বিহার

স্থানাঙ্ক: ২৫°২২′ উত্তর ৮৫°০৮′ পূর্ব / ২৫.৩৭° উত্তর ৮৫.১৩° পূর্ব / 25.37; 85.13
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বিহার (হিন্দি: बिहार, উর্দু: بہار‎‎; উচ্চারিত [bɪˈhaːr] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন)) পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য[৩][৪] এই রাজ্যের আয়তন ৯৪,১৬৩ বর্গকিলোমিটার (৩৬,৩৫৭ বর্গমাইল)। আয়তনের বিচারে এটি দেশের দ্বাদশ বৃহত্তম রাজ্য। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিহার ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বাস করেন। বিহারিদের ৫৮ শতাংশের বয়স পঁচিশের কম।[৫] এই হার ভারতের ক্ষেত্রে সর্ব অধিক।

বিহার পূর্বদিকে পশ্চিমবঙ্গের আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল এবং পশ্চিমে উত্তরপ্রদেশের প্রায়-আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে বিহারের জলবায়ু, অর্থনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উক্ত রাজ্যদ্বয়ের মাঝামাঝি স্তরের। এই রাজ্যের উত্তরে নেপাল রাষ্ট্র এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড রাজ্য। বিহারের সমভূমি অঞ্চল এই রাজ্যের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত গঙ্গা নদী কর্তৃক দ্বিধাবিভক্ত। বিহারের প্রজ্ঞাপিত বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬,৭৬৪.১৪ বর্গকিলোমিটার[৬] যা এই রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ৬.৮ শতাংশ। রাজ্যের সরকারি ভাষা হিন্দিউর্দু। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা অঙ্গিকা, ভোজপুরি, মাগধী, মৈথিলী ও বজ্জিকার মধ্যে যে কোনো একটি বিহারি ভাষা

বর্তমানে বিহার অবশ্য মানবীয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিতে একটি পিছিয়ে পড়া ভারতীয় রাজ্য।[৭][৮][৯] অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মীরা দাবি করেন এই পিছিয়ে পড়ার কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের জটিল পণ্য সমতা নীতি,[১০][১১] ও বিহারে এই নীতির বিরূপ প্রভাব[৫][১২][১৩] এবং বিহারী উপ-জাতীয়তাবাদের অভাব,[১১][১৪][১৫] এছাড়াও ১৭৯৩ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তও এই অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।[১১] যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের অধীনে এই রাজ্যের অনেক উন্নতি ঘটেছে।[১৬]


প্রশাসক

বিহার বিহার-এ অবস্থিত
শ্রী কৃষ্ণ সিন্হা(১৯৪৬-৬১) কৃষ্ণ বল্লভ সহায়(১৯৬৩-৬৭)
শ্রী কৃষ্ণ সিন্হা(১৯৪৬-৬১)
কৃষ্ণ বল্লভ সহায়(১৯৬৩-৬৭)
জগন্নাথ মিশ্র(১৯৭৫-৭৭,৮০-৮৩)
জগন্নাথ মিশ্র(১৯৭৫-৭৭,৮০-৮৩)
নিতিশ কুমার(২০০৫-২০২০)(২০২০-বর্ত‌মান)
নিতিশ কুমার(২০০৫-২০২০)(২০২০-বর্ত‌মান)
জন্মস্থান অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীগণ
বিহার
बिहार
بہار
ভারতের রাজ্য
Aerial view, Patna (314731093).jpg
Rajgir - 028 Bathing Pool at foot of Hill (9245042360).jpg
Nalanda University India ruins.jpg
Mahabodhi temple.jpg
Maa Mundeshwari Devi.jpg
Art of Mithla, Darbhanga, Bihar.jpg
উপর থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রমে: পবিত্র নদী গঙ্গা, মিশরি ঘাটের কাছে, পাটনা, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, মাতা মুণ্ডেশ্বরী মন্দির কাইমুরে, মিথিলা অঞ্চল থেকে মধুবানী শিল্প, মহাবোধি মন্দির , ব্রহ্ম কুন্ড উষ্ণ প্রস্রবণ ভিতরে রাজগির
ভারতে বিহারের অবস্থান
ভারতে বিহারের অবস্থান
বিহারের মানচিত্র
বিহারের মানচিত্র
স্থানাঙ্ক (পাটনা): ২৫°২২′ উত্তর ৮৫°০৮′ পূর্ব / ২৫.৩৭° উত্তর ৮৫.১৩° পূর্ব / 25.37; 85.13
দেশ India
অঞ্চলপূর্ব ভারত
বিহার প্রদেশ১ এপ্রিল ১৯৩৬
সংক্ষেপে
রাজধানীপাটনা
বৃহত্তম শহরপাটনা
জেলা38
সরকার
 • রাজ্যপালকেশরী নাথ ত্রিপাঠী
 • মুখ্যমন্ত্রীনিতিশ কুমার (জনতা দল (সংযুক্ত))
 • উপ-মুখ্যমন্ত্রীসুশীল কুমার মোদী (ভারতীয় জনতা পার্টি)
 • আইনসভাBicameral
Legislative Council 75
Legislative Assembly 243
 • লোকসভা কেন্দ্র৪০
আয়তন
 • মোট৯৪,১৬৩ বর্গকিমি (৩৬,৩৫৭ বর্গমাইল)
এলাকার ক্রম13th
জনসংখ্যা (2011)[১]
 • মোট১০,৩৮,০৪,৬৩৭
 • ক্রম৩য়
 • জনঘনত্ব১,১০২/বর্গকিমি (২,৮৫০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলভাপ্রস (ইউটিসি+05:30)
UN/LOCODEINBR
আইএসও ৩১৬৬ কোডIN-BR
যানবাহন নিবন্ধনBR
মাউসবৃদ্ধি 0.367 (low)
মাউস ক্রম২১তম (২০০৭-০৮)
সাক্ষরতা৬৩.৪% (২৯তম)
৭৩.৪% (পুরুষ)
৫৩.৩% (মহিলা)
আনুষ্ঠানিক ভাষাহিন্দি
অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিক ভাষাউর্দু
ওয়েবসাইটgov.bih.nic.in
প্রতীক of Bihar[২]
প্রাণীষাঁড় )
পাখিচড়ুই
ফুলগাঁদা
বৃক্ষঅশ্বত্থ

বিহার সরকারের সাংবিধানিক প্রধান হলেন রাজ্যপাল। যিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত হন। নির্বাহী ক্ষমতা মুখ্যমন্ত্রী এবং তাদের মন্ত্রিসভার উপর নির্ভর করে। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে।

রাজ্যের আমলাতন্ত্রের প্রধান হলেন মুখ্য সচিব। যার অধীনে ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা, ভারতীয় পুলিশ পরিষেবা, ভারতীয় বন পরিষেবা এবং রাজ্য সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন শাখা থেকে কর্মকর্তাদের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। বিচার বিভাগের প্রধান বিচারপতি। বিহারে একটি হাইকোর্ট রয়েছে যা ১৯১৬ সাল থেকে কাজ করছে। সরকারের সকল দফতর রাজ্যের রাজধানী পাটনায় অবস্থিত।

রাজ্যটি প্রশাসনিকভাবে ৯টি বিভাগ এবং ৩৮টি জেলায় বিভক্ত। শহরাঞ্চলের প্রশাসনের জন্য বিহারে ১২টি পৌরসভা, ৪৯ টি নগর পরিষদ, এবং ৮০টি নগর পঞ্চায়েত রয়েছে।[১৭][১৮]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

২০২০-২১ অর্থবছরে বিহারের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হয়েছে ৬.৪৪ লক্ষ কোটি টাকা বা ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা কিউবা-এর সমতুল্য ।

রাজ্যের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি হচ্ছে কৃষিকাজ। শিল্পক্ষেত্রে এখনও অনগ্রসর।

বেকারত্ব হার-এ এই রাজ্য ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। ১৫-২৯ বর্ষীয়দের ৩০.৯% এবং সামগ্রিকভাবে ৯.৮% অংশগ্রহণ রয়েছে । শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার-এ এই রাজ্য ভারতের সর্বনিম্ম স্থানে রয়েছে। ১৫-২৯ বর্ষীয়দের ২৭.৬% এবং সামগ্রিকভাবে ৪০.৪% অংশগ্রহণ রয়েছে মাত্র। বিহার ভারতের অন্যতম জনশক্তি সরবরাহকারী রাজ্য। এখানের সুলভ শ্রমিক ভারতের অন্যান্য রাজ্যে কাজের খোঁজে পাড়ি জমায়।

ভাষা[সম্পাদনা]

হিন্দি রাজ্যের সরকারী ভাষা । মোট জনসংখ্যার ৩৯.৮৩% এ ভাষায় কথা বলে । উর্দু রাজ্যের ১৫ টি জেলায় দ্বিতীয় সরকারী ভাষা ও উর্দুতে ০৮.৪২% মানুষ কথা বলে।[১৯] বাংলায় ০২.৫৭% মানুষ কথা বলে। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কোনো একটি আঞ্চলিক বিহারী ভাষায় কথা বলে। যেগুলোকে আদমশুমারির সময় হিন্দির উপভাষা হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। এগুলির মধ্যে প্রধান হল ভোজপুরি (২৮ .৮৬% ), মৈথিলী (১২.৬৮%) এবং মাগধী ভাষা (১০.৮৭%)। এছাড়া অঙ্গিকা এবং বাজজিকা ভাষায় কিছু মানুষ কথা বলে।[২০][২১][২২]

২০১১ গণনা অনুযায়ী ভাষাভিত্তিক তথ্য[২৩]

  হিন্দী (৩৯.৮৩%)
  ভোজপুরি (২৪.৮৬%)
  মৈথিলী (১২.৬৮%)
  মাগধী (১০.৮৭%)
  উর্দু (০৮.৪২%)
  বাংলা (০২.৫৭%)
  সাঁওতালি (০০.৪৪%)
  অন্যান্য (০০.৩৩%)

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিকভাবে বিহারে শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র ছিল নালন্দা (আনুমানিক ৪৫০ খ্রিস্টাব্দ ), ওদন্তপুরী (আনুমানিক ৫৫০ খ্রিস্টাব্দ) এবং বিক্রমশিলা (আনুমানিক ৭৮৩ খ্রিস্টাব্দ) এর প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আবাসস্থল। ১২০০ খ্রিস্টাব্দে ইসলামী হানাদার বখতিয়ার খিলজির দ্বারা নালন্দা এবং বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়।[২৪] ব্রিটিশ শাসনের পরবর্তী সময়ে বিহারের শিক্ষাব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন হয় ১৯১৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের সপ্তম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।[২৫]রাজ্যের পাটনাতে ১৮৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি সর্বাপেক্ষা প্রাচীনতম রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তিক প্রতিষ্ঠান।

আবহাওয়া[সম্পাদনা]

বিহার সম্পূর্ণভাবে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের উপ -ক্রান্তীয় অংশে অবস্থিত। এর জলবায়ুর ধরন আর্দ্র উপ -ক্রান্তীয়। উষ্ণ গ্রীষ্ম এবং ঠাণ্ডা শীতকালে এর তাপমাত্রা সাধারণত উপ -ক্রান্তীয় হয়। বিহারের গড় দৈনিক উচ্চ তাপমাত্রা মাত্র ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। বার্ষিক গড় ২৬ ডিগ্রি জলবায়ু খুব উষ্ণ। কিন্তু খুব কম গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং আর্দ্র মাসও হয়। বছরের বেশ কয়েক মাস তাপমাত্রা ক্রমাগত ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের উপরে, কখনও কখনও ২৯ ডিগ্রী পর্যন্ত উষ্ণ হয়। কম বৃষ্টি হওয়ার কারণে ভ্রমণের জন্য সর্বোত্তম সময় অক্টোবর থেকে এপ্রিল। সর্বাধিক বৃষ্টি মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হয়।[২৬]

Climate
ClassificationCwa
Avg. temperature২৭ °সে (৮১ °ফা)
• Summer৩৪ °সে (৯৩ °ফা)
• Winter১০ °সে (৫০ °ফা)
Precipitation১,২০০ মিমি (৪৭ ইঞ্চি)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "census of india"Census of India 2001Government of India। ২৭ মে ২০০২। ৩ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০০৭ 
  2. "Bihar"Webindia123.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  3. "State Profile"। Bihar Government website। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  4. "Food riots, anger as floods swamp South Asia"। Reuters India। ২০০৮-০৮-২২। 
  5. Guruswamy, Mohan; Kaul Abhishek (২০০৩-১২-১৫)। "The Economic Strangulation of Bihar" (PDF)। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India। ২০০৯-০৫-৩০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-০৪ 
  6. "State Profile"। Gov. of India। 
  7. "Bihar's 'first' Economic Survey Report tabled"The Times of India। ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-২২ 
  8. "Biharis an unwanted lot: Bal Thackeray"The Times of India। ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৩-০৫ 
  9. "'Bihari' has become an abuse"The Times of India। ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-১০ 
  10. Das, Arvind N. (১৯৯২)। The Republic of Bihar। India: Penguin Books। আইএসবিএন 0140123512 
  11. Goswami, Urmi A (২০০৫-০২-১৬)। "'Bihar Needs an Icon, a person who stands above his caste'(Dr Shaibal Gupta - Rediff Interview)"। Rediff। সংগ্রহের তারিখ ২০০৫-০২-১৬ 
  12. Guruswamy, Mohan; Baitha Ramnis Attar, Mohanty Jeevan Prakash (২০০৪-০৬-১৫)। "Centrally Planned Inequality, the Tale of Two States – Punjab and Bihar" (PDF)। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India। ২০০৯-০৩-২৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-০৪ 
  13. [Mohan]; Mohanty Jeevan Prakash (২০০৪-০২-১৫)। "The De-urbanisation of Bihar" (PDF)। Centre for Policy Alternatives, New Delhi, India। ২০০৯-০৩-২৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-০৪  |author-link1= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  14. Ahmed Farzand and Mishra Subhash, Leaders of Bihar unite to counter Raj Thackeray, India Today, 31 October 2008
  15. Gupta, Shaibal। "BIHAR : IDENTITY And DEVELOPMENT"। Asian Development Research Institute (ADRI), Patna। ২০০৫-০৩-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৪-৩০ 
  16. Phadnis, Aditi (২০০৮)। "Lalu in the red"Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-১০ 
  17. "Bihar Civic elections likely in May 2017"। ৩১ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৭ 
  18. "Ward delimitation begins in Chhapra"। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৭ 
  19. Benedikter, Thomas (২০০৯)। Language Policy and Linguistic Minorities in India: An Appraisal of the Linguistic Rights of Minorities in India। Münster: LIT Verlag। পৃষ্ঠা 89। আইএসবিএন 978-3-643-10231-7। ১৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫ 
  20. Chitransh, Anugya (১ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Bhojpuri is not the only language in Bihar"Hill Post। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫ 
  21. Cardona, George; Jain, Dhanesh, সম্পাদকগণ (১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। The Indo-Aryan Languages। Routledge Language Family Series। Routledge। পৃষ্ঠা 500। আইএসবিএন 978-0-415-77294-5...the number of speakers of Bihari languages are difficult to indicate because of unreliable sources. In the urban region most educated speakers of the language name Hindi as their language because this is what they use in formal contexts and believe it to be the appropriate response because of lack of awareness. The uneducated and the urban population of the region return Hindi as the generic name for their language. 
  22. "Archived copy" (PDF)। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১৬ 
  23. http://www.censusindia.gov.in/2011census/C-16.html
  24. Altekar, Anant Sadashiv (1965). Education in Ancient India, Sixth, Varanasi: Nand Kishore & Bros.
  25. "Profile of Patna University"Patna University। ১০ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৫ 
  26. "imdpune.gov.in/" (PDF) 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]