দিনাজপুর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দিনাজপুর
জেলা
বাংলাদেশে দিনাজপুর জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে দিনাজপুর জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৩৭′৪৮″ উত্তর ৮৮°৩৯′০″ পূর্ব / ২৫.৬৩০০০° উত্তর ৮৮.৬৫০০০° পূর্ব / 25.63000; 88.65000স্থানাঙ্ক: ২৫°৩৭′৪৮″ উত্তর ৮৮°৩৯′০″ পূর্ব / ২৫.৬৩০০০° উত্তর ৮৮.৬৫০০০° পূর্ব / 25.63000; 88.65000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
প্রতিষ্ঠা১৭৮৬
সংসদীয় আসন৬টি
আয়তন
 • মোট৩৪৪৪.৩০ কিমি (১৩২৯.৮৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৩১,০৯,৬২৮
 • জনঘনত্ব৯০০/কিমি (২৩০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৮৫.৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড০৫৩১ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ২৭
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

দিনাজপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ জেলা। দিনাজপুর জেলা উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলার মধ্যে বৃহত্তম। এই অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে ভারতীয় প্লেটের অংশ যা আদি জুরাসিক যুগে সৃষ্টি হওয়া গন্ডোয়ানাল্যান্ডের অংশ ছিল।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠাকাল[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলা ১৭৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

নামকরণ[সম্পাদনা]

জনশ্রুতি আছে, জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর নামানুসারেই রাজবাড়িতে অবস্থিত মৌজার নাম হয় "দিনাজপুর"। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকরা ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে "দিনাজপুর"।

প্রাচীন যুগ[সম্পাদনা]

দিনাজপুর একসময়ে পুণ্ড্রবর্ধনের অংশ ছিল। লক্ষ্ণৌতির রাজধানী দেবকোটের অবস্থান ছিল দিনাজপুর সদরের ১১ মাইল দক্ষিনে।

সম্প্রতি ঘোড়াঘাট উপজেলার সুর মসজিদের পাশের পুকুর থেকে গুপ্ত যুগের একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ শাসন[সম্পাদনা]

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি গ্রহণের ফলে দিনাজপুর জেলা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিয়ন্ত্রণভুক্ত হয়। ১৭৭২ সালে দিনাজপুরে একজন ইংরেজ কালেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই সময় এই অঞ্চলের অরাজকতার কুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। ১৭৮৬ সালে এখানে ইংরেজ শাসকদের “The British Administrative Control” গঠিত হয়। সেই সময় লক্ষ্ণৌতি, বাজিন্নাতাবাদ, তেজপুর, পানজারা, ঘোড়াঘাট, বারবকাবাদ ও বাজুহা, এই ছয়টি সরকারের অংশ নিয়ে দিনাজপুর জেলা (তখনকার ঘোড়াঘাট জেলা) গঠিত হয়। দিনাজপুর সদরে জেলা সদর গঠিত হয়।[২] ১৭৮৬ সালে ম্যারিয়ট নামে একজনকে কালেকটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর পর রেড ফার্ণ ও ভ্যানসিটার্ট অল্প সময়ের জন্য দিনাজপুরের কালেকটর নিযুক্ত হন। পরবর্তী কালেকটর হ্যাচ জেলার বিচারের কাজেও নিযুক্ত হন। সেই সময় জেলা প্রশাসনের সীমানা মালদা ও বগুড়ার দিকে অগ্রসর হয়। আঠারো শতকের শেষ দিকে দিনাজপুরে নীল চাষ শুরু হয়।

দিনাজপুর ছিল অবিভক্ত বাংলার সর্ববৃহৎ জেলা। বগুড়া, মালদা, রাজশাহী, রংপুরপূর্ণিয়া জেলার বেশকিছু অংশ তখন দিনাজপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৫৭-৬১ সালের জরিপ অনুসারে দিনাজপুর জেলার আয়তন ছিল ৪,৫৮৬ বর্গমাইল (১১,৮৮০ কিমি)। প্রশাসনিক ও আইন প্রয়োগের সুবিধার্থে ১৭৯৫ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে জেলার একটি বিশাল অংশ রাজশাহী, রংপুরপূর্ণিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৮৩৩ সালে আবার বেশ কিছু এলাকা বগুড়ামালদায় চলে যায়। পরবর্তীতে ১৮৬৪-৬৫, ১৮৬৮১৮৭০ সালে আরো এলাকা মালদা ও বগুড়া জেলার অধীনে স্থানান্তর করা হয়। সবশেষে ১৮৯৭-৯৮ সালে সম্পূর্ণ মহাদেবপুর থানাকে রাজশাহীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই সময় শুধু ঠাকুরগাঁও উপবিভাগ ব্যতীত সম্পূর্ণ দিনাজপুর জেলা কালেকটরের অধীনে শাসিত হতো।

১৮৫৬ সালে দিনাজপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলার প্রথম দিককার ৪০টি পৌরসভার মধ্যে এটি অন্যতম। শুরুতে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টাউন কমিটি পৌরসভা শাসন করত। পরবর্তীতে ১৮৬৮ সালে 'জেলা শহর আইন'-এ ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের বদলে একজন চেয়ারম্যান নিযুক্ত করার বিধান রাখা হয় এবং চেয়ারম্যানকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের সমমর্যাদায় আসীন করা হয়। ১৮৬৯ সালে প্যাটারসন নামক একজনকে দিনাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়।[৩]

১৯৪৬-৪৭ সালের তেভাগা আন্দোলনে দিনাজপুর জেলার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

সাম্প্রতিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময়ে দিনাজপুরের একটি বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গে চলে যায় এবং তার নাম হয় পশ্চিম দিনাজপুর জেলা। ১৯৮৪ সালে দিনাজপুরের দুটি মহকুমা ঠাকুরগাঁওপঞ্চগড় পৃথক জেলায় পরিণত হয়।[৪]

মুক্তিযুদ্ধে অবদান[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দিনাজপুর ৭ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। ২৯ মার্চ ফুলবাড়ী উপজেলার দিনাজপুর রোডে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর কয়েকটি গাড়ি, গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্রসহ বহু রসদপত্র দখল করে। ৮ এপ্রিল পার্বতীপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, বাগবাড়ী ও পেয়াদাপাড়ায় পাকবাহিনী প্রায় ৩০০ লোককে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। ১৯ এপ্রিল পাকবাহিনী হাকিমপুর উপজেলার হিলি আক্রমণ করে। হাকিমপুর ছাতনীতে পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। বিরামপুর উপজেলার কেটরা হাটে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকবাহিনীর লড়াইয়ে ৭ জন পাকসেনা নিহত এবং ১৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ২০ জুলাই পাকসেনারা নবাবগঞ্জ উপজেলার খয়েরগনি গ্রামে ২১ জন নিরীহ লোককে নির্মমভাবে হত্যা করে। তারা ১০ অক্টোবর নবাবগঞ্জ উপজেলার চড়ারহাটে ১৫৭ জন নিরীহ লোককে হত্যা করে। ১৩ নভেম্বর পাকবাহিনী বিরল উপজেলার বিজোড় ইউনিয়নের বহলায় ৩৭ জন নিরীহ লোককে হত্যা করে। ২১ নভেম্বর-১১ ডিসেম্বর হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে প্রায় ৩৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বীরগঞ্জ উপজেলার ভাতগাঁও ব্রিজের পূর্বপাড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে প্রায় ৫০ জন পাকসেনা নিহত হয় এবং পাকবাহিনীর দুটি ট্যাংক ধ্বংস হয়। লড়াইয়ে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৪ ডিসেম্বর সাধারন জনগণ বিরামপুর উপজেলার বেপারীটোলায় একটি জীপ আক্রমণ করে কয়েকজন পাকসেনাকে হত্যা করে। ১৫ ডিসেম্বর বগুলাখারীতে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এছাড়াও বিরল উপজেলার বহবল দীঘিতে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে প্রায় ১০০ জন পাকসেনা নিহত হয়। কাহারোল উপজেলায় পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ১০ জন পাকসেনা ও ৭ জন নিরীহ বাঙালি নিহত হয়।[৪]

মুক্তিযুদ্ধের পর দিনাজপুরে ৪টি বধ্যভূমি ও ৭টি গণকবর আবিষ্কৃত হয়। শহীদদের স্মরণে দিনাজপুর জেলায় মোট ৫টি স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে।[৪]

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলার উত্তরে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়নীলফামারী জেলা, দক্ষিণে জয়পুরহাট জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে রংপুর ও নীলফামারী জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরদক্ষিণ দিনাজপুর জেলাদ্বয় অবস্থিত। এই জেলার মোট আয়তন প্রায় ৩৪৩৮ বর্গ কিলোমিটার।

দিনাজপুর রেলওয়ে ব্রিজ

প্রশাসন[সম্পাদনা]

দিনাজপুরে ডেপুটি কমিশনার (DC) হিসাবে নিযুক্ত আছেন আবু নাইম মুহাম্মাদ আব্দুস সাবুর [৫] এবং জেলা পরিষদের প্রধান হলেন আজিজুল ইমাম চৌধুরী।[৬]

উপজেলা ভিত্তিক আয়তন[সম্পাদনা]

আয়তন অনুযায়ী দিনাজপুরের উপজেলাসমূহ

  বিরামপুর (৬.৩২%)
  দিনাজপুর সদর (১০.৫৭%)
  খানসামা (৫.৩৫%)
  ফুলবাড়ী (৬.৮৪%)
  বোচাগঞ্জ (৬.৭%)
  বীরগঞ্জ (১২.৩১%)
  চিরিরবন্দর (৯.৩২%)
  ঘোড়াঘাট (১.৭১%)
  হাকিমপুর (২.৯৭%)
  নবাবগঞ্জ (৯.৪৬%)
  পার্বতীপুর (১১.৭৬%)
  বিরল (১০.৫৭%)

দিনাজপুর জেলায় মোট ১৩টি উপজেলা ও ৮টি পৌরসভা আছে।

উপজেলা[সম্পাদনা]

এর মধ্যে আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় হলো বীরগঞ্জ উপজেলা (৪১৩ বর্গ কিমি; প্রায় ১২.০১% স্থান নিয়ে) এবং সবচেয়ে ছোট হলো হাকিমপুর উপজেলা (৯৯.৯২ বর্গ কিমি)।[৪]

পৌরসভা[সম্পাদনা]

এছাড়াও দিনাজপুর জেলায় মোট ১০১টি ইউনিয়ন ও প্রায় ২১৪২টি গ্রাম রয়েছে।

জনসংখ্যা উপাত্ত[সম্পাদনা]

ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী দিনাজপুরের জনসংখ্যা
ধর্ম শতাংশ
ইসলাম
  
৭৭.৮৪%
হিন্দুধর্ম
  
১৯.৭৪১৫%
খ্রিষ্টধর্ম
  
০.০৪১৩%
বৌদ্ধধর্ম
  
১.০৬১২%
অন্যান্য
  
১.৩১৬%

দিনাজপুর জেলার জনসংখ্যা ২৬,৪২,৮৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩,৬৩,৮৯২ জন ও মহিলা ১২,৭৮,৯৫৮ জন। দিনাজপুর জেলায় ২০,৫৭,০৩০ জন মুসলিম, ৫,২১,৯২৫ জন হিন্দু, ২৭,৯৯৬ জন বৌদ্ধ, ১,০৯৩ জন খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মের প্রায় ৩৪,৮০৬ জন লোক বাস করে।[৪] দিনাজপুর জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%। নারী ও পুরুষের অনুপাত ১:১.০২।

দিনাজপুর জেলায় সাঁওতাল, ওঁরাও, মাহলী, মালপাহাড়ী, কোল প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।[৪]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলার শিক্ষার গড় হার ৪৫.৭%। পুরুষদের মধ্যে এই হার ৫১% এবং মহিলাদের মধ্যে ৪০%। দিনাজপুরে ১৭১৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১টি কমিউনিটি বিদ্যালয়, ২৯টি এনজিও স্কুল, ১০টি কিন্ডারগার্টেন, ৩৫১টি মাদ্রাসা, ৬১৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১১৮টি কলেজ, ১টি টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, ১ টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ১টি ভেটেরিনারি কলেজ ১০টি ভোকেশনাল ও অন্যান্য কেন্দ্র এবং ১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।[৪]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথ
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ
দিনাজপুর নার্সিং কলেজ
  • বিশ্ববিদ্যালয়:
  • মেডিকেল ও নার্সিং কলেজ
  • কলেজ:
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়:
    • উইলিয়াম কেরী নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল (১৭৯৯),
    • দিনাজপুর জিলা স্কুল (১৮৫৪),
    • দিনাজপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৬৯),
    • জুবিলি হাইস্কুল (১৮৮৭),
    • মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৩),
    • রাজারামপুর এসইউ উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৩),
    • মোল্লাপাড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৩),
    • পার্বতীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৪),
    • রুদ্রানী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৫),
    • সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৯),
    • ফুলবাড়ী জিএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২০),
    • পলাশবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২১),
    • জ্ঞানাঙ্কুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৫),
    • সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৭),
    • দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩০),
    • একইর মঙ্গলপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩০),
    • কাহারোল উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪০),
    • হাবড়া উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪২),
    • রানীগঞ্জ দ্বিমুখি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৫),
    • নুরুলহুদা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫১),
    • নিউ পাকেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৯),
    • বীরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬২),
    • আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট, বিরামপুর (১৯৯৪);
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়:
    • মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৪২),
    • শিয়ালা প্রাথমিক বিদ্যালয়;
  • মাদ্রাসা:
    • জুড়াই ফাজিল মাদ্রাসা (১৯৫২),
    • ভবানীপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা (১৯৭২)
    • বিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসা।

সাক্ষরতার আন্দোলন[সম্পাদনা]

দিনাজপুরে আলোর দিশারী নামে একটি সাক্ষরতার আন্দোলন চালু আছে।

আবহাওয়া ও জলবায়ু[সম্পাদনা]

দিনাজপুরের জলবায়ু ক্রান্তীয় আর্দ্র ও উষ্ণভাবাপন্ন। জলবায়ুতে মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্ট। দিনাজপুর তীব্র শীতের জন্য পরিচিত হলেও, গ্রীষ্মকালে গরমের তীব্রতা অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। দিনাজপুরের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৫° সেলসিয়াস। মাসিক গড় তাপমাত্রা জানুয়ারিতে ১৮° সেলসিয়াস থেকে আগস্টে ২৯° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। বার্ষিক বৃষ্টিপাত গড়ে ২,৫৩৬ মিলিমিটার।

দিনাজপুর-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ২৪
(৭৬)
২৭
(৮০)
৩১
(৮৭)
৩২
(৮৯)
৩৩
(৯১)
৩১
(৮৮)
৩২
(৯০)
৩১
(৮৮)
৩১
(৮৭)
৩১
(৮৭)
২৮
(৮৩)
২৫
(৭৭)
২৯
(৮৫)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ১৪
(৫৮)
১৭
(৬৩)
২২
(৭২)
২৫
(৭৭)
২৬
(৭৯)
২৭
(৮১)
২৭
(৮১)
২৭
(৮১)
২৭
(৮০)
২৫
(৭৭)
২১
(৬৯)
১৬
(৬১)
২৩
(৭৩)
গড় অধঃক্ষেপণ মিমি (ইঞ্চি) ১০
(০٫৩)
২০
(০٫৮)
৬০
(২٫৩)
১২০
(৪٫৬)
২৭০
(১০٫৫)
৩৬০
(১৪٫১)
৪০০
(১৫٫৭)
৩২০
(১২٫৫)
২৬০
(১০٫১)
১৬০
(৬٫৪)
৩০
(১٫২)
১০
(০٫২)
১,৯৮০
(৭৭٫৯)
[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

দিনাজপুর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হলেও অনেক নদী ও পানি সম্পদের অধিকারী। চাষাবাদের জন্য দিনাজপুরের মোহনপুরে ছোট যমুনা নদীতে রাবার ড্যাম দেওয়া হয়েছে।

চিরিরবন্দরের কাছে রেলসেতু থেকে তোলা কাঁকড়া নদীর দৃশ্য।
ছোট যমুনা নদী
মোহনপুর রাবার ড্যাম

দিনাজপুর জেলা দিয়ে ২৬টিরও বেশি নদী প্রবাহিত হয়েছে।[৭] নদীগুলো হচ্ছে-

এছাড়াও দিনাজপুরে আরো অনেক নাম না জানা ছোট নদী আছে।

প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জাদুঘর দিনাজপুরের মহারাজার বিভিন্ন নিদর্শনের স্মারকবাহী একটি জাদুঘর। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাচীন নিদর্শনের সংগ্রহশালা। এছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিক জায়গাগুলো হল-

লোকসংস্কৃতি[সম্পাদনা]

লোকসংগীত[সম্পাদনা]

দিনাজপুরে মূলত ভাওয়াইয়া, কীর্তন, পাঁচালি, মেয়েলি গীত, গোরক্ষনাথের গান, চড়কের গান, বাউল গান, প্রবাদ-প্রবচন, ছড়া, ছিলকা, হেয়ালি, ধাঁধা, জারিগান উল্লেখযোগ্যভাবে পরিচিত।

পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

  • দৈনিক: উত্তরা, প্রতিদিন, উত্তর বাংলা, তিস্তা, জনমত, উত্তরবঙ্গ, আজকের প্রতিভা, অন্তর কণ্ঠ, উত্তরাঞ্চল, সীমান্ত বার্তা, পত্রালাপ;
  • সাপ্তাহিক: অতঃপর, আজকের বার্তা;
  • মাসিক: নওরোজ (অবলুপ্ত)।

ক্রীড়াঅঙ্গন[সম্পাদনা]

দিনাজপুরে ক্রিকেট খেলা বেশি জনপ্রিয়। বিভিন্ন খেলার আয়োজনের জন্য শহরে একটি স্টেডিয়াম আছে যা দিনাজপুর স্টেডিয়াম নামে পরিচিত। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এর খেলোয়াড় লিটন দাস দিনাজপুরে জন্মগ্রহন করেছেন। আঞ্চলিকভাবে হা-ডু-ডু, গোল্লাছুট, বউ ছি, লুকোচুরি খেলা হয়।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

দিনাজপুর একটি কৃষিনির্ভর জেলা। জেলার অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলো কৃষি।

দিনাজপুরে আলু চাষ

জনগোষ্ঠীর মোট আয়ের ৬৩.৯০% আসে কৃষিখাত থেকে। দিনাজপুর জেলার মোট আয়ের ৬.২৯% ও ৩.৯০% আসে যথাক্রমে অকৃষি শ্রমিক ও শিল্পখাত থেকে। কৃষি ও শিল্প ছাড়াও অন্যান্য খাতের আয়- ব্যবসা ১২.৮৯%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৩.৩৫%, চাকরি ৬.৫৮%, নির্মাণ ৩.৩৭%, ধর্মীয় সেবা ০.১৭%, রেন্ট ও রেমিটেন্স ০.২৩% এবং অন্যান্য ৫.৩২%।

কৃষি[সম্পাদনা]

দিনাজপুরের মাটি লিচু উৎপাদনের জন্য খুবই উপযুক্ত। লিচু ছাড়াও দিনাজপুর জেলা ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও কালিজিরা ধান দেশে-বিদেশে সমাদৃত। দিনাজপুরকে নিয়ে একটি বাংলা প্রবাদ রয়েছে-

 গোলা ভরা ধান
গোয়াল ভরা গরু
পুকুর ভরা মাছ

দিনাজপুরের প্রধান শস্য হলো ধান। সমগ্র বাংলাদেশের চালের চাহিদার একটি বড় অংশ আসে দিনাজপুর থেকে। এছাড়াও দিনাজপুরে প্রচুর গম, ভুট্টা, আলু, বেগুনটমেটো-ও উৎপাদিত হয়। ফলের মধ্যে লিচু, আম, কলা, কাঁঠালজাম উৎপাদিত হয়। দিনাজপুরের আম ও লিচু উৎকৃষ্ট মানের। এছাড়া দিনাজপুর জেলার মাশিমপুরের বেদেনা লিচু বিশ্ববিখ্যাত। বর্তমানে এ লিচু বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

শিল্প ও বাণিজ্য[সম্পাদনা]

অর্থনীতির প্রধান উৎস কৃষি হওয়ায় দিনাজপুর জেলায় গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলোর অধিকাংশই কৃষিভিত্তিক। দিনাজপুর জেলার শিল্পকারখানার মধ্যে সেতাবগঞ্জ চিনি কল লিমিটেড, দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড অন্যতম। ধান দিনাজপুরের প্রধান শস্য হওয়ায় এখানে প্রায় ১০০টির মতো স্বয়ংক্রিয়, আধা-স্বয়ংক্রিয় চালকল ও অসংখ্য চাতাল-নির্ভর (হাস্কিং) চালকল রয়েছে। এছাড়া বিরলে একটি পাটকল রয়েছে। বিরামপুর উপজেলায় স্থাপন করা হয়েছিল বাংলাদেশের সর্বপ্রথম তেল শোধনাগার। বর্তমানে তা অব্যবহৃত অবস্থায় আছে।

খনিজ সম্পদ[সম্পাদনা]

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি

প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে দিনাজপুরে রয়েছে পিট-কয়লার খনি। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাখনির মধ্যে তিনটির অবস্থান দিনাজপুরে- বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ীদিঘীপাড়া। বর্তমানে শুধু বড়পুকুরিয়ায় মাটির নিচ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫০০ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। ২০০৬ সালে ফুলবাড়ীতে কয়লাখনি স্থাপনের কাজ স্থানীয়দের বাঁধার মুখে বন্ধ হয়ে যায়।[৮] বড়পুকুরিয়ায় উৎপাদিত কয়লা ব্যবহার করে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। সাম্প্রতিককালে হাকিমপুরে লৌহ খনি আবিষ্কৃত হয়েছে। হাকিমপুরের ইসবপুর গ্রামে প্রায় ছয় বছর ধরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরে ২০১৯ সালে এটি আবিষ্কার করা হয়। খনিতে লোহার পাশাপাশি ক্রোমিয়াম, নিকেল উপস্থিতি সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। এমনকি খনিটিতে স্বর্ণও পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

নয়াবাদ মসজিদ
কান্তজীর মন্দির
দিনাজপুর রাজবাড়ী
রামসাগর
Nawabgonj Jatio Uddan Road 20190605 130653.jpg
স্বপ্নপুরী পার্কের প্রধান ফটক.jpg

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

দিনাজপুরে মহাসড়ক দিনাজপুর রাজধানী ঢাকা থেকে ৪১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার সাথে সড়ক ও রেলপথে দিনাজপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো।

রেল যোগাযোগ[সম্পাদনা]

ঢাকাগামী ট্রেনের মাধ্যমে খুব সহজেই দিনাজপুর সদর সহ নানা উপজেলায় যাওয়া যায়। দিনাজপুরের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশনগুলো হল-

  1. দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন
  2. বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশন
  3. ফুলবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন
  4. পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশন
  5. হিলি রেলওয়ে স্টেশন
  6. চিরিবন্দর রেলওয়ে স্টেশন
  7. ডাঙাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন
  8. সেতাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন
  9. মঙ্গলপুর রেলওয়ে স্টেশন
  10. কাঞ্চন রেলওয়ে স্টেশন
  11. কাউগাঁ রেলওয়ে স্টেশন
Chiribandar Railway Station.JPG
Dinajpur Ral-station.jpg
Kanchan Junction Railway Station.JPG
Kaogaon Railway Station.JPG
Mangolpur Railway Station.JPG

ঢাকাগামী আন্তঃনগর দ্রুতযান এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেসনীলসাগর এক্সপ্রেস দিনাজপুর দিয়ে যাতায়াত করে। এছাড়া পঞ্চগড় এক্সপ্রেস দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়।

সড়কব্যবস্থা[সম্পাদনা]

দিনাজপুরের সড়ক

ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের মাধ্যমে দিনাজপুর ও এর সকল উপজেলা রাজধানী ঢাকা ও সারা দেশের সাথে যুক্ত হয়েছে। এন৫০৮ দিনাজপুরের মহাসড়ক কোড।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

ভারতীয় উপমহাদেশ অর্থাৎ দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় দিনাজপুরের গোরে-শাহ ঈদগাহ ময়দানে। বর্তমানে এটি দিনাজপুর ঈদগাহ ময়দান নামে সারা দেশে আলোচিত। এখানে একসাথে ৫ লক্ষাধিক মুসল্লি একসাথে সালাত আদায় করে। এছাড়াও এখানে নিম্নোক্ত ধর্মালয় বিদ্যমান-

যদিও বা দিনাজপুরের ইসলাম মতাদর্শী বেশি তবুও দিনাজপুরে সকল ধর্মালম্বী অসাম্প্রদায়িক একটি পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে। হিন্দু কিংবা সাঁওতাল প্রতেক জাতির নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে।

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

হাজী মোহাম্মদ দানেশ
খালেদা জিয়া
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
নিতুন কুন্ডু
লিটন দাস

চিত্র সংকলন[সম্পাদনা]

নয়াবাদ মসজিদ
রেলওয়ে ব্রিজ
রাজবাড়ী মন্দির
দিনাজপুরের আমবাগান
কান্তজীও মন্দির
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন
কালিয়া জিউ মন্দির
Dinajpur KantanagarMondir 11Oct12 IMG 3579.jpg
Kantajew Temple কর্ণ দৃষ্টি.jpg
কান্তজীউ মন্দির 3.jpg
Ancient Temple (Kaharole Upazila) 03.jpg
Sitakot Bihara 1.jpg

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে দিনাজপুর জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৪ 
  2. ধনঞ্জয় রায়, দিনাজপুর-মালদহের মিশনারি যুগ, বরেন্দ্র সাহিত্য পরিষদ, মালদহ, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪, পৃষ্ঠা ১-২
  3. মেহরাব আলী, "দিনাজপুর পৌরসভার ইতিহাস", www.dinajpurmunicipality.com
  4. "দিনাজপুর জেলা"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্বকোষবাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। ১২ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  5. "New DCs in 22 districts"New Age। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  6. "AL men appointed administrators"The Daily Star। ১৬ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  7. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০৪।
  8. আরিফুর রহমান; সানজিদা মোর্শেদ (২০১২)। "কয়লা"বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (দ্বিতীয় সংস্করণ)। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি 

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • Hunter, Sir William Wilson (১৮৭৬), A Statistical Account of Bengal, Volume 7, Trübner & Company 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]