চাঁদপুর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চাঁদপুর
জেলা
বাংলাদেশে চাঁদপুর জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে চাঁদপুর জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৫০″ উত্তর ৯০°৩৮′১০″ পূর্ব / ২৩.২১৩৮৯° উত্তর ৯০.৬৩৬১১° পূর্ব / 23.21389; 90.63611স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৫০″ উত্তর ৯০°৩৮′১০″ পূর্ব / ২৩.২১৩৮৯° উত্তর ৯০.৬৩৬১১° পূর্ব / 23.21389; 90.63611 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৮৪
আয়তন
 • মোট১৭০৪.০৬ কিমি (৬৫৭.৯৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২৬,০০,২৬৩
 • জনঘনত্ব১৫০০/কিমি (৪০০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৯.২৯%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৩৬০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
২০ ১৩
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে এ জেলা অবস্থিত।

আয়তন[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলার মোট আয়তন ১৭০৪.০৬ বর্গ কিলোমিটার।[২]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চাঁদপুর জেলার মোট জনসংখ্যা ২৬,০০,২৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩,৫৪,৭৩২ জন এবং মহিলা ১২,৪৫,৫৩১ জন। মোট জনসংখ্যার ৯৩.৫৪% মুসলিম, ৬.৩৮% হিন্দু এবং ০.০৮% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী। এছাড়া কিছু সংখ্যক ত্রিপুরা উপজাতি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে এ জেলায়।[৩]

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২৩°০০´ থেকে ২৩°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৩২´ থেকে ৯১°০২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চাঁদপুর জেলার অবস্থান।[২] রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ২০৮ কিলোমিটার। এ জেলার দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর জেলানোয়াখালী জেলা; পূর্বে কুমিল্লা জেলা, উত্তরে কুমিল্লা জেলা, মেঘনা নদীমুন্সিগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে মেঘনা নদী, মুন্সিগঞ্জ জেলা, শরিয়তপুর জেলাবরিশাল জেলা অবস্থিত। পদ্মামেঘনা নদী দুটি চাঁদপুর শহরের কাছে এসে মিলেছে।

প্রতিষ্ঠাকাল[সম্পাদনা]

১৮৭৮ সালে ত্রিপুরা জেলা (পরবর্তীতে যা কুমিল্লা নামে পরিচিত) যে তিনটি মহকুমা নিয়ে গঠিত হয়, তার মধ্যে চাঁদপুর অন্যতম। ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর জেলায় উন্নীত হয়।[৪]

নামকরণ[সম্পাদনা]

বার ভূঁইয়াদের আমলে চাঁদপুর অঞ্চল বিক্রমপুরের জমিদার চাঁদরায়ের দখলে ছিল। এ অঞ্চলে তিনি একটি শাসনকেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। ঐতিহাসিক জে এম সেনগুপ্তের মতে, চাঁদরায়ের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে চাঁদপুর।

অন্যমতে, চাঁদপুর শহরের (কোড়ালিয়া) পুরিন্দপুর মহল্লার চাঁদ ফকিরের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম চাঁদপুর। কারো মতে, শাহ আহমেদ চাঁদ নামে একজন প্রশাসক দিল্লী থেকে পঞ্চদশ শতকে এখানে এসে একটি নদী বন্দর স্থাপন করেছিলেন। তাঁর নামানুসারে নাম হয়েছে চাঁদপুর।[৫]

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলা ৮টি উপজেলা, ৮টি থানা, ৭টি পৌরসভা, ৮৯টি ইউনিয়ন, ১০৪১টি মৌজা, ১৩৬৫টি গ্রাম ও ৫টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

উপজেলাসমূহ:

চাঁদপুর জেলায় মোট ৮টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:[৬]

ক্রম নং উপজেলা আয়তন
(বর্গ কিলোমিটারে)[২]
আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ কচুয়া ২৩৫.৮২ ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন
০২ চাঁদপুর সদর ৩০৮.৭৯ ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন
০৩ ফরিদগঞ্জ ২৩১.৫৪ ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন
০৪ মতলব উত্তর ২৭৭.৫৩ ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন
০৫ মতলব দক্ষিণ ১৩১.৬৯ ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন
০৬ শাহরাস্তি ১৫৪.৩১ ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন
০৭ হাইমচর ১৭৪.৪৯ ৬টি ইউনিয়ন
০৮ হাজীগঞ্জ ১৮৯.৯০ ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন
থানাসমূহ:

চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম মোট ৮টি থানার অধীন। থানাগুলো হল:

ক্রম নং থানা আওতাধীন এলাকাসমূহ
০১ কচুয়া কচুয়া পৌরসভাকচুয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০২ চাঁদপুর সদর চাঁদপুর পৌরসভাচাঁদপুর সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৩ ফরিদগঞ্জ ফরিদগঞ্জ পৌরসভা এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৪ মতলব উত্তর ছেংগারচর পৌরসভা এবং মতলব উত্তর উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৫ মতলব দক্ষিণ মতলব পৌরসভা এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৬ শাহরাস্তি শাহরাস্তি পৌরসভা এবং শাহরাস্তি উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৭ হাইমচর হাইমচর উপজেলার সকল ইউনিয়ন
০৮ হাজীগঞ্জ হাজীগঞ্জ পৌরসভা এবং হাজীগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন
পৌরসভাসমূহ:

চাঁদপুর জেলায় মোট ৭টি পৌরসভা রয়েছে। পৌরসভাগুলো হল:

ক্রম নং পৌরসভা অবস্থান
০১ কচুয়া কচুয়া উপজেলা
০২ চাঁদপুর চাঁদপুর সদর উপজেলা
০৩ ছেংগারচর মতলব উত্তর উপজেলা
০৪ ফরিদগঞ্জ ফরিদগঞ্জ উপজেলা
০৫ মতলব মতলব দক্ষিণ উপজেলা
০৬ শাহরাস্তি শাহরাস্তি উপজেলা
০৭ হাজীগঞ্জ হাজীগঞ্জ উপজেলা

শিক্ষা[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলার সাক্ষরতার হার ৬৯.৮০%। এ জেলায় রয়েছে:

  • মেডিকেল কলেজ : ১টি
  • সরকারি কলেজ : ৭টি
  • বেসরকারি কলেজ : ৪৫টি
  • পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট : ১টি
  • টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ : ১টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ২৪৯টি
  • মাদ্রাসা : ১২৫৭টি
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১১২০টি
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট : ১টি
  • মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট : ১টি
  • মেরিন একাডেমি : ১টি

[৭]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

এখানকার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছেঃ হাসান আলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, মাতৃপীঠ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আল-আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ, চাঁদপুর গভর্ণমেন্ট টেকনিক্যাল হাই স্কুল, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজ, শাহরাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজ, কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট হসাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রভৃতি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। নদী তীরবর্তী এলাকা বলে প্রায় ৩০% মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য শিল্পের সাথে জড়িত। এছাড়াও উল্লেখযোগ্যভাবে অনেক ব্যবসায়ী বিদ্যমান। জেলা সদরে অনেক মাছের আড়ত রয়েছে, যা জেলার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। চাঁদপুর শহরের বাবুরহাটে বড়বড় বহু শিল্পকারখানা রয়েছে। এই জায়গাটিকে সরকার বিসিক শিল্প নগরী ঘোষণা করে। এই এলাকাটি শুধু চাঁদপুরের নয় পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি আশীর্বাদস্বরূপ শিল্প নগরী। মেঘনার ভাঙ্গনে প্রতি বছর চাঁদপুরের আয়তন কমে গেলেও মেঘনা, চাঁদপুরের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। প্রতি বর্ষায় পানিতে ডুবে যায়, ফলে বর্ষাকালে চাঁদপুর মাছের মাতৃভূমি হয়ে যায়। জেলার প্রধান শস্য ধান, পাট, গম, আখ। রপ্তানী পণ্যের মধ্যে রয়েছে নারিকেল, চিংড়ি, আলু, ইলিশ মাছ, সবুজ শাক-সবজি, বিসিক নগরীর তৈরি পোশাক শিল্প।

ব্র্যান্ডিং জেলা[সম্পাদনা]

দেশ-বিদেশে চাঁদপুরকে বিশেষভাবে উপস্থাপনের জন্য ২০১৫ সালের আগস্ট মাস হতে জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম শুরু করেন তৎকালিন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল। ইলিশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর ব্র্যান্ডিং নাম দেন ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর। ২০১৭ সালে দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে চাঁদপুরকে স্বীকৃতি দেয়। এ নামানুসারে একটি লোগো রয়েছে, যা অঙ্কন করেছেন এ জেলার সন্তান বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান। একইসাথে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর এর রূপকার হিসেবে স্বীকৃতি পান তৎকালিন (২০১৫-২০১৮) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল।[৮]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল ঢাকা-চাঁদপুর মহাসড়ক এবং চট্টগ্রাম-চাঁদপুর মহাসড়ক। সব ধরণের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। এছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলা শহর থেকে নৌপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।[৯]

নদী[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলা নদীর জেলা হিসেবে পরিচিত।এখানে জালের মতো বিস্তৃত আছে অনেক নদী। এ জেলায় ৫টি নদী রয়েছে, যা অন্য যে কোন জেলা থেকে বেশি। নদীগুলো হল:

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা[সম্পাদনা]

চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার জন্য রয়েছে:

  • জেনারেল হাসপাতাল : ১টি (২৫০ শয্যাবিশিষ্ট)
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : ৮টি
  • আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র : ১টি
  • মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র : ৩টি
  • চক্ষু হাসপাতাল : ৪টি
  • বক্ষব্যাধী হাসপাতাল : ১টি
  • ডায়বেটিক হাসপাতাল : ১টি
  • রেডক্রিসেন্ট হাসপাতাল : ১টি
  • রেলওয়ে হাসপাতাল : ১টি
  • বেসরকারি হাসপাতাল : ৭৩টি
  • বেসরকারি ডেন্টাল ক্লিনিক : ৭টি
  • ডায়গনস্টিক সেন্টার : ১০৭টি

পত্র-পত্রিকা[সম্পাদনা]

  • দৈনিক: ১৫টি; চাঁদপুর কণ্ঠ, চাঁদপুর দর্পণ, চাঁদপুর জমিন, চাঁদপুর প্রবাহ, চাঁদপুর বার্তা, চাঁদপুর প্রতিদিন, চাঁদপুর সংবাদ, চাঁদপুর দিগন্ত, আলোকিত চাঁদপুর, চাঁদপুর খবর, মেঘনা বার্তা, ইলশেপাড়, মতলবের আলো, সুদীপ্ত চাঁদপুর, শাহরাস্তি বার্তা।
  • সাপ্তাহিক: ১২টি; দিবাচিত্র, রূপালী চিত্র, রূপসী চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ, দিবাকণ্ঠ, মানব সমাজ, আমাদের অঙ্গীকার, চাঁদপুর কাগজ, মতলব কণ্ঠ, নতুনের ডাক, চাঁদপুর সকাল, শাহরাস্তি।
  • পাক্ষিক: ২টি; কচুয়া কণ্ঠ, কচুয়া বার্তা।
  • মাসিক: ৩টি; ফরিদগঞ্জ বার্তা, পল্লী কাহিনী, হেরার পয়গাম।
  • অনলাইন পত্রিকা: ৫টি; চাঁদপুর টাইমস, চাঁদপুর নিউজ, চাঁদপুর ওয়েব, চাঁদপুর রিপোর্ট, শাহরাস্তি নিউজ ২৪।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের সময় চাঁদপুর ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল। ১৯৭১ সালের ১২ মে পাকবাহিনী হাজীগঞ্জ উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ৫০ জন লোককে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। এ গণহত্যার পর মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ চালালে পাকবাহিনীর ১৭ জন সৈন্য নিহত এবং ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। শাহরাস্তি উপজেলার নাওড়া, সূচীপাড়া এবং উনকিলার পূর্বাংশে বেলপুরের কাছে মিত্র বাহিনীর সাথে পাকবাহিনীর সংঘর্ষে মিত্র বাহিনীর ১৩ জন সৈন্য এবং পাকবাহিনীর ৩৫ জন সৈন্য নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়।[১০]

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
  • মুক্তিযুদ্ধের স্মারক: অঙ্গীকার (ভাস্কর্য), ফরিদগঞ্জ উপজেলার শহীদদের নাম ও ঠিকানা উৎকীর্ণ স্মৃতিফলক আমরা তোমাদের ভুলব না, মতলবের দীপ্ত বাংলাদেশ, চান্দ্রাকান্দি স্মৃতিসৌধ (সাদুল্লাহপুর, মতলব)।
  • বধ্যভূমি: রঘুনাথপুর বাজার (হাজীগঞ্জ), হামিদিয়া জুট মিলস প্রাঙ্গন, রায়শ্রী উত্তর ও দক্ষিণ।
  • গণকবর: নাসিরকোট (হাজীগঞ্জ)।[১১]

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

সংসদীয় আসন জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[১২] সংসদ সদস্য[১৩][১৪][১৫][১৬][১৭] রাজনৈতিক দল
২৬০ চাঁদপুর-১ কচুয়া উপজেলা মহিউদ্দিন খান আলমগীর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৬১ চাঁদপুর-২ মতলব দক্ষিণ উপজেলা এবং মতলব উত্তর উপজেলা নুরুল আমিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৬২ চাঁদপুর-৩ চাঁদপুর সদর উপজেলা এবং হাইমচর উপজেলা দীপু মনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৬৩ চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ উপজেলা মুহম্মদ শফিকুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৬৪ চাঁদপুর-৫ হাজীগঞ্জ উপজেলা এবং শাহরাস্তি উপজেলা রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/9862bb18-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
  2. "চাঁদপুর জেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org 
  3. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/9862bb18-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
  4. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  5. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/9862c25c-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF
  6. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/9862bb18-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
  7. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/9862bb18-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  8. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/5c4fb2ca-1cec-46f2-bfa3-167593936b8d/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%82
  9. http://www.chandpur.gov.bd/site/page/22cb44e7-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE
  10. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  11. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
  12. "Election Commission Bangladesh - Home page"www.ecs.org.bd 
  13. "বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জানুয়ারি ১, ২০১৯" (PDF)ecs.gov.bdবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৯ 
  14. "সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ফলাফল"বিবিসি বাংলা। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  15. "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  16. "জয় পেলেন যারা"দৈনিক আমাদের সময়। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  17. "আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয়"সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]