বিষয়বস্তুতে চলুন

আমির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আফগান দুররানি সাম্রাজ্যের দরবার, ১৮৩৯ সাল।
রাজা ফারুক, মিশরসুদানের আমির।

আমির (উচ্চারণ [eˈmiːr], আরবি: أمير ʾAmīr) হল মুসলিম বিশ্বে ব্যবহৃত একটি উচ্চ প্রশাসনিক পদবি। আমিরের শাসনাধীন অঞ্চলকে "আমিরাত" বলা হয়। আরবি শব্দ আমিরের আক্ষরিক "নেতা"। স্ত্রীবাচকে একে "আমিরা" বলা হয়।

আমির দ্বারা সাধারণ অর্থে নেতা বোঝালেও এটি দ্বারা শাসক বা গভর্নরও বোঝানো হয়, বিশেষত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে। ১৫৯৩ সালে ফরাসি এমির থেকে এটি ইংরেজি ভাষায় প্রবেশ করে।

রাজা, মন্ত্রী ও সম্মানিত পদবি হিসেবে ব্যবহার

[সম্পাদনা]
মুহাম্মদ আলিম খান, বুখারার আমির, সের্গে‌ই প্রোকুডিন-গোরস্কি কর্তৃক ১৯১১ সালে তোলা ছবি।

সামরিক পদ ও পদবি

[সম্পাদনা]

শুরুর দিকে আমির পদবিটি সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হত।

নৌবাহিনীর পদ "এডমিরাল" আরবি নৌ প্রধানের পদবি আমিরুল বাহার থেকে এসেছে যার অর্থ সমুদ্রের নেতা। মুসলিম সেনাবাহিনীতে আমির একটি কর্মকর্তা পর্যায়ের পদ ছিল। মোগল ভারতে আমিরের অধীনে ১০০০ জন ঘোড়সওয়ার (একেকজন সিপাহসালারের অধীনে মোট দশটি দলে বিভক্ত) একজন আমিরের অধীনে থাকত। এমন দশটি দল একজন মালিক এর অধীনে থাকত। পারস্যের রাজকীয় বাহিনীতে নিম্নরূপ ব্যবস্থা ছিল:

  • আমিরি নুয়ান,
  • আমির পাঞ্জ, “৫০০০ এর নেতা”
  • আমিরি তুমান, “১০০০০ এর নেতা”
  • আমিরুল উমারা, “আমিরদের আমির”

সাবেক রাজতন্ত্র শাসিত আফগানিস্তানে আমিরি কাবির দ্বারা “মহান যুবরাজ” বা "মহান নেতা" বোঝানো হত।

মুহাম্মদ আমিন বুগরা, নুর আহমাদ জান বুগরাআবদুল্লাহ বুগরা নিজেদেরকে প্রথম পূর্ব তুর্কিস্তান প্রজাতন্ত্রের আমির ঘোষণা করেন।

অন্যান্য ব্যবহার

[সম্পাদনা]

পদবি ছাড়াও আমির শব্দটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যক্তি নাম হিসেবে প্রচলিত। এছাড়াও বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের প্রধান ব্যক্তিকেও আমির বলা হয়। তাবলীগ জামাত প্রধানকেও আমীর বলা হয়।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বিভিন্ন আমিরদের তালিকা

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Emir of Kuwait wraps up Gulf mediation visits"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  2. "Gulf Ministers Hold Key Talks Before GCC Summit"web.archive.org। ১৫ জানুয়ারি ২০১৮। ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  3. Brown, Holly; Hellewell, Matthew; Westbourne, Jessica; Farrow, James। A Life and Times of the Fotherington Family - First Edition (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩২৬-৭৩২৯৬-৭
  4. Jones, Mother (১৯৯১)। Mother Jones Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। Mother Jones।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  5. "Saudi Arabia: HRH or HH? | American Bedu"web.archive.org। ৭ আগস্ট ২০১৬। ৭ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  6. "Family Tree"www.datarabia.com। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০