বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
টেস্ট মর্যাদা২০০০
প্রথম টেস্টবনাম  ভারত, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা, ১০-১৩ নভেম্বর, ২০০০
অধিনায়ক
কোচদক্ষিণ আফ্রিকা রাসেল ডোমিঙ্গো
আইসিসি টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই র‌্যাঙ্কিং৯ম (টেস্ট)
৭ম (ওডিআই)
৮ম (টি২০আই) [১]
টেস্ট ম্যাচ
– বর্তমান বছর
১২০
সর্বশেষ টেস্টবনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১১-১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১,চট্টগ্রাম
জয়/পরাজয়
– বর্তমান বছর
১৪/৮৯ (১৬ ড্র)
০/২
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা "টাইগারস্" নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে। বাংলাদেশ আইসিসি'র টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিক মর্যাদাপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। ১০ম টেস্টখেলুড়ে দেশ হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালে ঢাকায় বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। সেবারের টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচের ২ টি ম্যাচে তারা জয়লাভ করে এবং বাকি ২ টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে। এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে ক্রিকেটে তারা তাদের সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে এবং এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বিশ্বকাপে তারা পাকিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে।

১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ওয়ানডে খেলুড়ে দেশ হিসেবে ওয়ানডে খেলে আসছে। ২০০০ সালের ২৬ জুন তারা দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আইসিসি'র সদস্যপদ লাভ করে। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা মোট ১১৯ টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ১৪ টি ম্যাচে জয়লাভ করে। তারা সর্বপ্রথম টেস্ট জেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পরবর্তী টেস্ট দু'টো জিতে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে । জানুয়ারি, ২০২১ সালে বাংলাদেশ আইসিসি র‍্যাংকিং অনুযায়ী টেস্টে ৯ম, ওডিআইয়ে ৭ম এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকের রেটিংয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছে।

ওডিআই মর্যাদা প্রাপ্তি: ১৯৯৭ সালে
টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তি: ২০০০ সালে

ইতিহাস[সম্পাদনা]

শুরুর পথচলা (১৯৭৯-১৯৯৯)[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতআইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করে। ৪ ম্যাচের ২ টিতে জয়লাভ করে এবং ২ টিতে তারা হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ হোসেন লিপু'র নেতৃত্বে এশিয়া কাপে ক্রিকেটে ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে।

১৯৮৬ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে। এটা সেই দলের ছবি।

আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটাই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে সফলতার পরিচয় দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২২ খেলায় হারের পর মোঃ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩টি উইকেট) কেনিয়ার বিপক্ষে ভারতে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ এই জয়লাভ করে।[১] আতহার আলী খান-মোহাম্মদ রফিক জুটি ১৩৭ রান গড়েছিল। আতহার আলী খান করেন ৪৭ রান।[২] পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে আইসিসি নক-আউট ট্রফি আয়োজন করে বাংলাদেশ যেখানে সকল টেস্ট খেলুড়ে দল এই একদিনের আন্তর্জাতিক নক-আউট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়মিত সদস্য পদ লাভ করে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের অসাধারণ ফিল্ডিং এবং খালেদ মাহমুদের ব্যক্তিগত বোলিং (৩/৩১) নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা বিবেচিত হন খালেদ মাহমুদ। স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারানোর পরও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু এই জয় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেস্ট দলের সদস্য হতে সহায়তা করে।

টেস্ট দল হিসাবে প্রথম পর্যায় (২০০০-২০০৩)[সম্পাদনা]

২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাইমুর রহমানের অধিনায়কত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে পা রাখে। ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি (১৪৫) করে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ব্যানারম্যান ও জিম্বাবুয়ের ডেভিড হটনের পাশে নাম লেখান আমিনুল ইসলাম। অধিনায়ক নাইমুর রহমানের ১৩২ রানে ৬ উইকেট অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোনো বোলারের সেরা বোলিং। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে অভিষেক টেস্টে ১৭ বছর ৬১ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে প্রথমবারের মতো প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। মুলতানে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে জিততে ১ উইকেটে হেরে বসে তারা। এই সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাট্রিক করে অলোক কাপালি। টানা ২১ টেস্ট হারার পর হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ২য় টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৩দিন খেলা বন্ধ থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তিন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির কল্যাণে প্রথম নিজেদের কৃতিত্বে ড্র করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে হাবিবুল বাশার ও মোহাম্মদ রফিকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন খালেদ মাসুদ। চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে। ম্যাচ সেরা হন এনামুল হক জুনিয়র। সিরিজের অপর টেস্টটিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। শীর্ষস্থানীয় সব খেলোয়াড় ধর্মঘটে যাওয়ায় নতুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পায় বাংলাদেশ।

পরিচালনা পরিষদ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড[৩] খেলার মাঠ নির্ধারণ, দলের সফর, দল পরিচালনা ও ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি ঘটানোই এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়াও, দলের স্পন্সরশীপের বিষয়েও বোর্ড দায়বদ্ধ। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড নামে পরিচিত ছিল।[৪] ১৯৭৬ সালে সংস্থার খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়।[৫] জানুয়ারি, ২০০৭ সালে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ‘কন্ট্রোল’ শব্দটি বিলুপ্ত করে।[৬] বাংলাদেশ সরকার বিসিবি’র সভাপতি নিয়োগ করে থাকেন।[৭] বর্তমান বিসিবি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হাসান

২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পয্রন্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ পুরুষ ও মহিলাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করছে। তারা ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৳১৫১.৫ মিলিয়ন টাকা দেশের ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়নে বিনিয়োগ করে। বর্তমানে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রবি পুরুষ ও মহিলা জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করছে। [৮]

২০০৬ সালে বিসিবি কর্তৃপক্ষ কিশোর ও অনভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে।[৯] জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে চুক্তিবদ্ধ করা হয় ও ম্যাচ ফি প্রদান করা হয়। ২০০৫ সালে প্রতি টেস্টে মাথাপিছু $১,০০০ মার্কিন ডলার ও একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের জন্য $৫০০ মার্কিন ডলার প্রদান করে।[১০]

টুর্নামেন্ট ইতিহাস[সম্পাদনা]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
ইংল্যান্ড ১৯৭৫ যোগ্য নয়
ইংল্যান্ড ১৯৭৯ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৮৩ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারতপাকিস্তান ১৯৮৭ যোগ্যতা অর্জন করেনি
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ১৯৯২ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৯৯ পর্ব ১ ৯/১২
দক্ষিণ আফ্রিকাজিম্বাবুয়েকেনিয়া ২০০৩ পর্ব ১ ১৩/১৪
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৭ দ্বিতীয় পর্ব ৭/১৬
ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ২০১১ পর্ব ১ ৯/১৪
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০১৫ কোয়াটার ফাইনাল ৭/১৪
ইংল্যান্ড ২০১৯ গ্রুপ পর্ব ০৮/১০
ভারত ২০২৩ যোগ্যতা নির্ধারণ চলছে
মোট ৪২ ১৪ ২৫
বিশ্ব টুয়েন্টি২০ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭ পর্ব ২ ৮/১২
ইংল্যান্ড ২০০৯ পর্ব ১ ৯/১২
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১০ পর্ব ১ ৯/১২
শ্রীলঙ্কা ২০১২ পর্ব ১ ৯/১২
বাংলাদেশ ২০১৪ পর্ব ২ -
ভারত ২০১৬ পর্ব ২ -
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ওমান২০২১
যোগ্যতা অর্জন করেছে
মোট ২৫ ১৯
এশিয়া কাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৮৪ যোগ্যতা অর্জন করেনি
শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬ প্রথম পর্ব ৩/৩
বাংলাদেশ ১৯৮৮ প্রথম পর্ব ৪/৪
ভারত ১৯৯০–৯১ প্রথম পর্ব ৩/৩
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৯৫ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৭ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০০০ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ২০০৪ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
পাকিস্তান ২০০৮ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
শ্রীলঙ্কা ২০১০ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০১২ রানার্স আপ ২/৪
বাংলাদেশ ২০১৪ প্রথম পর্ব ৫/৫
বাংলাদেশ ২০১৬ রানার্স আপ ২/৫
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৮ রানার্স আপ ২/৬
২০২০
মোট রানার্স-আপ (৩বার) ৪৬ ১০ ৩৬
মাল্টিস্পোর্টস ইভেন্টস
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
মালয়েশিয়া ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমস পর্ব ১ ১৪/১৬
চীন ২০১০ এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়ন্স ১/৯
দক্ষিণ কোরিয়া ২০১৪ এশিয়ান গেমস - - - - - - -
বছর পর্ব
২০০০ প্রাথমিক বাছাই পর্ব
২০০২ গ্রুপ/পুল স্টেজ - প্রথম রাউন্ড
২০০৪ গ্রুপ/পুল স্টেজ - প্রথম রাউন্ড
২০০৬ প্রাথমিক বাছাই পর্ব
২০১৭ সেমি ফাইনাল

দলের সদস্যবৃন্দ[সম্পাদনা]

ঢাকা'র শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা জিম্বাবুয়ে দলের উদ্বোধনী জুটি ভেঙ্গে আনন্দ প্রকাশ করছে।
সদস্যবৃন্দ
নাম টেস্ট ওডিআই টি২০
ওপেনিং ব্যাটসম্যান
তামিম ইকবাল ৬৩ ২১৩ ৭৮
ইমরুল কায়েস ৩৯ ৭৮ ১৪
সৌম্য সরকার ১৬ ৬১ ৫৩
মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান
মাহমুদুল্লাহ ৪৯ ১৯৪ ৮৯
মুমিনুল হক ৪৩ ২৮
নাজমুল হোসেন শান্ত ৪৩ ২৮
উইকেটকিপার
মুশফিকুর রহিম ৭৩ ২২৪ ৮৬
লিটন দাস ২৩ ৪২ ৩২
মোহাম্মদ মিঠুন ১০ ৩০ ১৭
অলরাউন্ডার
সাকিব আল হাসান ৫৭ ২০৯ ৭৬
মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫ ৪৭ ১৩
মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ২৪ ১৭
সিম বোলার
রুবেল হোসেন ২৭ ১০৪ ২৮
মুস্তাফিজুর রহমান ১৪ ৬৪ ৪২
আল আমিন হোসেন ১৫ ৩১
তাসকিন আহমেদ ৩৬ ২১
স্পিন বোলার
তাইজুল ইসলাম ৩২

মানচিত্রে[সম্পাদনা]

কোচিং কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলনরত বাংলাদেশ দল

আন্তর্জাতিক দলের বিরুদ্ধে ফলাফল[সম্পাদনা]

টেস্ট ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষ সময়কাল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই ড্র শতকরা জয় প্রথম জয়
 আফগানিস্তান ২০১৯-২০১৯ ০.০০
 অস্ট্রেলিয়া ২০০৩-২০১৭ ১৬.৬৭ ৩০ আগস্ট ২০১৭
 ইংল্যান্ড ২০০৩-২০১৬ ১০ ১০.০০ ৩০ আক্টোবর ২০১৬
 ভারত ২০০০-২০১৯ ১১ ০.০০
 আয়ারল্যান্ড - - - - - - - -
 নিউজিল্যান্ড ২০০১-২০১৯ ১৫ ১২ ০.০০
 পাকিস্তান ২০০১-২০২০ ১১ ১০ ০.০০
 দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০২-২০১৭ ১২ ১০ ০.০০
 শ্রীলঙ্কা ২০০১-২০১৮ ২০ ১৬ ৫.০০ ১৯ মার্চ ২০১৭
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০২-২০২১ ১৮ ১২ ২২.২২ ১৩ জুলাই ২০০৯
 জিম্বাবুয়ে ২০০১-২০২০ ১৭ ৪১.১৮ ১০ জানুয়ারি ২০০৫

ওয়ানডে ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষ সময়কাল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র এনআর শতকরা জয় প্রথম জয়
বনাম টেস্ট খেলুড়ে দেশ
 আফগানিস্তান ২০১৪-২০১৯ ৬২.৫ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
 অস্ট্রেলিয়া ১৯৯০-২০১৯ ২১ ১৯ ৫.০০ ১৮ জুন ২০০৫
 ইংল্যান্ড ২০০০-২০১৯ ২১ ১৭ ১৯.০৫ ১০ জুলাই ২০১০
 ভারত ১৯৮৮-২০১৯ ৩৬ ৩০ ১৪.২৮ ২৬ ডিসেম্বর ২০০৪
 আয়ারল্যান্ড ২০০৭-২০১৯ ১০ ৭৭.৭৮ ১৮ মার্চ ২০০৮
 নিউজিল্যান্ড ১৯৯০-২০১৯ ৩৫ ১০ ২৫ ২৮.৫৭ ৯ আক্টোবর ২০০৮
 পাকিস্তান ১৯৮৬-২০১৯ ৩৭ ৩২ ১৩.৫১ ৩১ মে ১৯৯৯
 দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০২-২০১৯ ২১ ১৭ ১৯.০৫ ৭ এপ্রিল ২০০৭
 শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬-২০১৯ ৫০ ৩৯ ১৫.২২ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৯৯-২০২১ ৪১ ১৮ ২১ ৪৬.১৫ ২৬ জুলাই ২০০৯
 জিম্বাবুয়ে ১৯৯৭-২০২০ ৭৫ ৪৭ ২৮ ৬২.৬৭ ১০ মার্চ ২০০৪
বনাম সহযোগী দেশ
 বারমুডা ২০০৭-২০০৭ ১০০.০০ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭
 কানাডা ২০০৩-২০০৭ ৫০.০০ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭
 হংকং ২০০৪-২০০৪ ১০০.০০ ১৬ জুলাই ২০০৪
 কেনিয়া ১৯৯৭-২০০৬ ১৪ ৫৭.১৪ ১৭ মে ১৯৯৮
 নেদারল্যান্ডস ২০১০-২০১১ ৫০.০০ ১৪ মার্চ ২০১১
 স্কটল্যান্ড ১৯৯৯-২০১৫ ১০০.০০ ২৪ মে ১৯৯৯
 সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০০৮-২০০৮ ১০০.০০ ২৪ জুন ২০০৮
Statistics are correct as of  বাংলাদেশ v  শ্রীলঙ্কা at Shere Bangla National Stadium, Dhaka, 2nd ODI, May. 25, 2021.[১৭]

টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষ সময়কাল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র এনআর শতকরা জয় প্রথম জয়
বনাম টেস্ট খেলুড়ে দেশ
 আফগানিস্তান ২০১৪-২০১৯ ৩৩.৩৩ ১৬ মার্চ ২০১৪
 অস্ট্রেলিয়া ২০০৭-২০২১ ০.০০ ৩ আগস্ট ২০২১
 ইংল্যান্ড - - - - - - - -
 ভারত ২০০৯-২০১৯ ১১ ১০ ৯.০৯ ৩ নভেম্বর ২০১৯
 আয়ারল্যান্ড ২০০৯-২০১৬ ৭৫.০০ ১৮ জুলাই ২০১২
 নিউজিল্যান্ড ২০১০-২০২১ ১২ ০.০০ ১ সেপ্টেম্বর ২০২১
 পাকিস্তান ২০০৭-২০২০ ১২ ১০ ১৬.৬৭ ২৪ এপ্রিল ২০১৫
 দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭-২০১৭ ০.০০
 শ্রীলঙ্কা ২০০৭-২০১৮ ১১ ৩৬.৩৬ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৭-২০১৮ ১২ ৪৫.৪৫ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭
 জিম্বাবুয়ে ২০০৬-২০২০ ১৩ ৬৯.২৩ ২৮ নভেম্বর ২০০৬
বনাম সহযোগী দেশ
 হংকং ২০১৪-২০১৪ ০.০০%
 কেনিয়া ২০০৭-২০০৭ ১০০.০০% ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭
   নেপাল ২০১৪-২০১৪ ১০০.০০% ১৮ মার্চ ২০১৪
 নেদারল্যান্ডস ২০১২-২০১৬ ৬৬.৬৭% ২৫ জুলাই ২০১২
 ওমান ২০১৬-২০১৬ ১০০.০০% ১৩ মার্চ ২০১৬
 স্কটল্যান্ড ২০১২-২০১২ ০.০০%
 সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৬-২০১৬ ১০০.০০% ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Toothless Tigers, BBC Sport, ২ জানুয়ারি ২০০৩, সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  2. scorecard[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]: Bangladesh v Kenya (1998-05-17), Retrieved on (2008-01-27)
  3. Bangladesh Cricket Team, Bangladesh Cricket, ১৭ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৪ 
  4. About BCB, Bangladesh Cricket Board, ১১ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১১ 
  5. "Bangladesh cricket at the crossroad", The Independent, ১২ নভেম্বর ২০১০, ১৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১১ 
  6. Board's name amended by government notification, Cricinfo, ১৩ জানুয়ারি ২০০৭, সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১১ 
  7. Samiuddin, Osman (৩০ জুন ২০১১), ICC gives boards two years to fall in line, Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১১ 
  8. GP Official Sponsors of Bangladesh National Men & Womens Cricket Teams, Grameenphone, ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯, ১ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১১ 
  9. Bangladesh to set up academy, ৪ এপ্রিল ২০০৬, সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  10. BCB announce 'perform and earn more' payroll, Cricinfo, ২০ অক্টোবর ২০০৫, সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  11. "BCB appoint Sohel Islam as spin consultant for WI series"Cricbuzz। ৬ জানুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০২১ 
  12. Daniel Vettori will join when they will tour New Zealand in March
  13. Mario Villavarayan as the strength and conditioning coach, Cricinfo, ১৯ মে ২০১৪ 
  14. "Mash injury jolts Comilla Victorians", The Independent, ২১ নভেম্বর ২০১৫, সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০১৬ 
  15. BCB names Mahmud as the new Team Manager, Dhaka Tribune, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ 
  16. Rabeed Imam, Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১১ 
  17. "Records / Bangladesh / ODI matches / Result summary"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২১ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]