লালমনিরহাট জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লালমনিরহাট
জেলা
বাংলাদেশে লালমনিরহাট জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে লালমনিরহাট জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°০′ উত্তর ৮৯°১৫′ পূর্ব / ২৬.০০০° উত্তর ৮৯.২৫০° পূর্ব / 26.000; 89.250স্থানাঙ্ক: ২৬°০′ উত্তর ৮৯°১৫′ পূর্ব / ২৬.০০০° উত্তর ৮৯.২৫০° পূর্ব / 26.000; 89.250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
আয়তন
 • মোট১,২৪০.৯৩ বর্গকিমি (৪৭৯.১৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট১২,৫১,৯৯৪
 • জনঘনত্ব১,০০০/বর্গকিমি (২,৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৫২
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

লালমনিরহাট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে রংপুর জেলা ও কুড়িগ্রাম জেলা, পূর্বে কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমে নীলফামারী জেলা অবস্থিত।

তিস্তা নদী

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে; এগুলো হলোঃ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এ জেলার নাম কেন লালমনিরহাট হলো সে সম্পর্কে বেশ কয়েকটি মত চালু আছে। সেগুলো হলো-

  • মাটির নিচে লাল পাথর দেখতে পায়। সেই থেকে এ জায়গার নাম হয়েছে লালমনি
  • স্বীকৃতিস্বরূপ এলাকার লোকজন নামে রাখে লালমনি
  • ১৭৮৩ সালে সাধারণ কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লালমনি নামে এক মহিলা কৃষক নেতা নুরুলদিনকে সাথে নিয়ে ব্রিটিশ সৈন্য ও জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে। সেই থেকে এ জায়গার নাম হয় 'লালমনি'। কালের বিবর্তনে 'হাট' শব্দটি 'লালমনি' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে 'লালমনিরহাট' নামকরণ হয়েছে।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা[সম্পাদনা]

নিদারিয়া মসজিদ, উত্তর পূর্ব কোণ থেকে

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। সেটি হচ্ছে নিদারিয়া মসজিদ[২] এছাড়া আছে ৬৯ হিজরির হারানো মসজিদ ।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলার মোট জনসংখ্যা ১২,৫৬,০৯৯। মোট পুরুষ ৬২৮,৭৯৯ এবং মোট মহিলা ৬২৭,৩০০ জন। লালমনিরহাটের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০০০/কিমি। বেশিরভাগ লোক বাংলায় কথা বলে। এই জেলার বেশিরভাগই নাগরিকই মুসলিম। [৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলায় ১টি বিশ্ব বিদ্যালয়, ৩৫টি কলেজ, ১৬৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪৩টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭৮টি মাদ্রাসা, ৭৫৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, এবং প্রায় ২০০টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[৪] জেলার শিক্ষার হার ৬৫%। জেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানের মধ্যে রয়েছেঃ

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলা হাসপাতাল (১০০ শয্যা বিশিষ্ট), নিরাময় ক্লিনিক, দোয়েল ক্লিনিক বর্তমানে দোয়েল গেস্ট হাউজ ইত্যাদি। এছাড়া, ওছাড়া এখানে স্বাস্থ্য বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সুন্দর ভাবে চালু রয়েছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃষি প্রধান হলেও বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে এই জেলা। ৭২.৭৮% মানুষ কৃষক, ১০.৪৯% ব্যবসায়ী, ৩.৪৬% শ্রমিক এবং ৪.৪৫% চাকুরীজীবি। [৫]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বাস, ট্রেন, সাইকেল, ভ্যান, রিক্সা, অটো রিক্সা এছাড়াও একটি প্রাচীন বিমান বন্দর আছে।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

তিস্তা ব্যারেজ

নদ-নদী[সম্পাদনা]

  1. তিস্তা
  2. ধরলা
  3. সতী
  4. সানিয়াজান [৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে লালমনিরহাট"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. "প্রত্নস্হলের তালিকা"বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরhttp://www.archaeology.gov.bd/। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬  |প্রকাশক= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  3. এক নজরে লালমনিরহাট | lalmonirhat.gov.bd
  4. "লালমনিরহাট জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ"। ২৬ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৫ 
  5. http://bbs.gov.bd/
  6. বাংলাপিডিয়ায় লালমনিরহাট জেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]