তারেক মাসুদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
তারেক মাসুদ
নীল রঙের শার্ট পরিহিত প্রোফাইল চিত্র
সিলেটে তারেক মাসুদ, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০
জন্ম আবু তারেক মাসুদ[১]
(১৯৫৬-১২-০৬)ডিসেম্বর ৬, ১৯৫৬
ভাঙ্গা, ফরিদপুর, পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ)
মৃত্যু আগস্ট ১৩, ২০১১(২০১১-০৮-১৩) (৫৪ বছর)
ঘিওর উপজেলা, মানিকগঞ্জ
মৃত্যুর কারণ সড়ক দুর্ঘটনা
সমাধি নূরপুর, ভাঙ্গা উপজেলা, ফরিদপুর
জাতীয়তা বাংলাদেশী
অন্য নাম আ তা মাসুদ
জাতিসত্তা বাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
শিক্ষা স্নাতকোত্তর
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা
  • চলচ্চিত্র পরিচালক
  • প্রযোজক
  • চিত্রনাট্যকার
  • লেখক
  • গীতিকার
কার্যকাল ১৯৯৫–২০১১
উল্লেখযোগ্য কাজ মাটির ময়না
আদি শহর ফরিদপুর জেলা
আন্দোলন চলচ্চিত্র আন্দোলন
দাম্পত্য সঙ্গী ক্যাথরিন মাসুদ
সন্তান নিষাদ বিংহাম পুত্রা মাসুদ
পুরস্কার দেখুন পুরস্কার
ওয়েবসাইট tarequemasud.org
স্বাক্ষর
তারেক মাসুদের স্বাক্ষর.svg

আবু তারেক মাসুদ[১] (যিনি তারেক মাসুদ নামেই পরিচিত) (ডিসেম্বর ৬, ১৯৫৬ - আগস্ট ১৩, ২০১১)[২][৩] ছিলেন একজন বাংলাদেশী স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার। মাটির ময়না (২০০২)[৪] তার প্রথম ফিচার চলচ্চিত্র যার জন্য তিনি ২০০২-এর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টর' ফোর্টনাইট সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্রের জন্য একাডেমি পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিল।[৫]

তার পরিচালিত প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সোনার বেড়ি (১৯৮৫) এবং সর্বশেষ ফিচার চলচ্চিত্র রানওয়ে মুক্তি পায় ২০১০ সালে। ২০১২ সালে তাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক প্রদান করা হয়।[৬][৭] ২০১৩ সালে, নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান/প্যাসিফিক/আমেরিকান ইন্সটিটিউট এবং দক্ষিণ এশিয়া সলিডারিটি ইনিশিয়েটিভ, তার চলচ্চিত্রের প্রথম উত্তর আমেরিকান ভূতাপেক্ষ আয়োজন করে।[৮]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৫৭ সালে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন । মায়ের নাম নুরুন নাহার মাসুদ ও বাবার নাম মশিউর রহমান মাসুদ । ভাঙ্গা ঈদগা মাদরাসায় প্রথম পড়াশোনা শুরু করেন । পরবর্তীতে ঢাকার লালবাগের একটি মাদরাসা থেকে মৌলানা পাস করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তার মাদরাসা শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে । যুদ্ধের পর তিনি সাধারণ শিক্ষার জগতে প্রবেশ করেন । ফরিদপুরের ভাঙ্গা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রাইভেট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন । তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ছয় মাস পড়াশোনার পর বদলি হয়ে নটর ডেম কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাস করেন । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন ।

চলচ্চিত্র জীবন[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকেছেন এবং দেশে-বিদেশে চলচ্চিত্র বিষয়ক অসংখ্য কর্মশালা এবং কোর্সে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮২ সালের শেষ দিকে তিনি জীবনের প্রথম ডকুমেন্টারি চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ডকুমেন্টারিটি ছিল প্রখ্যাত বাংলাদেশী শিল্পী এস এম সুলতানের জীবনের উপর। এরপর থেকে তিনি বেশ কিছু ডকুমেন্টারি, এনিমেশন এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মাটির ময়না মুক্তি পায়। এই চলচ্চিত্রটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় এবং দেশে-বিদেশে বিশেষ প্রশংসা অর্জন করে। বাংলাদেশের বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সংগঠন শর্ট ফিল্ম ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। ১৯৮৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের কো-অডিঁনেটর হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দেয়ার পাশাপাশি কয়েকটি সাময়িকী ও পত্রিকায় চলচ্চিত্র বিষয়ে লেখালেখি করতেন।

পরিবার[সম্পাদনা]

তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ একজন মার্কিন নাগরিক। ক্যাথরিন এবং তারেক মিলে ঢাকায় একটি চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন যার নাম অডিওভিশন। চলচ্চিত্র নির্মাণ ছাড়া তারেক মাসুদের আগ্রহের বিষয় ছিল লোকসঙ্গীত এবং লোকজ ধারা। এই দম্পতির 'বিংহাম পুত্রা মাসুদ নিশাদ' নামে এক ছেলে আছে। তারেক মাসুদের ভাগিনেয় ভাই নজরুলগীতি শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল। তারেক মাসুদের চাচাত বোন তাহমিনা রাব্বানি শাম্মি ও ছোটো ভাই হচ্ছেন নাহিদ মাসুদ।

নির্মিত চলচ্চিত্র ও ডকুমেন্টারি[সম্পাদনা]

নং নাম ক্যামেরা দৈর্ঘ্য মুক্তির সন পরিচালক নির্মাতা বিষয়
০১ রানওয়ে ৯০ মিনিট ২০১০ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ জিঙ্গু ফিল্ম্‌স, অডিওভিশন বাংলাদেশের ২০০৫-০৬ সালে চলমান ইস্যু নিয়ে চলচ্চিত্র যেখানে ধর্মভিত্তিক জঙ্গিবাদ ছাড়াও তৈরী-পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিক, ক্ষুদ্রঋণনির্ভর এনজিও কার্যক্রম এবং বিদেশে অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনার মতো বিষয় নিয়ে।
০২ আ কাইন্ড অফ চাইল্ডহুড বেটাক্যাম এসপি ৫০ মিনিট ২০০২ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ জিঙ্গু ফিল্ম্‌স, অডিওভিশন ঢাকার কর্মজীবী শিশুদের জীবন সংগ্রামের উপর ডকুমেন্টারি
০৩ মাটির ময়না ৩৫এমএম ৯৮ মিনিট ২০০২ তারেক মাসুদ ক্যাথরিন মাসুদ ষাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তানের মাদ্রাসায় পরিচালকের বাল্য জীবনের অভিজ্ঞতার উপর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
০৪ নারীর কথা বেটাক্যাম এসপি ২৫ মিনিট ২০০০ তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ যুদ্ধে বেঁচে থাকা নারীদের অভিজ্ঞতার উপর ডকুমেন্টারি
০৫ মুক্তির কথা বেটাক্যাম এসপি ৮২ মিনিট ১৯৯৯ তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাধারণ গ্রামীণ জনগণের অভিজ্ঞতা
০৬ ইন দ্য নেইম অফ সেফ্‌টি ডিভিক্যাম ২৫ মিনিট ১৯৯৮ তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ টিভিই লন্ডন, অডিওভিশন বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনের উপর ডকুমেন্টারি
০৭ ভয়েসেস অফ চিলড্রেন বেটাক্যাম এসপি ৩০ মিনিট ১৯৯৭ তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ ইউনিসেফ, অডিওভিশন বাংলাদেশের কর্মজীবী শিশুদের উপর প্রামাণ্যচিত্র
০৮ মুক্তির গান ৩৫এমএম ৭৮ মিনিট ১৯৯৬ তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটি ভ্রাম্যমাণ গানের দলের উপর পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র
০৯ ইউনিসন ইউম্যাটিক ভিডিও ৪ মিনিট ১৯৯৪ মানবজাতির ঐক্যের উপর এনিমেশন চলচ্চিত্র
১০ সে ৩৫ এমএম ১০ মিনিট ১৯৯৩ তারেক মাসুদ, শামীম আখতার একটি নারী ও পুরুষের বেদনাদায়ক পুণর্মিলন
১১ আদম সুরত ১৬ এমএম ৫৪ মিনিট ১৯৮৯ তারেক মাসুদ বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও শিল্পকলার উপর তথ্যচিত্র
১২ অন্তর্যাত্রা ২০০৬ তারেক মাসুদ লন্ডন প্রবাসী এক সিলেটি পরিবারের গল্পের মাধ্যমে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ

মৃত্যু[সম্পাদনা]

মাইক্রোবাস ধ্বংসাবশেষ, মিশুক মুনীর ও তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

কাগজের ফুল’ নামক চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের লোকেশন চিত্রায়ন করার জন্য তারেক মাসুদ তার সহকর্মীদের নিয়ে পাবনার ইছামতী নদীর তীরে যান। লোকেশন নির্বাচন শেষে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে তারেক মাসুদ তার গাড়িবহর নিয়ে রওনা দেন। পথে ঘিওরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।[৯] তারেক মাসুদের সঙ্গে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক, সম্প্রচার কিংবদন্তি, টেলিভিশন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ও বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীর।তিনিও একই দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদের সাথে মারা যান। ঘটনাস্থলেই তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর সহ আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়।[১০][১১][১২]

অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমালোটনামূলক, দর্শক এবং বাণিজ্যিক অভ্যর্থনা।

চলচ্চিত্র রটেন টম্যাটোস মেটাক্রিটিক আইএমডিবি বাজেট বক্স অফিস
আদম সুরত প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয় ৮.৫ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
মুক্তির গান ৫০% প্রযোজ্য নয় ৮.৩ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
মুক্তির কথা প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয় ৯.০ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
মাটির ময়না ৮৯% ৭৫ ৮.৫ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
অন্তর্যাত্রা ৬৩% প্রযোজ্য নয় ৬.৮ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
রানওয়ে প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয় ৮.০ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়

প্রকাশিত বই[সম্পাদনা]

তারেক মাসুদের মৃত্যুর পর ২০১২ সালে বিভিন্ন সময়ে লেখা তার চলচ্চিত্র সম্পর্কিত প্রবন্ধগুলোকে একত্র করে একটি বই প্রকাশিত হয় "চলচ্চিত্রযাত্রা" নামে। বইটিতে ভূমিকা লিখেছেন তার স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ। লেখক হবার একটা টান সবসময়ই তার মাঝে ছিল। তিনি বলেছিলেন

চলচ্চিত্রকার না হলে লেখক হওয়ার চেষ্টা করতাম।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. তারেক মাসুদ (ডিসেম্বর ২০১৩)। "ভূমিকা"। চলচ্চিত্রলেখা: চিত্রনাট্য ও গান (বাংলা ভাষায়) (ডিসেম্বর ২০১৩ সংস্করণ)। ঢাকা: প্রথমা প্রকাশ। পৃ: ১০। আইএসবিএন 978-984-90659-1-3 
  2. হারিষ পান্ড্য (আগস্ট ২৬, ২০১১)। "Tareque Masud, Bangladeshi Filmmaker, Is Dead at 54"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (নিউ ইয়র্ক)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৬, ২০১৫ 
  3. খালিদ, সাদিয়া (৭ ডিসেম্বর ২০১৩)। "Catherine Masud – Celebrating Her Cinema Feriwala's 57th Birthday" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩১ মে ২০১৭ 
  4. জেমি রাসেল (৩ জুলাই ২০০৩)। "The Clay Bird (Matir Moina) (2003)" (ইংরেজি ভাষায়)। বিবিসি। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 
  5. "FESTIVALS: 2002 Cannes Film Festival Directors Fortnight Lineup"Indie Wire (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১ জুন ২০১৭ 
  6. একুশে পদকপ্রাপ্ত সুধীবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠানসংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পৃ: ২। 
  7. "একুশে পদকের জন্য ১৫ জন নির্বাচিত"দৈনিক প্রথম আলো। ২০১২-০২-১০। সংগৃহীত ২০১৪-০৬-১২ 
  8. "Tareque Masud: Journey Interrupted"tarequemasud.org (ইংরেজি ভাষায়)। tarequemasud.org। এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত এপ্রিল ২৬, ২০১৫ 
  9. "Crash victims' bodies arrive, probe begins | Bangladesh" (ইংরেজি ভাষায়)। bdnews24.com। ১৩ আগস্ট ২০১১। সংগৃহীত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  10. "তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫"। প্রথম আলো। সংগৃহীত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  11. "সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ ৫ জন"। Banglanews24.com। ১৩ আগস্ট ২০১১। সংগৃহীত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  12. প্রকাশকঃ দৈনিক মানবজমিন, ১৪ আগস্ট ২০১১ বিবর্ণ থেকে গেল তারেক মাসুদের ‘কাগজের ফুল’ লেখকঃসাইফ চন্দন, সংগৃহীত হয়েছেঃ ২৬ আগস্ট, ২০১১

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]