ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলা
বাংলাদেশে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৭′১০″উত্তর ৯১°০৭′০০″পূর্ব / ২৩.৯৫২৮° উত্তর ৯১.১১৬৭° পূর্ব / 23.9528; 91.1167স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৭′১০″উত্তর ৯১°০৭′০০″পূর্ব / ২৩.৯৫২৮° উত্তর ৯১.১১৬৭° পূর্ব / 23.9528; 91.1167
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
আয়তন
 • মোট ১৯২৭.১১ কিমি (৭৪৪.০৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)[১]
 • মোট ১৫,২১,৩৩৬
 • ঘনত্ব ৭৯০/কিমি (২০০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪২.২৬%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট brahmanbaria.gov.bd


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল । একে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়।[২]

ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়তন ১৯২৭.১১ বর্গ কিলোমিটার। এর উত্তরে হবিগঞ্জকিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে কুমিল্লা জেলা, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যহবিগঞ্জ এবং পশ্চিমে মেঘনা নদী , নরসিংদী , কিশোরগঞ্জনারায়ণগঞ্জ জেলার অবস্থান ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৮৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্তরে উন্নীত হয়। তার আগে এটি কুমিল্লা জেলার একটি মহকুমা ছিল।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অবদান অনেক। আবদুল কুদ্দুস মাখনের মত ব্যক্তিরা এখানে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেন।

বাংলাদেশের পূর্ব-মধ্য জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সেই সাথে চট্টগ্রামের সর্ব উত্তরের জেলা। এক সময় এই জেলা বাংলাদেশের সমতট জনপদের একটি অংশ ছিল। ঈসা খাঁ বাংলায় প্রথম এবং অস্থায়ী রাজধানী স্থাপন করেন সরাইলে। কুমিল্লার তিনটি সাব-ডিভিশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা সৃষ্টি হয় ১৮৬০ সালের বৃটিশ আইনে । ১৮৬৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। মুঘল আমলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মসলিন কাপড় তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল।

১৯২১ সালে সমগ্র মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা (১৮৬২-১৯২২) এবং ব্যারিষ্টার আবদুর রসুল (১৮৭৪-১৯১৭) ছিলেন কংগ্রেস তথা ভারতবর্ষের প্রথম সারির একজন নেতা। উল্লাসকর দত্ত (১৮৮৫-১৯৬৫), সুনীতি চৌধুরী, শান্তি ঘোষ, গোপাল দেব, বীর মুক্তি যোদ্দা, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও জ্ঞান সাধক ডঃ এম. এ. রহমানের মত অনেক ত্যাগী ও মহান নেতাদের জন্ম দিয়েছে এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল আখাউড়ায় শহীদ হন।

নামকরণ[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নামকরণ নিয়ে একাধিক মত প্রচলিত আছে। লোকমুখে শোনা যায় যে সেন বংশের রাজত্ব্যকালে এই অঞ্চলে অভিজাত ব্রাহ্মণকুলের বড়ই অভাব ছিল। যার ফলে এ অঞ্চলে পূজা অর্চনার জন্য বিঘ্নতর সৃষ্টি হতো। এ সমস্যা নিরসনের জন্য সেন বংশের শেষ রাজা রাজা লক্ষণ সেন আদিসুর কন্যকুঞ্জ থেকে কয়েকটি ব্রাহ্মণ পরিবারকে এ অঞ্চলে নিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে কিছু ব্রাহ্মণ পরিবার শহরের মৌলভী পাড়ায় বাড়ী তৈরী করে। সেই ব্রাহ্মণদের বাড়ির অবস্থানের কারণে এ জেলার নামকরণ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া হয় বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। অন্য একটি মতানুসারে দিল্লী থেকে আগত ইসলাম ধর্ম প্রচারক শাহ সুফী হযরত কাজী মাহমুদ শাহ এ শহর থেকে উল্লেখিত ব্রাহ্মণ পরিবার সমূহকে বেরিয়ে যাবার নির্দেশ প্রদান করেন , যা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয় । ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আঞ্চলিক উচ্চারণ 'বাওনবাইরা' ।[৩] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিকৃত নাম 'বি-বাড়িয়া' বহুল প্রচলিত । যার ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ হচ্ছে । এ অবস্থার উত্তরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন হতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে এবং ২০১১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন হতে সকল ক্ষেত্রে বি-বাড়িয়ার পরিবর্তে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ লেখার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ।[৪][৫]

প্রশাসনিক বিন্যাস[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ৯টি উপজেলা , ১০০ টি ইউনিয়ন ও ৪ টি পৌরসভায় বিভক্ত । উপজেলাগুলো হলো :

পৌরসভাগুলো হল -

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা
  • আখাউড়া পৌরসভা
  • নবীনগর পৌরসভা
  • কসবা পৌরসভা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ আসন সমূহ[সম্পাদনা]

নম্বর নির্বাচনী এলাকার নাম নির্বাচনী এলাকার বিস্তৃতি
২৪৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ১ নাসিরনগর উপজেলা
২৪৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আশুগঞ্জ উপজেলা এবং সরাইল উপজেলা
২৪৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা বিজয়নগর উপজেলা
২৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আখাউড়া উপজেলা এবং কসবা উপজেলা
২৪৭ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর উপজেলা
২৪৮ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর উপজেলানবীনগর উপজেলার অংশবিশেষ

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

আশুগঞ্জ-ভৈরব রেল সেতু/রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেলসেতু
আখাউড়া রেলওয়ে জংশন

তাছাড়া ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য আখাউড়া হয়ে কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিস চালু হয়েছে এবং আশুগঞ্জ-আখাউড়া চারলেন সড়কের কাজও চলছে ।[৮] [৯] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নদীর উপর রয়েছে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু যা আশুগঞ্জ ও ভৈরবের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে । এটি ২০০২ সালে নির্মিত এবং এর দৈর্ঘ্য ১২০০ মিটার । সেতুটির পূর্ব নাম বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু । এটির পাশেই রয়েছে ১৯৩৭ সালে নির্মিত রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেলসেতু । [১০]

  • রেল - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে ঢাকা,সিলেট,চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহের রেল যোগাযোগ রয়েছে । আখাউড়া রেলওয়ে জংশন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন ।[১১] আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে । ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয় ।[১২]

আশুগঞ্জ-ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতু বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে ।[১৩]

  • নৌ - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নৌ যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম তিতাস ও মেঘনা নদী । শাখা নদীর মধ্যে রয়েছে কালাছড়া,বালুয়া,আউলিয়া জুড়ি, পাগলা,ডোল ভাঙ্গা,বলভদ্র,বিজনা,লংঘন,লহুর,রোপা,সোনাই,ছিনাইহানি প্রভৃতি ।[১৪] আশুগঞ্জ ঘাটের সাথে হবিগঞ্জ,সুনামগঞ্জ,সিলেট ও কিশোরগঞ্জের লঞ্চ যোগাযোগ রয়েছে ।[১৫]

তাছাড়া আশুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নৌ-বন্দর স্থাপন করা হয়েছে এবং এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় মালামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ।[১৬][১৭]

আবহাওয়া[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ২৫
(৭৭)
২৮
(৮২)
৩২
(৯০)
৩৩
(৯১)
৩৩
(৯১)
৩২
(৯০)
৩২
(৯০)
৩২
(৯০)
৩২
(৯০)
৩১
(৮৮)
২৯
(৮৪)
২৭
(৮১)
auto
(৮৭)
দৈনিক গড় °সে (°ফা) ১৮
(৬৪)
২২
(৭২)
২৬
(৭৯)
২৮
(৮২)
২৮
(৮২)
২৯
(৮৪)
২৯
(৮৪)
২৯
(৮৪)
২৮
(৮২)
২৭
(৮১)
২২
(৭২)
২২
(৭২)
২৫
(৭৭)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ১০
(৫০)
১৪
(৫৭)
১৯
(৬৬)
২২
(৭২)
২৩
(৭৩)
২৫
(৭৭)
২৫
(৭৭)
২৫
(৭৭)
২৪
(৭৫)
২৩
(৭৩)
১৭
(৬৩)
১৭
(৬৩)
২০٫৩
(৬৮٫৬)
গড় অধঃক্ষেপণ মিমি (ইঞ্চি) ১৪٫৪
(০٫৫৭)
৩৯٫৮
(১٫৫৭)
৭২٫৮
(২٫৮৭)
১৬৮٫২
(৬٫৬২)
৩১৫٫৪
(১২٫৪২)
৩৪৪٫৯
(১৩٫৫৮)
৩৬৭٫৯
(১৪٫৪৮)
২৪৭٫৫
(৯٫৭৪)
১৯৭٫৬
(৭٫৭৮)
১৪৮٫৫
(৫٫৮৫)
৩০٫৪
(১٫২)
৮٫৯
(০٫৩৫)
auto
(৭৭٫০৩)
অধঃক্ষেপণ দিনের গড় (≥ ০.১ mm) ১২ ১৯ ২৩ ২৮ ২৬ ২২ ১৩ auto
উৎস: Worldweatheronline[১৮]

জনসংখ্যা উপাত্ত[সম্পাদনা]

জেলার মোট জনসংখ্যা ২৮,৪০,৪৯৮ । এর মধ্যে ১৩,৬৬,৭১১ জন পুরুষ এবং ১৪,৭৩,৭৮৭ জন নারী ।[১৯]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

জেলার সাক্ষরতার হার ৪২.২৬% । ব্রাহ্মণবাড়িয়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে । এ জেলায় ৪১ টি কলেজ,৩ টি কারিগরী,৮৯৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,১৮২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,১টি,১ টি ল'কলেজ,১ টি নার্সিং ইন্সটিটিউট, ১টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল,১ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট,১ টি পিটিআই রয়েছে । [১৪][২০]

শিল্প ও অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাঁত শিল্প বিখ্যাত ।[২১] ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত ও ১৯৬৮ সালে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ড দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করে ।[২২] আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র । আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের ইউরিয়া সারের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প কারখানা । দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া বন্দর । এ বন্দরের মাধ্যমে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয় । এটি ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয় ।[২৩] এখানে বিসিক শিল্পনগরী স্থাপিত হয় ১৯৮৫ সালে ।[১৪]

মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল । ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সান্ধ্য আইন জারি করা হয় এবং এদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী জনগন সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করেন ।[২৪] ২৭ মার্চ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়োজিত চতুর্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার কর্নেল শাফায়াত জামিল (বীর বিক্রম) তার সাথের বাঙালি সেনাদের নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আর্মি ক্যাম্পের সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সৈন্যকে বন্দি করেন । ঐদিন দুপুরে খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) মৌলভীবাজারের শমসেরনগর হতে তার সেনাদল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন এবং কর্নেল শাফায়াত জামিল (বীর বিক্রম) তার কাছে চতুর্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্ব অর্পণ করেন ।[২৫] মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হানাদার মুক্ত হয় ।[২৬]মোস্তফা কামাল (বীরশ্রেষ্ঠ) ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আখাউড়ার দরুইন গ্রামে শহীদ হন ।[২৭] ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুরে এস ফোর্সের অধিনায়ক মেজর কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম ও সেনাপ্রধান) এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর যুদ্ধ হয় । ঐ যুদ্ধে দুজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এবং ১১ জন আহত হন । পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২৫ জন নিহত ও ১৪ জন বন্দী হয় ।[২৮] রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে গড়ে তোলা হয়েছে কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থল । এখানে ৫০ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর রয়েছে ।[২৯][৩০][৩১][৩২] [৩৩]

সংস্কৃতি ও খেলাধুলা[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বলা হয় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী ।[২] ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ,আলী আকবর খান,বাহাদুর খান এর মত খ্যাতিমান সঙ্গীতজ্ঞের জন্ম এখানে । উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে যাদের অবদান অসীম । পুতুল নাচ এর জন্যও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিখ্যাত । ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম পুতুল নাচের প্রচলন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণসাগর গ্রামের বিপিন পাল । [৩৪]

ঐতিহ্যবাহী উৎসব

  • নৌকা বাইচ - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে শত বছর যাবত ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে । প্রতিবছর মনসা পূজা উপলক্ষে ভাদ্র মাসের প্রথম তারিখে তিতাস নদীতে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয় ।
  • আসিল মোরগ লড়াই - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এই ঐতিহ্যবাহী মোরগ লড়াই অনুষ্ঠিত হয়
  • গরুর দৌড় - বাঞ্ছারামপুর থানার রূপসদী গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড় অনুষ্ঠিত হয়
  • ভাদুঘরের বান্নী (মেলা) - ভাদুঘর তিতাস নদীর তীরে মেলা অনুষ্ঠিত হয়
  • খড়মপুর কেল্লাশাহ (র) মাজার শরীফ এর বার্ষিক ওরশ

খেলাধুলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনপ্রিয় খেলা হল - ক্রিকেট,ফুটবল,ব্যাডমিন্টন । ঐতিহ্যবাহী খেলার মধ্যে রয়েছে - নৌকা বাইচ,লাঠিখেলা,গরু দৌড়,আসিল মোরগ লড়াই । ২০১৪-১৫ মৌসুমে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেটের শিরোপা জিতেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৮ দল । ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্রীড়াঙ্গনের মূলকেন্দ্র নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়াম । তৎকালীন এসডিও নিয়াজ মোহাম্মদ খান ১৯৩৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন , যা দেশের প্রাচীনতম স্টেডিয়াম ।[৩৫] এ জেলার বিখ্যাত খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন ক্রিকেটার প্রবীর সেন , যিনি ডন ব্র্যাডম্যানের বিপক্ষে খেলেছিলেন ।[৩৬] বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল[৩৭]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

সঙ্গীতজ্ঞ

  • ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ (১৮৮১ - ১৯৭২) - খ্যাতিমান সঙ্গীতজ্ঞ, বাবা আলাউদ্দিন খান নামেও তিনি পরিচিত । তিনি মাইহারের রাজদরবারে সঙ্গীতচর্চা করতেন । ভারত সরকার তাকে ১৯৫৮ সালে সর্বোচ্চ পদক ‘পদ্মভূষণ’ ও ১৯৭১ সালে 'পদ্মবিভূষণ' প্রদান করেন । তার ভাই ওস্তাদ আয়াত আলী খাঁর হাত ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় 'সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন' । তার পরিবারের অন্যান্য বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ভাই ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ ও ফকির আফতাব উদ্দিন খাঁ , পুত্র আলী আকবর খাঁ, জামাতা পণ্ডিত রবিশঙ্কর, কন্যা রওশন আরা বেগম ওরফে অন্নপূর্ণা , ভ্রাতুষ্পুত্র ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খাঁ, পৌত্র আশীষ খাঁ ।[৩][৩৮][৩৯]
  • আলী আকবর খান - বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, ১৯৭১ এর ১ আগস্ট নিউইর্য়কের ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর অন্যতম আয়োজক । ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর পুত্র
  • অন্নপূর্ণা দেবী - সেনিয়া-মাইহার ঘরানার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী । তিনি ওস্তাদ আলাউদ্দীন খানের কন্যা ।[৪০]
  • ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ - (১৮৮৪-১৯৬৭) - উচ্চাঙ্গসঙ্গীত শিল্পী - গভর্নর পদক (১৯৬০), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী (১৯৭৬) এবং স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৮৪) প্রাপ্ত । ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ভাই ।[৪১]
  • বাহাদুর খান - (১৯৩১-১৯৮৯) - বিখ্যাত সরোদ বাদক এবং চলচ্চিত্র সুরকার
  • কিরীট খান - (১৯৫৫-২০০৬) - বিখ্যাত সেতার বাদক
  • ফকির আফতাব উদ্দিন খাঁ (১৮৬২ - ১৯৩৩) - গীতিকার,সুরকার,গায়ক । ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ভাই ।[৪২]
  • ওস্তাদ আবেদ হোসেন খান (১৯২৯-১৯৯৬) - সেতারবাদক,সুরকার ও সংগীত পরিচালক । সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর পুত্র । তিনি ১৯৮৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন ।[৪৩]
  • ওস্তাদ খাদেম হোসেন খান (১৯২২-১৯৯২) - সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক । ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর শিষ্য , ১৯৮০ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন । বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ।[৪৪]
  • ওস্তাদ মীর কাশেম খান (১৯২৮-১৯৮৪) - সেতারশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক । ১৯৮৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন ।[৪৫]
  • শেখ সাদী খান - বাংলাদেশের আধুনিক সঙ্গীতের স্থপতিদের একজন । তিনি সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার । ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর পুত্র । দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত ।
  • ওস্তাদ খুরশিদ খান (১৯৩৫-২০১২) - সেনীয়া-মাইহার ঘরানার বিখ্যাত সেতার বাদক । ওস্তাদ আয়েত আলী খানের নাতি । ২০০১ সালে স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ।[৪৬]
  • ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু - উচ্চাঙ্গসঙ্গীতশিল্পী [৪৭]
  • মনমোহন দত্ত - মলয়া সংগীতের জনক ও মরমী সাধক
  • আনন্দ চন্দ্র নন্দী - সঙ্গীতজ্ঞ ও সাধক । সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নে জন্ম । অন্য নাম আনন্দস্বামী । সাধক মনোমোহন দত্ত তার শিষ্য ।
  • রামদুলাল মুন্সী - সঙ্গীতজ্ঞ ও সাধক । আনন্দ চন্দ্র নন্দীর পিতা । ত্রিপুরা রাজার দেওয়ান ছিলেন ।
  • মহেন্দ্রচন্দ্র নন্দী (১৮৫৩-১৯৩২)- সঙ্গীতজ্ঞ,সাধক,ডাক্তার ও শিল্প উদ্যোক্তা । আনন্দ চন্দ্র নন্দীর পুত্র ।[৪৮][৪৯][৫০]
  • অমর পাল - প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী । ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর কাছ থেকে দীক্ষা নেন ।[৩][৫১]
  • গিরীণ চক্রবর্তী - প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী ।
  • সুবল দাস (১৯২৭-২০০৫) - বিখ্যাত চলচ্চিত্র সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার ।
  • সৈয়দ আব্দুল হাদী - প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী

রাজনীতিবিদ

  • ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬ - ১৯৭১ ) - ভাষা সৈনিক , ১৯৪৮ সালের ২৪ শে জানুয়ারি পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেছিলেন
  • নুরুল আমিন (১৮৯৩–১৯৭৪) - পাকিস্তানের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের একমাত্র উপরাষ্ট্রপতি
  • আকবর আলি খান - অর্থনীতিবিদ,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
  • নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা (১৮৬২-১৯২২) - কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (১৯১৭ - ১৯২০),বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট (১৯২১),ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,নিখিল বঙ্গ মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি (১৯০৭) , পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সেক্রেটারি (১৯০৯-১৯১০) [৫২]
  • ব্যারিস্টার আবদুর রসুল (১৮৭২ - ১৯১৭)- বাঙালী জাতীয়তাবাদী নেতা [৫৩]
  • আবদুল কুদ্দুস মাখন (১৯৪৭-১৯৯৪) - মুক্তিযোদ্ধা,মুজিব বাহিনীর অন্যতম সংগঠক,বঙ্গবন্ধুর 'চার খলিফা'র একজন [৫৪]
  • অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক - বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার প্রধান কৌসুলী ও ১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কৌসুলী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য,মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,সাবেক সংসদ সদস্য [৫৫][৫৬]
  • আনিসুল হক - আইনমন্ত্রী,আখাউড়া-কসবা আসনের এমপি[৫৭]
  • ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি এম তাজুল ইসলাম - সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রতিমন্ত্রী,বাঞ্ছারামপুর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য,মুক্তিযোদ্ধা[৫৮]
  • মোহাম্মদ ছায়েদুল হক - মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী,নাসিরনগর আসনের এমপি
  • হাবিবুল্লাহ খান - সাবেক তথ্য ও বেতার মন্ত্রী (১৯৭৮)
  • আবদুর রহমান খান - সাবেক সমবায় ও পাটমন্ত্রী (১৯৫৪)[৫৯]
  • অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ - সাবেক প্রতিমন্ত্রী (১৯৯১)
  • উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া - সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী (২০০১)
  • ডাঃ মোঃ ফরিদুল হুদা - সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী (১৯৭৮)[৬০]
  • এডভোকেট হুমায়ুন কবির - সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী (১৯৮৪)[৬১]
  • ফজলুল হক আমিনী - ইসলামী ঐক্যজোটের সাবেক চেয়ারম্যান[৬২]

ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী

সাহিত্যিক

  • অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১ জানুয়ারি ১৯১৪ - ১৬ এপ্রিল ১৯৫১) - বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক
  • আবদুল কাদির ( ১৯০৬ - ১৯ ডিসেম্বর ১৯৮৪) - বাঙালি কবি, সাহিত্য-সমালোচক ও ছান্দসিক
  • আল মাহমুদ - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্প লেখক
  • জোতিরিন্দ্র নন্দী (১৯১২-১৯৮২) - ‘বারো ঘর এক-উঠোন’ তার বিখ্যাত উপন্যাস ।[৬৬]
  • প্রবোধচন্দ্র সেন (১৮৯৭-১৯৮৬) - ছন্দবিশারদ [৬৭]
  • সানাউল হক (১৯২৪-১৯৯৩) - খ্যাতিমান কবি । ১৯৩৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও ১৯৪৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ অনার্স পাশ করেন । বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৪), ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৫) , একুশে পদক (১৯৮৩) প্রাপ্ত ।[৬৮]
  • সুফী জুলফিকার হায়দার - কবি । একুশে পদক ও নজরুল স্মৃতি পুরস্কার প্রাপ্ত ।
  • আহমদ রফিক - কবি ও গবেষক ।
  • মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ (১৯৩৬-২০১৩) - নজরুল গবেষক ও সাহিত্যিক ।[৬৯]
  • ফজল শাহাবুদ্দীন - কবি । একুশে পদক ও বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত ।
  • মোবারক হোসেন খান - অনুবাদক,সংগীত গবেষক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক । ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর পুত্র ।[৭০]
  • কবীর চৌধুরী (১৯২৩-২০১১) - বিখ্যাত লেখক ও সাবেক জাতীয় অধ্যাপক । ১৯৭৩ সালের বাংলা একাডেমী পুরস্কার,১৯৯১ সালের একুশে পদক এবং আরও অনেক পুরস্কারে ভূষিত । তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী এর বড় ভাই ।
  • হাসনাত আব্দুল হাই
  • তিতাস চৌধুরী - লেখক ও গবেষক ।[৭১]
  • আলী ইমাম - শিশু সাহিত্যিক ।
  • জয়দুল হোসেন - কবি । [৭২]

মুক্তিযোদ্ধা

বিজ্ঞানী

  • আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া - বিখ্যাত পুরাতাত্ত্বিক,গবেষক
  • আব্দুস সাত্তার খান (১৯৪১-২০০৮)- নাসার বিজ্ঞানী, ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের গবেষক ও অধ্যাপক, ১৯৮৬ সালে এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এর ইঞ্জিনের জ্বালানি খরচ কমানোয় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ইউনাইটেড টেকনোলজিস স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত, ব্রিটেনের রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রির রসায়নবিদ এবং নির্বাচিত ফেলো [৭৬]
  • তাহের খান - যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য গবেষণা ও মাননিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এর বিজ্ঞানী, যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার ট্রাস্ককিগি ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ।[৭৭]

খেলোয়াড়

সাংবাদিক

  • হাবিবুর রহমান মিলন (১৯৩৯-২০১৫) - ২০১২ সালের একুশে পদক প্রাপ্ত । দৈনিক ইত্তেফাকের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ছিলেন ।[৭৮]
  • আহমেদুর রহমান (১৯৩৩-১৯৬৫)- ইত্তেফাকের খ্যাতিমান সাংবাদিক , সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলনের বড় ভাই , ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যেদের একজন । ১৯৬৫ সালের ২০ মে কায়রোতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত । [৭৯][৮০][৮১]
  • মুহম্মদ মুসা - সাংবাদিক ও গবেষক ।[৮২]
  • তুষার আব্দুল্লাহ - ইউনেস্কো পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক [৮৩]

বুজুর্গ সুফি সাধক

অন্যান্য ক্ষেত্র

  • ঈসা খান - বারো ভুঁইয়া দের অন্যতম
  • মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ - সাবেক বিডিআরের মহাপরিচালক
  • অলি আহাদ - ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০০৪ প্রাপ্ত
  • শেখ আবু হামেদ (১৯২৮-২০১৪) - ভাষা সৈনিক , মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ইতিহাসবিদ ।[৮৫]
  • সালেহউদ্দিন আহমেদ - বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্ণর
  • আনন্দময়ী মা (১৮৯৬-১৯৮২) - আধ্যাত্মিক সাধিকা
  • মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য - দাতা ও শিক্ষানুরাগী ।[৮৬]
  • নরেন্দ্রচন্দ্র দত্ত (১৮৭৮-১৯৬২) - প্রখ্যাত ব্যাংকার ।[৮৭]
  • অমিতাভ রেজা চৌধুরী - চলচ্চিত্র পরিচালক ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা ।[৮৮]
  • পায়েল ঠাকুর - ইতালীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা [৮৯]
  • জাকিয়া বারী মম - অভিনেত্রী এবং মডেল
  • সাবরিনা পড়শী - সংগীতশিল্পী
  • দেলোয়ার জাহান ঝন্টু - চলচ্চিত্র পরিচালক
  • আনোয়ার জাহান নান্টু - সংগীত পরিচালক[৯০]
  • এম এন ইস্পাহানী - চলচ্চিত্র পরিচালক[৯১]
  • [আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা কাজী মাসুদুর রহমান][৯২]- সাবেক রাষ্ট্রপতির ইমাম:- বঙ্গভবন জামে মসজিদ, সম্মানিত প্রধান মুয়াযযিন:- জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম[৯৩], মূল ক্বারী, প্রধান মুকাব্বির ও উপস্থাপক:-জাতীয় ঈদগাহ[৯৪], গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের) ধর্ম গ্রন্ত পাঠক। ইসলামীক আলোচক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান গ্রন্তনা ও উপস্থাপক:-বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন[৯২]

দর্শনীয় স্থান সমূহ[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ হল -

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ স্মৃতিসৌধ
  • জামেয়া ইউনূছিয়া (বড় মাদ্রাসা)
  • সরাইল জামে মসজিদ (১৬৬২)
  • কালভৈরব মূর্তি (১৯০০ শতাব্দী, উচ্চতা ২৮ ফুট)
  • ভৈরব রেলওয়ে সেতু
  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু (সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু)
  • কাইতলা জমিদার বাড়ী (নবীনগর)
  • আড়িফাইল মসজিদ (সরাইল)
  • ধরন্তি (সরাইল)
  • কেল্লা শহীদের মাজার (১৮০০ শতাব্দী, খরমপুর)
  • উলচাপাড়া জামে মসজিদ (১৬০০ শতাব্দী)
  • ভাদুঘর শাহী জামে মসজিদ (১৬৬৩ খ্রীষ্টাব্দ)
  • সৈয়দ কাজী মাহমুদ শাহ মাজার (১৬০০ শতাব্দী, কাজীপাড়া)
  • গঙ্গাসাগর দিঘী - আখাউড়া
  • আখাউড়া স্থলবন্দর
  • তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  • আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  • হাতিরপুল ও ওয়াপদা রেস্ট হাউস (শাহবাজপুর, সরাইল)
  • অদ্বৈত মল্লবর্মনের বাড়ি (গোকর্ণ ঘাট)
  • জিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (আশুগঞ্জ)
  • আর্কাইভ জাদুঘর (কসবা)
  • অবকাশ (সদর)
  • বাসুদেব মূর্তি (সরাইল)
  • হরিপুরের জমিদার বাড়ি
  • কৈলাঘর দূর্গ (কসবা), কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (কসবা)
  • বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের কবর (আখাউড়া),
  • সৌধ হিরন্ময়
  • শহীদ মিনার
  • তোফায়েল আজম মনুমেন্ট
  • মঈনপুর মসজিদ (কসবা)
  • বাঁশী হাতে শিবমূর্তি (নবীনগর)
  • আনন্দময়ী কালীমূর্তি (সরাইল)
  • লোকনাথ দীঘি
  • ঘাগুটিয়ার পদ্ম বিল - আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত । এখানে ঘাগুটিয়া ও মিনারকুট নামে ২ টি বিল রয়েছে । শরৎকালে যা পদ্ম ফুলে ভরে যায় ।[৯৫][৯৬]
  • গোকর্ণ নবাব বাড়ি কমপ্লেক্স (সৈয়দ শামসুল হুদার বাড়ি) - নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ গ্রামে অবস্থিত ।[৯৭]
  • চর সোনারামপুর - আশুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত । মেঘনা নদীর মাঝে , সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পাশে অবস্থিত ।[৯৮]
  • কালাছড়া চা বাগান - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একমাত্র চা বাগান । অন্য নাম 'হরিহর টি এস্টেট' । বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া গ্রামে অবস্থিত । [৯৯]
  • আখাউড়া স্থল বন্দর - আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে বিকালে অনুষ্ঠিত (বিএসএফ) ও (বিজিবি) এর যৌথ কুচকাওয়াজ ।[১০০]
  • কসবা সীমান্ত হাট - কসবা উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাট,যা বর্তমানে প্রতি রবিবার বসে ।[১০১]
  • ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন অর্কিড প্রজেক্ট - সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে অবস্থিত ।[১০২][১০৩]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার লিচু বাগান
  • বিজয়নগর উপজেলার লিচু বাগান - এখানকার সবচেয়ে বড় লিচুর বাজার হল আউলিয়া বাজার ও মেরাশানী বাজার ।[১০৪]
ছানামুখী মিষ্টি

বিখ্যাত খাবার[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মিষ্টান্নের মধ্যে ছানামুখী অন্যতম , যা দেশের অন্য কোনো অঞ্চলে তেমন প্রচলন নেই । এছাড়া তালের রস দিয়ে তৈরি আরেকটি মিষ্টান্ন তালের বড়া ও রসমালাই বিখ্যাত ।[১০৫][১০৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২১ জুন, ২০১৪ 
  2. ২.০ ২.১ http://bonikbarta.com/news/2016-05-13/75294/সফরনামা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া/
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ ৩.৩ উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; thedailystar.net নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  4. http://archive.prothom-alo.com/detail/news/282274
  5. http://www.kalerkantho.com/print-edition/culture/2011/07/08/169753
  6. "রোড মাস্টার প্ল্যান"। বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সংগৃহীত ০৭ অক্টোবর ২০১৬ 
  7. সড়ক ও জনপথ বিভাগ
  8. "আশুগঞ্জ-আখাউড়া চারলেন সড়ক প্রকল্পের কাজ শিগগিরই"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর (Dhaka, Bangladesh)। জুন ২৪,২০১৬। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  9. "কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাসের ১ বছর"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (Dhaka,Bangladesh)। জুন ১৮,২০১৬। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  10. "বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু (ভৈরব সেতু)"। সংগৃহীত ০৮ অক্টোবর,২০১৬ 
  11. "ব্রাহ্মণবাড়িয়া সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ"মানবকণ্ঠ (Dhaka,Bangladesh)। ১২ জানুয়ারি,২০১৬। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  12. "আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের উদ্বোধন আজ"কালের কণ্ঠ (Dhaka,Bangladesh)। ৩১ জুলাই,২০১৬। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  13. "নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না আশুগঞ্জ-ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতুর কাজ"ইত্তেফাক (Dhaka,Bangladesh)। ৩০ জুন, ২০১৬। সংগৃহীত ০৮ অক্টোবর,২০১৬ 
  14. ১৪.০ ১৪.১ ১৪.২ "সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের তীর্থভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া"। Dhaka,Bangladesh। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  15. "শ্রমিক ধর্মঘটে অচল নৌপথ সীমাহীন দুর্ভোগ যাত্রীদের"আমাদের সময় (Dhaka,Bangladesh)। ২২ এপ্রিল ২০১৬। সংগৃহীত ০৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  16. "Bangladesh to ink pact with India for 100MW power from Tripura"। The Times of India। সংগৃহীত ০৭ অক্টোবর ২০১৬ 
  17. "আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে ট্রানজিটের প্রথম চালান ত্রিপুরায়"ইত্তেফাক (Dhaka,Bangladesh)। ১৯ জুন,২০১৬। সংগৃহীত ০৭ অক্টোবর,২০১৬ 
  18. "Brahmanbaria, Bangladesh Travel Weather Averages (Worldweather)"। Worldweatheronline। সংগৃহীত ২৬ Oct ২০১৬ 
  19. http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/555408/এক-নজরে-ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  20. "শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ"। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  21. http://www.jjdin.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=14-06-2012&type=single&pub_no=157&cat_id=1&menu_id=16&news_type_id=1&news_id=20844
  22. "তিতাস ইতিহাস"। তিতাস। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  23. "আখাউড়া স্থলবন্দরে রফতানি-বাণিজ্যে ধস"ইত্তেফাক (Dhaka,Bangladesh)। ০৪ অক্টোবর,২০১৬। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  24. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড),হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত,হাক্কানী পাবলিকেশনস,ঢাকা,পৃষ্ঠা ১৪৭
  25. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,রক্তাক্ত মধ্য আগষ্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর। ঢাকা: সাহিত্য প্রকাশ। ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮। পৃ: ২৩। আইএসবিএন 9844651441 
  26. http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/707158/ব্রাহ্মণবাড়িয়া-মুক্ত-দিবসে-দেয়ালে-আঁকা-ছবির
  27. http://titas24.com/স্বাধীন-বাংলা-বেতার-কেন্/
  28. ২৮.০ ২৮.১ http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-10-15/news/298110
  29. http://archive.prothom-alo.com/print/news/119160
  30. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-30/news/254176
  31. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-10-24/news/300565
  32. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=কামাল,_বীরশ্রেষ্ঠ_মোহাম্মদ_মোস্তফা
  33. Lieutenant General M Harun-Ar-Rashid (ডিসেম্বর ১৬, ২০০৪)। "Attack on Kalachara"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর,২০১৬ 
  34. https://www.dailyjanakantha.com/print/details/article/109800/
  35. http://www.kalerkantho.com/print-edition/khalar-ghor/2015/07/31/250479
  36. ৩৬.০ ৩৬.১ http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/62678.html
  37. ৩৭.০ ৩৭.১ http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/555395/খেলাধুলা-ও-বিনোদন
  38. http://www.banglatribune.com/country/news/138479/ওস্তাদ-আলাউদ্দিন-খাঁর-৪৪তম-মৃত্যুবার্ষিকী-আজ-ঘুরে
  39. http://archive.samakal.net/print_edition/details.php?news=501&view=archiev&y=2013&m=09&d=06&action=rpt&menu_type=&option=single&news_id=365621&pub_no=1519&type=
  40. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-29/news/105009
  41. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=খাঁ,_ওস্তাদ_আয়েত_আলী
  42. http://nabinagar.brahmanbaria.gov.bd/node/1372263/
  43. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2010-11-28/news/156116
  44. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=খান,_ওস্তাদ_খাদেম_হোসেন
  45. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=খান,_ওস্তাদ_মীর_কাশেম
  46. http://www.banglanews24.com/probash/news/91036/ওস্তাদ-খুরশিদ-খানের-স্মরণে-নিউইয়র্কে-বিশেষ-কর্মসূচি-মার্চে
  47. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=খসরু,_মোহাম্মদ_হোসেন
  48. প্রবাসী(দ্বিতীয় খণ্ড)। কলকাতা। ১৯৩২। পৃ: ১২৭। 
  49. জীবনী কোষ (ভারতীয় ঐতিহাসিক), প্রথম খণ্ড। কলিকাতা। ১৯৩৬। পৃ: ১৭২। 
  50. "সঙ্গীত সাধক মনোমোহন ও তাঁর গুরুকুল"। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  51. http://www.risingbd.com/অমর-পালের-গান-ও-স্মৃতির-তরণী/114127
  52. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=হুদা,_নওয়াব_সৈয়দ_শামসুল
  53. http://nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd/node/578453/এক-নজরে-নাসিরনগর-উপজেলা
  54. http://www.jugantor.com/old/current-news/2015/06/23/283263
  55. http://bangla.samakal.net/2015/10/29/170209
  56. http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/last-page/2015/10/29/80409.html
  57. http://www.manobkantha.com/2014/01/13/154959.html
  58. http://www.priyo.com/people/9719
  59. http://www.comillarkagoj.com/details.php?id=29415
  60. http://www.jaijaidinbd.com/?view=details&type=single&pub_no=8&cat_id=2&menu_id=13&news_type_id=1&index=24&archiev=yes&arch_date=14-01-2012
  61. http://mzamin.com/details.php?mzamin=NjAwOQ==&s=MQ==
  62. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-12/news/312664
  63. http://weeklyamod-bd.com/মুক্তিযুদ্ধে-ত্রিপুরার-ক/
  64. http://nccjcbm.blogspot.com/2015/07/indian-freedom-fighters-in-andaman.html
  65. "জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেন্স বধের পরিকল্পনাকারী বিপ্লবী অখিলচন্দ্র নন্দী সম্পর্কে কিছু তথ্য"। সংগৃহীত ২৪ Oct,২০১৬ 
  66. http://archives.anandabazar.com/e_kolkata/2013/august/atiter_tara.html
  67. http://archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMTJfMDhfMTJfMV8yXzFfMjIwNg==
  68. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=হক,_সানাউল
  69. "নজরুল গবেষক মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ আর নেই"। Dhaka,Bangladesh। সংগৃহীত ২৩ Oct,২০১৬ 
  70. "মোবারক হোসেন খান"। পড়ুয়া। সংগৃহীত ২৩ Oct,২০১৬ 
  71. "কথা সাহিত্যিক তিতাস চৌধুরী আর নেই"। সংগৃহীত ২৩ Oct,২০১৬ 
  72. "বাংলা কবিতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত কবি জয়দুল হোসেনকে সংবর্ধনা"। ১৪ Nov,২০১৪। সংগৃহীত ২৪ Oct,২০১৬ 
  73. http://archive.prothom-alo.com/detail/news/68412
  74. http://amaderkatha.com/archives/7982
  75. http://www.prothom-alo.com/opinion/article/478030/সৈয়দ-আকবর-হোসেন
  76. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-24/news/283264
  77. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-09/news/319795
  78. http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article982466.bdnews
  79. http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/drishtikon/2016/06/14/125508.html
  80. http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/special-issue/2014/12/24/22129.html
  81. http://www.comillarkagoj.com/details.php?id=26249
  82. "আমাদের শহীদ মিনার : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা"ইত্তেফাক। সংগৃহীত ২৩ Oct,২০১৬ 
  83. http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/07/15/96024.php
  84. ' সিরাতে হযরত শায়খুল বাঙ্গাল (রাহ্‌) ' - কাজি এ,বি,সিদ্দিক হাজারী; উপজেলা রায়পুরা, জেলা-নরসিংদী; প্রকাশকালঃ ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১২ ইং ।
  85. http://www.bhorerkagoj.net/print-edition/2016/05/18/89045.php
  86. "মহেশাঙ্গন ও রামমালা পাঠাগার"। Dhaka,Bangladesh। মার্চ ১৭, ২০১৪। সংগৃহীত ২৩ Oct,২০১৬ 
  87. Sengupta, Subhodh Chandra; Basu, Anjali, সম্পাদকবৃন্দ (জানুয়ারি ২০০২)। "নরেন্দ্রচন্দ্র দত্ত" [Narendra Chandra Dutta]। Samsad Bangali Charitabhidhan (Bibliographical Dictionary) (Bengali ভাষায়)। Volume 1 (4th সংস্করণ)। Kolkata: Shishu Sahitya Samsad। পৃ: 247–248। আইএসবিএন 81-85626-65-0 
  88. "অমিতাভ রেজা"। বিএমডিবি। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  89. http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/2282/ইতালির-ছবিতে-বাংলার-নায়ক
  90. । বিএমডিবি http://www.bmdb.com.bd/person/416/। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  91. "ইস্পাহানী"। বিএমডিবি। সংগৃহীত ২২ Oct,২০১৬ 
  92. ৯২.০ ৯২.১ শতদল সরাইল: (সূচীপত্র সিরিয়াল নং-০৭)। লেখক: লুতফর রহমান, শাহবাজপুর অতীত ও বর্তমান। ২০১২। পৃ: ৩২। 
  93. ধর্ম মন্ত্রণালয়, জাতীয় মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বায়তুল মোকাররম, ঢাকা-১০০০,(২০০৯খ্রি:চলমান),: জাতীয় মসজিদ''-).
  94. ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মনোনীত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বায়তুল মোকাররম, ঢাকা-১০০০,(সুত্র নং-১৭৮৩/ইফাঃ সং/৫/৯৯/৩৯৫(২০): ২০১০ খ্রি),:সুত্র নং-১৮৩৫/ইফাঃসং/১/৯৭/ জাতীয় ঈদগাহেপ্রধান জামাআতের অনুমদিত তালিকা-তাং-০৮/০৯/২০১০খ্রি).
  95. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-10-03/news/294749
  96. http://archive.samakal.net/print_edition/details.php?news=16&view=archiev&y=2012&m=10&d=19&action=main&option=single&menu_type=&news_id=300843&pub_no=1204&type=
  97. http://www.jugantor.com/online/travel/2016/05/24/13919/print
  98. "চর সোনারামপুর বিলীনের পথে"জনকন্ঠ (Dhaka,Bangladesh)। সংগৃহীত ০৮ অক্টোবর,২০১৬ 
  99. http://bishuporup.brahmanbaria.gov.bd/node/1098495/ঐতিহাসিক-কালাছড়া-চা-বাগান
  100. "আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে যৌথ কুচকাওয়াজে দর্শক বাড়ছে"। ২৪ Jan,২০১৬। সংগৃহীত ২৪ Oct,২০১৬ 
  101. "সীমান্ত হাট এখন থেকে আবার রোববার"। ২৮ Sep,২০১৬। সংগৃহীত ২৬ Oct,২০১৬ 
  102. http://www.duncanbd.com/content/18.html
  103. http://www.prothom-alo.com/economy/article/990988/দেশেই-অর্কিডের-বাণিজ্যিক-চাষ
  104. "বিজয়নগরে লিচুর বাম্পার ফলন প্রতিদিন অর্ধকোটি টাকার বেচাকেনা"। Dhaka,Bangladesh। সংগৃহীত ০৮ অক্টোবর,২০১৬ 
  105. http://www.amaderbrahmanbaria.com/bd/2015/09/21/ছানামূখী-ব্রাহ্মণবাড়িয়া/
  106. "ব্যস্ততায় কাটছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টি কারিগরদের"। Dhaka,Bangladesh। সংগৃহীত ১২ অক্টোবর,২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • হোসেন, জয়দুল। মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: গতিধারা। 
  • খান, শামসুজ্জামান। বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা ব্রাহ্মণবাড়িয়া (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: বাংলা একাডেমি। 
  • হৃদয়, আবুল কাশেম। অপারেশন কিল এন বার্ন : যুদ্ধাপরাধ (কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর) দলিলপত্র (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: কুমিল্লার কাগজ প্রকাশনী। 
  • সামাদ, এডভোকেট আবদুস। ভাষা-আন্দোলনের ঐতিহাসিক পটভূমিকা এবং ভাষা-আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র। 
  • মুসা, মুহম্মদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিবৃত্ত (বাংলা ভাষায়)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সেতু প্রকাশনী। 
  • করিম, রেজাউল। যাদের জন্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ধন্য (বাংলা ভাষায়)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া।