আওরঙ্গজেব মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আওরঙ্গজেব মসজিদ
আওরঙ্গজেব মসজিদ, শালংকা, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ (দরজা ২)- পলিন.jpg
আওরঙ্গজেব মসজিদ, শালংকা, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
ধরনপ্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
অবস্থানপাকুন্দিয়া
অঞ্চলকিশোরগঞ্জ জেলা
মালিকবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর শালংকা গ্রামের মিঞাবাড়ি পরিবার (উত্তরসূরি)
সূত্র নংBD-C-26-73

আওরঙ্গজেব মসজিদ কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ও বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আওরঙ্গজেব মসজিদের বাইরের অংশ

ঐতিহাসিক আওরঙ্গজেব মসজিদটি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নে অবস্থিত। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে এটি নির্মণ করা হয়েছে বলে এর নাম তৎকালীন সম্রাটের নামানুসারেই রাখা হয়েছে।

মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজদরবারে শেখ মুহাম্মদ হানিফ নামে এক মুহাদ্দিস ছিলেন। উনার জ্ঞানের প্রতি খুশি হয়ে সম্রাট আওরঙ্গজেব শেখ মুহাম্মদ হানিফকে ৬২ মৌজার জাইগির দান করেন। অতঃপর শেখ মুহাম্মদ হানিফ সম্রাট আওরঙ্গজেবের নির্দেশে ‍দিল্লি থেকে এ অঞ্চলেে এসে জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্ততে উনার হাত ধরেই এ মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়।

মসজিদটি নির্মণ করা হয়েছিল ১৬৬৯ সালে। ১৯০৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এই মসজিদকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।[১]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

চতুর্ভূজাকৃতির এ মসজিদের চার কোণায় চারটি মিনারের মাধ্যমে একখন্ড উঁচু জমির উপর মসজিদটি নির্মিত। মসজিদের পূর্ব পাশের দেয়ালে তিনটি প্রবেশপথ রয়েছে যার মধ্যে মাঝের অর্থাৎ কেন্দ্রীয় প্রবেশপথটি অপেক্ষাকৃত বড় আকৃতির। এছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট দুটি প্রবেশপথ রয়েছে। আওরঙ্গজেব মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট।

আওরঙ্গজেব মসজিদের ভেতরের অংশ

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]