রাঙ্গুনিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
অন্য ব্যবহারের জন্য, দেখুন রাঙ্গুনিয়া (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
রাঙ্গুনিয়া
উপজেলা
রাঙ্গুনিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
রাঙ্গুনিয়া
রাঙ্গুনিয়া
বাংলাদেশে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২৭′৫৪″ উত্তর ৯২°৫′১২″ পূর্ব / ২২.৪৬৫০০° উত্তর ৯২.০৮৬৬৭° পূর্ব / 22.46500; 92.08667স্থানাঙ্ক: ২২°২৭′৫৪″ উত্তর ৯২°৫′১২″ পূর্ব / ২২.৪৬৫০০° উত্তর ৯২.০৮৬৬৭° পূর্ব / 22.46500; 92.08667 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা চট্টগ্রাম জেলা
প্রতিষ্ঠাকাল ২৪ জানুয়ারি, ১৯৬২
সংসদীয় আসন ২৮৪ চট্টগ্রাম-৭
সরকার
 • সংসদ সদস্য ড. হাসান মাহমুদ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)
আয়তন
 • মোট ৩৪৭.৭২ কিমি (১৩৪.২৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩,৪০,০০০
 • ঘনত্ব ৯৮০/কিমি (২৫০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৭০.৭৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৪৩৬০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মানচিত্র

রাঙ্গুনিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৫৭ সাল থেকে চাকমা রাজন্যবর্গ শুকদেব রায়, শেরদৌলত খাঁ, জানবক্স খাঁ, টব্বর খাঁ, জব্বর খাঁ, ধরম বক্স খাঁ, রাণী কালীন্দি, হরিশচন্দ্র রায় প্রমুখ এ অঞ্চলে রাজত্ব করেছেন। ১৮৭৪ সালে চাকমা রাজা হরিশচন্দ্র রাজধানী রাঙ্গুনিয়ার রাজানগর হতে রাঙ্গামাটিতে স্থানান্তরিত করেন।[২]

১৯৬২ সালের ২৪ জানুয়ারি পটিয়া ও রাউজানের কিছু অংশ নিয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা গঠিত হয়। রাঙ্গুনিয়া থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। ২০০০ সালের ৪ঠা জুলাই রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করা হয়।[২]

আয়তন ও অবস্থান[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আয়তন ৩৪৭.৭২ বর্গ কিলোমিটার (১৩৪.২৬ বর্গ মাইল)।[৩] চট্টগ্রাম জেলার সর্ব-পূর্বে ২২°১৮´ থেকে ২২°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৮´ থেকে ৯২°০৮´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অবস্থান।[২]

এ উপজেলার দক্ষিণে পটিয়া উপজেলা, চন্দনাইশ উপজেলাবান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর উপজেলা, পশ্চিমে বোয়ালখালী উপজেলারাউজান উপজেলা, উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলা ও পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলারাজস্থলী উপজেলা অবস্থিত।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বর্তমান জনসংখ্যা আনুমানিক প্রায় ৩ লক্ষ ৭০ হাজার। ২০১১ সালে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৪০ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ১,৩৯,০২৮ জন এবং মহিলা ২,০০,৯৭২ জন। এ উপজেলার জনসংখ্যার মধ্যে ৭৮% মুসলিম, ১৫% হিন্দু, ৬% বৌদ্ধ এবং ১% খ্রিস্টান রয়েছে। এ উপজেলায় বিভিন্ন উপজাতি বিশেষতঃ চাকমা, মারমা গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে, তারাও মূলত বৌদ্ধ ধর্মানুসারী। ভোটারের সংখ্যা ২,৪০,৭১৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১,২৪,২৬৩ জন ও মহিলা ১,১৬,৪৫২ জন।[৩]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন রয়েছে।

সম্পূর্ণ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার আওতাধীন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় শিক্ষিতের হার ৭০.৭৫%। এ উপজেলায় ১টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ১টি কামিল মাদ্রাসা, ৬টি ডিগ্রী কলেজ, ৫টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১টি আলিম মাদ্রাসা, ২টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ (বালিকা), ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯টি দাখিল মাদ্রাসা (১টি বালিকা সহ), ৪টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫টি কওমী মাদ্রাসা, ১৯টি অন্যান্য মাদ্রাসা ও ৫২টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[৩]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার একাংশজুড়ে বিশাল গুমাই বিলের মাঠের অবস্থান। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গুমাই বিলে আবাদ করা আড়াই হাজার হেক্টর জমি থেকে ২ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন ধান পাওয়া যায়। এ বিলে চাষ করেন প্রায় সাত হাজার কৃষক। গুমাই বিল থেকে দেশের জনগোষ্ঠীর আড়াই দিনের খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম। ধান কাটার এ মৌসুমে নেত্রকোনা, নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রংপুর, সাতকানিয়া, বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের কৃষিশ্রমিকেরা এখানে এসে জড়ো হন। গুমাই বিলে তারা ধান কাটেন।

রাঙ্গুনিয়ায় ৩টি চা-বাগান, কর্ণফুলী জুট মিল/ফোরাত কার্পেট মিল আছে। কর্ণফুলী জুট মিল থেকে বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকার সুতা রফতানি হয় বিভিন্ন দেশে। কোদালা চা-বাগান দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত। বাংলাদেশের 'কোদালা' চা বাগানের জন্য জমি বরাদ্দ করা হয় ১৮২৮ সালে। কোদালায় ১৮২৮ সালে চা বাগান গড়ে উঠেছিল। এটি দেশের প্রথম চা বাগান। কোদালায় উৎপাদিত চা বিদেশে রফতানী করা হয়। আগুনিয়া চা-বাগান উত্তর রাঙ্গুনিয়ায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়ার পূর্ব সীমান্তে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম সংলগ্ন আগুনিয়া চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে প্রতিদিন এখানে আসছেন পর্যটক। অন্যদিকে বাগানের উৎপাদিত ক্লোন চা পাতা বিদেশে রফতানি হওয়ায় দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা। ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত বাগান রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল ব্রিটিশ পরিবারের হাতে। ব্রিটিশরা বাংলাদেশ ত্যাগ করলে ১৯৫২ সালে বাগানটি নিলাম হয়ে যায়। ১৯৫৪ সালে এটির তদারকির দায়িত্ব নেন লালানগর ইউনিয়নের সমাজসেবক মীর সোলতানুল হক। তিনি সরকারের কাছ থেকে ৯৯ বছরের লিজ নিয়ে আবার চা পাতা উৎপাদনের কাজ চালু করেন। বাগানের নাম পরিবর্তন করে রাখেন 'আগুনিয়া চা বাগান'। এছাড়াও রয়েছে 'ঠাণ্ডাছড়ি চা বাগান'। চা-বাগানের পাশে আছে বিশাল রাবার বাগান, প্রতিদিন কাঁচা রাবার উৎপাদন হয়।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা সড়ক পথে। এছাড়াও নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। জেলা সদর থেকে এ উপজেলার যোগাযোগের প্রধান দুইটি সড়কের মধ্যে কাপ্তাই সড়ক, যা চট্টগ্রাম শহর থেকে উপজেলার পোমরা ইউনিয়ন, পৌরসভা, মরিয়মনগর ইউনিয়ন, চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন ও হোছনাবাদ ইউনিয়ন অতিক্রম করে কাপ্তাই পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে এবং অন্যটি রাঙ্গামাটি সড়ক, যা উপজেলার রাজানগর ইউনিয়ন ও ইসলামপুর ইউনিয়ন অতিক্রম করে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কাপ্তাই সড়কের দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার। উপজেলার অন্যতম প্রধান সড়কগুলো হল রোয়াজারহাট-রাণীরহাট সংযোগ সড়ক, মরিয়মনগর-রাণীরহাট সংযোগ সড়ক, গোডাউন-পদুয়া সড়ক, গোডাউন-বোয়ালখালী সংযোগ সড়ক। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের আভ্যন্তরীণ সড়ক রয়েছে। কাপ্তাই ও রাঙ্গামাটি সড়কে সব ধরণের যানবাহন চলাচল করে। অন্যান্য সড়কসমূহের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সিএনজি চালিত অটোরিক্সা।

ভাষা ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষাই রাঙ্গুনিয়া অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা। তবে অঞ্চল ও ধর্মভেদে চট্টগ্রামের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের ভাষার সাথে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও এ উপজেলায় বসবাসরত উপজাতিরা তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলে।

রাঙ্গুনিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুথিপাঠ ছিল প্রধান সংস্কৃতি, সমগ্র ভারতবর্ষে যার খ্যাতি ছিল। এছাড়া চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান, কবিগান, ভাণ্ডারী গান, মারফতী, পালা, কীর্তন, যাত্রা, নাটক, নৃত্যসহ সংস্কৃতির সকল শাখার উর্বর ক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়া। বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, সামাজিক উৎসব, মেলা বর্ণাঢ্যভাবে পালিত হয়।

রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমী, রাঙ্গুনিয়ার সাংস্কৃতিতে বেশ অবদান রেখে চলেছে এবং এর কার্যক্রম দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।[৫]

খেলাধুলা ও বিনোদন[সম্পাদনা]

প্রাচীনকাল থেকেই রাঙ্গুনিয়ার জনগোষ্ঠী ক্রীড়ামোদী। বলিখেলা রাঙ্গুনিয়ার একসময়কার জনপ্রিয় খেলা ছিল। বর্তমানে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন প্রভৃতি জনপ্রিয় খেলা। রাঙ্গুনিয়ার অনেক খেলোয়াড় জাতীয় দলসহ দেশের প্রসিদ্ধ ক্লাবসমূহে কৃতিত্বের সাথে অংশগ্রহণ করছে। রাঙ্গুনিয়ায় মৌসুমী টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়সহ ঢাকার মাঠের বিদেশী ফুটবলাররা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানাদি উপলক্ষে নাটক, যাত্রা, সংগীতানুষ্ঠান, নৃত্য, কীর্তন, কবিগান, ভাণ্ডারী, অ’লা গান, পাল্টাগান প্রভৃতি রাঙ্গুনিয়াবাসীর বিনোদনের প্রধান উপকরণ।

এখানে প্রতিবছরই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এখানকার জনপ্রিয় খেলার মধ্যে বর্তমানে ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিপত্য দেখা গেলেও অন্যান্য খেলাও পিছিয়ে নেই। রাঙ্গুনিয়ায় বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ রয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গুনিয়া কলেজের মাঠ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। আরো রয়েছে ঐতিহাসিক জাকির হোসেন স্টেডিয়াম।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান নদী কর্ণফুলি। এছাড়াও রাঙ্গুনিয়ার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ইছামতি নদী। আরো অসংখ্য ছোটখাট খাল রয়েছে এ উপজেলায়।[২]

উল্লেখযোগ্য মেলা[সম্পাদনা]

  • চৈত্র সংক্রান্তি মেলা (রাজানগর)
  • মহররম মেলা (রাঙ্গুনিয়া)
  • সূর্যব্রত মেলা (মজুমদারখীল)
  • রথযাত্রা মেলা
  • বিজয় মেলা

[২]

পত্রিকা ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

  • পাক্ষিক রাঙ্গুনিয়া খবর
  • পাক্ষিক ইছামতি
  • রূপালী রাঙ্গুনিয়া
  • আশার আলো
  • রাঙ্গুনিয়া সংবাদ

[৬]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • শেখ রাসেল অ্যাভিয়েরি পার্ক: এশিয়ার ২য় বৃহত্তম ক্যাবল কার রাঙ্গুনিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। শেখ রাসেল অ্যাভিয়েরি পার্কে প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক আসেন। বৃক্ষাচ্ছাদিত সবুজ পাহাড়ি বনে উড়ছে হাজার হাজার পাখি । পাখিদের কলতানে মুখরিত পুরো বন। মাথার সিঁথির মতো বুনো পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিনোদন পিয়াসী মানুষ। পুরো এলাকা ভরে যাচ্ছে সবুজে । এ পার্ককে ঘিরে এলাকাটিতে গড়ে উঠছে সম্ভাবনাময় বিনোদন কেন্দ্র। ঘটছে দেশী বিদেশী পর্যটকদের আগমন।
  • আগুনিয়া চা বাগান: লালানগর ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • কোদালা চা বাগান: কোদালা ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • ঠাণ্ডাছড়ি চা বাগান: রাজানগর ইউনিয়নে অবস্থিত।
  • সুখবিলাস রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ (আঠারো শতক)
  • রাণীর পুকুর (রাজারহাট)
  • পাগলা মামার দরগাহ (উনিশ শতক)
  • ধর্মচক্র বিহার (১৭৫০)
  • পাল আমলের বুদ্ধমূর্তি (বেতাগী)
  • জগৎদাত্রী মন্দির
  • শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ মন্দির (শান্তিনিকেতন)
  • শিব চতুর্দশী মন্দির (পারুয়া)
  • কৃষ্ণ মন্দির (মজুমদারখীল)
  • সাগরদীঘি (রাজানগর)
  • সীমাঘর

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে রাণীরহাট, রোয়াজারহাট ও রাঙ্গুনিয়ায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়। পাকবাহিনী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক গণহত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়।[২]

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
  • বধ্যভূমি: ২টি
  • স্মৃতিস্তম্ভ: ৩টি

(রাঙ্গুনিয়া কলেজ, রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ইছাখালী) [২]

সংসদীয় আসন[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[৭] সংসদ সদস্য[৮] রাজনৈতিক দল
২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংসদ সদস্যগণের তালিকা
ক্রম নং নির্বাচন সন নির্বাচিত সংসদ সদস্য রাজনৈতিক দল
১ম ১৯৭৩ এম এ মান্নান বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদের প্রথম নির্বাচিত সংসদ সদস্য
২য় ১৯৭৯ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৩য় ১৯৮৬ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৪র্থ ১৯৮৮ নজরুল ইসলাম জাতীয় পার্টি (এরশাদ)
৫ম ১৯৯১ মোহাম্মদ ইউসুফ বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)
৬ষ্ঠ ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদ নুরুল আলম স্বতন্ত্র
৭ম ১৯৯৬ (জুন) সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৮ম ২০০১ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
৯ম ২০০৮ ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
১০ম ২০১৪ ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

[৯]

উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন[সম্পাদনা]

ক্রম নং পদবী নাম
০১ উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শাহ[১০]
০২ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আকতার হোসেন[১১]
০৩ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট রেহেনা আকতার বেগম[১২]
০৪ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. এক নজরে রাঙ্গুনিয়া
  2. "রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  3. "এক নজরে রাঙ্গুনিয়া - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  4. "ইউনিয়নসমূহ - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  5. "ভাষা ও সংস্কৃতি - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  6. "পত্র পত্রিকা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  7. http://www.ec.org.bd/Bangla/QLTemplate1.php?Parameter_QLSCat_ID=41&ByDate=0&Year=
  8. http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/current-mps-bangla/2014-03-23-11-44-22
  9. "Welcome to Bangladesh Parliament"www.parliament.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  10. "মোঃ আলী শাহ - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  11. "মোহাম্মদ আকতার হোসেন - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 
  12. "এডভোকেট রেহেনা আক্তার বেগম - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা - রাঙ্গুনিয়া উপজেলা"rangunia.chittagong.gov.bd। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]