টাঙ্গাইল জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই নিবন্ধটি টাঙ্গাইল জেলা সম্পর্কিত। নগরীর জন্য, দেখুন টাঙ্গাইল। উপজেলার জন্য, দেখুন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা
টাঙ্গাইল
জেলা
বাংলাদেশে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°১৮′০″ উত্তর ৮৯°৫৫′১২″ পূর্ব / ২৪.৩০০০০° উত্তর ৮৯.৯২০০০° পূর্ব / 24.30000; 89.92000স্থানাঙ্ক: ২৪°১৮′০″ উত্তর ৮৯°৫৫′১২″ পূর্ব / ২৪.৩০০০০° উত্তর ৮৯.৯২০০০° পূর্ব / 24.30000; 89.92000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
আয়তন
 • মোট ৩৪১৪.৩৫ কিমি (১৩১৮.২৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩৭,৪৯,০৮৫
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪৬.৮%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
টাঙ্গাইল জেলার উপজেলাসমূহ

টাঙ্গাইল জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত যা ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এর জনসংখ্যা প্রায় ৩৮ লক্ষ এবং আয়তন ৩৪১৪.৩৫ বর্গ কিলোমিটার। টাঙ্গাইল আয়তনের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের সর্ববৃহৎ এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে ২য় সর্ববৃহৎ জেলা।

১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ অবধি টাঙ্গাইল ছিল অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা; ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। এটি একটি নদী বিধৌত কৃষিপ্রধান অঞ্চল। এই জেলা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর মাঝ দিয়ে লৌহজং নদী প্রবাহমান।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

টাংগাইল জেলা ঢাকা হতে প্রায় একশত কি মি দূরে অবস্থিত। এই জেলার পূর্বে রয়েছে ময়মনসিংহগাজীপুর জেলা, পশ্চিমে সিরাজগঞ্জ জেলা, উত্তরে জামালপুর জেলা, দক্ষিণে ঢাকামানিকগঞ্জ জেলা। এর আয়তন ৩৪১৪.৩৮ বর্গ কি.মি.।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

টাঙ্গাইল শহর, জেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু

টাঙ্গাইল জেলায় মোট উপজেলার সংখ্যা ১২ টি এবং মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১১০ টি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১২ টি।

করটিয়া, ঘারিন্দা, গালা, পোড়াবাড়ী, সিলিমপুর, কাকুয়া, কাতুলী, মগড়া, মাহামুদনগর, হুগড়া, দাইন্যা এবং বাঘিল

কালিহাতি উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৩ টি।

কোকডহড়া, গোহালিয়াবাড়ী, দশকিয়া, দুর্গাপুর, নাগবাড়ী, নারান্দিয়া, পাইকড়া, পারখি, বল্লা, বাংড়া, বীরবাসিন্দা, সল্লা, সহদেবপুর

ঘাটাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১১ টি।

দেউলাবাড়ী, ঘাটাইল, জামুরিয়া, দিগড়, দিঘলকান্দি, আনেহলা, দেওপাড়া, ধলাপাড়া, সন্ধানপুর, লোকেরপাড়া এবং রসুলপুর

বাসাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

কাউলজানী, কাঞ্চনপুর, কাশিল, ফুলকী, বাসাইল এবং হাবলা

গোপালপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৭ টি।

হাদিরা, নগদাশিমলা, ঝাওয়াইল, হেমনগর, আলমনগর, মির্জাপুর এবং ধোপাকান্দি

মির্জাপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

মহেড়া, ফতেপুর, জামুর্কী, বানাইল, আনাইতারা, ভাতগ্রাম, ওয়ার্শী, বহুরিয়া, গোড়াই, তরফপুর, আজগানা, বাঁশতৈল, লতিফপুর, ভাওড়া

ভূঞাপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

ফলদা, অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দাসী, অলোয়া, নিকরাইল

নাগরপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১২ টি।

নাগরপুর, ভাররা, সহবতপুর, গয়হাটা, বেকড়া, সলিমাবাদ, ধুবরিয়া, ভাদ্রা, দপ্তিয়র, মামুদনগর, পাকুটিয়া এবং মোকনা

মধুপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

আলোকদিয়া, আরণখোলা, আউশনাড়া, গোলাবাড়ী, মির্জাবাড়ী, শোলাকুড়ি

সখিপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

কাকড়াজান, কালমেঘা, কালিয়া, গজারিয়া, দাড়িয়াপুর, বহেড়াতৈল, যাদবপুর এবং হাতীবান্ধা

বাসাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

আটিয়া, ডুবাইল, ফাজিলহাটি, পাথরাইল, লাউহা্টী, দেলদুয়ার, দেউলী এবং এলাসিন

ধনবাড়ী উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৭ টি।

বীরতারা, বানিয়াজান, পাইস্কা, ধোপাখালী, যদুনাথপুর, মুশুদ্দি এবং বলিভদ্র

নামকরণ[সম্পাদনা]

টাঙ্গাইলের নামকরণ বিষয়ে রয়েছে বহুজনশ্রুতি ও নানা মতামত। ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত রেনেল তাঁর মানচিত্রে এ সম্পূর্ণ অঞ্চলকেই আটিয়া বলে দেখিয়েছেন। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের আগে টাঙ্গাইল নামে কোনো স্বতন্ত্র স্থানের পরিচয় পাওয়া যায় না। টাঙ্গাইল নামটি পরিচিতি লাভ করে ১৫ নভেম্বর ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে মহকুমা সদর দপ্তর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে স্থানান্তরের সময় থেকে। টাঙ্গাইলের ইতিহাস প্রণেতা খন্দকার আব্দুর রহিম সাহেবের মতে, ইংরেজ আমলে এদেশের লোকেরা উচু শব্দের পরিবর্তে ‘টান’শব্দই ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিল বেশি। এখনো টাঙ্গাইল অঞ্চলে ‘টান’শব্দের প্রচলন আছে। এই টানের সাথে আইল শব্দটি যুক্ত হয়ে হয়েছিল টান আইল। আর সেই টান আইলটি রূপান্তরিত হয়েছে টাঙ্গাইলে।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

রাবার বাগান, পীরগাছা, টাঙাইল

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি

সোল পার্ক

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আবদুল হামিদ খান ভাসানী
শামসুল হক
প্রতুল চন্দ্র সরকার

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার :- ৭১.২১% উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৬ জুন, ২০১৪ 

[১]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. "প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব"Tangail.gov.bd। সংগৃহীত ২০১৬-১১-০৪