তাড়াইল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তারাইল
উপজেলা
তারাইল
নাম: তারাইল
তারাইল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তারাইল
তারাইল
বাংলাদেশে তাড়াইল উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩২′২১″ উত্তর ৯০°৫২′৪৫″ পূর্ব / ২৪.৫৩৯১৭° উত্তর ৯০.৮৭৯১৭° পূর্ব / 24.53917; 90.87917স্থানাঙ্ক: ২৪°৩২′২১″ উত্তর ৯০°৫২′৪৫″ পূর্ব / ২৪.৫৩৯১৭° উত্তর ৯০.৮৭৯১৭° পূর্ব / 24.53917; 90.87917 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাকিশোরগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট১৪১.৪৬ কিমি (৫৪.৬২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট১,৫৯,৭৩৯
 • ঘনত্ব১১০০/কিমি (২৯০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট৭৩%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

তারাইল বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ১৪১.৪৬ বর্গ কি.মি এর এই তাড়াইল উপজেলাটি ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে কেন্দুয়া উপজেলা এবং মদন উপজেলা, দক্ষিণে করিমগঞ্জ উপজেলা; পূর্বে ইটনা উপজেলা আর পশ্চিমে নান্দাইল উপজেলা এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

১৪১.৪৬ বর্গ কি.মি এলাকার সমন্বয়ে গঠিত তাড়াইল থানা বর্তমানে একটি উপজেলা, এতে ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৭৫টি মৌজা, ১০৪টি গ্রাম আছে। ইউনিয়ন গুলো হচ্ছে: তালজাঙ্গা, রাউতি, ধলা, জাউয়ার, দামিহা, দিগদাইর, তারাইল-সাচাইল

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ১৩৮৪৮৮ জন; পুরুষ ৫১.৬০%,মহিলা ৪৮.৪০%, মুসলিম ৯৩.৫২%, হিন্দু ৫.৭১%, বৌদ্ধ ০.৩১%, খ্রীস্টান ০.৩২% এবং অন্যান্য ০.১৪%।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

গড় স্বাক্ষরতা ১২.৬০%; পুরুষ ২০.২%, মহিলা ৩.৭%। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানঃ কলেজ ১টি, উচ্চ বিদ্যালয় ৮টি,জুনিয়র হাই স্কুল ১টি, মাদ্রাসা ৬টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪৬টি, কমিউনিটি বিদ্যালয় ২০টি। উল্লেখযোগ্য পুরনো প্রতিষ্ঠান তাড়াইল পাইলট হাই স্কুল(১৯৪৫)।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

মসজিদ ১৬৭টি,মন্দির ৭টি,মাজার ২টি, তার মধ্যে বিশেষ উল্যেখযোগ্য হচ্ছে সেকান্দারনগর মসজিদ, তাড়াইল বাজার বড় মসজিদ।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক সংগঠন[সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক সংগঠন ক্লাব ২টি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ২০টি,সিনেমা হল ২টি, সার্কাস পার্টি ১টি,শিক্ষা সংগঠন ১টি, খেলার মাঠ ২১টি।

প্রধান পেশাসমূহ[সম্পাদনা]

কৃষি ৪২.৬৯%,মাছ ধরা ২.৫১,কৃষি মজদুরি ২৮.৪৯%, দিনমজুর ৩.৮৮%, ব্যবসায় ৯.২৩%, চাকুরী ২.৪৬%, অন্যান্য ১০.৭৪%। কৃষকের মাঝে জমির বণ্টন ৪২.১০% ভূমিহীন, ৪১.৬৮% ছোট, ১৪.৭৩%মাঝারী, ১.৪৯% ধনী চাষী।

প্রধান শস্য[সম্পাদনা]

ধান,গম,পাট,সরিষা। বিলুপ্ত বা প্রায় বিলুপ্ত শস্য তিল,তিসি,আমন ধান(বাউয়া) ও ডালের বিভিন্ন জাত।

প্রধান ফল[সম্পাদনা]

আম,কাঁঠাল,লিচু,কুল ইত্যাদি।

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

পাঁকা রাস্তা ৩৫ কি.মি.,আধাপাঁকা ১২কি.মি. এবং মাটির রাস্তা ২০৯কি.মি.,জলপথ ১১ নটিক্যাল মাইল।

ঐতিহ্যবাহী যানবাহন[সম্পাদনা]

পাল্কি,ঘোড়ার গাড়ি এবং গরুর গাড়ি।এই যানবাহনগুলো এখন প্রায় বিলুপ্ত।

ডেইরী ফার্ম ও পোল্ট্রী[সম্পাদনা]

মাছের খামার ২১টি,পোল্ট্রী ৩৩টি,হ্যাচারী ১টি।

শিল্পকারখানা[সম্পাদনা]

বরফ কল ৫টি, স’মিল ৩টি, রাইস মিল ১৫টি, ওয়েল্ডিং ৭টি, সাবানের ফ্যাক্টরী ১টি, বেকারী ৩টি।

কুটির শিল্প[সম্পাদনা]

বাঁশের কাজ ২৫৫, স্বর্ণকার ২৮,কামার ৫৫, কুমোর ৭২,কাঁঠের কাজ ৫০,দর্জি ১৫০।

হাট, বাজার,মেলা[সম্পাদনা]

মোট হাট বাজার ৭টি;তার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হাট-বাজার হচ্ছে তাড়াইল,জাওয়ার,পুরুয়া, তালঝংগা, রাউতি, বানাইল, কাউয়াখালি (ধলা) ; মেলা ৩টি(অষ্টামী মেলা,বারুনি মেলা, রথযাত্রা মেলা)।

প্রধান রপ্তানীজাত পণ্য[সম্পাদনা]

ধান, পাট, ও সরিষা

এন.জি.ও কার্যক্রম[সম্পাদনা]

কার্যত গুরুত্বপূর্ন এন.জি.ও(N.G.O)গুলো হচ্ছে ব্র্যাক, আশা, স্বনির্ভর, ও প্রশিকা।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহ[সম্পাদনা]

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ১টি, পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র ২টি, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ৪টি।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে তাড়াইল"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]