ঠাকুরগাঁও জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঠাকুরগাঁও
জেলা
বাংলাদেশে ঠাকুরগাঁও জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে ঠাকুরগাঁও জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৫৭′ উত্তর ৮৮°১৫′ পূর্ব / ২৫.৯৫০° উত্তর ৮৮.২৫০° পূর্ব / 25.950; 88.250স্থানাঙ্ক: ২৫°৫৭′ উত্তর ৮৮°১৫′ পূর্ব / ২৫.৯৫০° উত্তর ৮৮.২৫০° পূর্ব / 25.950; 88.250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
আয়তন
 • মোট১,৮০৯.৫২ বর্গকিমি (৬৯৮.৬৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)[১]
 • মোট১৩,৮০,০০০
 • জনঘনত্ব৭৬০/বর্গকিমি (২,০০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫২.০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৯৪
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ঠাকুরগাঁও জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।[২]

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও জেলার উত্তরে পঞ্চগড় জেলা, দক্ষিণে দিনাজপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে দিনাজপুর জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও জেলা ৫টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছেঃ

*বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ৮টি : ১ পাড়িয়া, ২ চাড়োল, ৩ ধনতলা, ৪ বড়পলাশ বাড়ী, ৫ দুওসুও, ৬ ভানোর, ৭ আমজানখোর ও ৮ বড়বাড়ি।

*পীরগঞ্জ উপজেলা ১০টি: ১ ভোমরাদহ, ২ কোষারাণীগঞ্জ, ৩ খনগাঁও, ৪ পীরগঞ্জ, ৫ সৈয়দপুর, ৬ হাজীপুর, ৭ দৌলতপুর, ৮ সেনগাঁও, ৯ জাবর হাট, ১০ বৈরচুনা ।

*হরিপুর উপজেলা ৬টি: ১ হরিপুর, ২ গেদুড়া, ৩ আমগাঁও, ৪ বকুয়া, ৫ ডাঙ্গীপাড়া, ৬ ভাতুরিয়া ।

*রাণীশংকৈল উপজেলা ৮টি: ১ ধর্মগড়,২ নেকমরদ, ৩ হোসেনগাঁও, ৪ লেহেম্বা,৫ বাচোর, ৬কাশিপুর,৭ রাতোর, ৮ নন্দুয়ার ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদীর পাড়ে অপরাজেয় ৭১ ভাস্কর্য।

টাংগন, শুক ও সেনুয়া বিধৌত এই জনপদের একটি ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে ব্রিটিশ শাসনমলে বর্তমান পৌরসভা এলাকার কাছাকাছি কোনো স্হানে একটি থানা স্হাপিত হয়। এই পরিবারের নাম অনুসারে থানাটির নাম হয় ঠাকুরগাঁও থানা। "ঠাকুর" অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের সংখ্যাধিক্যের কারণে স্হানটির নাম ঠাকুরগাঁও হয়েছে।

১৭৯৩ সালে ঠাকুরগ্রাম অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩] ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে ঘোষিত হয়। এর অধীনে ছয়টি থানা ছিল, এগুলো হলঃ ঠাকুরগাঁও সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, হরিপুর ও আটোয়ারী। ১৯৪৭ সালে এই ৬টি থানা এবং ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ৩টি থানা ও কোচবিহারের ১টি থানা (পঞ্চগড়, বোদা, তেতুলিয়া ও দেবীগঞ্জ) নিয়ে ১০টি থানার মহকুমা হিসেবে ঠাকুরগাঁও নুতনভাবে যাত্রা শুরু করে। কিন্ত ১৯৮১ সালে আটোয়ারী, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া নিয়ে পঞ্চগড় নামে আলাদা মহকুমা সৃষ্টি হলে ঠাকুরগাঁও মহকুমার ভৌগোলিক সীমানা ৫টি থানায় সংকুচিত হয়ে যায়। থানাগুলি হচ্ছে: ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর। ১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁও মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়।

এখানে উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর (সাঁওতাল ও উরাও) মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছে। জেলার নেকমরদ, রাণীশংকৈল এসব স্হানে সুপ্রাচীন সভ্যতার নির্দশন বিদ্যমান।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

  • প্রধান শস্য: ধান, গম, আলু, ভুট্টা, পাট, আখ
  • রপ্তানী পন্য: ধান, চাল, আলু, আম

শিল্প[সম্পাদনা]

শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঠাকুরগাঁও চিনি কল অন্যতম। এছাড়া জেলায় বিসিক শিল্প নগরী আছে; সেখানে কিছু কারখানা আছে। এরমধ্যে বিস্কুট ফ্যাক্টরী, সাবান ফ্যাক্টরী, প্লাস্টিক কারখানা, ফ্লাওয়ার মিল এবং জুট মিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও সালন্দর ইউনিয়নে কাজী ফার্মস এর ফীড মিল আছে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৬ সালে যুদ্ধত্তোর জনগণের বিশেষ করে অসহায় মহিলা ও পুরুষদের পূর্নবাসন ও কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে একটি বেসরকারী সংস্থা RDRS কর্তৃক ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়৷ ১৯৮১ সালের ৩০ জুন সরকারী সিদ্ধান্তে অলাভজনক ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানাটি রেশম বোর্ডের নিকট হস্তান্তরিত হয়৷ এ সময় কারখানাটিতে ২০টি রিলিং বেসিন, ৩টি শক্তিচালিত তাঁত, ১৯টি হস্তচালিত তাঁত ও আনুসংগিক যন্ত্রপাতি সংস্থাপিত ছিল ৷ কারখানাটির চলতি মুলধন না থাকায় কারখানা পরিচালনার যাবতীয় অর্থ বোর্ডের উন্নয়ন তহবিল থেকে ঋণ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে৷ ১৯৯৬ হতে ১৯৯৯ সালে ১৬৩.৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিএমআরই প্রকল্পের অধীনে কারখানাটির ভবন বর্দ্ধিতকরণসহ অতিরিক্ত ২০টি শক্তিচালিত তাঁতসহ কিছু আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি সংস্থাপিত হয়৷ কিন্তু আবর্তক তহবিলের অভাবসহ নানাবিধ কারণে কারখানাটি পরিচালনা সম্ভব হয়নি৷ ২০০২ সালের ৩০ নভেম্বর কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করে কর্মরত ৮৬ জন জনবলকে গোল্ডেন হ্যান্ডসেকের মাধ্যমে চাকুরী হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয় ৷ রেশম কারখানাটির উত্পাদন কখনই লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে পারেনি৷ কারখানা হতে আয় দ্বারা কখনই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হয়নি৷ ফলে এটি একটি লোকসানমূখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে পড়ে৷ কারখানাটিতে ফেব্রুয়ারী’২০০২ হতে নভেম্বর’২০০২ পর্যন্ত ১০ মাস শ্রমিকরে মজুরী প্রদান সম্ভব হয়নি৷ এ পর্যায়ে সরকারী সিদ্ধান্তে কারখানাটি বন্ধ ঘোষিত হয়৷[৪]

ভাষা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের স্থানীয় জনগণ সাধারণত কোচ রাজবংশীয় ভাষায় কথা বলে। এ ভাষাটি মূলত রাজবংশী, রংপুরী বা কামতাপুরী নামে পরিচিত যা ইন্দো-আর্য পরিবারভুক্ত একটি ভাষা। শ্রুতিমধুর এ ভাষা বাংলাদেশের দিনাজপুর, রংপুর অঞ্চলের মানুষ ছাড়াও ভারতের কোচবিহারের মানুষের মুখেও ব্যাপক প্রচলিত। রাজবংশী ভাষার কথ্যরূপগুলোর মধ্যে ৭৭-৮৯% মিল পাওয়া যায়। রাজবংশী ভাষা ৪৮-৫৫ ভাগ বাংলা, ৪৩-৪৯ ভাগ মৈথিলি এবং নেপালি শব্দ দ্বারা গঠিত।

অসমীয়া, সিলেটি এবং বাংলার সাথে তুলনা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত কামতাপুরী/ রাজবংশী অসমীয়া সিলেটি বাংলা
মুই করু মই করু আমি/ মই করি আমি করি
মুই করুছু/ করিছু/ করছু মই করি আসু আমি/ মই করিয়ার/ কররাম আমি করছি
মুই করিছিনু/ করিসিনু মই করিসিলু আমি/ মই করসিলাম আমি করেছি
মুই করুছিনু/ করচিনু/ করসিনু মই করি আসিলু আমি/ মই করাত আসলাম আমি করছিলাম
মুই করিম মই করিম আমি/ মই করমু আমি করব
মুই করতে থাকিম মই করি/ করাত থাকিম আমি/ মই করাত থাকমু আমি করতে থাকব

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০(০১,প্রস্তাবিত); কলেজ : ২৭; মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৪১; মাদ্রাসা : ৭৪; সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১ এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ১ টি। উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হল-

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

রাজা গণেশ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

হরিপুর উপজেলায় বাংলাদেশ ভারতের সীমান্তে নাগর নদী

ঠাকুরগাঁওয়ে অনেকগুলো নদী রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে টাঙ্গন নদী, ছোট ঢেপা নদী, কুলিক নদী, পুনর্ভবা নদী, তালমা নদী, পাথরাজ নদী, কাহালাই নদী, তীরনই নদী, নাগর নদী, তিমাই নদী, এবং নোনা নদী[৬][৭] এছাড়াও আছে শুক নদী, ছোট সেনুয়া নদী, আমনদামন নদী, লাচ্ছি নদী, ভুল্লী নদী এবং সোজ নদী

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও জেলায় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত দুটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। সেগুলো হচ্ছে ঢোলার হাট মন্দিরজামালপুর জামে মসজিদ[৮] এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হচ্ছে হরিপুর রাজবাড়ি,[৯] রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, বাংলা গড়, জগদল রাজবাড়ি, ঢোলার হাট শিব মন্দির, গড়গ্রাম দুর্গ প্রভৃতি।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান[সম্পাদনা]

হরিপুর উপজেলায় অবস্থিত হরিপুর রাজবাড়ির পেছনভাগ।
  • সপ্ন-জগৎ,দুরামারি ও রুহিয়া হাইওয়ে রোড সংলগ্ন,দুরামারি থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার
  • খুনিয়া দিঘী বধ্যভূমি রানীশংকৈল উপজেলার ভান্ডারা গ্রামে;
  • জাটিভাঙ্গা বধ্যভূমি, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শুখানপুখুরী ইউনিয়নের জাটিভাঙ্গা গ্রামে;
  • বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ - প্রায় ২০০ বছরের পুরনো, হরিণ মারি গ্রামে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
  • ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক - পীরগঞ্জ;
  • রাজভিটা - হাটপাড়া, জাবরহাট ইউনিয়ন, পীরগঞ্জ উপজেলা;
  • প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন - নেকমরদ, রানীশংকৈল উপজেলা;
  • নেকমরদ মাজার - রানীশংকৈল উপজেলা;
  • মহেশপুর মহালবাড়ি ও বিশবাঁশ মাজার ও মসজিদস্থল - রানীশংকৈল উপজেলা;
  • শালবাড়ি ইমামবাড়া - ভাউলারহাট, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা;
  • সনগাঁ মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
  • ফতেহপুর মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
  • মেদিনী সাগর মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
  • গেদুড়া মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
  • গোরক্ষনাথ মন্দির এবং কূপ - রানীশংকৈল উপজেলা;
  • হরিণমারী শিব মন্দির - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
  • গোবিন্দনগর মন্দির - ঠাকুরগাঁও শহর;
  • ভেমটিয়া শিবমন্দির - পীরগঞ্জ পৌরসভা;
  • মালদুয়ার দুর্গ - রানীশংকৈল উপজেলা;
  • গড় ভবানীপুর - হরিপুর উপজেলা;
  • গড়খাঁড়ি - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
  • কোরমখান গড় - ঠাকুরগাঁও শহর;
  • সাপটি বুরুজ - ঠাকুরগাঁও উপজেলা;
  • দিঘি সমূহ - পুরো জেলা জুড়ে (গড়েয়াহাট দিঘি, লস্করা দিঘি, টুপুলী দিঘি, শাসলা ও পেয়ালা দিঘি, ঠাকুর দিঘি, আঠারোো গান্ডি পোখর, আধার দিঘি, হরিণমারী দিঘি, রতন দিঘি, দুওসুও দিঘি, রামরাই দিঘি, খুনিয়া দিঘি, রানীসাগর, মেদিনীসাগর দিঘি)।

হাট-বাজার ও মেলা[সম্পাদনা]

  • প্রধান প্রধান হাট-বাজারসমূহ:— শিবগঞ্জ বাজার, খোচাবাড়ী হাট, রুহিয়া রামনাথ হাট, গড়েয়া হাট, কালমেঘ হাট, যাদুরানী হাট, ফাড়াবাড়ী হাট, বেগুনবাড়ী হাট,কাতিহার হাট, লাহিড়ী হাট।
  • মেলাসমূহ:— কালিমেলা, রুহিয়া আজাদ মেলা, নেকমরদ মেলা[১০]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরেঠাকুরগাঁও"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. ঠাকুরগাঁও জেলা তথ্য বাতায়ন
  3. ধনঞ্জয় রায়, দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৬, পৃষ্ঠা ২১১
  4. "বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড" |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)http (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৮-০৮ 
  5. দৈনিক লোকায়ন (ঠাকুরগাঁও জেলার একমাত্র পত্রিকা) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ (২১৫তম সংখ্যা)
  6. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০৫, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  7. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬১৭। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 
  8. "প্রত্নস্হলের তালিকা"বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরhttp://www.archaeology.gov.bd/। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬  |প্রকাশক= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  9. "হরিপুর জমিদার বাড়ী"উপজেলার তথ্য বাতায়ন। হরিপুর: উপজেলা তথ্য বাতায়ন। unknown। সংগ্রহের তারিখ 2016-12-22  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. www.thakurgaon.gov.bd
  • ঠাকুরগাঁও পরিক্রমাঃ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ঠাকুরগাঁও ফাউন্ডেশন।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]