চুয়াডাঙ্গা জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
চুয়াডাঙ্গা
জেলা
বাংলাদেশে চুয়াডাঙ্গা জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে চুয়াডাঙ্গা জেলার অবস্থান
চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গা
বাংলাদেশে চুয়াডাঙ্গা জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৬′ উত্তর ৮৮°৪২′ পূর্ব / ২৩.৬০০° উত্তর ৮৮.৭০০° পূর্ব / 23.600; 88.700স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৬′ উত্তর ৮৮°৪২′ পূর্ব / ২৩.৬০০° উত্তর ৮৮.৭০০° পূর্ব / 23.600; 88.700 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ খুলনা বিভাগ
আয়তন
 • মোট ১১৭৪.১০ কিমি (৪৫৩.৩২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)
 • মোট ১১,২৯,০১৫
 • ঘনত্ব ৯৬০/কিমি (২৫০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট 25.2%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

চুয়াডাঙ্গা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে এটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। দেশ বিভাগের পূর্বে এটি পশ্চিম বঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

চুয়াডাঙ্গা জেলার আয়তন ১,১৫৭.৪২ বর্গ কিলোমিটার। চুয়াডাঙ্গা জেলার উত্তর-পূর্বদিকে কুষ্টিয়া জেলা, উত্তর-পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা, এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারতের নদিয়া জেলা অবস্থিত। জেলার মূল শহর চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

বার্ষিক গড় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১,৪৬৭ মিলিমিটার। গোটা চুয়াডাঙ্গা জেলা গাঙ্গেয় অববাহিকায় অবস্থিত; যার ওপর দিয়ে মাথাভাঙ্গা, ভৈরব, কুমার, চিত্রা, এবং নবগঙ্গা নদীসমূহ প্রবাহিত হয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গ্রীক ঐতিহাসিকদের মতে এ এলাকাতেই বিখ্যাত গঙ্গারিডাই রাজ্য অবস্থিত ছিল। গাঙ্গেয় নামক একটি শহরও এ এলাকায় অবস্থিত ছিল বলে শোনা যায়। চুয়াডাঙ্গার নামকরণ সম্পর্কে কথিত আছে যে, এখানকার মল্লিক বংশের আদিপুরুষ চুঙ্গো মল্লিকের নামে এ জায়গার নাম চুয়াডাঙ্গা হয়েছে। ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে চুঙ্গো মল্লিক তাঁর স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভারতের নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার সীমানার ইটেবাড়ি- মহারাজপুর গ্রাম থেকে মাথাভাঙ্গা নদীপথে এখানে এসে প্রথম বসতি গড়েন। ১৭৯৭ সালের এক রেকর্ডে এ জায়গার নাম চুঙ্গোডাঙ্গা উল্লেখ রয়েছে। ফারসি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় উচ্চারণের বিকৃতির কারণে বর্তমান চুয়াডাঙ্গা নামটা এসেছে। চুয়াডাঙ্গা নামকরণের আরো দুটি সম্ভাব্য কারণ প্রচলিত আছে। চুয়া < চয়া চুয়াডাঙ্গা হয়েছে।। ব্রিটিশ শাসনামলে এ এলাকাটি বেশ কিছু আন্দোলনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল; যেমন: ওয়াহাবী আন্দোলন (১৮৩১), ফরায়েজি আন্দোলন (১৮৩৮-৪৭), সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭), নীল বিদ্রোহ (১৮৫৯-৬০), খেলাফত আন্দোলন (১৯২০), স্বদেশী আন্দোলন (১৯০৬), অসহযোগ আন্দোলন, সত্যাগ্রহ আন্দোলন (১৯২০-৪০), ভারত ছাড় আন্দোলন (১৯৪২) ইত্যাদি। ব্রিটিশ শাসনাধীনে চুয়াডাঙ্গা নদিয়া জেলার একটি উপজেলা ছিল। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের সময় কৃষ্ণনগর থানা (বর্তমানে নদিয়া জেলার অন্তর্গত) বাদে বাকি অংশ কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।[১]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গা পাকিস্তান বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংঘটিত বেশ কিছু প্রাথমিক যুদ্ধের সাক্ষী। এখানে শতাধিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম কমান্ড, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড গঠিত হয়েছিল এ জেলায়, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং ডাঃ আসহাব-উল-হক জোয়ার্দ্দারের নেতৃত্বে। একই দিন সকাল ০৯:৩০ এ বড়বাজার মোড়ে ডাঃ আসহাব-উল-হক জোয়ার্দ্দার দখলদার পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটিও এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার চুয়াডাঙ্গাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করে।[২] মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান বাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় একশরও বেশি সম্মুখ যুদ্ধের কথা নথিভুক্ত আছে। নথি অনুসারে ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর তারিখে, অর্থাৎ হানাদার বাহিনী কর্তৃক মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনের ৯ দিন আগে, পাকিনস্তানীদের হাত থেকে চুয়াডাঙ্গা মুক্ত হয়।

যুদ্ধকালীন গণহত্যা এবং ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতিচিহ্ন রয়েছ- চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পেছনের স্থানে, নাটুদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে তিনটি গণকবর, জীবননগরে সীমান্তবর্তী ধোপাখালি গ্রামে, এবং আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনের কাছে গঙ্গা-কপোতাক্ষ ক্যানালের তীরবর্তী স্থানে। যুদ্ধের স্মৃতি ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে দু'টি স্মৃতি স্তম্ভ।

১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে পৃথক করে চুয়াডাঙ্গাকে স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা দেয়া হয়।[১]

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৪টি উপজেলা রয়েছে; এগুলো হলোঃ

শহর

চুয়াডাঙ্গা শহরটি মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। এ শহরে ৯ টি ওয়ার্ড এবং ৪১ টি মহল্লা আছে। এটি একটি 'এ গ্রেড' পৌরসভা শহর। পৌরসভা ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৬৫ সাল থেকে কাজ শুরু করে। শহরের আয়তন ৩৬.১২ বর্গ কিলোমিটার। এর জনসংখ্যা ৭২,০৮১; যার মধ্যে পুরুষ ৫০.১৩% এবং মহিলা ৪৯.৮৭%। শহরের জনসংখ্যার ১০০% ই শিক্ষিত।

জনসংখ্যা উপাত্ত[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

দেশের নিরক্ষরমুক্ত জেলা হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে

১.ভি.জে. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ২. সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ৩.চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ৪.দর্শনা সরকারি কলেজ ৫.জীবননগর ডিগ্রী কলেজ ৬.আলমডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ ৭.ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

কৃষি[সম্পাদনা]

চুয়াডাঙ্গার বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত। শ্রমশক্তির ৬৮% কৃষিকাজে, এবং মাত্র ১২% ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট। আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৯৪.২০ বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে ৫৭% কোন না কোন প্রকার সেচ ব্যবস্থার আওতাধীন।

ব্যবহৃত ভূমির মধ্যে আবাদী জমি ৮৯৪.২ বর্গকিলোমিটার; অনাবাদী জমি ২.৫৪ বর্গকিলোমিটার; একফসলী জমি ১৪.৮০%; দুই ফসলী জমি ৭৩.৩৫%; তিন ফসলী জমি ১১.৮৫%; সেচের আওতাভুক্ত আবাদী জমি ৫৭%। ভূমিস্বত্বের ভিত্তিতে ৩৭% ভূমিহীন, ৪৩% নিম্ন বর্গীয়, ১৮% মধ্যম এবং ২% ধনী; মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ ১,১০০ বর্গমিটার। প্রতি ১০০ বর্গমিটার মানসম্মত জমির বাজারমূল্য আনুমানিক ৮০০০ টাকা।

প্রধান শস্য ধান, পাট, গম, আলু, আখ, বেগুন, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, পান এবং কুমড়া। বিলুপ্ত বা প্রায়-বিলুপ্ত শস্যের মধ্যে আছে তিল, তিসি, তামাক, সরিষা, ছোলা, আউশ ধান এবং নীল। প্রধান ফল আম, কাঁঠাল, লিচু, পেঁপেঁ, পেয়ারা, পান, নারিকেল এবং কলা।

জেলায় রয়েছে বেশ কিছু মুরগির খামার, মাছের খামার, গরুর খামার ও হ্যাচারি। জীবননগরে অবস্থিত দত্তনগর ফার্মটি এশিয়ার বৃহত্তম কৃষিখামার হিসেবে পরিচিত।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জেলার পেশার মধ্যে রয়েছে কৃষি ৪০.৩৩%, কৃষিশ্রমিক ২৮.০৮%, দিন মজুর ২.৬৯%, চাকরি ৬.০৮%, পরিবহণ খাত ১.৯১% এবং অন্যান্য ৮.২২%।

উৎপাদনশীল কলকারখানার মধ্যে রয়েছ তুলার কল, চিনি কল, বিস্কুট কারখানা, স্পিনিং মিল, টেক্সটাইল মিল, এ্যালুমিনিয়াম কারখানা, ওষুধ তৈরির কারখানা, চালকল, চিরার কল, তেল কল, আটা কল, বরফ কল, করাত কল এবং ওয়েল্ডিং কারখানা। কুটির শিল্পের মধ্যে রয়েছে বয়নশিল্প, বাঁশের কাজ, স্বর্ণকার, কর্মকার, কুম্ভকার, ছূতার, তন্তুবায়, দরজি ইত্যাদি।

কৃষির পাশাপাশি জেলাটিতে বর্তমানে শিল্পেরও বিকাশ ঘটছে। প্রধান শিল্প কারখানা গুলো হল জামান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, বঙ্গজ ব্রেড এন্ড বিস্কুট, তাল্লু স্পিনিং মিল্স লিমিটেড, কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড ইত্যাদি। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় অবস্থিত কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (১৯৩৩) বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনি কল। কেরু এন্ড কোম্পানির সাথে যে ডিস্টালারিটি আছে তা বাংলাদেশের একমাত্র মদ্য প্রস্তুতকারী কারখানা। কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (Bangladesh Sugar and Food Industries; BSFIC) অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান; যা বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

প্রধান রপ্তানী পণ্যগুলো হল ধান, পাট, পান, বিস্কুট, চিনি, তামাক, আখ, খেজুরের গুড়, সুপাড়ি, আম, কুমড়া, কাঁঠাল এবং কলা।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

চুয়াডাঙ্গা জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে নবগঙ্গা নদী, চিত্রা নদী, ভৈরব নদ, কুমার নদ, মাথাভাঙ্গা নদী[৩][৪]

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান ও স্থপনা[সম্পাদনা]

  • পুলিশ পার্ক - পুলিশ সুপার-এর কার্যালয় সংলগ্ন;
  • দত্তনগর কৃষি খামার, জীবননগর
  • শিশু স্বর্গ - ফেরি ঘাট রোড
  • নাটুদহের আট কবর - মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আটজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর;
  • কেরু সুগার মিলস এন্ড ডিস্টিলারি - দর্শনা;
  • তিন গম্বুজবিশিষ্ট চুয়াডাঙ্গা বড় মসজিদ;
  • ঘোলদাড়ি জামে মসজিদ (১০০৬ খ্রিস্টাব্দ) - আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাড়ি গ্রামে;
  • তিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদ - আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের তিয়রবিলা গ্রাম;
  • ঠাকুরপুর মসজিদ;
  • শিবনগর মসজিদ;
  • জামজামি মসজিদ;
  • আট কবর- দামুড়হুদা
  • হাজারদুয়ারি স্কুল - দামুড়হুদা;
  • নীলকুঠি - কার্পাসডাঙ্গা ও ঘোলদাড়ি;
  • আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন - ব্রিটিশ আমলে নীলকুঠি হিসেবে ব্যবহৃত হত;
  • খাজা মালিক উল গাউস-এর মাজার - তিতুদহ ইউনিয়নের গড়াইটুপি গ্রাম।

বিবিধ[সম্পাদনা]

  • হাটবাজারের সংখ্যা - ৮০টি।
  • উল্লেখযোগ্য মেলাঃ মেটেরি মেলা, গড়াইটুপি, বারুনি এবং গঙ্গাপূজা।
  • গড়াইটুপি অমরাবতী মেলাঃ সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের গড়াইটুপি গ্রামে প্রতিবছর ৭-১৪ আষাঢ় বসে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী গড়াইটুপি অমরাবতী মেলা।
  • এনজিও - ১৮টি; উল্লেখযোগ্য এনজিও - জনকল্যাণ সঙ্ঘ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মোঃ মাহতাব উদ্দিন (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "চুয়াডাঙ্গা নগরীর প্রাচীন ইতিহাস"http://www.dailysangram.com/। দৈনিক সংগ্রাম। সংগৃহীত ১৮ জুন ২০১৪ 
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bdnews নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  4. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬১৩, ISBN 984-70120-0436-4.
  5. "স্মৃতিফলকে নাম নেই বীরপ্রতীকের!"বাংলামেইল২৪ডটকম। ১৭ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত : ৩ ডিসেম্বর ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]