সীতাকুণ্ড উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সীতাকুণ্ড
উপজেলা
সীতাকুণ্ড বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সীতাকুণ্ড
সীতাকুণ্ড
বাংলাদেশে সীতাকুণ্ড উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৭′০০″উত্তর ৯১°৩৯′৪০″পূর্ব / ২২.৬১৬৭° উত্তর ৯১.৬৬১১° পূর্ব / 22.6167; 91.6611স্থানাঙ্ক: ২২°৩৭′০০″উত্তর ৯১°৩৯′৪০″পূর্ব / ২২.৬১৬৭° উত্তর ৯১.৬৬১১° পূর্ব / 22.6167; 91.6611
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা চট্টগ্রাম জেলা
আয়তন
 • মোট ৪৮৩.৯৭ কিমি (১৮৬.৮৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 • মোট ২,৭৪,৯০৩
 • ঘনত্ব ৫৭০/কিমি (১৫০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৪৩১০

সীতাকুন্ড বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এলাকাটি পাহাড়ি এবং পহডচূড়াগুলি অজস্র হিন্দুবৌদ্ধ ধর্মস্থান মন্দির ইত্যাদিতে পূর্ণ। এই উপজেলার প্রধান শহর সীতাকুণ্ড, যা চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি আয়তনের দিক থেকে চট্টগ্রামের ২৬ টি উপজেলার ভিতর তৃতীয় এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ষষ্ঠ।[১]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

সীতাকুণ্ড উপজেলার মানচিত্র

সীতাকুন্ড উপজেলার ইউনিয়ন গুলো হল: বাঁশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড, বারৈয়াঢ়ালা, ভাটিয়ারী, মুরাদপুর, ছিলিমপুর, সোনাইছড়ি, সৈয়দপুর, কুমিরা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন নব্যপ্রস্তর যুগে সীতাকুণ্ডে মানুষের বসবাস শুরু হয় বলে ধারনা করা হয়। এখান থেকে আবিষ্কৃত প্রস্তর যুগের আসামিয় জনগোষ্ঠীর হাতিয়ার গুলো তারই স্বাক্ষর বহন করে। ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শতাব্দীতে সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অধীনে ছিল। এর পরের শতাব্দীতে এই অঞ্চলের শাসনভার চলে যায় পাল সম্রাট ধর্মপাল দ্বারা এর হাতে (৭৭০-৮১০ খ্রীঃ)। সোনারগাঁও এর সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ্ (১৩৩৮-১৩৪৯ খ্রীঃ)১৩৪০ খ্রীষ্টাব্দে এ অঞ্চল অধিগ্রহন করেন। পরবর্তীতে ১৫৩৮ খ্রীষ্টাব্দে সুর বংশের শের শাহ্ সুরির নিকট বাংলার সুলতানি বংশের শেষ সুলতান সুলতান গীয়াস উদ্দীন মুহাম্মদ শাহ্ পরাজিত হলে হলে এই এলাকা আরাকান রাজ্যের হাতে চলে যায় এবং আরাকানীদের বংশধররা এই অঞ্চল শাসন করতে থাকেন। পরবর্তীতে পর্তুগীজরাও আরাকানীদের শাসনকাজে ভাগ বসায় এবং ১৫৩৮ খ্রী: থেকে ১৬৬৬ খ্রী: পর্যন্ত এই অঞ্চল পর্তুগীজ ও আরাকানী বংশধররা একসাথে শাসন করে। প্রায় ১২৮ বছরের রাজত্ব শেষে ১৯৬৬ খ্রী: মুঘল সেনাপতি বুজরুগ উন্মে খান আরাকানীদের এবং পর্তুগীজদের হটিয়ে এই অঞ্চল দখল করে নেন।

পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দেৌলার পরাজয়ের পর এই এলাকাটিও ইংরেজদের দখলে চলে যায়। পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সময় এই অঞ্চলের কর্তৃত্ব স্বদেশীদের হাতে আসে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই এলাকাটি ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, সীতাকুন্ডের মোট জনসংখ্যা ছিল ২,৯৮,৫২৮ জন,যার মধে্য পুরুষ ১,৬৩,৫৬১ জন এবং নারী ১,৩৪,৯৬৭ জন। এবং আনুপাতিকহারে ১২১জন পুরুষের বিপরীতে নারীর সংখ্যা ১০০জন।[২]

ভূগোল ও জলবায়ু[সম্পাদনা]

সীতাকুণ্ড রেঞ্জ
সড়ক চিহ্নে সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক ও সহস্রধারা প্রপাত

সীতাকুণ্ড উপজেলা ৪৮৩.৯৭ বর্গকিলোমিটার বা ১৮৬.৮৬ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত যা মধ্যে বনাঞ্চল রয়েছে ৬১.৬১ বর্গকিলোমিটার বা ২৩.৭৯ বর্গমাইল । [১]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "Sitakunda Upazila: Census Results at a Glance - 2001 (Community Series)"। Population Census Wing, BBS.। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ০৩  |accessyear= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য) উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "census3" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  2. Household and Population of Statistical Metropolitan Areas in Bangladesh – 2001 (PDF)। Population Census Wing, Bangladesh Bureau of Statistics। সংগৃহীত ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]