জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
সভাপতিজিয়া উদ্দিন
মহাসচিবমঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী
প্রতিষ্ঠাতাশাব্বির আহমেদ উসমানি
সদর দপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
ছাত্র শাখাছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ সভাপতি: এখলাসুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক: মাওলানা হোজাইফা ওমর[১]
যুব শাখাযুব জমিয়ত বাংলাদেশ
মতাদর্শইসলামী
দেওবন্দি,
জাতীয় সংসদের আসন
০ / ৩০০
নির্বাচনী প্রতীক
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের লোগো ২.jpg
দলীয় পতাকা
Flag of the Jamiat Ulema-e Islam.svg
বাংলাদেশের রাজনীতি
রাজনৈতিক দল
নির্বাচন

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ নামকরণে ২২ মার্চ ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। দলটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়া উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯১৯ সনে দারুল উলূম দেওবন্দ কেন্দ্রিক সর্বপ্রথম[৩] ইসলামী রাজনৈতিক দল জমিয়তের কার্যক্রম শুরু হয়, তখন উপমহাদেশ কেন্দ্রিক এ দলের নাম ছিল জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ। পরবর্তীতে মুসলমানদের স্বতন্ত্র জাতি হিসাবে তাদের নিজস্ব আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিভক্ত ভারতে মাওলানা শাব্বীর আহমদ উসমানী রহ. এর নেতৃত্বে পুর্নগঠিত হয়ে এর নাম জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম হয়।[৪] বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে দলটির বাংলাদেশ অংশকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ নামে নামকরণ করা হয় ও একক ইসলামী দল হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু হয়।[৫][৬]

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর নিবন্ধন নং ২৩। স্বাধীন বাংলার প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন তাজাম্মুল আলী এরপর মরহুম আজিজুল হক। পরবর্তি সভাপতি আব্দুল করীম শায়খে কৌড়িয়া। তার পর সভাপতি নির্বাচিত হন মরহুম আশরাফ আলী বিশ্বনাথী। ২০০৫ সালে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন মাসিক মদীনা সম্পাদক মুহিউদ্দীন খান। পরবর্তীতে সভাপতি ছিলেন শায়খ আব্দুল মোমিন। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদে আছেন শায়খুল হাদিস জিয়া উদ্দিন।[৫]

উদ্দেশ্য লক্ষ্য ও আদর্শ[সম্পাদনা]

উদ্দেশ্য:[সম্পাদনা]

জীবনের সর্বক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহ তাআলার রেখা ও সন্তুষ্টি অর্জন।

লক্ষ্য:[সম্পাদনা]

. ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তথা জীবনের সর্বস্তরে আল্লাহর নেজাম বাস্তবায়নের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

. জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের মৌলিক অধিকার তথা: অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, জান-মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতাসহ দনন্দিন জীবনের সকল সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য নেজামে মোস্তফার বাস্তবায়ন করা।

. সন্ত্রাসবাদ, আধিপত্যবাদ, বৈষম্যবাদ, অপসংস্কৃতি ধর্মদ্রোহীতামূলক সর্বপ্রকার কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা এবং বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত মুক্তির সংগ্রাম সমর্থন ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করা।

. ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও দেশের অখন্ডতা রক্ষার নিশ্চয়তা বিধান করা। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে এমন নীতি গ্রহণ করা যা দ্বারা মুসলিম জাহানের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে

আদর্শ :[সম্পাদনা]

সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদুর রাসূলুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসৃত পথ, বিশেষতঃ মুজাদ্দিদে আলফে সানী শায়খ আহমদ সেরহিন্দী রাহ. ও শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রাহ. এর বৈপ্লবিক চিন্তাধারা এবং মাওলানা কাসিম নানুতাভী রাহ. মাওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রাহ. শায়খুলহিন্দ মাওলানা মাহমূদ হাসান রাহ. ও শায়খুল ইসলাম মাওলানা সায়্যিদ হোসাইন আহমদ মাদানী রাহ. এর প্রদর্শিত কর্মপন্থা অনুসরণ। [৭]

যুব সংগঠন[সম্পাদনা]

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সহযোগী সংগঠন “যুব জমিয়ত বাংলাদেশ”। বর্তমান সভাপতি মাওলানা তাফহীমুল হক্ব, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসহাক কামাল।

ছাত্র সংগঠন[সম্পাদনা]

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ১৯৯২ সনের ২৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।বর্তমান সভাপতি মুফতি এখলাছুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক হুজাইফা ইবনে ওমর।

মুক্তিযুদ্ধে জমিয়তের অবদান[সম্পাদনা]

১৯৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জমিয়ত স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেয়। মাওলানা জহিরুল হক ভূঁইয়া, মাওলানা শামসুদ্দীন কাসিমী, মাওলানা মুস্তফা আযাদ, মাওলানা আবুল হাসান যশোরী প্রমূখ জমিয়ত নেতারা সরাসরি যুদ্ধে শরীক হন। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, শায়খে কাতিয়া প্রমূখ মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। অন্য দিকে ভারত জমিয়তের প্রধান ফেদায়ে মিল্লাত আসআদ মাদানী জনমত গঠন ও বাংলাদেশী উদ্বাস্তুদের ত্রাণ সহায়তা দানে বিরাট অবদান রাখেন। স্বীকৃতি রূপে বাংলাদেশ সরকার তাকে মরনোত্তর সম্মাননা পদক প্রদান করে।[৮]

১৯৭১ সালের ২৬মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার ৫ দিন পূর্বে ২২ মার্চ ‘পূর্ব পাকিস্তান জমিয়ত' রেজুলেশন করে স্বাধীনতার প্রস্তাব পাশ করে। উক্ত রেজুলেশনের ভাষ্য ছিল এ রকম: আজ থেকে ‘পূর্ব পাকিস্তান জমিয়ত' পশ্চিম পাকিস্তান জমিয়তের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল। এখন থেকে পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তের নাম হবে ‘জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ'।[৯]

ভুট্টো যখন বললেন- পশ্চিম পাকিস্তান থেকে কোন পার্লামেন্ট সদস্য পূর্ব পাকিস্তান আসলে তার পা ভেঙে দেয়া হবে, তখন মুফতী মাহমুদ রাহ. ঢাকার পুর্বানীতে শেখ মুজিবের সাথে বৈঠক করেন। তখন শামসুদ্দীন ক্বাসেমী সহ ১২জন সিনিয়র নেতা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মুফতী মাহমুদ রাহ. জমিয়তের নেতাকর্মীদের স্বাধীনতার পক্ষে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানান

জমিয়ত যে স্বাধীনতার পক্ষে ছিলো তারই স্বীকৃতি স্বরূপ ৭১'র পর সব ইসলামী দল নিষিদ্ধ হলেও জমিয়ত নিষিদ্ধ হয়নি।[১০]

১১দফা মৌল র্কমসূচী[সম্পাদনা]

১. উম্মতের নেতৃত্বদান: মুসলিম জনগণের ধর্মীয়, নৈতিক ও সমাজ জীবনের সার্বিক উন্নতি সাধন, মানবতার মুক্তি লাভ এবং উম্মতে মুহাম্মদির কাফেলাকে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্য যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি করা।

২. খতমে নবুওয়াত এবং আহলে সুন্নাতের আক্বীদা সংরক্ষণ: খতমে নবুওয়াতের আক্বীদা ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সর্বসম্মত আকায়েদের সুষ্ঠু সংরক্ষণ এবং সর্বপ্রকার বাতিল মতবাদের প্রতিরোধ “আমর বিল মারুফ” ও “নাহী আনিল মুনকার” এর দায়িত্ব পালনে সংঘবদ্ধ জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

৩. শিক্ষা ও সংস্কৃতি:

ক. নিরক্ষরতা দূরীকরণ, নৈতিকতা সম্বলিত গণমুখি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উৎসাহ প্রদান এবং সাধারণ শিক্ষায় প্রয়োজনীয় দ্বীনি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।

খ. দ্বীনি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্বীনের দাওয়াত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া।

গ. শিরক-বিদআত ও সর্বপ্রকার কুসংস্কারের কবল থেকে জাতিকে উদ্ধার করে নির্মল ও পরিশুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা।

৪. নারী উন্নয়ন: সমাজের অবহেলিত, অনগ্রসর বিশেষতঃ নারী জাতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বাত্মক কর্মসূচি গ্রহণ করা। নারীদের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বতন্ত্র কর্মক্ষেত্র তৈরী করা।

৫. বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা। বিচার বিভাগের দীর্ঘসূত্রিতার অবসান ঘটিয়ে বিচারকে ত্বরান্বিত করা এবং সকলের জন্য সমভাবে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে জনজীবনের সর্বস্তর থেকে অপরাধ ও দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ করা।

৬. অর্থনৈতিক মুক্তি:

ক. বেকারত্ব দূরীকরণ, সর্বাঙ্গীণ গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্প-বাণিজ্যের প্রসার ও ইসলামী অর্থনীতির ভিত্তিতে জাতি- ধর্ম

নির্বিশেষে সকল পেশার লোকদের অর্থনৈতিক মুক্তি সাধনের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

খ. কৃষিপ্রধান দেশ হিসাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে কৃষির-উন্নয়ন, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে কৃষকদেরকে চাষাবাদে উৎসাহ প্রদান করা এবং এ লক্ষ্যে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা।

৭. আর্ত-মানবতার সেবা: রোগ-ব্যাধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জাতীয় আপতকালীন সময়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানো।

৮. ধর্মীয় স্বাধীনতা: বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা, আচার- অনুষ্ঠান পালন ও ধর্মীয় শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা।

৯. স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নিশ্চয়তা বিধান করা। নিজেদের জাতীয় সংহতি, তাহযীব-তামাদ্দুন, স্বকীয়তা সংরক্ষণ করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোসহ সকল রাষ্ট্রের সাথে সু সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অবলম্বন করা এবং মুসলিম জাহানের সাথে ভ্রাতৃসুলভ বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলা।

১০. ঐক্য ও সংহতি: মুসলিম উম্মাহর সর্বপ্রকার বিরোধ-বিভেদ অবসান এবং ইসলামের জন্য কর্মরত বিভিন্ন দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালানো।

১১. বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করে যাবে এবং সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বষম্যবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের মুক্তির সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

২০ দলীয় জোট ত্যাগ[সম্পাদনা]

৩০ নভেম্বর ১৯৯৯ ইংরেজিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে অংশগ্রহণ করে। এ ধারাবহিকতায় ২০ দলীয় জোটের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু গত ১৪জুলাই ২০২১ইংরেজিতে পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি বিএনপির অনাস্থা ও জোটের শরিক দল হিসেবে যথাযথ মূল্যায়ন না করাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন সংগঠনটির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়: জোটের শরিক দলের যথাযথ মূল্যায়ন না করা, সম্প্রতি শরিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে মতামত না নিয়ে তিনটি আসনের উপনির্বাচন এককভাবে বর্জনের ঘোষণা করা, জোটের কোন কার্যক্রম না থাকা, বিএনপি মহাসচিবের শরীয়া আইনে বিশ্বাসী না হওয়ার বক্তব্য দেয়া, দেশব্যাপী আলেম উলামাদের জেলজুলুমের প্রতিবাদে কার্যকর কোন ভূমিকা না রাখা এবং জোটের শীর্ষ নেতা জমিয়ত মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর ইন্তিকালের পর বিএনপির পক্ষ থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন না করা ও জানাজায় অংশগ্রহণ না করায় জমিয়তের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তাই জমিয়ত মনে করে ২০ দলীয় জোট থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করাই জমিয়তের জন্য কল্যাণকর। আজ থেকে জমিয়ত জোটের কোন কার্যক্রমে সক্রিয় থাকবে না[১১][১২]

দলীয় শীর্ষ নেতারা গ্রেফতার[সম্পাদনা]

হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় জমিয়তের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন— জুনায়েদ আল হাবিব, শাহীনুর পাশা চৌধুরী[১৩]মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি,[১৪]মনির হোসেন কাসেমী, খালিদ সাইফুল্লাহ সাদী ও মোহাম্মদ উল্লাহ জামী [১৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. https://m.dailyinqilab.com/article/348777/%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8?fbclid=IwAR207K2ZGoHMuIV5e5CYuyBUO4W8gdIsHapsLWS96FZTYbOtazujANKlTQM
  2. "Bangladesh Election Commission - Home page"। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৪ 
  3. "Why did the Pak Maulana visit Deoband?"। Rediff India Abroad। জুলাই ১৮, ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ মে ১৯, ২০১২ 
  4. "মাওলানা শাব্বীর আহমদ উসমানী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম"দৈনিক ইনকিলাব। ১২ জানুয়ারি ২০১৮। ২০ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  5. শাকের হোসাইন শিবলি, ইসলামি গবেষণা, সমালোচনা ও প্রবন্ধ (২০১৬)। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ভূমিকা (পেপারব্যাক)। বাংলাদেশ: রকমারি। পৃষ্ঠা 32। 
  6. "Why did the Pak Maulana visit Deoband?"www.rediff.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-২৬ 
  7. পরিচিতি ও কর্মসূচি
  8. জমিয়ত কেন করি,পৃষ্ঠা ২৭
  9. জমিয়ত কেন করি,পৃষ্ঠা ১৬
  10. উকাব,পৃষ্ঠা ১৩
  11. https://www.jugantor.com/politics/443133/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%B2-%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A4
  12. জাহিদ, সেলিম। "নানামুখী চাপ, স্বস্তিতে নেই ধর্মভিত্তিক দলগুলো"Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-১৬ 
  13. "Hefazat leader Shahinur Pasha arrested in Sylhet"Dhaka Tribune। ২০২১-০৫-০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৩ 
  14. ডেস্ক, অনলাইন। "হেফাজত নেতা মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী গ্রেফতার"DailyInqilabOnline। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৩ 
  15. https://www.banglanews24.com/national/news/bd/854566.details

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]