ফাতেমীয় খিলাফত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফাতেমীয় ইসলামী খিলাফত
الدولة الفاطمية
al-Fāṭimiyyūn

 

 

৯০৯–১১৭১

ফাতেমীয় সবুজ পতাকা।[১]

সর্বো‌চ্চ সীমায় ফাতেমীয় খিলাফত, আনুমানিক ৯৬৯ সাল।
রাজধানী মাহদিয়া
(৯০৯–৯৪৮)
আল-মানসুরিয়া
(৯৪৮–৯৭৩)
কায়রো
(৯৭৩–১১৭১)
ভাষাসমূহ আরবি (দাপ্তরিক)
বার্বার, কপ্টিক
ধর্ম শিয়া ইসলাম
সরকার ইসলামী খিলাফত
খলিফা
 -  ৯০৯–৯৩৪ (প্রথম) আল-মাহদি বিল্লাহ
 -  ১১৬০–১১৭১ (শেষ) আল-আদিদ
ঐতিহাসিক যুগ প্রাক মধ্যযুগ
 -  সংস্থাপিত জানুয়ারি ৫ ৯০৯
 -  কায়রোর পত্তন আগস্ট ৮, ৯৬৯
 -  ভাঙ্গিয়া দেত্তয়া হয়েছে ১১৭১
আয়তন
 -  ৯৬৯[২]  বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল)
জনসংখ্যা
 -  আনুমানিক  
মুদ্রা দিনার
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
আব্বাসীয় খিলাফত
আঘলাবিদ
ইখশিদিদ রাজবংশ
আইয়ুবীয় রাজবংশ
আলমোরাভিদ রাজবংশ
জেরুজালেম রাজ্য
এন্টিওক রাজ্য
কাউন্টি অব এডেসা
কাউন্টি অব ত্রিপলি
জিরিদ রাজবংশ
সিসিলি আমিরাত
কাউন্টি সিসিলি
বর্তমানে অংশ
সতর্কীকরণ: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয়

ফাতেমীয় খিলাফত (আরবি: الفاطميون, al-Fāṭimiyyūn) ইসলামী খিলাফতগুলোর মধ্যে চতুর্থতম। এই খিলাফত ইসমাইলি শিয়া মতবাদকে ধারণ করত। পূর্বে লোহিত সাগর থেকে শুরু করে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ এলাকা এই খিলাফতের অধীনস্ত ছিল। এটি তিউনিসিয়াকে ভিত্তি করে গড়ে উঠে। এই রাজবংশ আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল শাসন করত এবং মিশরকে খিলাফতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে। সর্বোচ্চ সীমায় পৌছার পর ফাতেমীয় খিলাফতের অধীনে মাগরেব, সুদান, সিসিলি, লেভান্টহেজাজ শাসিত হয়।

ফাতেমীয়দের দাবি অনুযায়ী তারা মুহাম্মদ (সা) এর কন্যা ফাতিমার বংশধর ছিল। তারা উত্তর আফ্রিকা জয় করে। কুতামা নামক বার্বা‌র গোষ্ঠীর মধ্যে ফাতেমীয় রাষ্ট্র আকার লাভ করে। ৯০৯ সালে ফাতেমীয়রা রাজধানী হিসেবে তিউনিসিয়ার মাহদিয়া নামক শহর গড়ে তোলে। ৯৪৮ সালে আল মনসুরিয়ায় রাজধানী স্থানন্তরিত করা হয়। ৯৬৯ সালে তারা মিশর জয় করে এবং ফাতেমীয় খিলাফতের রাজধানী হিসেবে কায়রো শহর নির্মাণ করা হয়। মিশর পুরো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র হয়ে উঠে। রাজবংশ ও শাসকশ্রেণী ছিল শিয়া মতবাদের ইসমাইলি শাখা উদ্ভূত।

প্রাথমিক বিজয়ের পর খিলাফতে অইসমাইলি এবং ইহুদি, মাল্টিজ, খ্রিষ্টান ও মিশরীয় কপ্টিক খ্রিষ্টানদের প্রতি কিছু মাত্রায় ধর্মীয় সহনশীলতা দেখা যেত।[৩] প্রাথমিক প্রতিষ্ঠায় বার্বা‌ররা অবদান রাখে এবং একে সামরিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে সাহায্য করে।

পরবর্তীতে একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীতে ফাতেমীয় খিলাফতের পতন ঘটতে থাকে। ১১৭১ সালে সুলতান সালাহউদ্দিন ফাতেমীয় খিলাফতের সমাপ্তি ঘটান। তিনি আইয়ুবীয় রাজবংশের সূচনা করেন এবং একে বাগদাদের আব্বাসীয় খিলাফতের সাথে যুক্ত করেন।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. in Akhbar al-Muluk Bani Ubayd (ed. Paris, 1927, p. 57) mentions that Ismail al-Mansur in 948 after his victory over Abu Yazid was met at Kairwan by the notables mounted on fine horses and carrying drums and green flags.
  2. Turchin, Peter; Adams, Jonathan M.; Hall, Thomas D (ডিসেম্বর ২০০৬)। "East-West Orientation of Historical Empires"Journal of world-systems research 12 (2): 219–229। সংগৃহীত ৯ জানুয়ারি ২০১২ 
  3. Wintle, Justin (মে ২০০৩)। History of Islam। London: Rough Guides Ltd। পৃ: 136–7। আইএসবিএন 1-84353-018-X 
  4. Baer, Eva (১৯৮৩)। Metalwork in Medieval Islamic ArtSUNY Press। পৃ: xxiiiআইএসবিএন 9780791495575। "In the course of the later eleventh and twelfth century, however, the Fatimid caliphate declined rapidly, and in 1171 the country was invaded by Ṣalāḥ ad-Dīn, the founder of the Ayyubid dynasty. He restored Egypt as a political power, reincorporated it in the Abbasid caliphate and established Ayyubid suzerainty not only over Egypt and Syria but, as mentioned before, temporarily over northern Mesopotamia as well." 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]