আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আর্জেন্টিনা
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন কুলচিহ্ন
ডাকনাম(সমূহ) La Albiceleste
অ্যাসোসিয়েশন Asociación del Fútbol Argentino (AFA) (আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থা)
কনফেডারেশন কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা)
প্রধান কোচ হোর্হে সাম্পাওলি
অধিনায়ক লিওনেল মেসি
সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় হাভিয়ের জানেত্তি (১৪৫)
শীর্ষ গোলদাতা লিওনেল মেসি (৬২)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম আন্তনিও ভেস্পুসিয়া লিবেরতি (এল মনুমেন্তাল)
ফিফা কোড ARG
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান অপরিবর্তিত (৯ এপ্রিল ২০১৫)
সর্বোচ্চ (মার্চ ২০০৭, অক্টোবর ২০০৭ – জুন ২০০৮)
সর্বনিম্ন ২৪ (আগস্ট ১৯৯৬)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান (জুলাই ২০১৫)
সর্বোচ্চ (জুলাই ২০০৭)
সর্বনিম্ন ২৮ (জুন ১৯৯০)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 উরুগুয়ে ২–৩ আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা
(মোন্তেবিদেও, উরুগুয়ে; মে ১৬, ১৯০১)[১][১]
বৃহত্তম জয়
আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা ১২–০ ইকুয়েডর 
(মোন্তেবিদেও, উরুগুয়ে; জানুয়ারি ২২, ১৯৪২)
বৃহত্তম হার
 চেকোস্লোভাকিয়া ৬–১ আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা
(হেলসিনবর্গ, সুইডেন; জুন ১৫, ১৯৫৮)
 বলিভিয়া ৬–১ আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা
(লা পাজ, বলিভিয়া; এপ্রিল ১, ২০০৯)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ১৬ (প্রথম ১৯৩০)
সেরা সাফল্য বিজয়ী, ১৯৭৮১৯৮৬
কোপা আমেরিকা
উপস্থিতি ৩৯ (প্রথম ১৯১৬)
সেরা সাফল্য বিজয়ী, ১৯২১, ১৯২৫, ১৯২৭, ১৯২৯, ১৯৩৭, ১৯৪১, ১৯৪৫, ১৯৪৬, ১৯৪৭, ১৯৫৫, ১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৯১১৯৯৩
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ৩ (প্রথম ১৯৯২)
সেরা সাফল্য বিজয়ী, ১৯৯২

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল (স্পেনীয়: Selección de fútbol de Argentina) বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করে। এটি আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা (এএফএ) দ্বারা পরিচালিত হয়, যা আর্জেন্টিনাতে ফুটবলের পরিচালক। আর্জেন্টিনার ঘরের মাঠ ইস্ত্যাদিও আন্তনিও ভেসপুসিও লিবের্তি এবং তাদের প্রধান কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। দলটি বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‍্যাংকিংএ প্রথম স্থানে রয়েছে।[৩]

আর্জেন্টিনা মোট চারবার ফিফা বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ, যেখানে তারা উরুগুয়ের বিপক্ষে ৪–২ ব্যবধানে পরাজিত হয়। এরপরের ফাইনাল ১৯৭৮ সালে, যেখানে তারা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। ১৯৮৬ সালে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে পশ্চিম জার্মানিকে ৩–২ ব্যবধানে হারিয়ে তারা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। আর্জেন্টিনা ১৯৯০ সালে ফাইনালে উঠে এবং যেখানে তারা জার্মানির বিপক্ষে বিতর্কিত পেনাল্টিতে ১–০ ব্যবধানে পরাজিত হয়। সর্বশেষ,২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে দলটি ফাইনালে উঠে এবং অতিরিক্ত সময়ের গোলে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়।

দলটি কোপা আমেরিকায় দারুণ সফল। তারা মোট চৌদ্দবার এই শিরোপা জিতেছে। ১৯৯২ সালে তারা ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ শিরোপাও জেতে। এছাড়া ২০০৪ এথেন্স এবং ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে স্বর্ণপদকও জেতে আর্জেন্টিনা।[৪]

জাতীয় দলগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র আর্জেন্টিনা এবং ফ্রান্স ফিফা দ্বারা স্বীকৃত তিনটি সর্বোচ্চ শিরোপা জিতেছে। যেগুলো হল: ফিফা বিশ্বকাপ, ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ এবং অলিম্পিক স্বর্ণপদক। এছাড়া তারা তাদের মহাদেশীয় শিরোপাও জিতেছে (আর্জেন্টিনা কোপা আমেরিকা এবং ফ্রান্স উয়েফা ইউরোপীয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ)।[৫]

উরুগুয়ে, ব্রাজিল, জার্মানি এবং বিশেষ করে ইংল্যান্ডের সাথে আর্জেন্টিনার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্ব্বীতা রয়েছে।[৬]

২০০৭ সালের মার্চে প্রথমবারের মত আর্জেন্টিনা ফিফা বিশ্ব র‍্যাংকিং-এ শীর্ষস্থান অর্জন করে।[৭]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাথমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯২১ সালে দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ী আর্জেন্টিনা দল।

যদিও আর্জেন্টিনাতে ফুটবল খেলা শুরু হয় ১৮৬৭ সালে, আর্জেন্টিনার প্রথম জাতীয় ফুটবল দল গঠিত হয় ১৯০১ সালে। তারা উরুগুয়ের বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় প্রথম মুখোমুখি হয়। খেলাটি অণুষ্ঠিত হয় ১৯০১ সালের ১৬ মে, যেখানে আর্জেন্টিনা ৩–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে। আর্জেন্টিনার প্রথম অফিসিয়াল শিরোপা ছিল কোপা লিপতন। ১৯০৬ সালে, উরুগুয়েকে ২–০ ব্যবধানে হারিয়ে এই শিরোপা জেতে তারা।[৮] ঐ বছর আর্জেন্টিনা নিউটন কাপেও অংশগ্রহন করে এবং উরুগুয়েকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জেতে। ১৯০৭ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত টানা আরও চারবার এই শিরোপা জেতে তারা।[৯] এছাড়া তারা ১৯০৬ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত চারবার লিপতন কাপও জেতে।

১৯১৬ সালে, কনমেবল পরিচালিত দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপে (বর্তমান: কোপা আমেরিকা) অংশগ্রহন করে আর্জেন্টিনা। এই প্রতিযোগিতায় শিরোপা জেতে উরুগুয়ে

আর্জেন্টিনা তাদের প্রথম দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ জেতে ১৯২১ সালে। প্রতিযোগিতায় তারা উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে এবং ব্রাজিলের বিপক্ষে সবকয়টি খেলায় জয় লাভ করে।[১০]

১৯২৪ সালের ২ অক্টোবর, উরুগুয়ের বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় অংশগ্রহন করে আর্জেন্টিনা। খেলার ১৬তম মিনিটে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার সিজারিও ওঞ্জারি কর্ণার কিক থেকে একটি গোল করেন। তিনি কর্ণার কিক নেন এবং কোন খেলোয়াড় বল স্পর্শ না করলেও তা উরুগুয়ের গোলপোস্টের ভেতরে ঢুকে যায়। এই গোলটির নাম দেওয়া হয় ‘‘গোল অলিম্পিকো’’ বা ‘‘অলিম্পিক গোল’’।[১১]

১৯২৭ সালে আর্জেন্টিনা তাদের তৃতীয় দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ শিরোপা জেতে। এই প্রতিযোগিতার তিন খেলার সবকয়টিতেই জয় লাভ করে তারা। আর্জেন্টিনা ১৯২৮ আমস্টারডাম অলিম্পিকে অংশগ্রহন করে। উরুগুয়ের বিপক্ষে ফাইনালে ২–১ ব্যবধানে হেরে রৌপ্যপদক জেতে তারা। ১৯২৯ সালে টানা দ্বিতীয়বারের মত দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ জেতে আর্জেন্টিনা। এই প্রতিযোগিতায়ও আর্জেন্টিনা সবকয়টি খেলায় জয় লাভ করে। ১৯৩০ সালে ফিফা প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় আজেন্টিনাসহ মোট ১৩টি দেশ অংশগ্রহন করে। সবকয়টি খেলায় জয় লাভ করে ফাইনালে পৌছালেও, উরুগুয়ের বিপক্ষে ৪–২ ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয় তাদের। প্রতিযোগিতায় আট গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন আর্জেন্টিনার গুইলেরমো স্তাবিল। ১৯৩৪ ইতালি বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করলেও, প্রথম পর্বে সুইডেনের বিপক্ষে ৩–২ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা।

পোশাকের ইতিহাস[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনার হোম জার্সিতে রয়েছে হালকা নীল উলম্ব রেখাযুক্ত সাদা শার্ট, কালো হাফপ্যান্ট এবং সাদা/কালো মোজা। তাদের এওয়ে জার্সিতে সাধারনত রয়েছে গাঢ় নীল শার্ট, সাদা হাফপ্যান্ট এবং গাঢ় নীল মোজা।

হোম জার্সি[সম্পাদনা]

মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯০১
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১১-১৯৭৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৩০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৭৫
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৭৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৮২
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৮৬
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯৯
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০২
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৬
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১১
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১৫

অ্যাওয়ে জার্সি[সম্পাদনা]

মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৯ [১২]
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৭৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৮২
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৮৬
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৯৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০২
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৬
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০০৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১১
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
২০১৪

প্রশিক্ষকবৃন্দ[সম্পাদনা]

১৯২৪1 থেকে বর্তমান পর্যন্ত:

সময়কাল নাম
১৯২৪–২৫ আর্জেন্টিনা আনহেল ভাজকুয়েজ
১৯২৬–২৭ আর্জেন্টিনা হোর্হে ভালদেরামা
১৯২৭–২৮ আর্জেন্টিনা হোসে লাগো মিলান
১৯২৮–২৯ আর্জেন্টিনা ফ্রান্সিস্কো ওলাজার
১৯২৯–৩০ আর্জেন্টিনা ফ্রান্সিস্কো ওলাজার এবং আর্জেন্টিনা হুয়ান হোসে ত্রমুতোলা
১৯৩৪ ইতালি ফিলাইপ পাসকুচ্চি
১৯৩৪–৩৭ আর্জেন্টিনা মানুয়েল সোয়ানে
১৯৩৭–৩৯ আর্জেন্টিনা আনহেল ফেরনান্দেজ রোকা
১৯৩৯–৬০ আর্জেন্টিনা গিয়ের্মো স্তাবিলে
১৯৬০–৬১ আর্জেন্টিনা ভিক্তরিও স্পিনেত্তো
১৯৬২–৬৩ আর্জেন্টিনা হুয়ান কার্লোস লরেঞ্জো
সময়কাল নাম
১৯৬৩ আর্জেন্টিনা আলেহান্দ্রো গালান
১৯৬৩–৬৪ আর্জেন্টিনা হোরাসিও তোরেস
১৯৬৪–৬৮ আর্জেন্টিনা হোসে মারিয়া মিনেলা
১৯৬৮ ইতালি রেনাতো সিজারিনি
১৯৬৮–৬৯ আর্জেন্টিনা উমবের্তো মাস্চিও
১৯৬৯ আর্জেন্টিনা আদোল্ফো পেদেরনেরা
১৯৬৯–৭২ আর্জেন্টিনা হুয়ান হোসে পিজ্জুতি
১৯৭২–৭৪ আর্জেন্টিনা ওমার সিভরি
১৯৭৪ আর্জেন্টিনা ভ্লাদিসলাও কাপ
১৯৭৪–৮৩ আর্জেন্টিনা সিজার লুইস মেনত্তি
১৯৮৩–৯০ আর্জেন্টিনা কার্লোস বিলার্দো
সময়কাল নাম
১৯৯০–৯৪ আর্জেন্টিনা আলফিও বাসিল
১৯৯৪–৯৮ আর্জেন্টিনা দানিয়েল পাসারেয়া
১৯৯৮–০৪ আর্জেন্টিনা মার্সেলো বিয়েলসা
২০০৪–০৬ আর্জেন্টিনা হোসে পেকারমান
২০০৬–০৮ আর্জেন্টিনা আলফিও বাসিল
২০০৮–১০ আর্জেন্টিনা দিয়েগো মারাদোনা
২০১০–১১ আর্জেন্টিনা সার্হিও বাতিস্তা
২০১১–১৪ আর্জেন্টিনা আলেহান্দ্রো সাবেলা
২০১৪–১৬ আর্জেন্টিনা জেরার্দো মার্টিনো
২০১৬-১৭ আর্জেন্টিনা এদগার্দো বাউজা
২০১৭-বর্তমান আর্জেন্টিনা হোর্হে সাম্পাওলি

টীকা:

  • 1 ১৯০১-১৯২৪ এবং ১৯৩০-১৯৩৫ (শুধুমাত্র পাসচুচ্চি ছাড়া, যার অধীনে মাত্র একটি খেলায় অংশগ্রহন করে আর্জেন্টিনা। খেলাটি হয়েছিল ১৯৩৪ সালের ২৭ মে।) সাল পর্যন্ত কারা দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন সে সম্পর্কিত কোন রেকর্ডকৃত তথ্য নেই।[১৪]

ফিকশ্চার এবং ফলাফল[সম্পাদনা]

প্রীতি খেলা[সম্পাদনা]

      জয়       ড্র       হার

২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব[সম্পাদনা]

২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়গণ[সম্পাদনা]

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

২৭ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে, আর্জেন্টিনার ম্যানেজার হেরার্দো মার্তিনো ১২ নভেম্বর ক্রোয়েশিয়া এবং ১৮ নভেম্বর পর্তুগালের বিপক্ষে খেলার জন্য ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেন।[১৫]
উপস্থিতি এবং গোল ১৪ অক্টোবর ২০১৪ অণুসারে।

0#0 অব. খেলোয়াড় জন্ম তারিখ (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো সার্হিও রোমেরো (১৯৮৭-০২-২২) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ৩০) ৫৬ ইতালি সাম্পদরিয়া
গো নাউয়েল গুজমান (১৯৮৬-০২-১০) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩১) মেক্সিকো উআএনেএলে
গো উইলি কাবাইয়েরো (১৯৮১-০৯-২৮) ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮১ (বয়স ৩৬) ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
পাবলো জাবালেতা (১৯৮৫-০১-১৬) ১৬ জানুয়ারি ১৯৮৫ (বয়স ৩২) ৪৫ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
মার্তিন দেমিচেলিস (১৯৮০-১২-২০) ২০ ডিসেম্বর ১৯৮০ (বয়স ৩৬) ৪৩ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
ফেদেরিকো ফের্নান্দেজ (১৯৮৯-০২-২১) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ (বয়স ২৮) ৩১ ওয়েল্‌স্‌ সোয়ানসি সিটি
মার্কোস রোহো (১৯৯০-০৩-২০) ২০ মার্চ ১৯৯০ (বয়স ২৭) ৩০ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
এজেকিয়েল গারাই (১৯৮৬-১০-১০) ১০ অক্টোবর ১৯৮৬ (বয়স ৩১) ২৫ রাশিয়া জেনিত সান্ত পিতার্সবুর্গ
নিকোলাস ওতামেন্দি (১৯৮৮-০২-১২) ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ২৯) ১৭ স্পেন ভালেন্সিয়া
ক্রিস্তিয়ান আনসাল্দি (১৯৮৬-০৯-২০) ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬ (বয়স ৩১) স্পেন আতলেতিকো মাদ্রিদ
ফেদেরিকো ফাজিও (১৯৮৭-০৩-১৭) ১৭ মার্চ ১৯৮৭ (বয়স ৩০) ইংল্যান্ড টটেনহাম হটস্পার
ফাকুন্দো রঙ্কাগলিয়া (১৯৮৭-০২-১০) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ৩০) ইতালি জেনোয়া
হাভিয়ের মাশ্চেরানো (১৯৮৪-০৬-০৮) ৮ জুন ১৯৮৪ (বয়স ৩৩) ১০৮ স্পেন বার্সেলোনা
আনহেল দি মারিয়া (১৯৮৮-০২-১৪) ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ২৯) ৫৫ ১১ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
লুকাস বিগলিয়া (১৯৮৬-০১-৩০) ৩০ জানুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩১) ২৬ ইতালি লাজিও
এভার বানেগা (১৯৮৮-০৬-২৯) ২৯ জুন ১৯৮৮ (বয়স ২৯) ২৫ স্পেন সেভিয়া
হাভিয়ের পাস্তোরে (১৯৮৯-০৬-২০) ২০ জুন ১৯৮৯ (বয়স ২৮) ১৫ ফ্রান্স পারি সাঁ-জের্‌মাঁ
এঞ্জো পেরেজ (১৯৮৬-০২-২২) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩১) ১৩ পর্তুগাল বেনফিকা
নিকোলাস গাইতান (১৯৮৮-২৩-০২) ২ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ২৮) অকার্যকর মাস পর্তুগাল বেনফিকা
এরিক লামেলা (১৯৯২-০৩-০৪) ৪ মার্চ ১৯৯২ (বয়স ২৫) ইংল্যান্ড টটেনহাম হটস্পার
রোবের্তো পেরেইরা (১৯৯১-০১-০৭) ৭ জানুয়ারি ১৯৯১ (বয়স ২৬) ইতালি জুভেন্তাস
লিওনেল মেসি (অধিনায়ক) (১৯৮৭-০৬-২৪) ২৪ জুন ১৯৮৭ (বয়স ৩০) ৯৫ ৪৪ স্পেন বার্সেলোনা
কার্লোস তেবেস (১৯৮৪-০২-০৫) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪ (বয়স ৩৩) ৬৪ ১৩ ইতালি জুভেন্তাস
সার্হিও আগুয়েরো (১৯৮৮-০৬-০২) ২ জুন ১৯৮৮ (বয়স ২৯) ৫৮ ২২ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
গঞ্জালো ইগুয়াইন (১৯৮৭-১২-১০) ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৭ (বয়স ২৯) ৪৫ ২৪ ইতালি নাপোলি

সবচেয়ে বেশি খেলায় অংশগ্রহনকারী খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

হাভিয়ের জানেত্তি, দুইটি বিশ্বকাপ সহ আর্জেন্টিনার হয়ে ১৪৫ খেলায় মাঠে নেমেছেন।

১৮ নভেম্বর ২০১৩ অণুসারে, আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি খেলায় অংশ নেয়া শীর্ষ দশ খেলোয়াড়রা হলেন:

# নাম ক্যারিয়ার উপস্থিতি গোল
হাভিয়ের জানেত্তি ১৯৯৪–২০১১ ১৪৫
রোবের্তো আয়ালা ১৯৯৪–২০০৭ ১১৫
দিয়েগো সিমেওনে ১৯৮৮–২০০২ ১০৬ ১১
হাভিয়ের মাশ্চেরানো ২০০৩–বর্তমান ৯৮
অস্কার রুগেরি ১৯৮৩–১৯৯৪ ৯৭
দিয়েগো মারাদোনা ১৯৭৭–১৯৯৪ ৯১ ৩৪
আরিয়েল অর্তেগা ১৯৯৩–২০১০ ৮৭ ১৭
লিওনেল মেসি ২০০৫–বর্তমান ৮৬ ৩৮
গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা ১৯৯১–২০০২ ৭৮ ৫৬
১০ হুয়ান পাবলো সোরিন ১৯৯৫–২০০৬ ৭৬ ১১

শীর্ষ গোলদাতা খেলোয়াড়গণ[সম্পাদনা]

গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা, ৫৬ গোল নিয়ে দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

৭ জুন ২০১৩ অণুসারে, আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা ১০ জন খেলোয়াড়ের তালিকা:

# খেলোয়াড় ক্যারিয়ার গোল উপস্থিতি গড়/ম্যাচ
গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা ১৯৯১–২০০২ ৫৬ ৭৮ ০.৭১৮
লিওনেল মেসি ২০০৫–বর্তমান ৩৮ ৮৬ ০.৪৪২
এর্নান ক্রেসপো ১৯৯৫–২০০৭ ৩৫ ৬৪ ০.৫৪৭
দিয়েগো মারাদোনা ১৯৭৭–১৯৯৪ ৩৪ ৯১ 0.৩৭৪
লুইস আর্তাইম ১৯৬১–১৯৬৭ ২৪ ২৫ 0.৯৬০
লিওপোলদো লুকে ১৯৭৫–১৯৮১ ২২ ৪৫ ০.৪৮৯
দানিয়েল পাসারেয়া ১৯৭৬–১৯৮৬ ২২ ৭০ ০.৩১৪
হোসে সানফিলিপো ১৯৫৬–১৯৬২ ২১ ২৯ ০.৭২৪
হার্মিনিয়ো মাসান্তোনিয়ো ১৯৩৫–১৯৪২ ২১ ১৯ ১.১০৫
গঞ্জালো ইগুয়াইন ২০০৯–বর্তমান ২১ ৩৬ ০.৬০০
সার্হিও আগুয়েরো ২০০৬–বর্তমান ২১ ৫১ ০.৪১২

কিছু উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনার হয়ে যারা কমপক্ষে ৫০টি খেলায় অংশগ্রহন করেছেন বা কমপক্ষে ১০টি গোল করেছেন তাদেরকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

  • অসভাল্দো আর্দিলেস (১৯৭৪–১৯৮২)
  • অস্কার মাস (১৯৬৫–১৯৭২)
  • অস্কার রুগেরি (১৯৮২–১৯৯৪)
  • অ্যাঞ্জেল লাব্রুনা (১৯৪২–১৯৫৮)
  • অ্যান্তোনিও অ্যাঞ্জেলিলো (১৯৫৭)
  • অ্যালবার্তো তারান্তিনি (১৯৭৪–১৯৮২)
  • আবেল বাল্বো (১৯৮৮–১৯৯৮)
  • আমেরিকো গ্যালিগো (১৯৭৫–১৯৮২)
  • উবাল্দো ফিল্লোল (১৯৭২–১৯৮৫)
  • এরমিন্দো অনেগা (১৯৬০–১৯৬৭)
  • এরিয়েল অর্তেগা (১৯৯৩–২০১০)
  • এর্নান ক্রেসপো (১৯৯৫–২০০৭)
  • এস্তেবান কাম্বিয়াসো (২০০০–)
  • ওমার অরেস্তে কর্বাতা (১৯৫৬–১৯৬২)
  • ওয়াল্তার স্যামুয়েল (১৯৯৯– )
  • কার্লোস তেবেস (২০০৪– )
  • কার্লোস পিউচিল্লি (১৯২৮–১৯৪০)
  • কিলি গঞ্জালেজ (১৯৯৫–২০০৫)
  • ক্লাউদিও ক্যানিগিয়া (১৯৮৮–২০০২)
  • ক্লাউদিও লোপেজ (১৯৯৫–২০০৪)
  • গঞ্জালো হিগুয়েইন (২০০৯– )
  • গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (১৯৯১–২০০৩)
  • গ্যাব্রিয়েল হেইনস্ (২০০৩– )
  • জর্জ অলগুইন (১৯৭৬–১৯৮২)
  • জর্জ বুরুচাগা (১৯৮৩–১৯৯০)
  • দমিনগো তারাস্কোনি (১৯২২–১৯২৯)
  • দিয়েগো মারাদোনা (১৯৭৭–১৯৯৪)
  • দিয়েগো সাইমন (১৯৯১–২০০৩)
  • দেনিয়েল প্যাসারেলা (১৯৭৪–১৯৮৬)
  • দেনিয়েল বার্তোনি (১৯৭৪–১৯৮২)
  • নরবার্তো মেন্দেজ (১৯৪৫–১৯৫৬)
  • নিকোলাস বুর্দিসো (২০০৩–)
  • পাবলো আইমার (১৯৯৯–২০০৯)
  • ফেরন্যান্দো রেদোন্দো (১৯৯২–১৯৯৯)
  • ফেলিক্স লউস্তাউ (১৯৪৫–১৯৫২)
  • মারিও কেম্পেস (১৯৭৪–১৯৮২)
  • মার্সেলো গ্যালার্দো (১৯৯৫–২০০২)
  • মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল ব্রিন্দিসি (১৯৬৯–১৯৭৪)
  • মাক্সি রোদ্রিগেস (২০০৩– )
  • ম্যানুয়েল ফেরিরা (১৯২৭–১৯৩০)
  • ম্যানুয়েল সিওন (১৯২৪–১৯২৯)
  • রবার্তো আয়ালা (১৯৯৫–২০০৭)
  • রবার্তো চেরো (১৯২৬–১৯৩৭)
  • রবার্তো সেনসিনি (১৯৮৭–২০০৩)
  • রিকার্দো গিউস্তি (১৯৮৩–১৯৯০)
  • রিনাল্দো মার্তিনো (১৯৪২–১৯৪৮)

প্রতিযোগিতামূলক রেকর্ড[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব রেকর্ড
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র পরাজয় গোল প্রদান গোল স্বীকার ম্যাচ জয় ড্র পরাজয় গোল প্রদান গোল স্বীকার
উরুগুয়ে ১৯৩০ রানার-অপ ২য় ১৮
ইতালি ১৯৩৪ প্রথম পর্ব ৯ম
১৯৩৮ থেকে ১৯৫৪ প্রত্যাহার
সুইডেন ১৯৫৮ গ্রুপ পর্ব ১৩তম ১০ ১০
চিলি ১৯৬২ গ্রুপ পর্ব ১০ম ১১
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৫ম
মেক্সিকো ১৯৭০ বাছাই হয়নি
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ দ্বিতীয় গ্রুপ পর্ব ৮ম ১২
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৫
স্পেন ১৯৮২ দ্বিতীয় গ্রুপ পর্ব ১১তম
মেক্সিকো ১৯৮৬ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৪ ১২
ইতালি ১৯৯০ রানার-আপ ২য়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ রাউন্ড অব ১৬ ১০ম ১০
ফ্রান্স ১৯৯৮ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৬ষ্ঠ ১০ ১৬ ২৩ ১৩
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২ গ্রুপ পর্ব ১৮তম ১৮ ১৩ ৪২ ১৫
জার্মানি ২০০৬ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৬ষ্ঠ ১১ ১৮ ১০ ২৯ ১৭
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৫ম ১০ ১৮ ২৩ ২০
ব্রাজিল ২০১৪ রানার-আপ দ্বিতীয় ১* ১৬ ৩৫ ১৫
রাশিয়া ২০১৮ TBD
কাতার ২০২২ TBD
সর্বমোট ২টি শিরোপা ১৬/২০ ৭৭ ৪২ ১৪ ২১ ১৩১ ৮৪ ১১৮ ৬৮ ২৯ ২১ ২১৬ ১১১
**সোনালি পটভূমি নির্দেশ করে, সে বছর প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনা বিজয়ী হয় এবং লাল রঙের সীমানা নির্দেশ করে, সে বছর বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনায় আয়োজিত হয়েছিল।

ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ[সম্পাদনা]

ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ রেকর্ড
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র * পরাজয় গোল প্রদান গোল স্বীকার
সৌদি আরব ১৯৯২ চ্যাম্পিয়ন ১ম
সৌদি আরব ১৯৯৫ রানার-আপ ২য়
সৌদি আরব ১৯৯৭ বাছাই হয়নি
মেক্সিকো ১৯৯৯
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০১
ফ্রান্স ২০০৩
জার্মানি ২০০৫ রানার-আপ ২য় ১০ ১০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৯ বাছাই হয়নি
ব্রাজিল ২০১৩
মোট ১টি শিরোপা ৩/৯ ১০ ২২ ১৪ -
**সোনালি পটভূমি নির্দেশ করে, সে বছর প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনা বিজয়ী হয় এবং লাল রঙের সীমানা নির্দেশ করে, সে বছর বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনায় আয়োজিত হয়েছিল।

কোপা আমেরিকা[সম্পাদনা]

কোপা আমেরিকা
মোট: ১৪টি শিরোপা
সাল অবস্থান সাল অবস্থান সাল অবস্থান
১৯১৬ দ্বিতীয় স্থান ১৯৩৯ প্রত্যাহার ১৯৬৭ দ্বিতীয় স্থান
১৯১৭ দ্বিতীয় স্থান ১৯৪১ চ্যাম্পিয়ন ১৯৭৫ ১ম পর্ব
১৯১৯ তৃতীয় স্থান ১৯৪২ দ্বিতীয় স্থান ১৯৭৯ ১ম পর্ব
১৯২০ দ্বিতীয় স্থান ১৯৪৫ চ্যাম্পিয়ন ১৯৮৩ ১ম পর্ব
১৯২১ চ্যাম্পিয়ন ১৯৪৬ চ্যাম্পিয়ন ১৯৮৭ চতুর্থ স্থান
১৯২২ চতুর্থ স্থান ১৯৪৭ চ্যাম্পিয়ন ১৯৮৯ তৃতীয় স্থান
১৯২৩ দ্বিতীয় স্থান ১৯৪৯ প্রত্যাহার ১৯৯১ চ্যাম্পিয়ন
১৯২৪ দ্বিতীয় স্থান ১৯৫৩ প্রত্যাহার ১৯৯৩ চ্যাম্পিয়ন
১৯২৫ চ্যাম্পিয়ন ১৯৫৫ চ্যাম্পিয়ন ১৯৯৫ কোয়ার্টার-ফাইনাল
১৯২৬ দ্বিতীয় স্থান ১৯৫৬ তৃতীয় স্থান ১৯৯৭ কোয়ার্টার-ফাইনাল
১৯২৭ চ্যাম্পিয়ন ১৯৫৭ চ্যাম্পিয়ন ১৯৯৯ কোয়ার্টার-ফাইনাল
১৯২৯ চ্যাম্পিয়ন ১৯৫৯ চ্যাম্পিয়ন ২০০১ প্রত্যাহার
১৯৩৫ দ্বিতীয় স্থান ১৯৫৯ দ্বিতীয় স্থান ২০০৪ দ্বিতীয় স্থান
১৯৩৭ চ্যাম্পিয়ন ১৯৬৩ তৃতীয় স্থান ২০০৭ দ্বিতীয় স্থান
২০১১ কোয়ার্টার-ফাইনাল
২০১৫ ফাইনাল
২০১৬ ফাইনাল

সম্মাননা[সম্পাদনা]

জ্যেষ্ঠ দল[সম্পাদনা]

১৯৭৮, ১৯৮৬
১৯২১, ১৯২৫, ১৯২৭, ১৯২৯, ১৯৩৭, ১৯৪১, ১৯৪৫, ১৯৪৬ (অতিরিক্ত সংস্করন), ১৯৪৭, ১৯৫৫, ১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৯১, ১৯৯৩
১৯৯২
  • কোপা নিউটন: ১৭
১৯০৬, ১৯০৭, ১৯০৮, ১৯০৯, ১৯১১, ১৯১৬, ১৯১৮, ১৯২৪, ১৯২৭, ১৯২৮, ১৯৩৭, ১৯৪২, ১৯৪৫, ১৯৫৭, ১৯৭৩, ১৯৭৫, ১৯৭৬
  • কোপা লিপতন: ১৮
১৯০৬, ১৯০৭, ১৯০৮, ১৯০৯, ১৯১৩, ১৯১৫, ১৯১৬, ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৮, ১৯৩৭, ১৯৪২, ১৯৪৫, ১৯৫৭, ১৯৬২, ১৯৬৮, ১৯৭৬, ১৯৯২
  • রোকা কাপ:
১৯২৩, ১৯৩৯-৪০, ১৯৪০, ১৯৭১[১৬]
  • আর্তেমিও ফ্রাঞ্চি ট্রফি: ১
১৯৯৩
  • প্যানআমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ: ১
১৯৬০

প্রীতি শিরোপা[সম্পাদনা]

  • নেশনস কাপ: ১
১৯৬৪
  • কাইরিন কাপ: ১
১৯৯২
  • কোপা সেন্তেনারিও রেভোলিউসিওন দি মায়ো: ১
১৯১০

অলিম্পিক দল[সম্পাদনা]

শুধুমাত্র তিনজন তেইশোর্ধ্ব খেলোয়াড়কে নিয়ে গঠিত দল নিম্নোক্ত সম্মাননাগুলো জিতেছে। এই প্রতিযোগিতাগুলোর খেলাগুলোকে সাধারনত জাতীয় দলের পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

  • স্বর্ণ পদক (২): ২০০৪, ২০০৮
  • রৌপ্য পদক (২): ১৯২৮, ১৯৯৬
নোটসমূহ:

গ্যালারি[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Pelayes, Héctor Darío (২০১০-০৯-২৪)। "ARGENTINA-URUGUAY Matches 1902–2009"। RSSSF। সংগৃহীত ২০১০-১১-০৭ 
  2. After 1988, the tournament has been restricted to squads with no more than 3 players over the age of 23, and these matches are not regarded as part of the national team's record, nor are caps awarded.
  3. "– The FIFA/Coca-Cola World Ranking"। FIFA। সংগৃহীত ২৩ জুন ২০১৪ 
  4. "Football gold for Argentina"। BBC। ২৮ আগস্ট ২০০৪। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  5. "Argentina on Fifa.com"ফিফা। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  6. "Great Footballing Rivalries : Argentina vs. Uruguay"। Sportskeeda.com। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  7. "Argentina first for firsttime"ফিফা। ১৪ মার্চ ২০০৭। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  8. "Copa Lipton"। RSSSF। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  9. "Copa Newton"। RSSSF। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  10. "Southamerican Championship 1921"। RSSSF। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  11. "El gol olímpico cumple80"। Clarin.com। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  12. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; celeste নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  13. "En el placard: Argentina de amarillo ১৯৫৮"। Enunabaldosa.com। সংগৃহীত ২০১৪-০৬-২৩ 
  14. "Argentina national team archive"। RSSSF। সংগৃহীত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  15. "Sin Carlos Tevez y con Lionel Messi, Gerardo Tata Martino presentó la lista de convocados para la gira por Asia" (স্পেনীয় ভাষায়)। 
  16. Pierrend, José Luis (৩০ অক্টোবর ২০০৪)। "Copa Julio Cup"। RSSSF। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]