ইলিয়াস কাঞ্চন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ইলিয়াস কাঞ্চন
Ilius Kanchon.jpg
জন্ম ইলিয়াস কাঞ্চন
(১৯৫৬-১২-২৪) ২৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬ (বয়স ৬০)
করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ
নাগরিকত্ব  বাংলাদেশ
শিক্ষা স্নাতক (সমাজবিজ্ঞান)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক
কার্যকাল ১৯৭৭–বর্তমান
যে জন্য পরিচিত নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন
বেদের মেয়ে জোছনা
ধর্ম ইসলাম
দাম্পত্য সঙ্গী জাহানারা কাঞ্চন (বি. ১৯৭৯–১৯৯৩)
সন্তান মীরাজুল মঈন জয় (পুত্র)
পুরস্কার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২ বার)
বাচসাস পুরস্কার

ইলিয়াস কাঞ্চন (জন্ম: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৬[১]) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা। ১৯৭৭ সালে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন তিনি। তিনি বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।[২] বেদের মেয়ে জোছনা ছবিতে তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। কাঞ্চন ৩০০টিও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারবাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন।[৩]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

ইলিয়াস কাঞ্চন ২৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার আশুতিয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নাম হাজি আব্দুল আলী, মাতার নাম সরুফা খাতুন। তিনি ১৯৭৫ সালে কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে এইস এস সি পাস করেন। [৪] তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শুরু করলেও শেষ করেন নি।

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

ইলিয়াস কাঞ্চন ১৯৭৭ সালে সুভাষ দত্ত পরিচালিত বসুন্ধরা ছায়াছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। [৫] এর পর বাংলা চলচ্চিত্র দেখতে পায় এক প্রবাদ পুরুষের জন্মলগ্ন। একে একে ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি চিরদিনের মত বাংলা চলচ্চিত্র প্রেমীদের অন্তরে যায়গা করে নেন।

১৯৭৭ - ১৯৮৫[সম্পাদনা]

ইলিয়াস কাঞ্চন অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র বসুন্ধরা। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ববিতা। এরপর তিনি একই অভিনেত্রীর সাথে অভিনয় করেন ১৯৭৮ সালে ডুমুরের ফুল, ১৯৭৯ সালে সুন্দরী চলচ্চিত্রে। এ সময়ে তার আরও কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে শেষ উত্তর, নালিশ, অভিযানঅভিযান ছায়াছবিতে রাজ্জাকজসিমের পাশাপাশি তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে।

১৯৮৬ - ১৯৯৫[সম্পাদনা]

তার অভিনয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় এই দশ বছর। ১৯৮৬ সালে আলমগীর কবির পরিচালিত পরিণীতা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন অঞ্জনা রহমান। ১৯৮৭ সালে মুক্তি পায় কাজী হায়াত পরিচালিত দায়ী কে? ছায়াছবিটি। তার বিপরীতে প্রথমবারের মত অভিনয় করেন অঞ্জু ঘোষ। ১৯৮৯ সালে তার আরেক উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র বেদের মেয়ে জোছনা মুক্তি পায়। রাজার ছেলে এক সাধারণ বেদের মেয়ের প্রেমে পড়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে তোলে। বাবা কর্তৃক বিচারের রায়ে ফাসীর আদিষ্ট হয়। পালিয়ে গিয়ে অন্য রাজ্যে জেলে বন্দী হয়। সীমাহীন কষ্টের এক অসাধারণ প্রেমের গল্প বেদের মেয়ে জোছনা তাকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে আসে। এতেও তার বিপরীতে অভিনয় করেন অঞ্জু ঘোষ[৬] এর পর তিনি অসংখ্য দর্শক প্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দেন। যার মধ্যে শঙ্খ মালা, অচেনা, রাধা কৃষ্ণ, ত্যাগ উল্লেখযোগ্য।[৭]

১৯৯৬ - ২০০৫[সম্পাদনা]

এ সময়ে তিনি চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার কারণে অভিনয় থেকে সরে যেতে থাকেন। ২০০৫ সালে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে শাস্তি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

২০০৬ - ২০১৫[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে আবু সাইয়ীদ পরিচালিত নিরন্তর ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি বেশ কয়েকটি অন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে প্রদর্শিত হয়। ২০০৮ সালে তিনি প্রথমবারের মত বাবা আমার বাবা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালকের খাতায় নাম লিখান।[৮] ২০১৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হঠাৎ দেখা কবিতা অবলম্বনে শাহাদাৎ হোসেন বিদ্যুৎ ও কলকাতার রেশমী মিত্রের পরিচালনায় একই নামে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এতে তার বিপরীতে রয়েছে কলকাতার দেবশ্রী রায়।[৯]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালে জাহানারা কাঞ্চনের সাথে ইলিয়াস কাঞ্চনের কাবিন হয়। ১৯৮৩ সালে তাকে ঘরে তুলেন। তার স্ত্রী ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর কাঞ্চনের শুটিং দেখতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।[১০] তাদের এক পুত্র, নাম মীরাজুল মঈন।[১১]

সামাজিক কাজে অবদান[সম্পাদনা]

বর্তমানে কাঞ্চন সামাজিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তিনি তার স্ত্রীর সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু হবার পর ১৯৯৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে "নিরাপদ সড়ক নিরাপদ জীবন" শ্লোগানে দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছেন। নিরাপড় সড়ক চাই আন্দোলন বর্তমান বাংলাদেশে ব্যাপক ভাবে পরিচিতি লাভ করেছে এবং এর সাথে বিভিন্ন মহল একাত্মতা ঘোষণা করেছে।[১২] তিনি বর্তমানে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রধান কান্ডারী।[১৩] ২০১৫ সালের ৪ মে জাতিসংঘের ‘রোড সেফটি ফর আওয়ার চিলড্রেন’ কর্মসূচিতে অংশ নেন ইলিয়াস কাঞ্চন। রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল, খিলগাঁও, কাকরাইল, উত্তরা ও ধানমন্ডির পাঁচটি স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে এই কার্যক্রম চলে। এর স্লোগান- ‘ভবিষৎতের জন্য নিরাপদ সড়ক চাই’।[১৪]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র পরিচালক সহশিল্পী টীকা
১৯৭৭ বসুন্ধরা জাহেদ সুভাষ দত্ত ববিতা এই ছবিতে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন।
দয়া মায়া
১৯৭৮ ডুমুরের ফুল সুভাষ দত্ত ববিতা
১৯৭৯ সুন্দরী কাঞ্চন আমজাদ হোসেন ববিতা
১৯৮০ শেষ উত্তর আজিজুর রহমান বুলবুল আহমেদ, শাবানা
১৯৮২ নালিশ মমতাজ আলী উজ্জ্বল, শাবানা
১৯৮৪ অভিযান রতন রাজ্জাক রাজ্জাক, জসিম
চরম আঘাত সৈয়দ হারুন দিতি
১৯৮৬ পরিণীতা আলমগীর কবির অঞ্জনা রহমান বিজয়ী: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা
১৯৮৭ দায়ী কে? ফারুক কাজী হায়াৎ এটিএম শামসুজ্জামান, অঞ্জু ঘোষ
১৯৮৮ ভেজা চোখ শিবলি সাদিক
১৯৮৯ বেদের মেয়ে জোসনা রাজকুমার তোজাম্মেল হক বকুল অঞ্জু ঘোষ বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্র
সেই তুফান হাফিজ উদ্দিন "আমি তুফান,বছরে দু একবার আসি, যখন আমি তখন প্রলয় ঘটে আর যখন যাই তখন কেউ আমার অস্তিত্ব টের পায়না" এ চলচ্চিত্রের অন্যতম ডায়লগ।
আত্ম বিশ্বাস
১৯৯০ শঙ্খ মালা
১৯৯১ অচেনা আকাশ আহমেদ শিবলি সাদিক চম্পা, আলমগীর
১৯৯২ রাধা কৃষ্ণ মতিন রহমান রোজিনা, আনোয়ারা
ত্যাগ শিবলি সাদিক চম্পা, অরুনা বিশ্বাস
১৯৯৪ আঁখি মিলন মোস্তফা আনোয়ার
১৯৯৫ বাঁচার লড়াই সৈয়দ হারুন
১৯৯৬ সোহরাব রোস্তম সোহরাব মমতাজ আলী রাজীব, বনশ্রী
২০০৫ শাস্তি দুখী রাম রায় চাষী নজরুল ইসলাম চম্পা, রিয়াজ বিজয়ী: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা
২০০৬ নিরন্তর দবীরউদ্দিন আবু সাইয়ীদ শাবনুর
২০০৮ কে আমি শফিক আহমেদ ওয়াকিল আহমেদ
২০১২ জটিল প্রেম

প্রযোজক[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম 'জয় চলচ্চিত্র'। তার প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র হল মাটির কসম। [১৫]

পরিচালক[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে তিনি প্রথম চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্রের নাম 'বাবা আমার বাবা'। এছাড়া ২০১০ সালে তিনি 'মায়ের স্বপ্ন' নামে একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন।[১৬]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

বছর পুরস্কার বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
১৯৮৬ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পরিণীতা বিজয়ী যৌথভাবে
২০০৫ শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা শাস্তি বিজয়ী

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. নাহিয়ান ইমন (২৪ ডিসেম্বর ২০১৫)। "শুভ জন্মদিন নন্দিত নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন"জাগো নিউজ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  2. "ইলিয়াস কাঞ্চন"। বিখ্যাত। 
  3. "ইলিয়াস কাঞ্চন"। অনলাইন ঢাকা গাইড। 
  4. "চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন"দৈনিক আমাদের সময় (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ৬ ডিসেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  5. ইলা মুৎসুদ্দী (৩ এপ্রিল, ২০১৪)। "জনপ্রিয় নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন"দৈনিক আজাদী (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  6. "বেদের মেয়ে জোসনা (১৯৮৯)"। বাংলা কমিউনিটি। 
  7. মাসুম আওয়াল (৩ এপ্রিল, ২০১৫)। "চলচ্চিত্র সব সময়ই ক্ষমতাসীনদের চোখে সৎ সন্তান"দ্য রিপোর্ট (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  8. "পাঁচ বছর পর চলচ্চিত্র নির্মাণে ইলিয়াস কাঞ্চন"দৈনিক নয়া দিগণ্ত (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ৩০ নভেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  9. "নায়ক হয়েই ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন"দৈনিক ভোরের কাগজ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ২৮ নভেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  10. অভি মঈনুদ্দীন (১২ জুন, ২০১২)। "একজন ইলিয়াস কাঞ্চন"দৈনিক যায় যায় দিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  11. মনজুর কাদের (১৩ নভেম্বর, ২০১৩)। "অবসরে ইলিয়াস কাঞ্চন নিজেকে সময় দেন ছেলে সিনেমা দেখেন"প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  12. মিঠু হালদার (২ এপ্রিল, ২০১৫)। "আমি চলচ্চিত্রে আগের মত জড়িত নই: ইলিয়াস কাঞ্চন"বাংলা মেইল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  13. "ইলিয়াস কাঞ্চন চেয়ারম্যান, দীপেন মহাসচিব"দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  14. কামরুজ্জামান মিলু (২ মে, ২০১৫)। "আবার ইলিয়াস কাঞ্চন"বাংলা নিউজ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  15. "আবারও পরিচালনায় ইলিয়াস কাঞ্চন"প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ৬ ডিসেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 
  16. "পরিচালনায় ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন"মিডিয়া কথা (ঢাকা, বাংলাদেশ)। ৩ ডিসেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]