বিষয়বস্তুতে চলুন

ফরিদপুর জেলা

ফরিদপুর
জেলা
ডাকনাম: পাটের রাজধানী
মানচিত্রে ফরিদপুর জেলা
মানচিত্রে ফরিদপুর জেলা
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩০′০″ উত্তর ৮৯°৪৯′৪৮″ পূর্ব / ২৩.৫০০০০° উত্তর ৮৯.৮৩০০০° পূর্ব / 23.50000; 89.83000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
সদরদপ্তরফরিদপুর
প্রতিষ্ঠা
  • ঢাকা জালালপুর - ১৭৮৬ (ঢাকা)
  • ঢাকা জালালপুর - ১৮০৭ (ফরিদপুর)
  • স্বতন্ত্র জেলা প্রশাসক - ১৮১৫
  • পূর্নাঙ্গ জেলা - ১৮৩৩
জাতীয় সংসদ আসন
সরকার
  ধরনজেলা পরিষদ
  প্রশাসকমাজহারুল ইসলাম
  চেয়ারম্যানমো: আফজাল হোসেন খান পলাশ
আয়তন
  মোট২,০৫২.৮৬ বর্গকিমি (৭৯২.৬১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০২২)
  মোট২১,৬২,৮৭৯
  জনঘনত্ব১,১০০/বর্গকিমি (২,৭০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
  মোট৭২.১৩
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড
তালিকা
  • ৭৮০০, ৭৮০১
  • ৭৮০২, ৭৮০৩,৭৮০৪
  • ৭৮১০, ৭৮২০, ৭৮২১
  • ৭৮২২, ৭৮৩০, ৭৮৪০
  • ৭৮৪১, ৭৮৫০, ৭৮৫১
  • ৭৮৬০, ৭৮৬১, ৭৮৭০
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ২৯
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ফরিদপুর জেলা (পূর্বনাম: ঢাকা জালালপুর) বাংলাদেশের দক্ষিণবঙ্গে অবস্থিত ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।[] ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনপাটের জন্য এই জেলার খ্যাতি রয়েছে।[][]

১৮০৭ সালে ঢাকা জালালপুর জেলার সদরদপ্তর ঢাকা থেকে ফরিদপুরে স্থানান্তর করা হয় এবং ১৮১৫ সালে ঢাকা থেকে পৃথক করে স্বতন্ত্র জেলা প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়। ১৮৩৩ সালে ঢাকা জালালপুর জেলা বিলুপ্ত করা হয় এবং স্বাধীন যুগ্ম মেজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর নিযুক্ত করার মাধ্যমে ফরিদপুর পূর্নাঙ্গ জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[][] ১৯৮৪ সালে এই জেলাকে ভেঙ্গে রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুরশরীয়তপুর জেলা গঠন করা হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে এসে এই জেলাগুলো নিয়ে ফরিদপুর বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।[]

ফরিদপুর একটি কৃষি প্রধান জেলা। এটি বাংলাদেশের মধ্যে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা এবং 'পাটের রাজধানী' হিসেবে পরিচিত।[] এছাড়াও অন্যতম পিঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা হিসেবেও এর পরিচিতি রয়েছে।[]

ছয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই জেলার মোট আয়তন ২,০৫২.৮৬ কিমি (৭৯২.৬১ মা)২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী এখানে মোট ৫,২৫,৫৮০টি খানা রয়েছে যেখানে মোট ২১,৬২,৮৭৯ জন মানুষ বসবাস করেন।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
ভাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত পাথরাইল শাহী মসজিদ।
ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজ ইতিহাসবিদ জোয়াও দে ব্যারোস ফরিদপুরকে ফতেহাবাদ নামে উল্লেখ করেছিলেন।
মধুখালী উপজেলায় অবস্থিত মথুরাপুর দেউল।

ফরিদপুর শহরটির পুরনো নাম ছিল ফতেহাবাদ। মরা পদ্মা নামে একটি নদীর তীরে এই শহরটির অবস্থান ছিল, যেটি মূল পদ্মা নদী থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে ছিল। পঞ্চদশ শতকের শুরুর দিকে সুলতান জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহ ফতেহাবাদে একটি টাঁকশাল স্থাপন করেছিলেন। ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত ফতেহাবাদ বাংলা সুলতানির টাঁকশাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। সম্রাট আকবরের মুঘল সাম্রাজ্যকালে 'আইন-ই-আকবরী'-তে শহরটি 'হাওয়েলি মহল ফতেহাবাদ' নামে উল্লেখিত হয়। পর্তুগিজ মানচিত্রকার জোয়াও দে ব্যারোস একে 'ফাতিয়াবাস' নামে উল্লেখ করেছেন। ভ্যান ডেন ব্রুকের ওলন্দাজ মানচিত্রে একে 'ফাথুর' হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

বাংলা সাহিত্যে এই শহরের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় কবি দৌলত উজির বাহরাম খানের লেখা লায়লি-মজনু উপাখ্যানে। বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি আলাওল ফরিদপুরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল ফতেহাবাদ। এটি একটি সু-বিকশিত নগর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি ছিল। শহরে গুরুত্বপূর্ণ মুঘল সরকারি কর্মকর্তারা, যেমন জেনারেল, বেসামরিক কর্মচারী এবং জায়গিরদারদের বসবাস ছিল। সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে, সতেরো শতকে, স্থানীয় জমিদার সত্রাজিত ও মুকুন্দ মুঘল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। উনিশ শতকে আজমীর চিশতিয়া তরিকার অনুসারী সুফি সাধক শাহ ফরিদ উদ্দিন মাসুদের সম্মানে শহরটির নামকরণ করা হয় ফরিদপুর। ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে হাজী শরীয়তুল্লাহ এবং দুদু মিয়া ফরিদপুরে রক্ষণশীল ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

১৭৮৬ সালে ব্রিটিশরা ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা করে।[][] ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ঢাকা বিভাগের অধীনে ছিল ফরিদপুর মহকুমা। ১৮৬৯ সালে ফরিদপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই মহকুমা বর্তমান ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, এবং গোপালগঞ্জ জেলাগুলো (সম্মিলিতভাবে যা বৃহত্তর ফরিদপুর নামে পরিচিত) অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। ১৯০৫ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ রাজের সময় এটি পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ফরিদপুর ছিল বেঙ্গল প্রোভিন্সিয়াল রেলওয়ে এবং ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের একটি রেল টার্মিনাস যা কলকাতাকে গুরুত্বপূর্ণ গোয়ালন্দ ঘাটের সাথে সংযুক্ত করেছিল। এখান থেকেই জাহাজগুলো তৎকালীন ঔপনিবেশিক আসাম ও বার্মায় চলাচল করত। ব্রিটিশ ফরিদপুর বেশ কয়েকজন উপমহাদেশীয় জাতীয়তাবাদী নেতার জন্মস্থান ছিল, যাদের মধ্যে ছিলেন অম্বিকা চরণ মজুমদার, হুমায়ূন কবির, মৌলভী তমিজউদ্দিন খান, শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ কুমরুল ইসলাম সালেহ উদ্দিন, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এবং কে.এম ওবায়দুর রহমান। বাংলাদেশের প্রগতিশীল সংস্কৃতি, সাহিত্য ও নাট্যজগতের পথিকৃৎ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষক - নাট্যগুরু নূরুল মোমেন বর্তমান ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বুরাইচ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্রখ্যাত আমেরিকান প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খানও এই অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুর তীব্র লড়াইয়ের সাক্ষী হয়। এটি স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের আঠারোটি মহকুমার একটি ছিল। ১৯৮৪ সালে, রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিকেন্দ্রীকরণ সংস্কার পুরানো মহকুমাকে পাঁচটি জেলায় বিভক্ত করে। ২০১৫ সালে, বাংলাদেশ সরকার ফরিদপুর বিভাগ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করে। ২০২৫ সালে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার ফরিদপুর, রাজবাড়ি, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা নিয়ে ফরিদপুর বিভাগ নামে দেশের নবম বিভাগ গঠনের প্রস্তাব করলে মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জের মানুষের তীব্র বিরোধিতার মুখে ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন বাতিল হয়ে যায়।

অবস্থান ও সীমানা

[সম্পাদনা]

ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা বিভাগের একটি জেলা ও প্রশাসনিক অঞ্চল। এই জেলার উত্তরে রাজবাড়ী জেলা, মানিকগঞ্জ জেলাঢাকা জেলাদক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলামাদারীপুর জেলাপশ্চিমে মাগুরা জেলানড়াইল জেলাপূর্বে মাদারীপুর জেলা, ঢাকা জেলামুন্সিগঞ্জ জেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক বিভাজন

[সম্পাদনা]
ফরিদপুর জেলার উপজেলা জিওকোড ম্যাপ

ফরিদপুর জেলায় ৯টি উপজেলা, ৬টি পৌরসভা, ১০টি থানা,৩৬টি ওয়ার্ড সিটি কর্পোরেশন, ১০০টি মহল্লা, ৮১টি ইউনিয়ন এবং ১,৮৯৯টি গ্রাম রয়েছে। জাতীয় সংসদে জেলার ৪টি আসন রয়েছে। ফরিদপুর জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ স্তর।

উপজেলা গুলোর তালিকা

[সম্পাদনা]

পৌরসভা গুলোর তালিকা

[সম্পাদনা]

জাতীয় সংসদীয় আসন

[সম্পাদনা]

বিষয়শ্রেণী:ফরিদপুর জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন

[সম্পাদনা]

"১৯৮৪ সালের পর ফরিদপুর জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আসন গুলো" বিষয়শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত নিবন্ধসমূহ এই বিষয়শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত মোট ১৫টি পাতার মধ্যে ১৫টি পাতা নিচে দেখানো হল।

ফ.

উল্লেখযোগ্য মেলা

[সম্পাদনা]

জনপরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]
ঐতিহাসিক জনসংখ্যা
বছরজন.±% বা.প্র.
১৯৭৪১১,২০,০৩১    
১৯৮১১৩,১৪,০০৪+2.31%
১৯৯১১৫,০৫,৬৮৬+1.37%
২০০১১৭,৫৬,৪৭০+1.55%
২০১১১৯,১২,৯৬৯+0.86%
২০২২২১,৬২,৮৭৯+1.12%
তথ্যসূত্র:[১০][১১]

২০২২ সালের বাংলাদেশের আদমশুমারি অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলায় ৫২৫,৮৭৭ টি পরিবার এবং মোট জনসংখ্যা ২,১৬২,৮৭৯ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১,০৫৪ জন। ফরিদপুর জেলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তার বেশি বয়সীদের জন্য) ছিল ৭২.১৩%, যা জাতীয় গড় ৭৪.৮০% এর তুলনায় কম। পুরুষ-মহিলা অনুপাত ছিল প্রতি ১০০০ পুরুষের বিপরীতে ১০৫৯ জন মহিলা। ৪১৫,৬৯২ জন (১৯.২২%) শিশু (১০ বছরের কম বয়সী)। জনসংখ্যার ২৩.৮৩% শহরাঞ্চলে বাস করে। [১০]

ফরিদপুর জেলার ধর্মীয় পরিসংখ্যান (২০২২)[১০]
ধর্ম অনুপাত
ইসলাম
 
৯১.৪৯%
হিন্দু
 
৮.৪৪%
অন্যান্য
 
০.০৭%
বর্তমান ফরিদপুর জেলায় ধর্ম
ধর্ম জনসংখ্যা (১৯০১) অনুপাত জনসংখ্যা (১৯৪১)[১২]:৯৮–৯৯ অনুপাত (১৯৪১) জনসংখ্যা (২০২২) অনুপাত (২০১১)
ইসলাম ২২৩,০০০ ৫৯ ৪৮১,৫৮৩ ৬৯.২৮% ১,৯৭৯,৯০০ ৯১.৪৯%
হিন্দু ১৬০,৪৫৬ ৪১ ২১২,৮২২ ৩০.৬২% ১৮২,৫৪৮ ৮.৪৪%
অন্যান্য ২৩৮ ৭৩৮ ০.১১% ১,৪৩১ ০.০৭%
মোট জনসংখ্যা ৩৮৩,৬৯৪ ১০০ ৬৯৫,১৪৩ ১০০% ২,১৬২,৮৭৯ ১০০%

ফরিদপুর জেলায় জনসংখ্যার ৯১.৪৯% মুসলিম এবং ৮.৪৪% হিন্দু। ১৯৮১ সালে যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ১.৯৫ লক্ষ, তা আজ কমে দাঁড়িয়েছে ১.৮ লক্ষেরও কিছু বেশি। মূলত এর কারণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

[সম্পাদনা]

ভাষা ও সংস্কৃতি

[সম্পাদনা]

সৃষ্টির পর থেকেই পৃথিবীর সব মানব গোষ্ঠিই তাদের নিজ নিজ কামনা-বাসনা, চাওয়া-পাওয়া, ব্যথা-বেদনা, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বিরাহ প্রকাশ করে আসছে।বিভিন্নভাবে প্রকাশের এই মাধ্যমই হচ্ছে সাহিত্য। যে জাতির ভাসা, সাহিত্যসমৃদ্ধ সে জাতি তত সমৃদ্ধ। আমরা বাঙালী আমাদের অতীত সাহিত্যের ঐতিহ্যরয়েছে। লোক সংস্কৃতি বাংলা সাহিত্যের একটি বিশাল ভান্ডার। ফরিদপুরের নিজস্বসংস্কৃতিও এক্ষেত্রে উল্লেখ করার মত। লোকগীতি, লোকসংগীতি, পল্লীগীতি, বাউলগানের বিখ্যাত মরমী লোক কবি ও চারণ কবিদের লালন ক্ষেত্র এ ফরিদপুরে। এ জেলার অনুকুল আবহাওয়া ও পরিবেশ এদের লালন করেছে আর যুগে যুগে উপাদান ওউপকরণ সরবরাহ করে মরমী ও লোক কবিদের সাধনা ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে।পল্লী কবি জসীমউদ্দিন, তাইজদ্দিন ফকির, দেওয়ান মোহন, দরবেশ কেতারদি শাহ, ফকির তীনু শাহ, আজিম শাহ, হাজেরা বিবি, বয়াতি আসাদুজ্জামান, আবদুর রহমানচিশতী, আঃ জালাল বয়াতি, ফকির আব্দুল মজিদ প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশের সংস্কৃতাঙ্গনে ফরিদপুরের লোকগানের উল্লেখযোগ্য ভহমিকা রয়েছে।এর প্রমাণ পাওয়া যায় মুহম্মদ মুনসুর উদ্দিনের ‘হারামনি’বাংলা একাডেমী প্রকাশিত লোক সাহিত্য ও ফোকলোর সংকলন সমূহ, আশুতোষ ভট্টাচার্যের, বাংলার লোকসাহিত্য, উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের, বাংলার বাউল ও বাউল গান, ডঃ আশরাফসিদ্দিকীর, লোক সাহিত্য, জসীম উদদীনের জারীগান ও মুর্শিদ গান, প্রভৃতি লোকগবেষণামূলক গ্রন্থে।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব :

·পল্লীকবি জমীস উদদীন

·তাইজদ্দিন ফকির

·দেওয়ান মোহন

·দরবেশ কেতাবদি শহ

·ফকির তীনু শাহ

·আজিম শাহ

·হাজেরা বিবি

·বয়াতি আসাদুজ্জামান

·আবদুর রহমান চিশতী

·আঃ জালাল বয়াতি

·বাউল গুরু মহিন শাহ

·ফকির আব্দুল মজিদ

·কোরবান খান

·ছইজদ্দিন ফকির

·আজাহার মন্ডল

·আব্দুর রাজ্জাক বয়াতি

·বাউল রহমান সাধু

·মেঘু বয়াতি

·ডাঃ হানিফা

·শেখ সাদেক আলী

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানঃ

ক্রমিক নং নাম সংখ্যা
ক্লাব ৪৭৯টি
পাবলিক লাইব্রেরী ০৯টি
যাদু ঘর ০১টি
নাট্যমঞ্চ ০৬টি
নাট্যদল ৩০টি
যাত্রা দল ০৩টি
সাহিত্য সমিতি ২৮টি
মহিলা সংগঠন ৬৬টি
সিনেমা হল ১২টি
১০ কমিউনিটি সেন্টার ১০টি
১১ শিল্পকলা একাডেমী ০১টি
১২ খেলার মাঠ ৭১টি

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

[সম্পাদনা]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "Population and Housing Census 2022 COMMUNITY REPORT: FARIDPUR" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: ফরিদপুর] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  2. মঈন উদ-দিন আহমদ খান (২০০৭)। বাংলায় ফরায়েজি আন্দোলনের ইতিহাস (পিডিএফ)। গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া কর্তৃক অনূদিত। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  3. 1 2 "ফরিদপুরে পাট চাষে ফিরেছে সুদিন"প্রথম আলো। ৬ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  4. "FARIDPUR" (পিডিএফ)BENGAL DISTRICT GAZETTEERS। কলকাতা। ১৯২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  5. মোঃ গোলজার হোসেন (২০১৩)। বাংলাদেশের জেলা পরিচিতি ও সৃষ্টির প্রেক্ষাপট (পিডিএফ)। ঢাকা: নিশাত পাবলিকেশনস। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯০৫৩০০২। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  6. "'পদ্মা' বিভাগের হেডকোয়ার্টার হবে ফরিদপুর"যুগান্তর। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  7. আনোয়ার জাহিদ (২৫ জুন ২০২৬)। "ফরিদপুরে পেঁয়াজের বাজারে কৃষকের হাহাকার"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৬
  8. "Judiciary: Bangladesh"faridpur.judiciary.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  9. "Faridpur District - Banglapedia"en.banglapedia.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  10. 1 2 3 Population and Housing Census 2022 National Report (পিডিএফ)। খণ্ড ১। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। নভেম্বর ২০২৩।
  11. "Bangladesh Population and Housing Census 2011 Zila Report – Faridpur" (পিডিএফ)bbs.gov.bdবাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  12. "Census of India, 1941 Volume VI Bengal Province" (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২২

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]