খতমে নবুয়ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

খতমে নবুয়ত ইসলামী শরীয়তে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ইসলামী পরিভাষায় হযরত মুহাম্মদ সাঃ-ই সর্বশেষ নবীরাসূল এরূপ বিশ্বাসকে খতমে নবুয়ত বলা হয়।

ধারণা[সম্পাদনা]

খতমে নবুয়ত (আরবি: ﺧَﺗَﻢَ ﻨَّﺒِﻭَ‏‎‎) শব্দটি আরবি শব্দ ‎ﺧَﺗَﻢَ‏‎(শেষ,সমাপ্তি) ও ‎ﻨَّﺒِﻭَ‏‎(নবুয়ত,পয়গম্বরী,নবীত্ব) এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং খতমে নবুয়ত অর্থ নবীগণের সমাপ্তি। ইসলামী শরীয়তানুযায়ী নবী কারীম সাঃ-ই শেষ নবী এরূপ বিশ্বাসকে খতমে নবুয়ত বলে। অর্থাত্‍ মুহাম্মদ সাঃ-ই শেষ নবী এরূপ মেনে নেওয়া।

প্রমাণ[সম্পাদনা]

খতমে নবুয়ত একটি প্রমাণিত বিশ্বাস। নিচে এর দলিল দেওয়া হলঃ

আল কুরআন থেকে প্রমাণ[সম্পাদনা]

আল্লাহ তা'য়ালা আল কুরআনে ইরশাদ করেন,

[১]

বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর কারক আল্লামা ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) বলেন,

[টী১]

হাদীস থেকে প্রমাণ[সম্পাদনা]

  1. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ

টী২

[২]

  1. প্রখ্যাত সাহাবী [[আবু

হুরাইরা]] (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ ﺇِﻥَّ ﻣَﺜَﻠِﻲ ﻭَﻣَﺜَﻞَ ﺍﻟْﺄَﻧْﺒِﻴَﺎﺀِ ﻣِﻦْ ﻗَﺒْﻠِﻲ ﻛَﻤَﺜَﻞِ ﺭَﺟُﻞٍ ﺑَﻨَﻰ ﺑَﻴْﺘًﺎ ﻓَﺄَﺣْﺴَﻨَﻪُ ﻭَﺃَﺟْﻤَﻠَﻪُ ﺇِﻟَّﺎ ﻣَﻮْﺿِﻊَ ﻟَﺒِﻨَﺔٍ ﻣِﻦْ َﺍﻭِﻳَﺔٍ ﻓَﺠَﻌَﻞَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻳَﻄُﻮﻓُﻮﻥَ ﺑِﻪِ ﻭَﻳَﻌْﺠَﺒُﻮﻥَ ﻟَﻪُ ﻭَﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ ﻫَﻠَّﺎ ﻭُﺿِﻌَﺖْ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟﻠَّﺒِﻨَﺔ ُﻗَﺎﻝَ ﻓَﺄَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﺒِﻨَﺔُ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺧَﺎﺗِﻢُ ﺍﻟﻨَّﺒِﻴِّﻴﻦَ “আমি এবং পূর্ববর্তী অন্যান্য নবীদের উদাহরণ হল, এক লোক একটি ঘর অত্যন্ত সুন্দর করে তৈরী করল। কিন্তু ঘরের এক কোনে একটা ইট ফাঁকা রেখে দিল। লোকজন চর্তুদিকে ঘুরে ঘরে তার সৌন্দর্য্য দেখে বিমোহিত হচ্ছে কিন্তু বলছে, এ ফাঁকা জায়গায় একটি ইট বসালে কতই না সুন্দর হত!” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “আমি হলাম সেই ইট এবং আমি হলাম সর্বশেষ নবী।” [৩]

যৌক্তিক প্রমাণ[সম্পাদনা]

যুক্তি থেকে বিচার করলে দেখা যায় নবীরা আসতেন তিনটি কারণেঃ

  1. পূর্ববর্তী নবীর ধর্মের আইন বিকৃত হয়ে গেলেটী৩
  2. পূর্ববর্তী নবী কোনো নির্দিষ্ট কাল বা স্থানের জন্য প্রেরিত হলে,টী৪
  3. পূর্ববর্তী নবীর শরিয়তে সংযোজন বা বিয়োজন প্রয়োজন হলে

কিন্তু হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জন্য এদের একটিরও প্রয়োজন নেই।তাই আর নবী আসার প্রয়োজন নেই।টী৫

টীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সূরা আহযাব,আয়াতঃ৪০,আল কুরআন
  2. (তিরমিযী ৮/১৫৬ হাদীস নং ৩৭১০)
  3. (বুখারী, হাদীস নং ৩২৭১ মুসলিম হাদীস নং ৪২৩৯)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]