পিরোজপুর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
পিরোজপুর
জেলা
বাংলাদেশে পিরোজপুর জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে পিরোজপুর জেলার অবস্থান
পিরোজপুর বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
পিরোজপুর
পিরোজপুর
পিরোজপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
পিরোজপুর
পিরোজপুর
বাংলাদেশে পিরোজপুর জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৪′৪৮″ উত্তর ৮৯°৫৮′১২″ পূর্ব / ২২.৫৮০০০° উত্তর ৮৯.৯৭০০০° পূর্ব / 22.58000; 89.97000স্থানাঙ্ক: ২২°৩৪′৪৮″ উত্তর ৮৯°৫৮′১২″ পূর্ব / ২২.৫৮০০০° উত্তর ৮৯.৯৭০০০° পূর্ব / 22.58000; 89.97000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ বরিশাল বিভাগ
আয়তন
 • মোট ১০৩৮ কিমি (৪০১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১[১])
 • মোট ১১,১৩,২৫৭
 • ঘনত্ব ১১০০/কিমি (২৮০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৪.৩১ %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ৭৯
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

পিরোজপুরের উত্তরে বরিশাল জেলাগোপালগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরগুনা জেলা, পূর্বে ঝালকাঠি জেলাবরগুনা জেলা এবং পশ্চিমে বাগেরহাট জেলাসুন্দরবন অবস্থিত। পশ্চিমে বলেশ্বর নদী পিরোজপুরকে বাগেরহাটের থেকে আলাদা করেছে।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

পিরোজপুর জেলা ৭টি উপজেলায় বিভক্ত; এগুলো হলোঃ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক থেকে বাকেরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন নদী গর্ভে, মোহনায় ছোট ছোট দ্বীপাঞ্চল সৃষ্টি এবং এর দ্রুত বৃদ্ধি হতে থাকে। দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনের জঙ্গল কাটা হলে আবাদযোগ্য ভূমির আয়তনও ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সময় ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ, দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহ, পিরোজপুরের কালীগঙ্গা, কচাঁ, বলেশ্বর প্রভৃতি নদীতে মগ জলদস্যুদের উপদ্রব, বিশেষত: ঐ সকল নদীতে চুরি, ডাকাতি, লুন্ঠনসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে সাধারণ প্রশাসন এবং ভূমি প্রশাসনের সুবিধাজনক অধ্যায় সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের বিচারকার্য তড়িৎ সম্পাদনের লক্ষ্যে পিরোজপুর মহকুমা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। বাকেরগঞ্জ তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ.এ.আর. আলেকজান্ডার ১৮৫৬ সালের ২৪ এপ্রিল পিরোজপুরে মহকুমা স্থাপনের প্রস্তাব দেন।

১৮৫৯ সালের ২৮ অক্টোবর পিরোজপুর মহকুমা স্থাপিত হয়। ঐ সময় বর্তমান বাগেরহাট জেলা (মোড়লগঞ্জ, কচুয়া) পিরোজপুর মহকুমার অর্ন্তগত ছিল। ১৮৬৩ সালে বাগেরহাট একটি মহকুমা হিসেবে যশোর জেলার অর্ন্তগত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই জেলা থেকে কাঠালিয়া (ঝালকাঠী), বামনা (বরগুনা), পাথরঘাটা (বরগুনা), বানারীপাড়া (বরিশাল) উপজেলা এলাকাগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পিরোজপুর মহকুমা স্থাপনের সংগে সংগে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য পাড়েরহাট বন্দর সংশ্লিষ্ট টগড়া হতে থানা এবং কাউখালী হতে মুন্সেফি আদালত পিরোজপুর সদরে স্থানান্তর করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ১৭৯০ সালে গর্ভণর জেনারেল কর্ণওয়ালিশ ভারত শাসন সংস্কারের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটান। তৎপ্রেক্ষিতে বাকেরগঞ্জে ১০টি থানা স্থাপন করা হয়। তন্মধ্যে পিরোজপুরের অদূরে পাড়েরহাটের নিকটবর্তী টগরা থানা, কেওয়ারি থানা (বর্তমান নেছারাবাদ বা স্বরূপকাঠী ও বানারীপাড়া) এবং কাউখালী থানা অন্যতম। পরবর্তীতে কাউখালীতে একটি আবগারি অফিস ও সাব-রেজিষ্টার অফিস স্থাপন করা হয়। মহকুমা প্রতিষ্ঠার পর একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং ডেপুটি কালেক্টরের উপর প্রশাসন কার্য এবং মুন্সেফের উপর দেওয়ানি বিচারের কার্যভার অর্পণ করা হয়। পিরোজপুর মহকুমা স্থাপনের প্রায় ৪বছর পর ১৮৬৩ সালে বেঙ্গল রেভিনিউ এবং টপোগ্রাফিক্যাল সার্ভে সমাপ্ত হলে কচুয়া এবং মোড়েলগঞ্জকে পিরোজপুর মহকুমা থেকে কেটে নিয়ে বাগেরহাটকে মহকুমার মর্যাদায় উন্নীত করা হয়। তখন পিরোজপুরের আয়তন সীমানা নির্ধারণ করা হয় ৭২৯ বর্গ মাইল। ১৮৬৫ সালের ১ এপ্রিল পিরোজপুর সাব-রেজিষ্টার অফিস, ১৮৬৫ সালে পিরোজপুর দাতব্য চিকিৎসালয়, ১৮৬৫ সালে পিরোজপুর মিনিসিপ্যালিটি, ১৮৮৭ সালে লোকাল বোর্ড, ১৮৬৫ সালে স্থাপিত মাইনর স্কুল ১৮৮২ সালে উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে রূপান্তর এবং ১৮৯৩ সালে নারী শিক্ষার জন্য আরবান ইংলিশ গালর্স হাইস্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৫৯ সালের ২৮ অক্টোবর পিরোজপুর মহকুমা ১৯৮৪ সালে জেলায় রূপান্তরিত হয়। ১৮৮৫ সালে পিরোজপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর নামকরণের একটা সূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। নাজিরপুর উপজেলার শাখারী কাঠির জনৈক হেলালউদ্দীন মোঘল নিজেকে মোঘল বংশের শেষ বংশধর হিসেবে দাবী করেছিলেন। তাঁর মতে বাংলার সুবেদার শাহ্ সুজা আওরঙ্গজেবের সেনাপতি মীর জুমলার নিকট পরাজিত হয়ে বাংলার দক্ষিণ অঞ্চলে এসেছিলেন এবং আত্মগোপনের এক পর্যায়ে নলছিটি উপজেলার সুগন্ধা নদীর পারে একটি কেল্লা তৈরি করে কিছুকাল অবস্থান করেন। মীর জুমলার বাহিনী এখানেও হানা দেয় এবং শাহ্ সুজা তার দুই কন্যাসহ আরাকানে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি অপর এক রাজার চক্রান্তে নিহত হন। পালিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী এক শিশু পুত্রসহ থেকে যায়। পরবর্তীতে তারা অবস্থান পরিবর্তন করে ধীরে ধীরে পশ্চিমে চলে এসে বর্তমান পিরোজপুরের পার্শ্ববর্তী দামোদর নদীর মুখে আস্তানা তৈরি করেন। এ শিশুর নাম ছিল ফিরোজ এবং তার নাম অনুসারে নাম হয় ফিরোজপুর।

প্রখ্যাত ব্যক্তি[সম্পাদনা]

  • সৈয়দ হাবিবুর রহমান দুর্গাপুর ১৯৬৬ -আইন ।
  • খান বাহাদুর হাশেম আলী খান নেছারাবাদ ১৮৮৮-১৯৬২ রাজনীতি পৌরসভা চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলার নির্যাতিত কৃষক সমাজের জনদরদী ও সংগ্রামী নেতা।
  • তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ভান্ডারিয়া ১৯১১-১৯৬৯ সাংবাদিকতা ও রাজনীতি পিটি আই-এর পরিচালক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা।
  • মাওলানা নেছার উদ্দীন নেছারাবাদ ১৮৭২-১৯৫২ ইসলাম ধর্ম বহু ইসলামী গ্রন্থ প্রণেতা ও শর্ষিণা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা।
  • কবি আহসান হাবীব শংকরপাশা ১৯১৭-১৯৮৫ সাহিত্য স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পদক রাত্রিশেষে, ছায়া হরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলেছে চৈত্রে যাবো, বিদীর্ণ দর্পণে মুখ প্রভৃতি কাব্য গ্রন্থ রচয়িতা।
  • মহিউদ্দিন আহমেদ মঠবাড়িয়া ১৯২৫-১৯৯৭ রাজনীতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠাতা।
  • বেগম মতিয়া চৌধুরী নাজিরপুর ১৯৪২- রাজনীতি বর্তমান কৃষি মন্ত্রী ‘দেয়াল দিয়ে ঘেরা’ বই রচনা করেন। আপোষহীন,দৃঢ়  চেতনাদীপ্ত নিরহংকার নেত্রী হিসাবে সাধারণ জনগনের নেত্রী হিসেবে পরিচিত।
  • নিরোদ বিহারী নাগ নাজিরপুর ১৯৩২-১৯৯১ রাজনৈতিক ও সামাজিক - পুষ্প নিরোধ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা।
  • খান সাহেব হাতেম আলী জমাদার মঠবাড়িয়া ১৮৭২-১৯৮২ বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য - মঠবাড়িয়া কে এম লতিফ ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ।
  • এনায়েত হোসেন খান স্বরূপকাঠী ১৯৩৩-১৯৭৯ রাজনীতি সাবেক এম পি ইউনিয়ন অফ ক্লারিক্যাল এ্যাসিট্যান্স অফ  সেক্রেটারিয়েট ইন ইস্ট পাকিস্তান নামক এক শক্তিশালী সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন।
  • মোয়াজ্জেম হোসেন ডুমুরিতলা ১৯৩২-১৯৭১ - লেঃ কমান্ডার স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষা দেয়ার জন্য সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে তিনি একটি গুপ্ত বিপ্লবী সেল গঠন করেন।
  • মেজর জিয়াউদ্দিন আহমদ পিরোজপুর ১৯৫০- - নবম সেক্টরের সাব- সেক্টর কমান্ডার সাবেক পৌর চেয়ারম্যান, আফতাব উদ্দিন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা।
  • আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ভান্ডারিয়া ১৯৪৪- রাজনীতি পরিবেশ ও বন  মন্ত্রী জাতীয় পার্টি (জেপি) এর সভাপতি।
  • মইনুল হোসেন ভান্ডারিয়া ১৯৪০- রাজনীতি সাবেক উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য।
  • ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল নাজিরপুর ১৯৩৯- রাজনীতি সাবেক এমপি সাবেক কৃষি ও ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
  • মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম কাউখালী ১৯১৮-১৯৮৭ ইসলামী চিন্তাবিদ - বাংলা ভাষায় ইসলাম সম্পর্কে ৬০ খানা গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
  • নূর হোসেন মঠবাড়িয়া - - - যুবক খালি গায়ে ও পিঠে স্বৈরাচার নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাক লিখে মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন।
  • শহীদুল আলম নিরু পিরোজপুর ১৯৪৬-২০০৫ রাজনীতি ও  আইনজীবী ভাসানী ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক।
  • খান মোহাম্মাদ মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ মঠবাড়িয়া ১৩২০ বাংলা - কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক - প্রকাশিত এবং অপ্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০টি।
  • আলী হায়দার খান পিরোজপুর ১৯৪০- রাজনীতি ও আইনজীবী ন্যাপ (মো) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা -
  • মেজর (অবঃ) মেহেদী আলী ইমাম বীরবিক্রম মঠবাড়িয়া -১৯৯৬ - সাহেব সাব-সেক্টর কমান্ডার স্বাধীনতাযুদ্ধে  বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে বীরবিক্রম উপাধিতে ভূষিত করে।
  • মোস্তফা জামাল হায়দার নাজিরপুর ১৯৪২- রাজনীতি সাবেক মন্ত্রী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য
  • মোঃ রুস্ত্তম আলী ফরাজী মঠবাড়িয়া - রাজনীতি  ও চিকিৎসক এমপি দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
  • জুয়েল আইচ পিরোজপুর - যাদু শিল্পী অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার আন্তর্জাতিক যাদুশিল্পী।
  • খালিদ হাসান মিলু পিরোজপুর - কণ্ঠশিল্পী জাতীয় পুরস্কার  প্রাপ্ত রেডিও, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র কণ্ঠশিল্পী।
  • দিলীপ বিশ্বাস পিরোজপুর - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক।
  • দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, যুদ্ধাপরাধী হিসাবে দন্ডপ্রাপ্ত;
  • আলহ্বাজ এ কে এম আউয়াল সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • ডিসি পার্ক;
  • হুলারহাট নদী বন্দর;
  • কদমতলা জর্জ হাই স্কুল;
  • কবি আহসান হাবিব এর বাড়ি;
  • আজিম ফরাজীর মাজার;
  • সারেংকাঠী পিকনিক স্পট;
  • আটঘর আমড়া বাগান;
  • কুড়িয়ানা পেয়ারা বাজার;
  • কুড়িয়ানা অনুকুল ঠাকুরের আশ্রম;
  • রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি;
  • মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ;
  • পারেড় হাট জমিদার বাড়ি;
  • বলেশ্বর ঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ;
  • স্বরুপকাঠীর পেয়ারা বাগান;
  • ভান্ডারিয়া শিশু পার্ক।

মুক্তিযুদ্ধ[সম্পাদনা]

সেক্টর ৯ নম্বর
সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল
সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ
স্মৃতিস্তম্ভের সংখ্যা ৯ টি
মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২৬৬০ জন প্রায়
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬১ জন (জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার)
উল্লেখযোগ্য শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আঃ রাজ্জাক (এস.ডি.ও), ফয়জুর রহমান আহমেদ (এস.ডি.পি.ও), হীরেন্দ্র মহাজন, ফজলুল হক খোকন, সাইফ মিজানুর রহমান (ম্যাজিস্ট্রেট), ওমর ফারুক (সভাপতি মহকুমা ছাত্রলীগ), ভাগিরথী সাহা, সামছুল হক, ড. আবুল খায়ের, গণপতি হালদার, শ্রী ললীত কুমার বল, ড. জোতির্ময় গুহঠাকুরতা, জহিরুদ্দিন বাহাদুর প্রমুখ।
বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা (জীবিত) এ,কে,এম,এ আউয়াল, মেজর (অব:) জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ, এ্যাড: এম,এ মান্নান, গৌতম রায় চৌধুরী, এম,এ রববানী ফিরোজ প্রমুখ।
মুক্তিফৌজ গঠন ২৭ মার্চ ১৯৭১ বিকাল ৪ টা, পিরোজপুর সরকারি হাইস্কুল মাঠ।
পিরোজপুর অস্ত্রাগার লুণ্ঠন ১৯ মে ১৯৭১।
পিরোজপুর শত্রুমুক্ত দিবস ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (জুন, ২০১৪)। "Population Census 2011 (Barisal & Chittagong)" (PDF)। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)

আনুসঙ্গিক নিবন্ধ[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]