গোপালপুর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গোপালপুর
উপজেলা
গোপালপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোপালপুর
গোপালপুর
বাংলাদেশে গোপালপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৪৭″ উত্তর ৮৯°৫৫′০″ পূর্ব / ২৪.৫৬৩০৬° উত্তর ৮৯.৯১৬৬৭° পূর্ব / 24.56306; 89.91667স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৪৭″ উত্তর ৮৯°৫৫′০″ পূর্ব / ২৪.৫৬৩০৬° উত্তর ৮৯.৯১৬৬৭° পূর্ব / 24.56306; 89.91667 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাটাঙ্গাইল জেলা
আয়তন
 • মোট১৯৩.৩৭ কিমি (৭৪.৬৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২,৫২,৩৩১[১]
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৩%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৯৩ ৩৮
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

গোপালপুর বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি ঢাকা বিভাগের অধীন টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে একটি এবং টাঙ্গাইল জেলার উত্তরে অবস্থিত। গোপালপুর উপজেলার উত্তরে ধনবাড়ী, মধুপুর উপজেলা পূর্বে মধুপুরঘাটাইল উপজেলা, দক্ষিণে ঘাটাইল এবং ভূঞাপুর উপজেলা, পশ্চিমে যমুনা নদীসরিষাবাড়ী অবস্থিত। [২] এ উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে দুইটি নদী। একটির নাম ঝিনাই নদী অন্যটি বৈরাণ নদী, গোপালপুর শহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত। [৩][৪]

গোপালপুর থানা গঠিত হয় ১৯২০ সালে, থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে এবং গোপালপুর পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। [৫]

এটি একটি কৃষিপ্রধান অঞ্চল। উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তনের পূর্বে এ উপজেলাটি গোপালপুর থানা নামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয়। ঢাকার মহাখালি থেকে গোপালপুরের দূরত্ব ১৩৫ কিমি [৬][৭] এবং জেলা সদর থেকে ৪৫ কিমি [৭] উত্তরে এর অবস্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গম্বুজ এবং দ্বিতীয় উচ্চতম মিনার বিশিষ্ট ২০১ গম্বুজ মসজিদ এই উপজেলার পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত। [৮]

এই উপজেলাটি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংসদীয় আসন টাঙ্গাইল-২। গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটি জাতীয় সংসদে ১৩১ নং আসন হিসেবে চিহ্নিত। [৯]

পটভূমি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন: টাঙ্গাইল জেলা
পরীর দালান, হেমনগর জমিদার বাড়ি, গোপালপুর, টাঙ্গাইল
বঙ্গবন্ধুর কোলে লালু (পাশে দাঁড়ানো বঙ্গবীর)
২০১ গম্বুজ মসজিদ, পাথালিয়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল

ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীনকালে এ অঞ্চলটি আসামের কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল। মধ্যযুগে ১৪শ শতাব্দীর শেষভাবে অঞ্চলটি খেন্ রাজবংশের অন্তর্গত ছিল।[১০] পরবর্তীতে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ কামতা রাজ্য জয় করার পর অঞ্চলটি মুসলমানদের দখলে চলে আসে। হোসেকামতা রাজ্যন শাহর পুত্র নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ পরবর্তীতে এ অঞ্চলটি শাসন করেন এবং সে সময় এটি নাসিরাবাদের (বর্তমান ময়মনসিংহ) অন্তর্ভূক্ত ছিল। ব্রিটিশ শাসনামলে নাসিরাবাদের নাম পরিবর্তন করে বৃহত্তর ময়মনসিংহ রাখা হয়। ১৮৬৯ সালের ১লা ডিসেম্বর ময়মনসিংহ থেকে টাঙ্গাইলেকে আলাদা জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয় [১১] এবং গোপালপুর টাঙ্গাইল জেলায় অন্তর্ভূক্ত হয়। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে টাঙ্গাইল ১৯তম জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কর্তৃক ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘ টাঙ্গাইল জেলায় স্থাননাম বিচিত্রা’ নামক গ্রন্থে গোপালপুরের নামকরণ নিয়ে দুই ধরনের মতামতের উল্লেখ আছে। কারো মতে মুঘল শাসনামলে গোপাল শাহ নামক একআফগান দরবেশ এখানে এসে আস্তানা গেড়েছিলেন। তার নামুনুসারে গোপালপুরের নামকরণ হয়েছে। অন্য মতে চট্রগ্রাম থেকে আগত গোপাল জমিদার রাণীভবানীর নিকট হতে এ মৌজা পত্তনি নেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তার নামানুসারে নাম হয় গোপালপুর। এখানে পুর বলতে বাড়ী বা আস্তানা বুঝানো হয়েছে। দ্বিতীয় অভিমত  অধিকতর সঠিক গণ্য করা হয়। ১৯০৪ সাল অবধি গোপালপুর মৌজা হিন্দু অধ্যুষিত ছিল এবং হিন্দু মহাজনরা বৈরান নদীর তীরে গোপালপুর মৌজার নন্দনপুর এলাকায় পাটের কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। হিন্দু ব্যবসায়ীরা এখানকার কারখানায় পাট বেলিং করে বৈরান নদী পথে কোলকাতায় চালান দিত। [১২]

১৯৭১ সালের ৭ অক্টোবর গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অবস্থান গোপালপুর থানায় আক্রমণ করেন। শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের চারদিক থেকে অবরোধ করেন। এই সময় একদিন শহীদুল ইসলাম ছদ্মবেশে পাকিস্তানি সেনাদের ঘাঁটিতে যান। তাদের বিভিন্ন ফাই-ফরমাশ খেটে আস্থা অর্জন করেন। পরে গ্রেনেডসহ ঘাঁটিতে প্রবেশ করে সেখানে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিরাপদে ফিরে আসেন। এতে পাকিস্তানি সেনারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা থানা দখল করে, অস্ত্র ও গোলাবারুদ হাতিয়ে নেয় ও থানায় ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। [১৩] নভেম্বরের শেষ দিকে মুক্তিযোদ্ধারা আবার গোপালপুর আক্রমণ করেন। দু-তিন দিন যুদ্ধ চলে। এরপর পাকিস্তানি সেনারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই যুদ্ধেও শহীদুল ইসলাম অংশ নেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরমুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ‘বীরবিচ্ছু’ [১৪] হলেন গোপালপুর উপজেলার পৌর এলাকার সূতীপলাশ পাড়া গ্রামের শহীদুল ইসলাম লালু। তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহান স্বাধনীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রেখে বীর প্রতীক খেতাব পেয়ে ছিলেন। [১৫]

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থান ২৪°৩৩′২৯.৮৮″ উত্তর ৮৯°৫৫′০.১২″ পূর্ব / ২৪.৫৫৮৩০০০° উত্তর ৮৯.৯১৬৭০০০° পূর্ব / 24.5583000; 89.9167000 (Gopālpur Upazila, Tangail District)। গোপালপুর উপজেলা টাঙ্গাইল জেলা সদর থেকে ৪৫ কিঃ মিঃ উত্তরে অবস্থিত। [৭]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

একটি পৌরসভা এবং ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে এ উপজেলা গঠিত। [১৬] ইউনিয়নগুলো হলো- হাদিরা ইউনিয়ন, নগদা শিমলা ইউনিয়ন, ঝাওয়াইল ইউনিয়ন, হেমনগর ইউনিয়ন, আলমনগর ইউনিয়ন, মির্জাপুর ইউনিয়ন এবং ধোপাকান্দি ইউনিয়ন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯০৪ সাল পর্যন্ত গোপালপুর মৌজা হিন্দু অধ্যুষিত ছিল এবং হিন্দু মহাজনরা বৈরান নদীর তীরে গেপালপুর মৌজার নন্দনপুর এলাকায় পাটের কারখানা গড়ে তুলেন। ১৯৭২ সালে গোপালপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ভূঞাপুর উপজেলা গঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে গোপালপুর উপজেলার মুশুদ্দী ইউনিয়নকে মধুপুর উপজেলার অমর্ত্মভূক্তকরা হয়। পরবর্তীতে মুশুদ্দী ইউনিয়ন ধনবাড়ি উপজেলার অমর্ত্মভূক্ত হয়। [১৭]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

এর আয়তন ১৯৩.৩৭ বর্গ কিমি। ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী লোক সংখ্যা ২,৫২,৩৩১ জন। [১৮] এর মধ্যে ১,২৩,৫০৪ জন পুরুষ ও ১,২৮,৮২৭ জন মহিলা। শিক্ষার হার শহরে ৪২.৬% ও গ্রামে ৪১.১%।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

গোপালপুর মূলত কৃষিপ্রধান অঞ্চল। একসময় পাট ব্যবসায় বিশেষ প্রসিদ্ধ ছিল। প্রধান শস্য ধানের পাশাপাশি প্রচুর পাট উৎপাদন করত স্থানীয় কৃষকরা। নদীপথে দূর দুরান্তের বিভিন্ন স্থানে নৌকা বোঝাই পাট যেত। কিন্তু পাট ব্যবসা ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যায়। ২০০১ সালের ভূমিজরিপ অনুসারে গোপালপুরের জনগণের আয়ের প্রধান উৎস ছিল কৃষি ৬৬.৯৩%। বর্তমানে প্রধান কৃষিজ ফসল হল ধান, গম, পাট, আলু, শাকসবজি। ফলমূলের মধ্যে কাঁঠাল, আম, কলা, পেঁপে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়। উপজেলার অনেক ইউনিয়নে গবাদি পশু পালন, গরু মোটা তাজাকরণ, মৎস চাষ ও পোলট্রিশিল্প [১৯] রয়েছে।

এ উপজেলায় টেক্সটাইল মিল, টুপি ফ্যাক্টরি, [২০] চাল কল, ইট ভাটা, ওয়েল্ডিং, তেল কল, স্টিল ও কাঠের আসবাবপত্র তৈরির কারখানা রয়েছে। এছাড়া বাঁশ ও বেতের কাজ, স্বর্ণশিল্প, মৃৎশিল্পের কাজও হয় এ উপজেলায়। [২১]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৯০০ সালে হেমনগরে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এ স্কুলের জন্য তিনি কোন সরকারি সাহায্য নেননি। স্কুলটি এখন শশীমুখি উচ্চবিদ্যালয় নামে পরিচিত। এটি সেই সময়কার গোপালপুর থানার প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কেদারনাথ মজুমদারের ‘ময়মনসিংহের বিবরণ’ গ্রন্থে দেখা যায়, ১৯০৪ সালে হেমনগর হাইস্কুলের শিক্ষার্থী ছিল ২০১ জন। ১৯০৪ সালে গোপালপুর উপজেলায় ইংরেজি জানা লোকের সংখ্যা ছিল ৬৯৯ জন। এরপর ব্রিটিশ শাসনামলেই ঝাওয়াইল হেমন্তকুমারী হাইস্কুল, নন্দনপুর গার্লস হাইস্কুল, সূতি ভিএম হাইস্কুল এবং ভুটিয়া প্রাইমারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে এই উপজেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: গোপালপুর সরকারি কলেজ (প্রতিষ্ঠা- ১৯৬৮), মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজ (প্রতিষ্ঠা- ১৯৯৫), রাধারাণী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা- ১৯০২), সূতী ভি.এম. পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা- ১৯২০)। [২২]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শণীয় স্থান[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.citypopulation.de/php/bangladesh-admin.php?adm2id=9338
  2. "গোপালপুর উপজেলার ইতিহাস ও ভৌগলিক তথ্য"gopalpurbarta24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  3. "বৈরান নদী এখন দখলে বিরান"kalerkantho.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  4. "গোপালপুরে ঝিনাই নদীর ভাঙ্গণে সড়ক বিলীণ"bhorerkagoj.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  5. "গোপালপুর উপজেলা"বাংলা পিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ 
  6. "আন্তঃজেলা বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা- ২০১৬" (PDF)brta.portal.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  7. "যোগাযোগ ব্যবস্থা"tangailsadar.tangail.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  8. "২০১ গম্বুজ মসজিদ"amartangail.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  9. "List of 11th Parliament Members Bangla"parliament.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  10. (Sarkar 1992:44)
  11. D. Shamsul Haque Mia (মার্চ ১৯৯৯)। Education in Tangail। Tangail Forum। পৃষ্ঠা 26–27। 
  12. "গোপালপুর উপজেলার ইতিহাস ও ভৌগলিক তথ্য"gopalpurbarta24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  13. "গোপালপুর উপজেলা"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  14. "খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা লালু"mzamin.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  15. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, ১১ মার্চ, ২০০৪, পৃ:১০৮০-১১১২, শেখ মো: মোবারক হোসেন(উপ সচিব), উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকার মুদ্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত। মো: আমিন জুবেরী আলম, উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশণা অফিস
  16. "ইউনিয়ন সমূহ"gopalpur.tangail.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  17. "গোপালপুরের ভৌগলিক পরিচিতি"gopalpur.tangail.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  18. "গোপালপুর"সিটি পপুলেশন ডট ডিই (ইংরেজি)। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ 
  19. "পোলট্রিশিল্প বদলে দিচ্ছে মানুষ, গ্রাম ও অর্থনীতি : কর্মসংস্থানে গার্মেন্টসশিল্পের পরেই অবস্থান"bhorerkagoj.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  20. "মোহনপুরের টুপি যাচ্ছে বিভিন্ন দেশে"dailynayadiganta.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  21. "গোপালপুর উপজেলা"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  22. "গোপালপুর উপজেলা"জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  23. "খান, হাতেম আলী"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  24. "১ প্রতিষ্ঠান, ২০ বিশিষ্ট নাগরিক পাচ্ছেন একুশে পদক"ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  25. "'একুশে পদক ২০২০' গ্রহণ করলেন টাঙ্গাইলের গর্ব ড. নুরুন নবী"কারক নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]