বিষয়বস্তুতে চলুন

হবিগঞ্জ জেলা

হবিগঞ্জ
জেলা
উপরে-বাম থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে: উচাইল মসজিদ, বিথঙ্গল বড় আখড়া, নারিকেল বাগান, চা বাগান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান,
বাংলাদেশে হবিগঞ্জ জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে হবিগঞ্জ জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′৩০″ উত্তর ৯১°২৫′০″ পূর্ব / ২৪.৩৭৫০০° উত্তর ৯১.৪১৬৬৭° পূর্ব / 24.37500; 91.41667 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগসিলেট বিভাগ
সরকার
  জেলা প্রশাসকআবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন
আয়তন
  মোট২,৬৩৬.৫৮ বর্গকিমি (১,০১৭.৯৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[]
  মোট১৮,৩০,৫৫৮
  জনঘনত্ব৬৯০/বর্গকিমি (১,৮০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
  মোট৬৯.৩২%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৩৩০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৬০ ৩৬
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

হবিগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে হবিগঞ্জ বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা।[] খোয়াই নদীর তীরে অবস্থিত হবিগঞ্জকে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ জেলায় রূপান্তর করা হয়। এর আগে ১৮৭৮ সাল থেকে হবিগঞ্জ মহকুমা সিলেট জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গ্রাম বানিয়াচং এই হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এই গ্রামে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলাশয় কমলারাণীর সাগরদিঘী অবস্থিত। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলাকে ভাটি অঞ্চলের রাজধানী বলা হয়।

নামকরণ ও ইতিহাস

[সম্পাদনা]

হবিবগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ

[সম্পাদনা]

সুফি সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী সৈয়দ নাছির উদ্দিন (রঃ) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত খোয়াই, করাঙ্গী, সুতাং, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক জনপদের নাম । ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হবিব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ বা বাজার প্রতিষ্ঠা করেন । তাঁর নামানুসারে জায়গাটির নাম হয় হবিবগঞ্জ। কালক্রমে হবিবগঞ্জ থেকে তা হবিগঞ্জে পরিণত হয় ।

চাকলাপুঞ্জী

[সম্পাদনা]

প্রাগৈতিহাসিক প্রতিবেদনসমূহ হতে জানা যায় যে, বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার সাথে লালমাই পাহাড় এবং সিলেট, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম এবং মধুপুরের উচ্চতর এলাকাসমূহের সাথে যুক্ত ছিল। চাকলাপুঞ্জী চা বাগানের কাছে চান্দির মাজার নামক এলাকায় বালু নদী নামে পরিচিত একটি নদীর পাড়ে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তু, যেমন: জীবাশ্ম কাঠ, হস্তনির্মিত যুদ্ধাস্ত্র ইত্যাদি প্রমাণ করে যে, এখানে বহু আগে থেকেই প্রাচীন মানবের বসবাস ছিল।

মুগলদের সাথে বারো ভূইয়াদের যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

১৫ শতকে সিলেটের জমিদার আনোয়ার খান এবং বানিয়াচংয়ের জমিদার হোসেন খান (বারো ভূইয়াদের দলভূক্ত) এর সাথে যুদ্ধ হয় মুঘল সেনাবাহিনীর, যা বাহরাস্থান-ই-গায়েবী গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায়।

পুটিজুরী দুর্গ

[সম্পাদনা]

খাজা ওসমান (আফগান রাজা) বাকাই নগর দুর্গ ছেড়ে এসে গিরিপালের কাছে পুটিজুরী নামক দুর্গে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি গড়ে তোলেন একটি দুর্গ। যা প্রতিরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাজা ওসমানের ভাই দুর্গ ত্যাগ করলে মুঘল সেনারা সে সুযোগ গ্রহণ করে খাজা ওসমানের সেনাদলকে বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার দালাম্বপুর নামক স্থানে পরাজিত করে।

হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথ

[সম্পাদনা]

উপনবেশিক ব্রিটিশ শাসন আমলে তৎকালীন (অবিভক্ত ব্রিটিশ-ভারতের) আসাম প্রভেন্সির সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহুকুমায় রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ব্রিটিশ সরকার ১৯২৮ সালে হবিগঞ্জ বাজার-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ নির্মাণ করে গড়ে তুলে অবকাঠামো।[] ২০০৩ সালে এ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।[]

পৌরসভা অফিস ভবন

[সম্পাদনা]

উপনবেশিক ব্রিটিশ শাসন আমলে তৎকালীন (অবিভক্ত ব্রিটিশ-ভারতের) আসাম প্রভেন্সির সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহুকুমায় মিউন্যিসিপ্যাল অফিস বিল্ডিং হবিগঞ্জ ফাউন্ডেশন স্থাপিত ও প্রতিষ্ঠত হয় ১৬ ডিসম্বর ১৯৪০ সালে। (পুরাতন পৌরসভা নামে পরিচিত) এটি হবিগঞ্জ সদর এর পুরাতন জজকোর্ট এলাকায় অবস্থিত।

তেলিয়াপাড়ার যুদ্ধ

[সম্পাদনা]
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ

৪ এপ্রিল, ১৯৭১ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা তেলিয়াপাড়ায় ২য় ইষ্ট বেঙ্গলের সদরদপ্তরে সমবেত হন। চা বাগান পরিবেষ্টিত পাহাড়ী এ অঞ্চলে জেনারেল এম এ জি ওসমানী, লে: কর্ণেল আব্দুর রব, লে: কর্ণেল সালাউদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর শাফায়াত জামিল, মেজর মইনুল হোসাইন চৌধুরীসহ অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন সেদিন। সেদিনের সভায় চারজন সিনিয়র অফিসারকে যুদ্ধকালীন কর্মক্ষেত্র ভাগ করে দেয়া হয়; সিলেট-বাহ্মণবাড়ীয়া এলাকায় মেজর শফিউল্লা, কুমিল্লা-নোয়াখালী এলাকায় মেজর খালেদ মোশাররফ, চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় মেজর জিয়াউর রহমান এবং কুষ্টিয়া-যশোর এলাকায় মেজর আবু ওসমান চৌধুরীকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এই সভাতেই মুক্তিবাহিনী সাংগঠনিক ভাবে পরিপুষ্ট হয়ে উঠে এবং জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্ব গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠককে স্মরণ করে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এখানে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

অবস্থান ও আয়তন

[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ জেলা ২৩˚৫৭” হতে ২৪˚৪২” উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১˚১০” হতে ৯১˚৪০” পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত এবং আয়তন ২,৬৩৬.৫৮ বর্গ কিলোমিটার।[] হবিগঞ্জ জেলার উত্তরে সুনামগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা, পূর্বে মৌলভীবাজার জেলাসিলেট জেলা এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলা

প্রশাসনিক ইতিহাস

[সম্পাদনা]
হবিগঞ্জ জেলার উপজেলা জিওকোড ম্যাপ

১৮৭৮ সালে হবিগঞ্জ, সিলেট জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি মহকুমার মর্যাদা লাভ করে। ১৯১১ সালের আসাম প্রদেশের গেজেটে সিলেট জেলায় যে ১৫ টি থানা কথা পাওয়া যায়। যার মধ্যে হবিগঞ্জ মহকুমার অন্তর্ভুক্ত থানা ছিল চারটি হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ, বানিয়াচং এবং মাধবপুর। পরবর্তীকালে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ফলে হবিগঞ্জ সদর থানা থেকে বাহুবল ও চুনারুঘাট থানা, বানিয়াচং থানা থেকে আজমিরীগঞ্জ থানা, মাধবপুর থানা থেকে লাখাই থানা গঠন করা হয়। সর্বশেষ হবিগঞ্জ সদর থানা থেকে নতুন শায়েস্তাগঞ্জ থানা গঠন করা হয়েছে। একমাত্র নবীগঞ্জ থানার সীমানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। হবিগঞ্জ বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। ১৯৮৪ সালে দেশের সবগুলো মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হয় সিলেট জেলার অন্তর্ভুক্ত হবিগঞ্জ মহকুমা ও একটি স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ জেলা ৯টি উপজেলা, ৯টি থানা, ৬টি পৌরসভা, ৭৮টি ইউনিয়ন, ১২৪১টি মৌজা, ২০৯৩টি গ্রাম ও ৪টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

হবিগঞ্জ জেলায় মোট ৯টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হলো:

ক্রম নং উপজেলা আয়তন[]
(বর্গ কিলোমিটার)
প্রশাসনিক থানা আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ আজমিরীগঞ্জ ২২৩.৯৮ আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা (১টি): আজমিরীগঞ্জ
ইউনিয়ন (৫টি): আজমিরীগঞ্জ সদর, বদলপুর, জলসুখা, কাকাইলছেও এবং শিবপাশা
০২ চুনারুঘাট ৪৯৫.৫১ চুনারুঘাট পৌরসভা (১টি): চুনারুঘাট
ইউনিয়ন (১০টি): গাজীপুর, আহম্মদাবাদ, দেওরগাছ, পাইকপাড়া, শানখলা, চুনারুঘাট, উবাহাটা, সাটিয়াজুরী, রাণীগাঁও এবং মিরাশী
০৩ নবীগঞ্জ ৪৩৯.৬১ নবীগঞ্জ পৌরসভা (১টি): নবীগঞ্জ
ইউনিয়ন (১৩টি): বড়ভাকৈর পশ্চিম, বড়ভাকৈর পূর্ব, ইনাতগঞ্জ, দীঘলবাক, আউশকান্দি, কুর্শি, করগাঁও, নবীগঞ্জ সদর, বাউসা, দেবপাড়া, গজনাইপুর, কালিয়ারভাঙ্গা এবং পানিউমদা
০৪ বানিয়াচং ৪৮২.২৬ বানিয়াচং ইউনিয়ন (১৫টি): বানিয়াচং উত্তর পূর্ব, বানিয়াচং উত্তর পশ্চিম, বানিয়াচং দক্ষিণ পূর্ব, বানিয়াচং দক্ষিণ পশ্চিম, দৌলতপুর, কাগাপাশা, বড়ইউড়ি, খাগাউড়া, পুকড়া, সুবিদপুর, মক্রমপুর, সুজাতপুর, মন্দরী, মুরাদপুর এবং পৈলারকান্দি
০৫ বাহুবল ২৫০.৬৫ বাহুবল ইউনিয়ন (৭টি): স্নানঘাট, পুটিজুরী, সাতকাপন, বাহুবল, লামাতাশী, মীরপুর এবং ভাদেশ্বর
০৬ মাধবপুর ২৯৪.২৬ মাধবপুর পৌরসভা (১টি): মাধবপুর
ইউনিয়ন (১১টি): ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, আদাঐর, আন্দিউড়া, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর, বুল্লা, নোয়াপাড়া, ছাতিয়াইন এবং বাঘাসুরা
০৭ লাখাই ১৯৬.৫৫ লাখাই ইউনিয়ন (৬টি): লাখাই, মোড়াকরি, মুড়িয়াউক, বামৈ, করাব এবং বুল্লা
০৮ শায়েস্তাগঞ্জ ৬৬.৯৩ শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা (১টি): শায়েস্তাগঞ্জ
ইউনিয়ন (৩টি): নুরপুর, শায়েস্তাগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণডুরা
০৯ হবিগঞ্জ সদর ১৮৬.৮৪ হবিগঞ্জ সদর পৌরসভা (১টি): হবিগঞ্জ
ইউনিয়ন (৮টি): লুকড়া, রিচি, তেঘরিয়া, পইল, গোপায়া, রাজিউরা, নিজামপুর এবং লস্করপুর

সংসদীয় আসন

[সম্পাদনা]
সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[] সংসদ সদস্য[][][][১০][১১] রাজনৈতিক দল
২৩৯ হবিগঞ্জ-১ বাহুবল উপজেলা এবং নবীগঞ্জ উপজেলা রেজা কিবরিয়া বিএনপি
২৪০ হবিগঞ্জ-২ বানিয়াচং উপজেলা এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলা আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (জীবন) বিএনপি
২৪১ হবিগঞ্জ-৩ লাখাই উপজেলা, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আলহাজ্ব জি কে গউছ বিএনপি
২৪২ হবিগঞ্জ-৪ চুনারুঘাট উপজেলা এবং মাধবপুর উপজেলা এস এম ফয়সাল বিএনপি

জনসংখ্যা ও ধর্ম

[সম্পাদনা]

সর্বশেষ আদমশুমারী (২০২২) অনুযায়ী হবিগঞ্জের মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৪,৪০,০০০ জন। এ জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯২৫ জন। পরিবারের সংখ্যা ৮ লক্ষাধিক।

বাংলাদেশে বসবাসরত ২৫,০০০ মণিপুরীর একটি বৃহৎ অংশ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ এবং গাজীপুর ইউনিয়নে বসবাস করে। এই সংখ্যা ৪,০০০ এর অধিক। এছাড়া প্রধান উপজাতি হিসেবে রয়েছে :- কর্মকার, ভৌমিক, খাসিয়া, বাউরি, সাওতাল, মুন্ডা, মৃধা, উড়ীয়া, তাঁতী, কন্দ, প্রদান, রিকিয়াশন কৈরী,গোয়ালা, পার্শী, তেলেঙ্গা, রেলিখাসিয়া, মনিপুরি, ত্রিপুরা, গড়, পাইনকা, বাড়াইক শবর, কেউট, বুনার্জী, নায়েক, বানিয়া, ঝরা, চৌহান, রুদ্রপাল, খাড়িয়া, রাউতিয়া, কানু ভূইয়া, তন্তবায়, কাঁহার, ছত্রী, অহির, রাজবংশী, শুক্লবদ্য, ভূমিজ, বিহারী, গঞ্জু, রবিদাস মহালী, বাক্তী, জংলী, তেলুগু, ভোজপুরী, উৎকোল, উরাং প্রভৃতি উপজাতি এ জেলার মাধবপুর, চুনারুঘাট, বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় বাস করে। এদের মোট জনসংখ্যা- ৮৪,০২০ জন ।

হবিগঞ্জ জেলায় ধর্মানুসারে জনসংখ্যার শতকরাঃ-

  • ইসলাম - ৮০.২৩%
  • হিন্দু - ১৬.১২%
  • অন্যান্য -.৩.৬৫%

শিক্ষা ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

হবিগঞ্জ এর সাক্ষরতার গড় হার প্রায় ৬৯.৩২%। এখানে রয়েছে:

  • বিশ্ববিদ্যালয়- ১টি
  • কলেজ - ৪৯টি (১০টি অনার্স কলেজ, ৯টি সরকারি কলেজ, ৪০টি বেসরকারি কলেজ, ২টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট,একটি মেডিকেল কলেজ),
  • বিদ্যালয় - ১৮৯টি (১৬টি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, ৯৯টি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ৮৪টি জুনিয়র বিদ্যালয়),
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় - ১,৪৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৭৩২টি সরকারি, ৭১১টি বেসরকারি),
  • মাদ্রাসা - ৯৬টি
  • অস্থায়ী বিদ্যালয় - ২৬টি।
  • গ্রন্থাগার - ৪টি
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত তারিখ উপাচার্য
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১ এপ্রিল ২০১৯ আবদুল বাসেত
মেডিকেল কলেজ স্থাপিত তারিখ অধ্যক্ষ
হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ, হবিগঞ্জ ২০১৭ অধ্যাপক ডা. আবু সুফিয়ান
কলেজ স্থাপিত তারিখ অধ্যক্ষ
বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ১৯৩১ অধ্যাপক মোঃ ইলিয়াছ বকত চৌধুরী
হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ ১ নভেম্বর ১৯৮৫ প্রফেসর মোঃ নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া
আলেয়া জাহির কলেজ ২০১১ পার্থ প্রতিম দাশ
কবির কলেজিয়েট একাডেমি ২০০১ জনাম মোহাম্মদ জমাল উদ্দিন
অক্সব্রিজ কলেজ ২০১৬
শচীন্দ্র কলেজ ১৯৯৮ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান
শাহজালাল সরকারি কলেজ ১৯৭০ এ এন এম মফিজুল ইসলাম
শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ১৯৭৩ জনাব মোঃ আজিজুল হাছান চৌধুরী
নবীগঞ্জ সরকারী কলেজ ১৯৮৪ সফর আলী
আলিফ সোবহান চৌধুরী সরকারি কলেজ ১৯৯৩ মাহবুবুর রহমান
বাহুবল কলেজ ২০০৩ মোহাম্মদ আবদুর রব
আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজ ১৯৯৩ সামসুল আলম
পাহাড়পুর আদর্শ কলেজ ১৯৯৯ রন্টু কুমার দাশ
জনাব আলী সরকারি কলেজ ১৯৭৯ সাফিউজ্জামান খান
সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ ২০০০ ছালামত আলী খান
চুনারুঘাট সরকারি কলেজ ১৯৭৩ অসিত কুমার পাল
লাখাই মুক্তিযুদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ১৯৯৩ মোঃ জাবেদ আলী
ইনাতগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ১৯৯৫ ড.সজিদ সেন রায়
আইডিয়েল উইমেন কলেজ ২০১৬
হোমল্যান্ড আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০০৮ সৈয়দ আবু তাহের
বানিয়াচং আইডিয়াল কলেজ ২০১১
টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপিত তারিখ প্রাধান শিক্ষক
হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ হাবিবুর রহমান
বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ
শায়েস্তাগঞ্জ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট [১২] (প্রতিষ্ঠান কোর্ড- ৬৩০৫১) স্থপতি ০১/০২/২০২২ইং মোহাম্মদ মোশাহিদ মজুমদার
মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়[১৩]
উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত তারিখ প্রধান শিক্ষক
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৮৩ আলফাজ উদ্দিন
বি. কে. জি. সি. সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯২৩ আমিনা খাতুন
আসেরা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬৩ মোঃ আতিক উল্লাহ
এবিসি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, আজমিরীগঞ্জ। ১৯৩০ মো: আহসান মোস্তফা
গংগানগর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৮ রুপা রাণী বসাক
গাজীপুর হাই স্কুল ১৯৬০ মোঃ রফিক আলী
নূরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৮৬ মো:আমীর ফারুক তালুকদার
পইল উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৮৫ সুমন চন্দ্র দাশ
মহারত্ন পাড়া এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ২০১২ দিলীপ কুমার রায়
মিরপুর ফয়জুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬০ মোঃ আরজু মিয়া
মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৮ সেবিকা রায়
শিবপাশা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৮০
বানিয়াচং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৮৫
মেধাবিকাশ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬৮
বানিয়াচং সরকারি মহিলা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬৮
লালচাঁন্দ চা-বাগান
লালচাঁন্দ চা-বাগান
  • প্রধান ফসলঃ ধান, চা, গম, আলু, পাট, চীনাবাদাম, তাম্বুল এবং তৈল বীজ।
  • চা বাগানঃ ২৪টি চা বাগান; মোট আয়তন ১৫,৭০৩.২৪ হেক্টর। [হবিগঞ্জ জেলা চায়ের জন্য বিখ্যাত]।
  • রবার বাগানঃ ৩টি - রুপাইছড়া-বাহুবল রাবার বাগান (১৯৮১); মোট ২,০০০ একর (৮.১ বর্গমাইল) আয়তনের এই বাগানের অর্ধেক হবিগঞ্জ জেলায় ও অবশিষ্ট অংশ পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমংগল উপজেলায় অবস্থিত। শাহজীবাজার-চুনারুঘাট রাবার বাগান (১৯৭৮); মোট আয়তন ২,০০৪ একর (৮.১১ বর্গ কিলোমিটার), সাতগাঁও রবার বাগান (১৯৭১), মোট আয়তন ২০০ একর (০.৮১ বর্গমিটার)।
  • প্রধান ফলঃ আম, কাঁঠাল, কলা, লিচু, নারকেল, পাতি লেবু, আনারস এবং কালোজাম।
  • মৎস্যচাষ এবং খামারঃ গরুর খামার ১৪৮টি, পোল্ট্রি ৭৩৯টি এবং ফিশারি ৬৩৮টি।
  • কৃষি আবাদী জমিঃ ১,৫৪,৯৫৩ হেক্টর (মোট জমির ৬০.২২%)।
  • বনভূমিঃ ১১,৬৪৪ হেক্টর (মোট জমির ৪.৫৩%)।

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]
হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক
হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক
শ্রমশক্তি

জেলার অর্থনীতি শিল্প,ব্যবসা-বাণিজ্য,প্রবাস ও কৃষির উপরেই নির্ভরশীল।মৎস্য শিল্পেও অন্যতম এই জেলা।

  • পেশা ভিত্তিক জনগোষ্ঠী - কৃষি ৪২.২৬%, কৃষি শ্রমিক ২০.৫৫%, অকৃষি শ্রমিক ৬.৪৫%, ব্যবসা ৮.২%, চাকরি ৪.৬৯%, শিল্প ১.৮%, মৎসজীবী ২.৭৩%, অন্যান্য ১৩.৪১%।
  • হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং ও নবীগঞ্জ উপজেলাকে প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা বলে গণ্য করা হয়।রেমিট্যান্স খাতেও সিলেট বিভাগে অন্যতম এ জেলা।
শিল্প
  • শিল্প-কারখানাঃ টেক্সটাইল মিল, সিরামিক কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করন কারখানা, ছাতা কারখানা, আটা কল, চাল কল, আইস ফ্যাক্টরী, সাবান কারখানা, শুকনো মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, বিস্কুট ফ্যাক্টরী।
  • কুটির শিল্পঃ ওয়েভিং, বাঁশের কাজ, স্বর্ণকার, কর্মকার, কুমার, সেলাই এবং ওয়েল্ডিং।
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কঃ ২টি; হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক।
খনিজ
  • প্রাপ্ত সম্পদঃ প্রাকৃতিক গ্যাস, সিলিকা বালি, খনিজ বালি।
  • গ্যাস ক্ষেত্রঃ ৩টি; রশিদপুর গ্যাস ক্ষেত্র (১৯৬০), বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র (১৯৯৮) এবং হবিগঞ্জ গ্যাস ক্ষেত্র (১৯৬৩)। এই গ্যাস ক্ষেত্রগুলির আনুমানিক সর্বমোট মজুদ ৫.৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট।
  • বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড মহাদেশের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম হিসেবেও বিবেচিত।
বাণিজ্য
  • রপ্তানী পণ্যঃ ধান, মাছ, চিংড়ি, ব্যাঙ-এর পা, শুকনো মাছ, চা, পান পাতা, গুড়, রবার, বাঁশ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল এবং টেক্সটাইল।

জেলার মাথাপিছু আয় ৩৪৯০ ডলার।

হবিগঞ্জের সদর,শায়েস্তাগঞ্জ ও মাধবপুর অঞ্চলে বেশ অনেক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে স্টার সিরামিকস, প্রাণ আর এফ এল,কটন মিল,স্পিনিং মিল,ডেনিম মিল,টেক্সটাইল মিলস,গ্লাস,ম্যাটাডোর,শেভ্রন ইত্যাদিসহ দেশি-বিদেশি অনেক কোম্পানিভুক্ত গার্মেন্টস উল্লেখযোগ্য।দেশি বিদেশি অনেক কোম্পানি এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে কয়েক দশক ধরে।এতে করে বাহিরের বিভাগের মানুষের যাতায়াত আনাগোনা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে,জেলার মানুষের আয় ও জীবনমানও উন্নত হয়েছে।আগামীর সময়ে শিল্পনগরীতে পরিণত হবে হবিগঞ্জ।

-বাজার এবং মেলা

  • হাট এবং বাজার - ১২৬টি;
  • মেলা - ২৩টি।

যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নদনদী

[সম্পাদনা]
পথ
  • পাকা রাস্তা - ৩২১ কিলোমিটার;
  • আধা-পাকা - ২০৫ কিলোমিটার এবং
  • কাঁচা রাস্তা - ১,৫৯২ কিলোমিটার;
  • রেলওয়ে - ১৭০ কিলোমিটার।
বাহন
  • ঐতিহ্যবাহী পরিবহনঃ পালকি, গয়না নৌকা এবং গরুর গাড়ী।

এছাড়া সড়ক পথে এই জেলার সাথে দেশের অন্যান্য জেলার যোগাযোগ রয়েছে

★ বিভাগীয় শহর সিলেট থেকে হবিগঞ্জের দূরত্ব ৮২ কিলোমিটার।

★ রাজধানী ঢাকা থেকে হবিগঞ্জের দূরত্ব ১৬৪ কিলোমিটার।

★ বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকে হবিগঞ্জের দূরত্ব ৩০৮ কিলোমিটার।

স্থলবন্দর

হবিগঞ্জ জেলায় স্থলবন্দর রয়েছে ১টি। যথা- বাল্লা স্থলবন্দর।

নৌ - থানা

হবিগঞ্জ জেলায় নৌ-থানা রয়েছে ২টি। যথা- মদনা ও মারকুলি।

নদনদী

হবিগঞ্জ জেলায় ছোট-বড় প্রচুর নদী আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নদীগুলো হলো :- কুশিয়ারা, খোয়াই, সুতাং, সাতাই, রত্না, শুটকী, কালনী, সোনাই, করাঙ্গী, ঝিংড়ী, ভেড়ামোহনা, বরাক, বিজনা, বলভদ্র প্রভৃতি।

হাওর

হবিগঞ্জ জেলায় হাওরের সংখ্যা ১৪ টি। হাওরের মোট আয়তন ১০৯৫.১৩ বর্গকিলোমিটার।

রেলপথ

[সম্পাদনা]

সিলেট-আখাউড়া বর্তমানে এই রেললাইন দিয়ে হবিগঞ্জ জেলার উপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে।

  • রশিদপুর রেলওয়ে স্টেশন
  • সাটিয়াজুড়ি রেলওয়ে স্টেশন
  • লস্করপুর রেলওয়ে স্টেশন
  • শায়েস্তাগঞ্জ জংশন
  • সুতাং রেলওয়ে স্টেশন
  • শাহজিবাজার রেলওয়ে স্টেশন
  • ছাতিয়াইন রেলওয়ে স্টেশন
  • নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশন
  • ইটাখোলা রেলওয়ে স্টেশন
  • তেলিয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশন
  • শাহপুর রেলওয়ে স্টেশন
  • মনতলা রেলওয়ে স্টেশন
  • কাশিমনগর রেলওয়ে স্টেশন
  • হরষপুর রেলওয়ে স্টেশন

শায়েস্তাগঞ্জ-হবিগঞ্জ রেলপথ সেকশনে চারটি রেলওয়ে স্টেশন আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৮ সালে।

শায়েস্তাগঞ্জ জংশন

বি.দ্র.: শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন ১৯০৩ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৮-২৯ সালে হবিগঞ্জ বাজার-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ সংযোগ ফাঁড়ি যোগাযোগ চালু হলে এটি জংশন রেলওয়ে স্টেশনে পরিণত হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ-চুনারুঘাট রেলপথ সেকশনে সাতটি রেলওয়ে স্টেশন আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।

চিত্তাকর্ষক স্থান

[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম কিছু দর্শনীয় স্থান হল:

হবিগঞ্জ সদর

[সম্পাদনা]

শায়েস্তাগঞ্জ

[সম্পাদনা]

চুনারুঘাট

[সম্পাদনা]

নবীগঞ্জ

[সম্পাদনা]

বাহুবল

[সম্পাদনা]

আজমিরীগঞ্জ

[সম্পাদনা]
  • চৌকি আদালত, আজমিরীগঞ্জ
  • নদী বন্দর (নৌ-পথ, সুরমা এবং কুশিয়ারা নদী মিলিত হয়ে কালনী নদী নামে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীর সাথে সংযোগ স্থান), আজমিরীগঞ্জ উপজেলা

বানিয়াচং

[সম্পাদনা]

মাধবপুর

[সম্পাদনা]

লাখাই

[সম্পাদনা]

তথ্য ছবি

[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে হবিগঞ্জ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৭ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৪ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  2. "জেলাগুলোর শ্রেণি হালনাগাদ করেছে সরকার"। বাংলানিউজ২৪। ১৭ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২০
  3. 1 2 "হাজার কোটি টাকার সরকারি সম্পদ লুট"mzamin.com। ৩১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২
  4. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "ভৌগোলিক-পরিচিতি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  5. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (পিডিএফ)web.archive.org। Wayback Machine। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২০{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  6. "Election Commission Bangladesh - Home page"www.ecs.org.bd
  7. "বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জানুয়ারি ১, ২০১৯" (পিডিএফ)ecs.gov.bdবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৯
  8. "সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ফলাফল"বিবিসি বাংলা। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  9. "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল"প্রথম আলো। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  10. "জয় পেলেন যারা"দৈনিক আমাদের সময়। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  11. "আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয়"সমকাল। ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮
  12. {{Source: শিক্ষক বাতায়ন https://www.teachers.gov.bd/blog/details/837984}}
  13. www.habiganj.gov.bd http://www.habiganj.gov.bd/bn/site/view/education_institute?institute_type=3। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২১ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]