমা নামে পৃষ্ঠাটি রাখাই যুক্তিযুক্ত মনে করছি। তাতে অন্য সব তথ্য সহ তালিকাও দেওয়া যাবে। অন্যান্যদের মতামত ও সহযোগিতা প্রার্থনীয়। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ২৩:০০, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

অর্ণব দত্ত, দাদা নিবন্ধ দুটি আপনারই তৈরি :p হ্যাঁ, পশ্চিমবঙ্গের মহকুমাগুলির তালিকার তথ্যগুলি পশ্চিমবঙ্গের মহকুমায় আনেন। পশ্চিমবঙ্গের মহকুমা পরে অনেক বড় হলে আবার আলাদা করা যাবে। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২৩:১২, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান হ্যাঁ, আমারই তৈরি বটে। তখন নিয়মকানুন জানতাম না। তথ্যগুলি এক পাতায় আনছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ২৩:২৩, ১৩ আগস্ট ২০২২ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]