বিহার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিহার

बिहार

—  রাজ্য  —
Official seal of বিহার बिहार
Seal
মহাবোধি মন্দির, বুদ্ধের জীবনের সঙ্গে জড়িত বৌদ্ধদের চার মহাতীর্থের অন্যতম এবং একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান[১]
তে বিহার
बिहार এর অবস্থান
স্থানাঙ্ক ২৫°২২′উত্তর ৮৫°০৮′পূর্ব / ২৫.৩৭° উত্তর ৮৫.১৩° পূর্ব / 25.37; 85.13স্থানাঙ্ক: ২৫°২২′উত্তর ৮৫°০৮′পূর্ব / ২৫.৩৭° উত্তর ৮৫.১৩° পূর্ব / 25.37; 85.13
দেশ ভারত
অঞ্চল অঙ্গ অঞ্চল, ভোজপুর অঞ্চল, মগধ অঞ্চল, মিথিলা অঞ্চল
State বিহার
বিভাগ পাটনা, তিরহাট, সরন, দারভাঙা, কোশী, পুর্ণিয়া, ভাগলপুর, মুঙ্গের, মগধ
জেলাসমূহ ৩৮
বিহার ১৯১২
রাজধানী পাটনা
বৃহত্তম নগরী পাটনা
বৃহত্তম মেট্রো পাটনা
রাজ্যপাল দেবানন্দ কোঁয়ার
মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার
আইন - সভা (আসন) দ্বিকক্ষীয় (২৪৩ + ৯৬)
সংসদীয় নির্বাচনক্ষেত্র বিহারের লোকসভা কেন্দ্র
হাইকোর্ট পাটনা হাইকোর্ট
জনসংখ্যা

ঘনত্ব

১০০[২] (3rd)

৮৩৭ /কিমি (২,১৬৮ /বর্গমাইল)[২]

লিঙ্গ অনুপাত 108.8 /
এইচডিআই (2005) বৃদ্ধি
0.449 (low) (28th)
সাক্ষরতা

• Male
• Female

54.1% (28th)

• 59.7%
• 33.1%

অফিসিয়াল ভাষাসমূহ হিন্দি, উর্দু
সময় অঞ্চল আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
আয়তন ৯৯,২০০ বর্গকিলোমিটার (৩৮,৩০০ মা) (12th)
জলবায়ু

বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
তাপমাত্রা
• গ্রীষ্মকালীন
• শীতকালীন

ETh (Köppen)

     ১,২০০ মিমি (৪৭ ইঞ্চি)
     ২৭ °সে (৮১ °ফা)
     ৩৪ °সে (৯৩ °ফা)
     ১০ °সে (৫০ °ফা)

আইএসও ৩১৬৬-২ IN.BR
Portal প্রবেশদ্বার: বিহার  
ওয়েবসাইট gov.bih.nic.in

বিহার (ভোজপুরী: बिहार উচ্চারিত [bɪˈhaːr] ( শুনুন)) পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য[১][২] এই রাজ্যের আয়তন ৩৮,২০২ বর্গমাইল (৯৯,২০০ বর্গকিলোমিটার)। আয়তনের বিচারে এটি দেশের দ্বাদশ বৃহত্তম রাজ্য। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিহার ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বাস করেন। বিহারিদের ৫৮ শতাংশের বয়স পঁচিশের কম।[৩] এই হার ভারতের ক্ষেত্রে সর্ব অধিক।

বিহার পূর্বদিকে পশ্চিমবঙ্গের আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল এবং পশ্চিমে উত্তরপ্রদেশের প্রায়-আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে বিহারের জলবায়ু, অর্থনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উক্ত রাজ্যদ্বয়ের মাঝামাঝি স্তরের। এই রাজ্যের উত্তরে নেপাল রাষ্ট্র এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড রাজ্য। বিহারের সমভূমি অঞ্চল এই রাজ্যের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত গঙ্গা নদী কর্তৃক দ্বিধাবিভক্ত। বিহারের প্রজ্ঞাপিত বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬,৭৬৪.১৪ বর্গকিলোমিটার[৪] যা এই রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ৬.৮ শতাংশ। রাজ্যের সরকারি ভাষা হিন্দিউর্দু। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা অঙ্গিকা, ভোজপুরি, মাগধী, মৈথিলী ও বজ্জিকার মধ্যে যে কোনো একটি বিহারি ভাষা

বর্তমানে বিহার অবশ্য মানবীয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিতে একটি পিছিয়ে পড়া ভারতীয় রাজ্য।[৫][৬][৭] অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মীরা দাবি করেন এই পিছিয়ে পড়ার কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের জটিল পণ্য সমতা নীতি,[৮][৯] ও বিহারে এই নীতির বিরূপ প্রভাব[৩][১০][১১] এবং বিহারী উপ-জাতীয়তাবাদের অভাব,[৯][১২][১৩] এছাড়াও ১৭৯৩ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তও এই অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।[৯] যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের অধীনে এই রাজ্যের অনেক উন্নতি ঘটেছে।[১৪]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "State Profile"। Bihar Government website। 
  2. "Food riots, anger as floods swamp South Asia"। Reuters India। ২০০৮-০৮-২২। 
  3. ৩.০ ৩.১ Guruswamy, Mohan; Kaul Abhishek (২০০৩-১২-১৫)। "The Economic Strangulation of Bihar"। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India।  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  4. "State Profile"। Gov. of India। 
  5. "Bihar's 'first' Economic Survey Report tabled"The Times of India। ২০০৭। সংগৃহীত ২০০৮-০৮-২২ 
  6. "Biharis an unwanted lot: Bal Thackeray"The Times of India। ২০০৮। সংগৃহীত ২০০৮-০৩-০৫ 
  7. "'Bihari' has become an abuse"The Times of India। ২০০৮। সংগৃহীত ২০০৮-০৮-১০ 
  8. Das, Arvind N. (১৯৯২)। The Republic of Bihar। India: Penguin Books। আইএসবিএন 0140123512 
  9. ৯.০ ৯.১ ৯.২ Goswami, Urmi A (২০০৫-০২-১৬)। "'Bihar Needs an Icon, a person who stands above his caste'(Dr Shaibal Gupta - Rediff Interview)"। Rediff। সংগৃহীত ২০০৫-০২-১৬ 
  10. Guruswamy, Mohan; Baitha Ramnis Attar, Mohanty Jeevan Prakash (২০০৪-০৬-১৫)। "Centrally Planned Inequality, the Tale of Two States – Punjab and Bihar"। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India।  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  11. [Mohan]; Mohanty Jeevan Prakash (২০০৪-০২-১৫)। "The De-urbanisation of Bihar"। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India।  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  12. Ahmed Farzand and Mishra Subhash, Leaders of Bihar unite to counter Raj Thackeray, India Today, 31 October 2008
  13. Gupta, Shaibal। "BIHAR : IDENTITY And DEVELOPMENT"। Asian Development Research Institute (ADRI), Patna। আসল থেকে মার্চ ৩০, ২০০৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৬-০৪-৩০ 
  14. Phadnis, Aditi (২০০৮)। "Lalu in the red"Business Standard। সংগৃহীত ২০০৮-০৮-১০