যিশু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এই নিবন্ধটি নাজারেথের যিশু সম্পর্কিত। অন্য ব্যবহারের জন্য, দেখুন যিশু (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
যিশু
Cefalù Pantocrator retouched.jpg
জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দ নাগাদ[পাদটীকা ১]
হেরোডিয়ান টেট্রার্কি, রোমান সাম্রাজ্য[৫]
মৃত্যু ৩০-৩৩ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ[পাদটীকা ২]
(বয়স আনুমানিক ৩৩)
জেরুসালেম, জুডিয়া, রোমান সাম্রাজ্য
মৃত্যুর কারণ ক্রুশারোহণ[পাদটীকা ৩]
আদি শহর নাজারেথ, গ্যালিলি[১১]
পিতা-মাতা(গণ)

যিশু (ইংরেজি: Jesus {IPAc-en|ˈ|dʒ|iː|z|ə|s}} JEE-zuss }} গ্রিক: Ἰησοῦς; হিব্রু ভাষায়: ישוע‎;[১২] আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দ – আনুমানিক ৩০ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক,[১৩] যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।[১৪][১৫] তাঁকে নাজারেথের যিশু (ইংরেজি: Jesus of Nazareth) বা যিশু খ্রিস্ট (ইংরেজি: Jesus Christ) নামেও অভিহিত করা হয়।[পাদটীকা ৫] খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, তিনি হলেন ঈশ্বরপুত্র এবং পুরাতন নিয়মে যে মসিহ (খ্রিস্ট, অভিষিক্ত ব্যক্তি) সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, সেই মসিহ।[১৪][১৫]

কার্যত প্রাচীন ইতিহাসবিদ সকল গবেষকই এই ব্যাপারে একমত যে যিশু একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।[পাদটীকা ৬] তাঁরা মনে করেন, পর্যবেক্ষণমূলক সুসমাচারগুলি (ম্যাথিউ, মার্কলুক) হল যিশুর ঐতিহাসিক সত্যতা অনুসন্ধানের শ্রেষ্ঠ সূত্র।[২২][২৩] যিশুকে প্রায়শই "রাব্বি" সম্বোধন করা হয়েছে।[২৪] তিনি মুখে মুখে তাঁর বাণী প্রচার করতেন।[২৫] দীক্ষাদাতা যোহন তাঁকে দীক্ষা (ব্যাপ্টিজম) দিয়েছিলেন এবং রোমান প্রিফেক্ট পন্টিয়াস পাইলেটের আদেশে তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।[২৬] আধুনিক যুগে সাধারণভাবে মনে করা হয় যে, যিশু ছিলেন একজন রহস্যোদ্ঘাটনবাদী ধর্মপ্রচারক এবং তিনি ইহুদি ধর্মের মধ্যেই একটি সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন। যদিও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষক মনে করেন যে, যিশু আদৌ রহস্যোদ্ঘাটনবাদী ছিলেন না।[২৭][২৮] ঈশ্বরের ইচ্ছা পালনের শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি কী, তা নিয়ে যিশু ইহুদি ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিতেন, রোগীদের রোগমুক্ত করতেন, নীতিগর্ভ কাহিনির মাধ্যমে শিক্ষা দিতেন এবং শিষ্য সংগ্রহ করতেন।[২৬] যিশুর অনুগামীরা বিশ্বাস করতেন যে, তিনি মৃত্যুর পর পুনর্জীবন লাভ করেছিলেন এবং তাঁরা যে সমাজ গঠন করেছিলেন তা-ই পরবর্তীকালে খ্রিস্টীয় চার্চে পরিণত হয়।[২৯] ২৫ ডিসেম্বর তারিখে (বা কয়েকটি ইস্টার্ন চার্চের মতানুসারে জানুয়ারির বিভিন্ন তারিখে) যিশুর জন্মদিন পালিত হয়। এটি একটি ছুটির দিন এবং এটি বড়দিন বা ক্রিসমাস নামে পরিচিত। যিশুর ক্রুশারোহণের তারিখটি গুড ফ্রাইডে এবং পুনর্জীবন লাভের তারিখটি ইস্টার নামে পরিচিত। বহুল ব্যবহৃত পঞ্জিকা যুগ "খ্রিস্টাব্দ" (লাতিন "Anno Domini" বা "আমাদের প্রভুর বছরে" থেকে) যিশুর জন্মতারিখের ভিত্তিতে প্রচলিত।[৩০][৩১][৩২]

খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন যে, বিশ্বে যিশুর একটি “স্বতন্ত্র গুরুত্ব” রয়েছে।[৩৩] খ্রিস্টীয় মতবাদের অন্তর্ভুক্ত বিশ্বাসগুলির মধ্যে রয়েছে পবিত্র আত্মার প্রভাবে যিশুর গর্ভে প্রবেশ এবং মেরি নাম্নী এক কুমারীর গর্ভে জন্ম, যিশুর বিভিন্ন অলৌকিক কার্য সম্পাদন, চার্চ প্রতিষ্ঠা, প্রতিকার বিধানার্থে আত্মত্যাগ স্বরূপ ক্রুশারোহণে মৃত্যু, মৃত অবস্থা থেকে পুনর্জীবন লাভ, সশরীরে স্বর্গে আরোহণ, এবং ভবিষ্যতে তাঁর পুনরাগমনে বিশ্বাস।[৩৪] অধিকাংশ খ্রিস্টানই বিশ্বাস করেন, যে যিশু ঈশ্বরের সঙ্গে মানুষের পুনর্মিলন ঘটানোর শক্তি রাখেন। নাইসিন ধর্মমত অনুসারে, যিশু মৃতদের বিচার করবেন[৩৫] এই বিচারকার্য সম্পাদিত হবে হয় তাদের শারীরিক পুনর্জীবন লাভের আগে অথবা পরে[৩৬][৩৭][৩৮] এই ঘটনাটি খ্রিস্টীয় শেষবিচারবাদে যিশুর দ্বিতীয় আগমনের সঙ্গে যুক্ত।[৩৯] যদিও কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে, ত্রাণকর্তা রূপে যিশুর ভূমিকা মৃত্যুপরবর্তী জীবনের তুলনায় অনেকাংশেই জীবনবাদমূলক বা সমাজমূলক[৪০] অল্প কয়েকজন উল্লেখযোগ্য ধর্মতত্ত্ববিদ বলেছেন যে, যিশু একটি বিশ্বজনীন পুনর্মিলন ঘটাবেন।[৪১] খ্রিস্টানদের অধিকাংশই যিশুকে ত্রয়ীর তিন জন ব্যক্তির দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব ঈশ্বরপুত্রের অবতার রূপে পূজা করেন। খ্রিস্টানদের একটি সংখ্যালঘু অংশ সম্পূর্ণত বা অংশত ত্রয়ীবাদকে অশাস্ত্রীয় বলে প্রত্যাখ্যান করে

ইসলাম ধর্মে যিশুকে (ইসলামে তিনি ঈসা নামে পরিচিত) ঈশ্বরের তথা আল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ একজন নবী ও মসিহ বলে মনে করা হয়।[৪২][৪৩][৪৪] মুসলমানেরা বিশ্বাস করেন যে, যিশু ছিলেন শাস্ত্র আনয়নকারী নবী তথা রাসূল। তিনি কুমারীগর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তবে তাঁরা যিশুকে ঈশ্বরপুত্র মনে করেন না। কুরআন অনুসারে, যিশু নিজে কোনওদিন নিজের ঈশ্বরত্ব দাবি করেননি।[৪৫] অধিকাংশ মুসলমানের মতে, যিশু ক্রুশবিদ্ধ হননি। ঈশ্বর তাঁকে সশরীরে স্বর্গে তুলে নিয়েছিলেন। ইহুদি ধর্ম বিশ্বাস করে না যে, যিশুই সেই মসিহ যাঁর সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল। ইহুদিদের মতে, ক্রুশে যিশুর মৃত্যুই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তাঁরা যিশুর পুনর্জীবন লাভের ঘটনাটিকে একটি খ্রিস্টীয় কিংবদন্তি মনে করেন।[৪৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

ব্যাখ্যা[সম্পাদনা]

  1. মিয়ার লিখেছেন যে, যিশুর জন্মসন আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭ বা ৬ অব্দ।[১] রানার বলেছেন যে, যিশুর জন্ম যে খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দ নাগাদ হয়েছিল সেই বিষয়ে ইতিহাসবিদগণ একমত।[২] স্যান্ডার্সও আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দটিকে যিশুর জন্মসন ধরে নেওয়ার পক্ষপাতী। তিনি এটিকেই সাধারণের মত বলে উল্লেখ করেছেন।[৩] ফাইনগান আদি খ্রিস্টীয় মতগুলি পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে যিশু খ্রিস্টপূর্ব ৩ বা ২ অব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[৪]
  2. অধিকাংশ গবেষকই মনে করেন যে, যিশু ৩০ বা ৩৩ খ্রিস্টাব্দে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন।[৬]
  3. জেমস ডান লিখেছেন যে, যিশুর দীক্ষালাভ (ব্যাপ্টিজম) ও ক্রুশারোহণ সম্পর্কে “প্রায় বিশ্বজনীন ঐক্যমত দেখা যায়” এবং এই ঘটনাদুটিকে “এতটাই উচ্চ স্থান দেওয়া হয় যে ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে ‘এগুলি সম্পর্কে সন্দেহ করা বা অস্বীকার করার কোনও উপায় প্রায় নেই’”। এই দুই ঘটনাই ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু সম্পর্কে গবেষণার গোড়ার বিষয়।[৭] বার্ট এরম্যান বলেছেন যে, পন্টিয়াস পাইলেটের আদেশে যিশুর ক্রুশারোহণ যিশুর জীবনের এমন একটি ঘটনা যেটির সম্পর্কে প্রায় নিশ্চিত হওয়া যায়।[৮] <!— -->জন ডোমিনিক ক্রোসান ও রিচার্ড ডি. ওয়াটস বলেছেন যে, যিশুর ক্রুশারোহণ অন্যান্য যে কোনও ঐতিহাসিকভাবে সত্য ঘটনার মতোই সত্য।[৯] পল আর. এডি ও গ্রেগ এ. বয়েড বলেছেন যে, যিশুর ক্রুশারোহণ সম্পর্কে অ-খ্রিস্টানদের মতৈক্যই এই ঘটনাকে “দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা” করেছে।[১০]
  4. খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, মেরি পবিত্র আত্মার প্রভাবে অলৌকিক উপায়ে যিশুকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন। মুসলমানেরা বিশ্বাস করেন, ঈশ্বরের আদেশক্রমে অলৌকিক উপায়ে মেরি তাঁর পুত্রকে গর্ভে ধারণ করেন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বলা যায়, জোসেফ যিশুর পালক পিতার দায়িত্ব পালন করেন।
  5. নূতন নিয়মে যিশুর একাধিক নাম ও উপাধি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
  6. ২০১১ সালে স্টেট অফ মডার্ন স্কলারশিপের একটি পর্যালোচনায় বার্ট এরম্যান লিখেছেন, "He certainly existed, as virtually every competent scholar of antiquity, Christian or non-Christian, agrees".[১৬] রিচার্ড এ. বারিজ বলেছেন: "There are those who argue that Jesus is a figment of the Church's imagination, that there never was a Jesus at all. I have to say that I do not know any respectable critical scholar who says that any more".[১৭] রবার্ট এম. প্রাইস যিশুর ঐতিহাসিক সত্যতায় বিশ্বাস করেন না। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তাঁর এই মত অধিকাংশ গবেষকের মতের পরিপন্থী।[১৮] জেমস ডি. জি. ডান বলেছেন, যিশুর ঐতিহাসিক সত্য অস্বীকার করার তত্ত্বটি হল “একটি সম্পূর্ণ মৃত তত্ত্ব” ("a thoroughly dead thesis")।[১৯] ধ্রুপদি সাহিত্য বিশারদমাইকেল গ্র্যান্ট ১৯৭৭ সালে লেখেন, "In recent years, 'no serious scholar has ventured to postulate the non historicity of Jesus' or at any rate very few, and they have not succeeded in disposing of the much stronger, indeed very abundant, evidence to the contrary".[২০] রবার্ট ই. ফন ফুর্স্ট বলেছেন যে, বাইবেল বিশারদ ও ধ্রুপদি ইতিহাসবিদগণ যিশুর ঐতিহাসিক সত্যতা অস্বীকার করার তত্ত্বগুলি সফলভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।[২১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Meier, John P. (১৯৯১)। A Marginal Jew: The roots of the problem and the person। Yale University Press। পৃ: ৪০৭। আইএসবিএন 978-0-300-14018-7 
  2. Rahner 2004, পৃ. 732।
  3. Sanders 1993, পৃ. 10–11।
  4. Finegan, Jack (১৯৯৮)। Handbook of Biblical Chronology, rev. ed.। Hendrickson Publishers। পৃ: ৩১৯। আইএসবিএন 978-1-56563-143-4 
  5. Brown, Raymond E. (১৯৭৭)। The birth of the Messiah: a commentary on the infancy narratives in Matthew and Luke। Doubleday। পৃ: ৫১৩। আইএসবিএন 978-0-385-05907-7 
  6. Humphreys, Colin J.; Waddington, W. G. (১৯৯২)। "The Jewish Calendar, a Lunar Eclipse and the Date of Christ's Crucifixion"Tyndale Bulletin 43 (2): ৩৪০। 
  7. Dunn 2003, পৃ. 339।
  8. Ehrman 1999, পৃ. 101।
  9. Crossan ও Watts 1999, পৃ. 96।
  10. Eddy ও Boyd 2007, পৃ. 173।
  11. Theissen ও Merz 1998
  12. "The New Strong's Exhaustive Concordance of the Bible (Nashville: Thomas Nelson Publishers 1990)
  13. Vermes, Geza (১৯৮১)। Jesus the Jew: A Historian's Reading of the Gospels। Philadelphia: First Fortress। পৃ: 20, 26, 27, 29। আইএসবিএন 0-8006-1443-7 
  14. ১৪.০ ১৪.১ McGrath 2006, পৃ. 4–6।
  15. ১৫.০ ১৫.১ Ehrman, Bart D. (২০১৪)। How Jesus became God: The Exaltation of a Jewish Preacher from Galilee। HarperOne। আইএসবিএন 978-0061778186 
  16. Ehrman, Bart (২০১১)। Forged: writing in the name of God – Why the Bible's Authors Are Not Who We Think They Are। HarperCollins। পৃ: ২৮৫। আইএসবিএন 978-0-06-207863-6 
  17. Burridge, Richard A.; Gould, Graham (২০০৪)। Jesus Now and Then। Wm. B. Eerdmans Publishing। পৃ: ৩৪। আইএসবিএন 978-0-8028-0977-3 
  18. Price, Robert M. (২০০৯)। "Jesus at the Vanishing Point"। in Beilby, James K.; Eddy, Paul R.। The Historical Jesus: Five Views। InterVarsity। পৃ: 55, 61। আইএসবিএন 978-0-8308-7853-6 
  19. Sykes, Stephen W. (২০০৭)। "Paul's understanding of the death of Jesus"। Sacrifice and Redemption। Cambridge University Press। পৃ: 35–36। আইএসবিএন 978-0-521-04460-8 
  20. Grant, Michael (১৯৭৭)। Jesus: An Historian's Review of the Gospels। Scribner's। পৃ: ২০০। আইএসবিএন 978-0-684-14889-2 
  21. Van Voorst 2000, পৃ. 16।
  22. Sanders 1993, পৃ. 73।
  23. Theissen ও Merz 1998, পৃ. 25।
  24. James Orr, সম্পাদক (১৯৩৯)। "International Standard Bible Encyclopedia Online"। Wm. B. Eerdmans Publishing Co.। 
  25. Dunn, James D. G. (২০১৩)। The Oral Gospel Tradition। Wm. B. Eerdmans Publishing। পৃ: 290–291। 
  26. ২৬.০ ২৬.১ Levine 2006, পৃ. 4।
  27. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Britannica নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  28. Theissen ও Merz 1998, পৃ. 1–15।
  29. Sanders 1993, পৃ. 11, 14।
  30. "anno Domini"Collins English Dictionary 
  31. "anno Domini"American Heritage Dictionary। Houghton Mifflin Harcourt। 
  32. BBC Team (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "History of Judaism 63BCE–1086CE"BBC Religion & Ethics। British Broadcasting Corporation। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২০। "Year 1: CE – What is nowadays called the 'Current Era' traditionally begins with the birth of a Jewish teacher called Jesus. His followers came to believe he was the promised Messiah and later split away from Judaism to found Christianity." 
  33. Woodhead, Linda (২০০৪)। Christianity: A Very Short Introduction। Oxford: Oxford University Press। পৃ: n.p.। 
  34. Grudem 1994, পৃ. 568–603।
  35. Wilhelm, Joseph (১৯১১)। "The Nicene Creed"The Catholic Encyclopedia 11। Robert Appleton Company। 
  36. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Oxford_Companion নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  37. Tabor, James। "What the Bible Says About Death, Afterlife, and the Future"। UNCC। 
  38. Hoekema, Anthony A. (১৯৯৪)। The Bible and the Future। Eerdmans Publishing। পৃ: 88–89। 
  39. Garrett, James L. (২০১৪)। Systematic Theology, Volume 2, Second Edition: Biblical, Historical, and Evangelical। Wipf and Stock Publishers। পৃ: ৭৬৬। 
  40. Erickson, Millard J. (২০০১)। The Concise Dictionary of Christian Theology। Baker Books। পৃ: ৯৫। 
  41. Richard Bauckham, "Universalism: a historical survey", Themelios 4.2 (September 1978): 47–54.
  42. "Quran 3:46-158" 
  43. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; CEI নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  44. Siddiqui, Mona (২০১৩)। Christians, Muslims, and Jesus। Yale University Press। 
  45. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Morgan নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  46. Jacobs, Joseph; Kohler, Kaufmann; Gottheil, Richard; Krauss, Samuel। "Jesus of Nazareth"Jewish Encyclopedia 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]