জিউস
| জিউস | |
|---|---|
| আবাস | মাউন্ট অলিম্পাস |
| প্রতীক | বজ্র, ঈগল, ষাঁড় ও ওক |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| মাতাপিতা | ক্রোনাস,রেয়া |
| সহোদর | হেস্টিয়া, হেডিস, হেরা, পসেইডন ও ডিমিটার |
| সঙ্গী | হেরা,অন্যান্য |
| সন্তান | এরিস, অ্যাথেনা, অ্যাপোলো, আর্টেমিস, আফ্রোদিতি,[২] ডায়োনিসাস, হেবে, হার্মিস, হেরাক্লিস, হেলেন, হেফাস্টাস, পার্সিউস, মিনোস, ও মিউজগণ |
| সমকক্ষ | |
| রোমান সমকক্ষ | জুপিটার |
গ্রিক পুরাণে জিউস (ইংরেজি উচ্চারণ: /ˈzuːs/ (অসমর্থিত টেমপ্লেট) বা /ˈzjuːs/; প্রাচীন গ্রিক: Ζεύς জ়্দেউ্যস্, আধুনিক গ্রিক: Δίας, Dias) হলেন "দেবগণ ও মানবজাতির পিতা"। হেসিয়ডের থিওজেনি অনুসারে, তিনি পরিবারের পিতার ন্যায় মাউন্ট অলিম্পাসের অলিম্পিয়ানদের শাসন করতেন। গ্রিক পুরাণে তিনি ছিলেন আকাশ ও বজ্রের দেবতা। গ্রিকদের বিশ্বাসে তিনি দেবরাজ। জিউস নিরন্তর বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে পর্যবেক্ষণ করেন। পসেনিয়াস লিখেছেন, "জিউস স্বর্গের রাজা, এই প্রবাদটি সকলেই জানেন।"[৩] হেসিয়ডের থিওজেনি গ্রন্থের মতে, জিউস বিভিন্ন দেবতাদের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেন। হোমারীয় স্তোত্রাবলি-তেও তাঁকে দেবতাদের প্রধান বলা হয়েছে। হেসিয়ডের থিওজেনি গ্রন্থে তাঁকে "দেবগণ ও মানবজাতির পিতা" বলেও অভিহিত করা হয়েছে। তার প্রতীকগুলি হল বজ্র, ঈগল, ষাঁড় ও ওক। ইন্দো-ইউরোপীয় ঐতিহ্যের এই সকল নিদর্শনগুলি ছাড়াও, এই ধ্রুপদি "মেঘ-সমাবেশকারী" প্রাচীন নিকট প্রাচ্য থেকেও কিছু মূর্তিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছেন। এর উদাহরণ হল রাজদণ্ড। গ্রিক শিল্পীরা মূলত দুটি ভঙ্গিতে জিউসের মূর্তিগুলি নির্মাণ করেছেন: প্রথমত, দণ্ডায়মান অবস্থায় দ্রুত-অগ্রসর হওয়ার ভঙ্গিতে, যেখানে তিনি ডান হাতে বজ্র উঁচিয়ে থাকেন এবং দ্বিতীয়ত রাজসভায় উপবিষ্ট মূর্তিতে।
রোমান ও এট্রুস্ক্যান পুরাণে জিউসের সমতুল দেবতারা হলেন যথাক্রমে জুপিটার ও টিনিয়া।
জিউস ক্রোনাস ও রেয়ার কনিষ্ঠ সন্তান। সর্বাধিক প্রচলিত মত অনুযায়ী, তিনি হেরাকে বিবাহ করেছিলেন। তবে ডোডোনার ওর্যাকল মতে, তার স্ত্রী ছিলেন ডায়োনে: ইলিয়ড মহাকাব্যের বর্ণনা অনুযায়ী, তার ঔরসে ডায়োনের গর্ভে আফ্রোদিতির জন্ম হয়।[২] জিউস তার কামলালসার জন্য প্রসিদ্ধ। এর ফলস্রুতিতে তার অনেক দেবতা ও যোদ্ধা সন্তানের জন্ম হয়। এঁরা হলেন অ্যাথেনা, অ্যাপোলো ও আর্টেমিস, হার্মিস, পার্সেফোনি (ডিমিটারের গর্ভে), ডায়োনিসাস, পার্সেউস, হেরাক্লেস, হেলেন, মিনোস ও মিউজগণ (নিমোসিনের গর্ভে); জিউসের ঔরসে হেরার গর্ভে জন্ম হয় আরেস, হেবে ও হেফাস্টাসের।[৪]
পৌরাণিক উপাখ্যান
[সম্পাদনা]
জন্ম
[সম্পাদনা]ক্রোনাসের ঔরসে রিয়ার গর্ভে একাধিক সন্তানের জন্ম হয়: হেস্টিয়া, ডিমিটার, হেরা, হেডিস ও পোসেইদন। কিন্তু জন্মমাত্রেই ক্রোনাস তার সন্তানদের গিলে ফেলতেন। কারণ গাইয়া ও ইউরেনাসের থেকে তিনি জেনেছিলেন যে তিনি যেমন নিজের পিতাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন, তেমনই তার নিজের সন্তানও তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করবে। জিউসের জন্মের পূর্বে রিয়া তাঁকে রক্ষা করার জন্য গাইয়ার সঙ্গে পরামর্শ চান, যাতে ইউরেনাস ও তার সন্তানদের প্রতি কৃত অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি পান ক্রোনাস। রিয়া ক্রিটে জিউসের জন্ম দেন এবং শিশুর কাপড়ে জড়িয়ে একটি পাথর ক্রোনাসের হাতে তুলে দেন। এই পাথরটিই গিলে ফেলেন ক্রোনাস।
শৈশব
[সম্পাদনা]
রিয়া জিউসকে ক্রিটের মাউন্ট ইডার একটি গুহায় লুকিয়ে রাখেন। তার শৈশব সম্পর্কে একাধিক পরস্পরবিরোধী কাহিনি প্রচলিত আছে:
- ১: গাইয়া তাঁকে লালনপালন করেন।
- ২: অ্যামালথিয়া নামে একটি ছাগল তাঁকে প্রতিপালন করেন। অন্যদিকে একদল সেনা বা ছোটো দেবতা নাচগান, চেঁচামেচি ও বর্শানিক্ষেপে শব্দ সৃষ্টি করেন, যাতে শিশুর কান্না ক্রোনাস না শুনতে পায়।
- ৩: অ্যাডাম্যান্থিয়া নামে এক নিম্ফ তাঁকে প্রতিপালন করেন। ক্রোনাস যেহেতু পৃথিবী, স্বর্গ ও সমুদ্রের দেবতা ছিলেন, তাই তার কাছ থেকে লুকোতে গিয়ে সেই নিম্ফ একটি দড়ির দোলনায় জিউসকে গাছে ঝুলিয়ে রাখেন, যাতে সে পৃথিবী, সমুদ্র ও আকাশের বাইরে থেকে তার পিতার দৃষ্টির অগোচরে থাকেন।
- ৪: সিনোসুরা নামে এক নিম্ফ তাঁকে প্রতিপালন করেন। কৃতজ্ঞতাবশত জিউস নক্ষত্রমণ্ডলীতে তাঁকে স্থান দেন।
- ৫: মেলিসা তাঁকে প্রতিপালন করেন। তিনি জিউসকে ছাগলের দুধ ও মধু খাওয়াতেন।
- ৬: একটি পশুপালক পরিবার এই মর্মে তাঁকে প্রতিপালন করতে রাজি হয় যে, তাদের ভেড়ার পালে নেকড়েরা কখনও হানা দেবে না।
দৈবরাজ্য লাভ
[সম্পাদনা]
বয়ঃপ্রাপ্তির পর জিউস ক্রোনাসকে সেই পাথরটি ওগরাতে বাধ্য করেন যেটি ওম্ফালোস নামক নশ্বর মানুষদের প্রতীক হিসেবে পাইথো পারনাসাসের উপত্যকায় রেখেছিল। তারপর গেলার বিপরীত ক্রমে ক্রোনাসকে তিনি তার ভাইবোনদের ওগরাতে বাধ্য করেন। কোনো কোনো পাঠান্তর থেকে জানা যায়, শিশুগুলিকে ওগরানোর জন্য মেটিস ক্রোনাসকে বমি করার ঔষধ প্রদান করেছিলেন। আবার কোনো কোনো মতে, জিউস ক্রোনাসের পেট চিরে তার ভাইবোনদের উদ্ধার করেছিলেন। এরপর টারটারাসের রক্ষক ক্যাম্পেকে হত্যা করে তিনি ক্রোনাসের ভাই জাইগ্যানেটস, হেক্টনকারস ও সাইক্লোপসদের উদ্ধার করেন।
কৃতজ্ঞতাবশত, সাইক্লোপসরা তাঁকে বজ্র ও বিদ্যুৎ প্রদান করেন, যা পূর্বে গাইয়া কর্তৃক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। জিউস তার ভাইবোন, জাইগ্যানেটস, হেক্টনকারস ও সাইক্লোপসের সহায়তায় ক্রোনাস সহ অন্যান্য টাইটানদের ক্ষমতাচ্যুত করেন। এই ঘটনা টাইটানোমেশি বা টাইটানদের যুদ্ধ নামে পরিচিত। টাইটানদের পরাজিত করে তারা তাঁদের টারটারাস নামে অন্ধকার এক পাতাললোকে নিক্ষেপ করেন। অ্যাটলাস নামে এক টাইটানকে জিউসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শাস্তিস্বরূপ আকাশ ধরে রাখার কাজ দেওয়া হয়।
টাইটানদের সঙ্গে যুদ্ধের পর জিউস তার দুই দাদা পসেইডন ও হেডিসের সঙ্গে বিশ্বচরাচর ভাগ করে নেন। জিউস হন আকাশের দেবতা, পসেইডন সমুদ্রের এবং হেডিস মৃতলোক বা পাতালের দেবতা হন। প্রাচীন পৃথিবী গাইয়াকে কেউ দাবি করতে পারেন না। তাই তিনি এই তিন জনেরই নিয়ন্ত্রণাধীন থাকেন। এই কারণেই পসেইডনকে "ভূকম্প-সৃষ্টিকারী" (ভূমিকম্পের দেবতা) বলা হয় এবং হেডিস মৃত মানুষদের উপর নিজ আধিপত্য কায়েম করেন। (পেনথাস দেখুন)
টাইটানদের প্রতি জিউসের আচরণ গাইয়াকে ক্ষুব্ধ করে। কারণ টাইটানরা ছিল তার সন্তান। দৈবরাজ্য লাভের পরই জিউসকে তাই গাইয়ার অন্যান্য সন্তান অর্থাৎ টাইফোন ও একিদনা নামে দৈত্যদ্বয়ের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। তিনি টাইফোনকে একটি পর্বতের তলায় বন্দী করেন। কিন্তু একিদনা ও তার সন্তানদের মুক্তি দেন।
জিউস ও হেরা
[সম্পাদনা]
জিউস হেরার ভ্রাতা ও স্বামী। জিউসের ঔরসে হেরার গর্ভে আরেস, হেবে ও হেফাস্টাসের জন্ম হয়। যদিও কোনো কোনো মতে, হেরা একাকীই এই সকল সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। অন্য মতে, ইলিথিয়া ও এরিসও হেরার কন্যা। নিম্ফ ও বিভিন্ন পৌরাণিক নশ্বর রাজবংশীয় নারী ও বালকদের সঙ্গে জিউসের যৌনসম্পর্ক ও প্রণয়কাহিনি প্রসিদ্ধ। অলিম্পিয়ান পুরাণতত্ত্বের মতে, লেটো, ডিমিটার, ডায়োনে ও মাইয়ার সঙ্গেও জিউসের যৌন সম্পর্ক বজায় ছিল। জিউসের প্রণয়ী নশ্বরেরা হলেন সেমেল, আইয়ো, ইউরোপা ও লেডা। (বিস্তারিত বর্ণনার জন্য নিচে দেখুন)
একাধিক পুরাণে দেখানো হয়েছে হেরা তার স্বামীয় প্রণয়ীদের প্রতি ঈর্ষাকাতর। এই ঈর্ষাবশত তিনি জিউসের অন্যান্য প্রণয়ী ও তাঁদের সন্তানদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন। কিছু সময়ের জন্য ইকো নামে এক নিম্ফ অবিরাম কথা বলে হেরার মনোযোগ তার স্বামীর প্রণয়াভিযান থেকে সরিয়ে রাখেন। হেরা এই ছলটি ধরে ফেললে, ইকোকে অভিশাপ দেন যে সে শুধু অন্যের শব্দই প্রতিধ্বনিত করতে পারবে।
প্রণয়সঙ্গী ও সন্তানাদি
[সম্পাদনা]এই নিবন্ধটি বাংলায় অনুবাদ করা প্রয়োজন। এই নিবন্ধটি বাংলা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় লেখা হয়েছে। নিবন্ধটি যদি ঐ নির্দিষ্ট ভাষা ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়ে থাকে তবে, অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি ঐ নির্দিষ্ট ভাষার উইকিপিডিয়াতে তৈরি করুন। অন্যান্য ভাষার উইকিপিডিয়ার তালিকা দেখুন এখানে। এই নিবন্ধটি পড়ার জন্য আপনি গুগল অনুবাদ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম দ্বারা অনুবাদকৃত লেখা উইকিপিডিয়াতে সংযোজন করবেন না, কারণ সাধারণত এই সরঞ্জামগুলোর অনুবাদ মানসম্পন্ন হয় না। |
নশ্বর/নিম্ফ/অন্যান্য মায়ের গর্ভে
|
*The Greeks variously claimed that the Fates were the daughters of Zeus and the Titaness Themis or of primordial beings like Nyx, Chaos or Anake.
† He is described as being "Earth-born" and was gestated buried beneath the ground; this is Gaia's domain, though she had no direct involvement in his birth or development. Other versions of his parentage include a version of the former excluding Poseidon and one with solely Poseidon and Euryale as his parents.
পাদটীকা
[সম্পাদনা]- ↑ The sculpture was presented to Louis XIV as Aesculapius but restored as Zeus, ca. 1686, by Pierre Granier, who added the upraised right arm brandishing the thunderbolt. Marble, middle 2nd century CE. Formerly in the 'Allée Royale', (Tapis Vert) in the Gardens of Versailles, now conserved in the Louvre Museum (official on-line catalog)
- 1 2 There are two major conflicting stories for Aphrodite's origins: Hesiod (Theogony) claims that she was "born" from the foam of the sea after Cronos castrated Uranus, thus making her Uranus' daughter; but Homer (Iliad, book V) has Aphrodite as daughter of Zeus and Dione. According to Plato (Symposium 180e), the two were entirely separate entities: Aphrodite Ourania and Aphrodite Pandemos.
- ↑ Pausanias, 2. 24.2.
- ↑ Hamilton, Edith (1942)। Mythology (1998 সংস্করণ)। New York: Back Bay Books। পৃ. ৪৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১৬-৩৪১১৪-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য);|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য);|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ The bust below the base of the neck is eighteenth century. The head, which is roughly worked at back and must have occupied a niche, was found at Hadrian's Villa, Tivoli and donated to the British Museum by John Thomas Barber Beaumont in 1836. BM 1516. (British Museum, A Catalogue of Sculpture in the Department of Greek and Roman Antiquities, 1904).
- ↑ Hyginus, Fabulae 155
অতিরিক্ত পাঠ
[সম্পাদনা]- Burkert, Walter, (1977) 1985. Greek Religion, especially section III.ii.1 (Harvard University Press)
- Cook, Arthur Bernard, Zeus: A Study in Ancient Religion, (3 volume set), (1914–1925). New York, Bibilo & Tannen: 1964.
- Volume 1: Zeus, God of the Bright Sky, Biblo-Moser, June 1, 1964, আইএসবিএন ০-৮১৯৬-০১৪৮-৯ (reprint)
- Volume 2: Zeus, God of the Dark Sky (Thunder and Lightning), Biblo-Moser, June 1, 1964, আইএসবিএন ০-৮১৯৬-০১৫৬-X
- Volume 3: Zeus, God of the Dark Sky (earthquakes, clouds, wind, dew, rain, meteorites)
- Druon, Maurice, The Memoirs of Zeus, 1964, Charles Scribner's and Sons. (tr. Humphrey Hare)
- Farnell, Lewis Richard, Cults of the Greek States 5 vols. Oxford; Clarendon 1896–1909. Still the standard reference.
- Farnell, Lewis Richard, Greek Hero Cults and Ideas of Immortality, 1921.
- Graves, Robert; The Greek Myths, Penguin Books Ltd. (1960 edition)
- Mitford,William, The History of Greece, 1784. Cf. v.1, Chapter II, Religion of the Early Greeks
- Moore, Clifford H., The Religious Thought of the Greeks, 1916.
- Nilsson, Martin P., Greek Popular Religion, 1940.
- Nilsson, Martin P., History of Greek Religion, 1949.
- Rohde, Erwin, Psyche: The Cult of Souls and Belief in Immortality among the Greeks, 1925.
- Smith, William, Dictionary of Greek and Roman Biography and Mythology, 1870, Ancientlibrary.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে, William Smith, Dictionary: "Zeus" Ancientlibrary.com
নাম
[সম্পাদনা]নামকরণে গ্রীক দেবতার নাম হল Ζεύς ( জিউস )। এটি নিম্নরূপে বিবৃত হয়: ভোকাটিভ : Ζεῦ ( Zeû ); অভিযুক্ত : Δία ( Día ); জেনিটিভ : Διός ( Diós ); আদি : Διί ( Dií )। ডায়োজিনিস ল্যারটিয়াস সাইরোসের ফেরেসাইডিসকে Ζάς নামের বানান হিসেবে উদ্ধৃত করেছেন .[১] নামের এই প্রাচীনতম প্রত্যয়িত রূপগুলো হল মাইসিনিয়ান গ্রীক টেমপ্লেট:Script/styles.css পাতায় কোন বিষয়বস্তু নেই।𐀇𐀸, di-we (dative) and 𐀇𐀺, di-wo (genitive), written in the Linear B syllabic script.[২]
জিউস হল *Dyēus- এর গ্রীক ধারাবাহিকতা, দিনের আকাশের প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় দেবতার নাম, যাকে * টেমপ্লেট:PIE ও বলা হয়। ("আকাশের পিতা")। [৩] ঋগ্বেদে যিনি বেদে উল্লেখিত দেবতা ( বৈদিক সংস্কৃত দ্যৌস/দ্যৌস পিতা ) এই নামেই দেবতা পরিচিত, ল্যাটিন ভাষায় (তুলনা করুন বৃহস্পতি, ইউপ্পিটর থেকে, প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় শব্দ থেকে উদ্ভূত * টেমপ্লেট:PIE ),[৪] মূল * dyeu - ("চকচকে করা", এবং এর অনেকগুলো উদ্ভব, "আকাশ, স্বর্গ, ঈশ্বর") থেকে উদ্ভূত। [৩] আলবেনীয় Zoj-z এবং মেসাপিক Zis জিউসের স্পষ্ট সমতুল্য এবং সমকক্ষ ছিল। গ্রীক, আলবেনীয় এবং মেসাপিক ভাষায় মূল ক্লাস্টার *di̯ *dz- এর সাথে সংযুক্ত ছিল। [৫] অলিম্পিক দেবতাদের মধ্যে জিউসই একমাত্র দেবতা যার নামের এত ব্যাকরণগত স্বচ্ছতা ইন্দো-ইউরোপীয় ব্যুৎপত্তি রয়েছে। [৬]
প্লেটো তার ক্র্যাটাইলাসে জিউসের একটি লোকজ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ দিয়েছেন যার অর্থ "সর্বদা জীবনের কারণ", এর কারণ জিউসের বিকল্প উপাধি ( জেন এবং দিয়া ) এবং গ্রীক শব্দ "জীবনের জন্য" এবং "কারণ" এর মধ্যে শ্লেষাত্মক ব্যঞ্জনা রয়েছে। [৭] এই ব্যুৎপত্তি, প্লেটোর ব্যুৎপত্তি নির্ণয়ের সম্পূর্ণ পদ্ধতি সহ, আধুনিক পণ্ডিতদের দ্বারা সমর্থিত নয়। [৮][৯]
ডিওডোরাস সিকুলাস লিখেছেন যে, জিউসকে জেনও বলা হত, কারণ মানুষ বিশ্বাস করত যে তিনিই হচ্ছেন জীবনের কারণ (জেন)। [১০] যদিও ল্যাকটান্টিয়াস লিখেছিলেন যে তাকে জিউস এবং জেন বলা হত, এই কারণে যে তিনি শুধুমাত্র জীবনদাতা ছিলেন না, বরং ক্রোনাসের সন্তানদের মধ্যে তিনিই প্রথম জীবিত সন্তান ছিলেন বলে।
জিউসকে অসংখ্য বিকল্প নাম বা উপাধি দ্বারা ডাকা হত, যা এপিথেট নামে পরিচিত। কিছু উপাধি হল স্থানীয় দেবতাদের জীবিত নাম যাদের জিউসের পুরাণে একত্রিত করা হয়েছিল। [১১]
পৌরাণিক কাহিনী
[সম্পাদনা]জন্ম
[সম্পাদনা]হেসিওডের থিওগনিতে ( আনু. 730 - ৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), ক্রোনাস, তার পিতা ইউরেনাসকে খোজা করার পর, মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ শাসক হন এবং তার বোন রিয়াকে বিয়ে করেন, যার গর্ভে তিনি তিন কন্যা এবং তিন পুত্রের জন্ম দেন: হেস্টিয়া, ডিমেটার, হেরা, হেডিস, পসেইডন এবং সবশেষে, "জ্ঞানী" জিউস, তিনি ছিলেন ছয়জনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। সে তার প্রতিটি শিশুকে জন্মের সাথে সাথেই গিলে ফেলতো, কারণ তার বাবা ইউরেনাস এবং মা গাইয়া এর কাছ থেকে ভবিষ্যদ্বাণী পেয়েছিলেন যে, তার নিজের সন্তানদের মধ্যে একজন একদিন তাকেও উৎখাত করবে যেমন ভাবে সে তার বাবাকে উৎখাত করেছিল। এর ফলে রিয়া "অবিরাম শোক" অনুভব করে, এবং তার ষষ্ঠ সন্তান জিউস তার গর্ভে আসার পর, সে তার বাবা ইউরেনাস এবং তার মা গাইয়া এর কাছে যায়, তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্য এবং ক্রোনাসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে। রিয়া তার বাবা-মায়ের নির্দেশ অনুসরণ করে, সে ক্রিটের লিক্টাসে ভ্রমণ করে, যেখানে সে জিউসের জন্ম দেয়, নবজাতক শিশুটিকে গাইয়া কে লালন-পালনের জন্য হস্তান্তর করে, এবং গাইয়া তাকে এগিয়ন পর্বতের (এজিয়ম) একটি গুহায় নিয়ে যায়। এরপর রিয়া ক্রোনাসকে একটি শিশুর পরিবর্তে কাপড়ে মোড়ানো একটি পাথর দেয়, যা সে তাৎক্ষণিকভাবে গিলে ফেলে, যদিও সে বুঝতে পারে নাই যে এটি তার ছেলে নয়।
যদিও হেসিওড লিক্টাসকে জিউসের জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনিই একমাত্র উৎস যিনি এটি করেছেন, এবং অন্যান্য লেখকরা বিভিন্ন স্থানের কথা বলেছেন। জন দ্য লিডিয়া এর মতে করিন্থের কবি ইউমেলোস (খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী) জিউসকে লিডিয়াতে জন্মগ্রহণকারী বলে মনে করেন, অন্যদিকে আলেকজাণ্ডারিয়ান কবি ক্যালিমাচাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১০-২৪০) তাঁর "হিম টু জিউস" -এ বলেছেন যে তিনি আর্কেডিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ডায়োডোরাস সিকুলাস (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) এক পর্যায়ে মনে করেন যে, ইডা পর্বত তার জন্মস্থান, কিন্তু পরে তিনি বলেন যে তিনি ডিক্টে জন্মগ্রহণ করেন, এবং পৌরাণিক কাহিনীকার অ্যাপোলোডোরাস (প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দী) একইভাবে বলেছেন যে তিনি ডিক্টের একটি গুহায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দ্বিতীয় শতাব্দীতে, পাউসানিয়াস লিখেছিলেন যে জিউস তাদের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বা বড় হয়ে ওঠেন বলে দাবি করা সমস্ত লোককে গণনা করা অসম্ভব।[১২]
| Children of Cronus and Rhea[১৩] | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
শৈশব.যদিও থিওগনি জিউসের লালন-পালনের বিষয়ে কিছুই বলে না, কেবল তিনি দ্রুত বড় হয়ে ওঠেন, অন্যান্য উৎসগুলো আরও বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করে। অ্যাপোলোডোরাসের মতে, রিয়া, ডিক্টের একটি গুহায় জিউসের জন্ম দেওয়ার পর, তাকে মেলিসিয়াসের কন্যা আদ্রাস্টেয়া এবং ইডার কাছে দুধ খাওয়ানোর জন্য দেন। তারা তাকে ছাগল আমালথিয়ার দুধ খাওয়ায়, যখন কুরেটরা গুহা পাহারা দেয় এবং তারা তাদের ঢালে বর্শা মারে যাতে ক্রোনাস শিশুর কান্না শুনতে না পায়। ডিওডোরাস সিকুলাস একই রকমের একটি বিবরণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে, সন্তান জন্ম দেওয়ার পর, রিয়া ইডা পর্বতে ভ্রমণ করেন এবং নবজাতক জিউসকে কুরেটদের কাছে স্থানান্তর করেন, যারা তাকে কিছু নিম্ফের (নাম প্রকাশ না করা) কাছে নিয়ে যায়, যারা তাকে ছাগল আমালথিয়ার মধু এবং দুধের মিশ্রণে লালন-পালন করে। তিনি কুরেটদের "একটি মহান অ্যালারাম উত্থাপন" করার কথাও উল্লেখ করেছেন, এবং এটি করে ক্রোনাসকে প্রতারণা করেছেন, এবং বর্ণনা করেছেন যে যখন কুরেটরা নবজাতক জিউসকে বহন করছিলেন তখন নাভির কর্ডটি ট্রাইটন নদীতে পড়ে গিয়েছিল। ফ্যাবুলির লেখক হাইগিনাস একটি সংস্করণে বর্ণনা করেছেন যে, ক্রোনাস পসেইডনকে গ্রাস করার পরিবর্তে সমুদ্রে এবং হেডিসকে গ্রাস করার পরিবর্তে পাতালে নিক্ষেপ করেন। যখন জিউসের জন্ম হয়, হেরা (যাকে গিলে ফেলা হয়নি), রিয়াকে তার ছোট জিউসকে দিতে বলে, এবং রিয়া ক্রোনাসকে গিলে ফেলার জন্য একটি পাথর দেয়। হেরা তাকে আমালথিয়া এর কাছে দেয়, যিনি তার দোলনাটি একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখেন, যার ফলে জিউসকে স্বর্গে, পৃথিবীতে বা সমুদ্রে কোথাও খুজে পাওয়া যায় নাই, যার অর্থ হল ক্রোনাস পরে যখন জিউসকে খুঁজতে যান, তখন তিনি তাকে খুঁজে পান না। হাইগিনাস আরও বলেছেন যে ইডা, আলথাইয়া এবং অ্যাড্রাস্টিয়া, সাধারণত ওশেনাসের সন্তান বলে মনে করা হয়, কখনও কখনও মেলিসিয়াসের কন্যা এবং জিউসের সেবিকা বলা হয়। এপিমেনাইডসের একটি অংশ অনুসারে, নিম্ফ হেলাইক এবং কিনোসুরা হলেন তরুণ জিউসের সেবিকা। ক্রোনাস জিউসকে খুঁজতে ক্রিটে ভ্রমণ করেন, যিনি তার উপস্থিতি গোপন করার জন্য নিজেকে একটি সাপে এবং তার দুই সেবিকাকে ভালুকের রূপ দেন। মুসাইয়াসের মতে, জিউসের জন্মের পর, রিয়া তাকে থেমিসের হাতে তুলে দেয়। থেমিস তাকে আমালথিয়াকে দেয়, যার একটি ছাগল আছে, যেটি ছোট জিউসকে লালন-পালন করে। অ্যান্টোনিনাস লিবারেলিস তার মেটামরফোসিসে বলেছেন যে রিয়া ক্রিটের একটি পবিত্র গুহায় জিউসের জন্ম দেন, যেখানে পবিত্র মৌমাছি দ্বারা পূর্ণ ছিল, যে মৌমাছি গুলো শিশুটির ধাত্রী হয়। যদিও গুহাটিকে নশ্বর (যাদের মৃত্যু হয়) এবং দেবতা উভয়ের জন্যই নিষিদ্ধ স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবুও একদল চোর পবিত্র গুহা থেকে থেকে মধু চুরি করার চেষ্টা করে। জিউসের পোশাকের দিকে নজর দেওয়ার সাথে সাথে, তাদের ব্রোঞ্জের বর্ম "তাদের শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়", এবং মোইরাই এবং থেমিসের হস্তক্ষেপ না থাকলে জিউস তাদের হত্যা করতেন; পরিবর্তে তিনি তাদের বিভিন্ন প্রজাতির পাখিতে রূপান্তরিত করেন। ক্ষমতায় আরোহণথিওগনি অনুসারে, জিউসের পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পর, ক্রোনাসকে "গাইয়ার কৌশলে, কিন্তু জিউসের দক্ষতা এবং শক্তির দ্বারা" পাঁচটি শিশু এবং পাথরটিকে বমি করতে বাধ্য করা হয়, সম্ভবত বিপরীত ক্রমে, প্রথমে পাথরটি বমি করে বের করে দেয়, তারপর পাঁচটি শিশুর প্রত্যেককে গিলে ফেলার বিপরীত ক্রমে বমি করে। এরপর জিউস ডেলফিতে পাথরটি স্থাপন করেন, যাতে এটি "এরপর থেকে একটি চিহ্ন এবং নশ্বর মানুষের জন্য একটি বিস্ময়" হিসেবে কাজ করতে পারে। এরপর জিউস সাইক্লোপদের মুক্ত করেন, যারা প্রতিদানে এবং কৃতজ্ঞতাবশত তাকে তার বজ্রপাত দেয়, যা পূর্বে গাইয়া লুকিয়ে রেখেছিল। এরপর শুরু হয় টাইটানোমাকি, মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণের জন্য জিউসের নেতৃত্বে অলিম্পিয়ান এবং ক্রোনাসের নেতৃত্বে টাইটানদের মধ্যে যুদ্ধ, যেখানে জিউস এবং অলিম্পিয়ানরা অলিম্পাস পর্বত থেকে এবং টাইটানরা অথ্রিস পর্বত থেকে যুদ্ধ করে। যুদ্ধটি দশ বছর ধরে চলে, কোন স্পষ্ট বিজয়ী না আসা পর্যন্ত, গাইয়ার পরামর্শে, জিউস হান্ড্রেড-হ্যান্ডার্সকে মুক্তি দেন, যারা (সাইক্লোপসের মতো) পৃথিবীর পৃষ্ঠের নীচে বন্দী ছিল। তিনি তাদের অমৃত ও আমব্রোসিয়া দান করেন এবং তাদের আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করেন, এবং তারা তাকে যুদ্ধে সাহায্য করতে সম্মত হয়। এরপর জিউস টাইটানদের উপর তার শেষ আক্রমণ শুরু করেন, তাদের উপর ব্জ্রপাতের বল নিক্ষেপ করেন, তখন হান্ড্রেড-হ্যান্ডার্স পাথরের বাঁধ দিয়ে আক্রমণ করেন, এবং টাইটানরা অবশেষে পরাজিত হয়, জিউস তাদেরকে টারটারাসে নির্বাসিত করেন এবং হান্ড্রেড-হ্যান্ডার্সকে তাদের রক্ষক হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব দেন। অ্যাপোলোডোরাস একই রকমের একটি বিবরণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে, জিউস যখন প্রাপ্তবয়স্ক হন, তখন তিনি ওশেনিড মেটিসের সাহায্য নেন, যিনি ক্রোনাসকে একটি ইমেটিক দেন, যা তাকে পাথর এবং জিউসের পাঁচ ভাইবোনকে বমি করতে বাধ্য করেন। পৌরাণিক কাহিনীজন্মহেসিওডের থিওগনিতে ( আনু. 730 - ৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), ক্রোনাস, তার পিতা ইউরেনাসকে খোজা করার পর, মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ শাসক হন এবং তার বোন রিয়াকে বিয়ে করেন, যার গর্ভে তিনি তিন কন্যা এবং তিন পুত্রের জন্ম দেন: হেস্টিয়া, ডিমেটার, হেরা, হেডিস, পসেইডন এবং সবশেষে, "জ্ঞানী" জিউস, যিনি ছিলেন ছয়জনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। সে প্রতিটি শিশুকে জন্মের সাথে সাথেই গিলে ফেলতো, তার বাবা ইউরেনাস এবং মা গাইয়া এর কাছ থেকে ভবিষ্যদ্বাণী পেয়েছিলেন যে, ক্রোনাসকে তার নিজের সন্তানদের মধ্যে একজন একদিন তাকেও উৎখাত করবে যেমন সে তার বাবাকে উৎখাত করেছিল। এর ফলে রিয়া "অবিরাম শোক" অনুভব করে, এবং তার ষষ্ঠ সন্তান জিউস গর্ভে আসার পর, রিয়া তার বাবা ইউরেনাস এবং মা গাইয়া এর কাছে যায়, তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্য এবং ক্রোনাসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে। রিয়া তার বাবা ইউরেনাস এবং মা গাইয়া এর নির্দেশ অনুসরণ করে, রিয়া ক্রিটের লিক্টাসে ভ্রমণ করে, যেখানে সে জিউসকে জন্ম দেয়, নবজাতক শিশুটিকে গাইয়াকে লালন-পালনের জন্য হস্তান্তর করে, এবং গাইয়া তাকে এগিয়ন পর্বতের (এজিয়ম) একটি গুহায় নিয়ে যায়। এরপর রিয়া ক্রোনাসকে শিশুর পরিবর্তে কাপড়ে মোড়ানো একটি পাথর দেয়, যা সে তাৎক্ষণিকভাবে গিলে ফেলে, যদিও সে বুঝতে পারে না যে এটি তার ছেলে নয়। যদিও হেসিওড লিক্টাসকে জিউসের জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনিই একমাত্র উৎস যিনি এটি করেছেন, এবং অন্যান্য লেখকরা বিভিন্ন স্থানের কথা বলেছেন। জন দ্য লিডিয়া মতে করিন্থের কবি ইউমেলোস (খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী) জিউসকে লিডিয়াতে জন্মগ্রহণকারী বলে মনে করেন, অন্যদিকে আলেকজাণ্ডারিয়ান কবি ক্যালিমাচাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১০ - ২৪০) তাঁর হিম টু জিউস-এ বলেছেন যে তিনি আর্কেডিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ডায়োডোরাস সিকুলাস (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) এক পর্যায়ে ইডা পর্বতকে তার জন্মস্থান বলে মনে করেন, কিন্তু পরে তিনি বলেন যে তিনি ডিক্টে জন্মগ্রহণ করেন, এবং পৌরাণিক কাহিনীকার অ্যাপোলোডোরাস (প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দী) একইভাবে বলেছেন যে তিনি ডিক্টের একটি গুহায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে, পসানিয়াস লিখেছিলেন যে জিউস তাদের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বা বেড়ে উঠেছিলেন বলে দাবি করা সমস্ত লোকের সংখ্যা গণনা করা অসম্ভব। [১]
|
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;901–905নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;3.12.1নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;1206 pp. 957–962নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Apollonius Rhodius, Argonautica, book 2, line 887"। www.perseus.tufts.edu।"Apollonius Rhodius, Argonautica, book 2, line 887". www.perseus.tufts.edu.
- ↑ Leeming, David (২০০৪)। Flood | The Oxford Companion to World Mythology। Oxford University Press। পৃ. ১৩৮। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫১৫৬৬৯০। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "The Gods in the Iliad"। department.monm.edu। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ Homer (১৯৯০)। The Iliad। Penguin Classics।
- Articles containing Ancient Greek (to 1453)-language text
- CS1 Greek-language sources (el)
- Articles containing Proto-Indo-European-language text
- জিউস
- ইলিয়ডের দেবতা
- গ্রিক দেবতা
- গ্রিক পুরাণ
- দ্বাদশ অলিম্পিয়ান
- পৌরাণিক রাজা
- রক্ষক দেবতা
- আকাশ ও আবহাওয়ার দেবতা
- বজ্রের দেবতা
- ওর্যাকুলার দেবতা
- দেবতাদের নাম
- গ্রিক পুরাণের চরিত্র
- গ্রিক পুরাণের রাজা
- সূর্য দেবতা
- বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক




