মুকসুদপুর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুকসুদপুর উপজেলা
উপজেলা
মুকসুদপুর উপজেলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মুকসুদপুর উপজেলা
মুকসুদপুর উপজেলা
বাংলাদেশে মুকসুদপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১৯′০০″উত্তর ৮৯°৫২′০০″পূর্ব / ২৩.৩১৬৭° উত্তর ৮৯.৮৬৬৭° পূর্ব / 23.3167; 89.8667স্থানাঙ্ক: ২৩°১৯′০০″উত্তর ৮৯°৫২′০০″পূর্ব / ২৩.৩১৬৭° উত্তর ৮৯.৮৬৬৭° পূর্ব / 23.3167; 89.8667
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা গোপালগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ৩০৯.৬৩ কিমি (১১৯.৫৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৮৯,৪০৬
 • ঘনত্ব ৯৩০/কিমি (২৪০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪৬.৪৩%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৮১৪০
ওয়েবসাইট muksudpur.gopalganj.gov.bd


মুকসুদপুর উপজেলা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জর জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

মকসুদপুর উপজেলার আয়তন ৩০৯.৬৩ বর্গ কিমি। এটি ২৩°১০´ থেকে ২৩°২২´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৪৮´ থেকে ৯০°০৮´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশএ অবস্থিত। এর উত্তরে নগরকান্দা উপজেলাভাঙ্গা উপজেলা, দক্ষিণে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলাকাশিয়ানী উপজেলা, পূর্বে ভাঙ্গা উপজেলারাজৈর উপজেলা, পশ্চিমে কাশিয়ানী উপজেলাবোয়ালমারী উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

মুকসুদপুর থানা গঠিত হয়েছিল ১৯৬১ সালে ৷ বর্তমানে এটি উপজেলা ৷ এবং উপজেলার একটি পৌরসভা(১৬.৭৭ বর্গ কিঃ মিঃ),১৬ টি ইউনিয়ন (উজানী, কাশালিয়া, খান্দারপাড়, গোবিন্দপুর, গোহালা, জলিরপাড়, দিগনগর, ননীক্ষীর, পশারগাতী, বহুগ্রাম, বাশঁবাড়িয়া, বাটিকামারী, ভাবড়াশুর, মহারাজপুর, মোচনা, রাঘদি), ২০৬ টি মৌজা, ২৫৪ টি গ্রাম আছে ৷ এ উপজেলাটিতে প্রায় ২৮৪২০৫ জনের বসবাস ৷ এবং শিক্ষার হার প্রায় ৪৭ শতাংশ ৷

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীনকালে  এ এলাকাটি বঙ্গ অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল। সুলতানী ও মোঘল যুগের আগে ও এর কিছু সময় এ অঞ্চল হিন্দু রাজারা শাসন করতেন। মুঘল আমলে বঙ্গে বার ভুঁইয়াদের জমিদারীর সূচনা হলে শেষহয় এই অঞ্চলে হিন্দু রাজাদের শাসনাম। বার ভুঁইয়াদের শাসনামলে  বঙ্গ অঞ্চল ১২টি পরগণায় বিভক্ত ছিল,  যার একটি পরগণার নাম ছিল “ভূষণা” ।মুঘল শাসনামের মানচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়  এই “ভূষণা” পরগণাতেই  আজকের গোপালগঞ্জ তথা মুকসুদপুরের অবস্থান ।

বৃটিশ শাসনামলের বিভিন্ন দলিল পত্র থেকে জানা যায় মুকসুদপুর পর্যায়ক্রমে তৎকালীন মহববতপুর, তেলিহাটী, নলদী, আমিরাবাদ, ফতেজংপুর ও হাবড়ী  পরগণার অন্তর্ভুক্ত ছিল । চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩) সময় মুকসুদপুর ছিল যশোর জেলার অন্তর্গত। মুকসুদপুর থানাটি ১৭৯৭ খ্রিষ্টাব্দের পরবর্তী  পর্যায়ে এপাড় বঙ্গ তে প্রতিষ্ঠিত সীমিত কিছু থানা গুলোর একটি । (তথ্যসুত্র : ক্যালকাটা গেজেট পৃষ্ঠা নং-১৪৪৩ তারিখ- ১৫/৯/১৮৯৪) । ১৮০৭ সালে মুকসুদপুর থানা  যশোর থেকে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত হয়।

সেসময় বর্তমান  গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর এলাকা ছিল বিশাল জলাভূমি এখানে নৌ-ডাকাতির প্রকোপ ছিল বেশী। এ অঞ্চলে আইন শৃংখলা ছিল খুবই দূর্বল।  এজন্য বাকেরগঞ্জ থেকে বিভাজিত হয়ে ১৮৫৪ সালে মাদারীপুর মহকুমা  প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭২ সালে মাদারীপুর মহকুমায় গোপালগঞ্জ নামক নতুন একটি থানা গঠিত হয়। ১৮৭৩ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে বাকেরগঞ্জ জেলা থেকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

জনশ্রুতি আছে যে,  বর্তমান মুকসুদপুর  উপজেলা সদর থেকে ৩ কি মিঃ পশ্চিমে কদমপুর  মৌজায় তৎকালীন নড়াইলের জমিদার বাবু রতন কুমার একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করেন তাঁর কাচারী বাড়ীতে । বৃটিশ রাজত্বে ১৯০৫ সালে বঙ্গ ভঙ্গ ও ১৯০৯ সালে বঙ্গ ভঙ্গ রদ হলে এপাড় বাংলার মানচিত্র ও প্রশাসনিক কাঠামোতে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। মুকসুদপুর থেকে আলাদা কাশিয়ানী যেটি ছিল এককালের একটি বিখ্যাত গ্রাম।  জমিদার রতন বাবু তাঁর এই কাচারী বাড়ীর পুলিশ ক্যাম্পটিকে পূর্ণাংগ থানায় পরিণত করার জন্য কলকাতার লাট ভবন বা রাইটার্স বিল্ডিং এর উচ্চ পদস্থ রাজ কর্মচারী জনাব মোকসেদ আলী সাহেবের সার্বিক সহযোগিতা পান । এর স্বীকৃতি স্বরুপ জমিদার রতন কুমার কদমপুর পুলিশ ক্যাম্পকে মোকসেদপুর থানা নামকরণ করেন । যার বিবর্তিত রুপ মুকসুদপুর থানা।  ১৯০৯ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে ভেঙ্গে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জ এবং কোটালীপাড়া থানার সঙ্গে ফরিদপুর মহকুমার মুকসুদপুর থানাকে গোপালগঞ্জ মহকুমার সাথে যুক্ত করা হয়। গোপালগঞ্জ মহকুমার মুকসুদপুর থানা ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে ১৯১৭ সালের ১৫ জুলাই  প্রতিষ্ঠা হয়। ঐ সালের ২১ সেপ্টেম্বর গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পর ১৯১৮ সালের ১ জানুয়ারী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুকসুদপুর থানার কার্যক্রম শুরু হয়।

উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নে জন্ম গ্রহন করেন পাক ভারত উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত ঐতিহাসিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রমেশ চন্দ্র মজুমদার। শিক্ষাবিদ ও বাঙালি ঐতিহাসিক। তিনি ১৮৮৮ সালের ৪ ডিসেম্বর খন্দরপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৬ সালে রমেশচন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিযুক্ত হন এবং ১৯৪২ সাল পর্যন্ত এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ভারতীয় বিদ্যাভবন সিরিজের ১১টি খন্ডে রচিত history and culture of the indian people ছিল মজুমদারের এক গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি। ৯২ বৎসর কর্মময় জীবন শেষে রমেশচন্দ্র মজুমদারের ১৯৮০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয়।

এছাড়া উপজেলার নগর সুন্দরদী গ্রামে ১৮৮৭ জন্ম গ্রহন করেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসেবক ও সাংবাদিক মৌলভী আবদুল হাকিম। বাংলার অশিক্ষিত মুসলমান সমাজকে শিক্ষিত ও সচেতন করে তোলার জন্য তিনি নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। কলকাতার হানাফী, মুসলেম, হিতৈশী, ইসলাম দর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৩০ সালে অভিভক্ত বাংলার মুসলিম সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রচিত প্রন্থ পল্লী সংস্কার, বিষাদ লহরী, মিলন, এসকে গোলজার, আল কুরআনের বাংলা অনুবাদ, প্রতিশোধন, প্রতিদান প্রভৃতি। ১৯৫৫ সালে তিনি নিজ গ্রামে ইন্তেকাল করেন।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে ছাত্র জনতার উপর পুলিশের গুলির প্রতিবাদে ২৪ ফেব্রুয়ারি এ উপজেলায় শোক মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সালে এ উপজেলায় আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের মিছিলে পুলিশের গুলিতে স্কুল ছাত্র মহানন্দ শহীদ হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২২ এপ্রিল পাকিস্তানি বিমান থেকে গুলিবর্ষণ করলে বানিয়ারচরে ৫ জন লোক আহত হয় এবং একটি লঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৯ আগস্ট মুকসুদপুর থানায় মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত আক্রমণে পুলিশ ও রাজাকারসহ ৮৪ জন নিহত হয়। ১২ অক্টোবর বামনডাঙ্গা বাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনী ও রাজাকারদের লড়াইয়ে ২২ জন পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হয়। এছাড়াও ১২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দিগনগর ব্রিজের নিকট মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনী ও রাজাকারদের লড়াইয়ে ৩০ জন পাকসেনা ও ১০ জন রাজাকার নিহত হয় এবং ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ২ (দিগনগর ও বাগাতি গ্রাম)।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এখানে শিক্ষার গড় হার ৪৭.১%; পুরুষ ৫১.৪%, মহিলা ৪২.৬%। কলেজ ৪, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৩, প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০, কেজি স্কুল ৮, মাদ্রাসা ১৮।

নদনদী[সম্পাদনা]

মুকসুদপুর উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ), মাদারীপুর বিলরুট নদী এবং দিগনার নদী।[২][৩]

অর্থনৈতীক ও জীবন-যাপন[সম্পাদনা]

এই স্থানের জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি-৬৩%, অকৃষি শ্রমিক-২.১৪%, শিল্প-০.৫৩%, ব্যবসা-১৩.০৫%, পরিবহণ ও যোগাযোগ-১.২১%, চাকরি-৮.৯%, নির্মাণ-২.৪%, ধর্মীয় সেবা-০.২২%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স-০.৭% এবং অন্যান্য-৭.৮৫%।

কৃষিভূমির মালিকানাসহ ভূমিমালিক-৬৮.২৭%, ভূমিহীন-৩১.৭৩%। (শহরে ৫৬.৭১% এবং গ্রামে ৬৯.০৬% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।)

প্রধান কৃষি ফসল ধান, পাট, সরিষা, ডাল, আখ, গম, পান, পিঁয়াজ, মিষ্টি আলু, শাকসবজি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি কাউন, চীনা, নীল, তিল, তিসি, মটর, ছোলা।

প্রধান ফল-ফলাদিব আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, নারিকেল, তাল, পেয়ারা, লেবু, লিচু।

মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার মৎস্য ৬ টি, গবাদিপশুরগবাদিপশু খামার- ৪৫ টি, হাঁস-মুরগির খামার-৯৭ টি, চিংড়ির ঘের -২০ টি, হ্যাচারি -২ টি, নার্সারি -১১টি।

যোগাযোগঃ পাকারাস্তা ১৩২ কিমি, কাঁচারাস্তা ৫১০ কিমি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন পাল্কি।

আরও আছে শিল্প ও কলকারখানা জুটমিল, আটামিল, স’মিল, রাইসমিল, তেলমিল, কটনমিল, আইস ফ্যাক্টরি, ওয়েল্ডিং কারখানা।

কুটিরশিল্প স্বর্ণশিল্প -৬৬টি, মৃৎশিল্প -১০২টি, লৌহশিল্প -২৪৮ টি, সূচিশিল্প -৮২৫ টি, বাঁশের কাজ -২৭৫ টি, কাঠের কাজ- ৯০৭ টি।

হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার ৩৮ টি, মেলা ৭টি।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য পাট, পিঁয়াজ, তালের গুড়, গম, মিষ্টি আলু।

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ উপজেলার সবক’টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পল্লিবিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ১৪.৬১% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

প্রাকৃতিক সম্পদ এ উপজেলার চান্দার বিল এলাকায় পীট কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।

পানীয়জলের উৎস নলকূপ ৯৪.৮৯%, ট্যাপ ০.২৬%, পুকুর ১.৭২% এবং অন্যান্য ৩.১৩%। এ উপজেলার ৮০% অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ উপজেলার ৩৭.৭৭% (গ্রামে ৩৬.২৯% এবং শহরে ৫৯.৫২%) পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ৫৩.৫০% (গ্রামে ৫৪.৮৩% এবং শহরে ৩৪.০৯%) পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। তবে ৮.৭৩% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ১৩, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৬, ক্লিনিক ১।

এছাড়া আছে এনজিও ব্র্যাক, প্রশিকা, কারিতাস, আশা, ওয়ার্ল্ড ভিশন।

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

মুকসুদপুরের ইতিহাস (১ম কিস্তি) : প্রাচীন কাল হতে বৃটিশ শাসনামল।

www.muksudpurtimes.com

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মুকসুদপুর"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৮, ISBN 978-984-8945-17-9
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


গোপালগঞ্জ জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ কোটালীপাড়া | মুকসুদপুর | টুঙ্গীপাড়া | কাশিয়ানী | গোপালগঞ্জ সদর |