সিঙ্গাইর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সিঙ্গাইর
উপজেলা
সিঙ্গাইর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সিঙ্গাইর
সিঙ্গাইর
বাংলাদেশে সিঙ্গাইর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৮′৪৩″ উত্তর ৯০°৯′৫″ পূর্ব / ২৩.৮১১৯৪° উত্তর ৯০.১৫১৩৯° পূর্ব / 23.81194; 90.15139স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৮′৪৩″ উত্তর ৯০°৯′৫″ পূর্ব / ২৩.৮১১৯৪° উত্তর ৯০.১৫১৩৯° পূর্ব / 23.81194; 90.15139 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলামানিকগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট২১৭.৫৬ কিমি (৮৪.০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,৮৭,৪৫১
 • জনঘনত্ব১৩০০/কিমি (৩৪০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৬.২০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড১৮২০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

সিঙ্গাইর বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে ধামরাই উপজেলা, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, দক্ষিনে নবাবগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণ-পূর্বে কেরানীগঞ্জ উপজেলা এবং পূর্বে সাভার উপজেলা অবস্থিত।

সাভার-সিঙ্গাইর (উপজেলা) আঞ্চলিক মহাসড়ক

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ -

  1. বায়রা ইউনিয়ন
  2. তালেবপুর ইউনিয়ন
  3. সিংগাইর ইউনিয়ন
  4. বলধারা ইউনিয়ন
  5. জামশা ইউনিয়ন
  6. চারিগ্রাম ইউনিয়ন
  7. শায়েস্তা ইউনিয়ন
  8. জয়মন্টপ ইউনিয়ন
  9. ধল্লা ইউনিয়ন
  10. জামির্তা ইউনিয়ন
  11. চান্দহর ইউনিয়ন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নামকরণ[সম্পাদনা]

সিংগাইর নামকরণে সমীক্ষায় দেখা যায় সাংস্কৃত শৃঙ্গরের (শৃঙ্গী+বের) শব্দ থেকে রূপান্তরিত হয়ে সিংঙ্গাইর শব্দটির উৎপত্তি। উৎপত্তিগত বিশেষণে শৃঙ্গবের শব্দটির রূপান্তর ধরো এরূপঃ শৃঙ্গবের>শিঙ্গু এর > সিঙ্গুএর> সিঙ্গাইর। শৃঙ্গবের শব্দটির অপভ্রংশ সিঙ্গুএর থেকে সিংগাইর। শৃঙ্গবের এই মূল শব্দটির অর্থ গুহক চন্ডালের নগর। রামায়নে উলেস্নখিত গুহক অর্থ নিষাদরাজ (চন্ডাল ও জেলে) । হিন্দু পুরানে উলেস্নখিত চন্ডাল ( চাঁড়াল ) অর্থ নিম্নশ্রেণীর  হিন্দু সম্প্রদায়। তাই বলা যায়, এখানে কারণ  আদিবাসী নিম্ন শ্রেনীর জনবসতি ছিল বলে এর নাম সিঙ্গাইর হয়েছে। বর্তমানে কেউ কেউ সিংগাইর ও লিখা থাকে। সিংগাইর ও সন্নিহিত অঞ্চলের অধিকাংশে লোক দ্রাবিড় বংশোদ্ভব বলে পরিদৃষ্ট হয়। হাজার হাজার বছর পূর্বে, মধ্য এশিয়া থেকে আগত আর্যদের উন্নত শাসন  ব্যবস্থা ও  সংস্কৃতির নিকট ক্রমান্বয়ে পরাজিত দ্রাবিড়গণ, উপমহাদেশের দক্ষিণ ও দূর্গম পূবাঞ্চলে  সরে আসে। হিজরতকারী দ্রাবিড়গণের একাংশ এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন। তাদেরই অধস্তন বংশধরেরা বর্তমান সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসাবে সিংগাইর ও সন্নিহিত অঞ্চলে বসবাস করছেন। এতদঞ্চলের জনপদের  প্রাচীনত্ব উল্লেখিত সূত্র থেকে অনুমান করে নেয়া যায়। উপজেলা সদরের দুই মাইল পশ্চিমে চাড়াভাংগা নামক গ্রামে  কিছু আদিম জাতীয় অধীবাসীদের অস্তিত্ব এখনো দেকা যায়। স্থানীয় ভাষায় এরা ‘বইনা’ (অর্থাৎ চমার কৃষ্ণবর্ণ) বলে আখ্যায়িত। এরা আদিম কাল বা ঐরূপ কোন জাতির বংশধর বলে মনে করা হয়।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২১৭.৫৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সিংগাইর উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২,৮৭,৪৫১ জন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে সিংগাইর"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১২ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]