রাঙ্গুনিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রাঙ্গুনিয়া
উপজেলা
রাঙ্গুনিয়া কলেজ সড়ক
রাঙ্গুনিয়া কলেজ সড়ক
রাঙ্গুনিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
রাঙ্গুনিয়া
রাঙ্গুনিয়া
বাংলাদেশে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২৭′৫৪″ উত্তর ৯২°৫′১২″ পূর্ব / ২২.৪৬৫০০° উত্তর ৯২.০৮৬৬৭° পূর্ব / 22.46500; 92.08667স্থানাঙ্ক: ২২°২৭′৫৪″ উত্তর ৯২°৫′১২″ পূর্ব / ২২.৪৬৫০০° উত্তর ৯২.০৮৬৬৭° পূর্ব / 22.46500; 92.08667 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
জেলাচট্টগ্রাম জেলা
প্রতিষ্ঠাকাল২৪ জানুয়ারি, ১৯৬২
সংসদীয় আসন২৮৪ চট্টগ্রাম-৭
সরকার
 • সংসদ সদস্যমোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)
 • উপজেলা চেয়ারম্যানখলিলুর রহমান চৌধুরী
আয়তন
 • মোট৩৬১.৫৪ কিমি (১৩৯.৫৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট৩,৩৯,০০৪
 • ক্রম৯ম
 • জনঘনত্ব৯৪০/কিমি (২৪০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৮.৯২%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৪৩৬০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
২০ ১৫ ৭০
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

রাঙ্গুনিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এ উপজেলাটি আয়তনের দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলার ষষ্ঠ বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার দিক থেকে নবম জনবহুল উপজেলা।

পটভূমি[সম্পাদনা]

ইতিহাস

১৭৫৭ সাল থেকে চাকমা রাজন্যবর্গ শুকদেব রায়, শেরদৌলত খাঁ, জানবক্স খাঁ, টব্বর খাঁ, জব্বর খাঁ, ধরম বক্স খাঁ, রাণী কালীন্দি, হরিশচন্দ্র রায় প্রমুখ এ অঞ্চলে রাজত্ব করেছেন। ১৮৭৪ সালে চাকমা রাজা হরিশচন্দ্র রাজধানী রাঙ্গুনিয়ার রাজানগর হতে রাঙ্গামাটিতে স্থানান্তরিত করেন।[১]

মুক্তিযুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া

১৯৭১ সালে উপজেলার রাণীরহাট, রোয়াজারহাট ও রাঙ্গুনিয়ায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়। পাকবাহিনী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক গণহত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। ১৫ ডিসেম্বর রাঙ্গুনিয়া শত্রুমুক্ত হয়। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ২টি বধ্যভূমি এবং ৩টি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো যথাক্রমে রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ, রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং ইছাখালী উপজেলা সদরে।[১]

নামকরণ

রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি কবে কীভাবে হল এ সম্পর্কে কৌতুহলের শেষ নেই। বলা হয়ে থাকে, আরাকানী রাজশক্তি মোগল রাজশক্তির সাথে যুদ্ধে পরাজিত হলে আরাকানী মগেরা তাদের অর্জিত ধন সম্পদ পরিত্যাগ করে এ অঞ্চল ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং এর থেকে অঞ্চলের নাম হয় রাইন্যারাইন্যা একটি মগী শব্দ, যার অর্থ হল পরিত্যক্ত। পরবর্তীতে রাইন্যা শব্দ থেকে রইন্যা তথা রাঙ্গুনিয়া শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।

আরেকটি মত হচ্ছে, এককালে এ অঞ্চলের লোকজন অধিক সংখ্যায় বার্মার রেঙ্গুন শহরে চলে যেত এবং এজন্য এ অঞ্চলকে রেঙ্গুন্যা বলা হত, আর এ থেকেই রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি।

আসলে এই দুইটি মতই ঐতিহাসিকভাবে ভ্রান্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। চট্টগ্রামের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক জনাব হামিদুল্লাহ খাঁ কর্তৃক ফার্সি ভাষায় রচিত চট্টগ্রামের প্রাচীন ইতিহাস আহাদিসুল খাওয়ানিন, যা ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং বর্তমানে এক কপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। তাতে রাঙ্গুনিয়াকে রঙ্গীনা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। রাঙ্গুনিয়ার বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও গবেষক মরহুম সৈয়দ আহমদুল হক রচিত প্রবন্ধ 'বিচিত্রা'য় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফার্সি ভাষায় রঙ্গীনা শব্দের অর্থ হল রঙে রঞ্জিত অর্থাৎ সৌন্দর্য্য। তার মতে, রাঙ্গুনিয়ার মত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত মনোরম স্থান দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই। চিরহরিৎ অনুচ্চ শৈল শিখর ও কর্ণফুলি নদী বিধৌত এ অঞ্চল সুলতানী আমলে পরিচিত ছিল রঙ্গীনা নামে। পরবর্তীতে এই রঙ্গীনা শব্দ থেকেই রইন্যা বা রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি হয়েছে।[২]

ভূগোল[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মানচিত্র

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আয়তন ৩৬১.৫৪ বর্গ কিলোমিটার।[৩] চট্টগ্রাম জেলার সর্ব-পূর্বে ২২°১৮´ থেকে ২২°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৮´ থেকে ৯২°০৮´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অবস্থান।[১]

এ উপজেলার দক্ষিণে পটিয়া উপজেলা, চন্দনাইশ উপজেলাবান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর উপজেলা, পশ্চিমে বোয়ালখালী উপজেলারাউজান উপজেলা, উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলা ও পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলারাজস্থলী উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসন[সম্পাদনা]

১৯৬২ সালের ২৪ জানুয়ারি রাউজান উপজেলার তৎকালিন ৭টি ইউনিয়ন (রাজানগর, হোসনাবাদ, রাঙ্গুনিয়া, মরিয়মনগর, পারুয়া, পোমরা ও বেতাগী) এবং পটিয়া উপজেলার তৎকালিন ৩টি ইউনিয়ন (সরফভাটা, শিলক ও পদুয়া) সর্বমোট ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা গঠিত হয়।[৪] পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে স্থানীয় জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষায় গণদাবীর প্রেক্ষিতে মরিয়মনগর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ১১নং চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন গঠন করা হয়।[৫] ১৯৮৩ সালে তৎকালিন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে পৃথক পৃথক উপজেলা গঠন করলে রাঙ্গুনিয়া থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়।[১] ১৯৮৯ সালে শিলক ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ১২নং কোদালা ইউনিয়ন গঠন করা হয়।[৬] ২০০০ সালের ৪ জুলাই উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, মরিয়মনগর, পারুয়া ও পোমরা ইউনিয়নের অংশ নিয়ে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা ঘোষণা করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।[১] সর্বশেষ ২০০৩ সালে বৃহত্তর রাজানগর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ১৩নং ইসলামপুর ইউনিয়ন ও ১৪নং দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়ন এবং বৃহত্তর হোসনাবাদ ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ১৫নং লালানগর ইউনিয়ন গঠন করা হয়।[৭][৮][৯]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার আওতাধীন ছিল। তবে ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর বৈঠকে ৪টি ইউনিয়নকে নিয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা গঠনের অনুমোদন দেয়া হয়।[১০][১১]

বর্তমানে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার আওতাধীন ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন।[১২]

পৌরসভা:
ইউনিয়নসমূহ:

এবং দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার আওতাধীন ৪টি ইউনিয়ন।[১৩]

ইউনিয়নসমূহ:

সংসদীয় আসন[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[১৪] সংসদ সদস্য[১৫][১৬][১৭][১৮][১৯] রাজনৈতিক দল
২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
জাতীয় নির্বাচন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণের তালিকা[২০]
ক্রম নং নির্বাচন সন নির্বাচনকালীন আসন নং নির্বাচিত সংসদ সদস্য রাজনৈতিক দল
১ম ১৯৭৩ ২৯০ চট্টগ্রাম-১০ ডাঃ আবুল কাশেম বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদের প্রথম নির্বাচিত সংসদ সদস্য
২য় ১৯৭৯ ২৮৭ চট্টগ্রাম-৭ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মুসলিম লীগ
৩য় ১৯৮৬ ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী জাতীয় পার্টি
৪র্থ ১৯৮৮ ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ নজরুল ইসলাম জাতীয় পার্টি
৫ম ১৯৯১ ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ মোঃ ইউসুফ বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)
৬ষ্ঠ ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ নুরুল আলম স্বতন্ত্র
৭ম ১৯৯৬ (জুন) ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৮ম ২০০১ ২৮৫ চট্টগ্রাম-৭ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৯ম ২০০৮ ২৮৩ চট্টগ্রাম-৬ মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
১০ম ২০১৪ ২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
১১শ ২০১৮ ২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন[সম্পাদনা]

ক্রম নং পদবী নাম
০১ উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান চৌধুরী
০২ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম
০৩ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম (২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯-এ মৃত্যু)[২১]
শূন্য
০৪ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান[২২]
স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে জনপ্রতিনিধিদের তালিকা
ক্রম নং পদবী নাম সময়কাল
০১ থানা উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জহির আহমদ চৌধুরী ১৯৭৩-১৯৭৬
০২ মুহাম্মদ সৈয়দুল হক ১৯৭৭-১৯৮৩
০৩ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মুহাম্মদ নুরুল আলম ১৯৮৫-১৯৮৯
০৪ মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার ১৯৯০-১৯৯২ (বিলুপ্ত)
০৫ আবু আহমেদ হাসনাত ২০০৮-২০১৪
০৬ মুহাম্মদ আলী শাহ্‌ ২০১৪-২০১৯
০৭ খলিলুর রহমান চৌধুরী ২০১৯-বর্তমান

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৩,৩৯,০০৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৬৮,৪১২ জন এবং মহিলা ১,৭০,৫৯২ জন।[৩] জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৯৩৮ জন।[২৩]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ধর্মবিশ্বাস (২০১১)

  ইসলাম ধর্ম (৮২.৭০০৮%)
  হিন্দু ধর্ম (১২.৫৭৩৯%)
  বৌদ্ধ ধর্ম (৪.৬০৭৯%)
  খ্রিস্ট ধর্ম (০.০৯৭৯%)
  অন্যান্য (০.০১৯৫%)

ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ উপজেলার ২,৮০,৩৫৯ জন ইসলাম, ৪২,৬২৬ জন হিন্দু, ১৫,৬২১ জন বৌদ্ধ, ৩৩২ জন খ্রিস্টান এবং ৬৬ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সাক্ষরতার হার ৪৮.৯২% (পুরুষ ৪৮.৭৪% এবং মহিলা ৪৯.০৯%)। এ উপজেলায় ১টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ২টি কামিল মাদ্রাসা, ৭টি ডিগ্রী কলেজ, ৪টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১টি আলিম মাদ্রাসা, ২টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ (বালিকা), ৪৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯টি দাখিল মাদ্রাসা (১টি বালিকা সহ), ৪টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫টি কওমী মাদ্রাসা, ১৯টি অন্যান্য মাদ্রাসা ও ৫২টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[২৪]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

গুমাই বিল

কথায় আছে – আঁতত কাঁচি , কোরত দা , ভাত হাইতু চাইলি রইন্যা যা  । এই ভাতের ভাণ্ডার হচ্ছে  গুমাই বিল । রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার একাংশজুড়ে বিশাল গুমাই বিলের মাঠের অবস্থান। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গুমাই বিলে আবাদ করা আড়াই হাজার হেক্টর জমি থেকে ২ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন ধান পাওয়া যায়। এ বিলে চাষ করেন প্রায় সাত হাজার কৃষক। গুমাই বিল থেকে দেশের জনগোষ্ঠীর আড়াই দিনের খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম। ধান কাটার এ মৌসুমে নেত্রকোনা, নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রংপুর, সাতকানিয়া, বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের কৃষিশ্রমিকেরা এখানে এসে জড়ো হন। গুমাই বিলে তারা ধান কাটেন।

রাঙ্গুনিয়ায় ৩টি চা-বাগান, কর্ণফুলী জুট মিল/ফোরাত কার্পেট মিল আছে। কর্ণফুলী জুট মিল থেকে বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকার সুতা রফতানি হয় বিভিন্ন দেশে। কোদালা চা-বাগান দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত। বাংলাদেশের 'কোদালা' চা বাগানের জন্য জমি বরাদ্দ করা হয় ১৮২৮ সালে। কোদালায় ১৮২৮ সালে চা বাগান গড়ে উঠেছিল। এটি দেশের প্রথম চা বাগান। কোদালায় উৎপাদিত চা বিদেশে রফতানী করা হয়। আগুনিয়া চা-বাগান উত্তর রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়ার পূর্ব সীমান্তে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম সংলগ্ন আগুনিয়া চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে প্রতিদিন এখানে আসছেন পর্যটক। অন্যদিকে বাগানের উৎপাদিত ক্লোন চা পাতা বিদেশে রফতানি হওয়ায় দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা। ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত বাগান রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল ব্রিটিশ পরিবারের হাতে। ব্রিটিশরা বাংলাদেশ ত্যাগ করলে ১৯৫২ সালে বাগানটি নিলাম হয়ে যায়। ১৯৫৪ সালে এটির তদারকির দায়িত্ব নেন লালানগর ইউনিয়নের সমাজসেবক মীর সোলতানুল হক। তিনি সরকারের কাছ থেকে ৯৯ বছরের লিজ নিয়ে আবার চা পাতা উৎপাদনের কাজ চালু করেন। বাগানের নাম পরিবর্তন করে রাখেন 'আগুনিয়া চা বাগান'। এছাড়াও রয়েছে 'ঠাণ্ডাছড়ি চা বাগান'। চা-বাগানের পাশে আছে বিশাল রাবার বাগান, প্রতিদিন কাঁচা রাবার উৎপাদন হয়।

যোগাযোগ

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

১৯৫৫ সালের আগে কাপ্তাই সড়ক নির্মাণ হওয়ার পূর্বে রাঙ্গুনিয়ার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক ছিল, তখন নদী পথই ছিল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম । জেলা সদরে যাতায়াত ব্যবস্থায় দুর্ভোগ পোহাতে হত বলে  তখন বলা হত  রইন্যা দি শরত যন ।  কাপ্তাই সড়ক নির্মাণ হওয়ার পর  রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা সড়ক পথে। এছাড়াও নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। জেলা সদর থেকে এ উপজেলার যোগাযোগের প্রধান দুইটি সড়কের মধ্যে কাপ্তাই সড়ক, যা চট্টগ্রাম শহর থেকে উপজেলার পোমরা ইউনিয়ন, পৌরসভা, মরিয়মনগর ইউনিয়ন, চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন ও হোছনাবাদ ইউনিয়ন অতিক্রম করে কাপ্তাই পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে এবং অন্যটি রাঙ্গামাটি সড়ক, যা উপজেলার রাজানগর ইউনিয়ন ও ইসলামপুর ইউনিয়ন অতিক্রম করে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কাপ্তাই সড়কের দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার। উপজেলার অন্যতম প্রধান সড়কগুলো হল রোয়াজারহাট-রাণীরহাট সংযোগ সড়ক, মরিয়মনগর-রাণীরহাট সংযোগ সড়ক, গোডাউন-পদুয়া সড়ক, গোডাউন-বোয়ালখালী সংযোগ সড়ক। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়ক রয়েছে। কাপ্তাই ও রাঙ্গামাটি সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে। অন্যান্য সড়কসমূহের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সিএনজি চালিত অটোরিক্সা।

ভাষা ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষাই রাঙ্গুনিয়া অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা। তবে অঞ্চল ও ধর্মভেদে চট্টগ্রামের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের ভাষার সাথে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও এ উপজেলায় বসবাসরত উপজাতিরা তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলে।

রাঙ্গুনিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুথিপাঠ ছিল প্রধান সংস্কৃতি, সমগ্র ভারতবর্ষে যার খ্যাতি ছিল। এছাড়া চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান, কবিগান, ভাণ্ডারী গান, মারফতী, পালা, কীর্তন, যাত্রা, নাটক, নৃত্যসহ সংস্কৃতির সকল শাখার উর্বর ক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়া। বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, সামাজিক উৎসব, মেলা বর্ণাঢ্যভাবে পালিত হয়।

রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমী, রাঙ্গুনিয়ার সাংস্কৃতিতে বেশ অবদান রেখে চলেছে এবং এর কার্যক্রম দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।[২৫]

খেলাধুলা ও বিনোদন[সম্পাদনা]

প্রাচীনকাল থেকেই রাঙ্গুনিয়ার জনগোষ্ঠী ক্রীড়ামোদী। বলিখেলা রাঙ্গুনিয়ার একসময়কার জনপ্রিয় খেলা ছিল। বর্তমানে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন প্রভৃতি জনপ্রিয় খেলা। রাঙ্গুনিয়ার অনেক খেলোয়াড় জাতীয় দলসহ দেশের প্রসিদ্ধ ক্লাবসমূহে কৃতিত্বের সাথে অংশগ্রহণ করছে। রাঙ্গুনিয়ায় মৌসুমী টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়সহ ঢাকার মাঠের বিদেশী ফুটবলাররা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানাদি উপলক্ষে নাটক, যাত্রা, সংগীতানুষ্ঠান, নৃত্য, কীর্তন, কবিগান, ভাণ্ডারী, অ’লা গান, পাল্টাগান প্রভৃতি রাঙ্গুনিয়াবাসীর বিনোদনের প্রধান উপকরণ।

এখানে প্রতিবছরই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এখানকার জনপ্রিয় খেলার মধ্যে বর্তমানে ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিপত্য দেখা গেলেও অন্যান্য খেলাও পিছিয়ে নেই। রাঙ্গুনিয়ায় বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ রয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গুনিয়া কলেজের মাঠ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। আরো রয়েছে ঐতিহাসিক জাকির হোসেন স্টেডিয়াম।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

নদ-নদী - কর্ণফুলী নদী
নদ - নদী - ইছামতি

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান নদী কর্ণফুলি। এছাড়াও রাঙ্গুনিয়ার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ইছামতি নদী ও শিলক খাল। আরো অসংখ্য ছোটোখাটো খাল রয়েছে এ উপজেলায়।[২৬]

উল্লেখযোগ্য মেলা[সম্পাদনা]

  • চৈত্র সংক্রান্তি মেলা (রাজানগর)
  • মহররম মেলা (রাঙ্গুনিয়া)
  • সূর্যব্রত মেলা (মজুমদারখীল)
  • রথযাত্রা মেলা
  • বিজয় মেলা[২৬]

পত্রিকা ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

  • পাক্ষিক রাঙ্গুনিয়া খবর
  • পাক্ষিক ইছামতি
  • রূপালী রাঙ্গুনিয়া
  • আশার আলো
  • রাঙ্গুনিয়া সংবাদ[২৭]
দর্শনীয় স্থান

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • শেখ রাসেল পক্ষিশালা ও ইকোপার্ক
  • আগুনিয়া চা বাগান; লালানগর ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • কোদালা চা বাগান; কোদালা ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • ঠাণ্ডাছড়ি চা বাগান; রাজানগর ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • সুখবিলাস রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ (আঠারো শতক)
  • রাণীর পুকুর (রাজারহাট)
  • গুমাই বিল
  • এম এ চাষি ফার্ম -চন্দ্রঘোনা
  • হাফেজ ছমিউদ্দিন শাহ রঃ মসজিদ চন্দ্রঘোনা
  • পাগলা মামার দরগাহ (উনিশ শতক)
  • দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য
  • ধর্মচক্র বিহার (১৭৫০)
  • পাল আমলের বুদ্ধমূর্তি (বেতাগী)
  • জগৎদাত্রী মন্দির
  • শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ মন্দির (শান্তিনিকেতন)
  • শিব চতুর্দশী মন্দির (পারুয়া)
  • কৃষ্ণ মন্দির (মজুমদারখীল)
  • সাগরদীঘি (রাজানগর)
  • সীমাঘর
  • চাকমা রাজবাড়ি

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭ 
  2. সৈয়দ আহমদুল হক। প্রবন্ধ: বিচিত্রা। পৃষ্ঠা ২২২। 
  3. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (PDF)web.archive.org। Wayback Machine। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  4. "রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পটভূমি"rangunia.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  5. "চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ইতিহাস"chandraghonaup.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৯ 
  6. "কোদালা ইউনিয়নের ইতিহাস"kodalaup.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  7. "ইসলামপুর ইউনিয়নের ইতিহাস"islampurup.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  8. "দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ইতিহাস"southrajanagarup.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  9. "লালানগর ইউনিয়নের ইতিহাস"lalanagarup.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  10. "পদ্মাসেতুর এপার-ওপারসহ নতুন ৭ থানা, বিশ্বনাথ পৌরসভা"banglanews24.com। বাংলানিউজ২৪.কম। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৯ 
  11. "দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় আলাদা থানা হচ্ছে"cplusbd.net। সিপ্লাস নিউজ ডেস্ক। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৯ 
  12. "ইউনিয়নসমূহ - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭ 
  13. "কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে নতুন থানা"dainikazadi.net। দৈনিক আজাদী। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৯ 
  14. "নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ - প্রধান পাতা"www.ecs.org.bd 
  15. "বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জানুয়ারি ১, ২০১৯" (PDF)ecs.gov.bdবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৯ 
  16. "সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ফলাফল"বিবিসি বাংলা। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  17. "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল"প্রথম আলো। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  18. "জয় পেলেন যারা"দৈনিক আমাদের সময়। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  19. "আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয়"সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  20. "বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ"www.parliament.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭ 
  21. "রাঙ্গুনিয়ার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ইন্তেকাল"cplusbd.net। সিপ্লাস নিউজ ডেস্ক। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  22. "রাংগুনিয়া নবাগত ইউএনও ও থানার ইনচার্জের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে চবি'র স্টুডেন্টস ফোরাম নেতৃবৃন্দ – alokitodesh24.com"alokitodesh24.com [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  23. "চট্টগ্রাম জেলার তথ্য উপাত্ত" (PDF)web.archive.org। Wayback Machine। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  24. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; chittagong.gov.bd নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  25. "ভাষা ও সংস্কৃতি - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭ 
  26. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; banglapedia.org নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  27. "পত্র পত্রিকা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭ 
তথ্য সুত্র

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]