বোয়ালখালী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
বোয়ালখালী
উপজেলা
শ্রীপুর বুড়া মসজিদ
শ্রীপুর বুড়া মসজিদ
বোয়ালখালী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বোয়ালখালী
বোয়ালখালী
বাংলাদেশে বোয়ালখালী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২২′২৩″ উত্তর ৯১°৫৫′১৫″ পূর্ব / ২২.৩৭৩০৬° উত্তর ৯১.৯২০৮৩° পূর্ব / 22.37306; 91.92083স্থানাঙ্ক: ২২°২২′২৩″ উত্তর ৯১°৫৫′১৫″ পূর্ব / ২২.৩৭৩০৬° উত্তর ৯১.৯২০৮৩° পূর্ব / 22.37306; 91.92083 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা চট্টগ্রাম জেলা
প্রতিষ্ঠাকাল ২৯ আগস্ট, ১৯১০
সংসদীয় আসন ২৮৪ চট্টগ্রাম-৭
২৮৫ চট্টগ্রাম-৮
সরকার
 • সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)
মইন উদ্দীন খান বাদল (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল)
আয়তন
 • মোট ১৩৭.২৭ কিমি (৫৩.০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৮৭,১৭৮
 • ঘনত্ব ২১০০/কিমি (৫৪০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৯.৪০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৪৩৬৬ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

বোয়ালখালী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

কর্ণফুলি নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাড় ঘেঁষে ২২°২০´ থেকে ২২°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫২´ থেকে ৯২°০৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বোয়ালখালী উপজেলার অবস্থান।[২] চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার।[৩] এ উপজেলার দক্ষিণে পটিয়া উপজেলা; পূর্বে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা; উত্তরে কর্ণফুলি নদী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলারাউজান উপজেলা এবং পশ্চিমে কর্ণফুলি নদী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চান্দগাঁও থানাবাকলিয়া থানা অবস্থিত।

নামকরণ ও ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই জনপদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এ অঞ্চলে অসংখ্য অলি বুজুর্গগণের পবিত্র রওজা শরীফ অবস্থিত এবং জগদ্বিখ্যাত ছুফীগণের পদচারণায় ধন্য এ অঞ্চল। বিখ্যাত দরবেশ ও ইসলাম প্রচারক বু-আলী কালান্দর শাহ'র নামে এই থানার নাম হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। বোয়ালখালী উপজেলা ও চট্টগ্রাম শহরের সংযোগ সেতু কালুরঘাট ব্রিজের নাম স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বোয়ালখালী উপজেলার একেবারে পূর্ব সীমান্তে কানুনগোপাড়া গ্রামের এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে এলাকার বিখ্যাত দত্ত পরিবার কর্তৃক ১৯৩৯ সালে প্রায় ১৯.৩৪ একরের এক বিরাট বিস্তীর্ণ ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, সেটি ১৯৮৬ সালে সরকারিকরণ করা হয়।[৪]

আয়তন[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলার মোট আয়তন ১৩৭.২৭ বর্গ কিলোমিটার।[৩]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বোয়ালখালী উপজেলার লোকসংখ্যা ২,৮৭,১৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৪৮,৪৬৭ জন এবং মহিলা ১,৩৮,৭১১ জন। এ উপজেলায় মোট জনসংখ্যার ৭৬% মুসলিম, ২২% হিন্দু ও ২% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী রয়েছে।[২]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১০ সালের ২৯ আগস্ট বোয়ালখালী থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৩ সালের ৩ জুলাই এ থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। এ উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। বর্তমানে বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্ণফুলি থানার আওতাধীন। উপজেলার বাকি ৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম বোয়ালখালী থানার আওতাধীন।

পৌরসভা:
ইউনিয়নসমূহ:

[৫]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলার স্বাক্ষরতার হার ৬৯.৪০%।[২] এ উপজেলায় ১টি সরকারি কলেজ, ১টি কামিল মাদ্রাসা, ২টি বেসরকারি ডিগ্রী কলেজ, ২টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, ৩টি আলিম মাদ্রাসা, ৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩টি দাখিল মাদ্রাসা, ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও ৩৪টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[৩]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলায় ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২টি বেসরকারি হাসপাতাল, ৯টি এফ.ডব্লিউ.সি ও ৬টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে।[৩]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে বোয়ালখালী উপজেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক আরাকান সড়ক। এছাড়া এ ইউনিয়নে [৬] ৫ কিলোমিটার রেলপথ, ৯৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, ২০০ কিলোমিটার আধাপাকা রাস্তা, ৩২০ কিলোমিটার কাচা রাস্তা ও ১০.৭৯ নটিক্যাল মাইল নদীপথ রয়েছে।[৩]

ধর্মীয় উপাসনালয়[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলায় ২৯১টি মসজিদ, ৪০টি মন্দির, ১৮টি বিহার ও ১টি গীর্জা রয়েছে।[৩]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এখানকার বেশ কয়েকটি পাহাড় ও পাহাড়ী ঢালুতে বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল বিশাল রাবার বাগান, যেখান হতে প্রতিদিন শত শত লিটার উন্নতমানের কাঁচা রাবার উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি আরো কিছু কিছু পাহাড়ে বনায়ন শুরু করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিচ্ছিন্ন ভাবে শাক সবজির কিছু কিছু বাগানও। এতে চাষ হচ্ছে লেবু, পেয়ারা, তরমুজ, ঝিঙ্গা, করলা ইত্যাদির ফলনও হচ্ছে প্রচুর। এখানকার উৎপাদিত এসব সবজি জেলার অন্যান্য এলাকার অধিকাংশ লোকের চাহিদা মেটাচ্ছে।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলার উত্তর ও পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কর্ণফুলি নদী[২]

হাটবাজার ও মেলা[সম্পাদনা]

বোয়ালখালী উপজেলায় ১৭টি হাটবাজার রয়েছে ও বাৎসরিক ৫টি মেলা বসে।[২]

উল্লেখযোগ্য হাটবাজার
  • মুরাদ মুন্সির হাট
  • হাজীর হাট
  • নুরুল্লাহ মুন্সির হাট
  • কালাইয়ার হাট
  • চৌধুরী হাট
  • জমাদার হাট
  • অন্নপূর্ণার হাট
  • চাঁদার হাট
  • কানুনগোপাড়া মাস্টার বাজার

[২]

উল্লেখযোগ্য মেলা
  • হরিমন্দির বৈশাখী মেলা
  • কালাচাঁন ঠাকুরবাড়ী মেলা
  • সূর্যব্রত মেলা
  • মুক্তিযোদ্ধে বিজয় মেলা (গোমদন্ডী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ)

[২]

পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

  • মাসিক: বোয়ালখালী, সমাজচিত্র
  • পাক্ষিক: আলোকিত বোয়ালখালী

[২]

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ[সম্পাদনা]

  • শ্রীপুর বুড়া মসজিদ
  • দেওয়ান ভিটা (আনুমানিক ১৭১১ খ্রিস্টাব্দ)
  • হযরত বু-আলী কালন্দর শাহ (রহ.) মাজার (করলডেঙ্গা)
  • কালাচাঁন ঠাকুর বাড়ি (পোপাদিয়া)
  • লালার দীঘি (কধুরখীল)
  • কানুনগোপাড়া শ্যামরায় মন্দির
  • মেধস মুনির আশ্রম

[২]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাকবাহিনীর কালুরঘাট, ফকিরনী দীঘির পাড় ও কানুনগো পাড়া প্রভৃতি জায়গায় সম্মুখ সমরে অনেকে হতাহত হয়। ১৩ অক্টোবর কধুরখীল দুর্গাবাড়ি প্রাঙ্গণে পাকবাহিনী গণহত্যা সংঘটিত করে। এছাড়া তারা এ উপজেলায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্যাতন চালায়।[২]

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
  • স্মৃতিস্তম্ভ: ২টি

শহীদ শান্তিময় খাস্তগীর ও শহীদ দিলীপ চৌধুরীর স্মৃতিস্তম্ভ (স্যার আশুতোষ কলেজ সংলগ্ন, কানুনগোপাড়া)[২]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

১৩১.৭৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ উপজেলার ৩৬.৭৮ বর্গ কিলোমিটারের বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে করলডেঙ্গা ও জ্যৈষ্ঠপুরা পাহাড়ী বনাঞ্চল। পাহাড়ী বনাঞ্চলের পাদদেশে অবস্থিত বিখ্যাত দরবেশ হযরত বু-আলী কালান্দর শাহের মাজার। এর অনতিদূরে পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ায় রয়েছে চণ্ডীর উদ্ভবস্থান বলে খ্যাত মেধস মুনির আশ্রম। এ আশ্রম থেকেই সর্বপ্রথম তৎকালীন ভারতীয় উপ-মহাদেশ সহ সারা বিশ্বে দুর্গা পূজার প্রচলন হয়েছে বলে কিংবদন্তী রয়েছে। এখানে দুর্গাপূজার উদ্বোধন উপলক্ষে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দূর দূরান্তের হাজার হাজার নারী পুরুষের সমাগম ঘটে। বাংলাদেশের বৃহত্তম মৃৎ ভবন কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত।[২]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • অতুলচন্দ্র দত্ত –– সাহিত্যিক।
  • আশুতোষ চৌধুরী –– কবি ও লোকগীতি সংগ্রাহক।
  • কবরী সারোয়ার –– অভিনেত্রী।
  • কমর আলী –– সঙ্গীতজ্ঞ ও কবি।
  • কল্পনা দত্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • কালিকারঞ্জন কানুনগো –– শিক্ষাবিদ ও ঐতিহাসিক।
  • তারকেশ্বর দস্তিদার –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • ধীরেন্দ্রলাল বড়ুয়া –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • নির্মল লালা –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • নূর মোহাম্মদ চৌধুরী –– বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • প্রভাসচন্দ্র বল –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • বিনয় বাঁশী জলদাস –– যন্ত্রসংগীত শিল্পী।
  • বিনোদ বিহারী চৌধুরী –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • বিনোদবিহারী দত্ত –– শিক্ষাবিদ।
  • মইন উদ্দীন খান বাদল –– রাজনীতিবিদ।
  • মতিলাল কানুনগো –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • মধুসূদন দত্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • মহেন্দ্রলাল বিশ্বাস –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • মুফতি মুহাম্মদ ইদ্রিস রেজভী –– ইসলামী ব্যক্তিত্ব।
  • মোহাম্মদ মুছা চৌধুরী –– বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • রমা চৌধুরী –– একাত্তরের বীরাঙ্গনা এবং লেখিকা।
  • রমেশ শীল –– কবিয়াল।
  • রামকৃষ্ণ বিশ্বাস –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • লোকনাথ বল –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
  • শেফালী ঘোষ –– আঞ্চলিক সংগীত শিল্পী।
  • শ্রী চিন্ময় –– মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক।
  • সুচরিত চৌধুরী –– সংগীত শিল্পী ও কথা সাহিত্যিক।
  • হরিগোপাল বল –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন
সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[৭] সংসদ সদস্য[৮] রাজনৈতিক দল
২৮৪ চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৮৫ চট্টগ্রাম-৮ শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ব্যতীত বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩নং পাঁচলাইশ, ৪নং চান্দগাঁও, ৫নং মোহরা, ৬নং পূর্ব ষোলশহর৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড মইন উদ্দীন খান বাদল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)
উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন
ক্রম নং পদবী নাম
০১ উপজেলা চেয়ারম্যান[৯] আতাউল হক
০২ ভাইস চেয়ারম্যান[১০] ওবাইদুল হক হক্কানী
০৩ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান[১১] শাহিদা আকতার শেফু
০৪ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা[১২] আফিয়া আখতার

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://boalkhali.chittagong.gov.bd/node/596449-এক-নজরে-বোয়ালখালী-উপজেলা
  2. "বোয়ালখালী উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org 
  3. "এক নজরে বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  4. "বোয়ালখালী উপজেলার পটভূমি - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  5. "ইউনিয়নসমূহ - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  6. চট্টগ্রাম, জেলা তথ্য বাতায়ন।
  7. http://www.ec.org.bd/Bangla/QLTemplate1.php?Parameter_QLSCat_ID=41&ByDate=0&Year=
  8. http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/current-mps-bangla/2014-03-23-11-44-22
  9. "উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  10. "উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  11. "সাহিদা আকতার - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 
  12. "আফিয়া আখতার - বোয়ালখালী উপজেলা - বোয়ালখালী উপজেলা"boalkhali.chittagong.gov.bd 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]