মনোহরদী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মনোহরদী
উপজেলা
মনোহরদী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মনোহরদী
মনোহরদী
বাংলাদেশে মনোহরদী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৭′৩১″ উত্তর ৯০°৪২′১৪″ পূর্ব / ২৪.১২৫২৮° উত্তর ৯০.৭০৩৮৯° পূর্ব / 24.12528; 90.70389স্থানাঙ্ক: ২৪°৭′৩১″ উত্তর ৯০°৪২′১৪″ পূর্ব / ২৪.১২৫২৮° উত্তর ৯০.৭০৩৮৯° পূর্ব / 24.12528; 90.70389 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা নরসিংদী জেলা
আয়তন
 • মোট ১৯৩.৬০ কিমি (৭৪.৭৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৮৪,৫৬৩
 • ঘনত্ব ১৫০০/কিমি (৩৮০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪৬%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ১৬৫০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

মনোহরদী উপজেলা বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়াকটিয়াদি উপজেলা, পূর্বে বেলাবো উপজেলা, দক্ষিণে শিবপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ওয়ারী বটেশ্বর সভ্যতার পরে অযোদ্ধার রামচন্দ্রের কিছু অনুসারী রায়পুর এলাকায় বসতি স্থাপন করে। তারপর চন্ডীপাড়ায় চন্ডী রাজা বসতি স্থাপন করেন। জনশ্রুতি রয়েছে কৃষ্ণের অনুসারীগণ কৃষ্ণপুরে বসতি স্থাপন করেন। ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানের আর্যকর্তৃক বিতারিত অনার্যদের আশ্রয় স্থল হয় মনোহরদী। এখানকার সংস্কৃতি গড়ে উঠে রাম, শ্রীকৃষ্ণ ও বৈদিক সংস্কৃতির দ্বারা; এক কথায় বলা চলে ধর্মভিত্তিক। চন্ডী রাজা শাহইরান কর্তৃক পরাজিত হলে এখানে ইসলাম ধর্মের উম্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে জৈনপুরের কেরামত আলী ও হাজী শরীয়ত উল্লাহর মাধ্যমে মুসলিম পূর্নজাগরের সংস্কৃতির চালু হয়।

মনোহরদী থানা প্রতিষ্টিত হয় ১৯০৪ সালে। ১৯০৪ সালে মনোহরদীতে পুলিশী থানা প্রতিষ্টিত হওয়ার র্পূবে এ জনপদটি ছিল রায়পুরা থানার অন্তগর্ত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

১.চালাকচর ইউনিয়ন ২.বড়চাপা ইউনিয়ন ৩.কৃষ্টপুর ইউনিয়ন ৪.খিদিরপুর ইউনিয়ন ৫.লেবুতলা ইউনিয়ন ৬.কাচিকাটাঁ ইউনিয়ন ৭.গোতাশিয়া ইউনিয়ন ৮.চন্দনপুর ইউনিয়ন ৯.শুকুন্দি ইউনিয়ন ১০.একদরিয়া ইউনিয়ন ১১.মনোহরদী পৌরসভা ১২. চরমান্দালিয়া ইউনিয়ন

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

এখানকার মোট জনসংখ্যা ২,৮৪,৫৬৩ জন; যার মধ্যে পুরুষ ১,৩৯,৫৫৬ জন এবং মহিলা ১,৪৫,০০৭ জন।

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১ টি
কমিউনিটি ক্লিনিক ৩৩ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১১ টি
বেডের সংখ্যা ৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা ৩১ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা ৩১ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা ১৫টি
সহকারী নার্স সংখ্যা ১টি

শিক্ষা[সম্পাদনা]

মনোহরদি উপজেলার শিক্ষার হার ৬৯%। এখানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০২টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৯টি, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬টি, জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৬টি, উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা) ২৩টি, উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) ১৪টি, দাখিল মাদ্রাসা ১৩টি, আলিম মাদ্রাসা ৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৮টি, কলেজ(সহপাঠ) ৮টি, কারিগরি কলেজ ৩টি, সরকারি কলেজ ০১টি

কৃষি[সম্পাদনা]

এই এলাকার প্রধান কৃষি ফসল হচ্ছে ধান,পাট,কলা,গম,আলু,বাদাম,আপেল কুল,মাছ,শিম,চালকুমড়া, পেপে,টমেটো, বেগুন, শসা,কেলাই,পেয়ারা উল্লেখ যোগ্য ফসল উৎপাদন হয়

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এ অঞ্চলের প্রধান ফসল ধান, কলা, পাট, ইটের বাটা, প্লাস্টিক শিল্প, কুটির শিল্প, মৎস হেচারী, গবাদী পশুর খামার, ইত্যাদি উপজেলার সবচেয়ে সমৃদ্ধি শালী অর্থনীতি প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে চালাকচর বাজার বিশেষ করে কাপড়ের ব্যবসার ছোট বড় চার থেকে পাচঁশত দোকান রয়েছে ফারর্নিচার শিল্প ও উল্লেখযোগ্য।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

  • পাকা রাস্তা - ৩১৫.০০ কিলোমিটার;
  • কাচা রাস্তা - ২৫২.০০ কিলোমিটার;
  • ব্রীজ/কালভার্ট - ৬০৪টি;
  • নদ-নদী - ৪টি।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

  • সাগরদীর জমিদার বাড়ি (বাবুর বাড়ী)
  • চালাকচর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
  • হাফিজপুর পাচঁতারা বাইতুল আমান জামে মসজিদ

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মনোহরদী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]