এটি একটি ভাল নিবন্ধ। আরও তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

এরোপ্লেন জেলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
এরোপ্লেন জেলি
Aeroplane Jelly Logo.png
পণ্যের ধরন মিষ্টান্ন
মালিকানা ম্যাককরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়া
দেশ অস্ট্রেলিয়া
প্রবর্তিত ১৯২৭[১]
বাজার অস্ট্রেলিয়া
ট্যাগলাইন "আমি এরোপ্লেন জেলি পছন্দ করি" (I like Aeroplane Jelly)
ওয়েবসাইট AeroplaneJelly.com.au

এরোপ্লেন জেলি বার্ট অ্যাপলেরথের তৈরি অস্ট্রেলিয়ার একটি জেলি ব্র্যান্ড। অ্যাপলেরথ পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ট্রেডারস প্রোপাইটারি লিমিটেড, অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম পারিবারিক খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ম্যাককরমিক অ্যান্ড কোম্পানির সহায়ক প্রতিষ্ঠান ম্যাককরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়ার অধিনে বিক্রি হয়ে যায়। বার্ষিক ১৮ মিলিয়ন প্যাকেট বিক্রি করে অস্ট্রেলিয়ার জেলির বাজারে এরোপ্লেন জেলি শীর্ষস্থানে অবস্থান নিয়েছে। সবচেয়ে বিক্রিত আস্বাদন (ফ্লেভার) হল স্ট্রবেরি।[২]

এরোপ্লেন জেলির একটি সফল বিজ্ঞাপনী প্রচারণায় একটি জিঙ্গল ছিল যা পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। এটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত জিঙ্গলগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ১৯৪০-এর দশকে দিনে শতাধিক বার প্রচারিত হয়েছে। এই জিঙ্গলটি ২০০৮ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র ও ধ্বনি আর্কাইভের সাউন্ডস অব অস্ট্রেলিয়ায় তালিকাভুক্ত হয়েছিল।[৩][৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বার্ট অ্যাপলেরথ নামে পরিচিত অ্যাডলফাস হারবার্ট ফ্রেডারিক নরম্যান অ্যাপলেরথ ছিলেন একজন ট্রাম কন্ডাকটর, যিনি নিজের বাথটাবে জেলেটিন ব্যবহার করে জেলির ক্রিস্টাল তৈরি করতেন। তিনি এই জেলির ক্রিস্টালগুলো সিডনিতে নিজের ট্রামের রাস্তা ব্যবহার করে মানুষের কাছে সরাসরি বিক্রি করতেন। ১৯১৭ সালে তিনি অ্যাপলেরথ জেলি প্রস্তুতির জন্য ভবন ভাড়া করেন এবং পরবর্তীতে ১৯২৬ সালে অ্যালবার্ট ফ্রান্সিস লেনেরটসের সাথে ট্রেডারস প্রোপ্রিয়েটারি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। তখনকার দিনে বিমান (এরোপ্লেন) নতুন ও রোমাঞ্চকর ভাবা হত, তাই বিমানভক্ত অ্যাপলেরথ ব্র্যান্ডের নাম দেন এরোপ্লেন জেলি।[৫] অ্যাপলেরথ ১৯৩৪ সালে গ্রামীণ এলাকায় সরবরাহের জন্য একটি টাইগার মথ বিমান ব্যবহার করেন। পাশাপাশি তার প্রচারের কৌশল এবং এরোপ্লেন জেলির বিজ্ঞাপন প্রচারণা জেলিটিকে হোল্ডেন এবং ভেজমিট-এর মতো একটি জাতীয় কিংবদন্তী বানিয়ে দেয়।[৫]

অ্যাপলেরথের প্রতিষ্ঠান ট্রেডারস প্রোপাইটারি লিমিটেড পরে তার পুত্র বার্ট দ্বিতীয় কর্তৃক পরিচালিত হয়, এরপর পৌত্র বার্ট তৃতীয় এবং পরবর্তীতে বার্ট তৃতীয়ের মৃত্যুর পর মালিকানা চলে যায় তার স্ত্রী ভলের নিকট। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিউ নক্সের সূত্রমতে অ্যাপলেরথ পরিবার ম্যাককরমিক অ্যান্ড কোম্পানির প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বন্ধু ছিলেন, যা কোম্পানি বিক্রির ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পথ খোলা রাখে।[৬] ১৯৯৫ সালে এরোপ্লেন জেলি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ম্যাককরমিক অ্যান্ড কোম্পানির অস্ট্রেলীয় শাখা ম্যাককরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়ার নিকট বিক্রি হয়।

প্রথম এরোপ্লেন জেলির কারখানা নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনির একটি শহরতলী প্যাডিংটনে তৈরি হয়েছিল।[২] পরবর্তীতে ৩৩ বছর নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়েস্ট রাইডের কারখানায় জেলি প্রস্তুত করা হয়। ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয়ভাবে ভিক্টোরিয়ায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করতে ম্যককরমিক ফুডস অস্ট্রেলিয়া এরোপ্লেন জেলির কারখানা ভিক্টোরিয়ার ক্লেটনে স্থানান্তর করে।[৭]

বিজ্ঞাপন[সম্পাদনা]

এরোপ্লেন জেলির জিঙ্গলটি অ্যাপলেরথের ব্যবসায়িক অংশীদার অ্যালবার্ট ফ্রান্সিস লেনের্টজ (১৮৯১-১৯৪৩) রচনা করেছিলেন।[৫] এই জিঙ্গলটি অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম মরিস হিউজের প্রতি সম্মানে লেনের্টজের পূর্বের রাজনৈতিক একটি জিঙ্গলের পুনঃরচনা ছিল।[৮] ১৯৮৮ সালে গানটির মালিকানা একটি সামান্য বিতর্ক শুরু হয় যখন, ভডেভিল অভিনেত্রী পেগি থ্রোন, পিয়ানিস্ট লে উডস এবং বিল হোয়াইট এর মালিকানার পক্ষে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।[৯][১০]

"এরোপ্লেন জেলি"র মুদ্রিত গান ও গানের কথার প্রচ্ছদ।

জিঙ্গলটি ১৯৩০-এর দশকের শুরুতে তিন বছরের জেনিফার পায়কেল গুডি রিভ রেডিও শোতে প্রথম গান ছিল। যেহেতু তখন বিজ্ঞাপনগুলো সরাসরি সম্প্রচারিত হত, তাই পায়কেলকে জিঙ্গলটি গাওয়ার জন্য সপ্তাহে ২-৩ বার স্টুডিওতে নিয়ে যাওয়া হত। কিন্তু পায়কেলের মা চুক্তি নবায়ন করেন নি, পায়কেলের মতে, "শার্লি টেম্পল-এর প্রধান কারণ এবং আমার মা শঙ্কিত ছিলেন যে আমিও তাঁর মত জনপরিচিত ব্যক্তি হয়ে যাব।[৯] এরোপ্লেন জেলি পরে নতুন গায়ক খুঁজতে সিডনিতে একটি প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, যা ৫ বছর বয়সী জয় কিং জিতে নেয়। ১৯৩৭ সালে কিং জিঙ্গলটি রেকর্ড করে।[১১]

একই প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার ফাইনালিস্ট ছিলেন, ৭ বছরের টমি ডস। অ্যাপলেরথ পরে তাকে জেলি প্যাকেট ও বিজ্ঞাপনের সামনে "হুইসলিং বয়" হিসেবে নির্বাচন করেন। ডসের দেয়া তথ্যানুযায়ী একজন ফাইনালিস্ট হিসেবে তিনি ১০ গিনি এবং একটি অনিক্স কলমদানি পেয়েছিলেন। কিন্তু তার ছবির বা জিঙ্গলের রেকর্ড করা সংস্করণের ব্যবহারের জন্য আর কিছু পান নি। ডস বলেন, "এটা খুবই চমৎকার ছিল; আমি আমার ছবি দেখতে এবং গানটি গাইতে পছন্দ করতাম এবং আমার বন্ধুরাও খুবই সন্তুষ্ট ছিল... আমি কখনই এটা থেকে কোন অর্থ চাইতাম না। আমি শুধুমাত্র সবাইকে বলতে পছন্দ করতাম যে আমিই হলাম এরোপ্লেন জেলি বালক।[২]

১৯৬৬ সালে জিঙ্গলটি গ্রীক, ইতালীয়, রুশযুগোস্লাভ ভাষায় রেকর্ড করা হয়, এবং পাশাপাশি এটিই নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিজ্ঞাপন প্রচারণায় পরিণত হয়।[১২]দ্যা অ্যান্ড্রুস সিস্টারস এবং ভিক্টর বোর্গ জিঙ্গলটির সংস্করণ রেকর্ড করেন।[২] ১৯৪০-এর দশকে জিঙ্গলটির সর্বোচ্চ পর্যায়ে, রেডিও স্টেশনগুলোতে দিনে শতাধিক বার জিঙ্গলটি বাজানো হতো এবং এটি ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বেশি চলা জিঙ্গলগুলোর মধ্যে অন্যতম।[২] ২০০৩ সালে এরোপ্লেন জেলির ৭৫ বছর পূর্ণ করে এবং জিঙ্গলটির একটি নতুন সংস্করণ রেকর্ড করার একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য ছিল স্টারলাইট চিলড্রেনস ফাউন্ডেশনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা।[১৩] ম্যাককরমিকের একজন মুখপাত্র বলেন আমরা "অভূতপূর্ব" সাড়া পেয়েছি।[১২] কুইন্সল্যান্ডের পাম বিচ স্টেট স্কুল প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করে, তারা পরবর্তীতে রানার্সআপ ভিক্টোরিয়ার পার্ক রিজ প্রাইমারি স্কুলের সাথে জিঙ্গলটি পুনঃরেকর্ড করে।[১৪]

ব্রিসবেন বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো এরোপ্লেন জেলির জিঙ্গলকে গত ৪০ বছরের মধ্যে অন্যতম সেরা ও সবচেয়ে পরিচিত বিজ্ঞাপনী স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি দান করে। মোরটাইন-এর "লুই দ্যা ফ্লাই" জিঙ্গলটি ছিল সেরা।[১৫] ২০০৮ সালের জুন মাসে, জয় কিং-এর রেকর্ডকৃত জিঙ্গলটি জাতীয় চলচ্চিত্র এবং শব্দ আর্কাইভের সাউন্ডস অব অস্ট্রেলিয়ার তালিকাভুক্ত হয়।[১৬][১৭]

১৯৪২ সালে বার্টি দ্যা এরোপ্লেনকে এরোপ্লেন জেলির মাস্কট হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।[১৪] বার্ট অ্যাপলেরথের নামে নামকরণকৃত, বার্টি সিনেমার বিজ্ঞাপনে জিঙ্গলটি গায়।[১৮] বার্টিকে পরবর্তীতে টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনে উপস্থাপন করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে জেলির মোড়ক ও এরোপ্লেন জেলির ওয়েবসাইটে আবার উপস্থাপন করা হয়।[১৯]

পণ্যসমূহ[সম্পাদনা]

এরোপ্লেন জেলির মূল্য প্রায় ১১২১ মিলিয়ন ডলার (প্রতি বছর) এবং এরোপ্লেন জেলি ২৫ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বাজারের শীর্ষে অবস্থান করছে।[২০] প্রতি বছর ১৯ মিলিয়নের অধিক এরোপ্লেন জেলির প্যাকেট বিক্রি হয়।[২] স্ট্রবেরি জেলি ফ্লেভার সবেচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। প্রতি বছর ২ মিলিয়নের কাছাকাছি স্ট্রবেরি জেলি ফ্লেভারের প্যাকেট বিক্রি হয়। ১৯৫৩ সালে এরোপ্লেন জেলি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নিম্ন মাত্রার ক্যালরি যুক্ত জেলি উৎপাদন করে।[২১] ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলীয় দ্বিশততমবার্ষিকী উপলক্ষে, লিলি পিলি, কুয়াংডং এবং মিডজিনবেরির মত কিছু বিশেষ আস্বাদন পাওয়া যায়। ১৯৯২ সালের মধ্যে এই ফ্লেভারগুলো বাজার থেকে উঠে যায়। বর্তমানে এরোপ্লেন জেলির মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ম্যককরমিকস ফুডস-এর কাছে রয়েছে; পূর্বে এটির মালিকানা ছিল ট্রেডারস প্রোপ্রিয়েটারি লিমিটেডের অধীনে।[২১] প্রতি বছর ১০০,০০০ প্যাকেট বিক্রি হয়ে লেমন আস্বাদন সবচেয়ে কম বিক্রি হওয়া আস্বাদন গুলোর মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "About Us" (ইংরেজি ভাষায়)। Aeroplane Jelly। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৪-২৪ 
  2. Frith, Maxine (২০০৭-১০-১৪)। "Whistling boy who took flight"। News (ইংরেজি ভাষায়)। Sun Herald। পৃষ্ঠা 41। 
  3. "Sounds of Australia // National Film and Sound Archive, Australia" (ইংরেজি ভাষায়)। Nfsa.gov.au। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৪-২৪ 
  4. "National Film and Sound Archive: Aeroplane Jelly on australianscreen online" (ইংরেজি ভাষায়)। Aso.gov.au। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৪-২৪ 
  5. Brunton, Paul। "Appleroth, Adolphus Herbert Frederick Norman (1886 - 1952) Biographical Entry" (ইংরেজি ভাষায়)। Australian Dictionary of Biography Online। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-০৬ 
  6. Burbury, Rochelle (১৯৯৪-০৯-০২)। "US gets the taste for an Australian icon"। News (ইংরেজি ভাষায়)। The Age। পৃষ্ঠা 1। 
  7. "NSW: Aeroplane Jelly makers relocate to Vic, lose 34 NSW jobs" (ইংরেজি ভাষায়)। Australian Associated Press General News। ২০০৬-০২-০১। 
  8. "Lenertz" (ইংরেজি ভাষায়)। Music Australia। ২০০২-০১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-০৬ 
  9. "Aeroplane Jelly girl never set to become a child star"। News and Features (ইংরেজি ভাষায়)। Sydney Morning Herald। ১৯৮৮-১১-১৪। পৃষ্ঠা 2। 
  10. Totaro, Paola (১৯৮৮-১০-৩১)। "We can all sing it – but who really wrote it?"। News and Features (ইংরেজি ভাষায়)। Sydney Morning Herald। পৃষ্ঠা 2। 
  11. "Aeroplane Jelly singer dies" (ইংরেজি ভাষায়)। Daily Telegraph। ১৯৯৬-০৮-০৯। পৃষ্ঠা 15। 
  12. "Lite launch" (ইংরেজি ভাষায়)। Foodweek। ২০০২-১০-১৪। 
  13. "You'll like this contest" (ইংরেজি ভাষায়)। Mt Druitt Standard। ২০০২-০৯-০৪। পৃষ্ঠা 24। 
  14. "Icon's change of tune" (ইংরেজি ভাষায়)। Fairfield Advance। ২০০৩-০১-২৯। পৃষ্ঠা 15। 
  15. Koch, Jacinta (১৯৯৯-১১-৩০)। "Louie tops ad poll ... but wait, there's more" (ইংরেজি ভাষায়)। Courier Mail। পৃষ্ঠা 7। 
  16. "2008 additions" (ইংরেজি ভাষায়)। National Film and Sound Archive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-২০ 
  17. Edwards, Michael (২০০৮-০৬-১৯)। "Aussie sounds protected forever" (ইংরেজি ভাষায়)। ABC Radio AM Program। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-২০ 
  18. "Gazing into a jelly crystal's past" (ইংরেজি ভাষায়)। Herald and Weekly Times। ২০০০-০৭-১৯। পৃষ্ঠা 76। 
  19. "Aeroplane Jelly fact sheet" (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। Aeroplane Jelly। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-২৬ 
  20. White, Lyn (২০০২-০৯-০২)। "Music quest mark's icons 75th" (ইংরেজি ভাষায়)। Foodweek 
  21. "Aeroplane Jelly timeline" (ইংরেজি ভাষায়)। Aeroplane Jelly। ৩০ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-২৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]