মধুখালী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মধুখালী
উপজেলা
মধুখালী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মধুখালী
মধুখালী
বাংলাদেশে মধুখালী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩২′৪৭″ উত্তর ৮৯°৩৭′৪৩″ পূর্ব / ২৩.৫৪৬৩৯° উত্তর ৮৯.৬২৮৬১° পূর্ব / 23.54639; 89.62861স্থানাঙ্ক: ২৩°৩২′৪৭″ উত্তর ৮৯°৩৭′৪৩″ পূর্ব / ২৩.৫৪৬৩৯° উত্তর ৮৯.৬২৮৬১° পূর্ব / 23.54639; 89.62861 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা ফরিদপুর জেলা
আয়তন
 • মোট ২৩১.২৭ কিমি (৮৯.২৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,০৪,৪৯২
 • ঘনত্ব ৮৮০/কিমি (২৩০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

মধুখালী বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে বালিয়াকান্দি উপজেলারাজবাড়ী সদর উপজেলা, পূর্বে ফরিদপুর সদর উপজেলাবোয়ালমারী উপজেলা, দক্ষিণে বোয়ালমারী উপজেলা এবং পশ্চিমে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

পৌরসভা[সম্পাদনা]

মধুখালী উপজেলায় একটি মাত্র পৌরসভা রয়েছে- মধুখালী পৌরসভা

  • [এক নজরে মধুখালী পৌরসভা

১। স্থাপিত ঃ ২৬ শে আশ্বিন ১৪১৯ বাং, ‍১১ ই অক্টোবর ২০১২ খ্রিঃ২। আয়তন ঃ ১২ বর্গ কি.মি. ৩। জনসংখ্যা ঃ ২৪,০৩২ (পুঃ ১২,০৪৯, মহিলা- ১১,৯৮৩)৪। ওয়ার্ড ঃ ৯টি৫। মহল্লা ঃ ১৬টি]*

ইউনিয়ন[সম্পাদনা]

মধুখালী উপজেলায় রয়েছে ১১ টি ইউনিয়ন:

  1. গাজনা
  2. নওপাড়া
  3. বাগাট
  4. মেগচামী ইউনিয়ন
  5. কামারখালী
  6. জাহাপুর
  7. রায়পুর
  8. ডুমাইন
  9. আড়পাড়া ইউনিয়ন
  10. কোড়কদী ইউনিয়ন
  11. কামালদিয়া ইউনিয়ন

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

নদনদী[সম্পাদনা]

মধুখালী উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে গড়াই নদী, মধুমতি নদী, কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ), চন্দনা-বারাশিয়া নদী এবং পুরুষালী নদী।[২][৩]

বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

ফরিদপুর চিনি কল লিমিটেড[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সামান্য উত্তর দিকে এই ফরিদপুর চিনি কল লিমিটেড নামের এই শিল্প কমপ্লেক্সটি অবস্থিত।[৫][৬][৭] এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।[৮]

মুথুরাপুর দেউল মন্দির[সম্পাদনা]

মথুরাপুর দেউল এই উপজেলায় অবস্থিত একটি দেউল বা মঠ। এই প্রত্নতাত্ত্বিক অবকাঠামোটি আনুমানিক ষোড়শ শতাব্দীতে তৈরি করা হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়; তবে কারো কারো অনুমান এটি সপ্তদশ শতকের স্থাপনা।[৯] আনুমানিক ১৬০০ সালে মুথুরাপুর দেউল মন্দির তৈরি করা হয়।

মুথুরাপুর দেউল মন্দির, মধুখালী, ফরিদপুর

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মধুখালী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৭, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৫, ISBN 984-70120-0436-4.
  4. দৈনিক প্রথম আলো, "তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না"| তারিখ: ১৯-১২-২০১২
  5. আর্থসামাজিক উন্নয়নে ফরিদপুর চিনিকল।
  6. উপজেলা তথ্য বাতায়ন।
  7. ফরিদপুর চিনিকল সিবিএ নির্বাচন।
  8. আখমাড়াই মৌসুমে ফরিদপুর চিনিকল জোড়াতালি দিয়ে চলছে।
  9. কোদলা মঠ - বাংলাপিডিয়া।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]