ফেনী জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ফেনী
জেলা
নদীতীরে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প, সোনাগাজী
নদীতীরে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প, সোনাগাজী
বাংলাদেশে ফেনী জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে ফেনী জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১′০″ উত্তর ৯১°২৩′৩০″ পূর্ব / ২৩.০১৬৬৭° উত্তর ৯১.৩৯১৬৭° পূর্ব / 23.01667; 91.39167স্থানাঙ্ক: ২৩°১′০″ উত্তর ৯১°২৩′৩০″ পূর্ব / ২৩.০১৬৬৭° উত্তর ৯১.৩৯১৬৭° পূর্ব / 23.01667; 91.39167 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
প্রতিষ্ঠাকাল ৭ নভেম্বর, ১৯৮৩
আয়তন
 • মোট ৯২৮.৩৪ কিমি (৩৫৮.৪৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ১৪,৯৬,১৩৮
 • ঘনত্ব ১৬০০/কিমি (৪২০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৯.৬০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৩৯০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
২০ ৩০
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ফেনী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

আয়তন[সম্পাদনা]

ফেনী জেলার মোট আয়তন ৯২৮.৩৪ বর্গ কিলোমিটার।[১]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ফেনী জেলার মোট জনসংখ্যা ১৪,৯৬,১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭,২২,৬২৬ জন এবং মহিলা ৭,৭৩,৫১২ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১৪৫১ জন।[২] মোট জনসংখ্যার ৭৮.৭০% মুসলিম, ২১.২৪% হিন্দু এবং ০.০৬% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।[৩]

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২২°৪৪´ থেকে ২৩°১৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°১৫´ থেকে ৯১°৩৫´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে ফেনী জেলার অবস্থান।[৪] চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে এ জেলার দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। এ জেলার পশ্চিমে নোয়াখালী জেলাভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ, উত্তরে কুমিল্লা জেলাভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ, দক্ষিণ-পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

প্রতিষ্ঠাকাল[সম্পাদনা]

জেলা পরিষদ ভবন, ফেনী

১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে যে সকল মহকুমাকে মানোন্নীত করে জেলায় রূপান্তর করা হয়েছিল ফেনী জেলা তার একটি। ১৯৮৪ সালের পূর্বে এটি নোয়াখালী জেলার একটি মহকুমা ছিল। এ মহকুমার গোড়াপত্তন হয় ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে মীরসরাই, ছাগলনাইয়া ও আমীরগাঁও এর সমন্বয়ে। প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন কবি নবীনচন্দ্র সেন। ১৮৭৬ সালে মীরসরাইকে কর্তন করে চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভক্ত করা হয়। প্রথম মহকুমা সদর দপ্তর ছিল আমীরগাঁওয়ে। ১৮৭২ থেকে ১৮৭৪ সালের মধ্যে মোগল আমলের আমীরগাঁও থানা নদী ভাঙ্গনের ফলে ফেনী নদীর ঘাটের কাছাকাছি খাইয়ারাতে স্থানান্তরিত হয়। পরবর্তীতে এটি ফেনী থানা নামে পরিচিত হয়। অতঃপর ১৮৭৬ সালে নতুন মহকুমার পত্তন হলে খাইয়ারা থেকে থানা দপ্তরটি মহকুমা সদরে স্থানান্তরিত হয় ও নতুন মহকুমাটি ফেনী নামে পরিচিত হয়।[৫] পরবর্তীতে ১৮৮১ সালে তা ফেনী শহরে স্থানান্তরিত হয়।[৬]

নামকরণ[সম্পাদনা]

ফেনী নদীর নামানুসারে এ অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে ফেনী।[৭] মধ্যযুগে কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় একটি বিশেষ নদীর স্রোতধারা ও ফেরী পারাপারের ঘাট হিসেবে ফনী শব্দের ব্যবহার পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ষোড়শ শতাব্দীর সময়ে কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর পরাগলপুরের বর্ণনায় উল্লেখ করেন, ফনী নদীতে বেষ্টিত চারিধার, পূর্বে মহাগিরি পার নাই তার। এরপর সতের শতকে মির্জা নাথানের ফার্সী ভাষায় রচিত বাহরিস্তান-ই-গায়েবীতে ফনী শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে ফেনী-তে পরিণত হয়।[৮]

আঠার শতকের শেষার্ধে কবি আলী রজা প্রকাশ কানু ফকির তাঁর পীরের বসতি হাজীগাঁও এর অবস্থান সম্পর্কে লিখছেন, ফেনীর দক্ষিণে এক ষর উপাম, হাজীগাঁও করিছিল সেই দেশের নাম। কবি মুহম্মদ মুকিম তাঁর পৈতৃক বসতির বর্ণনাকালে বলেছেন, ফেনীর পশ্চিমভাগে জুগিদিয়া দেশে। তারাও নদী অর্থে ফেনী ব্যবহার করেছেন। ধারণা করা হয় আদি শব্দ ফনী মুসলমান কবি ও সাহিত্যিকদের ভাষায় ফেনীতে পরিণত হয়েছে।[৯]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দূর অতীতে এ অঞ্চল ছিল সাগরের অংশ, তবে উত্তর পূর্ব দিক ছিল পাহাড়িয়া অঞ্চলের পাদদেশ। ফেনীর পূর্ব দিকের রঘুনন্দন পাহাড় থেকে কাজিরবাগের পোড়ামাটি অঞ্চলে হয়ত আদিকালে শিকারী মানুষের প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল। এখানকার ছাগলনাইয়া গ্রামে ১৯৬৩ সালে একটা পুকুর খননকালে নব্য প্রস্তর যুগের মানুষের ব্যবহৃত একটা হাতিয়ার বা হাতকুড়াল পাওয়া গেছে। পণ্ডিতদের মতে ঐ হাতকুড়াল প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরাতন।[৫]

বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে পূর্ব দিকের ফেনী অঞ্চলকে ভূ-খণ্ড হিসেবে অধিকতর প্রাচীন বলে পণ্ডিতগণ মত প্রকাশ করেছেন। ফেনীর পূর্বভাগের ছাগলনাইয়া উপজেলার শিলুয়া গ্রামে রয়েছে এক প্রাচীন ঐতিহাসিক শিলামূর্তির ধ্বংসাবশেষ। প্রকাশ শিলামূর্তির অবস্থানের কারণে স্থানটি শিলুয়া বা শিল্লা নামে পরিচিত হয়েছে। প্রাচীন কালে হয়ত এখানে বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির বিকাশ ঘটেছিল।[১০]

ড. আহমদ শরীফ চট্টগ্রামের ইতিকথায় বলেছেন, প্রাচীনকালে আধুনিক ফেনী অঞ্চল ছাড়া নোয়াখালীর বেশির ভাগ ছিল নিম্ন জলাভূমি। তখন ভুলুয়া (নোয়াখালীর আদি নাম) ও জুগিদিয়া (ফেনী নদীর সাগর সঙ্গমে অবস্থিত) ছিল দ্বীপের মতো।[১১] ছাগলনাইয়া নামকরণ সম্পর্কে কেউ কেউ বলেন যে, ইংরেজ আমলের শুরুতে সাগর (Sagor) শব্দটি ভুল ক্রমে সাগল (Sagol) নামে লিপিবদ্ধ হয়েছিল। তাই ছাগল নাইয়া শব্দটি প্রচলিত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য ইংরেজ আমলের পূর্বে কোন পুঁথি পত্রে ছাগল নাইয়া নামের কোন স্থানের নাম পাওয়া যায় না।[১০]

ফেনী নদীর তীরে রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বীর বাঙ্গালী শমসের গাজীর রাজধানী ছিল। তিনি এখান থেকে যুদ্ধাভিযানে গিয়ে রৌশনাবাদ ও ত্রিপুরা রাজ্য জয় করেন। তিনি চম্পক নগরের একাংশের নামকরণ করেছিলেন জগন্নাথ সোনাপুর।[১০]

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

ফেনী জেলা ৬টি উপজেলা, ৬টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ৪৩টি ইউনিয়ন, ৫৪০টি মৌজা, ৫৬৪টি গ্রাম ও ৩টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।[১২]

উপজেলাসমূহ:

ফেনী জেলায় মোট ৬টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:[১৩]

ক্রম নং উপজেলা আয়তন
(বর্গ কিলোমিটারে)
আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ ছাগলনাইয়া ১৩৩.৪৯ ১টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়ন
০২ দাগনভূঁইয়া ১৬৫.৮৪ ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন
০৩ পরশুরাম ৯৭.৫৭ ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়ন
০৪ ফুলগাজী ৯৯.০৩ ৬টি ইউনিয়ন
০৫ ফেনী সদর ১৯৭.৩৩ ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন
০৬ সোনাগাজী ২০৫.০৭ ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন
থানাসমূহ:

ফেনী জেলায় ৬টি উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম মোট ৬টি থানার অধীন। থানাগুলো হল:[১৪]

ক্রম নং থানা আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ ছাগলনাইয়া ছাগলনাইয়া পৌরসভা এবং ছাগলনাইয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০২ দাগনভূঁইয়া দাগনভূঁইয়া পৌরসভা এবং দাগনভূঁইয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৩ পরশুরাম পরশুরাম পৌরসভা এবং পরশুরাম উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৪ ফুলগাজী ফুলগাজী উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৫ ফেনী সদর ফেনী পৌরসভা এবং ফেনী সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৬ সোনাগাজী সোনাগাজী পৌরসভা এবং সোনাগাজী উপজেলার সকল ইউনিয়ন
পৌরসভাসমূহ:

ফেনী জেলায় মোট ৫টি পৌরসভা রয়েছে। পৌরসভাগুলো হল:[১৫]

ক্রম নং পৌরসভা অবস্থান
০১ ছাগলনাইয়া ছাগলনাইয়া উপজেলা
০২ দাগনভূঁইয়া দাগনভূঁইয়া উপজেলা
০৩ পরশুরাম পরশুরাম উপজেলা
০১ ফেনী ফেনী সদর উপজেলা
০২ সোনাগাজী সোনাগাজী উপজেলা

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ফেনী জেলার স্বাক্ষরতার হার ৫৯.৬০%। এ জেলায় রয়েছে:[১৬]

  • ডিগ্রী কলেজ : ১১টি
  • উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ : ১০টি
  • ক্যাডেট কলেজ : ১টি (বালিকা)
  • কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : ১টি
  • কম্পিউটার ইনস্টিটিউট : ১টি
  • মাদ্রাসা : ৯৭টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ১৫৫টি
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ১টি
  • নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ১৯টি
  • পিটিআই : ১টি
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৫২৮টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ফেনী জেলার অর্থনীতি প্রধানত কৃষি নির্ভর। জেলার মধ্য দিয়ে কয়েকটি নদী প্রবাহিত হওয়ার ফলে এর কৃষি জমি সমূহ বেশ উর্বর। এছাড়া এ অঞ্চলের অনেক লোক বিদেশ থাকার ফলে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক আয় এ জেলার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে অনেক কলকারখানা এখানকার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যাবস্থাকে সমৃদ্ধ ও সমুন্নত করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত আর্থিক অন্তর্ভূক্ত সূচীতে ফেনী দ্বিতীয়।

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ফেনী জেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। সব ধরণের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। এছাড়া এ জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে।

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

ফেনী জেলায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ১টি আধুনিক হাসপাতাল, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স, ১টি হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, ১টি ডায়াবেটিক হাসপাতাল, ১টি বক্ষ ব্যাধি ক্লিনিক, ১টি ট্রমা সেন্টার, ১টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, ১টি নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ১৯টি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ৩৩টি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ১১৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে।[১৭]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

ফেনী জেলার প্রধান প্রধান নদীগুলো হল ফেনী নদী, মুহুরী নদী, ছোট ফেনী নদী, কহুয়া নদী, সিলোনিয়া নদী এবং কালিদাস পাহালিয়া নদী[১৮]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী[সম্পাদনা]

ফেনীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিস্তম্ভ

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সাথে তিন দিক থেকে ফেনীর রয়েছে সীমান্ত। ফলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ফেনীতে ব্যাপক অত্যাচার নিপীড়ন চালায়। ফেনী সীমান্তে মুক্তিযুদ্ধের বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে শুভপুর ও বিলোনিয়া যুদ্ধ অন্যতম। তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতা ফেনী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল মালেক (যুদ্ধকালীন সময়ে বি এল এফ এর প্রেসিডেন্ট) ও খাজা আহমদের নেতৃত্বে ফেনীর মুক্তিযোদ্ধারা দেরাদুন ও চোত্তাখোলায় প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সাব-সেক্টর কমান্ডার জাফর ইমামের নেতৃত্বে বিলোনিয়া যুদ্ধ একটি অনন্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।

৬ ডিসেম্বর ফেনী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ফেনীকে মুক্ত করেন। প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর দিনটিকে ফেনী জেলাবাসী ফেনী মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে।[২১] মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য ফেনীর ৩১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়। খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৪ জন বীর উত্তম, ৭ জন বীর বিক্রম এবং ২০ জন বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।[২২]

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[২৩] সংসদ সদস্য[২৪] রাজনৈতিক দল
২৬৫ ফেনী-১ পরশুরাম উপজেলা, ফুলগাজী উপজেলা এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা শিরীন আখতার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
২৬৬ ফেনী-২ ফেনী সদর উপজেলা নিজাম উদ্দিন হাজারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৬৭ ফেনী-৩ দাগনভূঁইয়া উপজেলা এবং সোনাগাজী উপজেলা রহিম উল্লাহ স্বতন্ত্র

বিবিধ[সম্পাদনা]

সংবাদপত্র ও সাময়িকী

ফেনী জেলা থেকে প্রায় ৩৪টির মতো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়।[২৫]

উন্নয়ন ও সামাজিক সংগঠন
  • মহামায়া গণ পাঠাগার
  • ফেনী থিয়েটার
খেলাধুলাঃ

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  2. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  3. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  4. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  5. জমির আহমেদ। ফেনীর ইতিহাসচট্টগ্রাম: সমতট প্রকাশনী। পৃষ্ঠা ১২। 
  6. http://www.feni.gov.bd/site/page/d856f212-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF
  7. "ফেনী জেলার ইতিহাস"। goldenbangladesh.com। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৮, ২০১৫ 
  8. জমির আহমেদ। ফেনীর ইতিহাসচট্টগ্রাম: সমতট প্রকাশনী। পৃষ্ঠা ১১। 
  9. http://www.feni.gov.bd/site/page/d856f212-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF
  10. জমির আহমেদ। ফেনীর ইতিহাসচট্টগ্রাম: সমতট প্রকাশনী। পৃষ্ঠা ১৩। 
  11. ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ(সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১৩, লাইন-১৬
  12. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  13. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f4aa2-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE
  14. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  15. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  16. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  17. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  18. http://www.feni.gov.bd/site/page/462f85df-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  19. "দর্শনীয় স্থান"। zpfeni.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৮, ২০১৫ 
  20. "ফেনী জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ"। goldenbangladesh.com। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৮, ২০১৫ 
  21. "ফেনী মুক্ত দিবস আজ"দৈনিক প্রথম আলো। ৬ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৫ 
  22. "ফেনীর খেতাবপ্রাপ্ত ৩১ বীর মুক্তিযোদ্ধা"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৪ অক্টোবর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৫ 
  23. "Election Commission Bangladesh - Home page"www.ec.org.bd 
  24. User, Super। "১০ম জাতীয় সংসদ সদস্য তালিকা (বাংলা)"www.parliament.gov.bd 
  25. পত্রপত্রিকা

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

বাংলাপিডিয়ায় ফেনী জেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন