সন্দ্বীপ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সন্দীপ
উপজেলা
সন্দীপ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সন্দীপ
সন্দীপ
বাংলাদেশে সন্দ্বীপ উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২৯′৫২″উত্তর ৯১°২৯′৪৩″পূর্ব / ২২.৪৯৭৯° উত্তর ৯১.৪৯৫৪° পূর্ব / 22.4979; 91.4954স্থানাঙ্ক: ২২°২৯′৫২″উত্তর ৯১°২৯′৪৩″পূর্ব / ২২.৪৯৭৯° উত্তর ৯১.৪৯৫৪° পূর্ব / 22.4979; 91.4954
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা চট্টগ্রাম জেলা
আয়তন
 • মোট ৭৬২.৪২ কিমি (২৯৪.৩৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৭৮,৬০৫
 • ঘনত্ব ৩৭০/কিমি (৯৫০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫১.৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট sandwip.chittagong.gov.bd
সন্দ্বীপ
Native name: সন্দ্বীপ
চিত্র:Nasa satellite image of Sandwip Uploaded by minhaz.jpg
স্যাটেলাইট থেকে নেয়া সন্দ্বীপের চিত্র
সন্দ্বীপ উপজেলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সন্দ্বীপ উপজেলা
Sandwip (Bangladesh)
ভূগোল
অবস্থান Bay of Bengal
ভৌগলিক স্থানাংক ২২°২৯′ উত্তর ৯১°২৯′ পূর্ব / ২২.৪৮৩° উত্তর ৯১.৪৮৩° পূর্ব / 22.483; 91.483
মোট দ্বীপের সংখ্যা 3
প্রধান দ্বীপসমূহ 1
আয়তন ৭৬২.৪২
দৈর্ঘ্য ৫০
Bangladesh
District Chittagong District
জনপরিসংখ্যান
জাতির নাম সন্দ্বীপী

সন্দ্বীপ উপজেলা (ইংরেজি: Sandwip) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি দ্বীপ এবং প্রশাসনিক এলাকা। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রাচীন একটি দ্বীপ।

অবস্থান[সম্পাদনা]

সন্দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বকোণে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম উপকূল ও সন্দ্বীপের মাঝখানে সন্দ্বীপ চ্যানেল অবস্থিত। সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূলের দূরত্ব প্রায় দশ মাইল। নোয়াখালীর মূল ভূখন্ড সন্দ্বীপ থেকে প্রায় ১২ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত। সন্দ্বীপের প্রায় বিশ মাইল পশ্চিমে হাতিয়া দ্বীপের অবস্থান। সন্দ্বীপের সীমানা হচ্ছে উত্তরে বামনী নদী, পশ্চিমে মেঘনা নদী ও তারও পশ্চিমে হাতিয়া দ্বীপ, পূর্বে সন্দ্বীপ চ্যানেল ও চ্যানেলের পূর্ব পাড়ে চট্টগ্রাম এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।[২][২]

নামকরণ[সম্পাদনা]

সন্দ্বীপের নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন মতামত শোনা যায়। কারও কারও মতে ১২ আওলিয়ারা চট্টগ্রাম যাত্রার সময় এই দ্বীপটি জনমানুষহীন অবস্থায় আবিস্কার করেন এবং নামকরণ করেন শুন্যদ্বীপ যা পরবর্তীতে ‘‘সন্দ্বীপে’’ রুপ নেয়।[৩] ইতিহাসবেত্তা বেভারিজের মতে চন্দ্র দেবতা সোম এর নামানুসারে এই এলাকার নাম সোম দ্বীপ হয়েছিল যা পরবর্তীতে সন্দ্বীপে রুপ নেয়।[৪]

কেউ কেউ দ্বীপের উর্বরতা ও প্রাচুর্যের কারণে দ্বীপটিকে স্বর্ণদ্বীপ আখ্যা প্রদান করেন। উক্ত স্বর্ণদ্বীপ হতে সন্দ্বীপ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।[৩] দ্বীপের নামকরণের আরেকটি মত হচ্ছে পাশ্চাত্য ইউরোপীয় জাতিগণ বাংলাদেশে আগমনের সময় দুর থেকে দেখে এই দ্বীপকে বালির স্তুপ বা তাদের ভাষায় স্যান্ড-হীপ (Sand-Heap) নামে অভিহিত করেন এবং তা থেকে বর্তমান নামের উৎপত্তি হয়।[৫]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জে. র‍্যানেল এর তৈরী করা ১৭৭৮ সালের মানচিত্রে সন্দ্বীপ

ইউরোপীয়দের লেখা ইতিহাসে জানা যায় যে সন্দ্বীপে প্রায় তিন হাজার বছরের অধিককাল ধরে লোক বসতি বিদ্যমান। এমনকি এককালে এর সাথে সংযুক্ত থাকা নোয়াখালীতে মানুষের বসতি স্থাপনের পূর্বেই সন্দ্বীপে জনবসতি গড়ে উঠেছিল।[৬][৭]। সন্দ্বীপের লবণ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ কারখানা ও বস্ত্র শিল্প পৃথিবী খ্যাত ছিল। উপমহাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভ্রমণকারীরা এই অঞ্চলে এসে তাদের জাহাজ নোঙ্গর করতেন এবং সহজ বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং পরিবহন সুবিধাদি থাকায় এই অঞ্চলে ব্যবসা এবং বসতি স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করতেন। ১৭৭৬ সালের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রতি বছর সন্দ্বীপ উৎপাদিত প্রায় এক লক্ষ ত্রিশ হাজার মণ লবণ, তিনশ জাহাজে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হত।[৮][৯]

সন্দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে নৌযান তৈরীর দৃশ্য

সন্দ্বীপ এককালে কম খরচে মজবুত ও সুন্দর জাহাজ নির্মানের জন্য পৃথিবী খ্যাত ছিল। ইউরোপের বিভিন্ন এলাকায় এই জাহাজ রপ্তানি করা হতো। তুরস্কের সুলতান এই এলাকার জাহাজের প্রতি আকৃষ্ট হন এখান থেকে বেশ কিছু জাহাজ কিনে নেন।[১০][১১] ভারতবর্ষের মধ্যে সন্দ্বীপ ছিল একটি সমৃদ্ধশালী বন্দর। লবণ ও জাহাজ ব্যবসা, শস্য সম্পদ ইত্যাদির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগে পর্তুগিজরা সন্দ্বীপে উপনিবেশ স্থাপন করেন।[১২] এছাড়া ভ্রমণ ও ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে ফরাসি ও ওলোন্দাজ পরিব্রাজকরা প্রায়ই সন্দ্বীপে আগমন করতেন।[১৩] ১৬১৫ সালে পর্তুগিজদের সাথে আরকান রাজের যুদ্ধে ২০০জন সৈন্য সহ পর্তুগীজ সেনাপতি ইমানুয়েল মার্তুস নিহত হয় এবং পর্তুগিজরা সন্দ্বীপ ত্যাগ করলে ১৬১৬ সালে মগরাজ সন্দ্বীপ দখল করে।[১৪] এরপর সন্দ্বীপে আরকান ও মগদের প্রাধান্য থাকলেও তাদের পরাধীনতাকে অস্বীকার করে একে প্রায় অর্ধ শতাব্দী শাসন করেন করেন দেলোয়ার খাঁ। ১৬৬৬ সালে তার রাজত্বের পতন ঘটে এবং মোঘল সরকারের অধীনে জমিদারদারী প্রথার সূচনা ঘটে যা পরবর্তীতে ব্রিটিশ রাজত্বের অবসানের সাথে সাথে বিলুপ্ত হয়। [১৫][১৬] রূপে মুগ্ধ হয়ে যুগে যুগে অনেক কবি, সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক, পর্যটক এসেছেন এখানে। ১৩৪৫ খ্রিষ্টাব্দে ঐতিহাসিক পর্যটক ইবনে বতুতা সন্দ্বীপে আসেন।[৭] ১৫৬৫ সালে ডেনিশ পর্যটক সিজার ফ্রেডরিক সন্দ্বীপে আসেন এবং এর বহু প্রাচীন নিদর্শনের বর্ননা লিপিবদ্ধ করেন।[১৭] ১৯২৯ খ্রীষ্টাব্দের ২৮শে জানুয়ারী মুজফ্‌ফর আহ্‌মেদর সাথে সন্দ্বীপে আসেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম[১৮][১৯] সন্দ্বীপ ভ্রমনের সময়কার স্মৃতির পটভূমিকাতেই কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর মধুবালা গীতিনাট্য রচনা করেন। সন্দ্বীপে বৃক্ষের ছায়াতলে বসে নজরুল তাঁর চক্রবাক কাব্যগ্রন্থের অনেকগুলো কবিতা রচনা করেন।[৭]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ছোট জাহাজ ও স্টিমারই সন্দ্বীপ ও অন্যান অঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম
সন্দীপ ফেরী ঘাটের একটি অত্যান্ত মনোরম দৃশ্য

১৯৫৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত সন্দ্বীপ নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরবর্তিতে একে চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।[২] সন্দ্বীপে একটি পৌরসভা রয়েছে, যা ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠীত। এই দ্বীপে ১টি থানা রয়েছে এবং মৌজার সংখ্যা ৩৯ টি। এই অঞ্চলটি নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম -১৬ এর অন্তর্ভুক্ত।[২] ৭৬২.৪২ বঃ কিঃ মিঃ আয়তনের এই উপজেলায় মোট ১৫ টি ইউনিয়ন আছে; এগুলো হল:

উল্লেখ্য যে, এখানে পূর্বে নয়ামস্তি ইউনিয়ন নামে একটি ইউনিয়ন ছিলো; যা বর্তমানে বিলুপ্ত।

আয়তন ও জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

পঞ্চদশ শতাব্দীতে সন্দ্বীপের আয়তন প্রায় ৬৩০ বর্গমাইলের হলেও ক্রমাগত নদী ভাঙনের কারণে বর্তমানে এটি মাত্র ৮০ বর্গমাইলের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপে পরিণত হয়েছে। সন্দ্বীপের দৈর্ঘ্য ২৫ মাইল(৪০ কিমি) ও প্রস্থ ৩-৯ মাইল (৫-১৫কিমি)[২০]। এই অঞ্চলে মোট আবাদ যোগ্য জমির পরিমাণ ৫৬৫৩০ একর এবং অনাবাদী জমি ২২৯১১ একর। মোট বনাঞ্চল ১১২০০ একর।

বিভিন্ন বেসরকারি অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বর্তমানে এই দ্বীপের মোট জনসংখ্যা প্রায় চার লাখ।[২][২১] ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এই দ্বীপের জনসংখ্যা ৩৩৪৪২০ জন। পুরুষ ১৬৭১৮০ জন ও মহিলা ১৬৭২৪০ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বঃ কিমি তে ৪৩৯ জন।

সন্দ্বীপ পৌরসভার আয়তন প্রায় ৩০.৩ বর্গ কিঃ মিঃ। জনসংখ্যা প্রায় ৪২,৮৪২ জন।[২২] সন্দ্বীপ ও দেশের মুল ভুখন্ডের মধ্যে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হল নৌপথ। দ্বীপ থেকে মূল ভুখন্ডে যাতায়াতের জন্য রয়েছে বি.আই.ডব্লিউ.টি সি. এর ২টি ষ্টীমার ঘাট এবং ৫টি জেলা পরিষদ ফেরীঘাট।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

সন্দ্বীপে শিক্ষার হার ৪৬.৭২%। এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা:

  • উচ্চ বিদ্যালয় - ২৮টি;
  • কলেজ - ০৫টি;
  • মাদ্রাসা - ২৩৯টি;
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় - ১৫০টি;
  • এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয় - ০৫টি;
  • কমিউনিটি বিদ্যালয় - ০১টি।
    [২৩]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধানত কৃষি, মৎস্য চাষ ও আহরন । প্রধান ফসল ধান । এ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত প্রভৃতি স্থান হতে পাঠানো রেমিটেন্স।

প্রাকৃতিক দূর্যোগ[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের ঘূর্নিঝড়ে সন্দ্বীপে নিহত কিছু মানুষ

সমূদ্রবেষ্টিত দ্বীপ এলাকা হওয়ায় সন্দ্বীপ প্রায়শই ঘূর্নিঝড়, টর্ণেডো, জলোচ্ছ্বাস ঢল ইত্যাদি প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখোমুখি হয়। এসব প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে সন্দ্বীপে প্রায় প্রতি বছরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। শত শত বছর ধরে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সন্দ্বীপে আঘাত হেনেছে। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে এসকল ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ থেকে দেখা যায়- ১৪৮৪, ১৫৮৪, ১৭৭৬, ১৭৯৮, ১৮২২, ১৮২৫, ১৮৩২, ১৮৩৫, ১৮৫৫, ১৮৬৪, ১৮৬৭, ১৮৬৯, ১৮৭০, ১৮৭৬, ১৮৯৩, ১৮৯৫, ১৯০৪, ১৯০৫, ১৯১০, ১৯১৯, ১৯৪০, ১৯৪১, ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬০, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৬৬, ১৯৭০, ১৯৮৫, এবং ১৯৯১ সালে সন্দ্বীপে বড় মাত্রার ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।

অসংখ্য প্রাকৃতিক দূর্যোগের মাঝে ১৮২৫, ১৮৭৬, ১৯৮৫ এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সন্দ্বীপের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি সাধিত হয়। স্মরনকালের ভয়াবহতম ঘূর্নিঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়টি ২৯শে এপ্রিল সন্দ্বীপসহ উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। সন্দ্বীপের ওপর দিয়ে এ ঝড়টি ঘন্টায় প্রায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে আক্রমণ করে। এই ঘূর্নিঝড়ে সন্দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলের কমপক্ষে ৬০ হাজার এবং ঝড়ের পড়ে অনাহারে ও মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া রোগে আরো প্রায় ২০-৩০ হাজার লোক প্রাণ হারায়।[২৪]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে সন্দ্বীপ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৫ 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ ২.৪ ২.৫ "Sandwip Island"। Ebbd.info। সংগৃহীত ২০১২-১১-০৭ 
  3. ৩.০ ৩.১ History of Sandwip, Sri Rajkumar Chakrabarty & Sri Anangamohan Das, 1924 p. 9
  4. History of Backergunge, Beveridge. P-35
  5. History of Sandwip, Sri Rajkumar Chakrabarty & Sri Anangamohan Das, 1924 p. 8
  6. Noakhali District Gazetteers, 1911 p. 14
  7. ৭.০ ৭.১ ৭.২ :: Dainik Destiny :: সাগরে কি হারিয়ে যাবে সন্দ্বীপ
  8. Purchas p. 313
  9. Noakhali District Gazetteers, 1911 p. 38
  10. A Statistical Account of Bengal, Hunter p. 318
  11. Sandwip Island
  12. Protapaditya p. 450
  13. History of Bengal, Stewart
  14. History of Sandwip p. 37
  15. A Statistical Account of Bengal, Hunter p. 248
  16. Letter of Cook, April 20, 1882
  17. History of Backergunge, Beveridge p. 35
  18. http://timenewsbd.com/literature/2013/05/25/2265
  19. http://www.kaliokalam.com/2012/05/27/একনজরে-বাংলাদেশে-নজরুল/
  20. http://www.britannica.com/EBchecked/topic/522270/Sandwip-Island
  21. কালের কন্ঠ
  22. http://www.sandwippourashava.com/Bangla/profile.html
  23. সন্দ্বীপ
  24. The Yellow page of Sandwip - প্রাকৃতিক দূর্যোগ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]