ঝালকাঠি জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঝালকাঠি জেলা
Jhalokati
জেলা
বাংলাদেশে ঝালকাঠি জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে ঝালকাঠি জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৮′উত্তর ৯০°১২′পূর্ব / ২২.৬৪° উত্তর ৯০.২০° পূর্ব / 22.64; 90.20
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ বরিশাল বিভাগ
আয়তন
 • মোট ৭৩৫.০৯ কিমি (২৮৩.৮২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2001)
 • মোট ৬,৮২,৬৬৯[১]
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৫.৭৪% [২]
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট


ঝালকাঠি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঝালকাঠি পূর্বে বরিশাল জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১ এপ্রিল ১৮৭৫ সালে ঝালকাঠি পৌরসভার গোড়াপত্তন হয়। [৩] ব্রিটিশ শাসনামলে ১৭ জন মুসলমান, সেনাবাহিনী কর্তৃক কুলকাঠিতে নিহত হন। স্থানীয় দাঙ্গা নিরসন ও শৃংখলা প্রদানের জন্য ১৮৮২ সালে ঝালকাঠিতে একটি পুলিশ থানা স্থাপন করা হয়। নদী বন্দরের জন্য ঝালকাঠি সবসময় ইউরোপীয়দের আকর্ষণ করেছে। ফলে বিভিন্ন সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ডাচ ও ফরাসিরা এখানে ব্যবসা কেন্দ্র খুলেছিল। বানিজ্যিক গুরুত্বের জন্য ঝালকাঠিকে দ্বিতীয় কলকাতা বলা হত। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝালকাঠি সদর উপজেলার রেজাউল করিম ২৪ সদস্য বিশিষ্ট মানিক বাহিনী গড়ে তোলেন। কিছু স্থানীয় রাজাকার এর সহায়তায় ১৬ই জুন ১৯৭১ সালে পাক-হানাদার বাহিনী তাদের হত্যা করে। ২৭শে এপ্রিল হানাদার বাহিনী ঝালকাঠি শহরে আগুন ধরিয়ে দেয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। লাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরে ১৯৭২ সালের ১ জুলাই, ঝালকাঠি থানাকে বরিশাল জেলার মহকুমায় উন্নীত করা হয়। [৩] ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ঝালকাঠি থানাকে বরিশাল জেলা থেকে পৃথক করে পূর্নাংগ জেলায় পরিণত করা হয়। [৩]

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

এ জেলার মোট আয়তন ৭৫৮.০৬ বর্গ কিমি। ঝালকাঠির উত্তর-পূর্বে বরিশাল, দক্ষিণে বরগুনাবিশখালি নদী, এবং পশ্চিমে লোহাগড়া ও পিরোজপুর জেলা

প্রধান নদী[সম্পাদনা]

বিশখালি, সুগন্ধা, ধানসিড়ি, গাবখান, জাংগালিয়াবাসন্ডা

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

১৮৭৫ সালে ঝালকাঠি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌরসভা ৯ টি ওয়ার্ড ও ৪৭ টি মহল্লা নিয়ে গঠিত। এ জেলায় দুইটি পৌরসভা, ৪ টি উপজেলা, ৩২ টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪০০ টি মৌযা, ৪৪৯ টি গ্রাম আছে।

ঝালকাঠি জেলা ৪টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হলো:

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধান শস্য: ধান

প্রধান ফল: আম, কলা, তাল, লিচু, নারিকেল, পেয়ারা

শিল্প-কারখানা: বরফকল, ময়দার কল, লবন কারখানা, ধান কল, তেলের কল, বিড়ি কারখানা।

কুটির শিল্প:

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

সুজাবাদ কেল্লা, ঘোষাল রাজবাড়ী, পুরাতন পৌরসভা ভবন, মাদাবর মসজিদ, সুরিচোরা জামে মসজিদ

স্বাস্থ্য কেন্দ্র[সম্পাদনা]

হাসপাতাল ২ টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪ টি, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ২২ টি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (জুন, ২০১৪)। "Population Census 2011 (Barisal & Chittagong)"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৫ জুন, ২০১৪ 
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৫ জুন, ২০১৪ 
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ কবীর, বিলু। বাংলাদেশের জেলা নামকরনের ইতিহাসআইএসবিএন 9844614397 |isbn= মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) 

আনুসঙ্গিক নিবন্ধ[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]