পঞ্চগড় জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পঞ্চগড় জেলা
জেলা
বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°১৫′উত্তর ৮৮°৩০′পূর্ব / ২৬.২৫° উত্তর ৮৮.৫০° পূর্ব / 26.25; 88.50স্থানাঙ্ক: ২৬°১৫′উত্তর ৮৮°৩০′পূর্ব / ২৬.২৫° উত্তর ৮৮.৫০° পূর্ব / 26.25; 88.50
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ রংপুর বিভাগ
আয়তন
 • মোট ১৪০৪.৬৩ কিমি (৫৪২.৩৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১০,২৬,১৪১
 • ঘনত্ব ৭৩০/কিমি (১৯০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫১.০৮%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট


পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

পঞ্চগড় জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে ঠাকুরগাঁওদিনাজপুর জেলা, পূর্বে নীলফামারী জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।[২] ২৬ডিগ্রি ২০মিনিট উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮ ডিগ্রি ৩৪ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত পঞ্চগড় "জেলা" হিসেবে নবগঠিত ও আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও এর পারিপার্শ্বিক ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালে স্যার সিরিল রেডক্লিফ কর্তৃক নির্দেশিত এই জেলার সীমান্ত রেখা অত্যন্ত আঁকাবাঁকা ও ভঙ্গুর। পঞ্চগড় জেলার তিনদিকেই ভারতীয় সীমান্ত। জেলার প্রায় ১৮০মাইল বা ২৮৮কিঃমিঃ এলাকাইয় সীমানা বেষ্টনি দিয়ে রেখেছে ভারত।[২]

জেলার মোট আয়তন ১,৪০৪.৬৩ কিঃমিঃ বা ৫৪২.৩৩ বর্গমাইল।[৩]

জনপদের নামকরণ[সম্পাদনা]

বহু আর্বতন ও বিবর্তনের মধ্যদিয়ে পঞ্চগড় জেলার অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। পঞ্চগড় নামকরনেও রয়েছে এক ঐতিহ্যপূর্ণ ইতিহাস। পঞ্চগড় নামকরণ সমন্ধে কেউ কেউ মনে করে থাকেন যে, এ অঞ্চলটি অতি প্রাচীনকালে ‘পুন্ডুনগর রাজ্যের অর্ন্তগত ‘পঞ্চনগরী’ নামে একটি অঞ্চল ছিল। কালক্রমে পঞ্চনগরী ‘পঞ্চগড়’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। ‘পঞ্চ’ (পাঁচ) গড়ের সমাহার ‘পঞ্চগড়’ নামটির অপভ্রাংশ ‘পঞ্চগড়’ দীর্ঘকাল এই জনপদে প্রচলিত ছিল। কিন্তু এই অঞ্চলের নাম যে, পঞ্চগড়ই ছিল সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকতে পারে না। বস্ত্ততঃ ভারতীয় উপমহাদেশে ‘পঞ্চ’ শব্দটি বিভিন্ন স্থানের নামের সাথে যুক্ত হয়েছে। যেমন- পঞ্চনদ, পঞ্চবটি, পঞ্চনগরী পঞ্চগৌড় ইত্যাদি। সুতরাং পঞ্চগৌড়ের একটি অংশ হিসেবে প্রাকৃত ভাষার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পঞ্চগড়ের নামকরনের সম্ভাবনা থকে যায়। অর্থ্যাৎ পঞ্চগৌড় > পঞ্চগোড়>পঞ্চগড়। অবশ্য বহুল প্রচলিত বিষয় মতে এই অঞ্চলের পাঁচটি গড়ের সুস্পষ্ট অবস্থানের কারণেই পঞ্চগড় নামটির উৎপত্তি।[৪] গড়গুলো হল 

i.           ভিতরগড়

ii.           মিরগড়

iii.           রাজনগড়

iv.           হোসেনগড়

v.           দেবনগড়

আবার কিছুটা ভিন্ন মতে ‘পঞ্চ’ শব্দের অর্থ 'পাঁচ', আর ‘গড়’ শব্দের অর্থ 'বন বা জঙ্গল'।সেই সূত্র মতে পাঁচটি গড়ের সমষ্টি হওয়ার কারণে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে পঞ্চগড়।এটা বিশ্বাস করা কঠিন হলেও সত্যি যে, দেশ ভাগ হবার আগ পর্যন্তও এই অঞ্চলটি ছিল জনমানুষ বিরল একটি বড় বন-জঙ্গল পূর্ণ এলাকা। সে জঙ্গলে বন্য হাতী, অসংখ্যা প্রাজাতির পাখিসহ বিভিন্ন বন্যপ্রানীর বাঘ পর্যন্ত ছিল।তবে মানুষের সংখ্যা বারার সাথে সাথে পরিবর্তনও এসেছে অনেক দ্রুত। এখণকার দিনে ওই ধরনের বন্যভুমি দেখতে পাওয়া একেবারেই বাহুল্য বলা যায়।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

ইতিহাস ও ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

পঞ্চগড় একটি প্রাচীন জনপদ। প্রাচীন ও মধ্য যুগে এই ভূখন্ডের পাশেই ছিল মগধ, মিথিলা, গৌর, নেপাল, ভূটান, সিকিম ও আসাম রাজ্যের সীমান্ত। আধুনিককালের মত অতীত কালেও জনপদটি ছিল সীমান্ত অঞ্চল। এই ভূখন্ডটি পর্যায়ক্রমে শাসিত হয়েছে প্রাগ- জ্যোতিষ, কামরূপ, কামতা, কুচবিহার ও গৌর রাজ্যের রাজা, বাদশা, সুবাদার এবং বৈকুন্ঠপুর অঙ্গ- রাজ্যের দেশীয় রাজা ও ভূ-স্বামীদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে। খ্রীস্টীয় ২য়, ৩য় শতকের মধ্যে রাজা ‘শালিবাহন’ রাজা ‘পৃথু’ এবং রাজা ‘জল্লেশ’ পঞ্চগড়ের শালবাহান ও ভিতরগড় এলাকায় রাজ্য, নগর ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তুলেছিলেন। মৌর্য, গুপ্ত ও পাল (দেবপাল ধর্মপাল) রাজন্যবর্গও এই অঞ্চল শাসন করেছিলেন।

মধ্যযুগের শুরুতেই প্রথম মুসলিম বঙ্গবিজীয় সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন খলজি তাঁর বহু বিতর্কিত তিববত অভিযানের এক পর্যায়ে পঞ্চগড় জনপদের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হয়েছিলেন বলে জানা যায়। সুলতান হোসেন শাহ এবং কামতার রাজা নীলধ্বজ তেঁতুলিয়া থানার দেবনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে কোন কোন ঐতিহাসিক মত প্রকাশ করেন। সুলতান জালাল উদ্দিন ফাতেশাহ, সুলতান বারবক শাহ, শেরশাহ, খুররম খাঁ (শাহজাহান), মীরজুমলা, সুবাদার ইব্রাহীম খাঁ ফতে জঙ্গ এবং অন্ত মধ্যযুগে দেবী চৌধুরাণী, ভবানী পাঠক, ফকির মজনুশাহ প্রভৃতি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পঞ্চগড় জনপদের নাম ও স্মৃতি নিবিড়ভাবে জড়িত। ষোড়শ শতকে কুচবিহার রাজ্য গঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পঞ্চগড় অঞ্চল মূলত কোচ রাজন্যবর্গের দ্বারাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শাসিত হয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পঞ্চগড় থানাটি দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমার অর্ন্তভূক্ত হয়। ১৯৮০ সালে ১লা জানুয়ারী ঠাকুরগাঁও মহকুমার ৫টি থানা তেতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী, বোদা ও দেবীগঞ্জ নিয়ে পঞ্চগড় মহকুমা সৃষ্টি হয়। মহকুমার সদর দপ্তর পঞ্চগড় থানায় স্থাপিত হয়। প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব সৈয়দ আব্দুর রশিদ (০১-০১-১৯৮০ থেকে ৩১-১২-১৯৮২)। ১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী পঞ্চগড় মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়। পঞ্চগড় জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব আ.স.ম. আব্দুল হালিম (০১-০২-১৯৮৪ থেকে ১৬-০৬-১৯৮৫)।[৫]

মুক্তিযুদ্ধের ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতিসত্ত্বার সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায়।সীমান্ত পরিবেষ্টিত ও ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় জুড়ে সংঘটিত হয়েছে ব্যাপক যুদ্ধ।দেশের মোট ০৪টি  মুক্তাঞ্চলের মধ্যে পঞ্চগড় জেলায় রয়েছে একটি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় এ মুক্তাঞ্চলটি যুদ্ধের গতি প্রকৃতি নির্ণয়ে ও পরিকল্পনা প্রণয়নে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখেছে।পঞ্চগড়ের ইতিহাসে ১৯৭১ সালে ১৭ই এপ্রিল একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিন পাক- বাহিনী দখল করে নেয় পঞ্চগড়। জ্বালিয়ে দেয় সাজানো গুছানো পঞ্চগড় শহর এবং হত্যাযজ্ঞ চালায় নির্বিচারে।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পঞ্চগড় জেলা ৬নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই  সাব সেক্টরটির বে-সামরিক উপদেষ্টা হিসাবে দাযিত্ব পালন করেছিলেন  তদকালিন প্রাদেশিক পরিষদের সংসদ সদস্য এ্যাড.সিরাজুল ইসলাম।এ্যাড.সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড.কমরউদ্দিন আহমেদ(এম এল এ), এ্যাড. মোশারফ হোসেন চৌধুরী (এম এল এ), কাজী হাবিবর রহমান, আব্দুল জববার সহ প্রমুখের নেতৃত্বে সে সময় মুক্তিযোদ্ধারা সংঘঠিত হবার পর ভারত থকে প্রশিক্ষণ নিয়ে রসে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। সেসময় এই এলাকায় ৭টি কোম্পানীর অধীনে ৪০টি মুক্তিযুদ্ধ ইউনিট পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মুক্তিযোদ্ধা কোম্পানী কমান্ডারদের মধ্যে মাহবুব আলমের নাম উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য কমান্ডাররা হলেন, মোঃ মতিয়ার রহমান, মোঃ তরিকুল ইসলাম,মোঃ মোকলেছার রহমান, মোঃ দুলাল হোসেন, আব্দুর রহমান এবং আব্দুল গণি। এ ছাড়া বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বি এল এফ) এর আঞ্চলিক কমান্ডার ছিলেন বিশিষ্ট ছাত্র নেতা নাজিম উদ্দীন আহমেদ।

১৯৭১ এর নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখে মীত্র বাহীনির সহযোগীতায় মুক্তিবাহিনী  পাক সেনাদের উপর বেশ জোরালো ভাবে আক্রমন করে বসে। সেদিনের সেই ঝড়ো আক্রমের মধ্যে দিয়েই ১৯৭১সালের ২৯শে নভেম্বর পাক হানাদার সেনাবাহিনী মুক্ত হয় এ অঞ্চল। সম্পূর্নভাবে স্বাধীনতার স্বাদ সেদিনই প্রথম পেয়ছিলো এই তদকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমার অন্তর্গত এই থানাটির মানুষেরা।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা ক্ষেত্রে পঞ্চগড় জেলার অবস্থান বেশ ভালো। জেলার শিক্ষার হার ৫১.০৮% এছাড়া এখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা দিন দিন বেশ উন্নতির পথে আগিয়ে চলেছে।জেলায় প্রায় ১৮৮৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্টানের মধ্যে ২২টি কলেজ এবং ১৮৬৫টির মত বিদ্যালয় রয়েছে।

বিষ্ণু প্রসাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,পঞ্চগড়

তেতুলীয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

নীপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,দেবীগঞ্জ

পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ

পঞ্চগড় সরকালি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বোদা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

ব্যারিষ্টার জমির উদ্দীন সরকার কলিজিয়েট ইন্সটিটিউট, পঞ্চগড়

মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ, পঞ্চগড়

এগুলো সহ আরো বেশ কিছু সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্বউত্তরের প্রান্তে জেলা হলেও এ জেলায় প্রথম বৃহৎ শিল্পের প্রসার ঘটে ১৯৬৯ সালে পঞ্চগড় সুগার মিলস লি: প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। পরবর্তীতে এ জেলায় কৃষি ভিত্তিক অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো হল:

  • পঞ্চগড় সুগার মিলস লি(১৯৬৯)
  • জেমকন লিমিটেড ১৯৯৩)
  • জেমজুট লিমিটেড(২০০৩)২১ জানুয়ারী, ২০০৬ তারিখে কোম্পানিটি ISO 9001:2000 সনদ লাভ করে
  • মার্শাল ডিস্টিলারী(১৯৯৬)

ইদানিংকালে পঞ্চগড় জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুনভাবে যোগ হয়েছে চা চাষ। বাংলাদেশে সমতলভূমিতে বানিজ্যিক ভিত্তিতে কেবল মাত্র এই জেলাতেই চা চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে চা চাষ জেলার কৃষিতে একটি বড় যায়গা করে নিয়েছে। যার ফল অনুযায়ী জেলার প্রায় আনাচে কানাচেই চোখে পরে বীস্তিরন সবুজে ঘেরা অসংখ্য সব চা বাগান।সমতল ভূমিতে চা চাষের এই ব্যবসাটিতে যে প্রতিষ্ঠানগুলো উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রাখছে সেসব প্রতিষ্ঠানগুলো নাম নিচে দেয়া হল

  1. আগা টি এস্টেট, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  2. করতোয়া চা বাগান, জগদল সাতমেরা, পঞ্চগড়।
  3. কাজী এন্ড কাজী চা বাগান, প্রযত্নে খালেক কোচ কাউন্টার, পঞ্চগড়।
  4. গ্রীন কেয়ার চা বাগান, বুড়াবুড়ি, পঞ্চগড়।
  5. ডাহুক চা বাগান, বুড়াবুড়ি, পঞ্চগড়।
  6. ময়নাগুড়ি চা বাগান, তেঁতুলিয়া রোড, পঞ্চগড়।
  7. পঞ্চগড় চা কোম্পানী, বুড়াবুড়ি, পঞ্চগড়।
  8. কাজী ফার্মস লিঃ বুড়াবুড়ি, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  9. স্যালিলেন টি এস্টেট, প্রযত্নে খালেক কোচ কাউন্টার, পঞ্চগড়।
  10. এম এম টি এস্টেট, হাড়িভাসা, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।
  11. আর ডি আর এস চা বাগান, জগদল, পঞ্চগড়।
  12. গ্রীন গোল্ড চা বাগান লিঃ দশমাইল, সাতমেরা, পঞ্চগড়।
  13. হক টি এস্টেট, লোহা কাচি, তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  14. নাহিদটি এস্টেট, ভদ্রেশ্বর, ভজনপুর, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  15. আরিব টি এস্টেট, জিয়াবাড়ী, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।
  16. জেসমিন টি এস্টেট, কালান্দিগঞ্জ মাঝি পাড়া, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  17. কুসুম টি এস্টেট, শালবাহান রোড, মাঝিপাড়া, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
  18. জেড এন্ড জেল টি এস্টেট, অমরখানা, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়।

এ ছাড়াও স্মল হোল্ডিং এবং স্মল গোয়ার্স এর আওতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে শুরু হয়েছে ব্যাপক চা চাষ।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

দেবীগঞ্জের কাছে তোলা করতোয়া নদীর দৃশ্য।

জেলায় ছোট-বড় মিলে অনেকগুলো নদী রয়েছে।পঞ্চগড়কে সম্পূর্ণভাবে নদী বেষ্টিত একটি জেলাও বলা যেতে পারে।উল্লেখযোগ্য নদীগুলো হল

পঞ্চগড় সদরঃ[সম্পাদনা]

১. করতোয়া নদী

২. তালমা নদী

৩. চাওয়াই নদী

৪. পাঙ্গা নদী

৫. কুরুম নদী

৬. পাম নদী

দেবীগঞ্জঃ[সম্পাদনা]

১. মরা তিস্তা নদী

২. আতরাই নদী

৩. ভূল্লী নদী

বোদাঃ[সম্পাদনা]

২. ঘোড়ামারা নদী

১. পাথরাজ নদী

আটোয়ারীঃ[সম্পাদনা]

১. নাগর নদী

২. সিংগিয়া নদী

৩. বহু নদী

৪. রসেয়া নদী

তেঁতুলিয়াঃ[সম্পাদনা]

১. মহানন্দা নদী

২. ডাহুক নদী

৩. তিরনই নদী

৪. রনচন্ডি নদী

৫. বেরং নদী

৬. জ়োড়াপানি নদী

৭. সাও নদী

চিত্তাকর্ষয়ণ[সম্পাদনা]

এখানকার প্রায় বয়সের মানুষের চিত্তাকর্ষণ ও বিনোদনের জন্য জেলায় সরকারি ও বেশরকারি উদ্যোগে উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বেশকিছু স্থান। সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার জন্য রয়েছে জেলা শীল্পকলা একাডেমি, জেলা শিশু একাদেমি, নজরুল পাঠাগার। বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়াম সহ জেলায় প্রায় ৯৭ খেলাধুলা উপযোগী মাঠ যেমন রয়েছে তেমনি চিত্তাকর্ষনের জন্য রয়েছে ডি.সি পার্ক, হিমালয় পার্ক, সীমান্ত ক্যান্টিন, ট্র্যাফিক পুলিশ ক্যান্টিন ইত্যাদি। জেলায় বেশ কিছু পিকনিক স্পট। এছাড়া আছে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থান আছে।

দর্শনীয় স্থান সমূহ[সম্পাদনা]

[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে পঞ্চগড়"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৪ 
  2. ২.০ ২.১ "ভৌগোলিক প্রোফাইল"। Dcpanchagarh.gov.bd। সংগৃহীত ২০১০-০৭-২৭ 
  3. "এক নজরে জেলা"। Dcpanchagarh.gov.bd। সংগৃহীত ২০১০-০৭-২৭ 
  4. "জেলার পটভূমি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন 
  5. "জেলার পটভূমি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন 
  6. "দর্শনীয় স্থানসমূহ"। সংগৃহীত ২০১০-০৭-২৭ 

আনুষঙ্গিক নিবন্ধ[সম্পাদনা]


পঞ্চগড় জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ তেঁতুলিয়া | বোদা | দেবীগঞ্জ | আটোয়ারী | পঞ্চগড় সদর