নরসিংদী জেলা

স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′১২″ উত্তর ৯০°৪৩′৪৮″ পূর্ব / ২৩.৯২০০০° উত্তর ৯০.৭৩০০০° পূর্ব / 23.92000; 90.73000
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নরসিংদী
জেলা
বাংলাদেশে নরসিংদী জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে নরসিংদী জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′১২″ উত্তর ৯০°৪৩′৪৮″ পূর্ব / ২৩.৯২০০০° উত্তর ৯০.৭৩০০০° পূর্ব / 23.92000; 90.73000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
আয়তন
 • মোট১,১৪০.৭৯ বর্গকিমি (৪৪০.৪৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট১৮,৯৫,৯৮৪
 • জনঘনত্ব১,৭০০/বর্গকিমি (৪,৩০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪২.০৯%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড১৬০০/১৬৩১ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৬৮
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

নরসিংদী জেলা বাংলাদেশের মধ্যভাগের ঢাকা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, আড়িয়াল খাঁপুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ তীর বিধৌত জেলা নরসিংদী। জেলাটির আয়তন ১,১১৪.২০ বর্গ কি:মি:। এ জেলাটি বাংলাদেশের মধ্য পূর্বাংশে অবস্থিত। এটি ২৩°৪৬’ হতে ২৪°১৪’ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৯০°৩৫’ ও ৯০°৬০’ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত। এ জেলার উত্তরে কিশোরগঞ্জ জেলা, পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জ জেলাব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এবং পশ্চিমে গাজীপুর জেলা অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পূর্বে এই অঞ্চলটি নরসিংহ নামক রাজার শাসনাধীন ছিল॥ধারণা করা হয়, পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে রাজা নরসিংহ নরসিংহপুর নামে একটি ছোট নগর স্থাপন করেছিলেন।[২] নরসিংদী নামটি রাজা নরসিংহের নাম অনুসারে উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করেন ইতিহাসবিদরা। এক সময়ে নরসিংদী অঞ্চলটি মহেশ্বরদী পরগনার অর্ন্তভূক্ত ছিল। এ পরগনার জমিদার ছিলেন দেওয়ান ঈশা খাঁ। তারপরে জমিদার ছিলেন দেওয়ান শরীফ খাঁ ও আয়শা আক্তার খাতুন। জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর একসময় নরসিংদী ছিল প্রশাসনিকভাবে ঢাকা জেলাধীন নারায়ণগঞ্জ মহকুমার একটি থানা। ১৯৭৭ সালে ঢাকা জেলার একটি মহকুমায় উন্নীত করা হয়। ১৯৮৪ সালে নরসিংদী সদর, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব এবং রায়পুরা এ ০৬ টি উপজেলা এবং নরসিংদী পৌরসভা নিয়ে নরসিংদীকে জেলা ঘোষণা করে সরকার।[২]

উপজেলা সমূহ[সম্পাদনা]

  1. নরসিংদী সদর উপজেলা
  2. রায়পুরা উপজেলা
  3. বেলাবো উপজেলা
  4. পলাশ উপজেলা
  5. মনোহরদী উপজেলা
  6. শিবপুর উপজেলা

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা = ১৮,৯৫,৯৮৪ জন (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)।

প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোকসংখ্যা= ১৭০০ জন

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

চিকিৎসা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

  1. নরসিংদী সদর হাসপাতাল (০২-৯৪৬২০০৬)
  2. নরসিংদী জেলা হাসপাতাল (০২-৯৪৬৩৫১৭)
  3. লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল
  4. ডায়াবেটিক হাসপাতাল (০২-৯৪৬৩৫৩৯)
  5. কলেজ হোমিও হল, নরসিংদী। (০১৭১২-৬৯৫১৫৭)

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

নরসিংদী জেলা হতে সারাদেশের সাথেই সড়ক ও নৌ পথে যোগাযোগ করা যায়।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রাচীনকাল থেকেই নরসিংদী অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী ছিল। তাঁত শিল্প এর প্রধান হাতিয়ার। নরসিংদীর, (মাধবদী) হলো কাপড় উৎপাদন করার মূল কেন্দ্র। মাধবদী এলাকার মানুষদের প্রথম ব্যবসা হলো কাপড় উৎপাদন করা। যেকোনো ধরনের কাপড় এখানে উৎপাদন করা হয়। এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে টেক্সটাইল মিল রয়েছে। এবং (বাবুরহাট) হলো বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ পাইকারি কাপড়ের বাজার। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ এখান থেকে পাইকারি কাপড় কিনে নিয়ে যায়। এবং অন্যান্য দেশে রপ্তানি করে থাকে।

কৃষি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থায় নরসিংদী জেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জেলার উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সারাদেশে সরবরাহ করা হয়। নরসিংদী জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত কৃষিপণ্য বা ফল হল কলা। এছাড়াও বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লটকন উৎপাদিত হয় নরসিংদী জেলায়। এখানকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কৃষক।

চিত্তাকর্ষক স্থান সমূহ[সম্পাদনা]

অপরাধ[সম্পাদনা]

নরসিংদীতে সম্প্রতি কীটনাশক বিক্রয় প্রতিনিধি যুবককে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয়। [৩]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  1. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিসি
  2. আনোয়ারুল আশরাফ খান
  3. লে. কর্নেল অবঃ নজরুল ইসলাম হিরু, বীরপ্রতীক সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বর্তমান সভাপতি নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগ
  4. রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, সংসদ সদস্য নরসিংদী-৫, সাবেক ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী
  5. সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক
  6. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  7. কবি শামসুর রাহমান
  8. আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া
  9. ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ - সাহিত্যিক
  10. ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন - প্ররথম বাংলায় পবিত্র কুরআন এর অনুবাদক।
  11. সতীশচন্দ্র পাকড়াশী (১৮৯৩-৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭৩) বাঙালী স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।
  12. মিঞা মোঃ সুন্দর আলী গান্ধী - সমাজ সংস্কারক অবিভক্ত বাংলার কৃষক-প্রজা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা

প্রথিতযশা প্রবাদ পুরুষ গৌরবদীপ্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব কৃষক প্রজা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জমীদারী উচ্ছেদ আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক স্বদেশী আন্দোলনের অর্থাৎ স্বরাজ প্রবাদ পুরুষ আপামর জনসাধারণের কৃষক শ্রমিক তাঁতী তেলি কাম র কুমার জেলেদের অকৃত্রিম নেতা সাম্প্রদায়িকতার বিমুর্ত প্রতিক অসহযোগ আন্দোলনের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রামীবীরপুরুষ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা প্রসারের অন্যতম অগ্রনায়ক ভূখা-নাঙ্গা অল্প সুবিধাভোগী সর্বশ্রেণীর মানুষের খাটি বন্ধু সুন্দর আলী(যাঁকে সবাই গান্ধী সাহেব বলে সম্বোধন করতেন) সুন্দর আলী ঐতিহ্যবাহী বংশের ইতিহাস গৌরবময়।ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের কারণে তাঁর পূর্ব পুরুষগণ প্রাদেশিক রাজধানী সোনারগাঁয়ে বসতি স্থাপন করেন ১৮৫৭খ্রিঃ সিপাহী বিপ্লবের কারণে সুন্দর আলী গান্ধীর পিতামহ আরবাব আলী খানকে এ বিপ্লবের অন্যতম সংগঠক ও অর্থ সাহায্যকারী হিসেবে চিহ্নিত করে ব্রিটিশ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করতঃ তার অনুপস্থিতিতে বিচার করে ফাঁসির রায় দেয়।যার ফলশ্রুতিতে আরবাব আলী খানকে নরসিংদীর নজরপুর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামে আত্মগোপন করেন । ১৮৮২খ্রিঃ ২২শেরপুর ফেব্রুয়ারি হাজী কেরামত আলী ও মাতা রোজনী বেগমের ঘরে সুন্দর আলীর জন্ম হয়(যাঁকে সবাই গান্ধী সাহেব বললে সম্বোধন করি)সুন্দর আলী গান্ধী খেলাফত আন্দোলনেরন নেতা মওলানা মোহাম্মদ আলী ও মওলানা শওকত আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের অন্যতম ভক্ত ছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সুন্দর আলী গান্ধী কংগ্রেসের এক জন কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন।তাঁর কর্মদক্ষতা রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি নরসিংদী থানা কংগ্রেসের সভাপতি বৃহত্তর ঢাকা জেলার সহ-সভাপতি অবিভক্ত বাংলার কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় ওয়াকিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।যোগ্যতা দক্ষতা ও সামর্থ থাকা পর্বেও তিনি সরকারি কোনো উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেনি। ইংরেজি সরকার তাকে খান বাহাদুর উপাধি ও জমীদারী দেওয়ার প্রস্তাব ও উদ্যোগ গ্রহণ করলে তিনি তাও স্বেচ্ছায় প্রত্যাখ্যান করেন। অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের সময়ে ১৯২১খ্রিঃ গান্ধী ও তাঁর ছোট ভাই বেলায়েত হোসেনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নরসিংদী নরসিংদীতে একটি জাতীয় বিদ্যালয় গড়ে তোলেন পরবর্তীতে প্রভাবশালী চক্রের ঘোর বিরোধীতায় বিদ্যালয় টি বন্ধ হলে ১৯৩২খ্রিঃ নরসিংদী মাইনর হাইস্কুল ১৯৩৮খ্রিঃ নরসিংদী পাইলট হাইস্কুল এবং ১৯৪৯খ্রিঃ নরসিংদী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সমন্ধে ভারতের বিখ্যাত বিপ্লবী নেতা সতিশ পাকরাশী তাঁর আত্মজীবনী গ্রন্থ অগ্নিযুগের কথা'য় লিখেছেন। তদানিন্তন ঢাকা বিভাগের কমিশনার লার্কিং সুন্দর আলী গান্ধী সাহেবের অসাধারণ গুণাবলীর কথা শুনে ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে মুগ্ধ হয়ে তাঁর বাড়িতে আসেন। তাঁতীদের পণ্য বিক্রির জন্য গান্ধী সাহেব শেখেরচরে একটি হাট প্রতিষ্ঠা করেন হিন্দু জমিদারেরা মুসলমানদের কে তাচ্ছিল্যেভরে বলতো শেখেরচরে বাজার পরবর্তীতে শেখেরচর হাট নামে পরিচিতিলাভ করে। এ হাটের প্রতিষ্ঠার পেছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক পটভূমি। মাধবদীর জমিদারেরা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী তাই লোকেরা তাদের খুনী বাবু বলে ডাকতেন। এই জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন মাধবদীর একজন প্রখ্যাত আলেম। যার কারণে জমিদার তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন ।এই মজলুম আলেম রাতের অন্ধকারে মাধবদী থেকে পায়ে হেঁটে গান্ধী সাহেবের কাছে আসেন। তখন গান্ধী সাহেব স্হানীয় সমাজ সেবক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মাধবদী থেকে হাট সরিয়ে নেওয়া হবে।তখন গান্ধী সাহেবের বিশাল বাহিনী জমিদারের ডাকাত বাহিনী কে প্রতিরোধ করে। তখন গান্ধী সাহেবের বন্ধু পাঁচ গায়ের হিন্দু জমিদার একটি হাতি দেন। গান্ধী সাহেব হাতি তে চড়ে ১০/১৫হাজার লোক নিয়ে হাট প্রতিষ্ঠাতা করেন । ১৯৪৬খ্রিঃ ১লা জানুয়ারি রায়পুরা থানায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয় সেচ বার্ণ ওয়েল নামক জনৈক ইংরেজ কতিপয় পুলিশ নিয়ে দাঙ্গাকারীদের সাথে পেরে উঠেননি।এই দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়লে গান্ধী সাহেব এতে মর্মাহত হন। তিনি শেরেবাংলা ও শ্যামা প্রসাদ মুখার্জিকে উপস্থিত হন দাঙ্গা কবলিত এলাকায়। সুন্দর আলী গান্ধী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন বিভাগীয় কমিশনার মিঃ লাকিং ও ইস্ট বেঙ্গলের জি ও সি জেনারেল হেইড কে এ সমন্ধে অবহিত করান। গান্ধী সাহেবের আমন্ত্রণে তারা এখানে এসে সরেজমিনে পরিদর্শন করে গুর্খা ও ঝাট সৈন্যদের পরিবর্তে রাজপুত ও পাঠান সৈন্যদের দায়িত্ব দেন। নরসিংদীতে সুন্দর আলী গান্ধী সাহেবের অসাম্প্রদায়িক কার্যকলাপ ও জনগণের কল্যাণের কথা শুনে মহাত্মা গান্ধী সুন্দর আলী সাহেব কে দেখার ইচ্ছা পোষণ করে তখনকার ঢাকার শ্রেষ্ঠ ধনী সুন্দর আলী সাহেব সাহেবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রুপলাল বাবু ও বৈদ্যের বাজারের জমিদার কে সুন্দর আলীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠান। ব্রিটিশ সরকার এ ব্যাপারে আসা যাওয়ার জন্য স্পেশাল শাটল ট্রেনের ব্যবস্থা করে দেন।বিরাট জনসভায় মহাত্মা গান্ধী সুন্দর আলী সাহেব সাহেবের কার্যকলাপে মুগ্ধ হয়ে পূর্ব বাংলার গান্ধী আখ্যা দেন।প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন গান্ধী বাদী। সে থেকেই সুন্দর আলীর নামের শেষে যুক্ত হয় গান্ধী । তিনি ১৩৩৯ সালে ঈদগাহ ও এর পাশেই নির্মাণ করেন সুরম্য ও সৌন্দর্যমন্ডিত মসজিদ এ মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ। সুন্দর আলী গান্ধী পাক-ভারত বিভক্ত হওয়ার প্রাক্কালে পঁয়ষট্টি বছর বয়সে ১৯৪৭সালে ২২শে ফেব্রুয়ারি পরলোক গমন করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) তারই নির্মিত মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় (তথ্যসুত্র জনাব মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন) নরসিংদীর ইতিহাস ঐতিহ্য প্রথম খণ্ড)


  1. মুসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া,প্রথম সংসদ সদস্য, নরসিংদী সদর
  2. আপেল মাহমুদ
  3. নুরউদ্দীন খান
  4. প্রফেসর ড.রসিদ উদ্দিন আহমদ- উপমহাদেশের অন্যতম নিউরোসার্জন এবং বাংলাদেশের প্রথম নিউরোসার্জন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] নরসিংদী,আমদিয়া ইউনিয়নের বেলাব গ্রাম। ২০১৬ ইংরেজি সনের মার্চের উনিশ তারিখ মৃত্যুবরণ করেন।
  5. অধ্যক্ষ আবদুল হামিদ এম.এসসি সাহেব (যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ-ভারতে বাঙ্গালী মুসলমানদের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রথম শ্রেণী প্রাপ্ত হন। এবং অজপাড়া গায়ে তিনি স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
  6. সুভাস সাহা স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়
  7. শামীম কবির - বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক;
  8. কবিয়াল হরিচরণ আচার্য্য- কবি গুণাকর উপাধিতে ভূষিত;
  9. শহীদ আসাদ- ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের নায়ক
  10. মোশাররফ হোসেন ভূঁইঞা
  11. এম এ মান্নান (অধ্যাপক)
  12. নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন
  13. আব্দুল মঈন খান
  14. আবদুল মোমেন খান
  15. কামাল হায়দার (রাজনীতিবিদ)
  16. আব্দুল মান্নান (শিক্ষক)
  17. রহিমা আখতার
  18. খায়রুল কবির খোকন
  19. সামসুল হুদা বাচ্চু
  20. আহমেদুল কবির
  21. রবিউল আলম কিরণ খাঁ
  22. সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল
  23. এ এইচ এম আব্দুল হালিম
  24. মাঈন উদ্দিন ভূঁইয়া
  25. আসাদুল হক খসরু
  26. আবদুল আলী মৃধা
  27. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ (নরসিংদীর রাজনীতিবিদ)
  28. মুস্তাফা জামাল
  29. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া
  30. শাহজাহান সাজু
  31. জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন
  32. রোকেয়া আহমেদ লাকী
  33. দেলোয়ার হোসেন খান
  34. তামান্না নুসরাত (বুবলী)
  35. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা
  36. গাজী ফজলুর রহমান
  37. হরিপদ দত্ত
  38. সোমেন চন্দ
  39. হানিফ পাঠান
  40. মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান
  41. গিয়াসউদ্দীন মিয়া:কৃষিবিদ।
  42. ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব:ফুটবলার।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স[সম্পাদনা]

নরসিংদী জেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনসমূহ হলঃ

  • উপ-সহকারী পরিচালক - (মোবাইলঃ ০১৭৩০-০০২১৫৩)

১। নরসিংদী ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭৩০-০০২১৫৬)

২। মনোহরদী ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭৩০-০০২১৬৫)

৩। পলাশ ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭৩০-০০২১৬৭)

৪। মাধবদী ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭২৬-৬৮৮৮৬৮)

৫। রায়পুরা ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭৬৭-৭২৭৭৯৯)

৬। বেলাব ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭২৪ ৪৮০২৯৪)

৭। শিবপুর ফায়ার স্টেশন - (মোবাইলঃ ০১৭৭৯-৩০৩৭০৭)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। .gov.bd/node/97975 "এক নজরে নরসিংদী" |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৭ 
  3. "নরসিংদীতে কীটনাশক বিক্রয় প্রতিনিধি যুবককে ছুড়িকাঘাত ও গুলি করে হত্যা"। ১২/১/২০২১।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]