কুষ্টিয়া জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুষ্টিয়া
জেলা
শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নে অবস্থিত কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি।
শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নে অবস্থিত কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি।
বাংলাদেশে কুষ্টিয়া জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে কুষ্টিয়া জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′১১″ উত্তর ৮৯°১৩′১২″ পূর্ব / ২৩.৯১৯৭২° উত্তর ৮৯.২২০০০° পূর্ব / 23.91972; 89.22000স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′১১″ উত্তর ৮৯°১৩′১২″ পূর্ব / ২৩.৯১৯৭২° উত্তর ৮৯.২২০০০° পূর্ব / 23.91972; 89.22000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগখুলনা বিভাগ
আসন৪টি
সরকার
আয়তন
 • মোট১৬২১.১৫ কিমি (৬২৫.৯৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১৯,৪৬,৮৩৮
 • জনঘনত্ব১২০০/কিমি (৩১০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৬.৩৭%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৭০০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৪০ ৫০
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এ জেলাতে রয়েছে একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়ায় একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। হ্যামিলটন'স গেজেট প্রথম কুষ্টিয়া শহরের কথা উল্লেখ করে।

বাউল সম্রাট লালন সাঁই র মাজার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের ছেঁউড়িয়া গ্রামে অবস্থিত

অবশ্য কুষ্টিয়া কোনো প্রাচীন নগর নয়। সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে এখানে একটি নদীবন্দর স্থাপিত হয়। যদিও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ বন্দর বেশি ব্যবহার করত, তবুও নীলচাষী ও নীলকরদের আগমনের পরেই নগরায়ন শুরু হয়। ১৮৬০ সালে কলকাতার (তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রাজধানী)সাথে সরাসরি রেললাইন স্থাপিত হয়। একারণে এ অঞ্চল শিল্প-কারখানার জন্য আদর্শ স্থান বলে তখন বিবেচিত হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস(১৮৯৬), রেণউইক, যজ্ঞেশ্বর এণ্ড কোং (১৯০৪) এবং মোহিনী মিলস (১৯১৯) প্রতিষ্ঠিত হয়। [১]

১৯৪৭-এ ভারতবর্ষ ভাগের সময় কুষ্টিয়া পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। [২] এর সাবডিভিশন ছিল কুষ্টিয়া সদর, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর। তৎকালীন এস ডি ও মৌলভি আব্দুল বারী বিশ্বাস কে প্রধান করে ১৯৫৪ সালে গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্পের সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। এ ছাড়া আরো বেশ কিছু সরকারী অফিস কুষ্টিয়ায় স্থাপনের পরে শহরটিতে পুনরায় উন্নয়ন শুরু হয়।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলার আয়তন ১,৬২১.১৫ বর্গকিলোমিটার । এর উত্তরে রাজশাহী, নাটোরপাবনা, দক্ষিণে চুয়াডাঙ্গাঝিনাইদহ জেলা, পূর্বে রাজবাড়ী এবং পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত ।

কুষ্টিয়ার ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলো হল পদ্মা, গড়াই নদী, মাথাভাঙ্গা, কালীগঙ্গা ও কুমার নদী। জেলাটির গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৮°সে এবং গড় সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ১১.২°সে । এখানকার বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১,৪৬৭ মি.মি.।

প্রশাসন[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলা ৬টি উপজেলা, ৭টি থানা,[৩] ৫টি পৌরসভা, ৫৭টি ওয়ার্ড, ৭০টি মহল্লা, ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৭১০টি মৌজা ও ৯৭৮টি গ্রামে বিভক্ত। উপজেলাগুলো হলো:

কুষ্টিয়া জেলায় ৫ টি পৌরশহর রয়েছে

কুষ্টিয়া পৌরসভা -
আয়তন ৪২.৭৯ বর্গ কি.মি. 
জনসংখ্যা ৪১০,১৪৯(বাংলাদেশের ১৩তম বড় শহর)।   
ওয়ার্ড সংখ্যা ২১ টি।
কুমারখালী পৌরসভা- 
আয়তন- ১১ বর্গ কি.মি
জনসংখ্যা প্রায় ৬০,০০০
ওয়ার্ড সংখ্যা- ৯টি
ভেড়ামারা পৌরসভা-
আয়তন-১০ বর্গ কি.মি.
জনসংখ্যা প্রায় ৫০,০০০
ওয়ার্ড সংখ্যা - ৯টি
মিরপুর পৌরসভা
আয়তন- ৯.২২ বর্গ কি.মি.
জনসংখ্যা প্রায় ৪০,০০০
ওয়ার্ড সংখ্যা- ৯টি
খোকসা পৌরসভা
আয়তন- ১২.৩৮ বর্গ কি.মি
জনসংখ্যা প্রায় ৪৫,০০০
ওয়ার্ড সংখ্যা - ৯টি

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলার জনসংখ্যা ১৭,১৩,২২৪ জন, যার মধ্যে ৫০.৮৬% পুরুষ ও ৪৯.১৪% মহিলা। জনসংখ্যার ৯৫.৭২% মুসলিম, ৪.২২% হিন্দু ও ০.০৬% অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত।

অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছেঃ

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (স্থাপিত ১৮৭৬), মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় (স্থাপিত ১৮৯৮), কুষ্টিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (স্থাপিত ১৯৪৭), কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ (স্থাপিত ১৯৬৮), কুষ্টিয়া হাই স্কুল এবং কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (স্থাপিত ১৯৬১)। ঐতিহ্যেবাহী হরিনারায়ণপুর হাইস্কুল (স্থাপিত. .১৮৯১)((আমলা সদরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়)) (প্রতিষ্ঠিত ১৮৯৯)

বৃহত্তর কুষ্টিয়া[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে কুষ্টিয়া কয়েকটি সাবডিভিশন নিয়ে গঠিত একটি বড় জেলা, যার প্রতিটি সাবডিভিশন পরবর্তীকালে জেলা হয়েছে। কিন্তু এই তিন জেলা চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার মানুষের কাছে বৃহত্তর কুষ্টিয়া শুধুই একটি অতীত নয়, আরও কিছু। বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় যে, এই অঞ্চলের ও অবিভক্ত নদীয়া জেলার আদি বাসিন্দাদের মুখের ভাষার সাথে আধুনিক প্রমিত বাংলার ঘনিষ্ঠ মিল পাওয়া যায়। এই তিন জেলার অধিবাসীদের বৃহত্তর সমাজকে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা বলা হয়। বিভিন্ন সংস্থা যেমনঃ "বৃহত্তর কুষ্টিয়া এসোসিয়েশন", "বৃহত্তর কুষ্টিয়া সমাজ" এই তিন জেলার জনগনের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

কৃষি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মত কুষ্টিয়াতেও প্রধানত ধান, পাট, আখ, ডাল, তৈলবীজ ইত্যাদি চাষ করা হয়। তবে জেলাটিতে তামাকপানের চাষও লক্ষণীয়।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলের মতো কুষ্টিয়া কেবল চাষাবাদের উপর নির্ভরশীল নয়। চাষাবাদের পাশাপাশি কুষ্টিয়ায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। কুষ্টিয়ায় অনেক তামাকের কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে নাসির টোব্যাকো লিমিটেড, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, দি ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো, পারফেক্ট টোব্যাকো উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক তার তৈরির কারখানা বি.আর.বি. কেবলস কুষ্টিয়ায় অবস্থিত। জেলার কুমারখালি উপজেলায় গড়ে উঠেছে উন্নতমানের ফ্রেব্রিকস শিল্প। এখানে উৎপাদিত ফ্রেব্রিকস সামগ্রী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া কুষ্টিয়ায় অসংখ্য চালের মিল রয়েছে। বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে ওঠায় এককভাবে কৃষিকাজের উপর নির্ভরতা কম।

কুষ্টিয়ার শিল্প[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-

বৃহৎ শিল্প - ৩৯ টি
মাঝারী শিল্প - ৮১ টি
ক্ষুদ্র শিল্প - ৬২১২ টি
কুটির শিল্প - ২১৮৩৭ টি

উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান

১.ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো
(কুষ্টিয়ার ৫ টি ভিন্ন জায়গায় বিএটির ইন্ডাস্ট্রি)
২.নাসির টোব্যাকো
৩.দি ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো
৪.গ্লোবাল লীফ টোব্যাকো
৫.পারফেক্ট টোব্যাকো
৬.বি আর বি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজ
৭.কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ
৮.এম আর এস ইন্ডাস্ট্রিজ
৯.বি আর বি পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ
১০.বি আর বি এনার্জি লিমিটেড
১১.টিপিটি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজ
১২.উডল্যান্ড প্লাইউড এন্ড পার্টিকেল বোর্ড ইন্ডাস্ট্রিজ
১৩.যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস
১৪.রেনউইক যজ্ঞেশ্বর এন্ড কোং
১৫.কুষ্টিয়া সুগার মিলস
১৬.নর্দান জুট মিলস
১৭.লক্ষন জুট মিলস
১৮.কুষ্টিয়া টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
১৯.ইস্টার্ন ফেব্রিক্স
২০.বুলবুল টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
২১.রানা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
২২.কে এন বি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ
২৩.এম এন্ড বি প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ
২৪.কুষ্টিয়া মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ
২৫. আর এইচ পি মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ
২৬. পিয়াস মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ
২৭. রশিদ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ
২৮. হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
২৯.কোয়ালিটি ফার্মাসিউটিক্যালস
৩০.মডার্ন প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ
৩১.নর্থ বেঙ্গল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ
৩২.বাংলাদেশ স্টীল টিউবস ইন্ডাস্ট্রিজ
৩৩.মোহিনী মোহন মিলস
৩৪.কে এন বি এনার্জি
৩৫.সুমন পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
৩৬.ইস্ট ওয়েস্ট কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ
৩৭.মডার্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
৩৮.শিলাইদহ ডেইরী
৩৯.হ্যান্ডলুম প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ
৪০.রশিদ মিনারেল ইন্ডাস্ট্রিজ
৪১.ফুজি আইস্ক্রিম
৪২.মিনকো ফ্লাওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
৪৩.নাসির প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ
৪৪.নাসির লিফ টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
৪৫.এন বি আই লি.
৪৬.লালন শাহ ফ্লাওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ
৪৭.লিটন স্টীল ইন্ডাস্ট্রিজ
৪৮.মনসুর টোব্যাকো
৪৯.রকেট ম্যাচ ইন্ডাস্ট্রিজ
৫০.টু স্টার ম্যাচ ইন্ডাস্ট্রিজ
৫১.হীরা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
৫২.নুরুল টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ
৫৩.ইলোরা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিসিক শিল্প নগরীতে অনেক বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কুমারখালী উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীতে রয়েছে অনেক টেক্সটাইল ও হোসিয়ারী ইন্ডাস্ট্রি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৫০০ একর জায়গার উপর নির্মিত হচ্ছে কুষ্টিয়ার ইকোনোমিক জোন, যেখানে শত শত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। ভেড়ামারা উপজেলায় দেশের সর্ববৃহৎ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, সেখানে গড়ে উঠেছে কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান। দৌলতপুর উপজেলায় রয়েছে তামাক শিল্প। কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকায় ৪০০ অটো রাইস মিল রয়েছে যেখান থেকে বাংলাদেশের ৭০% চাল প্রক্রিয়াজাত হয়ে থাকে। কুষ্টিয়াতে এর পাশাপাশি গড়ে উঠেছে অনেক আটা ময়দার মিল। এছাড়াও তামাক ও আখ শিল্প এ জেলাকে কৃষির পাশাপাশি শিল্পে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

এ জেলার উল্লেখযোগ্য শিল্প গ্রুপ

বি আর বি গ্রুপ
নাসির গ্রুপ
কে এন বি গ্রুপ
রশিদ গ্রুপ

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে পদ্মা নদী, মাথাভাঙ্গা নদী, কুমার নদ, কালীগঙ্গা নদী, গড়াই নদী ও ডাকুয়া খাল নদী।[৪][৫]

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া একটি প্রাচীন জনপদ। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার একটি মহকুমা ছিল। এখানে দেখার মত অনেক স্থান রয়েছেঃ

  • রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ী - কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ী রয়েছে;
  • ফকির লালন সাঁইজির মাজার - বাউল ফকির লালন সাঁইজির মাজার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের ছেউড়িয়া গ্রামে;
  • টেগর লজ - কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় অবস্থিত এই দোতলা ভবনটি;
  • পরিমল থিয়েটার - কুষ্টিয়া শহরের স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ;
  • গোপীনাথ জিউর মন্দির - নলডাঙ্গার মহারাজা প্রমথ ভূষণ দেব রায় কর্তৃক দানকৃত জমির উপর নির্মিত;
  • মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা - বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় অবস্থিত;
  • পাকশী রেল সেতু - কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু;
  • লালন শাহ সেতু - কুষ্টিয়া জেলার পদ্মা নদীর উপর নির্মিত "লালন শাহ" সেতুটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "শিল্প প্রতিষ্ঠান"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৪ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. "ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া"। দৈনিক সংগ্রাম। ৯ জুলাই ২০১২। ৬ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৪ 
  3. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কুষ্টিয়া জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২১ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  4. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  5. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬১২, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]