শচীন তেন্ডুলকর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
শচীন টেন্ডুলকর
Sachin at Castrol Golden Spanner Awards (crop).jpg
জানুয়ারি, ২০১৩ সালে একটি পুরস্কার অনুষ্ঠানে টেন্ডুলকর
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম শচীন রমেশ টেন্ডুলকর
জন্ম (১৯৭৩-০৪-২৪) ২৪ এপ্রিল ১৯৭৩ (বয়স ৪৪)[১]
বোম্বে, মহারাষ্ট্র, ভারত
ডাকনাম মাস্টার ব্লাস্টার, তেন্ডলয়া, লিটল মাস্টার[১]
উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি (১৬৫ সেন্টিমিটার) [২]
ব্যাটিংয়ের ধরন ডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি লেগ স্পিন, অফ স্পিন, মিডিয়াম পেস
ভূমিকা ব্যাটসম্যান, অধিনায়ক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৮৭)
১৫ নভেম্বর ১৯৮৯ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট

১৪ নভেম্বর ২০১৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

      
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৪)
১৮ ডিসেম্বর ১৯৮৯ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই ১৮ মার্চ ২০১২ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই শার্ট নং ১০
একমাত্র টি২০আই
(ক্যাপ ১১)
১ ডিসেম্বর ২০০৬ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
১৯৮৮ ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া
১৯৮৮-২০১৩ মুম্বই
১৯৯২ ইয়র্কশায়ার
২০০৮-২০১৩ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২০০ ৪৬৩ ৩১০ ৫৫১
রানের সংখ্যা ১৫,৯২১ ১৮,৪২৬ ২৫,৩৯৬ ২১,৯৯৯
ব্যাটিং গড় ৫৩.৭৮ ৪৪.৮৩ ৫৭.৯২ ৪৫.৫৪
১০০/৫০ ৫১/৬৮ ৪৯/৯৬ ৮১/১১৬ ৬০/১১৪
সর্বোচ্চ রান ২৪৮* ২০০* ২৪৮* ২০০*
বল করেছে ৪,২৪০ ৮,০৫৪ ৭,৫৬৩ ১০,২৩০
উইকেট ৪৬ ১৫৪ ৭১ ২০১
বোলিং গড় ৫৪.১৭ ৪৪.৪৮ ৬২.১৮ ৪২.১৭
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৩/১০ ৫/৩২ ৩/১০ ৫/৩২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১১৫/– ১৪০/– ১৮৬/– ১৭৫/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

শচীন রমেশ টেন্ডুলকর (বিকল্প প্রতিবর্ণীকরণ: শচীন টেন্ডুলকার, শচিন টেন্ডুলকার) (শুনুনi/səˈɪn tɛnˈdlkər/) (মারাঠি: सचिन तेंडुलकर; জন্ম এপ্রিল ২৪, ১৯৭৩) একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার, ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চমানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।[৩][৪] শচীনের মাত্র ষোলো বছর বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় এবং এরপর থেকে প্রায় চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেন। তিনি টেস্ট ক্রিকেট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় সর্বোচ্চসংখ্যক শতকের অধিকারীসহ বেশ কিছু বিশ্বরেকর্ড ধারণ করে আছেন। তিনি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ও টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচ মিলিয়ে শততম শতক করেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১২ সালের এশিয়া কাপ চারদেশীয় ক্রিকেট ম্যাচে তিনি এই রেকর্ড করেন।[৫] একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার ইতিহাসে প্রথম দ্বি-শতরানের মালিক তিনি।[৬][৭][৮][৯] ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই অক্টোবর, তিনি সমস্ত ধরণের স্বীকৃত ক্রিকেট খেলায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রানের মালিক হন।[১০][১১][১২]

২০০২ সালের উইজডেন এর একটি নিবন্ধে তাকে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা টেস্ট ক্রিকেটার এবং ভিভ রিচার্ডসের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা একদিনের ক্রিকেটার বলে অভিহিত করা হয়েছে।[১৩][১৪] তিনি ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলেন।[১৫] ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে উইজডেনের সার্ধ্বশতবার্ষিকী উপলক্ষে সর্বকালের সেরা বিশ্ব টেস্ট একাদশের দলে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে তাঁর স্থান হয়।[১৬][১৭][১৮][১৯]

তিনি ১৯৯৭ - ১৯৯৮ সালের জন্য ভারতের খেলাধুলার সর্বোচ্চ পুরস্কার রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার এবং ১৯৯৯ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার পদ্মভূষণ প্রদান করা হয়। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে আইসিসির পক্ষ থেকে শচীনকে বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি প্রদান করে।[২০] ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন।[২১] শচীন প্রথম ভারতীয় খেলোয়াড়, যাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী মর্যাদাসূচক ক্যাপ্টেন পদ প্রদান করে।

২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ডিসেম্বর শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে[২২][২৩][২৪][২৫] এবং ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।[২৬] ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর মুম্বই শহরের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০০তম টেস্ট ম্যাচ জয়লাভ করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।[২৭][২৮] অবসর গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই ভারত সরকার শচীনকে ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৬শে জানুয়ারি ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার ভারতরত্ন প্রদান করা হবে বলে ঘোষণা করেন। [২৯][৩০]

জন্ম ও শৈশব[সম্পাদনা]

১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪শে এপ্রিল নির্মল নার্সিং হোমে শচীন তেন্ডুলকর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মাতা রজনী তেন্ডুলকর বীমা কোম্পানিতে কাজ করতেন।[৩১] রমেশ বিখ্যাত ভারতীয় সুরকার শচীন দেববর্মণের নামানুসারে তাঁর নাম শচীন রাখেন। শচীনের দুই দাদা নিতিন ও অজিত এবং দিদি সবিতা রমেশের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সন্তান।[৩২] প্রথম জীবনে শচীন বান্দ্রা (পূর্ব) অঞ্চলের সাহিত্য সহবাস কো-ওপারেটিভ হাউসিং সোসাইটিতে বসবাস করতেন।[৩৩]

শুরুর ক্রিকেট জীবন[সম্পাদনা]

ছোটবেলায় শচীন জন ম্যাকেনরোকে আদর্শ করে টেনিস খেলার প্রতি আকৃষ্ট হলেও তাঁর দাদা অজিত ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে দাদরের শিবাজী পার্ক অঞ্চলে বিখ্যাত ক্রিকেট কোচ রমাকান্ত আচরেকরের কাছে নিয়ে যান। আচরেকরের নির্দেশে দাদরের শচীনকে শারদাশ্রম বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়[১][৩৪] এবং আচরেকর তাঁকে ক্রিকেটে শিক্ষাদান শুরু করেন।[৩৫][৩৪][৩৬]

শচীন ও তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি

এই সময় শচীন তাঁর বিদ্যালয়কে মাতুঙ্গা গুজরাটী সেবা মন্ডল শীল্ড জয়ে সহায়তা করেন।[৩৭] এছাড়াও তিনি বোম্বাইয়ের কঙ্গ লীগ প্রতিযোগীতায় জন ব্রাইট ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে এবং পরে ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়ার হয়ে খেলেন। [৩৪][৩৮][৩৯][৪০]

১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে চৌদ্দ বছর বয়সে মাদ্রাজে এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনে ফাস্ট বোলিং করার প্রশিক্ষণ নিতে গেলে অস্ট্রেলিয়ার দ্রুতগতির ফাস্ট বোলার ডেনিস লিলি তাঁকে ব্যাটিংয়ে মনোনিবেশ করতে বলেন।[৪১] ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দের ২০শে জানুয়ারী মুম্বইয়ের ব্রেবোর্ন স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়ার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এক প্রদর্শনী ম্যাচে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী ক্রিকেট দলের হয়ে শচীন পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন।[৪২] ১৯৮৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে খেলায় তিনি বলবয় হিসেবে সুযোগ পান।[৪৩][৪৪]

১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তেন্ডুলকর তাঁর খেলা প্রতিটি ইনিংসে শতরান করেন। ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর বন্ধু বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে লর্ড হ্যারিস শীল্ড আন্তঃ স্কুল প্রতিযোগিতায় সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুলের বিরুদ্ধে ৬৬৪ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ করেন। এই খেলায় শচীন ঐ ইনিংসে অপরাজিত ৩২৬* এবং পুরো প্রতিযোগিতায় এক হাজারেরও বেশি রান করেন।[৪৫]

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই নভেম্বর তেন্ডুলকর রঞ্জি ট্রফি প্রতিযোগিতায় মুম্বই ক্রিকেট দলের হয়ে সুযোগ পেলেও কোন ম্যাচে প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ তাঁর হয়নি।[৩৪] নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল ভারত সফর চলাকালীন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেটে প্রশিক্ষণরত ভারতীয় দলের অধিনায়ক কপিল দেবের বলের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে শচীন সহজেই তাঁকে খেলতে থাকলে মুম্বই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার তাঁকে মুম্বই দলে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর মাত্র পনেরো বছর ২৩২ দিন বয়সে শচীন ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে মুম্বই ক্রিকেট দলের হয়ে গুজরাট ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়ে অপরাজিত ১০০* রান করে ভারতের কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় শতরানের রেকর্ড করেন।[১] এরপর তিনি দেওধর ট্রফি ও দিলীপ ট্রফিতেও শতরান করেন।[৪৬]

১৯৮৮-৮৯ মরসুমে শচীন মুম্বইয়ের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।[note ১][৪৭] এছাড়াও তিনি ১৯৮৯-৯০ মৌসুমের শুরুতে ইরানি ট্রফি প্রতিযোগিতায় অবশিষ্ট ভারতের হয়ে দিল্লি ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে অপরাজিত শতরান করেন।[৪৮] ১৯৮৮ ও ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে শচীন দুইবার ইংল্যান্ড সফর করেন।[৪৯][৫০]

১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সফরে আসা অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মুম্বই ক্রিকেট দলের হয়ে প্রথম দ্বি-শতরান (২০৪*) করেন।[১][৫১] ২০০০ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিলে রঞ্জি ট্রফি প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে তামিলনাড়ু ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে অপরাজিত ২৩৩* রান করেন।[৫২][৫৩][৫৪]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

আরো দেখুন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীন তেন্ডুলকরের শতরানের তালিকা

শুরুর দিক[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তেন্ডুলকর[৫৫]
  ম্যাচ জয় হার ড্র টাই ফলাফলবিহীন
টেস্ট ক্রিকেট[৫৬] ২০০ ৭২ ৫৬ ৭২
একদিনের আন্তর্জাতিক[৫৭] ৪৬৩ ২৩৪ ২০০ ২৪
টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক[৫৮]

মাত্র একটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট মৌসুমের পরই[৫৯] ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজ সিং দুঙ্গারপুর শচীনকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সফরে ভারতীয় দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করেন।[৬০] এরফলে ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে করাচী টেস্টে মাত্র ১৬ বছর ২২৩ দিন বয়সে তাঁর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অভিষেক হয়। এই ম্যাচে তিনি মাত্র পনেরো করে ওয়াকার ইউনুসের বলে বোল্ড হন।[৬১] সিয়ালকোট টেস্টে তিনি ওয়াকার ইউনুসের বলে নাকে আঘাত পেয়েও খেলা চালিয়ে যান।[৬২] পেশোয়ার শহরে অনুষ্ঠিত একটি ২০ ওভারের প্রদর্শনী ম্যাচে তেন্ডুলকর মাত্র ১৮ বলে ৫৩ রান করেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিখ্যাত লেগ স্পিনার আব্দুল কাদিরের এক ওভারে তিনি ২৭ রান করেন।[৬৩][note ২][৬৪] অভিষেক টেস্ট শৃঙ্খলায় তিনি ৩৫.৮৩ গড়ে ২১৫ রান করেন এবং তাঁর খেলা একটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে কোন রান না করেই তিনি আউট হন[৬৫][৬৬]

এরপর ভারতের নিউজিল্যান্ড সফরে তিনি টেস্টে ২৯.২৫ গড়ে মোট ১১৭ রান করেন, যার মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের একটি ইনিংসে ৮৮ রান করেন।[৬৭] নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে তিনি ০ এবং ৩৬ রান করে আউট হন।[৬৮] ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের ইংল্যান্ড সফরে দ্বিতীয় টেস্টে বিশ্বের দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি তাঁর জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট শতরান (১১৯*) করেন।[৬২][n ১] ১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ঠিক পূর্বে অস্ট্রেলিয়া সফরে তেন্ডুলকর তৃতীয় সিডনি টেস্টে অপরাজিত ১৪৮* ও অন্তিম পার্থ টেস্টে ১১৪ রান করে ক্রিকেট বিশ্বের সম্ভ্রম আদায় করে নেন।

উত্থান[সম্পাদনা]

টেন্ডুলকর ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে অকল্যান্ড শহরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর জীবনের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম উদ্বোধনে নামেন।[৭০] এই ম্যাচে তিনি ৪৯ বলে ৮২ রান করেন। ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দের ৯ই সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার কলম্বো শহরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক শতরান করেন। ১৯৯৬ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় তিনি দুইটি শতরান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।[৭১]

১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দেরঅস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের ভারত সফরে এলে এই সফরের প্রস্ততি হিসেবে রঞ্জি ট্রফি বিজয়ী মুম্বই ক্রিকেট দলের হয়ে এক তিনদিনের ম্যাচে শচীন বিখ্যাত স্পিন বোলার শেন ওয়ার্নের বিরদ্ধে খেলে অপরাজিত ২০৪* করে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করেন।[৭২][৭৩][৭৪] এই প্রতিযোগিতায় শচীন দুইটি টেস্ট শতরান, একদিনের ক্রিকেটে কানপুরে শতরান এবং কোচিতে পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতকে বিজয়ী হতে সহায়তা করেন।[৭৫] এরপর শারজাহতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ১৯৯৮ কোকা কোলা কাপ প্রতিযোগিতায় দুইটি গুরুত্বপূর্ণ শতরান করে ভারতকে কাপ জয়ী করেন।[৭৬][৭৭] ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত আইসিসি কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শচীন ১৪১ রান করে ও চার উইকেট নিয়ে ভারতকে সেমিফাইনালে পৌছে দেন।

শচীন তেন্ডুলকর

১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত ১৯৯৮-৯৯ এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায়[৭৮] কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স মাঠে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের শোয়েব আখতারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে শচীন রান আউট হয়ে গেলে দর্শকদের ক্ষোভে খেলা বন্ধ করে দিতে হয়। কিন্তু কিছু পরে শচীনের আবেদনে দর্শকেরা শান্ত হলে খেলা আবার শুরু হয়।[৭৯] এই ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।[৮০] এই প্রতিযোগিতায় শচীন শ্রীলঙ্কা[৮১] ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করেন।

১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা চলাকালীন শচীনের পিতা রমেশ তেন্ডুলকরের মৃত্যু হলে শচীন প্রতিযোগিতার মাঝেই পিতার সৎকারের জন্য ভারত ফিরে আসেন। শ্রাদ্ধাদি অনুষ্ঠানের পর তিনি পুণরায় প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েই কেনিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৪০* রান করে তাঁর পিতাকে এই শতরান উৎসর্গ করেন।[৮২]

অধিনায়কত্ব[সম্পাদনা]

অধিনায়ক হিসেবে শচীনের রেকর্ড
  ম্যাচ জয় হার ড্র টাই ফলাফলবিহীন
টেস্ট[৮৩] ২৫ ১২
একদিনের ক্রিকেট[৮৪] ৭৩ ২৩ ৪৩

১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে শচীন মহম্মদ আজহারউদ্দীনের পর ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন। কিন্তু তাঁর অধিনায়ক জীবন খুব একটা সফল ছিল না।[৮৫] অধিনায়কত্ব লাভের পর ভারত অস্ট্রেলিয়া সফরে গেলে ০-৩ ফলাফলে পরাজিত হয়।[৮৬] এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা ভারত সফরে এসে ভারতকে ২-০ ফলাফলে পরাজিত করলে শচীন অধিনায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন।

আঘাতপ্রাপ্তি ও সফলতাবিহীন সময়কাল[সম্পাদনা]

২০০২ খ্রিষ্টাব্দে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তেন্ডুলকর পোর্ট অব স্পেন টেস্টে তাঁর উনত্রিশতম শতরান করে ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড স্পর্শ করেন।[৮৭][৮৮][৮৯][৯০] কিন্তু এরপরের ইনিংসগুলোয় যথাক্রমে ০, ০, ৮ এবং ০ রান করলে ভারত প্রতিযোগিতায় পরাজিত হয়। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি তাঁর ত্রিশতম টেস্ট শতরান করে ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন।[৯১][৯২]

২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ১১টি ম্যাচে ৬৭৩ রান করে ভারতকে ফাইনালে নিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার নিকটে ভারত পরাজিত হলেও শচীন প্রতিযোগিতার সেরা নির্বাচিত হন। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ভালো খেলতে না পারলেও ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিডনিতে অপরাজিত ২৪১* রান করেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরের টেস্ট প্রতিযোগিতায় তিনি অপরাজিত ১৯৪* রান করেন।[৯৩][৯৪][৯৫][৯৬][৯৭] এরপর কনুইয়ের যন্ত্রণায় ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের বেশিরভাগ সময় শচীন ক্রিকেট খেলতে পারেননি।

২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই ডিসেম্বর তেন্ডুলকর ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠে শচীন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নিজস্ব পঁয়ত্রিশতম টেস্ট শতরান করে বিশ্বরেকর্ড করেন। এরপর প্রায় দেড় বছর পর ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাঁর পরের টেস্ট শতরান করেন।[৯৮] ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে তাঁর উনচল্লিশতম শতরান করেন। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে মার্চ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হলে দর্শকেরা প্রথমবার তাঁকে টিটকিরি দেয়।[৯৯] এই প্রতিযোগিতায় শচীন একটিও অর্ধশতরান না করায় ও তাঁর কাঁধের শল্যচিকিৎসা হওয়ায় তাঁর ক্রিকেট জীবন সম্বন্ধে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই সেপ্টেম্বর সুস্থ হয়ে ফিরে এসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে অপরাজিত ১৪১* রান করে তাঁর চল্লিশতম শতরান করেন।

২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ভারতের কোচ গ্রেগ চ্যাপেল শচীনের বার বার ব্যর্থতায় ভারতের জেতার সম্ভাবনা কমে যাওয়ার কথা বলেন। তিনি শচীনকে ব্যাটিং অর্ডারে নীচের দিকে নামতে বললে শচীন তা মানতে না চাইলে তিনি শচীনের সমালোচনাও করেন।[১০০] এই ঘটনায় আবেগপ্রবণ শচীন প্রতিক্রিয়া জানালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁর কাছে এই আচরণের ব্যাখ্যা জানাতে নির্দেশ দেন।[১০১] এই প্রতিযোগিতায় কোচের নির্দেশ মতো শচীন ব্যাটিং অর্ডারে নীচের দিকে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ হলে ইয়ান চ্যাপেল তাঁকে অবসর নেওয়ার পরামর্শ দেন।[১০২]

ধারাবাহিকতা প্রাপ্তি[সম্পাদনা]

২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সিডনিতে আটত্রিশতম টেস্ট শতরান করে শচীন

২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতার পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলায় তিনি আবার ওপেন করে প্রতিযোগিতার সেরা হন। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফিউচার কাপেও তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও প্রতিযোগিতার সেরা হন।[১০৩] ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮শে জুলাই নটিংহ্যাম টেস্টে শচীন বিশ্বের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ১১,০০০ রান করেন।.[১০৪] ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ৫৩.৪২ গড়ে ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।[১০৫] ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পরের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ২৭৮ রান করে ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।[১০৬] ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে ৯০ থেকে ১০০ রানের মধ্যে শচীন বেশ কয়েকবার আউট হয়ে যান। এরমধ্যে তিনবার ৯৯ রান করে তিনি আউট হন।[১০৭]

২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে ভারত অস্ট্রেলিয়া সফরে গেলে শচীন চারটি টেস্ট ম্যাচে মোট ৪৯৩ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে শতরান করলে ঐ মাঠে শচীনের গড় দাঁড়ায় ২২১.৩৩। অ্যাডিলেডে চতুর্থ টেস্টে তিনি ১৫৩ রান করেন। কমনওয়েলথ ব্যাংক ত্রি-দেশীয় একদিনের সিরিজে ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের ৫ ফেব্রুয়ারি ব্রিসবেনে শচীন ১৬,০০০ রান পূর্ণ করেন। এই প্রতিযোগিতার প্রথম ফাইনালে তিনি অপরাজিত ১১৭*[১০৮] এবং দ্বিতীয় ফাইনালে ৯১ রান করে ভারতকে জয়ী করেন।[১০৯]

২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারত সফরে এলে একটি মাত্র ইনিংস খেলে কুঁচকিতে চোট পান।[১১০] ফলে প্রতিযোগিতার বাকি দুই টেস্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতা ও ২০০৮ এশিয়া কাপ খেলতে পারেননি।[১১১]

২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে তিনটি টেস্টে মাত্র ১৫.৮৩ গড়ে মোট ৯৫ রান করলে ভারত এই প্রতিযোগিতায় হেরে যায়।[১১২] এই সফরে একদিনের ক্রিকেটে চোটের জন্য শচীনকে সরে যেতে হয়। কিন্তু পরের অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনি টেস্টে মোট ১২,০০০ রান করে ব্রায়ান লারার রেকর্ড ভেঙ্গে টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের বিশ্বরেকর্ড করেন। এই প্রতিযোগিতায় দুইটি অর্ধ-শতরান ও একটি শতরান করলে ভারত প্রতিযোগিতা জিতে যায়। কিন্তু এরপর আবার চোটের জন্য ইংল্যান্ডের ভারত সফরের সাতটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের প্রথম তিনটি থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টে অপরাজিত ১০৩* রান করে ভারতকে জয় করেন। কিন্তু ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিকে শ্রীলঙ্কা সফরে তেন্ডুলকর ব্যর্থ হন। এরপর নিউজিল্যান্ড সফরে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অপরাজিত ১৬৩ এবং প্রথম টেস্টে ১৬০ করে বিয়াল্লিশতম টেস্ট শতরান করেন। এরপর ত্রি-দেশীয় কম্প্যাক কাপের ফাইনালে ১৩৮ রান করে ভারতকে কাপজয়ী করেন।

২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফরের প্রথম চারটি ম্যাচে শচীন যথাক্রমে ১৪, ৪, ৩২, ৪০ করেন। পঞ্চম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৫০ ওভারে ৩৫০/৪ রান করলে তাঁর জবাবে শচীন ১৪১ বলে ১৭৫ রান করলেও শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত মাত্র ৩ রানে পরাজিত হয়। এই ম্যাচে তেন্ডুলকর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৭,০০০ রান করেন।

এরপর শচীন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্টে একটি [১১৩] ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুইটি শতরান করেন। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত সফরে তিনি টেস্টে দুইটি শতরান এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের প্রথম দ্বি-শতরান করেন।[১১৪]

২০১০ সালের অক্টোবর মাসে টেস্টে ১৪,০০০ রানের পথে তেন্ডুলকর

বিশ্বকাপ জয়[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান
টেস্ট ক্রিকেট একদিনের আন্তর্জাতিক
 অস্ট্রেলিয়া ১১
 শ্রীলঙ্কা
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 ইংল্যান্ড
 নিউজিল্যান্ড
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
 জিম্বাবুয়ে
 পাকিস্তান
 বাংলাদেশ
 কেনিয়া
 নামিবিয়া
মোট ৫১ ৪৯

২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ৫৩.৫৫ গড়ে ৪৮২ রান করে শ্রীলঙ্কার তিলকরত্নে দিলশানের পরেই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং ভারতের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক হন।[১১৫] এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে বিশ্বকাপ জয় করে।[১১৬] তেন্ডুলকরের জীবনে এটি ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সময়।[n ২]

শততম শতরানের পথে[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপের পরে শচীন জুলাই মাসে ইংল্যান্ড সফরে যান।[১১৮] এই সফর চলাকালীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তেন্ডুলকরের টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক মিলিয়ে শততম শতরানের সম্ভাবনার ব্যাপারে জনমানসে যথেষ্ট উৎসাহ থাকলেও তিনি ৩৪.১২ গড়ে রান করে সর্বাধিক ৯১ রান করতে সক্ষম হন।[১১৯][১২০] এই প্রতিযোগিতায় ভারত ০-৪ ফলাফলে পরাজিত বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট র‌্যাঙ্কিং থেকে নেমে যায়। এই প্রতিযোগিতায় শচীন পুনরায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ান।[১১৯] ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই নভেম্বর তেন্ডুলকর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠে খেলতে নেমে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ১৫,০০০ রান করার বিশ্বরেকর্ড করেন।[১২১][১২২]

২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ মার্চ তেন্ডুলকর ২০১২ এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে তাঁর বহুপ্রতীক্ষিত শততম শতরান করে বিশ্বরেকর্ড করেন।[১২৩][n ৩] এই রেকর্ডের পরেও ভারত বাংলাদেশের নিকট পরাজিত হয়।[১২৫]

অবসর[সম্পাদনা]

টেস্টে ধারাবাহিকভাবে অর্ধ-শতক লাভকারী ক্রিকেটার
দক্ষিণ আফ্রিকা এবি ডি ভিলিয়ার্স
১২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ভিভ রিচার্ডস
১১
ভারত গৌতম গম্ভীর
১১
ভারত বীরেন্দ্র শেওয়াগ
১১
বাংলাদেশ মমিনুল হক
১১
ইংল্যান্ড জন এডরিচ
১১
ভারত শচীন তেন্ডুলকর
১০

উৎস: ক্রিকইনফো
যোগ্যতা: খেলোয়াড়ী জীবনে ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ১০ অর্ধ-শতক

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আশানুরূপ খেলতে না পারায় শচীন ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ডিসেম্বর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেন।[১২৬][১২৭][১২৮] এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় মনে করেন যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন প্রতিযোগিতায় শচীনের খেলা উচিত ছিল। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে[n ৪]জাভাগাল শ্রীনাথ[n ৫] শচীনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই অক্টোবর তেন্ডুলকর ঘোষণা করেন যে, তিনি তাঁর জীবনের ২০০তম টেস্ট খেলে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন।[১৩০] ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সেই অনুযায়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঐ বছর নভেম্বর মাসে কলকাতা ও মুম্বই শহরে দুইটি টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করেন।[১৩১][১৩২] মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত তাঁর ২০০তম টেস্ট ম্যাচে তিনি ৭৪ রান করেন, ফলে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ১৬,০০০ থেকে মাত্র ৭৯ রান দূরে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেন।[১৩৩] শচীনের অবসরকে উল্লেখযোগ্য করতে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলমুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।[১৩৪][১৩৫]

টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট[সম্পাদনা]

টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেটে শচীন তেন্ডুলকর[৫৫]
  ম্যাচ রান সর্বাধিক রান শতরান অর্ধ-শতরান গড়
টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক[১৩৬] ১০ ১০ ১০.০০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ[১৩৭] ৭৮ ২৩৩৪ ১০০* ১৩ ৩৪.৮৩
চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টুয়েন্টি২০[১৩৮] ১৩ ২৬৫ ৬৯ ২০.৩৮

২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একমাত্র টোয়েন্টি ২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি এই ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবেন না।[১৩৯]

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ প্রতিযোগিতায় ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে শচীনকে ১,১২১,২৫০ $ চুক্তিতে[১৪০] মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের অধিনায়ক নির্বাচিত করা হয়।[১৪১] ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ প্রতিযোগিতায় মুম্বই ইন্ডিয়ানস ফাইনালে পৌঁছায়। এই প্রতিযোগিতায় শচীন ১৪টি ইনিংসে ৬১৮ রান করে প্রতিযোগিতার সেরা, সবচেয়ে ভালো ব্যাটসম্যান ও সবচেয়ে ভালো অধিনায়কের পুরস্কার জিতে নেন। ২০১১ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ প্রতিযোগিতায় কোচি টাস্কার্স কেরালা দলের বিরুদ্ধে শচীন মাত্র ৬৬ বলে অপরাজিত ১০০ রান করে তাঁর একমাত্র টুয়েন্টি ২০ শতরান করেন। এই প্রতিযোগিতায় তিনি মোট ১,৭২৩ রান করেন।[১৪২] ২০১৩ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ প্রতিযোগিতায় ২৬শে মে ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স চেন্নাই সুপার কিংস দলকে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স মাঠে ২৩ রানে পরাজিত করলে তিনি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ থেকে অবসরের কথা ঘোষনা করেন।[২৬] ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় খেলার পর তেন্ডুলকর টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।[১৪৩]

খেলার ধরণ[সম্পাদনা]

ব্যবসায়িক প্রাপ্তি[সম্পাদনা]

ক্রিকেটে তেন্ডুলকরের অবদানকে পুঁজি করে তাঁর অসম্ভব জনপ্রিয়তার দরুন অতীতের যেকোন বাণিজ্যিক চুক্তিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় যখন তিনি ১৯৯৫ সালে ওয়ার্ল্ডটেলের সাথে ৩০ কোটি (US$৫.৯৯ মিলিয়ন) চুক্তিবদ্ধ হন।[১৪৪] পরবর্তীতে ২০০১ সালে আবারো ৫ বছরের জন্য নবায়ণ করেন ৮০ কোটি (US$১৫.৯৬ মিলিয়ন)র বিনিময়ে।[১৪৫]

২০০৬ সালে সাচি এন্ড সাচি’র সাথে ১৮০ কোটি (US$৩৫.৯১ মিলিয়ন) তিন বছর মেয়াদী চুক্তি করেন।[১৪৬] টেন্ডুলকার তাঁর জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে দু’টি রেস্টুরেন্ট হিসেবে - তেন্ডুলকর’স,[১৪৭] কোলাবা, মুম্বই এবং শচীন’স,[১৪৮] মুলুন্দ, মুম্বাই চালু করেন। মার্স রেস্টুরেন্টের মালিক সঞ্জয় নারাং এর সাথে উক্ত রেস্টুরেন্টগুলো যৌথভাবে পরিচালিত করছেন। এছাড়াও, তিনি ব্যাঙ্গালোরে শচীন’স নামে নতুন একটি রেস্তোরাঁ চালু করবেন। ২০০৭ সালে শচীন ফিউচার গ্রুপ এবং মানিপাল গ্রুপের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে স্বাস্থ্যসেবা এবং খেলাধূলায় শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ‘এস ড্রাইভ এণ্ড সাচ’ নামক পণ্য উৎপাদনে আসার ঘোষণা করে।[১৪৯] ভার্জিন কমিকের পরিবেশনায় শচীনকে মহাবীর প্রদর্শন করে কমিক বই প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে।[১৫০]

বিজ্ঞাপন[সম্পাদনা]

জীবন্ত কিংবদন্তি ও বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে শচীন তেন্ডুলকর নিম্নলিখিত পণ্য ও সংস্থার বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশগ্রহণ করেন:-

ক্রমিক নং পণ্যের নাম মেয়াদকাল
(১) পেপসি ১৯৯২ থেকে বর্তমান[১৫১]
(২) ক্যানন ২০০৬ থেকে ২০০৯[১৫২]
(৩) এয়ারটেল ২০০৪-২০০৬[১৫৩]
(৪) নাজারা টেকনোলোজিস ২০০৫-২০০৮[১৫৪]
(৫) ব্রিটানিয়া ২০০১-২০০৭[১৫৫]
(৬) হোমট্রেড ২০০১-২০০৭[১৫৬]
(৭) সানফিস্ট ২০০৭-২০১৩[১৫৭]
(৮) জাতীয় ডিম সমন্বয় কমিটি ২০০৩-২০০৫[১৫৮]
(৯) বুস্ট ১৯৯০ থেকে বর্তমান[১৫৯]
(১০) একশন শ্যুজ ১৯৯৫-২০০০[১৬০]
(১১) এডিডাস ২০০০-২০১০[১৬১]
(১২) ফিয়েট পালিও ২০০১-২০০৩[১৬২]
(১৩) রেনল্ডস ২০০৭ থেকে বর্তমান[১৬৩]
(১৪) টিভিএস ২০০২-২০০৫[১৬৪]
(১৫) ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস ২০০২ থেকে বর্তমান[১৬৫]
(১৬) জি-হ্যাঞ্জ ২০০৫-২০০৭[১৬৬]
(১৭) স্যানিও বিপিএল ২০০৭ থেকে বর্তমান[১৬৭]
(১৮) এইডস‌ সচেতনতা প্রদর্শনী ২০০৫[১৬৮]
(১৯) কোলগেট-পালমোলাইভ[১৬৯]
(২০) ফিলিপস[১৭০]
(২১) এমআরএফ[১৬৯]
(২২) ভিসা[১৭১]
(২৩) আভিভা
(২৪) রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড গ্রুপ
(২৫) তোসিবা

জীবনী[সম্পাদনা]

বিভিন্ন বইয়ে শচীন তেন্ডুলকরের প্রসঙ্গে আলোচিত হয়েছে। এছাড়াও, নিম্নের বইগুলোতে তেন্ডুলকরের ক্রিকেট জীবনকে উপজীব্য করে রচিত হয়েছে:-

ব্যক্তিগত সম্মাননা ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

তেন্ডুলকর বিভিন্নভাবে দলীয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। উল্লেখযোগ্য সম্মাননা ও পুরস্কারগুলো নিম্নে ছক আকারে দেয়া হলো:-

ক্রমিক নং বিবরণ
(১) আইসিসি পুরস্কার - স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি, ২০১০-এর সেরা ক্রিকেটার
(২) পদ্মবিভূষণ, ভারতের ২য় সর্বোচ্চ পুরস্কার, ২০০৮[১৭৯]
(৩) আইসিসি বিশ্ব একদিনের আন্তর্জাতিক একাদশে খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্তি: ২০০৪ ও ২০০৭
(৪) রাজীব গান্ধী পুরস্কার (খেলা): ২০০৫[১৮০]
(৫) ক্রিকেট বিশ্বকাপ, ২০০৩-এ টুর্ণামেন্টের সেরা খেলোয়াড়
(৬) মহারাষ্ট্র সরকার কর্তৃক সর্বোচ্চ নাগরিকের পুরস্কার লাভ: ২০০১[১৮১]
(৭) পদ্মশ্রী, ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিকের পুরস্কার, ১৯৯৯[১৮২]
(৮) খেলাধূলায় ভারতে সর্বোচ্চ সম্মাননা হিসেবে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন লাভ: ১৯৯৭-৯৮[১৮৩]
(৯) উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার: ১৯৯৭
(১০) ক্রিকেটে অভূতপূর্ব ফলাফল করায় ভারত সরকার কর্তৃক অর্জুন পুরস্কার লাভ[১৮৪]
(১১) অক্টোবর, ২০১০-এ লন্ডন স্পোর্ট এন্ড দ্য পিপল্‌স চয়েজ এওয়ার্ড হিসেবে দি এশিয়ান এওয়ার্ড লাভ[১৮৫]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. তিনি ৬৭.৭৭ গড়ে মোট ৫৮৩ রান করে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।
  2. তিনি ঐ ওভারে ৬, ৪, ০, ৬, ৬, ৬ রান করেন।

উদ্ধৃতি[সম্পাদনা]

  1. He looked the embodiment of India's famous opener, Gavaskar, and indeed was wearing a pair of his pads. While he displayed a full repertoire of strokes in compiling his maiden Test hundred, most remarkable were his off-side shots from the back foot. Though only 5ft 5in tall, he was still able to control without difficulty short deliveries from the English pacemen.[৬৯]
  2. Winning the World Cup is the proudest moment of my life.... I couldn't control my tears of joy.[১১৭]
  3. It's been a tough phase for me ... I was not thinking about the milestone, the media started all this, wherever I went, the restaurant, room service, everyone was talking about the 100th hundred. Nobody talked about my 99 hundreds. It became mentally tough for me because nobody talked about my 99 hundreds.[১২৪]
  4. tough to see an Indian (ODI) team list without Tendulkar's name in it[১২৯]
  5. "changed the way ODIs were played right from the time he opened in New Zealand in 1994[১২৯]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bal, Sambit। "Sachin Tendulkar—Cricinfo Profile"Cricinfo। সংগৃহীত ১৪ ডিসেম্বর ২০০৭ 
  2. "Sachin Tendulkar: Bio, Facts"। Celebrity Bio, Facts। সংগৃহীত ২০১৭-০৫-৩০ 
  3. Boria Majumdar (19 October 2013). "Sachin's the greatest batsman of modern era: Clarke." The Times of India.
  4. Alex Brown (11 October 2013). "Cricket's greatest batsmen: Sachin Tendulkar v Don Bradman." News.com.au
  5. অবশেষে শততম শতকে টেন্ডুলকার
  6. Shiva Jayaraman (১০ অক্টোবর ২০১৩)। "34,273 runs and counting | Sachin Tendulkar's career in numbers"Cricinfo। সংগৃহীত ১০ অক্টোবর ২০১৩ 
  7. NDTV Correspondent (৫ ডিসেম্বর ২০১২)। "Sachin Tendulkar completes 34000 runs in international cricket | India vs England 2012 - News | NDTVSports.com"। Sports.ndtv.com। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  8. "Sachin's poor run continues. Should the Master Blaster call it a day? : SPORT – India Today"। Indiatoday.intoday.in। ৭ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  9. Firstpost। "Sachin Tendulkar completes 34000 international career runs! – Sachin Tendulkar Videos : Firstpost Topic – Page 1"। Firstpost.com। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  10. "Records / Combined First-class, List A and Twenty20 / Batting records ; Most runs in career"। Stats.espncricinfo.com। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  11. "CLT20: Sachin Tendulkar first Indian to reach 50,000 runs in all formats"। ৫ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  12. PTI Oct 5, 2013, 10.44PM IST (২০১৩-১০-০৫)। "Sachin Tendulkar reaches 50,000-run landmark across all formats - Times Of India"। Timesofindia.indiatimes.com। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  13. "Tendulkar second-best ever: Wisden"। Rediff.com। সংগৃহীত ২৭ নভেম্বর ২০০৮ 
  14. The Tribune Sachin the second best ever, says Wisden. Dec 14, 2002
  15. "Reliving a dream"The Hindu। ৬ এপ্রিল ২০১১। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১১ 
  16. "Don Bradman, Shane Warne in Wisden's XI"theaustralian.com। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  17. "WG Grace and Shane Warne in Wisden all-time World Test XI"। BBC.co.uk। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  18. "Sachin Tendulkar in Wisden's All-time World Test XI"NDTV। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  19. "Sachin Tendulkar named in Wisden all-time World Test XI"। DNA India। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  20. "Sachin Tendulkar named cricketer of the year"। সংগৃহীত ২৪ নভেম্বর ২০১০ 
  21. "Rajya Sabha stint"Hindustan Times। ৪ জুন ২০১২। সংগৃহীত ৪ জুন ২০১২ 
  22. "Tendulkar announces limited-overs retirement"। Wisden India। সংগৃহীত ২৩ ডিসেম্বর ২০১২ 
  23. "Sachin Tendulkar retires from ODIs – Times of India"। Articles.timesofindia.indiatimes.com। ২৩ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২ আগস্ট ২০১৩ 
  24. "Sachin Tendulkar announces retirment from ODI format" 
  25. "Sachin Tendulkar retires from ODI cricket – Sport – DNA"। Dnaindia.com। সংগৃহীত ২ আগস্ট ২০১৩ 
  26. "Tendulkar calls time on IPL career"। Wisden India। ২৬ মে ২০১৩। 
  27. "Sachin Tendulkar announces retirement from Test cricket"। Times of India। ১০ অক্টোবর ২০১৩। 
  28. "Sachin Tendulkar: India batting legend to retire from all cricket"BBC Sport। ১০ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ১১ অক্টোবর ২০১৩ 
  29. "Sachin first sportsperson to win country’s highest civilian honour Bharat Ratna"। New Delhi: Hindustan Times। ১৬ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১৬ নভেম্বর ২০১৩ 
  30. "Bharat Ratna for Prof CNR Rao and Sachin Tendulkar"Prime Minister's Office (India)। ১৬ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১৬ নভেম্বর ২০১৩ 
  31. Thani, L.; Mishra, R. (১৯৯৯)। Sensational Sachin। Diamond Pocket Books। পৃ: ১১৩। আইএসবিএন 8128825739। "His mother Rajni Tendulkar worked in L.I.C." 
  32. Related Topics: cricket, india, sports, sports players। "Sachin Tendulkar"। Mahalo.com। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  33. "38 special facts about Sachin Tendulkar – 3"। Sports.in.msn.com। ১৬ মার্চ ২০১২। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  34. "HTCricket.com: A special HTCricket section celebrating Sachin Tendulkar's 100th Test"। Hindustantimes.com। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  35. Baliga, Linah (১ এপ্রিল ২০১১<!- – ১৮:৫৪ (UTC) -->)। "Shivaji Park prays for famous son"The Times of IndiaTimes News Network 
  36. Somak Sen (১৭ অক্টোবর ২০০৮)। "Sachin Tendulkar: The last word in cricket"Merinews। সংগৃহীত ৩ জুন ২০০৯ 
  37. "Sachin credible: Master in a school cricket team!"। Mid-day.com। ২৫ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ অক্টোবর ২০১৩ 
  38. "Remembering Sachin Tendulkar's Kanga League debut"Mid-day। ১৭ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৩ জুন ২০১৩ 
  39. G Krishnan (১৭ অক্টোবর ২০১৩)। "The captains who shaped Wonder Boy - Sachin Tendulkar"DNA। সংগৃহীত ৩ জুন ২০১৩ 
  40. Williams, Richard (১৫ মে ১৯৯৯)। "Tendulkar's genius inspires awe"The Independent। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  41. "Tendulkar's interview with BBC"The Indian Express। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  42. Krishnan, G (৩০ অক্টোবর ২০১৩)। "When 13-year-old Sachin Tendulkar fielded for Pakistan team"DNA। সংগৃহীত ৩০ অক্টোবর ২০১৩ 
  43. Naik, Nitin (১ এপ্রিল ২০১১)। "Sachin Tendulkar: From ball boy to champ"The Times of India। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  44. Williams, Richard (১৫ মে ১৯৯৯)। "Ballboy to badshah, Sachin’s Cup story- Sachin Tendulkar in a one-on-one with Lokendra Pratap sahi"The Telegraph। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  45. "A tale of two terrors"Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  46. "Sachin Tendulkar factfile"। espnstar.com। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০০৯ 
  47. "1988–89 Ranji season – Most Runs"। Cricinfo। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০০৯ 
  48. "Rest of India v Delhi in 1989/90"। Cricketarchive। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০০৯ 
  49. "Remembering Sachin Tendulkar's first England tours"। mid-day.com। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০১৩ 
  50. "Who will bat at No. 4 after Sachin Tendulkar?"। thehindu.com। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০১৩ 
  51. "Australia in India, 1997-98-Mumbai v Australians-Brabourne Stadium, Mumbai-24,25,26 February 1998 (3-day match)"Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  52. "Ranji Trophy - 2nd semi final-2000-Mumbai v Tamil Nadu"Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  53. "Sachin puts knock of 233 'at the top'"Rediff.com। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  54. "Sachin Tendulkar's Bradmanesque achievements in Ranji Trophy"The Times of India। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  55. "Statistics / Statsguru / SR Tendulkar /One-Day Internationals"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  56. "List of Test victories"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  57. "List of ODI victories"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  58. "List of T20I victories"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  59. "First-Class Matches played by Sachin Tendulkar"Cricketarchive। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০০৯ 
  60. "His last words: Donald George Bradman"Daily News and Analysis (India)। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১১ 
  61. Andrew Miller and Martin Williamson (১১ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Eleven quirky debuts"Cricinfo। সংগৃহীত ১২ ডিসেম্বর ২০০৭ 
  62. "Sachin Tendulkar Timeline"। Cricinfo। সংগৃহীত ৪ আগস্ট ২০০৯ 
  63. "Exhibition Match, Pakistan v India, 16 Dec 1989"। Feedsuk.cricinfo.com। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮৯। সংগৃহীত ২ আগস্ট ২০১৩ 
  64. "A suitable beginning – Tendulkar takes Qadir on"। সংগৃহীত ৫ আগস্ট ২০০৯ 
  65. "Cricket Records – India in Pakistan Test Series, 1989/90 – Most runs"। Cricinfo। সংগৃহীত ৪ আগস্ট ২০০৯ 
  66. "Batting and Fielding for India in Wills Challenge 1989/90"। Cricketarchive। সংগৃহীত ৫ আগস্ট ২০০৯ 
  67. "Test Batting and Fielding for India in India in New Zealand 1989/90"। Cricketarchive। সংগৃহীত ৫ আগস্ট ২০০৯ 
  68. "Batting and Fielding for India in Rothmans Cup Triangular Series 1989/90"। Cricketarchive। সংগৃহীত ৫ আগস্ট ২০০৯ 
  69. Otway, Graham। "Wisden – England v India 1990"Wisden Almanack। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০০৯ 
  70. "Ind v NZ 27 March 1994 match report"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  71. "Cricket Records – Wills World Cup, 1995/96"Cricinfo। সংগৃহীত ২ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  72. "Australia in India, 1997-98-Mumbai v Australians-Brabourne Stadium, Mumbai-24,25,26 February 1998 (3-day match)"Cricinfo। সংগৃহীত ১৭ Novmeber ২০১৩ 
  73. Nishad Pai Vaidya (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "When Sachin Tendulkar showed Shane Warne who is the boss"CricketCountry.com। সংগৃহীত ১৭ নভেম্বর ২০১৩ 
  74. Ramchand, Partab (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০১)। "Tendulkar's duel with Warne symbolised India's superiority"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ১৭ নভেম্বর ২০১৩ 
  75. "Cricinfo Match Report, IND-AUS 1 April 1998"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  76. "Sachin's operation Desert Storm"। Ibnlive। সংগৃহীত ১৭ নভেম্বর ২০১৩ 
  77. "Down Memory Lane – Shane Warne's nightmare"। Cricketnetwork। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  78. "Asian Test Championship from Feb 14 to March 17 (24 December 1998)"। Cricinfo। ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  79. "Riot police, fires and a sobbing Vinod Kambli"। Cricinfo। ২৮ জানুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  80. "The run-out that sparked a riot"। Cricinfo। ৩০ অক্টোবর ২০১০। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  81. Sri Lanka v India 1998–99। Cricinfo। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  82. "Report on 1999 World Cup match against Kenya"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  83. "List of Captains"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  84. "List of ODI Captains"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  85. "A tale of two captains"। Rediff। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  86. "Match report AUS v IND 3rd Test 26 – December 30, 1999"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  87. "Tendulkar equals Sir Donald Bradman's record at Port of Spain | Cricket News | Global"। ESPN Cricinfo। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  88. "Sachin equals The Don"। BBC। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০০২ 
  89. "Sachin equals Bradman’s record - Twenty of Tendulkar’s best Test hundreds"। Sports.in.msn.com। ২০১২-০৪-২৭। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  90. "Cricinfo.com - Sachin's Live Life khul ke Zone"। Static.espncricinfo.com। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  91. "A special rediff section celebrating Sachin Tendulkar's 100th Test"। rediff.com। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  92. Reuters (২০০২-০৮-২৩)। "Sachin outdoes Bradman with 30th Test hundred - Express India"। Expressindia.indianexpress.com। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৮ 
  93. "India high on Sehwag's 309"। Cricinfo। ২৯ মার্চ ২০০৪। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  94. "'I was taken by surprise': Tendulkar"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  95. "'Don't worry, Sachin': Miandad"। Rediff। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  96. "'Declaration in bad taste': Intikhab Alam"। Rediff। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  97. "'The boys can be justifiably proud': Dravid"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  98. Lynch, Steven (২৩ এপ্রিল ২০১১)। "Tendulkar's tribulations, and the nervous 290s"। সংগৃহীত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  99. Byrant, Nick (২৩ মার্চ ২০০৬)। Is Sachin mortal?। BBC News। সংগৃহীত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  100. "Should have handled Sachin differently in 2007 World Cup: Chappell"The Times of India। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  101. "Tendulkar hurt by comments"। Jamaica Gleaner News। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  102. "Tendulkar faces calls to retire"। BBC News। ৩০ মার্চ ২০০৭। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  103. "Future Cup Statistics"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  104. "Tendulkar gets to 11,000 Test runs"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  105. "Statistics, NatWest Series India in England, 2007"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  106. "Statistics, Australia in India ODI Series, 2007/08"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  107. "Statistics / Statsguru / SR Tendulkar / Batting records / Combined Test, ODI and T20I records"। Cricinfo। সংগৃহীত ৩১ মে ২০১৩ 
  108. "1st Final: Australia v India at Sydney, 2 March 2008"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  109. "2nd Final: Australia v India at Brisbane, 4 March 2008"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  110. f50749 t1870 India v South Africa: South Africa in India 2007/08 (1st Test)। Cricket Archive। সংগৃহীত ৩ এপ্রিল ২০১১ 
  111. "Tendulkar to miss Bangladesh tri-series and Asia Cup"। ২৯ মে ২০০৮। সংগৃহীত ৩ এপ্রিল ২০১১ 
  112. "Statistics / Statsguru / SR Tendulkar / Test matches: Series average"। Cricinfo। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০১১ 
  113. "India vs SL Test Series 2009" 
  114. "Sachin Tendulkar fires record 200 against South Africa"BBC Sport (London)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০। সংগৃহীত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  115. ICC Cricket World Cup, 2010/11 / Records / Most runs। Cricinfo। সংগৃহীত ৩ এপ্রিল ২০১১ 
  116. Miller, Andrew (২ এপ্রিল ২০১১)। Dhoni and Gambhir lead India to World Cup glory। Cricinfo। সংগৃহীত ৩ এপ্রিল ২০১১ 
  117. 'I couldn't control my tears of joy'। Cricinfo। ২ এপ্রিল ২০১১। সংগৃহীত ৩ এপ্রিল ২০১১ 
  118. Tendulkar not thinking of 100th hundred। Cricinfo। ১২ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ১৮ জুলাই ২০১১ 
  119. Tendulkar ruled out of series। Cricinfo। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  120. Miller, Andrew (১৬ আগস্ট ২০১১)। Swann content with team success। Cricinfo। সংগৃহীত ২২ আগস্ট ২০১১ 
  121. "Sachin Tendulkar passes 15,000 Test runs"। BBC Sport। ৯ নভেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ৮ নভেম্বর ২০১১ 
  122. "Sachin Tendulkar becomes the first batsman to score 15,000 Test runs"। Cricket Country। সংগৃহীত ৮ নভেম্বর ২০১১ 
  123. "Sachin Tendulkar gets his ton of tons"। NDTV। সংগৃহীত ১৬ মার্চ ২০১২ 
  124. "'Been a tough phase for me' – Tendulkar"। ESPNcricinfo। ১৬ মার্চ ২০১২। সংগৃহীত ১৬ মার্চ ২০১২ 
  125. "Bangladesh beat India after Sachin's 100th"IBNLive। ১৬ মার্চ ২০১২। সংগৃহীত ১৭ নভেম্বর ২০১৩ 
  126. Wisden India staff (২৩ ডিসেম্বর ২০১২)। "Tendulkar announces limited-overs retirement"। Bangalore: Wisden India। সংগৃহীত ২৩ ডিসেম্বর ২০১২ 
  127. "Hindustan Times Article"। Mumbai। PTI। ২০১২-১২-২৩T১৪:৫৬:০০Z। 
  128. "India Today Article"। Mumbai। PTI। ২০১২-১২-২৩T১২:১৭:০০Z। 
  129. Wisden India staff and Agencies (২৩ ডিসেম্বর ২০১২)। "Tributes to Tendulkar"। Wisden India। সংগৃহীত ২৩ ডিসেম্বর ২০১২ 
  130. "Tendulkar to retire after 200th Test"। Wisden India। ১৫ অক্টোবর ২০১৩। 
  131. "Tendulkar to bid farewell in Mumbai"। Wisden India। ১৫ অক্টোবর ২০১৩। 
  132. "Will consider Sachin Tendulkar's request to play 200th Test in Mumbai, says BCCI"NDTV। ১১ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৮ নভেম্বর ২০১৩ 
  133. "Tendulkar exits for 74, India build lead"। Cricinfo। ১৫ অক্টোবর ২০১৩। 
  134. "MCA honours Sachin Tendulkar"The Hindu। ১২ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  135. Narula, Chetan (১৩ নভেম্বর ২০১৩)। "Fans get shortchanged in build-up to Sachin Tendulkar’s last test"Live Mint। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  136. "Tendulkar profile"Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  137. "IPL Records-Most Runs"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  138. "CLT20 Records-Most Runs"। Cricinfo। সংগৃহীত ২৫ এপ্রিল ২০১২ 
  139. "Sachin is right in not playing international T20: Rajput" 
  140. Kelso, Paul (২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Testosterone sparks Indian Premier League bidding frenzy"The Guardian (UK)। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  141. "Tendulkar to lead 'Mumbai Indians'"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  142. Records / Indian Premier League / Most runs। Cricinfo। সংগৃহীত ২৩ মে ২০১১ 
  143. "Sachin Tendulkar, Rahul Dravid bid goodbye, Twitter overflows with emotion"NDTV। সংগৃহীত ৮ অক্টোবর ২০১৩ 
  144. "A Brand Name called Sachin Tendulkar". The Times of India. Retrieved 2002-08-07.
  145. "$17 mn deal for Sachin". Rediff. 2001-05-16.
  146. "Sachin still sells; get Rs 180 crore deal". Hindustan Times. 2006-05-16.
  147. "Sachin opens restaurant, plans chains". Rediff. 2002-07-19.
  148. "Sachin expands restaurant business". The Economic Times. 2004-10-17.
  149. "Sachin Tendulkar becomes stakeholder in a joint venture". The Indian Express. 2007-02-07.
  150. "Sachin Tendulkar becomes stakeholder in a joint venture". London: BBC. 2007-02-07.
  151. "Pepsi celebrates Sachin at 29". The Hindu Business Line. 2002-04-25.
  152. "Canon clicks Sachin as brand ambassador". The Hindu Business Line. 2006-11-07.
  153. "Airtel drops Tendulkar as brand ambassador". The Indian Express. Retrieved 2006-11-03.
  154. "Nazara Signs India's Biggest Mobile Content Deal With Cricket Superstar Sachin Tendulkar". PRWeb. Retrieved 2005-02-15.
  155. "Sachin to bat for Britannia". Financial Express. Retrieved 2001-11-02.
  156. "Ad guys home in on unpaid dues". The Hindu Business Line. Retrieved 2002-05-02.
  157. "ITC Foods bets big on `Sachin Fit Kit' range". Sify. Retrieved 2007-03-09.
  158. "Star Gaze: How Sachin and Raveena ad it up". The Economic Times. Retrieved 2003-11-06.
  159. "Pharma cos get Boost (er) dose from cricketers & Bollywood". The Economic Times. Retrieved 2005-12-12.
  160. "The Don and the New Master". India Today. Retrieved 1998-09-07.
  161. "Sachin to remain adidas brand ambassador post retirement too!". Fibre2Fashion. Retrieved 2006-05-29.
  162. "Fiat puts Tendulkar in driver's seat". The Hindu. Retrieved 2001-08-01.
  163. "Reynolds plans product line with Tendulkar". The Hindu Business Line. Retrieved 2007-02-01.
  164. "TVS signs Sachin as brand ambassador". The Hindu Business Line. Retrieved 2002-02-16.
  165. "Sachin to bat for ESPN-Star Sports". The Indian Express. Retrieved 2007-02-07.
  166. "G-Hanz unveils `safe' mobiles". The Indian Express. Retrieved 2007-01-24.
  167. "Sachin to endorse Sanyo BPL brands". Zee News. Retrieved 2007-02-26.
  168. "Sachin & BCCI to spread AIDS Awareness message". Thatscricket. 2005-03-22. Archived from the original on 2007-09-30.
  169. "Sachin Tendulkar makes money faster than runs". Indian Express. Retrieved 1999-05-19.
  170. "Sachin Tendulkar makes money faster than runs". Indian Express. Retrieved 1999-05-19.
  171. "Sachin Tendulkar makes money faster than runs". Indian Express. 1999-05-19. Retrieved 2008-03-03.
  172. Book: Sachin: The Story of the World's Greatest Batsmanএএসআইএন 0143028545 
  173. "Man of letters"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  174. "Willow talk"The Telegraph (Kolkota, India)। ১২ মার্চ ২০০৫। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  175. "Sachin Tendulkar – Masterful"। Cricinfo। সংগৃহীত ১ জুন ২০০৮ 
  176. Book: If Cricket is a Religion, Sachin is Godএএসআইএন 8172238215 
  177. "Book: Master Stroke: 100 Centuries of Sachin Tendulkar"। সংগৃহীত ২৮ মার্চ ২০১২ 
  178. Murray, Peter; Shukla, Ashish (২০০২)। Sachin Tendulkar: Masterful। Murray Advertising। আইএসবিএন 81-7167-806-8  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  179. "Tendulkar receives Padma Vibhushan"। Chennai, India: The Hindu। ২০০৮-০৫-০৬। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০১ 
  180. "Rajiv Gandhi Awards – Categories & Awardees"। Rajiv Gandhi Awards। সংগৃহীত ২০০৯-০৮-২০ 
  181. "Sachin got Maharashtra Bhushan award"। Cricinfo.com। সংগৃহীত ২০০৯-১২-০২ 
  182. "Padma Awards Directory, 1954–2007" (PDF)। Ministry of Home Affairs, Government of India। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০১ 
  183. "List of Rajiv Gandhi Khel Ratna Award Winners"। Ministry of Youth Affairs and Sports, Government of India। আসল থেকে ২০০৭-১২-২৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০১ 
  184. "List of Arjuna Awardees"। Ministry of Youth Affairs and Sports, Government of India। আসল থেকে ২০০৭-১২-২৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০১ 
  185. Sachin Awarded in London