ইংরেজি সাহিত্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

এই নিবন্ধটি সামগ্রিক ইংরেজি সাহিত্য-সম্পর্কিত। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, সমগ্র আয়ারল্যান্ডওয়েলসের সাহিত্যের পরিবর্তে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পূর্বতন ব্রিটিশ উপনিবেশগুলির সাহিত্যও এই নিবন্ধের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যদিও ১৯শ শতাব্দী পর্যন্ত এই নিবন্ধের বিষয়বস্তু ব্রিটেনআয়ারল্যান্ডের সাহিত্য।

ইংরেজি সাহিত্য বলতে বোঝায় ইংরেজি ভাষায় রচিত সাহিত্য। এই সাহিত্যধারার সূচনা ঘটেছিল খ্রিস্টীয় ৮ম থেকে ১১শ শতাব্দীর মধ্যে কোনো এক সময়ে রচিত মহাকাব্যবিউলফ-এর মাধ্যমে। এই কাব্যটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের পটভূমিতে রচিত হলেও ইংল্যান্ডের জাতীয় মহাকাব্যের স্বীকৃতি পায়। ইংরেজি সাহিত্যের পরবর্তী উল্লেখযোগ্য কীর্তি হল কবি জিওফ্রে চসারের (১৩৪৩-১৪০০) রচনাবলি; বিশেষত দ্য ক্যান্টারবেরি টেলসরেনেসাঁর যুগে, বিশেষত ১৬শ শতাব্দীর শেষভাগে ও ১৭শ শতাব্দীর প্রথম ভাগে, উইলিয়াম শেকসপিয়র, বেন জনসন, জন ডান সহ অন্যান্য কবি ও নাট্যকারেরা ছিলেন ওই সময়ের প্রধান কাব্য ও নাট্যসাহিত্যের রচয়িতা। ১৭শ শতাব্দীর শেষ ভাগে অপর এক বিখ্যাত কবি জন মিলটন (১৬০৮-৭৪) রচনা করেছিলেন মহাকাব্য প্যারাডাইস লস্ট (১৬৬৭)। ১৭শ শতাব্দীর শেষ ভাগে ও ১৮শ শতাব্দীর প্রথম ভাগটি ছিল ব্যঙ্গসাহিত্যের যুগ। এই যুগেই জন ড্রাইডেনআলেকজান্ডার পোপের কাব্য ও জনাথন সুইফটের গদ্যরচনাগুলি রচিত হয়েছিল। ১৮শ শতাব্দীতেই ড্যানিয়েল ডিফো, স্যামুয়েল রিচার্ডসনহেনরি ফিল্ডিংয়ের রচনার মাধ্যমে ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাস সাহিত্যের সূচনা ঘটে। অন্যদিকে ১৮শ শতাব্দীর শেষভাগে ও ১৯শ শতাব্দীর প্রথম ভাগে রোম্যান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ স্যামুয়েল টেলস কোলরিজ, পার্সি বিশ শেলি, লর্ড বায়রনজন কিটসের উত্থান ঘটে।

প্রাচীন ইংরেজী সাহিত্য[সম্পাদনা]

প্রাচীন ইংরেজী সাহিত্যে, বা এংলো স্যাক্সন সাহিত্য, স্যাক্সন এবং ইংল্যান্ডে অন্যান্য জার্মানিক উপজাতিদের নিষ্পত্তির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এংলো স্যাক্সন ইংল্যান্ডে প্রাচীন ইংরেজিতে লেখা জীবিত সাহিত্য,


আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]