বিষয়বস্তুতে চলুন

যিশু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
যীশু

ܝܶܫܽܘܥ
সীনয় পর্বতে সন্ত কত্রীণ মঠে খ্রীষ্ট পান্তক্রাতোর, খ্রীষ্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দী
জন্ম
ইয়েশুয়াʿ (ܝܶܫܽܘܥ, আরামীয় উচ্চারণ: [Yēšūaʿ])

আনু. ৪ খ্রী.পূ.[]
মৃত্যুআনু. ৩০ বা ৩৩ খ্রী.[]
(বয়স ৩৩–৩৬)
যিরূশালেম, যিহূদিয়া, রোমান সাম্রাজ্য
মৃত্যুর কারণক্রুশারোপণ[]
অন্যান্য নামখ্রীষ্ট
মশীহ
যীশু খ্রীষ্ট
নাসরতীয় যীশু
ঈসা মসীহ
ঈসা ইবনে মরিয়ম
আদি নিবাসনাসরৎ, যিহূদিয়া, রোমান সাম্রাজ্য
পিতা-মাতা
আদি নিবাসনাসরৎ, রোমীয় যিহূদিয়া প্রদেশ, রোমান সাম্রাজ্য
শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
প্রধান স্মৃতিযুক্ত স্থানযীশুর সমাধি, পুরাতন যিরূশালেম
উৎসব
যাদের প্রভাবিত করেন
ঐতিহ্য বা ধরন

যীশু[] (আনু. ৬ থেকে ৪ খ্রী.পূ. – ৩০ বা ৩৩ খ্রী.), যিনি যীশু খ্রীষ্ট,[] নাসরতীয় যীশু এবং আরও বহু নাম ও উপাধিতে পরিচিত, ছিলেন ১ম শতাব্দীর রোমীয় যিহূদিয়া প্রদেশের একজন গালীলীয় ইহুদি ধর্মপ্রচারক ও ধর্মীয় নেতা।[১০] তিনি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্ম খ্রীষ্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। বস্তুত সকল[১১] খ্রীষ্টান যীশুকে পুত্র ঈশ্বরের অবতার এবং প্রতীক্ষিত মশীহ বা খ্রীষ্ট বলে বিবেচনা করেন—যিনি পুরাতন নিয়মে ভাবোক্ত দায়ূদীয় বংশধারার একজন উত্তরসূরী। ধ্রুপদী সভ্যতার প্রায় সকল আধুনিক গবেষক যীশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বের ব্যাপারে একমত।[] যীশুর জীবনের বিবরণ পাওয়া যায় সুসমাচারগুলোতে, বিশেষত নূতন নিয়মের চারটি কানুনীয় সুসমাচারে। আলোকায়ন যুগের পর থেকে বিদ্যায়তনিক গবেষণা সুসমাচারগুলোর ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা এবং সেগুলো কতটা ঘনিষ্ঠভাবে ঐতিহাসিক যীশুকে প্রতিফলিত করে—এ বিষয়ে নানাবিধ মতামত উপস্থাপন করেছে।[১৯][][২২][২৩]

সুসমাচার ও প্রেরিতদের কার্যবিবরণে সংরক্ষিত খ্রীষ্টীয় ঐতিহ্য মোতাবেক, যীশুর জন্মের অষ্টম দিনে তাঁর খৎনা করা হয়, তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বাপ্তিস্মদাতা যোহন কর্তৃক বাপ্তিস্ম করা হয় এবং মরুপ্রান্তরে চল্লিশ দিন ও চল্লিশ রাত উপবাস করার পর তিনি তাঁর পরিচর্যাকার্য শুরু করেন। তিনি ছিলেন একজন ভ্রাম্যমাণ শিক্ষক, যিনি ঐশী কর্তৃত্বের সঙ্গে ঈশ্বরের বিধান ব্যাখ্যা করতেন এবং প্রায়ই তাঁকে রব্বি বলে সম্বোধন করা হত। যীশু প্রায়শই তাঁর সহধর্মী ইহুদিদের সঙ্গে ঈশ্বরকে সর্বোত্তমভাবে অনুসরণ করার বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হতেন, আরোগ্যদান করতেন, রূপকের মাধ্যমে শিক্ষা দিতেন এবং অনুসারী সংগ্রহ করতেন; তাঁদের মধ্য থেকে ১২ জনকে তিনি তাঁর প্রেরিত হিসেবে নিযুক্ত করেন। তাঁকে যিরূশালেমে গ্রেফতার করা হয় এবং যিহূদী কর্তৃপক্ষের দ্বারা বিচার করা হয়,[২৪] এরপর তাঁকে রোমান সরকারের হাতে সোপর্দ করা হয় এবং যিহূদিয়ার দেশাধ্যক্ষ পন্তীয় পীলাতের আদেশে ক্রুশারোপণ করা হয়। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অনুসারীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে তিনি মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছেন এবং তাঁদের গঠিত এই সম্প্রদায়টি পরবর্তীতে আদি খ্রীষ্টান মণ্ডলীতে পরিণত হয়, যা ক্রমে একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে বিস্তৃতিলাভ করে।[২৫]

খ্রীষ্টান ধর্মতত্ত্বে বিশ্বাস করা হয় যে, যীশু পবিত্র আত্মার দ্বারা গর্ভধৃত হয়েছিলেন, মরিয়ম নামক এক কুমারীর গর্ভে তাঁর জন্ম হয়েছিল, তিনি নানা অলৌকিক কার্য সম্পাদন করেছিলেন, খ্রীষ্টান মণ্ডলী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, পাপের প্রায়শ্চিত্ত সাধনের জন্য আত্মবলিদানস্বরূপ ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তৃতীয় দিনে মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন এবং স্বর্গে আরোহণ করেছিলেন—যেখান থেকে তিনি আবার প্রত্যাবর্তন করবেন। সাধারণভাবে খ্রীষ্টানেরা বিশ্বাস করেন যে, যীশুর মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের সঙ্গে পুনর্মিলিত হতে সক্ষম। নিকায়া ধর্মমত অনুযায়ী, যীশু জীবিত ও মৃতদের বিচার করবেন—তাদের দৈহিক পুনরুত্থানের আগে অথবা পরে—যে ঘটনাটি খ্রীষ্টীয় পরকালবিদ্যায় যীশুর দ্বিতীয় আগমনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অধিকাংশ খ্রীষ্টান যীশুকে ত্রিত্বের তিন ব্যক্তির মধ্যে দ্বিতীয়, অর্থাৎ পুত্র ঈশ্বরের অবতার হিসেবে উপাসনা করেন।[] যীশুর জন্ম প্রতি বছর সাধারণত ২৫শে ডিসেম্বরে[] বড়দিন হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়। তাঁর ক্রুশারোপণকে পুণ্যশুক্রবারে স্মরণ করা হয় এবং তাঁর পুনরুত্থানকে পুণ্যরবিবারে উদ্‌যাপন করা হয়। বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত বর্ষপঞ্জি ব্যবস্থা—যেখানে বর্তমান বছর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ বা সাধারণাব্দযীশুর জন্মের আনুমানিক তারিখের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে।[২৬]

ইহুদিধর্ম এই বিশ্বাস প্রত্যাখ্যান করে যে যীশু ছিলেন প্রতীক্ষিত মশীহ; তাদের যুক্তি হল: তিনি মশীহ-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো পূরণ করেননি, বিধিসম্মতভাবে অভিষিক্ত হননি এবং তিনি না ঐশী ছিলেন, না পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, ইসলামে যীশুকে[] মসীহআল্লাহের একজন নবী হিসেবে গণ্য করা হয়; তাঁকে বনী ইস্রাঈলের নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল এবং তিনি কিয়ামত দিবসের আগে পুনরায় পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করবেন। মুসলমানেরা বিশ্বাস করেন যে, যীশুর জন্ম কুমারী মরিয়মের গর্ভে হয়েছিল, তবে তিনি ঈশ্বর নন এবং ঈশ্বরের পুত্রও নন। অধিকাংশ মুসলমান বিশ্বাস করেন না যে তাঁকে হত্যা বা ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল; বরং তারা বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর তাঁকে জীবিতাবস্থাতেই স্বর্গে উঠিয়ে নিয়েছিলেন[] যীশু মানি, দ্রুজ, বাহাইরাস্তাফারি ধর্মেও একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।

জীবনী

[সম্পাদনা]

প্রাচীন ইতিহাসের সকল আধুনিক গবেষকই কার্যত স্বীকার করেছেন যে, যীশু এক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব[] যদিও ঐতিহাসিক যিশুর অনুসন্ধান করে সুসমাচারগুলোর ঐতিহাসিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং বাইবেলে চিত্রিত যিশুর সঙ্গে ঐতিহাসিক যিশুর কতটা মিল, সেই বিষয়ে খুব কম ক্ষেত্রেই মতৈক্যে উপনীত হওয়া গিয়েছে।[৩২][][] যীশু ছিলেন একজন গালীলীয় ইহুদি।[৩৪] বাপ্তিস্মদাতা যোহন কর্তৃক দীক্ষিত হবার পর তিনি পরিচর্যাপ্রচারণা শুরু করেন। তিনি মৌখিকভাবে প্রচারকার্য করতেন।[৩৫] প্রেরিতগণ প্রায়শই তাঁকে “রব্বি” বলে সম্মোধন করতেন।[৩৬] ঈশ্বরকে অনুসরণ করার ক্ষেত্রে কোন উপায়টি শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে তিনি সঙ্গী ইহুদিদের সঙ্গে বিতর্কে অবতীর্ণ হন, রোগগ্রস্থদের আরোগ্যদান করেন, রূপক কাহিনীর মাধ্যমে শিক্ষাদান করেন এবং অনুগামীদের একত্র করেন।[৩৭][৩৮] তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং ইহুদি কর্তৃপক্ষ তার বিচার করে।[২৪] তারপর তাঁকে রোমান সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং রোমান গভর্নর পন্তীয় পীলাতের আদেশে তাঁকে ক্রুশারোপণ করা হয়।[৩৭] তার অনুগামীরা বিশ্বাস করতেন, মৃত্যুর পর তিনি মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন এবং তারা যে সমাজ গড়ে তুলেছিলেন সেটাই কালক্রমে আদি মণ্ডলীর রূপ নেয়।[২৫]

ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

[সম্পাদনা]

যীশুর শিক্ষা এবং তাঁর জীবনকাহিনীর পুনঃবর্ণনা মানব ইতিহাসের গতিপথকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে এবং বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের জীবনে, এমনকি অ-খ্রিস্টানদের জীবনেও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলেছে।[৩৯][৪০] অনেক মানুষ তাঁকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করেন, যিনি অসংখ্য সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছেন।[৪১][৪২] তাঁর নিজের শিষ্য এবং অনুসারীদের বাইরেও,[৪৩] যিশুর সমসাময়িক ইহুদিরা সাধারণত তাঁকে মসিহা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছিল,[৪৪] যা বর্তমান সময়ের ইহুদি ধর্মও করে থাকে।[৪৫] খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক, একুমেনিকাল কাউন্সিল, সংস্কারক এবং অন্যরা শতাব্দী ধরে যিশু সম্পর্কে ব্যাপকভাবে লিখেছেন। খ্রিস্টীয় সম্প্রদায়গুলো প্রায়শই যিশুর বর্ণনার মাধ্যমেই সংজ্ঞায়িত বা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে। অন্যদিকে, মানি ধর্মাবলম্বী, নস্টিক, মুসলিম, দ্রুজ,[৪৬] বাহাউল্লাহ অনুসারী এবং অন্যরা তাদের ধর্মে যিশুর জন্য একটি বিশিষ্ট স্থান খুঁজে পেয়েছেন।[৪৭][৪৮][৪৯]

খ্রিস্টধর্ম

[সম্পাদনা]
ত্রিত্ববাদ হলো খ্রিস্টধর্মের সেই বিশ্বাস যেখানে ঈশ্বরকে তিন ব্যক্তিতে এক ঈশ্বর হিসেবে গণ্য করা হয়: পিতা ঈশ্বর, পুত্র ঈশ্বর (যিশু), এবং পবিত্র আত্মা
রোমের ক্যাটাকম্বে চতুর্থ শতাব্দীর চিত্রায়নে যিশুকে আলফা ও ওমেগা অক্ষরের সাথে দেখা যাচ্ছে।

যিশু খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।[৫০] যিশু সম্পর্কে খ্রিস্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন ভিন্ন হলেও, প্রধান খ্রিস্টীয় সম্প্রদায়গুলোর সাধারণ বিশ্বাসগুলোর একটি সারসংক্ষেপ করা সম্ভব, যা তাদের ধর্মশিক্ষা বা স্বীকারোক্তিমূলক গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।[৫১][৫২][৫৩] যিশু সম্পর্কে খ্রিস্টীয় ধারণাগুলো নতুন নিয়মের পাঠ্যসমূহ থেকে প্রাপ্ত, যার মধ্যে রয়েছে প্রামাণ্য সুসমাচার এবং বিভিন্ন পত্র যেমন পৌলীয় পত্রাবলী এবং যোহনীয় রচনাবলী। এই দলিলগুলো যিশু সম্পর্কে খ্রিস্টানদের মূল বিশ্বাসগুলোকে তুলে ধরে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর দেবত্ব, মানবতা, পার্থিব জীবন এবং তিনি যে খ্রিস্ট ও ঈশ্বরের পুত্র।[৫৪] অনেক অভিন্ন বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও, সমস্ত খ্রিস্টীয় সম্প্রদায় সব মতবাদে একমত নয় এবং শত শত বছর ধরে শিক্ষা ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে প্রধান ও অপ্রধান মতভেদ বিদ্যমান রয়েছে।[৫৫] নতুন নিয়মে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যিশুর পুনরুত্থান হলো খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের ভিত্তি।[৫৬][৫৭] খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করে যে তাঁর আত্মত্যাগমূলক মৃত্যু এবং পুনরুত্থানের মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের সাথে পুনর্মিলিত হতে পারে এবং এর মাধ্যমে তারা পরিত্রাণঅনন্ত জীবনের প্রতিশ্রুতি লাভ করে।[৫৮] যোহন সুসমাচারে বাপ্তিস্মদাতা যোহনের কথা স্মরণ করে, এই মতবাদগুলো কখনো কখনো যিশুকে ঈশ্বরের মেষশাবক হিসেবে উল্লেখ করে, যাঁকে ঈশ্বরের দাসের ভূমিকা পালনের জন্য ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।[৫৯][৬০] যিশুকে এভাবে নতুন এবং শেষ আদম হিসেবে দেখা হয়, যাঁর আনুগত্য আদমের অবাধ্যতার সম্পূর্ণ বিপরীত।[৬১] খ্রিস্টানরা যিশুকে একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব বা রোল মডেল হিসেবে দেখে, যাঁর ঈশ্বর-কেন্দ্রিক জীবন অনুকরণ করতে বিশ্বাসীদের উৎসাহিত করা হয়।[৫০] বেশিরভাগ খ্রিস্টান বিশ্বাস করেন যে যিশু একইসাথে মানুষ এবং ঈশ্বরের পুত্র।[৬২] যদিও তাঁর প্রকৃতি নিয়ে দীর্ঘকাল খ্রিস্টতাত্ত্বিক বিতর্ক হয়েছে,[] ত্রিত্ববাদী খ্রিস্টানরা সাধারণত বিশ্বাস করেন যে যিশু হলেন 'লোগোস' (Logos), ঈশ্বরের অবতার এবং পুত্র ঈশ্বর, যিনি একইসাথে পূর্ণ ঐশ্বরিক এবং পূর্ণ মানব। ত্রিত্ববাদের এই মতবাদ খ্রিস্টানদের মধ্যে সর্বজনীনভাবে গৃহীত নয়।[৬৩][৬৪] ধর্মীয় সংস্কারের (Reformation) সাথে সাথে মাইকেল সার্ভেটাস এবং সোসিনিয়ানদের মতো খ্রিস্টানরা যিশুর দ্বৈত প্রকৃতি প্রতিষ্ঠাকারী প্রাচীন বিশ্বাসগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।[৬৫] অ-ত্রিত্ববাদী খ্রিস্টীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্য চার্চ অফ জেসাস ক্রাইস্ট অফ ল্যাটার-ডে সেন্টস,[৬৬] ইউনিটারিয়ানবাদ এবং যিহোবার সাক্ষী[৬৭] খ্রিস্টানরা কেবল যিশুকে নয়, তাঁর নামকেও শ্রদ্ধা করে। যিশুর পবিত্র নামের প্রতি ভক্তি খ্রিস্টধর্মের শুরুর দিনগুলো থেকেই চলে আসছে।[৬৮][৬৯] এই ভক্তি ও উৎসবগুলো প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্য খ্রিস্টধর্ম উভয় ক্ষেত্রেই বিদ্যমান।[৬৯]

ইহুদি ধর্ম

[সম্পাদনা]

ইহুদি ধর্ম যিশুর (বা ভবিষ্যতের যেকোনো ইহুদি মসিহার) ঈশ্বর হওয়া,[৭০] বা ঈশ্বরের কাছে মধ্যস্থতাকারী হওয়া, অথবা ত্রিত্ববাদের অংশ হওয়ার ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে।[৭১] এটি বিশ্বাস করে যে যিশু মসিহা নন। তাদের যুক্তি হলো তিনি তানখে বর্ণিত মসিহা সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো পূরণ করেননি এবং মসিহার ব্যক্তিগত গুণাবলিও তাঁর মধ্যে ছিল না।[৭২] ইহুদিদের মতে, যিশু তৃতীয় মন্দির নির্মাণ,[৭৩] ইহুদিদের ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা,[৭৪] বিশ্বশান্তি স্থাপন,[৭৫] এবং ইসরায়েলের ঈশ্বরের অধীনে মানবজাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ভবিষ্যদ্বাণীগুলো পূরণ করেননি।[৭৬][৭৭] অধিকন্তু, ইহুদি ঐতিহ্য অনুযায়ী, মালাখির পর আর কোনো নবী আসেননি,[৭৮] যিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করেছিলেন।[৭৯] যিশু সম্পর্কে ইহুদি সমালোচনা অনেক পুরনো এবং এতে নানা ধরণের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা ৩য় থেকে ৫ম শতাব্দীর মধ্যে লিখিত এবং সংকলিত হয়েছিল।[৮০] এমন একটি কাহিনীতে, য়েশু হা-নোজরি ('নাজারেথীয় যিশু'), একজন ধর্মত্যাগী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণিত, যাঁকে মূর্তিপূজা ছড়ানো এবং জাদুটোনা করার অপরাধে ইহুদি উচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়।[৮১] কারো মতে, য়েশু শব্দটি হিব্রু ভাষায় একটি সংক্ষিপ্ত রূপ যার অর্থ "তাঁর নাম এবং স্মৃতি মুছে যাক"।[৮২] সমসাময়িক অধিকাংশ পণ্ডিত মনে করেন যে এই উপাদানগুলো ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য প্রদান করে না।[৮৩] ১২তম শতাব্দীর শেষের দিকে মাইমোনাইডস কর্তৃক রচিত ইহুদি আইনের গ্রন্থ মিশনে তোরাহ-তে বলা হয়েছে যে যিশু একজন "প্রতিবন্ধক" বা "হোঁচট খাওয়ার কারণ" যিনি "বিশ্বের অধিকাংশ মানুষকে ভ্রান্ত করেন এবং প্রভু ছাড়া অন্য এক দেবতার উপাসনা করতে বাধ্য করেন"।[৮৪] মধ্যযুগীয় হিব্রু সাহিত্যে "যিশুর উপাখ্যান" (যা তোলেদত য়েশু নামেও পরিচিত) পাওয়া যায়, যেখানে যিশুকে পান্ডেরার পুত্র যোসেফের পুত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই বিবরণটি যিশুকে একজন প্রতারক হিসেবে চিত্রিত করে।[৮৫]

মানিবাদ

[সম্পাদনা]

মানিবাদ, একটি প্রাচীন ধর্মীয় আন্দোলন যা খ্রিস্টধর্মের বাইরে প্রথম সংগঠিত ধর্মগুলোর একটি হিসেবে যিশুকে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মান করতে শুরু করে।[৮৬] মানিবাদী বিশ্বাস ব্যবস্থায়, যিশুকে জরথুস্ট্র, গৌতম বুদ্ধ এবং স্বয়ং মানির মতো অন্যান্য বিশিষ্ট নবীদের সাথে শ্রদ্ধা করা হয়।[৮৭]

ইসলাম

[সম্পাদনা]

ইসলামের একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব,[৮৮] যিশু (যিনি প্রায়শই তাঁর কুরআনিক নাম ঈসা ([/ʕiːsaː/]) নামে পরিচিত এবং কিছু কিরাতে ঈসে ([/ʕiːseː/]) হিসেবে উচ্চারিত হয়) [৮৯] ঈশ্বরের একজন রাসূল এবং মসিহা (আল-মসীহ) হিসেবে বিবেচিত হন। তাঁকে বনী ইসরায়েলীদের পথ দেখানোর জন্য একটি নতুন ধর্মগ্রন্থ, ইঞ্জিল (যা ইসলামে ইঞ্জিল নামে পরিচিত) সহ পাঠানো হয়েছিল।[৯০][৯১] মুসলমানরা নতুন নিয়মের সুসমাচারগুলোকে আংশিক নির্ভরযোগ্য মনে করে এবং বিশ্বাস করে যে যিশুর মূল বার্তাটি পরিবর্তিত (তাহরিফ) হয়েছিল এবং মুহাম্মদ পরবর্তীতে তা পুনরুজ্জীবিত করতে এসেছিলেন।[৯২] যিশুর প্রতি (এবং ঈশ্বরের অন্যান্য সকল রাসূলের প্রতি) বিশ্বাস স্থাপন করা একজন মুসলিম হওয়ার জন্য আবশ্যক।[৯৩] কুরআনে যিশুর নাম ২৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে—যা মুহাম্মদের নামের চেয়েও বেশি—এবং জোর দেওয়া হয়েছে যে যিশু ছিলেন একজন মরণশীল মানুষ, যিনি অন্যান্য নবীদের মতো ঈশ্বরের বাণী প্রচারের জন্য ঐশ্বরিকভাবে মনোনীত হয়েছিলেন।[৯৪] যদিও কুরআন যিশুর কুমারীগর্ভে জন্মের বিষয়টি নিশ্চিত করে, তবে তাঁকে ঈশ্বরের অবতার বা ঈশ্বরের পুত্র বলে মনে করা হয় না।[৯৫] ইসলামী গ্রন্থগুলো কঠোর একেশ্বরবাদের ওপর জোর দেয় এবং ঈশ্বরের সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করা বা শিরক করা নিষিদ্ধ করে।[৯৬]

প্রসব বেদনার সময় একটি খেজুর গাছ নাড়া দিচ্ছেন মরিয়ম, সাথে শিশু ঈসা এবং নিচ থেকে গোপন আওয়াজ আসছে - একটি ইসলামী চিত্রকর্ম।
পারস্যের ক্ষুদ্রাকৃতির চিত্র যেখানে দেখানো হয়েছে যিহূদীদের কাছে যিশুর মতো দেখতে এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে।

কুরআন মরিয়মকে (মরিয়ম) পবিত্র আত্মার মাধ্যমে সুসংবাদ দেওয়ার বর্ণনা দেয় যে তিনি কুমারী থাকা অবস্থাতেই যিশুকে জন্ম দেবেন। এটিকে ঈশ্বরের ইচ্ছায় ঘটা একটি অলৌকিক ঘটনা বলা হয়েছে।[৯৭][৯৮] কুরআন (২১:৯১ এবং ৬৬:১২) উল্লেখ করে যে ঈশ্বর মরিয়মের মধ্যে তাঁর রূহ ফুঁকে দিয়েছিলেন।[৯৭][৯৮] যিশুকে "আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি রূহ" বলা হয় কারণ তিনি রূহের ক্রিয়ার মাধ্যমে জন্মেছিলেন,[৯৭] কিন্তু এই বিশ্বাস তাঁর প্রাক-অস্তিত্ব বোঝায় না।[৯৯] ইহুদিদের কাছে প্রচারকার্যে সহায়তার জন্য যিশুকে অলৌকিক কাজ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, যা তাঁর নিজস্ব শক্তিতে নয় বরং ঈশ্বরের অনুমতিক্রমে ছিল।[১০০] তাঁর প্রচারকার্যের মাধ্যমে যিশুকে মুহাম্মদের একজন পূর্বসূরি হিসেবে দেখা হয়।[৯৪] কুরআনে (৪:১৫৭–১৫৯) বলা হয়েছে যে যিশুকে হত্যা করা হয়নি বরং অবিশ্বাসীদের কাছে কেবল তেমনটি প্রতীয়মান করা হয়েছিল, এবং ঈশ্বর তাঁকে জীবিত অবস্থায় আসমানে তুলে নিয়েছেন।[১০১]

১৬শ শতাব্দীর অটোমান পাণ্ডুলিপি চিত্র যাতে ঈসাকে আসমানে আরোহণ করতে দেখা যাচ্ছে।

এই আয়াতগুলোর অধিকাংশ ধ্রুপদী সুন্নি এবং বারো ইমামপন্থী শিয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যিশুর সাদৃশ্য অন্য এক ব্যক্তির (সাধারণত কোনো একজন প্রেরিত) ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যাঁকে যিশুর পরিবর্তে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়।[১০২] আল-গাজ্জালিসহ কিছু মধ্যযুগীয় মুসলিম চিন্তাবিদ যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ঐতিহাসিকতাকে স্বীকার করেন, তবে তাঁরা বিশ্বাস করেন যে যদিও যিশুর মানবিক দেহ ক্রুশে মারা গিয়েছিল, তাঁর আত্মা বেঁচে ছিল এবং আসমানে আরোহণ করেছিল।[১০৩] তবুও, মুসলমানদের কাছে যিশুর জীবনের প্রধান ঘটনা ক্রুশবিদ্ধ হওয়া নয় বরং আসমানে আরোহণ।[১০৪] ইসলামের পরিত্রাণ তত্ত্বে তাঁর মৃত্যুর বিশেষ কোনো ভূমিকা নেই। যিশু ইসলামী পরকালতত্ত্বের একজন কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব: মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে তিনি শেষ জমানায় পৃথিবীতে ফিরে আসবেন এবং দাজ্জালকে হত্যা করে তাকে পরাজিত করবেন।[৯০][১০৫] কুরআন অনুযায়ী, যিশু কর্তৃক মুহাম্মদের (যাঁকে "আহমদ" বলা হয়েছে) আসার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল:

আর স্মরণ কর, যখন মারইয়াম-তনয় ঈসা বলেছিল, 'হে বনী ইসরাঈল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তৌরাতের সত্যায়নকারী এবং আমার পরে আহমদ নামে যে রসূল আসবেন তাঁর সুসংবাদদাতা।'...

এই আয়াতের মাধ্যমে আদি আরব মুসলমানরা বিদ্যমান ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং যিশুর ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে তাদের নতুন ধর্মের বৈধতা দাবি করত।[১০৬]

আহমদিয়া

[সম্পাদনা]

আহমদিয়া মুসলিম জামাত যিশু সম্পর্কে বেশ কিছু শিক্ষা পোষণ করে। আহমদীয়রা বিশ্বাস করে যে তিনি একজন মরণশীল মানুষ ছিলেন যিনি ক্রুশবিদ্ধ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং ভারতের কাশ্মীরে ১২০ বছর বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানে রওজা বালে সমাহিত হন।[১০৭]

দ্রুজ

[সম্পাদনা]

দ্রুজ ধর্মে, যিশু সাতজন বক্তা বা নবীর (নাতিখ) একজন হিসেবে বিবেচিত এবং সম্মানিত। তাঁদের মতে নবীগণ ঈশ্বর ও মানবতার মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন। যিশু ছাড়াও এই তালিকায় মুসা, মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দ্রুজ ঐতিহ্যে যিশু তিনটি উপাধিতে পরিচিত: সত্য মসিহা (আল-মসীহ আল-হক), সকল জাতির মসিহা এবং পাপীদের মসিহা।[১০৮]

বাহাউল্লাহ ধর্ম

[সম্পাদনা]

বাহাই ধর্মে, যিশুকে ঈশ্বরের অন্যতম প্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাহাউল্লাহ অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে মুসা, কৃষ্ণ, জরথুস্ট্র, বুদ্ধ, মুহাম্মদ এবং বাহাউল্লাহর মতো ধর্মীয় নেতারা তাদের নিজস্ব সময় ও স্থানে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধ এনে প্রগতিশীল প্রকাশের পথ প্রশস্ত করেছেন। ঈশ্বরের প্রকাশ হিসেবে যিশু ঈশ্বরের গুণাবলি প্রতিফলিত করেন বলে বিশ্বাস করা হয়, তবে তাঁকে একমাত্র ত্রাণকর্তা বা ঈশ্বরের অবতার মনে করা হয় না। বাহাইরা কুমারীগর্ভে জন্মে বিশ্বাস করলেও যিশুর পুনরুত্থান এবং অলৌকিক কাজগুলোকে প্রতীকী হিসেবে দেখে।[১০৯]

অন্যান্য

[সম্পাদনা]
১৮৬১ সালে 'দ্য লিবারেটর' পত্রিকার মাস্টহেডে যিশুকে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসদের মুক্তিদাতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।
খ্রিস্টীয় ১০ম শতাব্দীর মানিবাদী মন্দিরের ব্যানারে সিংহাসনে উপবিষ্ট যিশুর ছবি।

খ্রিস্টীয় নস্টিকবাদে (যা এখন বিলুপ্তপ্রায়), যিশুকে ঐশ্বরিক জগত থেকে পাঠানো হয়েছিল এবং তিনি পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজনীয় গোপন জ্ঞান (নসিস) প্রদান করেছিলেন। বেশিরভাগ নস্টিক বিশ্বাস করত যে যিশু একজন মানুষ ছিলেন যাঁর বাপ্তিস্মের সময় "খ্রিস্টের" আত্মা তাঁর ওপর ভর করেছিল। কোনো কোনো নস্টিক 'ডসেটিক' (Docetic) ছিল, যারা বিশ্বাস করত যিশুর কোনো প্রকৃত শারীরিক দেহ ছিল না, বরং সেটি কেবল একটি মায়া ছিল।[১১০] কিছু হিন্দু যিশুকে একজন অবতার বা সাধু বলে মনে করেন।[১১১] ভারতীয় গুরু পরমহংস যোগানন্দ শিখিয়েছেন যে যিশু ছিলেন ইলীশায়ের পুনর্জন্ম। কিছু বৌদ্ধ, যেমন চতুর্দশ দলাই লামা তেনজিন গিয়াৎসো, যিশুকে একজন বোধিসত্ত্ব হিসেবে গণ্য করেন যিনি মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। নিউ এজ আন্দোলনেও যিশু সম্পর্কে বিভিন্ন ধরণের মত পোষণ করা হয়। দ্য ইউরেনশিয়া বুক শিক্ষা দেয় যে যিশু ঈশ্বরের ৭ লক্ষাধিক স্বর্গীয় পুত্রদের একজন। অ্যান্টনি থিওডোর তাঁর 'জেসাস ক্রাইস্ট ইন লাভ' বইয়ে লিখেছেন যে যিশুর শিক্ষার সাথে কুরআন, বেদ, উপনিষদ, তালমুদ এবং আবেস্তার বাণীর একটি অন্তর্নিহিত একত্ব রয়েছে। নাস্তিকরা যিশুর দেবত্ব অস্বীকার করে, তবে তাঁর সম্পর্কে তাঁদের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে—কেউ তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আবার কেউ তাঁর নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বের প্রশংসা করেন (রিচার্ড ডকিন্স)।[১১২]

প্রারম্ভিক খ্রীষ্টধর্ম

[সম্পাদনা]
৩য় শতাব্দীর চিত্রকর্মে যীশুকে উত্তম মেষপালক রূপে উপস্থাপন

যীশুর জীবনের পর, তাঁর অনুসারীরা—প্রেরিতদের কার্যবিবরণ গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়গুলিতে যেমন বর্ণিত হয়েছে—জন্মসূত্রে অথবা ধর্মান্তরের মাধ্যমে সকলেই ইহুদি ছিলেন। এই ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে বাইবেলীয় পরিভাষা হিসেবে “প্রোসেলুতোস” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে,[১১৩] ইতিহাসবিদদের দ্বারা এদেরকে ইহুদি খ্রিস্টান নামে অভিহিত করা হয়। প্রাথমিক সুসমাচারের বাণী প্রথমে মৌখিকভাবে প্রচারিত হয়, সম্ভবত আরামীয় ভাষায়,[১১৪] তবে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই গ্রিক ভাষাতেও প্রচার শুরু হয়।[১১৫]

নূতন নিয়মর প্রেরিতদের কার্যবিবরণ এবং গালাতীয়দের প্রতি পত্র গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে যে প্রথম খ্রিস্টীয় সম্প্রদায়টি যিরূশালেমকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এবং এর নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন প্রেরিত পিতর, যীশুর ভাই যাকোব এবং প্রেরিত যোহন[১১৬]

ধর্মান্তরের পর পৌল প্রেরিত পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন অনৈহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে যীশুর শিক্ষা প্রচার করেন। খ্রিস্টীয় চিন্তাধারার ওপর পৌলের প্রভাব অন্য যেকোনো নতুন নিয়মের লেখকের তুলনায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।[১১৭] ১ম শতাব্দীর শেষের দিকে, খ্রিস্টধর্ম অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত উভয় ক্ষেত্রেই ইহুদিধর্ম থেকে পৃথক একটি স্বতন্ত্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ইহুদিধর্ম নিজেও দ্বিতীয় মন্দির ধ্বংসের পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে আরও পরিশীলিত ও বিকশিত হয়।[১১৮]

নতুন নিয়ম এবং প্রথম কয়েক শতাব্দীর অন্যান্য খ্রিস্টীয় রচনায় অসংখ্য উদ্ধৃতি থেকে বোঝা যায় যে প্রাথমিক খ্রিস্টানরা সাধারণভাবে হিব্রু বাইবেলকে (অর্থাৎ তানাখ) ধর্মগ্রন্থ হিসেবে ব্যবহার করতেন এবং গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মান্য করতেন—প্রধানত গ্রীক (সপ্ততি) অথবা আরামীয় (তারগুম) অনুবাদে।[১১৯] প্রাথমিক খ্রিস্টানরা বহু ধর্মীয় গ্রন্থ রচনা করেছিলেন, যার মধ্যে কিছু গ্রন্থ নতুন নিয়মের কানুনের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই কানুনীয় গ্রন্থসমূহ—যেগুলো ইতিহাসবিদরা ঐতিহাসিক যীশু এবং খ্রিস্টধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ বোঝার জন্য প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহার করেন—সম্ভবত খ্রিস্টাব্দ ৫০ থেকে ১২০ সালের মধ্যে রচিত হয়েছিল।[১২০]

সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নিদর্শন

[সম্পাদনা]
ইতালির তুরিনের কাফন যীশুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা সবচেয়ে পরিচিত ধর্মীয় নিদর্শন এবং মানব ইতিহাসে সর্বাধিক অধ্যয়নকৃত নিদর্শনগুলোর একটি।[১২১]

খ্রিস্টাব্দ ৭০ সালে রোমানদের দ্বারা সংঘটিত জেরুজালেম অবরোধ-এর ফলে যে সম্পূর্ণ ধ্বংসযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল, তা প্রথম শতাব্দীর জুদিয়া থেকে কোনো বস্তু টিকে থাকার সম্ভাবনাকে অত্যন্ত দুর্লভ করে তোলে। এর ফলে প্রথম শতাব্দীর শেষভাগ থেকে দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত ইহুদিধর্মের ইতিহাস সম্পর্কে প্রায় কোনো প্রত্যক্ষ নথি অবশিষ্ট নেই।[১২২][১২৩][] বাইবেল-বিশারদ মার্গারেট এম. মিচেল লিখেছেন যে, যদিও ইউসেবিয়ুস (Ecclesiastical History III 5.3)-এ উল্লেখ করেন যে জেরুজালেম চূড়ান্ত অবরোধের মুখে পড়ার ঠিক আগে প্রাথমিক খ্রিস্টানরা পেলা-য় চলে গিয়েছিলেন, তবুও আমাদের মেনে নিতে হবে যে প্রাথমিক জেরুজালেম গির্জার কোনো বস্তুই টিকে নেই।[১২৫] জো নিকেল লিখেছেন, “একটির পর একটি অনুসন্ধান প্রমাণ করেছে যে যিশুর কোনো একটিও নির্ভরযোগ্যভাবে প্রামাণ্য ধর্মীয় নিদর্শন অস্তিত্বে নেই।”[১২৬][]

খ্রিস্টধর্মের ইতিহাস জুড়ে যিশুর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বহু নিদর্শনের দাবি করা হয়েছে, তবে সেগুলোর ওপর গুরুতর সন্দেহও আরোপিত হয়েছে। ষোড়শ শতাব্দীর ক্যাথলিক ধর্মতাত্ত্বিক এরাসমুস ব্যঙ্গাত্মকভাবে লিখেছিলেন যে যিশুর ক্রুশবিদ্ধকরণে ব্যবহৃত ক্রুশ থেকে এসেছে বলে দাবি করা কাঠের পরিমাণ দিয়ে অসংখ্য ভবন নির্মাণ করা যেত।[১২৮] একইভাবে, যিশুকে তিনটি না চারটি পেরেক দিয়ে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল—এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিতর্ক থাকলেও, ইউরোপজুড়ে অন্তত ত্রিশটি পবিত্র পেরেক ধর্মীয় নিদর্শন হিসেবে পূজিত হয়।[১২৯]

কিছু নিদর্শন—যেমন যিশুর মাথায় পরানো হয়েছিল বলে দাবি করা কাঁটার মুকুট-এর অংশবিশেষ—তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক তীর্থযাত্রী আকর্ষণ করে। কিন্তু তুরিনের কাফন (যা যিশুর পবিত্র মুখ-এর প্রতি অনুমোদিত ক্যাথলিক ভক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত) লক্ষ লক্ষ মানুষের আকর্ষণ করেছে,[১৩০] যাদের মধ্যে ছিলেন পোপ জন পল দ্বিতীয় এবং বেনেডিক্ট ষোড়শ[১৩১][১৩২]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]

ব্যাখ্যা

[সম্পাদনা]
  1. জন পি. মেইয়ার লিখেছেন যে, জিশুর জন্মসন হল আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব ৭ বা ৬ অব্দ।[] কার্ল রাহনার উল্লেখ করেছেন, আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব ৪ অব্দটিকে যীশুর জন্মসন হিসাবে ধরার বিষয়ে গবেষকেরা একমত।[] ই. পি. স্যান্ডার্সও সাধারণ ঐক্যমতের কথা উল্লেখ করে আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব ৪ অব্দটিকেই যীশুর জন্মসন হিসাবে ধরার পক্ষে মত দিয়েছেন।[] জ্যাক ফিনেগান আদি খ্রিস্টীয় মতবাদ-সংক্রান্ত গবেষণাগুলিকে ব্যবহার করে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩ বা ২ অব্দকে যীশুর জন্মসন হিসাবে ধরার পক্ষে মত দেন।[]
  2. অধিকাংশ গবেষকই অনুমান করেন যে, ৩০ বা ৩৩ খ্রীষ্টাব্দে যীশু ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন।[]
  3. জেমস ডান লিখেছেন যে, যীশুর বাপ্তিস্মক্রুশারোপণ “প্রায় সর্বজনীন সম্মতি আদায় করে” এবং “[এই দুইয়ের] স্থান এত উচ্চে যে তা ‘সন্দেহ বা অস্বীকার করা প্রায় অসম্ভব’ স্তরের ঐতিহাসিক ঘটনা।” এই দু’টি বিষয়কে তিনি প্রায়শ ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক যিশু-সম্বন্ধীয় গবেষণার সূচনাবিন্দু বলে উল্লেখ করেছেন।[] বার্ট এরম্যান বলেছেন যে, পন্তীয় পীলাতের নির্দেশে যীশুর ক্রুশারোপণই তার সম্পর্কে জ্ঞাত সর্বাধিক নিশ্চিত ঘটনা।[] জন ডোমিনিক ক্রোসান ও রিচার্ড জি. ওয়াটস বলেছেন যে, যীশুর ক্রুশারোপণ যে কোনও ঐতিহাসিক ঘটনার মতোই নিশ্চিত।[] পল আর. এডি ও ]]গ্রেগ বয়েড (ধর্মতত্ত্ববিদ)
  4. খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসমতে, মরিয়ম পবিত্র আত্মার প্রভাবে অলৌকিকভাবে গর্ভবতী হয়েছিলেন। মুসলমানেরা বিশ্বাস করে যে, ঈশ্বরের আদেশে অলৌকিক উপায়ে তিনি তার পুত্রকে গর্ভে ধারণ করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উভয় ক্ষেত্রেই যোষেফকে যীশুর পালকপিতা গণ্য করা হয়।
  5. প্রাচীন গ্রিক: Ἰησοῦς, romanized: Iēsoús, সম্ভবত হিব্রু ভাষায়: יֵשׁוּעַ‎, romanized: Yēšūaʿ থেকে
  6. কপ্টীয়: Ⲓⲏⲥⲟⲩⲥ Ⲡⲓⲭ́ρⲓⲥτⲟⲥ; গেয়েজ: መሲህ ኢየሱስ; গ্রীক: Ἰησοῦς Χριστός; ইব্রীয়: ישוע המשיח; লাতিন: Iesus Christus; স্লাভোনীয়: І҆исоу́съ Хрїсто́съ; সুরীয়: ܝܫܘܥ ܡܫܺܝܚܳܐ
  7. 1 2 In a 2011 review of the state of modern scholarship, Bart D. Ehrman wrote, "He certainly existed, as virtually every competent scholar of antiquity, Christian or non-Christian, agrees."[১২] Richard A. Burridge states: "There are those who argue that Jesus is a figment of the Church's imagination, that there never was a Jesus at all. I have to say that I do not know any respectable critical scholar who says that any more."[১৩] Robert M. Price does not believe that Jesus existed but agrees that this perspective runs against the views of the majority of scholars.[১৪] James D. G. Dunn calls the theories of Jesus's non-existence "a thoroughly dead thesis".[১৫] Michael Grant (a classicist), "In recent years, 'no serious scholar has ventured to postulate the non historicity of Jesus' or at any rate very few, and they have not succeeded in disposing of the much stronger, indeed very abundant, evidence to the contrary."[১৬] Robert E. Van Voorst states that biblical scholars and classical historians regard theories of non-existence of Jesus as effectively refuted.[১৭] Writing on The Daily Beast, Candida Moss and Joel Baden state that, "there is nigh universal consensus among biblical scholars – the authentic ones, at least – that Jesus was, in fact, a real guy."[১৮] উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "exist" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  8. Ehrman writes: "The notion that the Gospel accounts are not completely accurate but still important for the religious truths they try to convey is widely shared in the scholarly world, even though it's not so widely known or believed outside of it."[২০]
    Sanders writes: "The earliest Christians did not write a narrative of Jesus' life, but rather made use of, and thus preserved, individual units—short passages about his words and deeds. These units were later moved and arranged by authors and editors. [...] Some material has been revised and some created by early Christians."[২১]
  9. A small minority of Christian denominations reject trinitarianism, wholly or partly, as non-scriptural.
  10. Most Christians and Alawites celebrate Christmas. Part of the Eastern Christian churches celebrate Christmas on 25 December of the Julian calendar, which currently corresponds to 7 January in the Gregorian calendar. In many countries, Christmas is celebrated on 24 December.
  11. Often referred to by his Quranic name, ʿĪsā
  12. কিছু মধ্যযুগীয় মুসলিম বিশ্বাস করতেন যে ঈসা ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন, যেমনটা আধুনিক আহমদিয়া আন্দোলনের সদস্যরাও বিশ্বাস করে; দেখুন § ইসলামি দৃষ্টিকোণ
  13. এরম্যান লিখেছেন: "সুসমাচারের বিবৃতিগুলি সম্পূর্ণ নির্ভুল না হলেও যে ধর্মীয় সত্য সেগুলি বহন করে সেগুলির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ [--] এই ধারণা গবেষক মহলে বহুল প্রচলিত, এমনকি তা সেই জগতের বাইরে বহুশ্রুত বা বিশ্বসসনীয় না হলেও।" ("The notion that the Gospel accounts are not completely accurate but still important for the religious truths they try to convey is widely shared in the scholarly world, even though it's not so widely known or believed outside of it.")[৩৩]
  14. স্যান্ডার্স লিখেছেন: "আদি খ্রিস্টানরা যিশুর জীবনের এক আখ্যান রচনা করেননি, কিন্তু তা ব্যবহার করেছেন নিজেদের উদ্দেশ্যসাধনের কাজে এবং সেইভাবেই তা সংরক্ষণ করেন, স্বতন্ত্র ভাগে ভাগে-তার বাণী ও কর্ম-বিষয়ক ছোটো ছোটো পংক্তিমালায়। পরবর্তীকালে লেখক ও সম্পাদকেরা সেই ভাগগুলিকে সরিয়ে এনে সাজিয়ে-গুছিয়ে নেন। ... আদি খ্রিস্টানদের দ্বারা কয়েকটি বিষয় সংশোধিত করা হয় এবং তারাই কয়েকটি সৃষ্টি করেন।" ("The earliest Christians did not write a narrative of Jesus' life, but rather made use of, and thus preserved, individual units—short passages about his words and deeds. These units were later moved and arranged by authors and editors. ... Some material has been revised and some created by early Christians.")[২১]
  15. প্রেরিতীয় যুগের পর, আদি গির্জায় অনেকগুলো আন্তঃসম্পর্কিত বিষয়ে তীব্র এবং প্রায়ই রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল। খ্রিস্টতত্ত্ব ছিল এই বিতর্কগুলোর একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। ... চার্চ প্রাচীন কাউন্সিলগুলোতে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করে এবং পবিত্র ত্রিত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে যিশুকে পূর্ণ মানব ও পূর্ণ ঈশ্বর হিসেবে গণ্য করা হয়।
  16. ফ্লাভিয়াস যোসেফুস প্রায় পাঁচ বছর পরে (খ্রিস্টাব্দ ৭৫ নাগাদ) রচিত তাঁর গ্রন্থ ইহুদি যুদ্ধ (গ্রন্থ VII, অনুচ্ছেদ ১.১)-এ লেখেন যে জেরুজালেম এমনভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল যে “সেখানে এমন কিছুই অবশিষ্ট ছিল না, যা দেখে কেউ বিশ্বাস করতে পারে যে স্থানটি কখনো বসতিপূর্ণ ছিল।”[১২৪] এবং জেরুজালেমের ধ্বংসাবশেষকে যখন রোমান বসতি এলিয়া ক্যাপিটোলিনা-তে রূপান্তর করা হয়, তখন কোনো ইহুদিকেই সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।[১২৩]
  17. তুরিনের কাফন সম্পর্কে বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত আজও বিদ্যমান।[১২৭] সাবেক Nature সম্পাদক ফিলিপ বল-এর মতে, “১৯৮৮ সালের আপাতদৃষ্টিতে চূড়ান্ত পরীক্ষাসত্ত্বেও বলা যায় যে তুরিনের কাফনের অবস্থান আগের চেয়েও বেশি অস্পষ্ট। বিশেষত, চিত্রটির প্রকৃতি এবং কীভাবে এটি কাপড়ে স্থায়ী হয়েছে—তা এখনো গভীরভাবে রহস্যজনক।”[১২১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Meier, John P. (১৯৯১)। A Marginal Jew: The roots of the problem and the person। Yale University Press। পৃ. ৪০৭আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩০০-১৪০১৮-৭
  2. Rahner 2004, পৃ. 732।
  3. Sanders 1993, পৃ. 10–11।
  4. Finegan, Jack (১৯৯৮)। Handbook of Biblical Chronology, rev. ed। Hendrickson Publishers। পৃ. ৩১৯আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬৫৬৩-১৪৩-৪
  5. Brown, Raymond E. (১৯৭৭)। The birth of the Messiah: a commentary on the infancy narratives in Matthew and Luke। Doubleday। পৃ. ৫১৩আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৮৫-০৫৯০৭-৭
  6. Humphreys, Colin J.; Waddington, W. G. (১৯৯২)। "The Jewish Calendar, a Lunar Eclipse and the Date of Christ's Crucifixion" (পিডিএফ)Tyndale Bulletin৪৩ (2): ৩৪০। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৬
  7. Dunn 2003, পৃ. 339।
  8. Ehrman 1999, পৃ. 101।
  9. Crossan ও Watts 1999, পৃ. 96।
  10. Vermes 1981, পৃ. 20, 26, 27, 29।
  11. "Global Christianity – A Report on the Size and Distribution of the World's Christian Population"Pew Research Center (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  12. Ehrman 2011, পৃ. 285
  13. Burridge, Richard A.; Gould, Graham (২০০৪)। Jesus Now and Then। Wm. B. Eerdmans। পৃ. ৩৪আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২৮-০৯৭৭-৩
  14. Price, Robert M. (২০০৯)। "Jesus at the Vanishing Point"। Beilby, James K.; Eddy, Paul R. (সম্পাদকগণ)। The Historical Jesus: Five Views। InterVarsity। পৃ. ৫৫, ৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৩০৮-৭৮৫৩-৬। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  15. Sykes, Stephen W. (২০০৭)। "Paul's understanding of the death of Jesus"। Sacrifice and Redemption। Cambridge University Press। পৃ. ৩৫–৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-০৪৪৬০-৮
  16. Grant, Michael (২০০৪)। Jesus। Phoenix। পৃ. ২০০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৮৪-১৪৮৮৯-২
  17. Van Voorst 2000, পৃ. 16।
  18. Moss, Candida; Baden, Joel (৫ অক্টোবর ২০১৪)। "So-Called 'Biblical Scholar' Says Jesus a Made-Up Myth"The Daily Beast। ৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২১
  19. Powell 1998, পৃ. 168–173।
  20. Bart D. Ehrman. Historical Jesus. 'Prophet of the New Millennium'. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে Course handbook, p. 10 (Lecture Three. V. B.), The Teaching Company, 2000, Lecture 24[স্পষ্টকরণ প্রয়োজন]
  21. 1 2 Sanders 1993, পৃ. 57।
  22. Bowman Jr. ও Komoszewski 2019, পৃ. 22–23।
  23. Evans, Craig A. (১৯৯৩)। "Life-of-Jesus Research and the Eclipse of Mythology" (পিডিএফ)Theological Studies৫৪: ১৩–১৪। First, the New Testament Gospels are now viewed as useful, if not essentially reliable, historical sources. Gone is the extreme skepticism that for so many years dominated gospel research. Representative of many is the position of E. P. Sanders and Marcus Borg, who have concluded that it is possible to recover a fairly reliable picture of the historical Jesus.
  24. 1 2 Sanders 1993, পৃ. 11।
  25. 1 2 Sanders 1993, পৃ. 11, 14।
  26. "anno Domini"Merriam-Webster Online Dictionary। ২০০৩। ২২ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৬Etymology: Medieval Latin, in the year of our Lord.
  27. Ehrman, Bart (২০১১)। Forged: writing in the name of God – Why the Bible's Authors Are Not Who We Think They Are। HarperCollins। পৃ. ২৮৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৬-২০৭৮৬৩-৬
  28. Burridge, Richard A.; Gould, Graham (২০০৪)। Jesus Now and Then। Wm. B. Eerdmans Publishing। পৃ. ৩৪আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২৮-০৯৭৭-৩
  29. Price, Robert M. (২০০৯)। "Jesus at the Vanishing Point"। Beilby, James K.; Eddy, Paul R. (সম্পাদকগণ)। The Historical Jesus: Five Views। InterVarsity। পৃ. ৫৫, ৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৩০৮-৭৮৫৩-৬
  30. Sykes, Stephen W. (২০০৭)। "Paul's understanding of the death of Jesus"। Sacrifice and Redemption। Cambridge University Press। পৃ. ৩৫–৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-০৪৪৬০-৮
  31. Grant, Michael (১৯৭৭)। Jesus: An Historian's Review of the Gospels। Scribner's। পৃ. ২০০আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৮৪-১৪৮৮৯-২
  32. Powell 1998, পৃ. 168–73।
  33. Bart D. Ehrman, MDiv, PhD. Historical Jesus. 'Prophet of the New Millennium.' ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে Course handbook, p. 10 (Lecture Three. V. B.) The Teaching Company, 2000, Lecture 24
  34. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Vermes 1981 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  35. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Dunn2013 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  36. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; ISBEO নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  37. 1 2 Levine 2006, পৃ. 4।
  38. Charlesworth, James H. (২০০৮)। The Historical Jesus: An Essential Guide। পৃ. ১১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪২৬৭-২৪৭৫-৬
  39. Bockmuehl, Markus, সম্পাদক (৮ নভেম্বর ২০০১)। The Cambridge Companion to Jesus। Cambridge: Cambridge University Press। পৃ. ১৫৬–১৫৭। আইএসবিএন ০-৫২১-৭৯৬৭৮-৪
  40. Evans, C. Stephen (১৯৯৬)। The Historical Christ and the Jesus of Faith। Oxford University Press। পৃ. v। আইএসবিএন ০-১৯-৮২৬৩৯৭-X
  41. Bauckham, Richard (২০১১)। Jesus: A Very Short Introduction। Oxford University Press। পৃ. ১–২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৫৭৫২৭-৫
  42. Skiena, Steven; Ward, Charles B. (১০ জানুয়ারি ২০১৪)। "Who's the most significant historical figure?"The Guardian। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২৩
  43. Skarsaune, Oskar; Hvalvik, Reidar (২০০৭)। Jewish believers in Jesus: the early centuries। Hendrickson Publishers। পৃ. ৫৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬৫৬৩-৭৬৩-৪
  44. Levine 2007, পৃ. 61।
  45. Levine 2007, পৃ. 17।
  46. Hitti, Philip K. (১৯৬৬) [1928]। The Origins of the Druze People and Religion: With Extracts from Their Sacred Writings। Library of Alexandria। পৃ. ৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৬৫৫-৪৬৬২-৩
  47. Watson, Francis (২০০১)। "The quest for the real Jesus"। Bockmuehl, Markus N. A. (সম্পাদক)। Cambridge companion to Jesus। Cambridge University Press। পৃ. ১৫৬–১৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৭৯৬৭৮-১। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  48. Evans, C. Stephen (১৯৯৬)। The historical Christ and the Jesus of faith। Oxford University Press। পৃ. v। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-১৫২০৪২-৬
  49. Delbert, Burkett (২০১০)। The Blackwell Companion to Jesus। John Wiley & Sons। পৃ. ১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪৪৩-৫১৭৫-০
  50. 1 2 McGrath 2006, পৃ. 4–6।
  51. Jackson, Gregory L. (১৯৯৩)। Catholic, Lutheran, Protestant: a doctrinal comparison। Christian News। পৃ. ১১–১৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬১৫-১৬৬৩৫-৩
  52. McGuckin, John A. (২০১০)। The Orthodox Church: An Introduction to Its History, Doctrine। John Wiley & Sons। পৃ. ৬–৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪৪৩-৯৩৮৩-৫
  53. Leith, John H. (১৯৯৩)। Basic Christian doctrine। Westminster John Knox Press। পৃ. ১–২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৬৪-২৫১৯২-৫
  54. Schreiner, Thomas R. (২০০৮)। New Testament Theology: Magnifying God in Christ। Baker। পৃ. ২৩–৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০১০-২৬৮০-৫। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  55. Cross ও Livingstone 2005, Great Schism।
  56. ১ করিন্থীয় ১৫:১২–২০
  57. এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকায় যিশু
  58. Metzger, Bruce M.; Coogan, Michael D. (১৯৯৩)। Oxford Companion to the Bible। Oxford University Press। পৃ. ৬৪৯আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৭৪৩৯১-৯
  59. Cullmann, Oscar (১৯৫৯)। The Christology of the New Testament। Guthrie, Shirley C.; Hall, Charles A. M. কর্তৃক অনূদিত। Westminster John Knox Press। পৃ. ৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৬৪-২৪৩৫১-৭ {{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)
  60. Deme, Dániel (২০০৪)। The Christology of Anselm of Canterbury। Ashgate। পৃ. ১৯৯–২০০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৪৬-৩৭৭৯-০
  61. Pannenberg, Wolfhart (২০০৪)। Systematic Theology। খণ্ড ২। Continuum। পৃ. ২৯৭–৩০৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫৬৭-০৮৪৬৬-৮
  62. Ehrman 2014, "The reason most Christians today would have no trouble answering any of these questions is that one perspective from early Christianity emerged as triumphant in the debates over what to believe and how to live..."।
  63. Friedmann, Robert। "Antitrinitarianism"Global Anabaptist Mennonite Encyclopedia। ২০ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১২
  64.  Joyce, George H. (১৯৯৩)। "Blessed Trinity" ক্যাথলিক বিশ্বকোষ। নিউ ইয়র্ক: রবার্ট অ্যাপলটন কোম্পানি।
  65. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Britannica নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  66. "Mormonism 101: What is Mormonism"MormonNewsroom.org। The Church of Jesus Christ of Latter-day Saints। ১৩ অক্টোবর ২০১৪। ২১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৪
  67. Cross ও Livingstone 2005, Antitrinitarianism।
  68. Hunter, Sylvester (২০১০)। Outlines of dogmatic theology। খণ্ড ২। Nabu Press। পৃ. ৪৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৭৭-৯৫৮০৯-৭
  69. 1 2 Houlden 2006, পৃ. 426।
  70. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; JE1906 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  71. Kessler, Ed। "Jesus the Jew"। BBC। ৭ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৩
  72. Norman, Asher (২০০৭)। Twenty-six reasons why Jews don't believe in Jesus। Feldheim Publishers। পৃ. ৫৯–৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৭৭১৯৩৭-০-৭। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  73. Ezekiel 37:26–28
  74. Isaiah 43:5–6
  75. Isaiah 2:4
  76. Zechariah 14:9
  77. Simmons, Rabbi Shraga (৯ মে ২০০৯)। "Do Jews Believe In Jesus?"Aish.com। ২৫ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৩
  78. Simmons, Shraga (৬ মার্চ ২০০৪)। "Why Jews Do not Believe in Jesus"। Aish.com। ১৬ মার্চ ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬
  79. "Malachi, Book of"Jewish Encyclopedia। ১৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৩
  80. "Talmud"Jewish Encyclopedia। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৩
  81. Kessler, Edward; Wenborn, Neil (২০০৫)। A Dictionary of Jewish-Christian Relations। Cambridge University Press। পৃ. ৪১৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৯-৪৪৭৫০-৮। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  82. Neuhaus, David M. (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "How Israeli Jews' Fear of Christianity Turned Into Hatred"Haaretz। ২৭ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৩The religious public in Israel is in many cases aware of the traditional interpretation of the term "Yeshu": an acronym in Hebrew for "may his name and memory be blotted out.
  83. Theissen ও Merz 1998, পৃ. 74–75।
  84. Jeffrey, Grant R. (২০০৯)। Heaven: The Mystery of Angels। Random House Digital। পৃ. ১০৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩০৭-৫০৯৪০-৬। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৫
  85. Sutcliffe, Adam (২০০৫)। Judaism and Enlightenment। Cambridge University Press। পৃ. ১৪১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৬৭২৩২-০। ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১৮
  86. Augustine of Hippo (২০০৬)। Ramsey, Boniface (সম্পাদক)। The Manichean Debate। New City Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬৫৪৮-২৪৭-০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১২
  87. Gulácsi, Zsuzsanna (২০১৫)। Mani's Pictures: The Didactic Images of the Manichaeans...। Nag Hammadi and Manichaean Studies। খণ্ড ৯০। Leiden: Brill। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-৩০৮৯৪-৭
  88. "Quran 3:46–158"। ১ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  89. Al-Jallad, Ahmad; Al-Manaser, Ali (২০২১)। "The Pre-Islamic Divine Name ʿsy and the Background of the Qurʾānic Jesus"। Journal of the International Qur'anic Studies Association (1): ১০৭–১৩৬।
  90. 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; CEI নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  91. Esposito, John L. (২০০৩)। The Oxford Dictionary of Islam। Oxford University Press। পৃ. ১৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৭৫৭২৬-৮
  92. Paget, James C. (২০০১)। "Quests for the historical Jesus"। Bockmuehl, Markus N. A. (সম্পাদক)। Cambridge companion to Jesus। Cambridge University Press। পৃ. ১৮৩।
  93. Ashraf, Irshad (Director) (১৯ আগস্ট ২০০৭)। The Muslim Jesus (Television production)। ITV Productions।
  94. 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; comparative নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  95. "Surah Al-Kahf – 4-5"Quran.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  96. George, Timothy (২০০২)। Is the Father of Jesus the God of Muhammad?। Zondervan। পৃ. ১৫০–১৫১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১০-২৪৭৪৮-৭
  97. 1 2 3 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; RobB32 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  98. 1 2 Peters, F. E. (২০০৩)। Islam: A Guide for Jews and Christians। Princeton University Press। পৃ. ২৩।
  99. Cooper, Anne; Maxwell, Elsie A. (২০০৩)। Ishmael My Brother। Monarch Books। পৃ. ৫৯।
  100. Morgan, Diane (২০১০)। Essential Islam। ABC-CLIO। পৃ. ৪৫–৪৬।
  101. কুরআন ৪:১৫৭: "আর তাদের একথার কারণে যে, 'আমরা আল্লাহর রসূল মসীহ ঈসা ইবনে মারইয়ামকে হত্যা করেছি'। অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি এবং তাকে ক্রুশবিদ্ধও করেনি, বরং তাদের জন্য (এক ব্যক্তিকে) তার সদৃশ করা হয়েছিল।..."
  102. Robinson 2005; Lawson 2009
  103. আল-গাজ্জালির ওপর দেখুন Lawson 2009, পৃ. 117–118
  104. Khalidi, Tarif (২০০১)। The Muslim Jesus। Harvard University Press। পৃ. ১২।
  105. Garrett, James L. (২০১৪)। Systematic Theology। Wipf & Stock। পৃ. ৭৬৬।
  106. Virani, Shafique N. (২০১১)। "Taqiyya and Identity in a South Asian Community"। ৭০ (1): ১২৮। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  107. Friedmann 1989, পৃ. 114; Melton 2010, পৃ. 55
  108. Swayd, Samy (২০১৯)। The A to Z of the Druzes। Rowman & Littlefield। পৃ. ৮৮।
  109. Cole, Juan R. I. (১৯৯৭)। "Behold the Man: Baha'u'llah on the Life of Jesus"। Journal of the American Academy of Religion৬৫ (1): ৫১, ৫৬, ৬০।
  110. Ehrman, Bart D. (২০০৩)। Lost Christianities। Oxford University Press। পৃ. ১২৪–১২৫।
  111. "Jesus in Hinduism"। BBC। ২৪ মার্চ ২০০৯।
  112. Dawkins, Richard (২০০৮)। The God Delusion। Houghton Mifflin Harcourt। পৃ. ২৮৪।
  113. Catholic Encyclopedia: Proselyte ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০১৭ তারিখে: “ইংরেজি শব্দ ‘proselyte’ কেবল নতুন নিয়মেই পাওয়া যায়, যেখানে এটি ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তিকে বোঝায় (Matthew; Acts; Acts; ইত্যাদি)। যদিও একই গ্রিক শব্দটি সপ্ততিতে সাধারণত ফিলিস্তিনে বসবাসরত বিদেশিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে দেখা যায়, খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০ সাল থেকে ব্যবহৃত একটি স্থানীয় ও প্রধানত রাজনৈতিক অর্থ থেকে শব্দটি ধীরে ধীরে নতুন নিয়মের যুগের ইহুদিধর্মে একটি কারিগরি ও ধর্মীয় অর্থ লাভ করে।”
  114. Ehrman 2012, পৃ. 87–90।
  115. Jaeger, Werner (১৯৬১)। Early Christianity and Greek Paideia। Harvard University Press। পৃ. ৬, ১০৮–১০৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৪-২২০৫২-২। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ {{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)
  116. Galatians, Acts; বিস্তারিত দেখুন প্রেরিতদের কার্যবিবরণের ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা
  117. Cross, F. L., সম্পাদক (২০০৫)। "Paul"। The Oxford Dictionary of the Christian Church (3rd rev. সংস্করণ)। Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-২৮০২৯০-৩
  118. Cohen, Shaye J. D. (১৯৮৭)। From the Maccabees to the Mishnah। Philadelphia: Westminster John Knox Press। পৃ. ২২৪–২২৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৬৪-২৫০১৭-১
  119. Fee, Gordon; Stuart, Douglas (২০১৪)। How to Read the Bible for All Its Worth: Fourth Edition। Zondervan। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১০-৫১৭৮৩-২। ২৬ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮
  120. Ehrman, Bart D. (১৯৯৭)। The New Testament: A Historical Introduction to the Early Christian Writings। Oxford University Press। পৃ. ৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫০৮৪৮১-৮। ১৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮নতুন নিয়মে মোট সাতাশটি গ্রন্থ রয়েছে, যা গ্রীক ভাষায় পনেরো বা ষোলজন ভিন্ন লেখকের দ্বারা রচিত এবং খ্রিস্টাব্দ ৫০ থেকে ১২০ সালের মধ্যে বিভিন্ন খ্রিস্টান ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল (বাক্স ১.৪ দেখুন)। যেমন আমরা দেখব, এই গ্রন্থগুলোর কোনটি যীশুর নিজ শিষ্যদের দ্বারা রচিত কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা কঠিন।
  121. 1 2 Ball, P. (২০০৮)। "Material witness: Shrouded in mystery"Nature Materials (5): ৩৪৯। বিবকোড:2008NatMa...7..349Bডিওআই:10.1038/nmat2170পিএমআইডি 18432204
  122. Levine 2006, পৃ. 24–25।
  123. 1 2 Koester, Helmut (১৯৯৫)। "Introduction to the New Testament"। History, Culture, and Religion of the Hellenistic Age। খণ্ড ১। Berlin, Germany: de Gruyter Press। পৃ. ৩৮২।
  124. Flavius Josephus। The Jewish War। Book VII, section 1.1।
  125. Mitchell, Margaret M.; Young, Frances M., সম্পাদকগণ (২০০৬)। The Cambridge History of Christianity, Volume 1: Origins to Constantine। Cambridge University Press। পৃ. ২৯৮।
  126. Nickell, Joe (২০০৭)। Relics of the Christ। University Press of Kentucky। পৃ. ১৯১আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৩১-৩৭৩১-৫
  127. Habermas, Gary R. (২০১১)। "Shroud of Turin"। The Encyclopedia of Christian Civilizationডিওআই:10.1002/9780470670606.wbecc1257আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৫১-৫৭৬২-৯
  128. Dillenberger 1999, পৃ. 5।
  129.  Thurston, Herbert (১৯৯৩)। "Holy Nails" ক্যাথলিক বিশ্বকোষ। নিউ ইয়র্ক: রবার্ট অ্যাপলটন কোম্পানি।
  130. Delaney, Sarah (২৪ মে ২০১০)। "Shroud exposition closes with more than 2 million visits"। Catholic News Service। ৮ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  131. Wojtyła, Karol J. (২৪ মে ১৯৯৮)। "Pope John Paul II's address in Turin Cathedral"। Vatican Publishing House। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  132. Squires, Nick (৩ মে ২০১০)। "Pope Benedict says Shroud of Turin authentic burial robe of Jesus"Christian Science Monitor। ১ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৩

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]