চট্টগ্রাম জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
চট্টগ্রাম
জেলা
চট্টগ্রাম শহর
বাংলাদেশে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২০′১৫″উত্তর ৯১°৫০′২০″পূর্ব / ২২.৩৩৭৫° উত্তর ৯১.৮৩৮৯° পূর্ব / 22.3375; 91.8389স্থানাঙ্ক: ২২°২০′১৫″উত্তর ৯১°৫০′২০″পূর্ব / ২২.৩৩৭৫° উত্তর ৯১.৮৩৮৯° পূর্ব / 22.3375; 91.8389
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম
প্রতিষ্ঠাকাল ১৬৬৬
আয়তন
 • মোট ৫২৮৩ কিমি (২০৪০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৭৯,১৩,৩৬৫
 • ঘনত্ব ১৫০০/কিমি (৩৯০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৮.৯০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৪০০০
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পাহাড়, সমুদ্র, উপত্যকা, বন-বনানীর কারণে চট্টগ্রামের মতো ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বাংলাদেশের আর কোন জেলার নেই।

পরিচ্ছেদসমূহ

আয়তন[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার মোট আয়তন ৫,২৮৩ বর্গ কিলোমিটার।[২]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলার মোট জনসংখ্যা ৭৯,১৩,৩৬৫ জন।

  • পুরুষ : ৩৯,৮৮,৫৫৩ জন
  • মহিলা : ৩৯,২৪,৮১২ জন

জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১৪৯৮ জন।[৩]

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে ২১°৫৪´ থেকে ২২°৫৯´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°১৭´ থেকে ৯২°১৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান। এ জেলার দক্ষিণে কক্সবাজার জেলা; পূর্বে বান্দরবান জেলা, রাঙ্গামাটি জেলাখাগড়াছড়ি জেলা; উত্তরে ফেনী জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলাবঙ্গোপসাগর অবস্থিত। এছাড়া দ্বীপাঞ্চল সন্দ্বীপ চট্টগ্রামের অংশ।[৪]

প্রতিষ্ঠাকাল[সম্পাদনা]

১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলা গঠিত হয়। তিন পার্বত্য জেলা এ জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল। ১৮৬০ সালে পার্বত্য এলাকা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে এ জেলা ভেঙ্গে কক্সবাজার জেলা গঠিত হয়।[৫]

নামকরণ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রামের প্রায় ৪৮টি নামের খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‌ রম্যভুমি, চাটিগাঁ, চাতগাঁও, রোসাং, চিতাগঞ্জ, জাটিগ্রাম ইত্যাদি। চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ রয়েছে। পণ্ডিত বার্নোলির মতে, আরবি "শ্যাত (খণ্ড)" অর্থ বদ্বীপ, গাঙ্গ অর্থ গঙ্গা নদী‌ এ থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। অপর এক মত অনুসারে ত্রয়োদশ শতকে এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে বার জন আউলিয়া এসেছিলেন, তাঁরা একটি বড় বাতি বা চেরাগ জ্বালিয়ে উঁচু জায়গায় স্থাপন করেছিলেন। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় 'চাটি' অর্থ বাতি বা চেরাগ এবং 'গাঁও' অর্থ গ্রাম। এ থেকে নাম হয় 'চাটিগাঁও'। আবার এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা স্যার উইলিয়াম জোন্সের মতে এ এলাকার একটি ক্ষুদ্র পাখির নাম থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। চট্টগ্রাম ১৬৬৬ সালে মোগল সাম্রাজ্যের অংশ হয়। আরাকানীদের হটিয়ে মোগলরা এর নাম রাখে ইসলামাবাদ। মোগলরা এর প্রশাসনিক সীমানা চিহ্নিত করে। ১৭৬০ সালে নবাব মীর কাশিম আলী খান ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এটি হস্তান্তর করেন। ব্রিটিশরা এর নাম রাখে 'চিটাগাং'।[৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার মানচিত্র

খ্রিষ্টীয় নবম শতাব্দী থেকেই আরবগণ চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে পরিচিত ছিল। এশিয়ার ঘটনাবলী বর্ণনা করেছেন এমন বিখ্যাত পর্তুগিজদের মধ্যে প্রথম ঐতিহাসিক ডি বারোস ১৫৫২ সালে চট্টগ্রামকে এর বন্দরের জন্য বাংলারাজ্যের সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত ও সম্পদশালী নগরী বলে বর্ণনা করেছেন; যেখানে পূর্বাঞ্চলের সকল বাণিজ্য জাহাজ সমবেত হত। বর্মি ঘটনাপঞ্জিতে আরাকান অঞ্চলের নরপতিদের এক দীর্ঘ তালিকা পাওয়া যায়। ষষ্ঠ ও সপ্তম শতকে চট্টগ্রাম আরাকান রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ সকল নরপতির নামের শেষে চন্দ্র পদবী যুক্ত ছিল। ঐতিহাসিক লামা তারনাথ গোপীচন্দ্র নামে এক বৌদ্ধরাজার নাম উল্লেখ করেছেন, দশম শতাব্দীতে যাঁর রাজধানী ছিল চট্টগ্রামে। তিব্বতি জনশ্রুতি মতে চট্টগ্রাম ছিল দশম শতাব্দীতে কর্মরত বৌদ্ধতান্ত্রিক তিলাযোগীর জন্মস্থান। বাংলার শাসক গিয়াসউদ্দীন তুঘলক বাংলাকে লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁও ও তিনটি প্রশাসনিক এলাকায় বিভক্ত করেন। ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ সোনারগাঁও এ ক্ষমতা দখল করেন এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম অধিকার করেন। তিনি চাঁদপুর হতে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি মহাসড়ক এবং চট্টগ্রামের কয়েকটি মসজিদ ও সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। শেরশাহ এর হাতে সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর পতনের পর ১৫৩৮ হতে ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে ঘন ঘন আক্রমণ চালায় এবং প্রকৃতপক্ষে এ সময়ে চট্টগ্রাম তাদেরই শাসনাধীন ছিল। পরবর্তী ১২৮ বছর চট্টগ্রাম পতুর্গিজ ও মগ জলদস্যুদের আবাসস্থলে পরিণত হয়। মোগলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের ফলে সার্বিকভাবে এ জেলায় এবং বিশেষ করে নগরীতে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। অবশ্য পর্তুগিজদের অধিকারে থাকাকালে চট্টগ্রাম নগরী ও বন্দর ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ সুখ্যাতি অর্জন করে। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রধানত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে দিনে দিনে কলকাতার উত্থান ও উন্নয়নের ফলে এতদঞ্চলে চট্টগ্রাম গুরুত্ব হ্রাস পায়। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং পূর্ববাংলা ও আসাম নিয়ে প্রদেশ সৃষ্টি হলে চট্টগ্রাম পুনরায় প্রাধান্য লাভ করে। আসামবেঙ্গল রেলওয়ে নির্মাণের ফলে এর প্রাকৃতিক পশ্চাদভূমির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সাধিত হয় এবং সার্বিকভাবে চট্টগ্রাম ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে।

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবের সময় ৩৪তম বেঙ্গল পদাতিক রেজিমেন্টের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ কোম্পানীগুলি চট্টগ্রামে মোতায়েন ছিল। ১৮ নভেম্বর রাতে উল্লিখিত তিনটি কোম্পানী বিদ্রোহী হয়ে ওঠে এবং জেল থেকে সকল বন্দী মুক্ত করে সিপাহিরা ৩টি সরকারি হাতি, গোলাবারুদ ও ধনসম্পদ নিয়ে চট্টগ্রাম ত্যাগ করে। তারা পার্বত্য ত্রিপুরার সীমান্ত পথ ধরে এগিয়ে সিলেট ও কাছাড়ে পৌঁছে । দূর্ভাগ্যবশত তাদের সকলেই কুকি স্কাউটস এবং পরবর্তীকালে দশম গোর্খা রাইফেল নামে পরিচিত সিলেট লাইট ইনফ্যান্ট্রির হাতে নিহত বা বন্দী হয়।

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল রাতে ৭০০ যুবক কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ে আর্টিলারী কোরের অস্ত্রাগার ও গোলাবারুদের ভাণ্ডার আক্রমণ করে, টেলিফোন ও টেলিফোন অফিস দখল করে এবং ধুম নামক স্থানে রেলপথের ফিসপ্লেট উপড়ে ফেলে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তাছাড়া মাস্টারদা নামে খ্যাত ব্রিটিশ রাজের ভীত কাঁপানো এ বিপ্লবীর তত্ত্বাবধানে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নামে এক উচ্চ শিক্ষিতা বিপ্লবী নারীর নেতৃত্বে পাহাড়তলীতে অবস্থিত ইউরোপীয়ান ক্লাব আক্রমণ করে তা ধ্বংস করে দেয়া হয়। ক্লাব ধ্বংস করে ফেরার পথে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে মহীয়ষী এ নারী পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন। পরবর্তীতে সূর্যসেন ইংরেজ শাসকগণ কর্তৃক গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৩ সালের ২০ এপ্রিল তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশগণ চট্টগ্রামকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে। ফলে চট্টগ্রাম জাপানি আক্রমণের লক্ষ্যস্থলে পরিণত হয়। ১৯৪২ সালের এপ্রিলে পতেঙ্গার বিমানঘাঁটিতে পর পর দুদিন এবং ঐ বছর ২০ ও ২৪ ডিসেম্বর পুণরায় বোমাবর্ষণ করা হয়।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলা ৪১ ওয়ার্ড বিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১৫টি উপজেলা, ৩২টি থানা (উপজেলায় ১৬টি ও ১৬টি মেট্রোপলিটন থানা), ১৪টি পৌরসভা, ১৯০টি ইউনিয়ন, ১২৬৭টি গ্রাম, ৮৯০টি মৌজা, ১৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। [৭][৮]

উপজেলাসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলায় ১৫টি উপজেলা। উপজেলা গুলো হল:

ক্রম নং উপজেলা আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ আনোয়ারা ১১টি ইউনিয়ন
০২ কর্ণফুলি ৫টি ইউনিয়ন
০৩ চন্দনাইশ ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন
০৪ পটিয়া ১টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন
০৫ ফটিকছড়ি ২টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন
০৬ বাঁশখালী ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন
০৭ বোয়ালখালী ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন
০৮ মীরসরাই ২টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন
০৯ রাউজান ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন
১০ রাঙ্গুনিয়া ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন
১১ লোহাগাড়া ৯টি ইউনিয়ন
১২ সন্দ্বীপ ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন
১৩ সাতকানিয়া ১টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন
১৪ সীতাকুণ্ড ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন
১৫ হাটহাজারী ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন

উপজেলাধীন থানাসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলি উপজেলাধীন কর্ণফুলি থানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন। বাকি ১৪টি উপজেলার প্রশাসনিক এলাকাসমূহ ১৬টি থানার অধীন। থানাগুলো হল:

ক্রম নং থানা আওতাধীন প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
০১ আনোয়ারা আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের আংশিক ও অন্য সকল ইউনিয়ন
০২ চন্দনাইশ চন্দনাইশ পৌরসভা এবং চন্দনাইশ উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৩ জোরারগঞ্জ বারৈয়ারহাট পৌরসভা এবং মীরসরাই উপজেলার করেরহাট, হিঙ্গুলী, জোরারগঞ্জ, ধুম, ওসমানপুর, কাটাছড়াদুর্গাপুর ইউনিয়ন
০৪ পটিয়া পটিয়া পৌরসভা এবং কোলাগাঁও ইউনিয়ন ব্যতীত পটিয়া উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়ন
০৫ ফটিকছড়ি ফটিকছড়ি পৌরসভানাজিরহাট পৌরসভা এবং ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং, কাঞ্চননগর, সুন্দরপুর, লেলাং, নানুপুর, রোসাংগিরী, বক্তপুর, জাফতনগর, ধর্মপুর, সমিতিরহাটআব্দুল্লাপুর ইউনিয়ন
০৬ বাঁশখালী বাঁশখালী পৌরসভা এবং বাঁশখালী উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৭ বোয়ালখালী বোয়ালখালী পৌরসভা এবং পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়ন ব্যতীত বোয়ালখালী উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়ন
০৮ ভূজপুর ফটিকছড়ি উপজেলার বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়িসুয়াবিল ইউনিয়ন
০৯ মীরসরাই মীরসরাই পৌরসভা এবং মীরসরাই উপজেলার ইছাখালী, মীরসরাই, মিঠানালা, মঘাদিয়া, খৈয়াছড়া, মায়ানী, হাইতকান্দি, ওয়াহেদপুরসাহেরখালী ইউনিয়ন
১০ রাউজান রাউজান পৌরসভা এবং রাউজান উপজেলার সকল ইউনিয়ন
১১ রাঙ্গুনিয়া রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
১২ লোহাগাড়া লোহাগাড়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
১৩ সন্দ্বীপ সন্দ্বীপ পৌরসভা এবং সন্দ্বীপ উপজেলার সকল ইউনিয়ন
১৪ সাতকানিয়া সাতকানিয়া পৌরসভা এবং সাতকানিয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
১৫ সীতাকুণ্ড সীতাকুণ্ড পৌরসভা এবং সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের আংশিক ও অন্য সকল ইউনিয়ন
১৬ হাটহাজারী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড, হাটহাজারী পৌরসভা এবং হাটহাজারী উপজেলার সকল ইউনিয়ন

মেট্রোপলিটন থানাসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৬টি মেট্রোপলিটন থানা। মেট্রোপলিটন থানাগুলো হল:

ক্রম নং মেট্রোপলিটন থানা আওতাধীন প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
০১ আকবর শাহ ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের পূর্বাংশ
০২ ইপিজেড ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের পূর্বাংশ ও ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের পূর্বাংশ
০৩ কর্ণফুলি কর্ণফুলি উপজেলার সকল ইউনিয়ন, পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়ন, বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়ন এবং আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের আংশিক (কর্ণফুলি নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাড়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত অংশ)
০৪ কোতোয়ালী ১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ২০নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড, ২১নং জামালখান ওয়ার্ড, ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড, ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডের উত্তরাংশ, ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড, ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের উত্তরাংশ এবং ৩৫নং বকশীর হাট ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ
০৫ খুলশী ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ, ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড এবং ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড
০৬ চকবাজার ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডের পূর্বাংশ, ১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডের উত্তরাংশ এবং ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড
০৭ চান্দগাঁও ৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড, ৫নং মোহরা ওয়ার্ড এবং ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড
০৮ ডবলমুরিং ১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড, ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের পূর্বাংশ, ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড, ২৮নং পাঠানটুলী ওয়ার্ড এবং ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের উত্তরাংশ
০৯ পতেঙ্গা ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ, ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ এবং ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড
১০ পাহাড়তলী ১০নং উত্তর কাট্টলি ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলি ওয়ার্ডের উত্তরাংশ এবং ১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের উত্তরাংশ
১১ পাঁচলাইশ ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড এবং ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডের মধ্যাংশ
১২ বন্দর ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ৩৭নং উত্তর মধ্য হালিশহর ওয়ার্ড এবং ৩৮নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ড
১৩ বাকলিয়া ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড, ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড, ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড এবং ৩৫নং বকশীর হাট ওয়ার্ডের পূর্বাংশ
১৪ বায়েজিদ বোস্তামী ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড এবং ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড
১৫ সদরঘাট ২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ী ওয়ার্ড, ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ড, ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ৩৩নং ফিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ড এবং ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ
১৬ হালিশহর ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ, ২৫নং রামপুরা ওয়ার্ড এবং ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড

পৌরসভাসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলায় মোট ১৪টি পৌরসভা। পৌরসভাগুলো হল:

ক্রম নং পৌরসভা অবস্থান
০১ চন্দনাইশ পৌরসভা চন্দনাইশ উপজেলা
০২ নাজিরহাট পৌরসভা ফটিকছড়ি উপজেলা
০৩ পটিয়া পৌরসভা পটিয়া উপজেলা
০৪ ফটিকছড়ি পৌরসভা ফটিকছড়ি উপজেলা
০৫ বারৈয়ারহাট পৌরসভা মীরসরাই উপজেলা
০৬ বাঁশখালী পৌরসভা বাঁশখালী উপজেলা
০৭ বোয়ালখালী পৌরসভা বোয়ালখালী উপজেলা
০৮ মীরসরাই পৌরসভা মীরসরাই উপজেলা
০৯ রাউজান পৌরসভা রাউজান উপজেলা
১০ রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা
১১ সন্দ্বীপ পৌরসভা সন্দ্বীপ উপজেলা
১২ সাতকানিয়া পৌরসভা সাতকানিয়া উপজেলা
১৩ সীতাকুণ্ড পৌরসভা সীতাকুণ্ড উপজেলা
১৪ হাটহাজারী পৌরসভা হাটহাজারী উপজেলা

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার শিক্ষিতের হার ৫৮.৯০%। এ জেলায় রয়েছে:

  • বিশ্ববিদ্যালয় : ১২টি
    • সরকারী : ৩টি
    • বেসরকারী : ৬টি
    • পাবলিক : ৩টি
  • মেডিকেল কলেজ : ২টি
  • আইন কলেজ : ২টি
  • কলেজ : ১১৯টি
    • সরকারী (মাস্টার্স) : ১টি
    • সরকারী (ডিগ্রী/অনার্স) : ৯টি
    • বেসরকারী (ডিগ্রী/অনার্স) : ৮২টি
    • সরকারী (উচ্চ মাধ্যমিক) : ১টি
    • বেসরকারী (উচ্চ মাধ্যমিক) : ২৬টি
  • মাদ্রাসা : ২৯৯টি
  • কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : ৪টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৭১৯টি
    • সরকারী : ৫৮টি
    • বেসরকারী : ৬৩২টি
    • স্কুল এন্ড কলেজ : ২৯টি
  • নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৩২টি
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় : ২৯৯৭টি
    • সরকারী : ১৬৩৪টি
    • বেসরকারী : ৮৪৭টি
    • রেজিস্টার্ড : ৫১৯টি
    • পরীক্ষণ : ২টি
    • অন্যান্য (কিন্ডারগার্টেন সহ) : ৮৪২টি
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ২টি
  • মেরিন একাডেমী : ১টি
  • মিলিটারী একাডেমী : ১টি
  • নেভাল একাডেমী : ১টি
  • মেরিন ফিসারীজ একাডেমী : ১টি
  • পাবলিক লাইব্রেরী : ৮টি

[৯]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয় ডাকনাম প্রতিষ্ঠিত অবস্থান বিশেষায়িত ধরণ ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়[১০][১১] চবি ১৯৬৬ হাটহাজারী, চট্টগ্রাম সাধারণ সরকারি ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়[১২][১৩] চুয়েট ১৯৬৮ রাউজান, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি সরকারি ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্সস বিশ্ববিদ্যালয় চভেএসাবি ১৯৯৫ খুলশী, চট্টগ্রাম কৃষি বিজ্ঞান ও ভেটেরিনারি সরকারি ওয়েবসাইট
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম[১৪] আইআইইউসি ১৯৯৫ সোনাইছড়ি, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি[১৫] ইউএসটিসি ১৯৮৯ চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেসরকারি ওয়েবসাইট
ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়[১৬] ইডিইউ ২০০৬ আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি[১৭] সিআইইউ ২০১৩ জামালখান, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি[১৮] পিসিআইইউ চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়[১৯] পিইউ ২০০২ চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
বেগম গুলচেমনারা ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি[২০] বিজিসিটিইউবি ২০০২ চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি[২১] সাব ২০০১ মেহেদিবাগ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন[২২] এইউডব্লিউ ২০০৮ ২০/এ এম.এম. আলী রোড, চট্টগ্রাম শুধুমাত্র নারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট

মেডিকেল কলেজ[সম্পাদনা]

মেডিকেল কলেজ ডাকনাম প্রতিষ্ঠিত অবস্থান বিশেষায়িত ধরণ ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ চমেক ১৯৫৭ কে বি ফজলুল কাদের রোড, চট্টগ্রাম সাধারণ সরকারি ওয়েবসাইট
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি[১৫] ইউএসটিসি ১৯৮৯ চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেসরকারি ওয়েবসাইট
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ ২০০৫ আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি ওয়েবসাইট
সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ ২০০৬ পূর্ব নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি
বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম সাধারণ বেসরকারি
আর্মি মেডিকেল কলেজ চট্টগ্রাম সামরিক

কলেজ[সম্পাদনা]

কলেজ ঠিকানা সিলেবাস প্রতিষ্ঠা পর্যায়
সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ কলেজ রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৮৭৪ ১১-মাস্টার্স
চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ চট্টগ্রাম সেনানিবাস, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম, জাতীয় পাঠ্যক্রম ইংরেজি মাধ্যম ১৯৬১ প্লে-অনার্স
চট্টগ্রাম ল্যাবরেটরি কলেজ চট্টেশ্বরী রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ২০০১ ১১-১২
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ কলেজ রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-১২
বি এস পাবলিক কলেজ চট্টেশ্বরী রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-১২
সাউথ এশিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ চট্টেশ্বরী রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ৬-১২
চট্টগ্রাম কলেজ কলেজ রোড, চকবাজার জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৮৬৯ ১১-মাস্টার্স
ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ও. আর. নিজাম রোড, জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৯৭৯ প্লে-১২
নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ পতেঙ্গা জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম প্লে-১২
চিটাগাং আইডিয়্যাল স্কুল এন্ড কলেজ জামালখান, চট্টগ্রাম ১৯৯৮
ওয়েস্টার্ন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ সিডিএ মার্কেটের পাশে, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম ২০১০
আশেকানে আউলিয়া কলেজ হামজার বাগ, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-১২
হাজেরা তজু ডিগ্রী কলেজ চাঁন্দগাও জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
চট্টগ্রাম সরকারি বাণিজ্য কলেজ আগ্রাবাদ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৯৪৭ ১১-মাস্টার্স
আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ আগ্রাবাদ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
বিজয় স্মরণী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
চট্টগ্রাম মডেল স্কুল এন্ড কলেজ খুলশী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ২০০৬ ৬-১২
সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম আইস ফ্যাক্টরি রোড, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৯৫৪ ১১-মাস্টার্স
পাথরঘাটা মহিলা কলেজ পাথরঘাটা, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ ও. আর. নিজাম রোড, জি.ই.সি. মোড়, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ ও. আর. নিজাম রোড, খুলশী, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
ব্যারিস্টার সুলতান আহমেদ চৌধুরী কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল এন্ড কলেজ বিশ্বরোড, ওয়াসা মোড় জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম প্লে-১২
ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজ সদরঘাট জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-ডিগ্রী
জে এম সেন কলেজ

ফিরিঙ্গীবাজার, কোতোয়ালী

জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
ডা. ফজলুল হাজেরা কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বি এ এফ শাহীন কলেজ, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম প্লে-১২
উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সিটি গেইট জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১৯৯৪ প্লে-অনার্স
সীতাকুণ্ড ডিগ্রী কলেজ সীতাকুণ্ড জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রী কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ফৌজদারহাট, চট্টগ্রাম জাতীয় পাঠ্যক্রম ইংরেজি মাধ্যম ১৯৫৮ ৭-১২
পাহাড়তলী কলেজ পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
হাটহাজারী কলেজ হাটহাজারী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
কাটিরহাট মহিলা কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
ফটিকছড়ি ডিগ্রী কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
ঈসাপুর বি.এম.সি. কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
নারায়ণহাট আদর্শ কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
নানুপুর লায়লা কবির কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
গুলতাজ স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
হেয়াকোঁ বনানী কলেজ ফটিকছড়ি জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
নাজিরহাট কলেজ নাজিরহাট জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
কুয়াইশ বুড়িশ্চর শেখ মোহাম্মদ সিটি কর্পোরেশন কলেজ কুয়াইশ, হাটহাজারী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-১২
ফতেয়াবাদ কলেজ ফতেয়াবাদ, হাটহাজারী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
মীরসরাই কলেজ মীরসরাই জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
নিজামপুর কলেজ নিজামপুর, মীরসরাই জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বারৈয়ারহাট কলেজ বারৈয়ারহাট জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হাটহাজারী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রাঙ্গুনিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া পদুয়া কলেজ পদুয়া, রাঙ্গুনিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
রাজানগর রানীরহাট কলেজ রাজানগর, রাঙ্গুনিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
উত্তর রাঙ্গুনিয়া কলেজ লালানগর, রাঙ্গুনিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
এম. শাহ্‌ আলম চৌধুরী কলেজ শিলক, রাঙ্গুনিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ বোয়ালখালী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
কধুরখীল জলিল আম্বিয়া কলেজ কধুরখীল, বোয়ালখালী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
সাতকানিয়া সরকারি কলেজ সাতকানিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম ১১-মাস্টার্স
আল-হেলাল আদর্শ কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমেদ চৌধুরী কলেজ সাতকানিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
আলাওল ডিগ্রী কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বাঁশখালী ডিগ্রী কলেজ বাঁশখালী জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
আনোয়ারা কলেজ আনোয়ারা জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
পশ্চিম পটিয়া এ. জে. চৌধুরী কলেজ পটিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
শাহ্‌ মোহছেন আউলিয়া কলেজ আনোয়ারা জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
গাছবাড়িয়া সরকারী কলেজ চন্দনাইশ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
সাতবাড়িয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজ সাতবাড়িয়া, চন্দনাইশ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বরমা কলেজ চন্দনাইশ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
বার আউলিয়া ডিগ্রী কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
চুনতি মহিলা কলেজ চুনতি, লোহাগাড়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
পটিয়া সরকারি কলেজ পটিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
হুলাইন সালেহ নূর ডিগ্রী কলেজ পটিয়া জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
মুজাফফরাবাদ যশোদা নগেন্দ্র নন্দী আবাসিক মহিলা কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
সরকারী হাজী এ.বি. কলেজ সন্দ্বীপ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
মুস্তাফিজুর রহমান কলেজ সন্দ্বীপ জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
রাউজান কলেজ রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
নোয়াপাড়া ডিগ্রী কলেজ নোয়াপাড়া, রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
কুণ্ডেশ্বরী মহিলা কলেজ রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
গহিরা কলেজ গহিরা, রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
অগ্রসর মহিলা কলেজ রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম
ইমাম গাজ্জালি ডিগ্রী কলেজ পাহাড়তলী, রাউজান জাতীয় পাঠ্যক্রম বাংলা মাধ্যম

ভূ-প্রকৃতি[সম্পাদনা]

পাহাড়, নদী, সমুদ্র, অরণ্য, উপত্যকা প্রভৃতি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের জন্যে এ জেলা অন্যান্য জেলা থেকে স্বতন্ত্র। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ৩৩.৮ সে. এবং সর্বনিম্ন ১৪.৫ সে.। বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৩,১৯৪ মিমি।

খনিজ সম্পদ[সম্পাদনা]

জেলার একমাত্র গ্যাস ফিল্ড সাঙ্গু ১৯৯৪ সালে আবিস্কৃত হয়। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কেয়ার্ন এনার্জির এই গ্যাস ফিল্ড নিয়ে চুক্তি সম্পাদিত হয়। ১৯৯৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে এ গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।

নদ নদী[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদীর মধ্যে কর্ণফুলি নদী, হালদা নদী, সাঙ্গু নদী এবং মুহুরী নদী উল্লেখযোগ্য।

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ভাষা ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মত চট্টগ্রাম জেলার জাতীয় ভাষা 'বাংলা' হলেও এ জেলার একটি নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে, যেটি 'চাঁটগাঁইয়া ভাষা' নামে পরিচিত। এ ভাষার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার অধিকাংশ লোক এ ভাষায় কথা বলে।

চট্টগ্রাম জেলা নানান লোকসংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। মুসলমান সম্প্রদায়ের মেজবান এ জেলার একটি ঐতিহ্য। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো যথাযোগ্য মর্যাদা আর আনুষ্ঠানিকতায় পালন করে থাকে। এছাড়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী উৎসব, বিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ, হালখাতা, পূণ্যাহ, নবান্ন, পৌষ পার্বন, অন্ন প্রাশন উপলক্ষে এ জেলার জনগোষ্ঠী লোকজ অনুষ্ঠান পালন করে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বাংলাদেশের সর্বমোট রপ্তানী বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ ভাগ সংঘটিত হয়। অন্যদিকে আমদানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ হার ৮০ ভাগ। রাজস্ব আয়েও চট্টগ্রামের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের মোট রাজস্ব আয়ের শতকরা ৬০ ভাগ আসে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে। বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড। এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ। চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের একমাত্র প্রাকৃতিক সমুদ্র বন্দর।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা[সম্পাদনা]

[২৩]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছেঃ

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কালুরঘাটে অবস্থিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২০ এপ্রিল ক্যাপ্টেন অলি আহমদের নেতৃত্বে মীরসরাই সদরের দক্ষিণে ফেনাফুনি ব্রীজের পাশে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় এবং যুদ্ধে পাকবাহিনীর প্রায় ১০০ সৈন্য নিহত হয়। ১৩ এপ্রিল পাকবাহিনী রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের ঊনসত্তরপাড়ায় ৪৮ জন এবং জগৎমল্লাপাড়ার ৩৫ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে। আনোয়ারা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর কাফকো, কালীগঞ্জ, পরৈকোড়া প্রভৃতি স্থানে সংঘটিত লড়াইয়ে প্রায় ৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং অনেক পাকসেনা হতাহত হয়। পাকসেনারা আমিরাবাদ বণিক পাড়ায় ১৫ জন গ্রামবাসীকে নৃসংশভাবে হত্যা করে এবং মুক্তিযোদ্ধারা জোটপুকুরিয়ায় ১৭ জন রাজাকারকে হত্যা করে। পটিয়া সদরে পাকবাহিনীর দুটি বোমারু বিমান থেকে কয়েক দফা বোমা হামলা চালালে কিছু সংখ্যক বেসামরিক লোক হতাহত হয়। ৩ মে এ উপজেলার মুজাফফরাবাদ গ্রামে পাকবাহিনী অসংখ্য ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। পাকবাহিনী ১৯ মে বাঁশখালীতে ৭৫ জন নারী-পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং অক্টোবর মাসে নাপোড়া গ্রামে ৮৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে। বাড়বকুণ্ড ক্যামিক্যালস ব্রীজের কাছে পাকবাহিনীর সাথে লড়াইয়ে দুইজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ১৩ অক্টোবর কধুরখীল দুর্গাবাড়ি প্রাঙ্গণে পাকবাহিনী গণহত্যা চালায় এবং নাজিরহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম শহর থেকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র দোহাজারীতে স্থানান্তর করা হয়।[২৪]

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন[সম্পাদনা]

  • গণকবর: ৯টি

(পিটিআই প্রাঙ্গন, নাজিরহাট, করেরহাট, লেলাং চা বাগান, দরবার শরীফ, বাগানবাড়ি, দাঁতমারা উল্টোবিট, বাঁশখালী, জোটপুকুরিয়া)

  • বধ্যভূমি: ১৩টি
  • স্মৃতিস্তম্ভ: ৯টি

[২৫]

সাহিত্য[সম্পাদনা]

চট্টগ্রামে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ শুরু হয় ষোড়শ শতকে। সে সময়কার চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খাঁ এবং তার পুত্র ছুটি খাঁর সভাকবি ছিলেন কবীন্দ্র পরমেশ্বরশ্রীকর নন্দী[২৬] কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের অশ্বমেধ পর্বের একটি সংক্ষিপ্ত বাংলা অনুবাদ করেন। আর শ্রীকর নন্দী জৈমিনি সংহিতা অবলম্বনে অশ্বমেধ পর্বের বিস্তারিত অনুবাদ করেন।

চট্টগ্রামের মধ্যযুগের কবি[সম্পাদনা]

কবি শাহ মোহাম্মদ ছগির, রহিমুন্নিসা, আলী রজা, মুহম্মদ মুকিম, কবি মুজাম্মিল, কবি আফজাল আলী, সাবিরিদ খান, কবীন্দ্র পরমেশ্বর, শ্রীকর নন্দী, দৌলত উজির বাহরাম খান, হাজী মুহম্মদ কবির, কবি শ্রীধর, সৈয়দ সুলতান, শেখ পরান, মোহাম্মদ নসরুল্লা খাঁ, মুহাম্মদ খাঁ, নওয়াজিশ খান, করম আলী, কবি কাজি হাসমত আলী

আরাকানের রাজসভায় চট্টগ্রামের কবি[সম্পাদনা]

দৌলত কাজী, মহাকবি আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর, কবি মরদন এবং আব্দুল করিম খোন্দকার[২৭]

অষ্টম শতক থেকে পরবর্তীকালের উল্লেখযোগ্য কবি ও সাহিত্যিক[সম্পাদনা]

কবি আবদুল হাকিম, রামজীবন বিদ্যাভূষণ, ভবানী শঙ্কর দাস, নিধিরাম আচার্য, মুক্তারাম সেন, কবি চুহর, হামিদুল্লা খান, আসকর আলী পণ্ডিত, রঞ্জিত রাম দাস, রামতনু আচার্য, ভৈরব আইচ, নবীন চন্দ্রদাস, নবীনচন্দ্র সেন, শশাঙ্ক মোহন সেনগুপ্ত, আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, বেন্দ্রকুমার দত্ত, হেমেন্দ্র বালা দত্ত, পূর্ণচন্দ্র চৌধুরী, আশুতোষ চৌধুরী, সতীশচন্দ্র বিদ্যাভূষণ।

আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক[সম্পাদনা]

মাহাবুব উল আলম, আবুল ফজল, সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ, ওহীদুল আলম, ডক্টর আবদুল করিম, আহমদ শরীফ, আবদুল হক চৌধুরী, আহমদ ছফা, সুকুমার বড়ুয়া

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

[২৮]

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা সংসদ সদস্য রাজনৈতিক দল
২৭৮ চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৭৯ চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি উপজেলা সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন
২৮০ চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ উপজেলা মাহফুজুর রহমান মিতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮১ চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৯নং উত্তর পাহাড়তলী১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড দিদারুল আলম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮২ চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জাতীয় পার্টি (এরশাদ)
২৮৩ চট্টগ্রাম-৬ রাউজান উপজেলা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮৫ চট্টগ্রাম-৮ শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ব্যতীত বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩নং পাঁচলাইশ, ৪নং চান্দগাঁও, ৫নং মোহরা, ৬নং পূর্ব ষোলশহর৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড মঈনউদ্দীন খান বাদল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
২৮৬ চট্টগ্রাম-৯ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৫নং বাগমনিরাম], ১৬নং চকবাজার, ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া, ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া, ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া, ২০নং দেওয়ান বাজার, ২১নং জামালখান, ২২নং এনায়েত বাজার, ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী, ৩১নং আলকরণ, ৩২নং আন্দরকিল্লা, ৩৩নং ফিরিঙ্গি বাজার, ৩৪নং পাথরঘাটা৩৫নং বকশীর হাট ওয়ার্ড জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলু জাতীয় পার্টি (এরশাদ)
২৮৭ চট্টগ্রাম-১০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৮নং শুলকবহর, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী, ১২নং সরাইপাড়া, ১৩নং পাহাড়তলী, ১৪নং লালখান বাজার, ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ, ২৫নং রামপুরা২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড ডা. আফসারুল আমীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮৮ চট্টগ্রাম-১১ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ, ২৮নং পাঠানটুলী, ২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ী, ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ী, ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা, ৩৭নং উত্তর মধ্য হালিশহর, ৩৮নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর, ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর, ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এম আবদুল লতিফ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮৯ চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া উপজেলা শামসুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৯০ চট্টগ্রাম-১৩ বর্তমান কর্ণফুলি উপজেলা (পটিয়া উপজেলার সাবেক ৫টি ইউনিয়ন) এবং আনোয়ারা উপজেলা সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৯১ চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ উপজেলা এবং সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া, কালিয়াইশ, বাজালিয়া, ধর্মপুর, পুরাণগড়খাগরিয়া ইউনিয়ন নজরুল ইসলাম চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৯২ চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া উপজেলার চরতী, নলুয়া, কাঞ্চনা, আমিলাইশ, এওচিয়া, মাদার্শা, ঢেমশা, পশ্চিম ঢেমশা, ছদাহা, সাতকানিয়াসোনাকানিয়া ইউনিয়ন এবং লোহাগাড়া উপজেলা আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৯৩ চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী উপজেলা মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

[২৯] [৩০]

আনুসঙ্গিক নিবন্ধ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে চট্টগ্রাম"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৩ জুন, ২০১৪ 
  2. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/c48fa905-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE
  3. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/c48fa905-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE
  4. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  5. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  6. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/3cbb4b8b-2144-11e7-8f57-286ed488c766
  7. চট্টগ্রাম জেলা তথ্য বাতায়ন
  8. সিটিজি টাইমস
  9. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/c48fa905-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE
  10. "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১২, ২০১৫ 
  11. ফয়েজুল আজিম (জানুয়ারি ২০০৩)। "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়"। in সিরাজুল ইসলামবাংলাপিডিয়া (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগৃহীত মে ১২, ২০১৫ 
  12. "চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১২, ২০১৫ 
  13. আশিক ইকবাল (জানুয়ারি ২০০৩)। "চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়"। in সিরাজুল ইসলামবাংলাপিডিয়া (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগৃহীত মে ১২, ২০১৫ 
  14. "আইআইইউসি"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  15. "ইউএসটিসি"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  16. "ইডিইউ"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  17. "আইইউবি"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  18. "পিসিআইইউ"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৫, ২০১৫ 
  19. "পিইউ"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  20. "বিজিসিটিইউবি"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  21. "সাব"ugc.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। সংগৃহীত মে ১৩, ২০১৫ 
  22. Ali, Zeynab (এপ্রিল ১৩, ২০০৫)। "Asian University for Women"Chowk। সংগৃহীত ২০০৮-০৩-২৯ 
  23. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/c48fa905-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE
  24. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  25. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  26. সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, সম্পাদনাঃ অঞ্জলি বসু, ৪র্থ সংস্করণ, ১ম খণ্ড, ২০০২, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, পৃ. ৭৬
  27. দৈনিক প্রথম আলো
  28. http://www.chittagong.gov.bd/site/page/3cc481fd-2144-11e7-8f57-286ed488c766
  29. http://www.ec.org.bd/Bangla/QLTemplate1.php?Parameter_QLSCat_ID=41&ByDate=0&Year=
  30. http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/current-mps-bangla/2014-03-23-11-44-22

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]