গাজীপুর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গাজীপুর
জেলা
জাগ্রত চৌরঙ্গী
জাগ্রত চৌরঙ্গী
বাংলাদেশে গাজীপুর জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে গাজীপুর জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°০′০″ উত্তর ৯০°২৫′৪৮″ পূর্ব / ২৪.০০০০০° উত্তর ৯০.৪৩০০০° পূর্ব / 24.00000; 90.43000স্থানাঙ্ক: ২৪°০′০″ উত্তর ৯০°২৫′৪৮″ পূর্ব / ২৪.০০০০০° উত্তর ৯০.৪৩০০০° পূর্ব / 24.00000; 90.43000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
আয়তন
 • মোট১,৭৭০.৫৮ বর্গকিমি (৬৮৩.৬২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট২১,৪৩,৪১৩
 • জনঘনত্ব১,২০০/বর্গকিমি (৩,১০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫৬.৪০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৩৩
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

গাজীপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোত্তীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভাবনায় ভরপুর গাজীপুর জেলা । মোগল - ব্রিটিশ - পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গাজীপুরের রয়েছে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে গাজীপুরেই সংঘটিত হয় প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। গাজীপুরে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরসহ ১৯টি কেপি আই, ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের একমাত্র হাইটেক পার্কসহ বহু সংখ্যক সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র/মাঝারী ও ভারী শিল্প কারখানাসহ দেশের তৈরী পোষাক শিল্পের বিরাট অংশ। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা টংগীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়।[২]

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

গাজীপুর জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ জেলাকিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ঢাকা জেলানারায়ণগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ জেলানরসিংদী জেলা এবং পশ্চিমে ঢাকা জেলাটাঙ্গাইল জেলা অবস্থিত।[৩]

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

গাজীপুর জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে; এগুলি হলোঃ

এছাড়াও গাজীপুর শহর সিটি কর্পোরেশন এর অন্তর্ভুুক্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীনবনাঞ্চল আর গৈরিক মৃত্তিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। [২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়

দর্শনীয় স্থান.

চৌরাস্তা,গাজীপুর

এছাড়াও কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের বাঁশতলী নামক গ্রামে সাম্প্রতিককালে ৩০০ বছরের পুরানো একটি সাদা পাকুড় গাছ আবিস্কৃত হয়েছে যা এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আর কোথাও দেখা যায় নি। গাছটিকে ঘিরে পর্যটনশিল্প গড়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।[৫]

বরেণ্য ব্যক্তি:

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৩ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "জেলার পটভূমি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. [১][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৪ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  5. ৩০০ বছর পর নামকরণ - দৈনিক কালের কন্ঠ (২৩ মে ২০১৫)
  6. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  7. "প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের তালিকা"https://pmo.gov.bd/  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]