কিশোরগঞ্জ জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কিশোরগঞ্জ
জেলা
বাংলাদেশে কিশোরগঞ্জ জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে কিশোরগঞ্জ জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°২৬′উত্তর ৯০°৫৯′পূর্ব / ২৪.৪৩° উত্তর ৯০.৯৮° পূর্ব / 24.43; 90.98স্থানাঙ্ক: ২৪°২৬′উত্তর ৯০°৫৯′পূর্ব / ২৪.৪৩° উত্তর ৯০.৯৮° পূর্ব / 24.43; 90.98
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
আয়তন
 • মোট ২৫৬৬ কিমি (৯৯১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩০,২৮,৭০৬
 • ঘনত্ব ১২০০/কিমি (৩১০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪০.৩%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট জেলা তথ্য বাতায়ন


কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ২,৬৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই আয়তনে ১৩টি উপজেলা রয়েছে। এই জেলার উত্তরে নেত্রকোনা জেলাময়মনসিংহ জেলা, দক্ষিণে নরসিংদী জেলাব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা, পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলাহবিগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে ময়মনসিংহ জেলাগাজীপুর জেলা

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জে ১৩টি থানা। যথা:

ইউনিয়নে সংখ্যা :১০৬টি

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের ইতিহাস সুপ্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকেই একটি সুগঠিত গোষ্ঠী আছে এবং এখনোও তা বিরাজ করছে। ষষ্ঠ শতকে বত্রিশ এর বাসিন্দা কৃষ্ণদাস প্রামাণিকের ছেলে নন্দকিশোর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন; এ গঞ্জ থেকই কালক্রমে নন্দকিশোরের গঞ্জ বা 'কিশোরগঞ্জ'-এর উতপত্তি হয়।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকা শক্তি অনেকটা হাওরের উপর র্নিভর। যেমন: হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদার লভ্যাংশ পূরণ করতে সক্ষম। তাছাড়া কিশোরগঞ্জে পাট, ধান এবং অন্যান্য অনেক সবজি হয়ে থাকে যা দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়।

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, গুরুদয়াল কলেজ, চন্দ্রাবতীর বাড়ী (নীলগঞ্জ), ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী জঙ্গলবাড়ী, এগারোসিন্দুর হাওর এলাকা(চামড়া বন্দর),নিকলী, অষ্টগ্রাম

বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কিশোরগঞ্জ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৬ জুন, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]