বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
টেস্ট মর্যাদা ২০০০
প্রথম টেস্ট বনাম  ভারত, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা, ১০-১৩ নভেম্বর, ২০০০
অধিনায়ক

টেস্ট :মুশফিকুর রহিম

ওডিআই ও টি২০ : মাশরাফি বিন মুর্তজা
কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহা (শ্রীলঙ্কা)
আইসিসি টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই র‌্যাঙ্কিং ৯ম (টেস্ট)
৭ম (ওডিআই)
৯ম (টি২০) [১]
টেস্ট ম্যাচ
– বর্তমান বছর
৮৯
সর্বশেষ টেস্ট  বাংলাদেশ বনাম  ভারত
খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, ফতুল্লা, নারায়গঞ্জ, ১০-১৪ জুন, ২০১৫
জয়/পরাজয়
– বর্তমান বছর
৭/৭১
০/১
১৯ জুন ২০১৫ পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা "দ্য টাইগার" নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে। বাংলাদেশ আইসিসি'র টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিক মর্যাদাপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। তারা দশম টেস্টখেলুড়ে দেশ হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালে ঢাকায় তাদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। সেবারের টুর্ণামেন্টে চার ম্যাচের দু'টিতে তারা হেরে যায় এবং দু'টিতে জয়লাভ করে। এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে ক্রিকেটে তারা তাদের সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে এবং এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বিশ্বকাপে তারা পাকিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে।

১৯৯৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ওয়ানডে খেলুড়ে দেশ হিসেবে ওয়ানডে খেলে আসছে। ২০০০ সালের ২৬ জুন তারা দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আইসিসি'র সদস্যপদ লাভ করে। ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত তারা মোট ৮৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ৭টি ম্যাচে জয়লাভ করে। তারা সর্বপ্রথম টেস্ট জেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পরবর্তী টেস্ট দু'টো জিতে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। জুন , ২০১৫ সালে বাংলাদেশ আইসিসি টেস্টে ৯ম, ওডিআইয়ে ৭ম এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকের রেটিংয়ে ১০ম স্থানে অবস্থান করছে।

ওডিআই মর্যাদা প্রাপ্তি: ১৯৯৭ সালে
টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তি: ২০০০ সালে

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ:বাংলাদেশে ক্রিকেটের ইতিহাস

২০শ শতাব্দী[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতআইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। চার ম্যাচের দু'টিতে তারা হেরে যায় এবং দু'টিতে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ হোসেন লিপু'র নেতৃত্বে এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে।

১৯৮৬ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে। এটা সেই দলের ছবি।

আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটাই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে সফলতার পরিচয় দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২২ খেলায় হারের পর মোঃ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩টি উইকেট) কেনিয়ার বিপক্ষে ভারতে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ এই জয়লাভ করে।[১] আতহার আলী খান-মোহাম্মদ রফিক জুটি ১৩৭ রান গড়েছিল। আতহার আলী খান করেন ৪৭ রান।[২] পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে আইসিসি নক-আউট ট্রফি আয়োজন করে বাংলাদেশ যেখানে সকল টেস্ট খেলুড়ে দল এই একদিনের আন্তর্জাতিক নক-আউট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়মিত সদস্য পদ লাভ করে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের অসাধারণ ফিল্ডিং এবং খালেদ মাহমুদের ব্যক্তিগত বোলিং (৩/৩১) নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা বিবেচিত হন খালেদ মাহমুদ। স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারানোর পরও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু এই জয় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেস্ট দলের সদস্য হতে সহায়তা করে।

টেস্ট দল হিসাবে প্রথম বছর (২০০০-২০০৩)[সম্পাদনা]

২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাইমুর রহমানের অধিনায়কত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে পা রাখে। ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি (১৪৫) করে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ব্যানারম্যান ও জিম্বাবুয়ের ডেভিড হটনের পাশে নাম লেখান আমিনুল ইসলাম। অধিনায়ক নাইমুর রহমানের ১৩২ রানে ৬ উইকেট অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোনো বোলারের সেরা বোলিং। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে অভিষেক টেস্টে ১৭ বছর ৬১ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে প্রথমবারের মতো প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। মুলতানে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে জিততে ১ উইকেটে হেরে বসে তারা। এই সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাট্রিক করে অলোক কাপালি। টানা ২১ টেস্ট হারার পর হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ২য় টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৩দিন খেলা বন্ধ থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তিন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির কল্যাণে প্রথম নিজেদের কৃতিত্বে ড্র করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে হাবিবুল বাশার ও মোহাম্মদ রফিকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন খালেদ মাসুদ। চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে। ম্যাচ সেরা হন এনামুল হক জুনিয়র। সিরিজের অপর টেস্টটিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। শীর্ষস্থানীয় সব খেলোয়াড় ধর্মঘটে যাওয়ায় নতুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পায় বাংলাদেশ।

পরিচালনা পরিষদ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড[৩] খেলার মাঠ নির্ধারণ, দলের সফর, দল পরিচালনা ও ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি ঘটানোই এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়াও, দলের স্পন্সরশীপের বিষয়েও বোর্ড দায়বদ্ধ। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড নামে পরিচিত ছিল।[৪] ১৯৭৬ সালে সংস্থার খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়।[৫] জানুয়ারি, ২০০৭ সালে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ‘কন্ট্রোল’ শব্দটি বিলুপ্ত করে।[৬] বাংলাদেশ সরকার বিসিবি’র সভাপতি নিয়োগ করে থাকেন।[৭] বর্তমান বিসিবি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হাসান

২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পয্রন্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ পুরুষ ও মহিলাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করছে। তারা ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৳১৫১.৫ মিলিয়ন টাকা দেশের ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়নে বিনিয়োগ করে।এখন দেশীয় জুস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ প্রাণ ফ্রুটো পুরুষ ও মহিলাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করছে। [৮]

২০০৬ সালে বিসিবি কর্তৃপক্ষ কিশোর ও অনভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে।[৯] জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে চুক্তিবদ্ধ করা হয় ও ম্যাচ ফি প্রদান করা হয়। ২০০৫ সালে প্রতি টেস্টে মাথাপিছু $১,০০০ মার্কিন ডলার ও একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের জন্য $৫০০ মার্কিন ডলার প্রদান করে।[১০]

টুর্নামেন্ট ইতিহাস[সম্পাদনা]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
ইংল্যান্ড ১৯৭৫ যোগ্য নয়
ইংল্যান্ড ১৯৭৯ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৮৩ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারতপাকিস্তান ১৯৮৭ যোগ্যতা অর্জন করেনি
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ১৯৯২ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৯৯ পর্ব ১ ৯/১২
দক্ষিণ আফ্রিকাজিম্বাবুয়েকেনিয়া ২০০৩ পর্ব ১ ১৩/১৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০০৭ দ্বিতীয় পর্ব ৭/১৬
ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ২০১১ পর্ব ১ ৯/১৪
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০১৫ কোয়াটার ফাইনাল ৭/১৪
ইংল্যান্ড ২০১৯ যোগ্যতা অর্জন
মোট ৩৩ ১১ ২০
বিশ্ব টুয়েন্টি২০ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭ পর্ব ২ ৮/১২
ইংল্যান্ড ২০০৯ পর্ব ১ ৯/১২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০১০ পর্ব ১ ৯/১২
শ্রীলঙ্কা ২০১২ পর্ব ১ ৯/১২
বাংলাদেশ ২০১৪ পর্ব ২ -
ভারত ২০১৬ পর্ব ২ -
মোট ২৫ ১৯
এশিয়া কাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৮৪ যোগ্যতা অর্জন করেনি
শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬ প্রথম পর্ব ৩/৩
বাংলাদেশ ১৯৮৮ প্রথম পর্ব ৪/৪
ভারত ১৯৯০–৯১ প্রথম পর্ব ৩/৩
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৯৫ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৭ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০০০ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ২০০৪ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
পাকিস্তান ২০০৮ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
শ্রীলঙ্কা ২০১০ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০১২ রানার্স আপ ২/৪
বাংলাদেশ ২০১৪ প্রথম পর্ব ৫/৫
বাংলাদেশ ২০১৬ রানার্স আপ ২/৫
মোট ৪২ ৩৫
মাল্টিস্পোর্টস ইভেন্টস
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
মালয়েশিয়া ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমস পর্ব ১ ১৪/১৬
চীন ২০১০ এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়ন্স ১/৯
দক্ষিণ কোরিয়া ২০১৪ এশিয়ান গেমস - - - - - - -
অন্যান্য প্রধান টুর্নামেন্ট
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ
  • ২০০১/০২: প্রথম পর্ব
এসিসি ট্রফি
অস্ট্রাল-এশিয়া কাপ
  • ১৯৮৬: অংশগ্রহণ করেনি
  • ১৯৯০: প্রথম পর্ব
  • ১৯৯৪: অংশগ্রহণ করেনি

দলের সদস্যবৃন্দ[সম্পাদনা]

ঢাকা'র শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা জিম্বাবুয়ে দলের উদ্বোধনী জুটি ভেঙ্গে আনন্দ প্রকাশ করছে।
নাম জন্ম ব্যাটিংয়ের ধরন বোলিংয়ের ধরন অভ্যন্তরীণ দল ক্রিকেটের ধরণ ওডিআই জার্সি নং
উদ্বোধনী ব্যাটস্‌ম্যান
তামিম ইকবাল ১৯৮৯ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেট দল, চিটাগাং ভাইকিংস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ২৯
সৌম্য সরকার ১৯৯৩ বাঁ হাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট বিভাগীয় ক্রিকেট দল,রংপুর রাইডার্স টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৫৯
ইমরুল কায়েস ১৯৮৭ বাঁ হাতি খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
এনামুল হক বিজয় ১৯৯২ ডান হাতি খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল,চিটাগাং ভাইকিংস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৬৬
মিডিল অর্ডার ব্যাটস্‌ম্যান
মোহাম্মদ আশরাফুল ১৯৮৪ ডান হাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
সাব্বির রহমান ১৯৯১ ডান হাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল,বরিশাল বুলস ওডিআই, টি-২০ ৭৬
মমিনুল হক ১৯৯১ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন সিলেট সুপার স্টার্স টেস্ট, ওডিআই,
অল-রাউন্ডার
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৯৮৬ ডান হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, বরিশাল বুলস টেস্ট, ওডিআই, ! ৩০
সাকিব আল হাসান ১৯৮৬ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, ওরচেস্টারশায়ার, কলকাতা নাইট রাইডার্স, রংপুর রাইডার্স টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৭৫
নাঈম ইসলাম ১৯৮৬ ডান হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৭৭
নাসির হোসেন ১৯৯১ ডান হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক রংপুর বিভাগীয় ক্রিকেট দল, ঢাকা ডিনামাইটস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৬৯
উইকেট-কিপার
মুশফিকুর রহিম ১৯৮৮ ডান হাতি রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল, সিলেট সুপার স্টার্স টেস্ট, ওডিআই, টি-২০: অধিনায়ক
লিটন দাস ১৯৯৪ ডান হাতি রংপুর বিভাগীয় ক্রিকেট দল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস টেস্ট, ওডিআই ১৬
পেস বোলার
মাশরাফি বিন মুর্তজা ১৯৮৩ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
শাহাদাত হোসেন ১৯৮৬ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই ৫৯
শফিউল ইসলাম ১৯৮৬ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল, চিটাগাং ভাইকিংস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ১৩
রুবেল হোসেন ১৯৯০ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, সিলেট সুপার স্টার্স টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
তাসকিন আহমেদ ১৯৯৫ বাঁ হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম ঢাকা মেট্রোপুলিশ ক্রিকেট দল, চিটাগাং ভাইকিংস ওডিআই, টি-২০ ৩৪
আল-আমিন হোসেন ১৯৯০ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল, বরিশাল বুলস টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
মুস্তাফিজুর রহমান ১৯৯৫ বাঁ হাতি বাঁ হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল,ঢাকা ডিনামাইটস, সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ, সাসেক্স টেস্ট, ওডিআই,টি২০ ৯০
মোহাম্মদ শহীদ ১৯৮৮ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম সিলেট সুপার স্টার্স টেস্ট, টি-২০
স্পিন বোলার
আব্দুর রাজ্জাক ১৯৮২ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৪১
তাইজুল ইসলাম ১৯৯২ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল, বরিশাল বুলস ওডিআই, টি-২০ ৫১
জুবায়ের হোসেন ১৯৯৬ ডান হাতি লেগব্রেক - টেস্ট,ওডিআই ২১

কোচিং কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটিং পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

গত ২ বৎসরে ওডিআইয়ে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ব্যাটিং পরিসংখ্যান
খেলোয়াড়ের নাম ম্যাচ ইনিংস অপরাজিত রান সর্বোচ্চ গড় বল স্ট্রাইক রেট শতক অর্ধ-শতক ডাক বাউণ্ডারী ছক্কা
সাকিব আল হাসান ১৫২ ১৪৫ ২৩ ৪৩১৪ ১৩৪* ।৫৩.৭৯ ৮০.২০ ৩০ ৩৮৩ ৩২
তামিম ইকবাল ১৪৬ ১৪৫ ৪৫১০ ১৫৪ ৩১.৫৩ ৫৭৩৩ ৭৮.৬৬ ৩০ ৫১৪ ৫৯
এনামুল হক বিজয় ৩০ ২৭ ৯৫০ ১২০ ৩৫.১৮ ১৩৫৭ ৭০.০০ ৯১ ১৬
সৌম্য সরকার ১২ ১২ ৪৪৭ ১২৭* ৪০.৬৩ ৪৬০ ৯৭.১৭ ৫৭ ১১
মমিনুল হক ২৬ ২৪ ৫৪৩ ৬০ ২৩.৬৩ ৭২৮ ৭৪.৫৮ ৫৯
মোহাম্মদ আশরাফুল ১৭৭ ১৬৯ ১৩ ৩৪৬৮ ১০৯ ২২.২৩ ৪৯৪৭ ৭০.১০ ২০ ১১ ৩৫৪ ২৯
সাব্বির রহমান ১৬ ১৪ ৩৪৩ ৫৩ ৩৪.৩০ ৩২৫ ১০৫.৫৩ ৩৫ ১০
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১৯ ১০৩ ২৯ ২৫১৪ ১২৮* ৩৩.৯৭ ৩৪১৪ ৭৩.৬৩ ১২ ১৯৯ ২৪
নাসির হোসেন ৪৯ ৪০ ১১২৭ ১০০ ৩৪.১৫ ১৩৯৫ ৮০.৭৮ ৯৯ ১৪
মুশফিকুর রহিম ১৫১ ১৪০ ২১ ৩৭১৬ ১১৭ ৩১.২২ ৪৯৪৪ ৭৫.১৬ ২২ ২৯৭ ৫১
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৫৩ ১১৫ ২১ ১৩৯৫ ৫১* ১৪.৮৪ ১৫৭৪ ৮৮.৬২ ১১৮ ৪৮
শফিউল ইসলাম ৫২ ২৮ ১২৪ ২৪* ৬.৫২ ২১৩ ৫৮.২১ ১৩
রুবেল হোসেন ৬৪ ৩৩ ১৮ ৮৭ ১৮* ৫.৮০ ১৫৫ ৫৬.১২
আব্দুর রাজ্জাক ১৫৩ ৯৭ ৩৯ ৭৭৯ ৫৩ * ১৩.৪৩ ১০২০ ৭৬.৩৭ - -১ ৫৫ ২১
তাসকিন আহমেদ ১৪ ১.০০ ১১ ২৭.২৭ - - - -

সর্বশেষ আপডেট: ২৩ই জুন, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত[২৫]

অন্যান্য দলের বিরুদ্ধে ফলাফল[সম্পাদনা]

ওয়ানডে ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষ সময়কাল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই স্থগিত সাফল্যের হার
অস্ট্রেলিয়া ১৯৯০-২০১১ ১৯ ১৮ ৫.২৬%
ভারত ১৯৮৮-২০১২ ২৪ ২১ ৮.৬৯%
শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬-২০১২ ৩০ ২৭ ৬.৮৯%
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০২-২০১১ ১৪ ১৩ ৭.১৪%
ইংল্যান্ড ২০০০-২০১১ ১৫ ১৩ ১৩.৩৩%
পাকিস্তান ১৯৮৬-২০১২ ৩৩ ২৯ ১০০%
নিউজিল্যান্ড ১৯৯০-২০১০ ২১ ১৬ ২৩.৮০%
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৯৯-২০১১ ২০ ১৪ ২০.০০%
আয়ারল্যান্ড ২০০৭-২০১১ ৭১.৪২%
জিম্বাবুয়ে ১৯৯৭-২০১১ ৫৬ ৩০ ২৬ ৫৪.৯০%
নেদারল্যান্ড ২০১০-২০১১ ৫০.০০%
কেনিয়া ১৯৯৭-২০০৬ ১৪ ৫৭.১৪%
স্কটল্যান্ড ১৯৯৯-২০০৬ ১০০%
বারমুদা ২০০৭-২০০৭ ১০০%
কানাডা ২০০৩-২০০৭ ৫০%
হংকং ২০০৪-২০০৪ ১০০%
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০০৮-২০০৮ ১০০%
আফগানিস্তান

সর্বশেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১১ইং।[২৬]

  • লক্ষণীয়: (১) ফলাফলের ক্ষেত্রে 'স্থগিত'কে হিসাবে আনা হয়নি। (২) টাই-কে অর্ধেক জয় হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

টেস্ট ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ইনিংসগুলো[সম্পাদনা]

ওয়ানডে ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ২০১৫ সালের ১৭ এপ্রিল প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঢাকার মিরপুরে ৬ উইকেটে ৩২৯ রান করে বাংলাদেশ তাদের সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে।

টেস্ট ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

স্বাগতিক দল প্রতিপক্ষ বিজয়ী দল ফলাফল ভেন্যু তারিখ ওডিআই নং
বাংলাদেশ শ্রীলংকা শ্রীলংকা ৭ উইকেটে ঢাকা ৪ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৩৭
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ঢাকা ৭ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৩৯
বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে ঢাকা ৮ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৪০
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ঢাকা ১১ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৪২
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ১৪৬ রানে ন্যাপিয়ার ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৪৯
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে ডুনেডিন ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৫১
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ক্রাইস্টচার্চ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৫৩
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে ঢাকা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৬৪
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ২ উইকেটে ঢাকা ২ মার্চ, ২০১০ ২৯৬৫
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৪৫ রানে চট্টগ্রাম ৫ মার্চ, ২০১০ ২৯৬৮
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ডাম্বুলা ১৬ জুন, ২০১০ ২৯৯৩
শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা ১২৬ রানে ডাম্বুলা ১৮ জুন, ২০১০ ২৯৯৫
বাংলাদেশ পাকিস্তান পাকিস্তান ১৩৯ রানে ডাম্বুলা ২১ জুন, ২০১০ ২৯৯৮
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে নটিংহ্যাম ৮ জুলাই, ২০১০ ৩০১৮
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৫ রানে ব্রিস্টল ১০ জুলাই, ২০১০ ৩০২৫
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ১৪৪ রানে বার্মিংহাম ১২ জুলাই, ২০১০ ৩০২৬
আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড ৭ উইকেটে বেলফাস্ট ১৫ জুলাই, ২০১০ ৩০২৭
আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৬ উইকেটে বেলফাস্ট ১৬ জুলাই, ২০১০ ৩০২৮
স্কটল্যান্ড বাংলাদেশ স্থগিত গ্লাসগো ১৯ জুলাই, ২০১০ ৩০২৮এ
বাংলাদেশ নেদারল্যান্ড নেদারল্যান্ড ৬ উইকেটে গ্লাসগো ২০ জুলাই, ২০১০ ৩০২৯
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৯ রানে ঢাকা ৫ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫১
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড স্থগিত ঢাকা ৮ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫২এ
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৪
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৯ রানে ঢাকা ১৪ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৬
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৩ রানে ঢাকা ১৭ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৮
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ৯ রানে ঢাকা ১ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭১
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ঢাকা ৩ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৩
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬৫ রানে ঢাকা ৬ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৫
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে স্থগিত চট্টগ্রাম ১০ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৬এ
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে চট্টগ্রাম ১২ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৮

সর্বশেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত।[২৭]

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হ্যাট্রিকগুলো[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় এ পর্যন্ত ৫ (পাঁচ)জন খেলোয়াড় পরপর তিন বলে তিনজন ব্যাটসম্যানকে আউট করে হ্যাট্রিক করার বিরল সৌভাগ্য অর্জন করেন। ১ম হ্যাট্রিক (বিশ্বে ২১তম) করেন - শাহাদাত হোসেন[২৮], ২য় হ্যাট্রিক করেন (বিশ্বে ২৭তম) - আব্দুর রাজ্জাক।[২৯] এবং ৩য় হ্যাট্রিক করেন (বিশ্বে ৩৪তম) - রুবেল হোসেন।[৩০]

বাংলাদেশী বোলারদের হ্যাট্রিক
ক্রমিক নং ওডিআই নং বোলারের নাম দলের নাম বিপক্ষ যাদেরকে আউট করেছেন মাঠ তারিখ
১। 7003239400000000000২,৩৯৪ শাহাদাত হোসেন  বাংলাদেশ  জিম্বাবুয়ে

• তাফাজা মুফামবিসি (কট †খালেদ মাসুদ)
• এলটন চিগুম্বুরা (এলবিডব্লিউ)
• তাওয়ান্দা মুপারিয়া (কট  †খালেদ মাসুদ)

হারারে স্পোর্টস ক্লাব, হারারে ২ আগস্ট, ২০০৬
২। 7003307300000000000৩,০৭৩ আব্দুর রাজ্জাক  বাংলাদেশ  জিম্বাবুয়ে

• প্রস্পার উতসেয়া (কট নাঈম ইসলাম)
• রে প্রাইস (এলবিডব্লিউ)
• ক্রিস্টোফার মপোফু (এলবিডব্লিউ)

শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর ৩ ডিসেম্বর, ২০১০
৩। 7003342300000000000৩,৪২৩ রুবেল হোসেন  বাংলাদেশ  নিউজিল্যান্ড

• কোরি জেমস আন্ডারসন (বোল্ড
• ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (কট শামসুর রহমান )
• জেমস নেশান (কটমুশফিকুর রহিম)

শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর ২৯ অক্টোবর, ২০১৩

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক[সম্পাদনা]

বিপক্ষীয় বোলারের হ্যাট্রিক
ক্রমিক নং ওডিআই নং বোলারের নাম দলের নাম বিপক্ষ যাদেরকে আউট করেছেন ভেন্যু তারিখ
১।[D][F] 7003195000000000000১,৯৫০[৩১] চামিন্দা ভাস  শ্রীলঙ্কা  বাংলাদেশ

• হান্নান সরকার (ব)
• মোহাম্মদ আশরাফুল (ক)
• এহসানুল হক (ক) মাহেলা জয়াবর্ধনে)

পিটারমারিতজ্‌বার্গ ওভাল, পিটারমারিতজ্‌বার্গ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং[সম্পাদনা]

উইকেট/রান বোলারের নাম বিপক্ষ ভেন্যু সাল
৬/২৬ মাশরাফি বিন মুর্তজা  কেনিয়া নাইরোবি ২০০৬
৬/২৬ রুবেল হোসেন  নিউজিল্যান্ড মিরপুর ২০১৩
৬/৪৩ মুস্তাফিজুর রহমান  ভারত মিরপুর ২০১৫
৫/২৮ তাসকিন আহমেদ  ভারত মিরপুর ২০১৪
৫/২৯ আব্দুর রাজ্জাক  জিম্বাবুয়ে মিরপুর ২০০৯

একদিনের ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

খেলায় অনন্য অর্জনগুলো[সম্পাদনা]

সর্বোচ্চ ... সাফল্যের বিবরণ তারিখ মন্তব্য
দলীয় রান ৩২৯/৬ বনাম বনাম পাকিস্তান, মিরপুর ১৭ এপ্রিল,২০১৫
মোট ব্যক্তিগত রান তামিম ইকবাল
খেলায় ব্যক্তিগত রান ১৫৪, তামিম ইকবাল, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে, বুলাওয়ে, ২০০৯
জুটি
সেঞ্চুরি ৬টি, সাকিব আল হাসানতামিম ইকবাল
হাফ-সেঞ্চুরি তামিম ইকবাল
উইকেট-কিপার কর্তৃক আউট ১২৬টি; খালেদ মাসুদ; ১২৬ খেলায়
উইকেট-কিপার ব্যতীত আউটকারী ৩৬টি; মাশরাফি বিন মর্তুজা; ১১৬ খেলায়
গড় (সর্বনিম্ন ৩০.০০) সাকিব আল হাসান; ৩৪.৯৮
ম্যাচে সিক্স বা ছক্কা ৭টি; তামিম ইকবাল; বিপক্ষ ....
মোট ব্যক্তিগতভাবে সিক্স বা ছক্কা ৪৯টি; আফতাব আহমেদ; ৮০ খেলায়
খেলায় অংশগ্রহণ
অধিনায়ক হিসেবে অংশগ্রহণ হাবিবুল বাশার; ৬৯টি খেলায়; ২০০৪ - ২০০৭

ওয়ানডে পার্টনারশীপগুলো[সম্পাদনা]

প্রতি উইকেটে সর্বোচ্চ রান
উইকেট রান খেলোয়াড়দ্বয় বিপক্ষ মাঠ খেলার তারিখ ম্যাচ নং
১ম ১৭০ শাহরিয়ার হোসেন-মেহরাব হোসেন জিম্বাবুয়ে ঢাকা ২৫ মার্চ, ১৯৯৯ ১৪২০
২য় ১৬০ ইমরুল কায়েস-জুনায়েদ সিদ্দিকী পাকিস্তান ডাম্বুলা ২১ জুন, ২০১০ ২৯৯৮
৩য় তামিম ইকবাল-মুশফিকুর রহিম পাকিস্তান ঢাকা ১৭ এপ্রিল ২০১৫
৪র্থ ১৭৫* রাজিন সালেহ-হাবিবুল বাশার কেনিয়া ফতুল্লা ২৫ মার্চ, ২০০৬ ২৩৫৬
৫ম ১১৯ সাকিব আল হাসান-রাকিবুল হাসান (জুনিয়র) দক্ষিণ আফ্রিকা ঢাকা ১২ মার্চ, ২০০৮ ২৬৯১
৬ষ্ঠ ১২৩* আল শাহারিয়ার-খালেদ মাসুদ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকা ৮ অক্টোবর, ১৯৯৯ ১৫১০
৭ম ১০১ মুশফিকুর রহিম-নাঈম ইসলাম নিউজিল্যান্ড ডুনেডিন ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ ২৯৫১
৮ম ৭০* খালেদ মাসুদ -মোহাম্মদ রফিক নিউজিল্যান্ড কিংবার্লী ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০০৩ ১৯৬৮
৯ম ৯৭ সাকিব আল হাসান - মাশরাফি বিন মর্তুজা পাকিস্তান মুলতান ১৬ এপ্রিল, ২০০৮ ২৭০২
১০ম ৫৪* খালেদ মাসুদ -তাপস বৈশ্য শ্রীলঙ্কা কলম্বো (সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব) ৩১ আগস্ট, ২০০৫ ২২৭৫

সর্বশেষ আপডেট: (ফেব্রুয়ারি ১, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত)[৩২]

  • = বাংলাদেশের পক্ষে যে-কোন উইকেটে সর্বোচ্চ রান।

ওয়ানডের উইকেট সংক্রান্ত[সম্পাদনা]

সর্বোচ্চ বিবরণ খেলোয়াড়ের নাম অন্যান্য মন্তব্য
উইকেট প্রাপ্তি ১৬২ আব্দুর রাজ্জাক গড়: ২৬.৯০ ১১১ ম্যাচে
ম্যাচে বোলিং ৬/২৬ মাশরাফি বিন মর্তুজা বনাম কেনিয়া ২০০৬
৫ উইকেট অর্জন ৩বার আব্দুর রাজ্জাক
গড় (কমপক্ষে ৫০ ওভার) ২৬.৯০ আব্দুর রাজ্জাক
স্ট্রাইক রেট (কমপক্ষে ৫০ ওভার) ৩০.১০ সাইফুল ইসলাম

দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেটধারী[সম্পাদনা]

সাকিব আল হাসান: বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের মর্যাদা পেয়েছেন

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বা ওডিআইয়ে ফেব্রুয়ারি ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত প্রথিতযশা স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ১৬২টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছেন। পিছনে রয়েছেন - প্রায়শঃই আঘাতপ্রাপ্ত নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত পেশার মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং বর্তমানে বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান যথাক্রমে ১৪৫ এবং ১২৯টি উইকেট নিয়ে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ-১০ বোলার
বোলারের নাম ম্যাচ ওভার মেইডেন রান মোট উইকেট গড় ইকোনমী স্টাইক রেট ৪-উইকেট ৫-উইকেট
আব্দুর রাজ্জাক ১১১ ৯৮০.৫ ৪৮ ৪৩৫৮ ১৬২ ২৬.৯ ৪.৪৪ ৩৬.৩
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১১৬ ৯৬৩.৫ ৮৬ ৪৪০৭ ১৪৫ ৩০.৩৯ ৪.৫৭ ৩৯.৮
সাকিব আল হাসান ১০২ ৮৭৩.২ ৫৩ ৩৭১৬ ১২৯ ২৪.৪ ৪.২৫ ৪০.৬
মোহাম্মদ রফিক ১২৩ ১০৪৯ ৬৩ ৪৬১২ ১১৯ ৩৮.৭৫ ৪.৩৯ ৫২.৮
খালেদ মাসুদ ৭৭ ৫৬৪.১ ৩০ ২৮৬৫ ৬৭ ৪২.৭৬ ৫.০৭ ৫০.৫
সৈয়দ রাসেল ৫২ ৪৪২.৫ ৪১ ২০৫১ ৬১ ৩৩.৬২ ৪.৬৩ ৪৩.৫
তাপস বৈশ্য ৫৬ ৪৩৪.৪ ১৮ ২৪৫২ ৫৯ ৪১.৫৫ ৫.৬৪ ৪৪.২
শাহাদাত হোসেন ৪৬ ৩২১.২ ১৮ ১৮২৪ ৪২ ৪৩.৪২ ৫.৬৭ ৪৫.৯
নাজমুল হোসেন ৩৪ ২৪৪.৫ ২০ ১২৬৮ ৩৮ ৩৩.৩৬ ৫.১৭ ৩৮.৬
শফিউল ইসলাম সুহাস ২৩ ১৬০.৫ ১০১০ ৩২ ৩১.৫৬ ৬.২৭ ৩০.১
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৬১ ৩০৭ ১৫০৮ ৩১ ৫১.৫৪ ৫.২০ ৫৯.৪

সর্বশেষ আপডেট: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ইং[৩৩]

  • দ্রষ্টব্য: † = একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় অদ্যাবধি খেলছেন।

jahangir

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Toothless Tigers। BBC Sport। ২ জানুয়ারি ২০০৩। সংগৃহীত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  2. scorecard: Bangladesh v Kenya (1998-05-17), Retrieved on (2008-01-27)
  3. Bangladesh Cricket Team। Bangladesh Cricket। 
  4. About BCB। Bangladesh Cricket Board। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১১ 
  5. "Bangladesh cricket at the crossroad"The Independent। ১২ নভেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১১ 
  6. Board's name amended by government notification। Cricinfo। ১৩ জানুয়ারি ২০০৭। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১১ 
  7. Samiuddin, Osman (৩০ জুন ২০১১)। ICC gives boards two years to fall in line। Cricinfo। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১১ 
  8. GP Official Sponsors of Bangladesh National Men & Womens Cricket Teams। Grameenphone। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ২২ আগস্ট ২০১১ 
  9. Bangladesh to set up academy। ৪ এপ্রিল ২০০৬। সংগৃহীত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  10. BCB announce 'perform and earn more' payroll। Cricinfo। ২০ অক্টোবর ২০০৫। সংগৃহীত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  11. (19 May 2014). "Hathurusingha to be Bangladesh coach" – ESPNcricinfo. Retrieved 19 May 2014.
  12. Malcolm Conn (19 May 2014). "Sydney Thunder in search of new coach as Chandika Hathurusingha takes charge of Bangladesh"The Daily Telegraph. Retrieved 19 May 2014.
  13. Ruwan Kalpage has been appointed as Bangladesh's assistant and spin-bowling coach। Cricinfo। ১০ আগস্ট ২০১৪। 
  14. Walsh signs on as Bangladesh bowling coach। Cricinfo। ৩১ আগস্ট ২০১৬। 
  15. । The Daily Observer http://www.observerbd.com/2014/08/15/37260.php  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  16. 'Richard Halsall' Tigers new fielding coach। Cricinfo। ২ মার্চ ২০১৪। 
  17. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; espncricinfo.com নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  18. Mario Villavarayan as the strength and conditioning coach। Cricinfo। ১৯ মে ২০১৪। 
  19. Bangladesh hopeful of Shakib's fitness for final। Cricinfo। ৫ মার্চ ২০১৫। 
  20. "Psychologist for Tigers"The Daily Star। ২ সেপ্টেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর ২০১১ 
  21. "Mash injury jolts Comilla Victorians"The Independent। ২১ নভেম্বর ২০১৫। সংগৃহীত ১৪ জুন ২০১৬ 
  22. BCB names Mahmud as the new Team Manager। Dhaka Tribune। সংগৃহীত ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ 
  23. Rabeed Imam। Cricinfo। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর ২০১১ 
  24. Nasir Ahmed Nasu has worked successively with Bangladesh national cricket team for 15 years। Goal Bangladesh। সংগৃহীত ৭ জুলাই ২০১৫ 
  25. বাংলাদেশের ব্যাটিং গড়
  26. বিপক্ষীয় দলের বিরুদ্ধে ওয়ানডে'র ফলাফল।
  27. ২০১০ সালে বাংলাদেশের ওডিআইগুলো
  28. জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ, ৩য় ওডিআই, আগস্ট ২, ২০০৬, হারারে
  29. জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ, ২য় ওডিআই, ডিসেম্বর ৩, ২০১০, ঢাকা
  30. নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ, ১ম ওডিআই, অক্টোবর ২৯, ২০১৩, ঢাকা
  31. শ্রীলঙ্কা হ্যাট্রিক করলো
  32. স্ট্যাটস্‌.ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম
  33. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটধারী খেলোয়াড়েরা

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]